এ ব্লগে আর কোন মৌলিক লেখার দরকার নেই, যেহেতু আমি আমার নিকৃষ্টতম লেখার স্বত্ব ও কাউকে দিতে রাজী নই

টুকরো টুকরো হূমায়ুন আজাদঃ ১
০৫ ই জুন, ২০০৭ রাত ৮:৩৭
হুমায়ুন আজাদকে চেনেন তো জনগন?
কারো কারো গড়িয়ে পড়া ধর্মানুভূতিতে আঘাত দেয়ার অপরাধে যাকে টুকরো টুকরো করা হয়েছিল!
----------------------------------------
'ধর্মানুভতি কোনো নীরিহ ব্যাপার নয়,তা বেশ উগ্র;এবং এর শিকার অসৎ কপট দুর্নীতিপরায়ণ মানুষেরা নয়,এর শিকার সৎ ও জ্ঞানীরা;এর শিকার হচ্ছে জ্ঞান । জ্ঞানের সাথে ধর্মের বিরোধ চলছে কয়েক সহস্র বছর ধরে,উৎপীড়িত হতে হতে জয়ী হচ্ছে জ্ঞান,বদলে দিচ্ছে পৃথিবীকে;তবু আজো মিথ্যে পৌরানিক বিশ্বাসগুলো আধিপত্য করছে,পীড়ন করে চলছে জ্ঞানকে।
ধর্মানুভূতির আধিপত্যের জন্য কোন গুন বা যুক্তির দরকার পড়েনা,প্রথা ও পুরনো ভুল বই যোগায় তার শক্তি আর ওই শক্তিকে সে প্রয়োগ করতে পারে নিরংকুশভাবে '
***হুমায়ুন আজাদের 'ধর্মানুভূতির উপকথা' প্রবন্ধ থেকে সংগৃহীত
বিপ্লব রহমান বলেছেন:
হাসান@'মিথ্যে পৌরানিক বিশ্বাসগুলোর আধিপত্য' কিন্তু সাময়িক।...আর আপনার জন্য রইল পাঁচ।...
আরশাদ রহমান বলেছেন:
ধর্ম বিশ্বাসে কারো দ্বিমত থাকালেই তাঁকে বর্বরের মত আক্রমন করতে হবে কেন? কথাটা সত্যি যে ধর্মনান্ধতা সাথে উগ্রবাদের যোগ দেখা যায়। আর সেই উগ্রতার বহিঃপ্রকাশ যখন চরম নিশ্ঠুরাতায় হয় তখন ধর্মে যে মানবতার কথা বেলে তার সাথে কোন মিল পাইনা।
আমিমানুষ বলেছেন:
হুমায়ুন আজাদকে টুকরো টুকরো করা হয়েছিল, আশরাফ আর ত্রিভূজেরে মত লোকদের ধর্মনান্ধতার জন্য
মেজভাবী বলেছেন:
তোমাদের ভাইয়া বলেন, উগ্রধর্মবাদীদের নাঁচ গান দেখার জন্য হুমায়ুন আজাদ পর্যন্ত যাওয়ার দরকার নেই। এখানে নোটিশবোর্ডের কর্মকান্ড দেখলেই বোঝা যায়। বড়ভাবীও তাই বললেন কাল। ধর্মের বিরোধিতা করার জন্য এক ব্লগারকে তাড়িয়ে দিয়ে ফাঁকা মাঠে তার লেখা কত খারাপ, কত ভুলে ভর্তি তা নিয়ে গীবত গাইছে আরব ভাইয়েরা। ভাবছে এতে করে ধর্ম রক্ষা পেয়ে গেল।
আমিমানুষ বলেছেন:
ধর্মের বিরোধিতা করার জন্য এক ব্লগারকে তাড়িয়ে দিয়ে ফাঁকা মাঠে তার লেখা কত খারাপ, কত ভুলে ভর্তি তা নিয়ে গীবত গাইছে আরব ভাইয়েরা।
ধূসর ছায়া বলেছেন:
সবই ব্যবসা ।
আড্ডাবাজ বলেছেন:
অতি চমতকার। ধন্যবাদ।
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
ভালো পোস্ট।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
সামহোয়্যার-এ হুমায়ূন আজাদ?পোস্টদাতার রসিকতা জ্ঞানের তারিফ করার জন্য রেটিং দিলাম,অন্য কোন কারনে নয়।
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
মুরতাদ হূমায়ুন আজাদের কথা সামহোয়্যারের পাক পাতায়?!এই পোস্ট অবিলম্বে মুছিয়া ফেলার জন্য ৫ দিয়া জোর তদ্
মামু বলেছেন:
('ধর্মানুভতি কোনো নীরিহ ব্যাপার নয়,তা বেশ উগ্র;এবং এর শিকার অসৎ কপট দুর্নীতিপরায়ণ মানুষেরা নয়,এর শিকার সৎ ও জ্ঞানীরা;এর শিকার হচ্ছে জ্ঞান । জ্ঞানের সাথে ধর্মের বিরোধ চলছে কয়েক সহস্র বছর ধরে,)কোন ধর্মে বলা আছে "দ্বিমত থাকালেই তাঁকে বর্বরের মত আক্রমন কর"?
কোন ধর্মে বলা আছে "জ্ঞান কে পরিত্যাগ কর?"
স্কুল কলেজে লেখাপড়া করে কেহ যদি আফিসে বসে টাকাপয়সা চুরি করে, তাহলে কি এটা শিক্ষার দোষ না ওই ব্যাক্তির দোষ?
ধর্ম শিখে কেহ যদি তার আপব্যাবহার করে তাহলে কি সেটা ধর্মের দোষ না ওই ব্যাক্তির দোষ?
ধর্মের ভূল ব্যাক্ষা করে কেউ যদি জ্ঞানকে আক্রমন করে তাহলে কি ব্যক্তির জ্ঞানের সীমাবদ্ভতা দায়ী না ধর্মের মর্মবানীর দোষ?
(হামায়ুন আজাদের ব্যাক্ষাটা এই ক্ষেত্রে গ্রহন যোগ্য হল কি ভাবে?)
এই ব্লগে বুদ্বিবৃততিক যুক্তি-তর্কের দিন শেষ হয়েছে, তাই কথা বাড়াবোনা । তবু আপনি নতুন ব্লগার (ধরে নিচ্ছি আসলেই নতুন),সেই সম্মানেই বলিঃ
সাইবেরিয়ার বন্দী শিবিরের কথা সমাজতান্ত্রিক মেনিফেষ্টোতে ছিলোনা, তবু এই অমানবিকতার দায় সমাজতন্ত্র এড়িয়ে যেতে পারেনা কারন যে ষ্ট্যালিন এই বন্দীশিবির করেছিলেন-সমাজতন্ত্রীরা তাকে অস্বীকার করেনি । কোপার্নিকাস কিংবা জোয়ান অব আর্ককে হত্যার দায় খ্রীষ্টান রা এড়াতে পারবেনা কারন যে চার্চ তাদের হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলো খ্রীষ্টানরা সেই চার্চকে অস্বীকার করতে পারেনি ।
অনুসারীদের আচরন দিয়েই যে কোনো ধর্ম,দর্শন,রাজনীতির মুল্যায়ন হয় কারন অনুসারী না থাকলে সবই অর্থহীন সেটা ।
যাহোক আর কথা বাড়াবোনা । ভালো থাকুন ।
















