বন্ধু'র ডাচ-বাংলা ব্যাংক এর বুথে কার্ড আটকে যায়।
মেশিনে কার্ড থেকে গেলে সাধারণত রিপোর্ট করে সাইন দিয়ে সেটি নেয়া যায়। ব্যস্ততার কারণে সে ব্যাংকে যেতে পারেনি, ভেবেছে কার্ড হারিয়েছে তো কি হয়েছে তার সিক্রেট নাম্বারতো কেউ জানেনা।
পাচঁ দিন পর সে ব্যাংকে গিয়ে কার্ড হারানোর কথা বলে এবং তার ব্যালান্স চেক করে দেখে ছয় লক্ষ টাকার মধ্যে এক লক্ষ টাকা নেই...
তার'তো মাথায় হাত। স্টেটম্যান্ট নিয়ে দেখে বৃহস্পতি ও শুক্রবার সন্ধার পর কেউ ৫০ করে দুই দিনে ১ লক্ষ তুলেছে। (কার্ডে একদিনে ৫০ হাজারের বেশি উঠানো যায়না) ব্যাংকের কেউ কার্ড পাবার কথা স্বীকার করছেনা।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে:
☆কার্ড মেশিনে আটকে গেলে ব্যাংকের কর্মকর্তারাই মেশিন থেকে সেটি বের করে, অন্য কেউ কার্ড পাবার কথা নয়।
☆ব্যাংক থেকে কার্ডের সাথে যে সিক্রেট নাম্বারটা পাঠিয়েছে সেটি আমার বন্ধু আর পরিবর্তন করেনি। অন্য কেউ কার্ড পেলেও পাসওয়ার্ড জানবে কিভাবে?
☆প্রথম দুই দিনও চোর কার্ড দিয়ে টাকা উঠাতে পারতো, তাহলে সে আরো ১ লাখ পেত। কিন্তু সে অফিস আওয়ারের পর ও ছুটির দিনে চুরি'টি করেছে।
ব্যাংক কর্মকর্তাদের মধ্যে কেউ খুব চালাকির সাথে ডাটা কালেক্ট করে এটি করেছে বলে মনে হচ্ছে। এখন আমরা ভিডিও ফুটেজের অপেক্ষায় আছি, ব্যাংক সি.সি.টিভি ক্যামেরায় রেকর্ড করা ভিডিও দিলে যদি কিছু করা যায়...
হয়তো টাকা আর ফেরৎ পাওয়া যাবেনা, কিন্তু অন্য কারো যেন এমন ভোগান্তি না হয় সেই দিকটা খেয়াল করে এই পোস্ট।
যারা এ.টি.এম কার্ড ব্যবহার করেন লক্ষ্য রাখবেন:
☆কার্ড কখনো মেশিনে আটকে গেলে/ হারিয়ে গেলে সাথে সাথে রিপোর্ট করতে ভূলবেন না।
☆কার্ডের সাথে ব্যাংক যে পাসওয়ার্ড পাঠায় সেটি অবশ্যই পরিবর্তন করবেন। নতুন পাসওয়ার্ড যেন কেউ না জানে।
আপনার কষ্টের টাকা হারিয়ে যাবার বিপদ থেকে সতর্ক থাকুন।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



