আমার প্রিয় পোস্ট

এ ব্লগে আর কোন মৌলিক লেখার দরকার নেই, যেহেতু আমি আমার নিকৃষ্টতম লেখার স্বত্ব ও কাউকে দিতে রাজী নই

মফিজ পর্ব-2:ইসা(আ:)এর স্বরুপ ও ধর্মভিত্তিক দ্্বীপ দুনিয়া

২০ শে মে, ২০০৬ রাত ৯:৩৪

শেয়ার করুন:                   Facebook

[মফিজ পর্ব-1 লিখেছিলাম 'আস্তমেয়ের' প্রতিক্রিয়ার প্রেরনায় । প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ওয়ালী ও । ভালোই তো বন্ধু বাড়ছে ]
1। । 'আস্তমেয়ের' অভিযোগ আমি তার পোস্ট গুলো না পড়েই কেবল ধারনা করে যাচেছতাই িলখে ফেলি । ফলত: তার বিরক্তির কারন হই । সবিনয়ে জানাই আপনার পোস্টগুলো আমি পড়ি, বেশীর ভাগ ভাবনার সাথে আমি একমত হই, ভালো লাগে । আপনি কস্ট করে কিছু ওয়েব লিংক ও দেন । আমি পড়ার ও বোঝার চেষ্টা করি । তবে আমি নাসারাদের ভাষা আংরেজিটা সব বোঝতে পারিনা । মুসলমানের ভাষা আরবী একেবারেই না । পবিত্র কোরান ও আমাকে পড়তে হয় যবনের ভাষা বাংলায় । কি আর করা , যাই হোক । আমার আগের পোস্টে 'ভিঞ্চি কোডে'র প্রসঙ্গ এনেছিলাম একটা উদাহরন হিসেবে । 'ভিঞ্চি কোডে' যীশুকে মানবিক না আসমানী রুপে দেখানো হয়েছে সেটা আমার আলোচ্য ছিলোনা । বলতে চেয়েছিলাম এই মুভি'তে যীশুকে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে , ক্যাথলিকদের সেটা পছন্দ না হলেও বিবৃতি দিয়ে প্রতিবাদ জানানো ছাড়া আর কিছুই করতে পারেনি । করতে পারেনি কারন ইউরোপের মানবাধিকার আইন ও তার বাস্তব প্রয়োগের কারনে যার যা খুশি করা যায়না । পাঁচশো বছর আগে হলে কিন্তু ঠিকই করতো । কোপার্নিকাসের মতো 'ভিঞ্চি কোডে' র নির্মাতা কে ও পুড়িয়ে মারতো খ্রীস্টান চার্চ। কিন্তু মুসলিম সমাজে সমালোচনার জবাবে মৃতু্য পরোয়ানা ঘোষনা করা , মাথার দাম নির্ধারন করে ফেলা এসব ঘটমান বর্তমান । আপনি বলছেন যীশুর অতিমানবিক ইমেজটা ক্যাথলিকদের বানানো ।কিন্তু আমি যখন পবিত্র কোরানে পাই 'আমি তোমাদের জন্য মাটি দিয়ে একটি পাখী বানাব তারপর আমি ফুঁ দিলে আল্লাহর ইচ্ছায় তা উড়ে যাবে । আমি জন্মান্ধ ও কুষ্ঠ রোগীকে ভালো করবো আর আল্লার অনুমতি পেলে মৃতকে জীবিত করবো' [ সুরা আল-ই-ইমরান : আয়াত 48] 'নিশ্চয় ঈসার দৃষ্টান্ত আল্লাহর কাছে আদমের মতো । তিনি তাকে মাটি থেকে সৃস্টি করেছিলেন, তারপর তাকে বলা হলো 'হও' আর সে হয়ে যায় । এ সত্য তোমার প্রতিপালকের কাছ থেকে , সুতরাং যারা সন্দেহ করে তুমি তাদের শামিল হয়োনা ।' [সুরা আল-ই-ইমরান : আয়াত 59-60] 'তারপর সে (মরিয়ম) তার(ঈসার) দিকে ইঙ্গিত করলো । ওরা বললো ' যে কোলের শিশু আমরা তার সঙ্গে কেমন করে কথা বলবো?' কিন্তু ঈসা বললো - আমি তো আল্লাহর দাস ।তিনি আমাকে কিতাব দিয়েছেন ও নবী করেছেন । যেখানেই আমি থাকিনা কেনো তিনি আমাকে আশিসভাজন করেছেন, তিনি আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন যতদিন জীবিত থাকি ততদিন নামাজ ও জাকাত আদায় করতে এবং আমার মায়ের অনুগত থাকতে । আর তিনি আমাকে উদ্ধত বা হতভাগ্য করেননি । আমার উপর শান্তি ছিলো যেদিন আমি জন্মগ্রহন করেছিলাম ও শান্তি থাকবে যেদিন আমার মৃতু্য হবে এবং যেদিন জীবিত অবস্থায় আমার পুনরুত্থান হবে ।'[সুরা মরিয়ম:আয়াত 30 ] তখন? কোরানের দেয়া এই ইমেজটা কি অতি মানবিক নয়? হ্যাঁ এটা সত্য যীশুর অলৌকিক জন্ম কাহিনীকে পুঁজি করে ক্যাথলিকরা ' ঈশ্বরপুত্র' তত্বটা প্রচার করে । কিন্তু ক্যাথলিকরদের এই মিথ্যাচারের জন্য যীশুর মহিমা মলিন হয়ে যায়না বা তিনি আমাদের মতো সাধারন লেভেলে নেমে আসেননা । । ।2 । । ওয়ালী জানতে চেয়েছেন ইরানের ব্যপারে আমার মন্তব্য মন গড়া কিনা ।জি্ব না মন গড়া না । সুযোগ থাকলে ইরানের কনস্টিটিউশনের 12-14 আটিকেল পড়ে দেখবেন । আর কোনো রাস্ট্র যখন একটা নিদিষ্ট ধর্ম ভিত্তিক হয়ে যায় তখন ভিন্নধর্মাবলম্বীরা সেই রাস্ট্রেদ্্বীতিয় শ্রেনীর নাগরিক হয়ে যাবে, সমানাধিকার পাবেনা --এটা তো খুব সরল একটা অংক । এটা বোঝতে তথ্য প্রমান লাগেনা । যেমন সাংবিধানিক হিন্দু রাস্ট্র নেপাল । নেপালে অন্য ধর্মাবলম্বীদের সমানধিকার যদি থেকে ও থাকে, অন্য ধর্মাবলম্বীরা মানসিক ভাবে কখনোই তা বোধ করবেনা । কারন রাস্ট্রের পরিচয়টাইতো বৈষম্যমুলক ।যেমন বাংলাদেশ । বাংলাদেশ কিন্ তু ইসলামী রাস্ট্রনয়, গনপ্রজাতান্ত্রিক ।সংবিধানে নিশ্চিত আছে 'জাতি , ধর্ম,বর্ন,শ্রেনী,নারী,পুরুষ নির্বিশেষে সবার সমান অধিকার ।' সুন্দর ।কিন্তু সমপূর্ন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে যখন সংবিধান সংশোধন করে রাস্ট্রীয় চারমুলনীতির একটা নির্দিস্ট হয় 'আল্লাহর উপর পুর্ন বিশ্বাস' যখনবাংলাদেশের রাস্ট্রধর্মঘোষিত হয় ইসলাম অথবা সবার জন্য সমান অধিকারের ঘোষনা দেয়া সংবিধানের শুরু হয় 'বিসমিল্লাহ ' দিয়ে? তাহলে বাংলাদেশ রাস্ট্রেযারা আল্লাহ র বদলে ভগবান বা গডের উপার বিশ্বাস রাখে অথবা যারা আদৌ কারো উপর কোনো বিশ্বাস ই রাখেনা , তাদের নীতিগত বা সাংবিধানিক অবস্থানটা কোথায় দাঁড়ায়? অথবা 'ধর্ম,বর্ন,শ্রেনী,নারী,পুরুষ নির্বিশেষে সবার সমান অধিকারর্ এই আশ্বাসে একজন হিন্দু যদি দাবী করে সংবিধানের শুরুতে তার ধমের বানী ও সংযোজন করতে হবে? মেনে নেবে 'সো কলড' সমানাধিকারিকরা ? আমরা কি অদুর ভবিষ্যতে এমন একটা পৃথিবী পেতে যাচিছ যেখানে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাস্ট্র সব হয়ে যাবে সাংবিধানিক ইসলামী রাস্ট্র-- কায়েম হবে শরীয়া আইন , হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ রাস্ট্র সব হয়ে যাবে সাংবিধানিক হিন্দুরাস্ট্র-- কায়েম হবে বজরং আইন , খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ রাস্ট্র সব হয়ে যাবে সাংবিধানিক খ্রিস্টা নুরাস্ট্র-- কায়েম হবে চাচের আইন , আর ইহুদীরা তো অলরেডী এটা করেই ফেলেছে । ফলে আগামী বিশ্বেপ্রতিটি দেশে সংখ্যালঘুমুসলিম,হিন্দু,খ্রিস্টান,ইহুদী র জন্য অপেক্ষা করছে নিরাপত্তাহীনতা ও হীনমন্যতা । যারা কোনো ধর্মেটর্মেবিশ্বাস করেনা তাদের কথা নাইবা ভাবলাম । এরা তো ওদের সবার কাছেই অস্পশ্য । চমৎকার । মানুষ এগুচেছ ..এটা তা হলে সর্বৈব সত্য নয় । মানুষ পিচাচেছ ও । এবং ভয়ংকর ভাবে । ।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে ।

 

  • ৩৩ টি মন্তব্য
  • ৪৬৫ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২১ শে মে, ২০০৬ রাত ৩:০৫
comment by: অতিথি বলেছেন: ধর্ম, মানুষ ও সভ্যতা সম্পর্কে আপনার স্পষ্ট ধারণা দেখে ভালো লাগলো।
শিক্ষা ব্যবস্থা তাহলে কাজ করছে।
এই ব্লগে কিছু কম্পিউটার টেকনিশিয়ানদের বুদ্ধির দৌড় দেখে মনে হয় আরবী বইটা ছাড়া এরা কিছু পড়ে নাই।
ধন্যবাদ, চমৎকার লেখার জন্য।
২. ২১ শে মে, ২০০৬ ভোর ৪:০৫
comment by: ময়ূরী বলেছেন: হাসান,ব হুদিন পর আপনার লেখা পড়লাম ( আপনি আগে পাঠক ফোরাম ও বন্ধুসভায় লিখতেন, তাইনা?) আগে আপনি খুব টাচি গল্প লিখতে ন । এতো সিরিয়াস লেখা শুরু করলেন কবে থেকে ? আপনার সব কথার সাথে আমি একমত না । তবু ভালো লাগলো । আর এই সাইটে আমি আজ এসেছি মাত্র । নিশ্চয় আরো লেখা পাবো ।
৩. ২১ শে মে, ২০০৬ ভোর ৪:০৫
comment by: অতিথি বলেছেন: ভাইজান তো লিখছেন ভালোই ।তবে বাংলাদেশে থাকলে এতো সত্য লিইখেননা ।বিপদে পরবেন । ভালা থাইকেন
৪. ২১ শে মে, ২০০৬ ভোর ৫:০৫
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: হাসান মোরশেদ, অনেকগুলি বিশেষণ আছে বহুব্যবহারেও জীর্ন হয় না, একটি দিলাম- অসাধারণ!
৫. ২১ শে মে, ২০০৬ সকাল ১১:০৫
comment by: অরূপ বলেছেন: মোরশেদ ভাই,
পড়লাম আগ্রহ নিয়ে..
৬. ২১ শে মে, ২০০৬ দুপুর ২:০৫
comment by: অতিথি বলেছেন: আপনি প্রশ্ন তুললেন অনেক...

ইংরেজিকে নাসারাদের ভাষা মনে হয় নি কখনই। ইংরেজিতেই যেই বইগুলো আছে, একই বই বাংলায় পাই না বলে আপনাকে অসুবিধায় ফেলতে হয়। দু:খিত। আর আরবি কোরআনের ভাষা। অনুবাদে মূল অর্থের অনেক ভাব অনুপস্থিত থেকে যায়, সাহিত্যিক হিসেবে এটা আপনার জানা উচিৎ।

ঈসা (আ) এর আয়াতগুলো পড়লেই বুঝবেন, আল্লাহ তাঁকে সাময়িক ক্ষমতাগুলো দিয়েছিলেন তিনি যে আল্লাহর রাসুল তা প্রমাণ করার জন্য। এগুলো তাঁর নিজেস্ব ক্রেডিট ছিল না, যেমনটা দাবী করা হয়ে থাকে। তিনি মানুষই ছিলেন, কিছু অন্যরকম ব্যপার ছিল বটে, তবে অতি মানবিক না।

ভাইরে, মুসলিম দেশগুলোর হিপোক্রেসী নিয়ে আমরা সব মুসলিমরাই বিব্রত, অস্থির। বুঝলাম, মানলাম... তো কি করুম এখন?

আর খুব নিকট ভবিষ্যতে কোন ইসলামিক রাষ্ট্র হওয়ার সম্ভবনা দেখছি না!!!
আপনি দেইখ্যা থাকলে আমাকেও একটু দেখান, একটু খুশি হই।

ইরানের সংবিধানে আমার একসেস নেই, তাই দেখতে পারলাম না। তবে কোন অমুসলিম নাগরিক অনুযোগ করেছে বলে শুনিনি। আপনি কোথাও শুনে থাকলে জানিয়েন। ইতিহাসে, সালাহউদ্দীনের নাম শুনেছেন তো? তাঁর 'ইসলামিক রাষ্ট্রে' অমুসলিমরা সুখেই ছিল শুনেছি, আজও অমুসলিমরা তার বন্দনা করে। রাসুল (স) নিজে ইসলামী রাস্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ভুল করেছিলেন?
৭. ২১ শে মে, ২০০৬ বিকাল ৩:০৫
comment by: অতিথি বলেছেন: আচ্ছা সৌদি আরবে অন্য কোন দেশের সাচ্চা মুসলিম কি নাগরিত ্বপেতে পারে?
আস্তমেয়ে 'মুসলিম দেশগুলির হিপোক্রেসী নিয়ে বিব্রত, অস্থির।' কিন্তু http://tinyurl.com/oovad লিংকের মন্তব্যে এই হিপোক্রাটদের (1.5 বিলিয়ন) ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধিতে কিন্তু বেশ গর্বিত মনে হলো। আসলে কে যে হিপোক্রেট বুঝতে পারছি না।
৮. ২২ শে মে, ২০০৬ রাত ২:০৫
comment by: অতিথি বলেছেন: দীক্ষক,ময়ুরী,ক্ষ্যপা, অরুপ,সাজেদ:
ধন্যবাদ পড়া এবং মন্তব্যের জন্য !
পিয়াল:
অভিনন্দন আপনাকে । মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আপনার কাজ গুলো অসাধারন নয় কিন্তু জরুরী, ভীষন জরুরী ।

আস্তমেয়ে:
ক্ষমা করবেন । আর একটু বিরক্ত করছি । সম্ভবত: আর করবোনা । ইসা(আ:) নিয়ে আপনার সবশেষ মন্তব্য শুনে মনে পড়লো বাংলা একটা চালু গল্প । ও ই যে গরীব প্রতিবেশীর মেধাবী ছেলেটা পড়ালেখা শুরু করলে ধনী প্রতিবেশীর নিজেকে বোঝানো ও ব্যটা পড়লে ও পাশ করবেনা,পাশ করলে ও চাকরী পাবেনা , চাকরী পেলে ও বেতন পাবেনা । আল্লাহ তাহলে তাকে 'সাময়িক' কিছু ক্ষমতা দিয়েছিলেন! তারপর কি? আল্লাহ ওই 'সাময়িক' ক্ষমতা ফিরিয়ে নিয়েছিলেন? কতদিন পর? এ বিষয়ে নিদিষ্ট তথ্য জানাবেন তো । তারপর বলছেন ও ই 'সাময়িক ক্ষমতা ও তার নিজস্ব ক্রেডিট ছিলোনা, আল্লাহ দান করেছিলেন । আমরা যদি ধমে বিশ্বাস করি, তাহলে বলুন তো কার কোন ক্ষমতা তার নিজস্ব ক্রেডিট ? পাতার বাঁশী বাজায় জে রাখাল সেটা ও তাকে দেয়া আল্লাহর দান । মুহাম্মদ(সা:) এর ক্ষমতা কি তার নিজস্ব ছিলো নাকি?
আল্লাহ পিতা ছাড়া জন্ম নেবার অনন্যতা যাকে দান করেছিলেন , মৃতকে জীবিত করার অসীম ক্ষমতা দিয়েছিলেন, আল্লাহ যার পুনরুত্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন-- তার সম্পকে আপনার মুল্যায়ন 'কিছু অন্য রকম ব্যপার ছিল বটে, তবে অতি মানবিক কিছু নয় '... চমৎকার !
কি বলবো আর?

৯. ২২ শে মে, ২০০৬ বিকাল ৩:০৫
comment by: হযবরল বলেছেন: খুব ভাল লিখা , পড়ছি আগেই কমেন্ট দিলাম দেরীতে । আরো চাই ।
১০. ২২ শে মে, ২০০৬ বিকাল ৩:০৫
comment by: ওয়ালী বলেছেন: http://www.iranologyfo.com/low-e02.htm
এই লিংকে ঘুড়ে এসে ইরানের সংবিধান পড়ে আসুন। নিজের মস্তিস্ক প্রসূত চিন্তাকে একটি দেশের সংবিধান বলে চালিয়ে দিবেন না।
১১. ২২ শে মে, ২০০৬ বিকাল ৫:০৫
comment by: ওয়ালী বলেছেন: মোরশেদ ঐ হিজিবিজি মন্তব্যগুলো মুছে দিয়েন। সরাসরি তুলে দিচ্ছি আপনার 14 এবং 15 নম্বর আর্টিকেল সাথে সাথে 13 নম্বরটিও। নিজের মস্তিস্ক প্রসূত চিন্তা একটি দেশের সংবিধান বলে চালিয়ে দিবেন না।

[ইংলিশ]ARTICLE 13 - Iranian Zoroastrians, Jews and Christians shall be the only recognized religious minorities who, within the limits of law, shall be free to carry out their religious rites and practice their religion in personal status and religious education.

ARTICLE 14 - According to the stipulation of the Koranic verse God forbids you not respecting those who have not fought against you for religion's sake, and who have not driven you forth from your homes, that ye should act righteously and justly towards them; verily, God loves the just!(38) The Government of the Islamic Republic of Iran and the Muslims are required to treat the non-Muslims with good manners and Islamic justice and observe their human rights. This article applies to those who do not plot or act against Islam and the Islamic Republic of Iran.

Chapter Two
OFFICIAL LANGUAGE, SCRIPT, CALENDAR & FLAG
ARTICLE 15 - The common and official language and script of the people of Iran is Farsi. Official documents, correspondence and texts as well as text books must be in this language and script. However, the use of local and ethnic languages in the press and mass media or the teaching of their literatures in schools, along with Farsi, shall be free.
[/ইংলিশ]
১২. ২২ শে মে, ২০০৬ রাত ৮:০৫
comment by: অতিথি বলেছেন: ধন্যবাদ ওয়ালী....
তো আটিকেল 13 কি বলে?
১৩. ২২ শে মে, ২০০৬ রাত ৯:০৫
comment by: অতিথি বলেছেন: ধন্যবাদ ওয়ালী....
তো আটিকেল 13 কি বলে?'Iranian Zoroastrians, Jews and Christians shall be the only recognized religious minorities '... এর বাইরে যদি কোনো ইরানিয়ান অন্য কোনো ধমের প্রেকটিস করতে চায়, রাস্ট্র তাকে স্বীকতি দেবেনা? আর উল্লেখিত তিন ধমের অনুসারীরা ও রাস্ট্রের চোখে religious minorities । রাস্ট্র যখন সংবিধানে নাগরিকদের মাঝে পাথক্য তৈরী করে 'majority , minority 'বলে তখন এটা discrimination না! তখনো বলতে হবে এই রাস্ট্রে সব ধমের সমানাধিকার ! আর 'recognized religious minorities' দের ' religious rites and practice ' এর স্বাধীনতা কতটু ক'within the limits of law' ইসলামী রাস্ট্রের আইন েবঁধে দেয়া আইনের ভেতর অন্যদের ধমীয় স্বাধীনতা ! আমরা মুসলমানরা মেনে নেবোতো ইউরোপীয়ানরা যদি বেঁধে দেয় আমাদের ধমীয় স্বাধীনতা?
১৪. ২২ শে মে, ২০০৬ রাত ৯:০৫
comment by: অপ বাক বলেছেন: এই কথাটা আরও সহজ ভাষায় বলতে হবে, অন্য ধর্মাবলম্বিদের যে নাগরিক হিসাবে মেনে নেওয়া হচ্ছে না এই বিষয়টা অনুধাবন করার মতো ক্ষমতা থাকলে হতো।
১৫. ২২ শে মে, ২০০৬ রাত ৯:০৫
comment by: অতিথি বলেছেন: আটিকেল 14 ইরানের মুসলমানদের নিদেশ দেয় অমুসলিমদের সাথে মানবিক আচরনের জন্য । কেন? কারন মুসলমানরা রাস্ট্রের অভিভাবক, অন্যরা রাস্ট্রের আমানত !( অধিকার কি সমান?) ... তবে মানবিক আচরনের ও সীমা েবঁধে দেয়া আছে । যতক্ষন না অমুসলিমরা ইসলামের বিরুদ্ধাচরন করে ! তো মুসলিমরা যখন অমুসলিমদের বিরুদ্ধাচরন করবে, তখন?
................
যে কোনো রাস্ট্র সেটা ইরান, আফগানিস্তান, নেপাল, ইসরাইল বা বাংলাদেশ হোক -- যখন কোনো একটা বিশেষ ধর্মএবং সেই ধমের আইনকে আদর্শ হিসেবে গ্রহন করে , তখন সেই রাস্ট্রে অন্যধর্মালম্বীরা কখনোই কমফোর্টফিল করবেনা । এটাকে যদি কেউ 'minority complex ' বলে উড়িয়ে দিতে চান,দিতে পারেন ।
আসলে এই ফ্যাক্টরগুলো তত্ববা ,যুক্তি চেয়ে মন থেকে বিবেচনা করতে হয় ।
তবে সবাই তো আর বাধ্য নয় বিবেচনা করতে, কি আর করা!
১৬. ২২ শে মে, ২০০৬ রাত ৯:০৫
comment by: ওয়ালী বলেছেন: হা হা হা ...........
13 নম্বর কি আসলেও তাই বলে?
মাইনোরিটি মানে কি 2য় শ্রেনীর নাগরিক? এইটা তো আগে জানতাম না ভাই। তাইলে তো বলতে সকল দেশের মাইনরিটিরা 2য় শ্রেনীর নাগরিক।

অবশ্যই উইদিন দ্যা লিমিটস অফ ল। কারণ ইসলামে 4টি বিয়ে করা যায় । খৃষ্ট ধর্মে বিবাহিতাবস্থা 2য় বিয়ে করতে পারবেনা কিন্তু উপপতি্ন মর্জির উপর নির্ভশীল। সামাজিক এবং নৈতিক অবক্ষয় ঠেকানোর জন্য রাষ্ট্র কতর্ৃক আইন থাকতে হবে।

ইউরোপে মাইকে আযান দেয়া যায়না কিন্তু গির্জার ঘন্টা ঠিকই বাজে। ঈদের ছুটি নেই কিন্তু 25শে ডিসেম্বর ঠিকই সরকারী ছুটি পাওয়া যায়। হিজাব পরিহিতাবস্থায় সরকারী কোন স্কুলে ঢুকা যায়না। কিন্তু শিকদের পাগড়ী আর ইহুদীদের টুপি ঠিকই পড়া যায়। আর ছোট ক্রসও গলায় ঝুলানো যায়।
১৭. ২২ শে মে, ২০০৬ রাত ১০:০৫
comment by: ওয়ালী বলেছেন: আপবাক
অন্যের মুখে ঝাল খেয়ে নিজের জিহবা দিয়ে লালা ঝড়ানো যেমন বুদ্ধিমানের নয় ঠিক তেমনি শটের কথায় বিশ্বাস করে কান চিলে নিয়ে গেছে না ভেবে স্ব -হস্তে কর্নে হস্ত সঞ্চালন করাই বুদ্ধিমানের।

আপনার কথায় মনে হয়েছে ইরানে হিন্দু ইজম নিষিদ্ধ। মূল বিষয়টি হচ্ছে নিষিদ্ধ নয় বরং 13 ধারাটিতে বাকী ধর্মগুলোকে (আহলে কিতাব) রাষ্ট্রিয় মর্যাদা দেয়া হয়েছে। যা কোন অমুসলিম দেশে ইসলামকে দেয়া হয়নি।

তেহরান বেতারের চিফ নিউজ এডিটর ড: অনিন্দ্য গোস্বামী এবার মাঘ মাসেও ঘটা করে স্বরসতী পূজা উদযাপন করেছেন ইরানে।

একটি বাক্য অবশ্যই শুধু একটি বাক্য নয় স্থুল এবং সূক্ষ উভয় কোন থেকেই বিচার করতে হবে।

স্বীকৃত নাগরিক নয় কথাটি হাস্যকর কারণ আহমেদিনিজাদ বিপুল পরিমানে নোন-মুসলিমদের বোট পেয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। আমার প্রশ্ন স্বীকৃত নাগরিক না হলে এই ভোটগুলো কি ফেরেশতারা দিয়ে গিয়েছিলো নাকি?

2য় শ্রেনীর নাগরিকের যে কনসেপ্টটি দিলেন সেটা পরিস্কার নয়। কোন অর্থে ইসলাম, খৃষ্টান, ইহুদী অর্থে নাকি পুলিশের ধর্ম অর্থে (মানে দুষ্টের দমণ শিষ্ঠের প্রতিপালন)। 13 নম্বরে তো পুলিশের ধর্মও নেই। তার মানে কি পুলিশের কাজ সেখানে নিষিদ্ধ?
১৮. ২২ শে মে, ২০০৬ রাত ১০:০৫
comment by: অপ বাক বলেছেন: ওয়ালি আবার পড়ো 13 নং ধারাটা, রাষ্ট্রস্ব ীকৃত ধর্ম ীয় সংখ্যালঘু ছাড়া অন্য কাউকে স্ব ীকৃতি দেওয়া হবে না, তাদের ধর্মপালনের অধিকারও নির্ধারন করে দিবে রাষ্ট্র। এবং এই প্রচলিত ইসলাম জরাথুষ্ট ইহুদি এবং খ্রিষ্টান ছাড়া অন্য যেসব ধর্ম বিদ্যমান তারা ধর্মপালন করতে পারবে না, তাদের রাষ্ট্র সেই অধিকার দেয় নি,
সেই মতে কোনো বিধর্মি ই ইরানের স্ব ীকৃত নাগরিক নয়। এবং 2য় শ্রেনীর নাগরিক কাদের বলে এই বিষয়টা আগে অনুধাবনের চেষ্টা করো।
মানুষের ব্যাক্তিগত ধর্মাচারনের অধিকার যেখানে রাষ্ট্রকতৃক নির্ধারিত হয়, যেখানে তাদের কি দঃর্ম শিক্ষা দেওয়া হবে, কতটুকু দেওয়া হবে এই বিষয়ে রাষ্ট্র খবরদারি করে, তখনই তারা 2য় শ্রেনীর নাগরিক হয়ে যায়, কারন মুসলিমদের দঃর্মপালনের সীমারেখা, জীবনযাপন এবং বিশ্বাসের এবং সংস্কৃতির সীমারেখা টানে না সেই রাষ্ট্র।
একটা বাক্য শুধু বাক্য নয়, এর পেছনে অনেকগুলো মানুষের অধিকার হননের অনিবার্য ভবিষ্যত আছে।
১৯. ২২ শে মে, ২০০৬ রাত ১০:০৫
comment by: উৎস বলেছেন: ধন্যবাদ হাসান মোরশেদ, গুছিয়ে সমস্যাটা লিখেছেন।

ওয়ালী, এই তো সমস্যাটা ধরতে পেরেছেন, ইউরোপে আজান দেয়া যায় না, ঈদের ছুটি নেই ইত্যাদি। ইউরোপের বর্তমান আইনই যে সবচেয়ে ভালো তা নয়, কিন্তু তুলনা করে দেখুন ইরানের আইনের সাথে, একটু হলেও বিধর্মী স্বাধীনতা সেখানে বেশী।
২০. ২২ শে মে, ২০০৬ রাত ১১:০৫
comment by: অতিথি বলেছেন: অপবাক এই বেয়াদবদের সঙ্গে তর্ক করেন কি করে? সম্মান বলে একটা শব্দ এদের অভিধানে নেই। বিদেশী এবং বিধমর্ী - কুমিরের ছানার মতো প্রদর্শনীর বস্তু। বিদেশি ও বিধমর্ী হয়ে ইরানে নাগরিকত্ব নৈব নৈব চ।
কিন্তু অন্য তথ্য আপনাকে সরবরাহ করতে কোনও আপত্তি নেই, তবে তার অনুমতি অবশ্যই লাগবে যে।
কিন্তু দুর্যনের সঙ্গে লড়তে যাওয়ার অর্থই হচ্ছে চোরের সঙ্গে রাগ করে মাটিতে ভাত খাওয়া।
২১. ২২ শে মে, ২০০৬ রাত ১১:০৫
comment by: অপ বাক বলেছেন: অমুসলিম মানেই বিধর্মি নয়, আর ধর্মপালন করছে বলেই এটা রাষ্ট্র স্ব ীকৃত এমন নয়, রাষ্ট্র সংবিধানের এই ধারা ব্যাবহার করে যেকোনো মুহুর্তেই রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমের জন্য এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা নিতে পারে, এমন কি যেকোনো নাগরিক এই বিষয়ে আদালতে মামলা করতে পারে, বিষয়টা সম্ভবনার কথা, সংবিধান অক্ষরে অক্ষরে পালিত হচ্ছে না এটা কোনো বিষয় নয় এখানে।
যদি এমন কোনো ঘটনা ঘটে, এই লোকের বিরুদ্ধে ইরানের কোনো সাধারন জনগন মামলা করলো রাষ্ট্রদ্্রোহিতার, তবে আদালত সংবিধান মেনে চলতে চাইলে লোকটাকে প্রচলিত ধারা শাস্তি দিতে বাধ্য- এটাই আইনের শাসন বলে।
ঢকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা আইন ছিলো কোনো ছেলেকে কোনো মেয়ের সাথে কথা বলতে দেখা গেলে তার 25 পয়সা জরিমানা হবে, এই আইনটা এখনও বলবত আছে, যে কেউ এই আইনের প্রয়োগ করতে পারে, এখন কেউ করছে না বলে কেউ কখনই এই আইনের ব্যাবহার করবে না এমন নয়, করা যায়।
২২. ২২ শে মে, ২০০৬ রাত ১১:০৫
comment by: অপ বাক বলেছেন: যদি গোস্বামী ইরানের নাগরিক না হয় তবে তার ক্ষেত্রে ইরানের সাংবিধান কেনো কার্যকরী হবে, এই তথ্যটা কিজন্য প্রাসঙ্গিক হলো?
ভারতের হাইকমিশনে যদি ভারতের রাষ্ট্রদূত ঘটা করে কালি পুজা করে তাহলেও ইরানের সংবিধান সেখানে খাটবে না, আফ্রিকার উপজাতি যদি তাদের মূর্তি বসিয়ে পূজা করে সেটাও ইরানের মাটিতে হলেও তাদের ক্ষেত্রে এই সংবিধান কার্যকরি নয়।
সংবিধান লংঘন বিষয়টা মূলত রাষ্ট্রের নাগরিকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য একটা বিষয়, এই উদাহরনের প্রাসঙ্গিকতা কি তবে?
ইরানের নাগরিকের ক্ষেত্রে এমন উদাহরন দেওয়াটাই বাঞ্ছনিয়।
২৩. ২২ শে মে, ২০০৬ রাত ১১:০৫
comment by: ওয়ালী বলেছেন: অপ বাক
বিধর্মী শব্দটি আপেক্ষিক আর আমি এখানে বলেছি নোন-মুসলিম। আপনার কমন সেনস ঠিকই আছে তবে ঋণাত্মক।

মহুয়া
তোমার হাপিত্যাসের কারণ বুঝলাম না তথ্য দেও ভাল কথা সাধুবাদ আবশ্যই প্রাপ্য। কিন্তু ভূল তথ্যের প্রাপ্তিটা কি হওয়া উচিত বলে মনে করো?

কোন জায়গা থেকে আবিস্কার করলে অনিন্দ্য গোস্বামী ইরানের নাগরিক?

আর সে ভারতীয় নাগরিক নাকি? লাগবে নাকি ঠিকানা বাংলাদেশেরটা?
২৪. ২২ শে মে, ২০০৬ রাত ১১:০৫
comment by: অতিথি বলেছেন: অপবাক আপনার জন্য এই তথ্যাটি, তেহরান বেতারের চিফ নিউজ এডিটর বলে যে ভদ্রলোকের নাম এসেছে উনি আসলে উপমহাদেশ বিশেষ করে ভারতীয় বিভাগের এডিটর এবং তিনি ভারত থেকে রিক্রুট করা একজন সাংবাদিক। তিনি দীর্ঘদিন যাবত ওখানে কাজ করছেন, তিনি ইরানের নাগরিক নন। দ্্বিতীয়তঃ ভারতীয় পাসপোর্ট নিয়ে কাজ করেন বলেই তিনি ঘটা করে সরস্বতী পূজো উদযাপন করেন এবং তাতে তেহরান বেতারের সবাইকে আমন্ত্রণ জানানো হয়ে থাকে। প্রয়োজনে ভদ্রলোকের সঙ্গে যোগাযোগের ঠিকানাও দেওয়া যেতে পারে। ভালো থাকুন।
২৫. ২২ শে মে, ২০০৬ রাত ১১:০৫
comment by: ওয়ালী বলেছেন: আপ বাক
সম্ভব হলে ইরানে একবার যেয়ে ঘুড়ে এস দেখবেন। আশা করি ভুল ভাঙবে আপনার।
২৬. ২২ শে মে, ২০০৬ রাত ১১:০৫
comment by: অপ বাক বলেছেন: পুলিশ কি আলাদা কোনো ধর্মপালনকারি সমপ্রদায়?
আর সংবিধানে মুলিক গঠনকাঠামো লিখিত থাকে রাষ্ট্রের, একজন মানুষ ঘরে ফিরে চিৎ হয়ে শুবে নাকি উপুড় হয়ে শুবে এসব নিয়মনীতি সংবিধানে লিখিত থাকে না। মানুষ হাটার সময় বাম পাশ ঘেষে হাঁটলে সেটা সংবিধান সম্মত ডান দিক ঘেষে হাটলে সেটা সংবিধান বহির্ভুত এমন ধরনের লিখিত নীতিমালা লিখিত সংবিধানে নেই। আমি সংবিধান বিশারদ না তার পরও কমন সেন্স থেকে বলছি।
২৭. ২৩ শে মে, ২০০৬ রাত ১:০৫
comment by: অতিথি বলেছেন: আমেন!!!
২৮. ২৩ শে মে, ২০০৬ রাত ১:০৫
comment by: অতিথি বলেছেন: হাসান মোরশেদ স হ অন্য যারা মুক্ত মনের আছেন তাদের বলি, আপনারা ফালতু প্যাঁচাল পাড়েন কেনো ? আল্লাহ তালাই বলেছেন কিছু মানুষের চোখ অন্ধ করে দেয়া হয়েছে,তাদের কানে সীসা ঢেলে দেয়া হয়েছে...তাই যত ভালো কথাই বলা হোক এরা বোঝবেনা । আল্লাহ এই স পাগ ছাগলদের মাফ করেন ।বলেন আমিন ।
২৯. ২৩ শে মে, ২০০৬ রাত ২:০৫
comment by: অতিথি বলেছেন: ধন্যবাদ সবাইকে...সব্বাইকে ।
এবার বোধকরি থেমে যাওয়া ভালো ।
৩০. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৫
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন: "আল্লাহ তালাই বলেছেন কিছু মানুষের চোখ অন্ধ করে দেয়া হয়েছে,তাদের কানে সীসা ঢেলে দেয়া হয়েছে...তাই যত ভালো কথাই বলা হোক এরা বোঝবেনা"


আল্লাহ তাদের চোখ-কান অকেজো করেছেন কেন? তাহলে তাদের আর দোষ কী?
৩১. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:০১
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: +++++
৩২. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:০৪
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: +++++
৩৩. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:০৭
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: +++++

 



 



পাঁজরে দাঁড়ের শব্দ,রক্তে জল ছলছল করে
নৌকার গলুই ভেংগে উঠে আসে কৃষ্ণা প্রতিপদ
জলজ গুল্মের ভারে ভরে আছে সমস্ত শরীর
আমার অতীত নেই,ভবিষ্যত...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৫৩৭৭৪