আমার প্রিয় পোস্ট
- মৌলিক সংখ্যা নিয়ে আমার কিছু কথা - তারছিড়া..
- জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা। - হাসান41554
- গান শোনা যাবে এখন ভিন্ন মাত্রায়! - হাসান জোবায়ের
- এবার যে কোন অনলাইন রেডিও শুনুন আপনার (ওয়ার্ডপ্রেস বা জুমলা) সাইটে!!! - রাসেল আহমেদ (রাসেল)
- php mysql coonection দিতে হলে নিচের নিয়ম দেখুন - স্বনীড়
- পুরোনো কিছু বিজ্ঞাপন - সংবাদপত্রে প্রকাশিত ( ১ম পর্ব ) - বল্টু মিয়া
- আপনি কি আপনার কম্পিউটারের "Autorun.inf " Remove করতে চান - মোস্তাফিক
- Wavin' Flag - গানে গানে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী চেতনা... - দি ফ্লাইং ডাচম্যান
- সাহায্য চাই পোস্ট! প্রথমআলো থেকে লেখা কীভাবে ইউনিকোডে কনভার্ট করে ওয়ার্ড ফাইল বানাবো? - হমপগ্র
- বিশ্বের ১০টি বিস্ময়কর ব্রিজ!!!!!!!!!! - পর্ব ৩ - মুভি পাগল
- দেশের সবচেয়ে প্রাচীন স্কুল এবং কলেজ কোনগুলি??? সবার সাহায্যে তৈরি হল একটি তালিকা.... - সারওয়ার ইবনে কায়সার
- ...লেখাজোকা আহবান... - কায়সারহেলাল
- বিজ্ঞাপনের রকমফের.........আজিব সব আইডিয়া - সারওয়ার ইবনে কায়সার
- প্রিয় রুদ্র - তসলিমা নাসরিন - বইপাগল
- শতবর্ষ আগের ঢাকা - মামুনুর রহমান খাঁন
- Split Personalities:: আপনি সুস্থ আছেন তো? - আইরিন সুলতানা
- Summer of 69 :: বুয়েটিয়ান ভার্শন(আমার প্রথম ভিডিউ পুষ্ট) - ভাঙ্গা পেন্সিল
- কথোপকথন: পূর্ণেন্দু পত্রী - সুজন ১২
- মেডিটাশনঃ কোয়ান্টাম মেথডের ফ্রি বাংলা অডিও MP3 ডাউনলোড করুন - রনি৪৪৬
- তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা - অপ্সরা
- রাজাকার জামাত শিবিরকে কোপানোর জন্য সব চেয়ে সেরা গান / মাকসুদ(নিষিদ্ধ) রিপোষ্ট.। - আবুল বাহার
- যাও পাখি বলো তারে - লিরিক্স ও গীটার কর্ড - শাহারিয়ার আহমেদ
- ভাল লাগা কবিতা................ - বিপাশা দেবনাথ
- উড়াধুরা প্রেমের কবিতা - সুলতানা শিরীন সাজি
- Esnips থেকে ডাউনলোড ,বিনা কষ্টে বহুত আরামে করবেন - চিকনমিয়া
- তোমার ভাঁজ খোলো আনন্দ দেখাও ... - প্রভাৎ ঋষি
- আপনার পিসিকে ভাইরাস মুক্ত রাখতে চান? - নিউটন
- হে নিদারুণ সুসময়, তুমি উচ্চারণ করো, কবির মৃত্যুতে আমাদের কিছু আসে যায় না! - মৃদুল মাহবুব
- Esnips থেকে গান ডাউনলোডের উপায় - রাশেদ
- নগ্নিকা এবং মনন ভূমে কাঠঠোকরার কেরামতি - আকাশচুরি
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আমাদের জাতীয় সঙ্গীত ও ত্রিভুজ গোত্রীয়দের বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেস্টা - নাস্তিকের ধর্মকথা
- জামাতি দাওয়াতে মওলানার জবাব - অমি রহমান পিয়াল
- ক্যাচালের সিরিয়াস পোস্ট - ক্যাচাল
আমার কিছু কথা!
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩৫
আমি নিতান্তই একজন সাদাসিধে মানুষ। আমার মনে কোন কুটিলতা নেই। এর জন্য গচ্চাও দিতে হয়েছে অনেক।
আসল কথা বলি। ব্লগে এসেছিলাম যখন খুব ভাল লাগত। একটা শান্তশিষ্ট পরিবেশ ছিল। কিন্তু দঙ্গল শুরু হলো, যখন স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলতে গেলাম।
স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলা যেতে পারে, কিন্তু মীর-জাফরদের নিয়ে কথা বলা যাবে না। বলতে হবে আমি দেশকে ভালবাসি, কিন্তু রাজাকারদেরও ভালবাসি।
জামাত ইসলামি চায়, বাংলাদেশকে একটি ইসলামি রাষ্ট্র বানাতে। যেটা পাকিস্তান হয়েছে। তারা পাকিস্তানের সাথে থাকতে পারেনি। তাই বলে এখন ইসলামটাকে রাষ্ট্রের হাতিয়ার হিসেবে দেখতে চায়। তাহলে কী হবে? সংখ্যালঘুরা নির্যাতিত হবে। ২০০১ সালের পর বহু হয়েছে। তারপর, বিধর্মিদের ধর্মীয় আচারে বাধা দেওয়া হবে। তার সাথে একটা বিশাল জনসংখ্যাকে ইসলামের নামে মাদ্রাসা শিক্ষা দিয়ে অন্ধকারে রেখে দেওয়া হবে। তাহলে তাদের উপর জোর খাটানো যাবে। ইসলাম এখানে প্রধান হাতিয়ার।
জামাতের নেতাদের ছেলেমেয়ে রা উচ্চশিক্ষিত। তার মানে তারা মাদ্রাসা শিক্ষা নিজেরাও পছন্দ করেন না। তাহলে এর একটাই উদ্দেশ্য, আমাদের দেশের জনগণকে অন্ধ করে রাখা।
ইসলামি রাষ্ট্র করার বিরোধি আমি কখনই না। কিন্তু আমাদের দেশের সংখ্যালঘু হিন্দু আর খ্রীস্টানদের কথা না ভেবে আমরা কেমন করে কাজ করবো? যদি আমেরিকা সমস্ত মুসলমান বের করে খ্রীস্টান রাষ্ট্র করে আর আমাদের দেশ থেকে মুসলিম পণ্য নেওয়া বন্ধ করে দেয়? তাহলে আমরা কী বিপদে পরবো না। ব্যাপারটা এভাবে চিন্তা কেউই করে না।
আমি একদিন খুব করে আল্লাহকে বলেছিলাম, আমি যুদ্ধাপরাধিদের বিচার চাই। সেদিন রাতে ঘুম হচ্ছিলো। হঠাত করে মাঝরাতে মনে হলো, একটা ভয়ংকর কথা।
হাসান হুসেইনকে যারা মেরেছিলো তাদের কি বিচার হয়েছে? নাকি উসমান(রাঃ ) কে যারা মেরেছিলো তাদের বিচার হয়েছে? হয়নি। আর আমদের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার তাহলে কেমন করে হবে?
কষ্ট পেয়েছিলাম খুব। নবীজি(সঃ ) জীবনেও এরকম অধর্ম প্রতিষ্ঠা করতে চাননি। কিন্তু আমরা চাইছি।
আমি বারংবার জামাতিদের প্রশ্ন করেছি, আচ্ছা অপরাধের বিচার কী করা নিষেধ? কিন্তু কোন উত্তর পাইনি। তাদের চোখে অন্যরা অপরাধি। যারা যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেছে।
আজকে এই ব্লগে তাদের আস্ফালন আর আস্পর্ধা চোখে পরার মতই। নামাজ পড়তে গ্যালে যেন মহান আল্লাহ-তালাকে দেখতে পাই। তিনি জেল খানায় বন্ধি। ছোটবেলায় শুনেছিলাম, মা বলত, আল্লাহ নিজের হাতে চারটে জিনিস রেখে সব শয়তানকে দিয়েছেন। তাহলে কী তিনি এখন হয়ত কারাবন্দি? হয়তো।
মাঝে মাঝে মনে হয় জামাতিরা যে ধর্মকে তাদের বর্ম হিসেবে ব্যবহার করছেন, সে ধর্মকে আঘাত করার সাহস আমরা করি না। যদি করতাম তাহলে হয়তো উপযুক্ত হইতো। কিন্তু এইখানেই ভাল আর খারাপের মধ্যে পার্থক্য।
জামাতের বিরোধিতা কেন করি, কারণ তারা নিজেরদের আদর্শে কখনই অটুট না। ক্ষমতার জন্য নারীর সাথে চুক্তি করা কি তাদের নীতি বিরুদ্ধ না? সেটার জবাবও পাইনি। শিবির ছাত্ররা দাবী করেন, ২৮ সে অক্টোবার তারা মার খেয়ে মরেছেন। আমরা দাবী করিনি, কেন ২৮ সে অক্টোবরের আগে ক্ষমতার লোভের উর্ধে থেকে বিএনপি-জামাত জোট, নির্বাচন কমিশন সহ এসবের সংস্কার করল না। কেন ২৮ সে অক্টোবর হলো? যারা ক্ষমতাসীন ছিলো তাদের কী কোন দ্বায়িত্বই ছিলো না। সব দোষ দেওয়া হলো আওয়ামীলীগ আর ইসলামী ঐক্যজোটকে। হায়রে কোথায় বিচার?
যাই হোক, আমি মুসলিম না, জামাতিরাই ইসলাম বুঝেন ভাল।
ধন্যবাদ।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: আলোকিত হোক আমাদের বিবেক।
লেখক বলেছেন: হুম...তাইতো।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
আমি মুসলিম না, জামাতিরাই ইসলাম বুঝেন ভাল।
লেখক বলেছেন: আর কী বলুম কন। সব চুপচাপ সহ্য করতেছি।
লেখক বলেছেন: সেটাই তো দেখছি। আর হাসছি। হায়রে!
রোবোট বলেছেন:
ভালো লিখেছেন। গালিবাজ ব্লগাররা দেখে (নাকি পড়ে) শিখুন। কারা গালিবাজ, নাম বলতে হবে?
আওরঙ্গজেব বলেছেন:
ভাইজান, সালাম নিবেন।আপনার হৃদয়ের কথাগুলো পড়ে ভাল লাগল। অনেক বিষয়ের সাথে আমি একমত। আমার ৩টি কথা:
১. যুদ্ধাপরাধীদের অবশ্যই বিচার করতে হবে, সে যেই হউক, যে দলেরই হোক না কেন। কিন্তু আপনি হয়ত: লক্ষ্য করেছেন এনিয়ে স্বাধীনতার ৩৭ বছর পরও দেশের মানুষ দ্বিধা বিভক্ত। সম্ভাব্য কারণ হয়ত এই যে, ইস্যুটি নিয়ে বরাবর একটি মহল রাজনৈতিক ফায়দা লুটছে। এনিয়ে আমার ব্লগে কিছু পোস্ট আছে।
২. ২০০১ সালের পর সংখ্যালঘু কয়জন প্রকৃতপক্ষে নির্যাতিত হয়েছেন আমার জানা নেই। পত্রিকায় এরকম কিছু খবর পড়েছি। এরকম যাই হউক দেশে আইন-আদালত আছে। এখনও নির্যাতিতরা মামলা করতে পারেন।
আমার জানা মতে, সংখ্যালঘু নির্যাতনের অনেক খবর বানানো। আপনার মনে আছে কিনা, শাহরীয়ার কবির বানানো ভিডিও সিডি সহ ধরা পড়েছেন। একটি মহল এসব বাইরে পাঠিয়ে দেশের ও সরকারের বদনাম করার জন্য করেছে বলে অনেকে মনে করেন। প্রকৃত পক্ষে যেই নির্যাতিত হউক, সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগরিষ্ট, তাকে অবশ্যই আদালতে যাওয়া উচিত।
আপনি জানেন কিনা জানি না। চট্টগ্রামের মেয়র মহিউদ্দীন (আওয়ামীলীগ) শহরের কয়েকটি জায়গায় সংখ্যালঘুদের জমি জোর করে দখল করে এপার্টমেন্ট ব্যবসা শুরু করেন। পরে সংখ্যালঘুদের মধ্য থেকে একজন মুক্তিযোদ্ধা (নাম সম্ভবত: জোতিন্দ্রপ্রিয়) বৃদ্ধ বয়সে বাতিল হয়ে যাওয়া নির্বাচনে মহিউদ্দীনের বিপরীতে দাঁড়ানোর কথা ছিল। অথচ, বেশির ভাগ মিডিয়া তা প্রচার করেননি, আওয়ামীনেতা জড়িত ছিলেন বলে।
আর, আপনি সম্ভবত: এও দেখেছেন যে, মুজাহিদ সমাজকল্যাণ মন্ত্রী থাকা কালে প্রতিবছর হিন্দুদের পূজা মন্ডপে গিয়ে নিরাপত্তা সহকারে যথাযত ভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনের ব্যবস্হা করেছেন।
কে প্রকৃত ধার্মিক, আর কে না তা আল্লাহ ভাল জানেন। আমি শুধু জানি একজন প্রকৃত ধার্মিক কখনই অন্যের (যেই হউক, সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগরিষ্ট) অধিকার নষ্ট করেন না। আর অধার্মিক বা বক ধার্মিকরা সুযোগের অপেক্ষায় থাকে।
৩. (আমি যতটুকু বুঝি, অন্য দল বা মিডিয়া থেকে নয়) নারী নেতৃত্ব সহ এমন অনেক ইস্যু আছে, যা পূর্ণ ইসলামী সমাজ কায়েম ছাড়া সম্ভব নয়। যেমন, সুদ হারাম হয়েছিল রাসুল (সা
এখন বাংলাদেশের ৯০% লোক মুসলিম। দেশের মূল দুটি রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দু'জন নারীর হাতে। কেউ যদি এই মুসলমানদের বলে আওয়ামীলীগ ও বিএনপিকে ভোট না দিতে, তবে মানুষ শুনবে বলে মনে হয়না। এর কারণ, মানুষ এ বিষয়টি সম্পর্কে জানে না।
জামায়াতের সাথে যা হয়েছে তা রাজনৈতিক কৌশলগত চুক্তি। চুক্তির মাধ্যমে দেশের স্বার্থে একই পলিটিক্যাল এজেন্ডা নিয়ে জোট কাজ করেছে (১৯৯৬ সালে আওয়ামীলীগের সাথে কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবীতে, ২০০১ সালে আওয়ামী দু:শাসনের বিরুদ্ধে)। আর জোট নেতা বৃহত্তর দলের নেতা হবে এটাই স্বাভাবিক (এটাই গণতন্ত্র)। এর মাধ্যমে খালেদা (বা হাসিনা) জামায়াতের আমির হননি এবং অন্যদলের আভ্যন্তরীন ব্যাপারে জোট নেতৃর কিছুই করার নেই।
আরো লক্ষ্য করবেন, শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হকের ইসলামী ঐক্যজোট আওয়ামী নেতৃত্বাধীন ১৪/১৮ দলীয় জোটে যোগ দেন। তাহলে উনারা কি জামায়াতের মত ভুল করেছিল?
হযরত মোহাম্মদ (সা: ) মদীনায় ক্ষুদ্র ইসলামী রাষ্ট্রের অস্তিত্বের জন্য ইহূদীদের (যে জাতির ব্যাপারে কোরআনে খুব নেগেটিভ কথা এসেছে) সাথে কৌশলগত চুক্তি করেন, যা 'মদীনা সনদ' নামে পরিচিত। (যদিও আল-কোরআনে অমুসলিমদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আল্লাহ নিষেধ করেছেন।) পরে ইহূদীরা চুক্তি লঙ্গন করে মক্কার কাফেরদের মদীনা আক্রমণের উপদেশ দেয় ও মোহাম্মদ (সা: ) হত্যার একাধিক চেষ্টা করে। পরে আরো অপরাধের কারণে বিভিন্ন সময় ইহুদীদের মদীনা থেকে ভিস্কার করা হয়। (আল-কোরআন পড়লে বিস্তারিত জানা যাবে)।
এখন প্রশ্ন যে মোহাম্মদ (সা: ) মানবতার শ্রেষ্ট বন্ধু ও যার আনীত জীবন বিধান অমুসলিমদের অধিকার নিশ্চিত করেছে, সেই দূত কেন ইহূদীদের সাথে চুক্তি করলেন, আর কেনই বা তাদের মদীনা ছাড়া করেলেন?
আমার কথাগুলো বলার সুযোগ দানের জন্য ও আপনি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। সর্বোপরি এক আল্লাহর শুকরিয়াও।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















জামাতের নেতাদের ছেলেমেয়ে রা উচ্চশিক্ষিত। তার মানে তারা মাদ্রাসা শিক্ষা নিজেরাও পছন্দ করেন না। তাহলে এর একটাই উদ্দেশ্য, আমাদের দেশের জনগণকে অন্ধ করে রাখা।
- আলোকিত হোক আমাদের বিবেক।