আমার প্রিয় পোস্ট

তোমার দেহে বাস করে কারা, ও মন জানোনা; তোমার দেহে বসত করে কয়জনা?

১৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৮:২১

শেয়ারঃ
0 2 0

"ধারণা করা যেতে পারে, আমাদের দেহের একটা উল্লেখযোগ্য পরিমান পরমাণু, প্রায় ১০০ কোটির মত, শেক্সপিয়ারের দেহ থেকে এসেছে। আরও ১০০ কোটি এসেছে বুদ্ধ, বেটোফেন, যিশূ, মুসা, চেঙ্গিস খান, ........ বা অন্য যেকোন ঐতিহাসিক ব্যক্তির নাম আপনি মনে করতে চান তাদের দেহ থেকে। "

বিখ্যাত পদার্থ বিজ্ঞানী রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) একবার বলেছিলেন যদি বিজ্ঞানের ইতিহাসকে একটি ছোট্ট অথচ গুরুত্ত্ব পূর্ন বাক্যে প্রকাশ করতে হয় তবে সেটা হবে, "All things are made of atom". জগতের সব কিছুই পরমাণু দ্বারা গঠিত। আমাদের চারপাশে যেখানেই তাকাই না কেন পরমাণুরা বিদ্যমান। শুধু মাত্র কঠিন জিনিষ যেমন দেয়াল, টেবিল, চেয়ারই না বরং মাঝখানের ফাঁকা জায়গার বাতাসও পরমানু দিয়ে গঠিত। আর পরামণুর সংখ্যাটা এতই বেশি যে সেটা আমাদের কল্পনাকেও হার মানাবে।পরমাণু গুলো খুবই ছোট। ৫ লাখ পরমাণুকে যদি কাধে কাধ মিলিয়ে পাশাপাশি রাখা যায় তবে সেগুলোকে মানুষের একটি চুলের পেছনে লুকিয়ে রাখা যাবে।

পরমাণুরা সাধারনত আলাদা থাকতে পারে না, দুই বা ততধিক পরমানু মিলে গঠন করে একটি অনু। রসায়নবিদরা সাধারণত পরমানুর বদলে অনুর হিসাবে সবকিছু প্রকাশ করে থাকেন যেমনটি লেখকেরা করেন অক্ষরের পরিবর্তে শব্দের দ্বারা। সমুদ্র উচ্চতায় শূণ্য ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এক বর্গ সেমি বাতাসে (লুডু খেলার একটা ছক্কার সমান) প্রায় ৪৫০০০ কোটি অনু থাকে। আর এই সংখ্যাটা আমাদের চারপাশের প্রতিটি এক বর্গ সেমি জায়গাতেই বিদ্যমান। সংক্ষেপে বলা যায় পরমাণুর সংখ্যা প্রচুর এবং বিস্ময়করভাবে পরমানুর স্হায়ীত্বকালও অনেক সুদীর্ঘ।

মানব দেহের এক গ্রাম টিস্যুতে প্রায় ১০০ কোটি কোষ থাকে। আর তার মানে একজন মানুষের ওজন যদি ৭০ কেজি হয় তবে তার দেহে প্রায় ৭০ ট্রিলিয়ন কোষ আছে। দেহের বিভিন্ন ধরেনের কোষের স্হায়ীত্বকাল বিভিন্ন হয়ে থাকে। কোন কোন কোষ বেঁচে থাকে কয়েক ঘন্টা আবার কোন কোন কোষ বেঁচে থাকে কয়েক বছর। সাধারণতঃ গড়ে আমাদের দেহের সবগুলো কোষ প্রতিস্হাপিত হয় প্রত্যেক সাত বছরে। তার মানে প্রতি বছর প্রতিস্হাপিত হয় ১০ ট্রিলিয়ন কোষ। প্রতিদিন প্রতিস্হাপিত হয় ২৭ বিলিয়ন (২৭০০ কোটি) কোষ। আর প্রতি মিনিটে প্রতিস্হাপিত হয় ১৮.৭৫ মিলিয়ন (১ কোটি ৮৭ লাখ) কোষ। আর আমাদের দেহের প্রতিটা কোষ গড়ে ৭*১০^১৫ বা ৭০০০ বিলিয়ন পরমাণু (৭ লক্ষ কোটি) পরমানু দ্বারা গঠিত।

মৃত্যুর পরে আমাদের দেহের অনু-পরমাণু গুলো প্রতিনিয়ত রিসাইকেল(ড) হয়ে থাকে এবং রিসাইকেলড হওয়ার পরে সেগুলো পৃথিবী, সৌরজগৎ, এবং মহাবিশ্বে ছড়িয়ে পরে। সে কারণে বলা যায় যে এই পরমানুগুলো এমন কোন জায়গা নেই যেখানে ভ্রমণ করেনি। আমাদের দেহ এই মূহুর্তে যে পরমাণু গুলো দিয়ে তৈরী সে গুলো আমাদের নিজস্ব হয়ে ওঠার আগে হ্য়ত অসংখ্য নক্ষত্র ভ্রমন করে এসেছে বা কোন এক সময় লক্ষ লক্ষ জীব বা প্রাণীর দেহ গঠনে সহায়ক ছিলো।

আমরা যখন মারা যাই তখন আমাদের দেহের পরমাণুগুলো আলাদা হয়ে ছড়িয়ে পরে এবং অন্য কোথাও খুঁজে নেয় তাদের প্রয়োজনীয়তা। হয়ত হয়ে ওঠে একটা পাতার অংশ, একটা শিশির বিন্দু, অথবা অন্য কোন মানুষের দেহ। পরমাণুদের এই পথ চলা চিরকালিন। কেউ সঠিক ভাবে বলতে পারবে না একটা পরমাণু কতদিন টিকে থাকে। বিজ্ঞানী মার্টিন রিসের মতে সম্ভবত ১০^৩৫ বছর। সংখ্যাটা এতই বিশাল সেটা আর একলাইনে লিখে প্রকাশ করলাম না।

ধারণা করা যেতে পারে, আমাদের দেহের একটা উল্লেখযোগ্য পরিমান পরমাণু, প্রায় ১০০ কোটির মত, শেক্সপিয়ারের দেহ থেকে এসেছে। আরও ১০০ কোটি এসেছে বুদ্ধ, বেটোফেন, যিশূ, মুসা, চেঙ্গিস খান, মুহাম্মদ বা অন্য যেকোন ঐতিহাসিক ব্যক্তির নাম আপনি মনে করতে চান তাদের দেহ থেকে। কিন্তু তাদেরকে অবশ্যই ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব হতে হবে কারণ পরমাণুগুলো রিসাইকেলড হতে অনেকগুলি দশকের প্রয়োজন হয়। তাই বলা যায় আইনস্টাইন, এলভিস প্রেসলি, বা শেখ মুজিবর রহমানের দেহের পরমাণু গুলো এখনও আমাদের দেহের অংশ হয়ে ওঠেনি।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বিজ্ঞানজীব বিজ্ঞানবিজ্ঞানজীব বিজ্ঞান ;
প্রকাশ করা হয়েছে: বিজ্ঞান  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৮:২৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৮:৪৮
সুইট ভাই বলেছেন: এমন তথ্যবহুল লেখার জন্য ধন্যবাদ; ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব হতে হবে কারনটা বুঝিয়ে বলবেন কি?
১৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:২৪

লেখক বলেছেন: ঐতিহাসিক হতে হবে মানে পরমাণু গুলোর রিসাইকেলড্‌ হতে হলে কমপক্ষে একটা নির্দিস্ট সময় পার হতে হবে। সেই অর্থে ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব।

২. ১৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:১৬
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: ইন্টারেস্টিং উপস্থাপনা ... হিটলারের গুলো কি আসা শুরু করছে? ... ;)
১৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:২৯

লেখক বলেছেন: না মনে হয়, আরও কয়েক দশক পার হলে সেগুলো হয়ত মার্কেটে আসবে। হা হা...... :)

১৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:০৫

লেখক বলেছেন: ;)

৪. ১৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৩৭
উধাও ভাবুক বলেছেন: হুমমম...
তথ্যবহুল !

তবে মৃত মানুষের সব পরমানুরা যে এই মহাবিশ্ব ঘুরে আবার এই পৃথিবীতে এবং মানুষের ভেতরেই প্রবেশ করছে তার সত্যতা কে দিতে পারে। এই মহাবিশ্বের অর্ব-খর্ব কোটি কোটি আলোকবর্ষ দুরে অবস্থানরত কোন গ্রহ-নক্ষত্রের মাঝে হারিয়ে যাচ্ছেনা তারই বা সত্যতা কি ?
১৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: মানুষের দেহের সব পরমানুর তুলানায় ১০০ কোটি খুবই নগণ্য, তুচ্ছ একটা সংখ্যা। আর সেটা জীবনের কোন না কোন সময় কোন একজন নির্দিষ্ট মানুষের হবে সেই সম্ভাবনাটা অনেক।

সংখ্যাটা আবার দেখি। যদি মানুষটা৭০ বছর বাঁচে তবে তার দেহের কোষের পরিমাণ হবে (১০ * ৭০) ট্রিলিয়ন। প্রতিটা কোষে পরমাণুর সংখ্যা ৭০^১৫ টি। তাহলে টোটাল দাড়াল ((১০*৭০) ট্রিলিয়ন * ৭০^১৫) টি। এই সংখ্যাটা কে আপনি এককথায় ইনফিনিট একটা সংখ্যা বলতে পারেন।

৫. ১৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৫৩
বৃত্তবন্দী বলেছেন: ভালো লাগলো। সাথের মেসেজটাও বুঝতে পারলাম মনেহয় :)
১৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। মেসেজ তো একটা আছেই। কিন্তু, সেটা জোর করে চাপিয়ে দিতে চাইনি কারণ সেটা উপলব্ধির বিষয়। ;)

১৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:০৪

লেখক বলেছেন: ;)

৭. ১৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৫৯
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: শুধু মানুষ কেন

আদা রসুন , হাতি , জিরাফ আরো অনেক কিছুর পরমানু ঘুরছে আমাদের ভিতরে । ;)

++++
১৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:০৩

লেখক বলেছেন: কাথাটা ঠিক। কিন্তু মানুষের ব্যাপারটা অনেক বেশি ইন্টারেস্টিং। এটা একটু হলেও আমাদের মনকে কৌতুহলি করে তোলে। ধন্যবাদ শূন্য ।

৮. ১৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:২৯
মনোয়ার আহমদ বলেছেন:

জ্বিনের বাদশা বলেছেন: ইন্টারেস্টিং উপস্থাপনা ... হিটলারের গুলো কি আসা শুরু করছে? ...

লেখক বলেছেন: না মনে হয়, আরও কয়েক দশক পার হলে সেগুলো হয়ত মার্কেটে আসবে। হা হা......

এই উত্তরটা মানতে পারলাম না, কয়দিন যাবৎ হাতটা নিশপিশ করতাছে, অটোম্যাটিকালি মোচটা ছোট হইতাছে, এগুলা কিসের লক্ষণ?
১৭ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৫

লেখক বলেছেন: হুমম.... চিন্তার বিষয়।

৯. ১৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৫৭
রিয়াজুল ইস্‌লাম বলেছেন: এটম কে তো আরও ছোট করা যায় বা হচ্ছে বা আরো ছোট আরো ছোট>>>

এটম রিসাইকেল হচ্ছে কিভাবে তাও এখনও বিজ্ঞানীদের কাছে পরিষ্কার নয়। কারণ একটি এটম থেকে ভেন্গে সম্ভাব্য কি কি রুপে যেটে পারে তার ও কোন প্রকৃত হিসাব কারো কাছে নেই।

তাই ঐ এটম টু এটম একত্র হবার প্রশ্নটা অনেক অনেক কম গ্রহনযোগ্য। আবার শধু পৃথিবীকে দেখলে হবে না, এই মহাবিশ্বের স্থান-কালের ব্যাপ্তি ও কিন্ত হিসাব করতে হবে। সেখানে আবার প্রশ্ন আসে শক্তি আর ভরের পার্সপারিক পরিবর্তন। এরপর আসে এন্ট্রপির হিসাব। সুতরাং.............বুঝতেই পারছেন।
১৭ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১২

লেখক বলেছেন: এখানে এটম রিসাইকেল বলতে বুঝাচ্ছি যে হয়ত একটি পানির অনু থেকে অক্সিজেন আলাদা হয়ে হয়ত কার্বনের সাথে যুক্ত হয়ে কার্বন ডাই অক্সাইড হচ্ছে। আবার সেটা ভেঙে হয়ত ফেরিক অক্সাইড হচ্ছে। মানে একই অক্সিজেন বা হাইড্রোজেন পারমানু বিভিন্ন সময়ে অন্যান্য পরমানুর সাথে যুক্ত হয়ে বিভিন্ন বস্তু বা জীবের গঠনে সহায়ক হচ্ছে।

১০. ১৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:০০
শয়তান বলেছেন: আমি কৈলাম বিশেষভাবে গর্বিত ;)
১৭ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৪

লেখক বলেছেন: তাতো হইবেনই। আপানার জন্যেই তো আমাদের আজকের এই দুর্দশা। নাইলে কত সুন্দর অনন্তকাল সুখের জীবন কাটাইতে পারতাম।

X(

১১. ১৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:০৭
যীশূ বলেছেন: তাই নাকি? দারুন তো!
১৭ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৭

লেখক বলেছেন: হ্যা, ব্যাপারটা আসলেই অনেক ইন্টারেস্টিং....

১২. ১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:১৯
প্রায়াপাস বলেছেন: তাইলে মনেহয় কোয়ান্টাম এন্ট্যাংলিং কইরা আরেকজনের দেহে ভর করা সম্ভব হয়ে যাবে। জীবিতদের প্ল্যাঞ্চেট। কি বলো?
১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:১৫

লেখক বলেছেন: জানিনা বিজ্ঞানীরা কি বলে, তবে আমার মনে হয় সেটা সম্ভব হবে না কারণ পরমাণুগুলা নিজেরা তো আর জীবিত না বা ওদেরতো কোন মেমরী থাকবে না।

২১ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:০৩

লেখক বলেছেন: ;)

১৪. ২১ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:২৩
শয়তান বলেছেন: আমার পোস্টে একটা অফটপিক কথা লিখেছিলাম । সেটা এখানেও বললাম ।

Click This Link

বাই দ্য ওয়ে ডেভিল তত্ত্ব নিয়া আমি একটু আলাদা চিন্তা করি । আমার চিন্তায় একেশ্বর বাদিরাই একক ডেভিল একেএ শয়তান নামক চরিত্রটির রচয়িতা ।

নচেৎ দেইখেন অনেক হিসাবই কৈলাম মিলে না ;)
২১ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৭:০২

লেখক বলেছেন: সহমত। জগতের খারাপ জিনিষগুলার দায় থেকে ইশ্বরকে রক্ষার জন্যই শয়তান, ইবলিস, বা লুসিফারের সৃস্টি।

১৫. ২১ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৭:৩০
শয়তান বলেছেন:
কোনটা সিনিয়র কোনটা জুনিয়র ?

আমি সম্ভবত ছোট :(
২১ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৭:৪৮

লেখক বলেছেন: হা হা..... ছোট বড়'র প্রশ্ন আসতেছে ক্যান? দেয়ার ইজ অনলি ওয়ান এন্ড দ্যাটস্‌ ইউ। বাকি যারা আছে তারা সব ইমপোস্টার। ;)

১৬. ২১ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৭:৫৪
শয়তান বলেছেন: না না ।

বল্লাম ঈশ্বর আর শয়তান তত্ত্বের মধ্যে ঈশ্বর সম্ভবত সিনিয়র । আলো না থাকলে ত আর অন্ধকারের তুলনা আসে না ।
২১ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৮:১৮

লেখক বলেছেন: ও স্যরি ভুল বুঝছিলাম। তাতো বটেই। সেক্ষত্রে আপনি জুনিয়র এতে মনে হয় কোন সন্দেহের অবকাশ নাই।

১৭. ২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ৯:১৬
তাসনীম বলেছেন: ধন্যবাদ। 'আলো হাতে চলেছে আঁধারের যাত্রী'।
ভালো লাগল।
ম্যাসেজটা খুবই সুন্দর।
২৬ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৮:২৭

লেখক বলেছেন: আমার প্রিয় একটা বইয়ের নাম 'আলো হাতে চলেছে আঁধারের যাত্রী'।

সম্ভবত রবীন্দ্রনাথের একটা কবিতার লাইনও এটা। কোন কবিতার মনে নাই। আপনাকে ধন্যবাদ পড়ার জন্য ও অনুভূতিটা শেয়ার করার জন্য।

১৮. ০১ লা জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:১৫
শয়তান বলেছেন:

লাস্ট কয়েকদিন ধৈরা খালি গানটা লুপ কৈরা শুন্তেছি ।

"তোমার ঘরে বাস করে কারা ও মন জানো না তোমার ঘরে বসত করে কয়জনা "

আপনিই দায়ী এই জন্য :|
০৩ রা জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:০৩

লেখক বলেছেন: হে হে........ আমার উছিলায় এত সুন্দর একটা গান বারবার শুনতে পারছেন এই জন্যে ধইন্যা পাতা দেন। ;)

গত দুইদিন ব্লগে ছিলাম না তাই উত্তর দিতে দেরি হয়ে গেল, স্যরি।

১৯. ২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৫১
নুশেরা বলেছেন: দারুণ উপভোগ্য। এমন আরও লিখুন।
২০. ২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:২৩
হোরাস্‌ বলেছেন: ধন্যবাদ নুশেরা। আপনি যদি বিজ্ঞান বিষয়ক লেখা পড়তে পছন্দ করেন তবে আমার নিচের লেখাগুলো পড়ে দেখতে পারেন। হয়ত ভাল লাগবে।

১) মহাবিশ্বের শেষ সীমানা কোথায়? আদৌ কি আছে? - Click This Link

২) সুপারনোভা - : পাদ্রী রবার্ট ইভান্সের বিশ্ব - পর্ব ১ - Click This Link

৩) সুপারনোভা - মহাপ্রলয় ঘটাতে সক্ষম, কতটুকু নিরাপদ আমরা - পর্ব ২ - Click This Link

৪) সুপারনোভা - যে কারনে আমাদের অস্তিত্ত্ব সম্ভব হয়েছে -শেষ পর্ব - Click This Link

৫) বিবর্তনবাদ - বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব হিসাবে প্রতিষ্ঠিত, কিন্তু তবুও বিতর্কের শেষ নেই - Click This Link
২১. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০৪
শয়তান বলেছেন: সকাল থেকে আবারও ইনফিনিটি লুপ শরু করছি
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৭

লেখক বলেছেন: কেন, আজকে কি কোন বিশেষ দিন নাকি? লুপ বন কইরা একটা ফানি পোস্ট দেন। বাতচিত করি।

তিনদিন পর সামুতে ঢুকলাম। ঐ পাড়ায় একটু ব্যস্ত ছিলাম। দেখছেন নাকি। এখানেও লেখে। ২ নাম্বার পোস্টের।

২২. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৪
হিমু ব্রাউন বলেছেন: অসাধারন!!!!!!!!!এ বিষয়ে আমার তেমন কোন স্পষ্ট ধারনা ছিল না......তাই পোস্টটির জন্য অবশ্যই আপনার ধন্যবাদ প্রাপ্য
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১২

লেখক বলেছেন: এতদিন পরেও পোস্টটা পড়েছেন জেনে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করবেন না। B-)

২৩. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১৮
মুনিয়া বলেছেন: ভাল লাগল আপনার লেখাটা।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৪৮

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

২৪. ২৩ শে আগস্ট, ২০১০ ভোর ৬:৪১
স্তব্ধতা' বলেছেন: চমৎকার লেখা।অসাধারন বিষয় বস্তু।
২৫ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৫. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:১০
আজমান আন্দালিব বলেছেন: একটি ভাবনার কিছুটা হলেও সমাধান পেলাম। আরও সূক্ষ্ম ভাবনা চলছে। ধন্যবাদ আপনাকে ইন্টারেস্টিং একটি বিষয় সুন্দরভাবে উপস্থাপনের জন্য।
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ ভোর ৬:৪৬

লেখক বলেছেন: আপনার ভাবনা গুলা আমাদের সাথে শেয়ার করেন।

২৬. ১৩ ই নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৪৩
িজসান বলেছেন: ধন্যবাদ ??? আপনাকে ইন্টারেস্টিং একটি বিষয় সুন্দরভাবে উপস্থাপনের জন্য ।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:১১

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ কস্ট করে ভাল লাগার ব্যাপারটি শেয়ার করার জন্য।

২৭. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:২৫
নষ্ট কবি বলেছেন: হুম.................................................।জটিল
২২ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ... খুব বেশি জটিল? :)

২৮. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:৫০
নীল_পদ্ম বলেছেন: পরমাণুগুলোকে যে ঐতিহাসিক ব্যক্তিদের শরীর থেকেই আসতে হবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই, এই ব্যাপারটা পুরোটাই স্ট্যাটিস্টিক্যাল। আবার সাধারণ জনগণের দেহাবশেষ যতটা উন্মুক্ত, বিখ্যাত ব্যক্তিদের দেহাবশেষ কিন্তু ততটা উন্মুক্ত নয়। এ কারণে তাঁদের শরীর থেকে কোন উপাদান আমাদের শরীরে আসার সম্ভাবনা আরও কমে যায়। সেই হিসেবে আমার মনে হয় না যে, আমাদের শরীরে বিখ্যাত ব্যক্তিদের শরীরের কোন উপাদান আছে।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:২১

লেখক বলেছেন: পরমাণুগুলোকে যে ঐতিহাসিক ব্যক্তিদের শরীর থেকেই আসতে হবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই, এই ব্যাপারটা পুরোটাই স্ট্যাটিস্টিক্যাল।

আসলে যার শরীর থেকেই আসুক তাকে ঐতিহাসিক হতেই হবে। তবে আপনি বোধহয় বলতে চেয়েছেন ঐতিহাসিক ভাবে বিখ্যাত কারও দেহের কথা। ব্যাপার স্ট্যাটিস্টিকাল বলেই কোনও না কোনও বিখ্যাত (মাত্র একজন হলেও) দেহ থেকে আসার সমূহ সম্ভাবনা আছে। কারণ আমাদের দেহে এত বেশী পরিমান (কল্পনাতী) পরমানু আছে যে প্রোবাবিলিটি হিসাব করলে সেটাই হওয়ার কথা। এমনকি যদি গাছপালা, প্রাণী, কীট-পতঙ্গ হিসাব করেন তবুও।

বিখ্যাত ব্যক্তিদের দেহাবশেষ কিন্তু ততটা উন্মুক্ত নয়। এ কারণে তাঁদের শরীর থেকে কোন উপাদান আমাদের শরীরে আসার সম্ভাবনা আরও কমে যায়।

কথাটা ইদানীং কাল বা কয়েক শতাব্দী আগের কথা বিবেচনা করলে অনেকটা সত্যি। তবে একটা কথা ভেবে অবাক হতে হয় কফিন খুললেও কিন্তু শুধু কঙ্কাল পাওয়া যায়। রক্ত মাংস কিন্তু সব উধাও। সেগুলো কোন একভাবে প্রকৃতিতে মিশে যায়।

২৯. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:১৬
নীল_পদ্ম বলেছেন: ধন্যবাদ জবাব দেয়ার জন্য।

আপনি বলেছেন, "ধারণা করা যেতে পারে, আমাদের দেহের একটা উল্লেখযোগ্য পরিমান পরমাণু, প্রায় ১০০ কোটির মত, শেক্সপিয়ারের দেহ থেকে এসেছে। আরও ১০০ কোটি এসেছে বুদ্ধ, বেটোফেন, যিশূ, মুসা, চেঙ্গিস খান, ........ বা অন্য যেকোন ঐতিহাসিক ব্যক্তির নাম আপনি মনে করতে চান তাদের দেহ থেকে। "

এখন আমার কথা হলঃ রাম/কৃষ্ণ/রাবনের শরীর থেকেও তো ১০০ কোটি বা তারও বেশি পরমাণু আসার কথা। কিন্তু উনারা যদি কাল্পনিক চরিত্র হয় অথবা উনাদেরকে যদি পুড়িয়ে ফেলা হয় তাহলে উনাদের শরীর থেকে আমাদের শরীরে পরমাণু আসার সম্ভাবনা শুন্য, কিন্তু আপনি সেই সম্ভাবনা কতটুকু বলে মনে করেন!!! আপনার হাইপোথিসিস অনুসারে কিন্তু উনাদের শরীর থেকে আমাদের শরীরে অন্ততঃ কিছু সংখ্যক পরমাণু আসার কথা।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:৩১

লেখক বলেছেন: কিন্তু উনারা যদি কাল্পনিক চরিত্র হয় অথবা উনাদেরকে যদি পুড়িয়ে ফেলা হয় তাহলে উনাদের শরীর থেকে আমাদের শরীরে পরমাণু আসার সম্ভাবনা শুন্য,

কাল্পনিক চরিত্র হইলে উত্তরটা কি হবে বলে মনে হয়? এটা কোন প্রশ্ন হইলো?

আর কোন কিছু পোড়ালে পদার্থের কি হয় সেটা বোধ হয় ক্লাস ফাইভের একটা ছেলেও আপনার থেকে ভাল জানে। পদার্থের কোন ক্ষয় নাই এটা কোনদিন শোনেন নি? এক্সপ্লেইন করতে হবে?

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৩৫২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
"..... The universe is governed by scientific laws. These laws must hold without exceptions, or they wouldn't be laws. That...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ