সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৪
ও টি তে (অপারেশন থিয়েটারে )আমার প্রথম দিন
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
লাইফে ফার্স্ট টাইমের মত (অপারেশন থিয়েটার)ওটি তে গেলাম। এর আগে অবশ্য রেগুলার ওয়ার্ডে যাচ্ছি।থার্ড ইয়্যারে থেকে ওয়ার্ড করতে হয় আমাদের। ওয়ার্ডে ভালই লাগছে। প্যাশেণ্টদের হিস্ট্রি নিচ্ছি। রোগীদের সাথে কত কথাই না বলছি।তারাও আমার সাথে তাদের মনের সব কথা বলে যেন আমাকে এই সব রোগীরা কত দিন ধরেই না চেনে। যাই হোক আজকে যে ওটি তে যাব আমাদের আগে থেকেই বলা হয়েছিল। ওটি ড্রেস এবং এক জোড়া স্পঞ্জের স্যান্ডেল নিয়ে যেতে বলা হয়েছে। আমার ভিতরে আগের দিন রাত থেকেই কেমন যেন এক ধরণের চাপা উত্তেজনা কাজ করছে। আফটার অল ওটি তে যাচ্ছি। সকালে গেলাম ড্রেসিং রুমে। সেখানে ওটি ড্রেস পড়লাম। ওটি ড্রেস পড়ার পর মনে হল স্যান্ডেল আনতে ভুলে গিয়েছি। এখন কি করব বুজতে পারছিনা। স্যান্ডেল ছাড়া ওটি তে যাওয়া আর তাপস স্যারের ঝাড়ী চোখের সামনে ভাসতে লাগল....আমার ফ্রেণ্ডরা সবাই সারি বেঁধে ওটির দিকে যাচ্ছে। আর আমিও ভয়ে ভয়ে খালি পায়ে তাদের অনুসরণ করতে লাগ্লাম। ওটি তে ঢুকছি আর এমন সময় আমার চোখে এক জোড়া স্যান্ডেল পড়ল। মনে হল যেন সাত রাজার ধন পেলাম। স্যান্ডেলের কোন মালিকানা নেই। ২ টা স্যান্ডেল ২ রঙের। আমি উপায় না দেখে এইগুলা পরে ফেললাম.....ভয়ে ভয়ে ঢুক লাম ওটি তে।ও টি তে কি বিভৎস দৃশ্যই না দেখলাম। এক মহিলার কাটা পা দিয়ে রক্ত আর পুঁজ বের হচ্ছে। সেখানে এক ডাক্তার চিকিৎসা করছে। এদিকে আমাদের গল ব্লাডার অপারেশন দেখান হচ্ছে। তাপস স্যার আমাদের ভাল করে পর্যবেক্ষণ করতে লাগলেন। সবাইকে বললেন ঠিক ভাবে জুতা পরে আসতে হবে। আমি আমার এক পায়ের জুতা স্যারকে দেখাই আর আরেক পায়ের টা আমার ফ্রেন্ডদের পিছনে আড়াল করে রাখি। যেন স্যার এক সাথে ২ পায়ের জুতা দেখতে না পারে। এই দিকে স্যার ইতমধ্যে ২ জনকে ওটি থেকে বের করে দিয়েছে। আর আমাদের উপর শুধুই ধমকা ধমকি করে ফাঁপড় নিল। স্যার অপারেশন শুরু করে দিল আর আমরা দেখতে লাগলাম ।একজন বৃদ্ধ লোকের গলব্লাডার স্যার কি করে সহজেই ফেলে দিতে লাগলেন। কি নিপুণ স্যারের হাতের কাজ।এত ক্ষণ এই লোকের উপর রাগ হলেও এখন মনে হচ্ছে লোকটা অনেক ভাল কাজ জানে। বৃদ্ধটির পেটে ৪ টা ছিদ্র কর আহল।তারপর স্যার মনিটর দেখে দেখে কি সুন্দর করেই অপারেশন টা করলেন।এমন সময় আমার এক বন্ধু মাথা ঘুরে ফ্লোরে পরে গেল। তাকে নিয়ে আবার টানা টানি করতে হল। আমাদের এক ফ্রেন্ডকে স্যার বল্ল যাও তুমি ওর হিস্ট্রি নিয়ে আস। এইভাবেই কাটল আমার ওটির প্রথম দিন।ু লাইফে ফার্স্ট টাইমের মত (অপারেশন থিয়েটার)ওটি তে গেলাম। এর আগে অবশ্য রেগুলার ওয়ার্ডে যাচ্ছি।থার্ড ইয়্যারে থেকে ওয়ার্ড করতে হয় আমাদের। ওয়ার্ডে ভালই লাগছে। প্যাশেণ্টদের হিস্ট্রি নিচ্ছি। রোগীদের সাথে কত কথাই না বলছি।তারাও আমার সাথে তাদের মনের সব কথা বলে যেন আমাকে এই সব রোগীরা কত দিন ধরেই না চেনে। যাই হোক আজকে যে ওটি তে যাব আমাদের আগে থেকেই বলা হয়েছিল। ওটি ড্রেস এবং এক জোড়া স্পঞ্জের স্যান্ডেল নিয়ে যেতে বলা হয়েছে। আমার ভিতরে আগের দিন রাত থেকেই কেমন যেন এক ধরণের চাপা উত্তেজনা কাজ করছে। আফটার অল ওটি তে যাচ্ছি। সকালে গেলাম ড্রেসিং রুমে। সেখানে ওটি ড্রেস পড়লাম। ওটি ড্রেস পড়ার পর মনে হল স্যান্ডেল আনতে ভুলে গিয়েছি। এখন কি করব বুজতে পারছিনা। স্যান্ডেল ছাড়া ওটি তে যাওয়া আর তাপস স্যারের ঝাড়ী চোখের সামনে ভাসতে লাগল....আমার ফ্রেণ্ডরা সবাই সারি বেঁধে ওটির দিকে যাচ্ছে। আর আমিও ভয়ে ভয়ে খালি পায়ে তাদের অনুসরণ করতে লাগ্লাম। ওটি তে ঢুকছি আর এমন সময় আমার চোখে এক জোড়া স্যান্ডেল পড়ল। মনে হল যেন সাত রাজার ধন পেলাম। স্যান্ডেলের কোন মালিকানা নেই। ২ টা স্যান্ডেল ২ রঙের। আমি উপায় না দেখে এইগুলা পরে ফেললাম.....ভয়ে ভয়ে ঢুক লাম ওটি তে।ও টি তে কি বিভৎস দৃশ্যই না দেখলাম। এক মহিলার কাটা পা দিয়ে রক্ত আর পুঁজ বের হচ্ছে। সেখানে এক ডাক্তার চিকিৎসা করছে। এদিকে আমাদের গল ব্লাডার অপারেশন দেখান হচ্ছে। তাপস স্যার আমাদের ভাল করে পর্যবেক্ষণ করতে লাগলেন। সবাইকে বললেন ঠিক ভাবে জুতা পরে আসতে হবে। আমি আমার এক পায়ের জুতা স্যারকে দেখাই আর আরেক পায়ের টা আমার ফ্রেন্ডদের পিছনে আড়াল করে রাখি। যেন স্যার এক সাথে ২ পায়ের জুতা দেখতে না পারে। এই দিকে স্যার ইতমধ্যে ২ জনকে ওটি থেকে বের করে দিয়েছে। আর আমাদের উপর শুধুই ধমকা ধমকি করে ফাঁপড় নিল। স্যার অপারেশন শুরু করে দিল আর আমরা দেখতে লাগলাম ।একজন বৃদ্ধ লোকের গলব্লাডার স্যার কি করে সহজেই ফেলে দিতে লাগলেন। কি নিপুণ স্যারের হাতের কাজ।এত ক্ষণ এই লোকের উপর রাগ হলেও এখন মনে হচ্ছে লোকটা অনেক ভাল কাজ জানে। বৃদ্ধটির পেটে ৪ টা ছিদ্র কর আহল।তারপর স্যার মনিটর দেখে দেখে কি সুন্দর করেই অপারেশন টা করলেন।এমন সময় আমার এক বন্ধু মাথা ঘুরে ফ্লোরে পরে গেল। তাকে নিয়ে আবার টানা টানি করতে হল। আমাদের এক ফ্রেন্ডকে স্যার বল্ল যাও তুমি ওর হিস্ট্রি নিয়ে আস। এইভাবেই কাটল আমার ওটির প্রথম দিন।
৬টি মন্তব্য ১টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন
শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন
পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমাদের গ্রামের গল্প!

আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।