এ ব্লগে আর কোন মৌলিক লেখার দরকার নেই, যেহেতু আমি আমার নিকৃষ্টতম লেখার স্বত্ব ও কাউকে দিতে রাজী নই

কুড়িগ্রামের মফিজ ও সৌদি প্রিন্স:উম্মাহ,আমল-আয়না
১৮ ই মে, ২০০৬ রাত ৮:৪৩
[ 'আস্তমেয়ে'--আপনাকে আস্ত একটা ধন্যবাদ । আমার একটা মন্তব্যে আপনি প্রিতক্রিয়া জানানোর প্রেক্ষিতে এই লেখা ..]
আপনি খুব সৌভাগ্যবান -একজন মিস ম্যাথুস ছিলেন আপনার জন্য (আল্লাহ তাকে পুরস্কৃত করুন)। আরেকজন মা যখন একদল ধর্ষকের কাছে করজোড়ে বলছেন 'বাবারা একজন একজন করে আসো.. আমার মেয়েটা খুব ছোট মাত্র তের বছর!'... তখন আল্লার আরশ কেঁপে উঠেছিল কিনা জানিনা তবে কোনো জনাব /জনাবা যে এগিয়ে আসেননি সেটা জানি । কারন মা মেয়ে স হ এই পরিবারের সাতজন নারী ধর্ষিত হবার পর দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল আর এইসব ঘটনা বিশ্ববাসীকে জানাবার অপরাধে নির্যাতিত হতে হয়েছে শাহরিয়ার কবির,মুনতাসীর মামুনকে ।
ইসলাম শান্তি আর মানবাধিকারের বলে যারা আওয়াজ তোলেন,কই কাউকে তো এসবের বিরুদ্্বেরুখে দাড়াতে দেখিনি! কাউকে বলতে শুনিনি -- এটা ইসলামের অপমান । দুর্বলকে আঘাত নয় অভয় দেয়া --নবীর শিক্ষা , একজন মানুষ হত্যা করা হলে সমগ্র মানব জাতিকে হত্যা করা হয়--এটা কোরানের বানী । দেশে তো মাশাল্লাহ মাওলানা,মুফতি,শায়খুলদের বন্যা লেগে আছে ।
কল্পনা চাকমা'র কথা মনে আছে? হিল উইমেন্স ফেডারেশনের এই নেত্রীকে তুলে এনেছিল সেনাবাহিনী। একযুগ পেরিয়ে গেছে তার সনধান মেলেনি ।
দুটো ঘটনাই কিন্তু বাংলাদেশের । 88 ভাগ মুসলমানের দেশ, ইসলামী মুল্যবোধের দেশ, সংবিধানে বিসমিললাহ লাগানো দেশ !
কি বলবেন? এসব মিথ্যে গলপ? বাংলাদেশ আর ইসলামের বিরুদ্্বে ষড়যন্ত্র? নাকি ইসরাইলের নির্যাতন আর আমেরিকার গনহত্যার প্রসঙ্গ তুলে আমরা জাস্টিফাই করবো নিজেদের পাপ?
জানিনা মানবাধিকার বলতে কে কি মীন করেন । কিন্তু আমার কাছে ক্ষুধা আর দারিদ্্রের মত অমানবিক আর কিছু নেই । পৃথিবীর নিরন্ন মানুষের মাঝে মুসলমানদের সংখ্যা সবথেকে বেশী কেন? কুড়িগ্রামের এক মফিজ যখন না খেয়ে মারা যায়, সৌদি'র এক প্রিন্স কেন জুয়ার টেবিলে ঢেলে দেয় লক্ষ লক্ষ ডলার? মুসলিম উম্মাহ তখন শূন্যে মেলায়!
আমেরিকার বুলেটে যখন ইসরাইলী সৈন্য হত্যা করে ফিলিস্তিনি কিশোরকে তখন বুশের সেবাদাস হয়-- সৌদি,মিশর,আমিরাত,কুয়েত,কাতার,পাকিস্তান,বাংলাদেশ( দু:খিত কাকে রেখে কাকে ছাড়ি!)
আর আমরা যদি ইতিহাস এ নিরপেক্ষ হই, ইসরাইল বিরোধী সশস্ত্রসংগ্রামে অনেক নেটিভ খ্রিষ্টান ও ছিলো । কারন এটা মুলত: স্বাধীনতা সংগ্রাম ,ইসলামী েেজহাদ নয়(এমনকি হামাস প্রধান ও নির্বিচন পরবতর্ী ভাষনে তাই বলেছেন)। আর ইতিহাস বলে ফিলিস্তিনি শরনার্থীদের গুলি করে হত্যা করেছিলো জর্ডান । প্রান বাঁচাতে আরাফাত কে তিউনিশিয়ায় পালিয়ে যেতে হয়েছিলো ।আরো জানা প্রয়োজন ইসলামী দেশ গুলো ইসরাইলকে স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে । ইসরাইল ও পাকিস্তানের সরকারী বৈঠকের খবর ও পুরনো ।
বলা যায়, এসব ইসলামের দায় নয় । সত্যি কি নয়?
যে কোনো ধর্মবা মতবাদের অনুসারীদের আচরন ও কার্যক্রমই সেই ধর্মবা মতবাদের মুল্যায়ন ।
মুসা তো আর ইহুদীদের অন্যায় ভাবে একটা দেশ দখলের জন্য বলেননি । আর খ্রীস্টানদের ও কোথা ও হত্যা দখলের নির্দেশ দেয়া হয়নি । তবু আমরা এসবের জন্য ইহুদী ও খ্রীস্টানদের দায়ী করি। কারন এই অন্যায় গুলোর সাথে কোনো না কোনো ভাবে ধর্মকে জড়ানো হয়েছে । তাই আল্লাহু আকবর ধ্বনি দিয়ে সংখ্যালঘু মেয়ে ধর্ষন করা হলে, ভিন্নধর্মী'র জায়গা দখল করে মসজিদ বানানো হলে, পাকিস্তানে শরীয়া'র নামে ধর্ষীতাকে পাথর ছোড়া হলে, মধ্যপ্রাচ্যে রাজতন্ত্র ব হাল থাকলে-- এসব দায় আমাদেরকে নিতে হবে । নাহলে প্রতিবাদ করে বলতে হবে এসব ইসলাম নয়..
অন্যদের দেখাতে হবে কেনো আমরা অন্যদের থেকে শ্রেষ্ঠ । কিন্তু এই প্রতিবাদটুকুই তো ইসলামী বিশ্বর কোথাও নেই ।
আমি ভেবে অবাক হই, তায়েফের শিক্ষা যদি হয় চরম প্রতিকুলতার মাঝে ও ধৈর্য্য ধারন করা , প্রতিশোধ না নিয়ে আল্লার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা --তাহলে আমরা এতো অস্থির , অস িহষু কেনো? আমরা কেনো কোনো ভিন্নমত , সমালোচনা স হ্য করছিনা? বলা যেেেত পারে , খ্রিস্টান চার্চও গ্যালিলিওকে ভিন্নমতের জন্য নির্যাতন করেছিল, কোপার্নিকাস, জোয়ান অব আর্ককে পুড়িয়ে হত্যা করেছিল । আর যীশুকে তো ক্রুশ বিদ্ধ করেছিল ধার্মিক ইহুদিরাই েেযমন মনসুর হেল্লাজকে ভিন্নমতের জন্য হত্যা করেছিল ধার্মিক মুসলমানরাই ।বলা প্রয়োজন তিন সম্মানিত খলিফা , হযরত হাসান হোসেন স হ নবী পরিবারের অনেেেকই নিহত হয়েছিলেন ( আল্লাহ সবাইকে বেহেশত নসীব করুন) ।এসব হত্যাকারী খ্রিস্টান বা ইহুদি ছিলোনা । এরা ও মুসলমান !!! । সময়ের বিবর্তনে ইউরোপীয় সমাজ নিজেদের কে মুক্ত করেছে চার্চের কবল থেকে( হয়তো এখনো পুরোটা নয়)। তাই 'দ্যা ভিনচি কোডে' যীশুকে নিয়ে গাজাখুরী করলে ও ক্যাথলিক চার্চ বিবৃিত দিয়ে প্রতিবাদ জানানো ছাড়া কিছুই করতে পারেনি । একই ঘটনা আমাদের নবীকে নিয়ে হলে? আমি সত্যি বোঝিনা তসলিমাকে দেশছাড়া করে, হূমায়ুন আজাদ কে টুকরো টুকরো করে , রুশদীর বিরেুদ্ধ মৃতু্য পরোয়ানা ঘোষনা করে , স্যটানিক ভাের্সস এর জাপানী ও ইটালীয়ান অনুবাদকদের হত্যা করে আমরা ঠিক কতোটুকু ইসলামের কাজ করেছি? আল্লাহ তালা কি সমস্ত বিচারের ভার আমাদের দান করেছেন?
এইলেখা পড়ে যদি কারো মনে হয় আমি শুধু ইসলামের সমালোচনা করেছি তাহলে ক্ষমাপ্রাথর্ী।
একজন মুসলমান হিসেবে জেনেছি অন্যদের দোষ খুঁজার আগে িনজেদের সমালোচনা করা জরুরী ।
এবং আমি গর্ববোধ করি আমার ধর্মনিয়ে কারন আমার ধর্ম আমাকে এই স্বাধীনতা দিয়েছে । একজন মুসলমান হিসেবে সর্বশক্তিমান আল্লাহ আর তার রাসূল ছাড়া আর কারো কাছে আমার কোনো আনুগত্য নেই । একমাত্র পবিত্র কোরান আর বিশুদ্ধ হাদীস ছাড়া আর কোনো নির্দেশনা মানতে আমি বাধ্য নই । একজন পাদ্্রী বা রাব্বী খ্রীস্টান বা ইহুদীদের ব্যক্তি জীবনকে যেভাবে নিয়ন্ত্রন করেন, ইসলাম সে রকম কোনো অধিকার কোনো ধমর্ীয় বা আধ্যাতি্নক নেতাকে দেয়নি । একজন মুসলমানকে কনফেস করতে হলে কোনো ইমাম লাগেনা কারন ইসলাম কাউকে আলাদা শ্রেষ্ঠত্য দান করেনি । সব মুসলমানই সমান আর তাই আমরা কেউই সমালোচনার উধের্্বনই ।
পরম করুনাময় আল্লাহ সবাইকে মার্জনা করুন.। .।
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার দিনকাল বিভাগে ।
অতিথি বলেছেন:
আ হা যা লিখেছেন, সেসব বকধার্মিক রাজাকার ধর্ষকদের কথা বললে তো আবার ধর্মহানি হয়, কারণ আল্লাহর কাছ থেকে ধর্মের টেন্ডার দিয়ে নিয়ে ইনারা বসে আছেন... ধন্যবাদ।
অতিথি বলেছেন:
ডেনীশদের আর মার্কিনীদের নিয়ে কথা বলার আগে আমাদের এই উপমহাদেশে মওদুদী নামক ব্যক্তিটির বিভ্রান্তকর ধমর্ীয় ব্যাখ্যার বইগুলো নিষিদ্ধ ও গণঘাতক রাজাকার-জামাতীদেরকে নিষিদ্ধ করা হবে সত্যিকার মুসলমানদের কাজ। এসব বাতিল মওদুদীবাদী ও গণঘাতক রাজাকার জামাতীদেরকে প্রতিহত না করলে ইসলামের অবমাননা বন্ধ হবে না। এরাই করেছে বৃটিশদের তাবেদারী, পাকিস্তানীদের তাবেদারী আর পরাশক্তিদের তাবেদারী। তাই ইসলাম রক্ষা করতে হলে এদের মুখোশ সবার আগে উন্মোচন করা প্রয়োজন। কারণ, ধর্মের নামে এরাই সবচেয়ে বেশী ফেতনা করেছে। যারা ইসলামের প্রতি সংবেদনশীলতার বিকাশ ঘটাতে চায়, তাদের প্রথম দায়িত্বএসব ধর্মব্যবসায়ী জামাতীদের হাত থেকে ইসলামকে রক্ষা করা। ধন্যবাদ।
অতিথি বলেছেন:
আপনাকে ও ধন্যবাদ ।আল্লাহ আমাদের এইসব টেন্ডারবাজদের হাত থেকে রক্ষা করুন ।
অতিথি বলেছেন:
হাসান মোরশেদ, মুসলিম বিশ্বের যে অধ:পতিত অবস্থা সেটা সম্পর্কে আমার কোন সন্দেহ নেই। এগুলো নিয়ে আমি নিজেও অনেক গলা ফাটাই।
তবে সমালোচনা করার সময় কয়েকটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে:
সমালোচনা কেন করছি?
প্রতিপক্ষের সমালোচনা করে, ভুল ধরে আত্মতৃপ্তি লাভ নাকি স্বপক্ষের গঠনমূলক সমালোচনা... সুন্দর ফলাফলের আশায়?
যদি কেউ ইসলামকে প্রতিপক্ষ ভেবে ইসলামের ঢালাও সমালোচনা করে, সত্য মিথ্যা মিশিয়ে আজে বাজে কথা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করে, তাহলে তাদের সামনে আমি কখনই মুসলিমদের সমালোচনা করে কাউকে সিক গ্র্যাটিফিকেশন দিতে রাজি নই। আমি নিজের বিশ্বাস ডিফেন্ড করে যাব, যতক্ষণ পর্যন্ত পারি। কারণ তাদের সমালোচনায় কোন পজিটিভ অংশ নেই...
যদি স্বপক্ষের সমালোচনা করি, তাহলে গঠনমূলক সমালোচনা করব।
আপনি অনেক অভিযোগ করলেন। আপনার নাম একটা মুসলিমের নাম, মুসলিম হিসেবে আপনাকে চিহ্নিত করবে পৃথিবী। ইসলামের উপর থেকে অপবাদের দলা দলা বোঝা নামানোর জন্য আপনি নিজে কি করেছেন?
ড্যানিশ কার্টুনের ব্যপারে একটু বলি... রাসুল (সা) এর অপমানজনক কাটর্ুন কিন্তু আপত্তির মূল কারণ ছিল না। মূল কারণ ছিল, ড্যানিশ পত্রিকাটা একটা প্রতিযোগিতা ডেকেছিল রাসূলের প্রতিকৃতি অাঁকার জন্য। যেখানে কোন মুসলিমই আজ পর্যন্ত রাসুলের প্রতিকৃতি অাঁকেনি। অপমানজনক রিপ্রেজেনটেশন ছিল ফারদার ফুয়েলিং অফ দ্যা ম্যাটার।
ড্যানিশ আইনে জুইশদের হলোকস্ট নিয়ে কোন নেগেটিভ কথা বলাই বেআইনী। সেক্ষেত্রে লোকাল ড্যানিশ মুসলিমরা তিন মাস ক্যাম্পেইন করে সরকারের কোন সমর্থন পায় নি... এটা পরিস্কার ডিসক্রিমিনেশন। ড্যানিশ সরকারের নিজেস্ব ইরেসপনসিবিলিটির ফল।
মুসলিম বিশ্বে রাসুল (সা) এর মত সম্মানিত ফিগার অদ্্বিতীয় হাসান। যিশুর তো কনফিউজিং আইডেন্টিটি, কেউ বলেন তিনি স্রষ্টার সন্তান, কেউ বলেন সাধারণ মানুষ... রাসুলের (সা) প্রতি যে আনকনডিশনাল একটা শ্রদ্ধা এবং ভালবাসা আছে মুসলিমদের মধ্যে, সেটার সাথে যীশুর তুলনা করতে পারেন না আপনি... তাছাড়া পাশ্চাত্যে স্বঘোষিত নাস্তিকের সংখ্যাই বেশি, যারা একটা ঝামেলামুক্ত জীবনের চেয়ে বেশি কিছু চায় না...
তাসলিমা নাসরিন, হুমায়ূন আজাদ, সালমান রুশদি এদের দৃষ্টিভঙ্গি সমর্থন না করলেও, মুসলিমরা এদের প্রতি যা করেছে তা আমিও সমর্থন করি না। দ্যাট ওয়াজ টোটালি স্টুপিড। হুমায়ূন আজাদের কোন বই পড়ি নি, অন্য দুইজনের বই পড়ে মনে হয়েছে, ব্যালেনসের অভাব আছে, কিন্তু কোন প্রশ্নই অযৌক্তিক না। বরং আমাদের ব্যর্থ মুসলিম সমাজের আনওয়ান্টেড বাই প্রডাক্ট এরা...
অন্যায়ের কথা বললে ইরাকীদের কথা ভাবুন যেটা বর্তমান!
শুনুন, উদাহরণ, প্রতি উদাহরণ দিয়ে কূল পাওয়া যাবে না। সমালোচনা করা ভীষণ সোজা, কিন্তু এরপর কি?
মুসলিমদের নিয়ে আমার ভাবনা সহ একটা পোস্ট আছে, আস্তমেয়ের আস্তকথা... http://www.somewhereinblog.net/AstoMeyeblog এ... পড়ে দেখতে পারেন।
অতিথি বলেছেন:
আমি মুলত: আমাদের,মুসলমানদের এই মানসিক অবস্থানের সমালোচনা করেছি,কেনো আমরা যে কোনো সমালোচনা কে আমাদের উপর আক্রমন ভেবে নেই? আমাদের যাবতীয় দুরবস্থার জন্য নিজেদের মুল্যায়ন না করে দোষ চাপাই অন্যদের উপর !এটা খুব স হজ সমাধান । আপনি ডেনিশ আইনে ডিসক্রেমিনেশনের অভিযোগ করেছেন । ওরাতো ইহুদী , নাসারা..জাহান্নামের জীব । আমরা যে সাম্য , মৈত্রীর সনদ প্রাপ্ত.. বাংলাদেশের কটা ঘটনা শুনতে চান সমস্ত যোগ্যতা থাকার পর ও কতজনের সরকারী চাকরী হয়নি অমুসলিম বলে? পাকিস্তান , ইরানে তো সাংবিধানিক ভাবেই অমুসলিমরা দ্্বিতীয় শ্রেনীর নাগরিক । কোনো খ্রীস্টান সৌদির নাগরিক হতে পারেনা ।আর মোহাম্মদ(দ
আর বর্তমান ইরাক ই কেবল আপনার কাছে অন্যায়ের উদাহরন ? ইরাকে গনহত্যা হয়নি সাদ্দামের যুগে? হত্যা করা হয়নি হাজার হাজার কুর্দিকে? এরা ও কিন্তু মুসলমান ( আমাদের তো আবার মুসলমান নিহত না হলে কোনো হত্যাই হত্যা মনে হয়না).. অথবা এখন দারফুর এ যা হচছে? জাতিগত হত্যা, ধর্ষন-- এটা অন্যায় নয়? নাকি অপরাধী অমুসলমানহলেই অপরাধী , মুসলমান হলে নয়?
বলেছেন সমালোচনা করা স হজ, তারপর কি? আমি বলি আল্লাহর ওয়াস্তে এই স হজ ব্যপারটা(সমালোচনা) যদি আমরা মুসলমানরা হজম করতে পারি তাহলে ভালো আমাদের ই হবে , আত্নসমালোচনা আত্নশুদ্ধির পথ তৈরী করবে--এটাই তো শ্রেষ্ঠ জেহাদ , তাইনা?
আপনার যদি মনে হয় আমি তর্কের জন্য তকর্ করছি.তাহলে বাদ দিন.. আমি ও বাদ. . লাকুম দ্্বিনুকুম ওয়ালা দ্্বিন...
অতিথি বলেছেন:
ডা ভিঞ্চি কোডে যীশুর সমালোচনা করা হয় নি। বরং তাকে খুব একজন মানুষ করে দেখান হয়েছেন, অলৌকিক না। এই রিপ্রেজেনটেশন বরং ইসলামে আর কাছাকাছি।হাসান আপনি আমার কিছু পোস্ট পড়লেই আমার ধারণা মানসিকতা জানতে পারবেন এগুলো সম্পর্কে। অনেক বার বলে ফেলেছি, নতুন করে বলতে ইচ্ছা করছে না। আপনি অনেক কিছু ধারণা করে বলেছেন... মেজাজ খারাপ হয়েছে। আমার পোস্ট অবশ্যই পড়বেন... আমি ইসলাম নিয়ে অনেক গুলো পোস্ট করেছি। তারপরে আপনার চিন্তা ভাবনা জানাবেন... শুধু এতটুকু বলি, না, আমি মনে করি মুসলিমদের একটা অন্যায়্ও বরদাশত করা যাবে না... কারণ, মুসলিমরা গাইডেড, মুসলিমদের জানার কথা যেই বিশাল দায়িত্ব দিয়ে আল্লাহ মানুষকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছে... অন্যদের জানার কথা না... মুসলিমস হ্যাভ নো এক্সকিউজ।
অতিথি বলেছেন:
আস্ত মেয়ের আস্তজ্ঞান আমাকে মাঝে মাঝে ভাবায়, এত জ্ঞানগম্যি দিলো একটু যদি বিবেচনা আর যৌক্তিক বিশ্লেষনের ক্ষমতা দিতো ক্ষতি ছিলো না, ইশ্বর বড়ই রসিক, রসবোধে অনন্য, তাই আস্তমেয়ের মুখ দিয়ে অনেক অমৃতবচন ঝড়ে পড়ে।যাই হোক আমি বুঝলাম না ইসলামে মানে কোরানে যীশুকে যেভাবে দেখানো হয়েছে দা ভিঞ্চি কোডে যীশুকে ঠিক কিভাবে সেভাবে রিপ্রেজেন্ট করা হলো?
আমার বুদ্ধি শুদ্ধি কম, 2 -4 পাতা কোরান পড়ছি কিন্তু ভিঞ্চি কোডে যে ভাবে যীশুকে দেখানো হয়েছে সেভাবে কোরানে দেখি নাই, যাই হোক আস্তমেয়ের আস্তজ্ঞানে অনেক কিছুই ধরা পরে, উয়ার রাডার অনেক বিস্তৃত, তাই অনেক উলটা পালটা সিগনাল ধইরা ফেলায়।
মানবাধিকার সনদে সই না করা দেশগুলোর মধ্যে আছে সব মুসলিম প্রধান দেশ, এবং আমেরিকা ইসরায়েল, অর্থ্যাৎ মানবাধিকার লংঘনে এরা সবাই একই মাপে, তবে আমেরিকার সমস্যা আছে, এখানে মনখুলে মানবাদঃিকার লংঘন করতে পারে না, প্রিজন সেলে অত্যাচার করতে পারে না, তাই তাদের অত্যাচার করার জন্য বিভিন্ন ইসলামি দেশে নিয়ে যাওয়া হয়, সৈদি আরব, জর্ডান, সিরিয়া, পাকিস্তান, সব খানেই আমেরিকার আদেশে নিয়মতান্ত্রিক ভাবে রাজনৈতিক বন্দি এবং বিরোধিদের টর্চার করা হয়, পাকিস্তানের মানবাধিকার লংঘনের এত এত ঘটনা পাওয়া যায় তার পর নারায়ে তাকবির বলে এরা শিয়াসুনি্ন বিবাদ করে,
যাই হোক ইরান ইরাকের যুদ্ধের সময় কোথায় ছিলো মানবতা বোধ, কোথায় ছিলো আমাদের ধর্মগুরু খোমেনি মিয়া, হুকা টানছিলো বোধ হয়,
হাসান মোরশেদ একটা আইডিয়ার কথা বলতে পারেন এটাকে ইসলাম সাম্যবাদী তবে ইসলাম এক গোত্র থেকে অন্য গোত্রকে প্রাধান্য দেয়, ইসলাম সব মানুষের সমান অধিকার দেয় তবে নিজেদের শাসন করার অধিকার দেয় না সবাইকে, ইসলাম শান্তির বানী বলে তবে সব সময় কাফের নিধনকে সম্মানিত করে যায়। আমরা বিভিন্ন মানবাধিকারের বুলি শুনি, শোমচৌ একটা পোষ্টে বলেছিলো একটা সময় কোলকাতা জুড়ে রবি বাবুর বন্দনা পাগলামির পর্যায়ে চলে গিয়েছিলো এখন মুসলিম সমাজেও একই অবস্থা মুহাম্মদ বন্দনা একটা মাস হিস্টেরিয়া হয়ে যাচ্ছে, সব খানেই মুহাম্মদের একটা মোক্ষম বানী আছে, সময় সুযোগ মতো সাইনবোর্ড বদলে ফেলো এবং অবশেষে বলে ফেলো, মুহাম্মদ বলেছেন- অমুক কেতাবের অমুক পাতায় বলা আছে, কোরানের এই আয়াতের অর্থকে একটু ভাঙলেই এটা বের হয়ে যাবে।
শালার মুসলিম।
অতিথি বলেছেন:
মসুলিম জাতি প্রচন্ড সমস্যাগ্রস্ত।মুসলিমদের বাইরের খোলসটা রয়ে গেছে। সংবিধানে বড় করে লিখে "মুসলিম দেশ", সব সরকারি কাগজ পত্রে বিসমিল্লাহ, অধিবেশন শুরুর আগে "বিসমিল্লাহ"। অথচ রমজানে রোজা না রাখা মানুষের সমালোচনায় দিন কাটানো আর মুখ ভরে আসা থুতু ফেলা, সন্ধ্যার ইফতারে সব সংযম ভুলে গিয়ে গলা পর্যন্ত খাওয়া আমাদের ইসলাম। মেয়েদের গায়ে কাল বোরখা তুলে দিয়ে পুরুষদের সব স্বেচ্ছাচারিতার সার্টিফিকেট দিয়ে দেয়া হচ্ছে আমাদের ইসলাম। কোরআনকে এতটা সম্মান করা যেন তাকে ছুঁতে না হয় এ অপবিত্র হাতে, শেলফের ওই উঁচু তাকে তুলে রাখা হচ্ছে আমাদের ইসলাম। সারা জীবন সুদ ঘুষের কারবার শেষে একটা হজ্জ মেরে দিয়ে হাজী টাইটেল সহ নূরানী চেহারা করে ঘুরে বেড়ান হচ্ছে আমাদের ইসলাম। হাসান, এগুলো সব ডাবল স্ট্যান্ডার্ড। সমাজের একজন সাধারণ মানুষের মধ্যে এই ডাবল স্ট্যান্ডার্ডটা স্বাভাবিক হয়ে আসে... এই মানুষগুলো থেকেই গণপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়.. এর বেশি আর কি আশা করবেন? সমাজের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কোরআনের আয়াতের সরাসরি লংঘন হচ্ছে...
"হে বিশ্বাসীরা, তোমরা কেন সে সব কথা বল যা তোমরা কর না? আল্লাহর কাছে এটাই 'সবচেয়ে অপছন্দনীয়' যখন তোমরা যা বিশ্বাস কর না তা বল। আল্লাহ তাদের ভালবাসেন যারা সুশৃংখলিত এবং সংঘবদ্ধভাবে আল্লাহর পথে জিহাদ করে" [সূরা সফ]
"ইসলামের মধ্যে (আল্লাহর কাছে পরিপূর্ণভাবে আত্মসমর্পনে) পরিপূর্ণ ভাবে এসে যাও এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ কোরো না। অবশ্যই সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।" [সূরা বাকারা: 208]
ফাইন, অনেক মুসলিম আছে, যারা মানবতার কিছুই বুঝে না। কল্পনার জগতে বাস করে। প্রচন্ড দু'মুখোচরিত্রের। যা বলে তা কাজের বেলায় করে না... এখন এটার সমাধান কি? নিজে যতটুকু সম্ভব হয়ে দেখান এবং তারপরে সমালোচনা...
ব্যপার হচ্ছে, আপনি আমাকে যদি বলেন শুধু অন্যদের কেন সমালোচনা করি, মুসলিমদের কেন করি না? ইন ফ্যাক্ট মুসলিমদের করি। যাদের কথা কাজের মিল থাকে না তাদের নিয়ে হাসাহাসি করার স্কোপ অনেক, রম্য রচনা এবং ঢালাও সমালোচনা অনেক সহজে করা যায়... একটা সাইট ভর্তি মুসলিমদের হাস্যকরা চরিত্রের উপর রম্য পাবেন, যেটা আমার খুব প্রিয় সাইট:
http://www.maniacmuslim.com
এখন আমাদের করণীয় কি হাসান? আপনি শুধু ব্যক্তিগত পর্যায়ে চেষ্টা করতে পারবেন, আপনার ক্ষমতায় যতটুকু কুলোয় ততটুকু করতে পারবেন। মুসলিম দেশগুলোতে এমন হয় বলে কোথাও সত্যিকারের মটিভেটেড আদর্শবান মুসলিম নেই কথাটা ঠিক না। মুসলিম কথাটার অর্থই হচেছ আল্লাহর কাছে পরিপূর্ণ আত্মসমর্পন। তাই যারা করছে না, তারা কখনই ইসলামের প্রকৃত চেহারা হতে পারে না...
আপনার নিজের ক্ষেত্র যদি হয় মুসলিম বিশ্ব, তাহলে সেখান থেকেই দু'মুখো চরিত্র দূর করেন... তবে আমার ক্ষেত্র এখন প্রাইমারিলি পশ্চিম... তাই এ ক্ষেত্রে মুসলিমদের অধিকার নিয়ে ভাবতে হবে।
রাসেল, মুহাম্মদ (সা) 1400 বছর আগে 23 বছরের নবুয়াতী জীবনে যা করেছেন, পৃথিবীর ইতিহাস এমন ভাবে বদলে দিয়েছেন... রবি ঠাকুরের 60 বছরের কবিত্ব জীবনের সাথে উপমাটা খুব দুর্বল। যাক বুঝলাম, অন্ধ সমর্থনকে ডিনাউনস করলেন। অন্ধ সমর্থনটা আমার মতে তাকে মেনে না চলার অপরাধবোধ থেকে আসে। জীবনের প্রতিটা মুহূর্তে আদর্শবান হয়ে মেনে চলার চেয়ে তসলিমা বা রুশদির মত ইস্যুতে গলা ফাটিয়ে দুয়েক দিনের জিহাদ বেশি সোজা...
ইসলামে কাফের 'নিধনে' সম্মানিত করা হয় শুনিনি কখনও... কোরআনেও খুঁজে পাই নি কোথাও...
পৃথিবীকে এখনও দেখছি, শিখছি... বিবেচনাবোধ নাকি সময়ের সাথে সাথে বাড়ে, তাতে পরিপক্কতা এসে গেছে দাবি করব না। সমালোচনা, রম্য হাতিয়ারটা ভাল, তবে ঢালাও সমালোচনা এবং বন্ধু-শত্রুর টু ওয়েল ডিফাইনড এবং স্ট্রিকট সংজ্ঞা ভালোর চেয়ে খারাপ বেশি ডেকে আনে। চরমপন্থী আচরণ, সে যেই বিশ্বাসের মানুষেরই হোক না কেন, ভালোর চেয়ে খারাপ বেশি ডেকে আনে।
ধন্যবাদ।
অতিথি বলেছেন:
কোন দর্শন, ধারনা, বিশ্বাস, ব্যবস্থা প্র্যাকটিকালি যদি কোন positive দৃষ্টান্ত না রাখতে পারে তবে মানুষ নিজের কল্যান, সমৃদ্ধি সাধনে এসব বিশ্বাস, ধারনা, ব্যবস্থা উপেক্ষা করবে, ত্যাগ করবে অবচেতন ভাবে হলেও।
অতিথি বলেছেন:
হাসান মোর্শেদ; আপনার পরিস্কার ও মুসলিম হিসেবে আত্মসমালোচনামূলক বক্তব্যের জন্যে অশেষ ধন্যবাদ। উতকর্ষতার প্রধান পথ যে নিজের দিকে দিকে সমালোচনার দৃষ্টিতে তাকানো, সে কথা স্বীকার করতে বড় বেশী অপারগ আমরা। আর সেখানেই নিহিত আছে আমাদের পরাজয়। আর আমাদের এই চরিত্রহীনতার কারনেই বাকী আমাদের দিকে আঙ্গুল তুলে আমাদের হেনস্থা করার সুযোগ পেয়েছে। আর সে কারনেই অন্যান্য অনেক ধর্মীয় সমাজ জ্ঞানে, বিজ্ঞানে, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠা ও উন্নতিতে আমাদের চেয়ে অনেক বেশী এগিয়ে। আমরা এসব কথা বলে নিজেদেরকে পরাজিত বোধ করি, ধর্মের উপর আঘাত বলে গলা ফাটাই। কিন্তু আসলে যে তাতে দেউলিয়া হচ্ছি প্রতিদিন একটু বেশী করে, তার খবর রাখি না।
অতিথি বলেছেন:
.1। ।দয়া করে সুরা মরিয়মের 24-37 আয়াতগুলো পড়ুন । ইসা(আ2।. । ধন্যবাদ স্বীকার করার জন্য মুসলমানদের মধ্যে ডাবল স্টেন্ডার্ডখুব বেশী । জানতে চেয়েছেন এখন আমাদের করনীয় কি? করনীয় খুব ক্লিয়ার। নিজেদের এই ডাবল স্টেন্ডার্ডথেকে মুক্ত হতে হবে । আর যতদিন তা না হচেছ সবকিছু'র জন্য অন্যদের দায়ী করার বিশ্রী অভ্যাসটা বন্ধ রাখতে হবে । আমিতো প্রবলভাবে বিশ্বাস করি মুসলমানদের ভেতর রেঁনেসা বা সাংস্কৃতিক বিপ্ললব হওয়া দরকার । আর তা হলে শুধু মুসলমান নয় ,পৃথিবীর ও উপকার হয় ।আর ইসলামী বিশ্ব, মুসলিম উম্মাহ এসব ফ্যানটাসী আপাতত: বাদ দিয়ে আমাদের প্রত্যেকের ব্যক্তি জীবনে আরেকটু সৎ, শআরেকটু স হনশীল, যৌক্তিক , মানবিক ও গ্রহনযোগ্য হওয়াটা জরুরী। মনে রাখা ভালো আল্লাহর রাসূল ও তার সাহাবী গন ইসলাম প্রচার শুরু করেছিলেন ম্যাজিক দেখিয়ে বা শক্তি প্রয়োক করে নয় বরং ব্যক্তিগত গ্রহনযোগ্যতা দিয়ে । আপনারা পশ্চিমা বিশ্বের মুসলমানরা নিজেদের অধিকার আদায়ের চেষ্টা করছেন । চমৎকার । তবে তার আগে মুসলিম দেশগুলোতে অন্যদের অধিকারের ব্যপার টা ভাবা কি শোভন নয়?
3 । । শুধু মুসলমানরাই গাইেেডড -মানতে পারছিনা । কারন প্রতিটি সমপ্রদায় এর জন্য আল্লাহ গাইড পাঠিয়েছেন । আর মানুষের ইতিহাস তো কেবল মুসলমানদের ইতিহাস নয় । গুহাবাসী মানুষের মহাকাশ জয় -- মানুষের লক্ষ্য বছরের ধারাবাহিকতা । আমরাই শ্রেষ্ঠ অন্যরা কিছুই নয় , এটা ও মুসলমানদের অনেক সমস্যার একটা । সুপরিয়র কমপ্লেক্স ।মুসলমানরা যদি সত্যিই সুপার হয় আচরনে, কাজে, -- তাহলে অন্যরা এমনিতে ই মেনে নেবে ।
4। । রাসেল ঠিক বলেছেন । ইসলামী এন.জি.ও ,ইসলামী হাসপাতাল, ব্যাংক, বীমা ,রিয়েল এস্টেট, গান , কবিতা , নাটক, সিনেমা ... কোনদিন দেখা যাবে ইসলামী ব্রা , পেন্টি ,ব্রোথেল (আল্লাহ আমার ওদ্ধত্য ক্ষমা করুন ) । ইহুদী শাইলকের চেয়ে ও বড় বেনিয়া আমরা ।
5। । সত্যি সাজেদ , পৃথিবীতে এর আগে ব হু ধর্ম, দর্শ ন বাতিলহয়ে গেছে অনুসারীদের ব্যর্থতার জন্য ।
.................।
আমি মনে করি এসব বায়বীয় বিষয় নিয়ে কথা বাড়িয়ে আর কোন লাভ নেই ।
পৃথিবীতে এর থেকে আরো অনেক প্রবল সমস্যা আছে মানুষের জন্য ।
প্রাপ্তির জন্য আমরা কি আমাদের সাধ্যমত চেষ্টা করছি ?
অতিথি বলেছেন:
1. ক্যাথলিক খ্রীষ্টিয়ানরা গ্রীকদের প্রাচীন ধর্মের কনসেপ্টের সাথে মিলিয়ে ঝিলিয়ে যীশুর যেই পরম পূজনীয়, অতি মানবিক ইমেজ দাঁড় করিয়েছে (যীশু ঈশ্বরের সন্তান, সবার পাপ নিয়ে গেছে আত্মত্যাগের মাধ্যমে) তার সাথে ইসলামের কোন মিল নেই। বরং ডা ভিঞ্চি কোডে অতি প্রাকৃতিক ব্যপার স্যপার কাট ছাট করেছে, গ্রীকদের সংস্পর্শে এসে খ্রীষ্টান ধর্মের কনট্যামিনেশন উদ্ধার করেছে, সেই অর্থে আমি বলেছি রিপ্রেজেনটেশনটা ইসলামের কাছাকাছি।2. মুসলিমদের মধ্যে ডাবল স্ট্যান্ডার্ড আছে তা আমি কখনও অস্বীকার করি না।
অস্ট্রেলিয়ায় 2 মিলিয়ন মুসলিম।
ইউরোপে মুসলিম প্রায় 7 মিলিয়ন। আমেরিকায় 5 মিলিয়ন। তাই পশ্চিমে মুসলিমদের খুব গুরুত্বহীন করে দেখার সুযোগ নেই।
'তার আগে' হতে হবে কেন, দ্্বিতীয় বা তৃতীয় প্রজন্মের সাথে কিংবা কনভার্টেড মুসলিমদের সাথে মুসলিম দেশগুলোর কোন যোগাযোগ নেই।
অস্বীকার করছি না মুসলিম বিশ্বেইসলামের আসল স্পিরিটের বড় অভাব। আসলে মুসলিম দেশগুলোতে অনৈতিকতা, দুনর্ীতির কথা ভাবলে হতাশ লাগে। মনে হয় নিকট ভবিষ্যতে এর কোন সমাধান নেই।
যাই হোক, দু'টো সাইট দেখতে পারেন...
পশ্চিমে মুসলিমদের একটা আলাদা ধারা গড়ে উঠছে, সেটাকে আন্ডারমাইন করার সুযোগ নেই:
http://www.q-news.com/
Click This Link
http://www.todayislam.com
আমার এ ব্যপারে যা মনে হয়, সবাই যদি নিজ নিজ ক্ষেত্রে থেকে নিজেদের চারপাশটা ঠিক করার চেষ্টা করত তাহলে দারুণ হত। আমাদের সমস্যা হচ্ছে, আমাদের মাথায় নতুন চিন্তা আসার সাথে সাথে আমরা সবাইকে নিজেদের হাতের কাজ ফেলে এসে সেই কাজে হাত লাগাতে জোড়াজুড়ি করি। তাদের কাজ কত ফালতু, এবং অর্থহীন এটা বুঝাতে লেগে যাই, ফলে তর্কই সার হয়
গ্রামের ফতোয়াবাজদের পর্যন্ত আমার হাত পৌছবে না, চিৎকার পৌছবে না... কিন্তু একই গ্রামের অন্য একজনেরটা পৌছবে। আমি সিডনীতে বসে ফিলিস্তিনের কিছু করতে পারব না, তাদের দিকে ছোড়া বোমা আমার গায়ে ফোস্কাও ফেলছে না, তাই বলে তাদের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম মিথ্যে হয়ে যাবে না। আবার আমার এখানকার জীবনে যেই সমস্যা ফেইস করছি সেটা আপনি ছোট বলে উড়িয়ে দিতে পারবেন না।
সবাই নিজের ক্ষেত্রে থেকে পৃথিবীটা সুন্দর করার চেষ্টা করলেই আরেকটু বাসযোগ্য পৃথিবী পেতাম নিসন্দেহে।
সমান্তরালে অনেকগুলো কাজ একসাথে হতে পারে...
3. মানছি মুসলিমরা যদি কাজে সুপার হয় তাহলে অন্যরা এমনিতেই মেনে নিবে।
মুসলিম শব্দের আভিধানিক অর্থের কথা ভাবছিলাম আমি যখন বলেছি শুধু মুসলিমরাই গাইডেড। মুসলিম অর্থ আল্লাহর কাছে পরিপূর্ণ ভাবে আত্মসমর্পন করে যারা।
খ্রীষ্টিয়ান কথাটা এসেছে ক্রাইস্ট থেকে।
জুডাইজম জুডা নামের একটা গোত্র থেকে।
দিস ইজ রিডিকুলাস একটা গাইডেনস আল্লাহ পাঠানোর পরে কোন ব্যক্তি, গোত্র বা স্থানের নামে নাম রাখবেন। বরং পরে ধর্মগুলোর বিকৃতির সময় ওমন নাম চালু হয়ে যায়। আদম (আ) ও একজন মুসলিম ছিলেন, ছিলেন সব নবী রাসুল এবং তাদের সমর্থকরা। সেই অর্থে শুধু মুসলিমরা গাইডেনস পেয়েছে, কারণ যতদিন গাইডেনস ছিল, ততদিন তারা মুসলিম ছিল। এখনও কেউ মূল ম্যাসেজের অনুসারী হলে, সে মুসলিমই হবে। সরি, থিওরীটা বেশি হয়ে যাচেছ...
সুপারিওরিটি কমপ্লেক্স না, আমি যা বলছি, কেউ যদি সচেতন থাকে তার উপর আসা দায়িত্বের ব্যপারে, তাহলে দায়িত্ববোধ থেকেই কাজ করবে। শ্রেষ্ঠ বলে বসে থাকলে চলবে না, শ্রেষ্ঠত্ব প্রমান করতে হবে। আল্লাহর বাগানে যে ফুল গাছ না লাগিয়ে বোমাবাজি করবে, তাকে আল্লাহ কেন অপমান করবে না তাই ভাবি। বিশেষত যে বোমাবাজি করছে, সে যদি জেনে থাকে তার ফুল গাছ লাগাতে হবে। জ্ঞান আর ক্ষমতার সাথে আসে অনেক অনেক দায়িত্ববোধ, আমি সেই অর্থে বলেছি, গাইডেনস সাথে থাকার কারণে মুসলিমস হ্যাভ নো এক্সকিউজ। হাতে ম্যাপ আছে, দেখে নিলেই গন্তব্যে পৌছতে পারবে...
4. ........
5. ........
প্রাপ্তির জন্য আপনি সাধ্যমত চেষ্টা করছেন কি না সেটা আপনার নিজেকে বিচার করতে হবে... প্রাপ্তি একজন না, অনেকজন।
ওয়ালী বলেছেন:
তো মোরশেদ ভাই ইরানে আইনের কত ধারায় যেন বলা আছে "অমুসলিমরা দেশের 2য় শ্রেনীর নাগরিক"? আর কোন কোন নেতা যেন এটা বলছেন? নাকি এটা আপনার মস্তিস্ক প্রসূত চিন্তা?আর সৌদী নাগরিকত্ব কোন মুসলমান দেশের নাগরিকরা যেন পায়?
অতিথি বলেছেন:
হাসান মোর্শেদ, Click This Linkএখানে ডা ভিঞ্চি কোড আর মুসলিমদের নিয়ে একটু ভিন্ন ধমর্ী রিভিউ পাবেন।
আর Click This Link
এখানে পাবেন ইউরোপিয়ান মুসলিমদের নিয়ে কিছু অাঁতলামি।
হ্যাপি রিডিং
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
কুড়িগ্রামের এক মফিজ যখন না খেয়ে মারা যায়, সৌদি'র এক প্রিন্স কেন জুয়ার টেবিলে ঢেলে দেয় লক্ষ লক্ষ ডলার? মুসলিম উম্মাহ তখন শূন্যে মেলায়!--- আপনারে এখন খুব প্রয়োজন ছিলো ।
















