এ ব্লগে আর কোন মৌলিক লেখার দরকার নেই, যেহেতু আমি আমার নিকৃষ্টতম লেখার স্বত্ব ও কাউকে দিতে রাজী নই

যুদ্বাপরাধীদের বিচার না হওয়া||অপরাধপ্রবন সমাজের গোড়াপত্তন
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ৮:১২
একটা সমাজের ঠিক কত অংশ মানুষ অপরাধী হলে , গোটা সমাজ অপরাধপ্রবন হয়ে উঠে?
সমাজবিজ্ঞান কিংবা সাইকোলজি নিয়ে যারা কাজ করেন, নিখাদ তথ্য তারা দিতে পারেন । আমি বানিজ্য অনুষদের মানুষ । স্রেফ ব্যক্তিগত আগ্রহ এই সব ভাবনার জন্ম দেয় ।
বিশ্বের শীর্ষদুর্নীতিবাজ রাষ্ট্র চিহ্নিত হতে যেহেতু বাংলাদেশের সকল নাগরিকের দুর্নীতিবাজ হতে হয়নি, তাই উপলব্দি হয়- একটা ক্ষুদ্র অপরাধী গোষ্ঠি ও যদি ক্রমশঃ শক্তিশালী হয়ে উঠে, তারা বুঝে ফেলে বিচারের মুখোমুখি তাদের হতে হবেনা- তাহ্লে গোটা সমাজ ধীরে ধীরে আক্রান্ত হয় ।
মুক্তিযুদ্ধের সময়টাতে সংগঠিতভাবে হত্যা, ধর্ষন, লুটতরাজ সক্রিয় ছিলো কতোজন ? ধরে নিচ্ছি সংখ্যাটা ৫০ হাজার ।
তাহলে বাংলাদেশ রাষ্ট্র তার যাত্রা শুরু করেছিল ৫০ হাজার চিহ্নিত অপরাধীকে নিয়ে । ১৬ ই ডিসেম্বরের পর পর হয়তো কয়েক হাজার মারা গেছে মুক্তিযোদ্ধা ও ভুক্তভোগীদের হাতে ।
প্রথমে ৩৬ হাজার দালালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো । আমেরিকা , চীনের চাপ ও পাকিস্তানে আটক বাংলাদেশীদের মুক্তির বিবেচনায় সাধারন ক্ষমা করা হলো ২৬ হাজারকে । এরা কিন্তু নির্দোষ প্রমানিত নয়। অপরাধী হিসেবেই ক্ষমা পেয়েছে । এই ২৬ হাজার এসে মিশে গেলো সমাজে ।
অপরাধীদের সর্দার গুলো পালিয়ে গেলো পাকিস্তানে । কারাগারে রয়ে যাওয়া ১০ হাজারের বিচারকাজ চলছিলো, কিছু সংখ্যকের রায় হয়ে শাস্তি ও ভোগ করছিলো ।
এই ১০ হাজার গুরুতর অপরাধী ও বের হয়ে এলো ৭৫ এর মুজিব হত্যাকান্ডের পর । কে জানে, যে কয়টা কারনে মুজিব হত্যা জরুরী হয়ে পরেছিলো, ১০ হাজার দাগী অপরাধীর মুক্তি ও তার মাঝে একটি কিনা ?
সাধারন ক্ষমার ২৬ হাজার, জিয়াউর রহমানের দালাল আইনের বাতিলের ১০ হাজার আর জিয়া-মোশতাক আমলে পাকিস্তান থেকে ফিরে আসা সর্দার গন----- অপরাধীদের নেটওয়ার্ক পুর্নগঠিত হতে সময় লাগেনি সাড়ে তিন বছর ও ।
শুধু পুর্নগঠিত হওয়া নয়, এই ৩৬ হাজার অপরাধী পুর্নবাসিত হতে হতে চলে গেছে রাষ্ট্রক্ষমতার নিয়ন্ত্রনে, যে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধেই তাদের চরম অপরাধ ।
এও প্রমানিত যে, নিরপরাধ সাধারন মানুষ সংগঠিত থাকেনা, অপরাধীদের মতো । নিরপঅরাধ মানুষ ও ক্রমশঃ অপরাধী হয়ে উঠতে উত্তসাহী , যখন তার সামনে উদাহরন স্থির হয়ে থাকে । রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সংগঠিত সবচেয়ে চরম অপরাধের ও যখন শাস্তি হয়না, রাস্তায় থু থু ছিটানোর মতো নাগরিক অপরাধে কি আসে যায়?
*****
পাঠক বিভ্রান্ত হবেননা । উপরের ছবি কোনো ইসলামী ব্যাক্তিত্বের নয়, দুই যুদ্বাপরাধীর ।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে নভেম্বর, -০০০১ রাত ১২:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মাহবুব সুমন বলেছেন:
সোজা গুলি , হাত পা বান্ধনের দরকার নাই।
অরুনাভ বলেছেন:
একমত @ অনুভূতি...
নীলাভ বলেছেন:
এখানে দিলাম ৫। মনে মনে দিলাম ৫০০।
সুমনঃ আগের পোষ্ট টা পড়ুন তো ।
নীলাভ, অরুনাভঃ
ধন্যবাদ । সবাই মিলে আওয়াজ দিতে হবে ।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
আস্তমেয়ের সব পোস্টগুলো আবার পড়া শুরু করেছি , ব্লগস্পটের টাও । আপনার আগেরটাও পড়েছি ( আগে মিস করেছিলাম )
ধূসর ছায়া বলেছেন:
৫ এবং আমার প্রিয় পোস্ট হিসেবে রাখলাম ।
রাকিব হাসনাত সুমন বলেছেন:
অসাধারন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও শাস্তি হবেই হবে। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির মাটি একদিন তার হারানো পবিত্রতা ফিরে পাবেই।
ত্রিভুজ বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হওয়ার দরকার আছে। আওয়ামীলীগ এতবছর ক্ষমতায় থেকেও কেন তা করলো না সেটাই আজিব লাগে। সম্ভবত মুক্তিযুদ্ধ বেচে ক্ষমতায় যাবার সুযোগটা হাতছাড়া করতে চায় না.....
অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন:
ত্রিভুজ,আমি কালেভদ্রে মানুষকে গালি দেই ।
আজকে শুরু যখন করেছি , দিতে থাকবো ।
বাংলায় একটা প্রবাদবাক্য আছে - কুত্তার লেজ সোজা হয় না ।
আপনার মস্তিষ্ক ও কোনদিন উন্নত কোন জীবের পর্যায়ে যাবেনা ।
এইখানে কোন ইডিয়ট আওয়ামী লীগের কথা বলেছে?
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার দায়িত্বটা কেন আওয়ামী লীগের? গোল্লায় যাক আওয়ামী লীগ ও তার মতো সুবিধাবাদী রাজনীতির সব দল !
শুধু রাজাকার এবং তাদের ভাড়া-খাটা পশ্চাৎদেশ লেহনকারীদের রেহাই নাই ।
তিরিশ লক্ষ শহীদ হত্যায় পাকিস্তানী বাহিনীকে সহায়তাকারী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই ।
এই বিচার বাঙালি জাতিই করবে ।
অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন:
রাজাকার এবং তাদের ভাড়া-খাটা পশ্চাৎদেশ লেহনকারীদের রেহাই নাই ।
দ্রোহী বলেছেন:
রাজাকারের মায়েরে চুদি......
অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন:
আতর লাগায়ে মুখের দূর্গন্ধ ঢাকা যায় না । দাড়ি বড় করে যেমন যায় না জুতার দাগ । আর টুপি টা তো সব ভন্ডামি আড়াল করার জন্যে ।
জাতির পতাকা খামচে ধরা পুরনো শকুনেরা যতই ভেক ধরুক - আমরা তাদের খুঁজে বের করবোই ।
হিমু বলেছেন:
আওয়ামীলীগকে আর ভোট দিবো না, এরা লক্ষ লক্ষ বছর দেশ শাসন করেও কাজের কাজ করতে পারলো না। তারচেয়ে চলেন জামায়াতে ইসলামকে ভোট দেই, তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যবস্থা করবে।
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
তারচাইতে ত্রিভুজরে ভোট দে সবাই মিল্লা।আমারতো ভোট নাই, থাকলে আমি ব্যালট পেপারে লেইখা দিতাম "এই ভোটখানা আমার পাতানো শ্যালক ত্রিভুজের লাইগ্যা"।
হালার রামবলদাগু জানি কোথাকার।
অলৌকিক হাসান বলেছেন:
এই ব্লগের অনেক জারজ আছে যারা তাদের মায়ের পায়ুপথ দিয়া পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করিয়াছে এবং তাহাদের পূর্বপুরুষরা পাকি বাহিনীর ধনচোষন পেশায় নিয়োজিত ছিল। তাদের পায়ুপথনির্গমিত সন্তানেরা ব্লগে তাদের পাকি আব্বাদের পক্ষে পোস্ট মারেন।
নজমুল আলবাব বলেছেন:
সহমত ফারহান। আমার নানা, দাদা পাগড়িওয়ালা মাওলানা। দুজনেই কয়েকটি মাদরাসা করেছেন এবং আজীবন জামায়াত বিরোদী ছিলেন। তাদের সন্তানরা মুক্তিযুদ্ধ করেছেন।
ফজল বলেছেন:
সহমত ফারহান।
ফজলে এলাহি বলেছেন:
আচ্ছা, আমার মনেও তো দেখি কিছু উপলব্ধি দানা বাঁধা শুরু করছে। বাংলাদেশ দূর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ৭১, ৭২, ৭৩ .... এ , না কি ৯৭ পরবর্তী সেশনে?আরো ভাবতাছি, ছবির মহা(?) অপরাধী অনৈসলামিক(?) ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে স্বাধীন বাংলাদেশের থানা-পুলিশ-মিলিটারীরা এমনকি দূর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তারা এত দরদ(?) দেখায় কেন? এমনতর দূর্নীতির হোতা(?)রা সকল দমন অভিযানে কিভাবে নিশ্চিন্তে-নির্বিগ্নে ঘুমায়, বুঝে আসে না???
তবে পোষ্টে যাই লিখেছেন, জব্বর একটা মেসেজ দিয়েছেন শেষের পাঁচতারার পরে- পাঠকের মনে এই ভাবনাটা তুলে ধরে যে, ওনারা কি আসলেই ইসলামী ব্যক্তিত্ব? পাঠকগণ নিশ্চয়ই একটু খতিয়ে দেখবেন
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য জামাতকে ক্ষমতা আসতে দিতেই হবে ।
ফজলে এলাহীঃ
বক্তব্য নির্দিষ্ট করুন । গোলাম আজম, নিজামীরা রাজাকার আল-বদর ছিলো কিনা সেটা আগে বলুন । তারপর অন্য কিছু নিয়ে কথা বলা যাবে ।
আড্ডাবাজ বলেছেন:
এই লেখাটা বারবার পড়ার দরকার। ধন্যবাদ হাসান।
বিদ্রোহী বলেছেন:
হাসান মোরশেদ, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না হওয়ার কারনেই যে এই সমাজটা "অপরাধপ্রবন" সেটা প্রমান করতে হলে আপনাকে স্ট্যাটিসটিক্স দেখাতে হবে, কো-রিলেশন দেখাতে হবে। আবার এই সমাজটা যে অপরাধপ্রবন সেটাও প্রমান করার বিষয়। ফিলসফারদের মতো শুধু লেকচার ছেড়ে কিংবা ঢালাও মন্তব্য করে দেশোদ্ধারের চেষ্টা থেকে বিরত থাকবেন আশা করি।
মুক্তি বলেছেন:
পষ্টু অধীতের পর নিতান্তই বালখিল্য বিবেচনায় প্রতুত্তোরে স্বত প্রনোদিত হইয়া উত্তর প্রদানে নিরুতসাহিত হইলাম। আশা করিবো আগামী দেশোদ্ধারমূলক পষ্টুতে মন্তব্য প্রদানের স্থান সংকূলন হইবেক।
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
মুক্তি আমি অধম আপনেরে বিগত কয়েক মাস পূর্বে একখানা পরোস্তাব দিয়াছিলাম। মনেহয় আপোনার মনোঃপুত হয় নাই। তাইলে কি গার্জিয়ান লেভেলে কথা বলিতে হইবে?
যা বলার তাতো পোষ্টেই বলেছি । দ্বিমত হলে, সেটা আপনাকেই বলতে হবে , কেনো দ্বিমত? ছিচকে চুরির অপরাধে ও আটক কেউ যদি, বিচার বহির্ভুত কোন অস্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় মুক্ত হয়ে যায়- সেটা সমাজের অপরাধপ্রবনতা বাড়ায় কিনা, তা বোঝতে স্ট্যাটিস্টিক, কো-রিলেশন , ফিলোসফির দরকার পড়েনা ।
মুক্তিঃ
আপনার প্রতি তো কোনো প্রশ্ন ছিলোনা জনাব ।
নিরুৎসাহিত হইবার হেতু কি?
দ্রোহী বলেছেন:
হাসান মোরশেদ, ভাই আপনার ভেতর কি আছে? আপনার নাম দেখা মাত্রই জামাতীগুলার শরীর গরম হয়ে যায় কেন? বলতে পারবেন?
আরশাদ রহমান বলেছেন:
পিচ্চি রাজাকারগুলর মন্তব্যের উত্তর অন্য সবাই দিয়েছে। এই গুলির সাহ দেখলে মেজাজ খারা হইয়া যায়। বর গুলিরে সবাই বর্জন করলে আমি নিশ্চিত পিচ্ছি গুলি চড়ের কথা শুনলেই কাপড় ভিজাইয়া দিবো।ধন্যবাদ হাসান মোরশেদ। আমাদের সংগ্রাম চলবেই।
বিদ্রোহী বলেছেন:
ঠিক বলছেন হাসান মোরশেদ, ছিচকে চোর ছাড়া পেলে সমাজে অপরাধ প্রবনতা বাড়তে পারে, অপরাধীরা উৎসাহিত হতে পারে। কিন্তু আপনাকে যেটা প্রমান করতে হবে সেটা হলো যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না হওয়াতে সত্যিকার অর্থেই, i mean literally, অপরাধীরা উৎসাহিত হচ্ছে।অপরাধীরা কি কোনোদিন বলছে যে '৭১-এ খুন ধর্ষণ কইরা নিজামী-মুজাহিদরা ছাড়া পাইছে দেইখা আমি ভাবছিলাম আমিও ছাড়া পেয়ে যাবো? আপনি তো সেটাই বলতে চান, তাই না! একটা trend কে যখন আপনি প্রতিষ্ঠিত করতে চান তখন সেটার জন্য আপনাকে খাটতে হবে। স্টাডি করতে হবে। রিসার্চ করতে হবে। রিসার্চ করতে গেলে ইন্টারভিউ নিতে হবে। কতজন চোর, টাউট, বাটপার, খুনি, আর ধর্ষনকারীর ইন্টারভিউ নিলেন সেটা জানাতে হবে। তাদের মধ্যে কতজন '৭১-এ পার পেয়ে যাওয়া নিজামী মুজাহিদরে তাদের প্রেরণা মনে করে সেটা জানাতে হবে। এরপর যদি দেখা যায় যে ... হ্যা অপরাধীদের একটা বিরাট অংশ নিজামী-মুজাহিদ-পার-পেয়ে-গেছে-আমিও-পার-পাবো ধারণার বশবর্তী হয়ে অপরাধ করতে নামছে - তাহলে কেবল আপনি বলতে পারেন যে আপনার হাইপথেসিস সঠিক। Otherwise, its all bullshit.
দেখেন, আমি কিন্তু আপনেরে হেল্প করার চেষ্টা করতেছি। কষ্ট করে রিসার্চটা করে ফেলেন। আমি শিউর আপনি রেশ্মী সুতার মতো হালকা হলেও একটা কো-রিলেশন পাবেন। ফেনোমেনাল না হইতে পারে তাতে কি! কিছু একটা তো পাইলেন। তাও আবার গবেষণালব্ধ। দামই আলাদা ;-)
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
বিদ্রোহী,আমার হাইপোথিসিসটি যোগ করি।অপরাধ দমনে ব্যর্থ হলে অপরাধ বাড়বেই।
ইসলামে চুরি করার জন্য হাত কাটা ,বা হত্যার বদলে শিরোচ্ছেদ করার হুকুম (আমার ধারনায়) যতো না অপরাধীর নিজের পাপের জন্য,তার থেকে বেশি অন্যদের কে অপরাধ থেকে বিরত রাখার জন্য।একটি দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি অন্যদেরকে একই অপরাধ করতে বাধা দেয়ার কথা।
এখন রাজনীতিতে আমরা ক্যাম্পাসে অনেক মারামারি দেখেছি,সহপাঠিরা নিজেদের মধ্যে গুলি,রগকাটা,এমন কি খুন পর্যন্ত করেছে,কারন জানতো এ ধরনের হত্যার
শাস্তি হয় না।এ ধরনের হত্যাকান্ডের জন্য কেউ শাস্তি পেয়েছে বলে আমার শহরে দেখিনি,অথচ বিভিন্ন সময় কমপক্ষে ১২ জন ছাত্র আমার শহরে মারা যেতে দেখেছি।
২৮ অক্টোবর পিটিয়ে যারা হত্যা করেছে,ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদের চিহ্নিত করা যেত।অন্তত ২/৩টা লোককে যদি শাস্তির আওতায় আনা যেত,তাহলে ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রকাশ্য খুন খারাপি করার আগে একটু চিন্তা করতো লোকজন।তা না করে হাসিনা আর মুজাহিদদের হুকুমের আসামি করে হয়তো রাজনৈতিক ফায়দা নেয়া যায়,কিন্তু অপরাধ দমন হয় না।
রেব (ইউনি বানান) আসার পরে মাস্তানরা কিন্তু ঠিকই
হিসাব করে পা ফেলেছে,কারন তারা জানে যে ধরা পড়লে শাস্তি হবেই।
বিদ্রোহী বলেছেন:
হুমম ... আরিফ হাইপোথিসিস ঠিক আছে সামগ্রীক অর্থে। কিন্তু '৭১ একটা স্পেশাল কেইস। যুদ্ধকালীন খুন-ধর্ষন আর শান্তিকালীন খুন-ধর্ষন এক না। আমি দেখতে চাচ্ছিলাম শান্তিকালীন খুনী ধর্ষকদের কতজন যুদ্ধকালীন খুনী ধর্ষকদের দ্বারা প্রভাবিত। অপরাধ দমন ভিন্ন প্রসঙ্গ। হাসান মোরশেদ সেটা নিয়ে চিন্তিত না। সে ট্রান্সপ্যারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল -এর সজ্ঞার আওতায় বাংলাদেশরে "অপরাধপ্রবন রাষ্ট্র" এবং জনগণরে "অপরাধপ্রবন জনগণ" বা "খুন ধর্ষনে মুখিয়ে থাকা জনগোষ্ঠী" আখ্যা দিতে আগ্রহী।মজার ব্যাপার হইতেছে, সে কিন্তু পুরাপুরি incorrect না। যে দেশের জনগণ নিজামি-মুজাহিদদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত করে এমপি বানায় সে দেশের জনগণ যে অপরাধপ্রবন এবং খুন ধর্ষন করার জন্য মুখিয়ে থাকবে সেটাই তো স্বাভাবিক! নিজামি-মুজাহিদ থাকতে নিজেদের সামাজিক দৈন্যতা, ব্যর্থতার ভার কে নিতে চায়!!!
ডাক্তাড়' বলেছেন:
৫
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














চাই শক্ত প্রতিরোধ ।