আমার প্রিয় পোস্ট

কঠিন বাস্তবতা মলিন সরলতার সঙ্গেই বসবাস সবসময়

স্মার্টনেসের সংজ্ঞা ও আমাদের প্রচলিত ব্যাখ্যা

১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:০০

শেয়ার করুন:                   Facebook

আমি তখন বেশ ছোট ক্লাশ সিক্সে পড়ি। কলোনিতে থাকার সুবাদে ঢাকা ও বড় শহরের ছেলেমেয়েরা যেসব সুবিধা পায়না আমি তার সবটুকুই পেতাম। বলতে গেলে অনেক বেশিই পেতাম। বিশেষ করে মাঠে দৌড়াদৌড়ি করা, কিংবা গাছ থেকে ফল চুরি করা টাইপ কাজগুলো করার অপার স্বাধীনতা ছিল। সাইকেল চালানো ছিল এগুলোর মধ্যে অন্যতম পছন্দীয় আরেকটা এক কাজ।তবে আমাদের বাসা পাঁচ তলাতে হওয়ায় সব সময় সেটা নিয়ে নিচে নামা যেত না, আব্বুর কড়া নিষেধাজ্ঞা , ‌'তুমি সাইকেল চালাতে চাচ্ছ তাই কিনে দিচ্ছি তাই বলে তোমার জন্য অন্য কেউ যেন ঝামেলা না পোহায়। বুয়া একবার সাইকেল নিয়ে নিচে দিয়ে ওপরে আসবে আবার সেটা আনার জন্য তুমি ডাকবে সেসব হবে না।তুমি যদি্একা এসব করতে পার তাহলে কর না হলে সাইকেল পড়ে থাক, নষ্ট হলে হোক, কিন্তু অন্যকে কষ্ট দিয়ে কিছু করা যাবেনা।

আমি প্রথম প্রথম খুব হ্যা-হ্যা করলাম। ঠিক আছে, ঠিক আছে, কোনো ব্যাপার না, বুয়া কেন কষ্ট করবে ইত্যাদি ইত্যাদিও খুব বললাম।আর মনে মনে বুঝতে পারলাম ভালোই যন্ত্রনায় পড়তে যাচ্ছি। এত খাটনি যদি নামানো-ওঠানোতেই চলে যায় তবে আর চালাবো কখন? ভারী সাইকেল নিয়ে পাচতলায় ওঠা-নামা করা কি চাট্টিখানি কথা‍ ! তাও আমার মত একজন ছোট মানুষের পক্ষে!
কয়দিন বেশ উৎসাহের সঙ্গে নামানো ওঠানোর পর অবধারিতভাবেই সেখানে ভাটা পড়ে। কাহিল হয়ে কে আর অত কষ্ট করবে।সুতরাং নতুন বুদ্ধি, কেবলমাত্র ছুটির দিনে সকাল বেলায় নিচে চালাই,বাকী সময় ছাদে কাটাই।বলতে গেলে তখন থেকেই মূলত ছাদই আমার কাছে ধ্যান-জ্ঞান হয়ে যায়।ছাদে তুলতে হলে মাত্র এক তলা বাইতে হয়। আর বেশ বড় হওয়ায় আমিও কোনো উটকো ঝামেলা ছাড়াই চালাই, মানে নো জ্যাম, নো কারও গায়ের ওপর তুলে দেয়া।আর একটা সুবিধাও হলো। ছাদে বেশ অল্প জায়গায় টার্ন করাতে হতো।এতে করে আমি টার্নিংয়ের ক্ষেত্রে খুব পারদর্শী হয়ে উঠলাম।
আমার দেখাদেখি কলোনির আরও বেশ কয়েকটা মেয়ে সাইকলে কিনে চালানো আরম্ভ করল। সিনথিয়াকে তো আমিই শিখালাম। সে আরেক বিশাল অভিজ্ঞতা।
তখন ১৯৯৫ সাল। বিএনপির প্রথম টার্ম চলছে। খালেদা জিয়াদের পদচ্যুত করার জন্য আওয়ামী লিগ লাগাতার ৭২ ঘন্টা, ৯৬ ঘন্টা হরতালের ডাক দেয়। আমার স্কুলের ফ্রেন্ডরা যখন হরতালের কারনে বাসায় বোর, আমি তখন দিন-রাত সাইকলে চালানোয় ভীষন ব্যস্ত।
যেহেতু কলোনি এরিয়ার বাইরের রাস্তায় কোনো ধরনের যান চলাচল বি:করেনা, একেবারে ফাকা থাকে তাই তখন আর আমাদের আর পায় কে।যাকে বলে পোয়া বারো অবস্থা। নিচে নেমেই প্রথম সুযোগে রাস্তায়।আমরা প্রায় পাচ-সাতজন মেয়ে মহা আনন্দে রাস্তায় গিয়ে সাইকেল চালাই।
আসলে আমার সাইকেল চালানোর দিনগুলো নিয়ে বলার জন্য আজকের লেখার আয়োজন নয়। সেসময়কার একটা ঘটনা বলে মূল প্রসঙ্গে যাচ্ছি। প্রথমবার চাকা পাম্পিং করানোর সময়কার কথা । এমনিতেই সাইকেল সংক্রান্ত কোনো কাজই আব্বু-আম্মু অন্যকে দিয়ে করায় না। হ্যান্ডেল মুছে রাখা, বৃষ্টি আসলে ঘরে ঢুকিয়ে রাখা, চাকায় মবিল দেয়া--সব আমাকেই করতে হয়।
কিন্তু পাম্পিং করতে হলে একটু সামনের দোকানে যাওয়ার দরকার হয় । আমি কখনো করিনি দেখে প্রথম দিন আব্বু সঙ্গে গেলো।কিন্তু আমার চালানোর জোয়ারে কয়েকদিনের মধ্যেই আবার চাকার হাওয়া গায়েব।আবার পাম্প দিতে হবে। আমি আব্বুকে বলতেই বিরাট এক ঝাড়ি খেলাম।
‌'কেন তুমি কেন যেতে পারবানা, যাও, রাস্তাটা পার হয়েই তো আনায়াসে যাওয়া যায়, এই ছোট কাজটা না পারলে বাসায় বসে থাক, কিছু করারর দরকার নাই, ইত্যাদি নানান রকম ভাষ্য।
যদিও শেষ পর্যন্ত আমি নিজেই সেদিন যেতে পেরেছিলাম। সেদিন তো অবশ্যই, পরে একাই পাম্পিং করাতে যেতাম ।দোকানদাররা প্রথমে খুব অবাক হতো। কয়দিন পর ঘনঘন যাওয়া দেখে তারাও বুঝে ফেললো যে আমি মোটামুটি নিয়মিত এক ক্ষুদে এবং ব্যতিক্রমী কাস্টমার।রাস্তা পার হতে আমার যেনো কোনো বিপদ না হয় সেজন্য কয়েকবার নিজেই পার করে দিয়েছে। তবে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে কোনো মেয়ের সাইকেল পাম্পের দোকানে গিয়ে চাকায় হাওয়া দেয়াটা এখনও খুব বেশি পরিচিত দৃশ্য নয়। আজও যেমন নয়, আজ থেকে তের-চৌদ্দ বছর আগে তো নয়ই।

শুধু যে সাইকেল চালানো নিয়ে আমার বাবা-মা'র এ মনোভাব এমন ছিল সেটা নয়।ব্যাডমিন্টন খেলার কর্ক কিনে আনা, ক্লাশ এইটে পড়াকালীন সময় থেকে টেলিফোন বিল দেয়া, দোকান থেকে শুকনা-কাচা বাজার করে আনা, রান্না-বান্না,কাপড় কাচা অর্থ্যাৎ এমন কোনো কাজ নাই যে আমাকে দিয়ে করানোর চেষ্টা করা হয়নি। আব্বু বলত দেখো, তোমার কাজ তোমাকেই করতে হবে, সেটা যত কঠিনই হোক না কেন।অন্য কেউ তোমার কোনো কাজে সাহায্য করবেনা।
পারলে কর, না পারলে নাই, তবে এর জন্য কাউকে অভিযোগ করো না।মেয়ে বলে শুরুতেই আলাদা সুবিধা চেয়ে বসো না।সাহায্য চাওয়া কোনো সময় সম্মানের নয়। সব কিছু নিজে করে ফেলাতেই সভ্যতার বিকাশ হয়। হয় আধুনিকতার প্রারম্ভ।আর সেটাই স্মার্টনেস।

কি ভেবে তিনি তার টিন এজার মেয়েকে এমন বলতেন আমি জানিনা তবে তখন তার ওই কথায় আমি খুব রাগ করতাম। আমার ছোট পৃথিবীর জন্য বড় বেশি কঠিন মনে হতো। ভাবতাম অন্যদের বাবারা-ভাইয়েরা যদি সব কিছু করে দিতে পারে তাহলে কেন আমার বাবা-মা পারবেনা। কেন তারা আমাকে দিয়ে সব করাতে চাচ্ছে? তারা কি আমাকে একটুকুও আদর করেনা?
আমি এখন বুঝি তারা অবশ্যই আমাকে অসম্ভব আদর করতেন। সেজন্যই এমন করে সব কিছু বলতেন। চাইতেন সবদিকেই যেমন তাদের মেয়ে স্বাবলম্বী হতে পারে।সেটা অর্থনৈতিকভাবে যেমন তেমন সব কিছুর আনুসাঙ্গিক কর্মকান্ডে।
আর আদর মানে মুখ তুলে খাওয়ানো নয়। কোনোভাবেই নয়।নয় তাকে গোটা পৃথিবীর কাছে একজন অকর্মণ্য মানুষ হিসাবে প্রতিপন্ন করা।যখন দায়িত্ব আসবে তখন সেটাকে এড়িয়ে যাওয়ার মধ্যেও কোনো কৃতিত্ব নেই।
যদি আমরা প্রত্যেকে নিজেদেরকে একবিংশ শতাব্দীর মেয়ে হিসাবে নিজেকে পুরুষের সমান দাবী করি তাহলে তথাকথিত তাদের সবকাজেও অংশ নিতে হবে সমানভাবে।কাজ না করার মধ্যে বা এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সার্থকতা লুকিয়ে নেই।
সেটা আর যাই হোক স্মার্টনেস হতে পারেনা।হওয়ার নয়।মেয়েদের স্মার্টনেস আর 'সো কলড স্মার্টনেসে'র সঙ্গে যেটা আমরা সবাই প্রায়ই গুলিয়ে ফেলি।ভুলভাবে ব্যাখ্যায় যেখানে স্মার্টনেস নিজেও মনে হয় বেশ বিভ্রান্ত ।
আসলে যদি মেয়েটিই আশা করে তার বাসের টিকিট অন্য কেউ কেটে দিবে কিংবা ইউনিভার্সিটির ফর্ম তার বড় ভাই তুলে এনে দিলে সে পরীক্ষা দিবে, প্রিন্ট আউট নেয়ার জন্য কার্টিজ বাবা দোকান থেকে এনে দিবে কিংবা পিসি নষ্ট হয়ে গেলে দোকানে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব ছোট ভাইয়ের অথবা যে ছেলে বন্ধু তার প্রতি একটু দূর্বল, তার সেই দূর্বলতা কাজে লাগিয়ে নোট বাগিয়ে নিবে, সে ফেল করলে করুক তাতে কি যায় আসে তাহলে শুধু শুধূ মেয়েদের সমান অধিকারের চেষ্টা করে কোনো লাভ নেই।
লাভ তো দূরে থাক তখন ক্ষতির সম্ভাবনাই বেশি। এতদিনের চারপাশের জগত দেখে আমার অন্তত সেটাই মনে হয়।
কেউ কেউ পাশ্চাত্য-পূর্বের সংস্কৃতির অহেতুক মিশ্রনে নিজেদের ভাসিয়ে রেখে আরও পিছনের দিকে চলে যাওয়ার চিন্তায় মত্ত থাকতে বেশি পছন্দ করে।যার আরেক নাম হঠকারিতা। সুন্দর করে বললে অনগ্রসর বা কূপমন্ডকতায় পরিপূর্ণ মানসিকতা।
প্রচলিত কৃষ্টি-কালচারের দোহাই দিয়েও কেন জানি কেবলমাত্র পোষাক-আশাকের মধ্যেই নিজের স্বাতন্ত্র্যতা বজায় রাখায় অদ্ভুত চিন্তা ব্যক্ত করা হয়।
কারন এখনতো মাল্টি ন্যশনাল কোম্পানির যুগ। কর্পোরেট ওয়ার্ল্ড, হাই-ফাই এনভারনমেন্টর চাকচ্যিময় অফিস। যতোই বাইরের উজ্জ্বলতার তুলনায় ভেতরের অবস্থা নেহায়েত কঙ্কালসারশূণ্য থাকুক, তারপরও তারা জব মার্কেটে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে।কর্পোরেট হাউসে কোনো মেয়ের এক্সপ্লয়েট হতে পারটাই তাদের বিবেচনায় সবচেয়ে বড় সফলতা বলে গন্য । এতেই নাকি বোঝা যায় তার ডিমান্ড মার্কেটে কত! কি ভয়াবহ অবস্থা।মেয়েটাও অনেক সময় বুঝে কখনো বা নিজের অসহায়ত্বের কারনে পরিস্থিতির শিকার।
তবে এর নাম যদি আধুনিকতা হয় তাহলে অন্তত এই নতুন বেড়াজালের দরকার নেই।কোনো দরকার নেই।
দরকার নেই শিক্ষিত হয়ে নতুন করে পুরোনো বেড়াজালে বন্দী হয়ে আগের বন্দীত্বে কারাবরন করার।
যেন আজকালকার অতি আধুনিক মেয়ে মানে শুধু জিনস আর ফতুয়া পরা কেউ।জিনস ও ফতুয়া খারাপ সেটা বলছিনা, তবে শুধু সেটা পরলেই আধুনিক হওয়া যাবে সেটাই বা কেমন নিয়ম?
নিয়মই তবে অলিখিত।
তাকে সিগারেট-ফেনসিডিল-গাজা খেয়ে বন্ধুদের সঙ্গে রাত দশটায় বাসায় আসতে হবে কিংবা নিদেন পক্ষে চার-পাচটা বয়ফ্রেন্ড থাকল্ই কেবল ফ্রেন্ড সার্কেলে স্ট্যাটাস বাড়বে সেটাও বা কোথাকার আইন?যখন তখন এর-ওর সঙ্গে শুয়ে পড়তে পারলেই মনে হয় যেন হাই সোসাইটির বাসিন্দা হওয়ার সুযোগ মিলে,উদারতার পরিচয় পাওয়া যায় । মেয়েটিও তখন ছেলেদের কাছে তথা কথিত নারী স্বাধীনতার ধারক ও বাহক বলে প্রমানিত হয়। কারন ওটাই নাকি আধুনিকতার সবচেয়ে বড় সংজ্ঞা ও অগ্রসরতা ও সবচেয়ে বড় উদাহরন।
আমি অবশ্যই সব ক্ষেত্রে মেয়েদের নিজের সিদ্ধান্ত নেয়ার যুক্তিকে জোরাল সমর্থন জানাই।স্বাধীনতা কোনো দাবী নয় সবার সমান অধিকার।তবে সেটার জন্য শুরুতে প্রয়োজন কষ্ট সহ্য করাবর মানসিকতা। সবকিছু কিন্তু এমনি এমনি আসবেনা। কারও জন্যই আসে না। সেটা যেমন একজন ছেলেদের জন্য না, মেয়ের জন্যও না।
সব জায়গায় সফলতা পাওয়ার আগে এই সত্যটুকু উপলব্ধি করা আমারাদের সকলের বিশেষ করে মেয়েদেরই একান্ত প্রয়োজন।

বিঃ দ্রঃ: জানি আজকের এই পোস্ট মেয়েদেরই ক্ষেপিয়ে তুলতে পারে তবে সবটুকুই বাস্তব ও নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে লিখলাম। যা অনুভব করি সেটাই প্রকাশ করলাম।

 

 

  • ৩১ টি মন্তব্য
  • ৪৫৪ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২০ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি
১. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:০৬
comment by: মোহম্মদ নিজাম উদ্দিন বলেছেন: স্টার্ম একটা আপেক্ষিক বিষয়
২. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:০৮
comment by: মৈথুনানন্দ বলেছেন: হলো কি?
৩. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:০৮
comment by: কালপুরুষ বলেছেন: আপনার বাবা যথেষ্ট প্র্যাকটিক্যাল মানুষ ছিলেন। বাস্তব চিন্তা ভাবনা যথেষ্ট প্রখর ছিল। আপনাকে সাবলম্বী করে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন যাতে জীবনে কখনো কোথাও হোঁচট খেতে না হয়।
৪. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:০৯
comment by: নিসর্গ পথিক বলেছেন: এতো বড় স্মার্টনেস লেখা...!!!!
৫. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:০৯
comment by: মোহম্মদ নিজাম উদ্দিন বলেছেন: সরি বানান ভুল হল
স্মার্ট
৬. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:১৫
comment by: মানুষ বলেছেন: যে বিশাল পোষ্ট, পাঁচতলায় সাইকেল তোলার মতো ই হাঁপাই গেছি। তবে লিখছেন ভালো।
৭. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:১৫
comment by: কোপা সামছু বলেছেন: সব ভাল ভাল কাজ গুলা আপনি করতেন..... আপসোস
খারাপ গুলা কেডা করত?
৮. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:১৭
comment by: মোহম্মদ নিজাম উদ্দিন বলেছেন: কোথায় জব করেন।
৯. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:২০
comment by: অ্যামাটার বলেছেন: সুন্দর অভিব্যক্তি;
অনেক বড় হলেও পড়তে খারাপ লাগেনি, বিশেষ করে আপনার শৈশব,অভিভাবকের আদর মাখা শাসন...

আর হ্যাঁ,আপনার সাথে একমত, স্মার্টনেস মানে নিজের স্বকীয়তাকে বিসর্জন দিয়ে কৃত্তিমতাকে ধারণ করা নয়,
বরং নিজেকে সহজ সাবলীল ভাবে উপস্থাপন করা।
আপনাকে ধন্যবাদ।
১০. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:২৩
comment by: ওয়ার হিরো বলেছেন: এত বড় কে?????????????????????????
ঢুর মাইনাচ, পড়তে কসট হইছে//
১১. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:৩১
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: পড়লাম। আমিও বিয়ে করলাম আর বাংলাদেশের মেয়েগুলা স্মার্ট হয়ে গেলো :(
১২. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:৩৪
comment by: আসিফ মোহাম্মদ আদনান বলেছেন: মারহাবা! মারহাবা!
জিতে রহো বেটা।
খুব চমকপ্রদ লেখা লিখেছেন এইটা। তথাকথিত আধুনিকদের গালে (হালকা) আঘাত এইটা। আসলে আমরা অন্যদেরকে অনুসরন করতে করতে নিজেদের পরিচয়ই ভূলে যেতে বসেছি। ক্লান্ত এবং অবসন্ন ছিলাম এই লিখাটা পড়ার আগে; পড়ার পর রীতিমত উজ্জীবিত বোধ করছি। আমাদের সামনে আসলে আপনার মত ব্যক্তিদের উদাহরণ থাকা দরকার। সেই সাথে আপনার অভিবাবকদের মত কিছু উদাহরণ ও দরকার।
ধন্যবাদ আপনাকে।
১৩. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:৩৫
comment by: সৈয়দ আমিরুজ্জামান বলেছেন: সুন্দর অভিব্যক্তি
১৪. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:৪১
comment by: আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: চমৎকার লেখা...... চিন্তাশীল এক ব্যক্তির লেখা, এ পড়েই বোঝা গেল ।
১৫. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:৪২
comment by: মোহম্মদ নিজাম উদ্দিন বলেছেন: পড়লাম। আমিও বিয়ে করলাম আর বাংলাদেশের মেয়েগুলা স্মার্ট হয়ে গেলো।
পিয়াল ভাইয়ের জন্য কষ্ট হচ্ছে
১৬. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:৪৩
comment by: হটডগ বলেছেন: পাশ্চাত্যে কিন্তু স্মার্টনেসের সংজ্ঞা আরো অন্যরকম। এহানে ম্যাথমেটিক্সএ ভালো হইলে কয় ম্যাথে স্মার্ট (দোস চায়নিজ গাইস আর সো স্মার্ট, আর আমাগো ডেফিনিশনে চায়নিজ পুলাগুলা ভুদাই)। কুকুর বুদ্ধিমান হইলে কইব স্মার্ট ডগ...ইত্যাদি ইত্যাদি। ইন্টেলিজেন্ট শব্দটার পরিবর্তে হেরা স্মার্ট ইউস করে; আমরা ভোদাইরাই জিন্স আর রং চশমা পইরা ফুটানি দেহানোরে স্মার্টনেস মনে করি।
১৭. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:৫৩
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: দারুন লিখেছেন আপু।
১৮. ১০ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:১২
comment by: আসিফ আহমেদ বলেছেন: লেখাটা একটু বড়, কিন্তু আপনার বাবা যে শিক্ষা আপনাকে দিয়েছেন সেটা ঐ বয়সে কষ্টকর হলেও উপকারি।
১৯. ১০ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৪০
comment by: স্বপ্নীল আকাশ বলেছেন: I appreciate ur father psychology.
২০. ১০ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৮
comment by: রুখসানা তাজীন বলেছেন: হুমায়রা, আজ থেকে আপনাকে বস মানলাম। এত প্রয়োজনীয় একটা বিষয় এত সাবলীলভাবে ব্যাখ্যা করলেন, আমি মুগ্ধ। শোপিস বানিয়ে ফেললাম। +
২১. ১০ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৭
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: শোপিস। লিংকেও স্হান হয়ে যেতে পারে।
২২. ১১ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:২৪
comment by: হুমায়রা ফেরেদৌস তানিয়া বলেছেন: সবাইকে মনোযোগ সহকারে পড়বার জন্যে অনেক অনেক ধন্যবাদ। পোস্ট বড় হয়ে যাবার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

২৩. ১১ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫৯
comment by: তানজু রাহমান বলেছেন: ++++
২৪. ১৩ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:০৫
comment by: জুবাঈর_সাঈদ বলেছেন: হক কথা, বোনকে পড়তে দিলাম। ধন্যবাদ, সুন্দরভাবে গুরুত্বপূরাণ কথাগুলো তুলে আনার জন্য।
২৫. ১৩ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৩৭
comment by: নিলু বলেছেন: ভালো লাগলো। আপনার সাথে সাথে আংকেলকেও ধন্যবাদ।
২৬. ২০ শে জুন, ২০০৮ রাত ১:০৫
comment by: রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: এখানে কোনো মেয়ে ব্লগারকে মন্তব্য করতে দেখছিনা কেনো?

অসাধারণ লেখা, ধন্যবাদ আপনাকে। এখনো ঢাবিতেই আছেন?
২৭. ২০ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৭
comment by: সাইফ সামির বলেছেন:

ভালো লিখেছেন। আসলে মেয়েরা নিজেরাই নিজেদের ছোট করে রাখে। আপনি যেভাবে চিন্তা করেছেন সবার সেভাবেই চিন্তা করা উচিত। আর পোস্টটা বড় হয়ে যাবার জন্য দুঃখিত হবার কিছু নেই।
লেখাটা বড় না হলে অভিব্যক্তির প্রকাশ সহজ হতো না। লেখা বড় হবে না ছোট হবে সেটা নির্ভর করে মনের প্রয়োজনের উপর।

এখন আসি...
২৮. ২০ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:১৮
comment by: েক আিম বলেছেন: নিজের কাজ নিজে করায় যে কি আনন্দ তা যে করে সেই বুঝে। হ্যাটস অফ টু ইওর ফাদার।

ধন্যবাদ।
২৯. ০২ রা জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:৩৮
comment by: শেহাব বলেছেন: ভাল লাগলো পড়ে।
৩০. ১১ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৫
comment by: আখসানুল বলেছেন: +++ ভাল লাগলো পড়ে। আপনি যেভাবে চিন্তা করেছেন সবার সেভাবেই চিন্তা করা উচিত। I appreciate ur father psychology.
৩১. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৮
comment by: চিলে কোঠার সেপাই বলেছেন: কখন যে সব মেয়ে আপনার মত ভাব্বে...

 



 


খুবই সাধারন চোখে জীবনকে দেখতে চাই। পড়াশোনা করছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে, মাস্টার্স করছি।ভালবাসি গান, কবিতা আর পড়তে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ৪৫৫৭