আমার প্রিয় পোস্ট
- যাও পাখি বলো তারে - লিরিক্স ও গীটার কর্ড - শাহারিয়ার আহমেদ
- ভাল লাগা কবিতা................ - বিপাশা দেবনাথ
- উড়াধুরা প্রেমের কবিতা - সুলতানা শিরীন সাজি
- কীবোর্ডের সমস্যা হলেও পাসওয়ার্ড লিখে কম্পিউটার ওপেন করার উপায় - মোঃ শরিফুল ইসলাম সবুজ
- Esnips থেকে ডাউনলোড ,বিনা কষ্টে বহুত আরামে করবেন - চিকনমিয়া
- ফ্রি এবং খুবি সহজ পদ্ধতি তে সাইট তৈরি করুন....... - গিফার
- তোমার ভাঁজ খোলো আনন্দ দেখাও ... - প্রভাৎ ঋষি
- অবশেষে টুথব্রাশ কিনলাম
- মানুষ
- শূণ্যস্থান___পূরণ - ইফতেখার ইনান
- আপনার পিসিকে ভাইরাস মুক্ত রাখতে চান? - নিউটন
- পেনড্রাইভের ভাইরাস থেকে মুক্তির উপায় - লংকার রাজা
- হে নিদারুণ সুসময়, তুমি উচ্চারণ করো, কবির মৃত্যুতে আমাদের কিছু আসে যায় না! - মৃদুল মাহবুব
- Esnips থেকে গান ডাউনলোডের উপায় - রাশেদ
- নগ্নিকা এবং মনন ভূমে কাঠঠোকরার কেরামতি - আকাশচুরি
- ইঁদুর ও সুদর্শন মানুষটি একই জায়গায় মৃত পড়েছিলো /সারওয়ার চৌধুরী - সারওয়ারচৌধুরী
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আমাদের জাতীয় সঙ্গীত ও ত্রিভুজ গোত্রীয়দের বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেস্টা - নাস্তিকের ধর্মকথা
- জামাতি দাওয়াতে মওলানার জবাব - অমি রহমান পিয়াল
- ক্যাচালের সিরিয়াস পোস্ট - ক্যাচাল
আমাদের ভুল পথ!
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৪২
বিচারের দাবি নিয়ে এসেছি।
রাজাকারদের কেন বিচার করতে হবে তা জানা দরকার।
প্রথমেই কথা বলি আমাদের ধর্মীয় ইতিহাস নিয়ে। যে ব্যাপারটা এড়িয়ে যাওয়া অনেকটাই বোকামি। কারণ এই ধর্মকেই জামাত নানা ভাবে হাতিয়ার বানায়।
হযরত মোহাম্মদ (সঃ ) মক্কা জয় করেছিলেন ঠিকই। তাঁর রাজনৈতিক দূরদর্শিতার কোন অভাব ছিলো না। তিনি একজন মহান নবী, কিন্তু তিনি মানুষ। তিনি এরকমই একটি ভুল করে বসেছিলেন। যার জন্য আমাদের হাতে ইসলাম দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। আমরা আল্লাহকেও ক্ষমতার লোভে দুই টুকরা করে ফেলেছি।
মহানবী (সঃ ) এর ভুল টা কী ছিল? তাঁর এত বছরের সংগ্রামে তাঁর প্রত্যক্ষ বিরোধিতাকারী আবূ সুফিয়ান একজন। তিনি শেষ পর্যন্ত ইসলামের চরম বিরোধিতা করেছেন। আবূ সুফিয়ানের বোন ছিলেন হিন্দ। তারা কখনই ইসলামকে মানেন নাই।
কিন্তু যখন মক্কা দখল হয়ে গেল তখন আবূ সুফিয়ান মোহাম্মদ (সঃ ) এর কাছে গিয়ে ক্ষমা চাইলেন। বললেন আমি ভুল করেছি, আমি এখন তোমার ধর্ম নিতে চাই। মোহাম্মদ (সঃ ) খুশি হয়ে ছিলেন খুব। শত্রু যখন বন্ধু হয় তখন যেন আকাশ আর পাতাল মিশে এক হয়ে যায়। কিন্তু সে কিন্তু শত্রু ছিলো এইটা আমরা ভুলে যাই। মোহাম্মদও ভুলে গেলেন। তিনি আবূ সুফিয়ানকে বানালেন তার রাজনৈতিক সচিব। তখন তো সচিবের ধারণা ছিল না। তিনি তাকে রাখলেন মজলিসের অন্যতম সদস্য হিসেবে।
পাঠক এই আবূ সুফিয়ান ইসলাম দুই ভাগের কারণ। তা শুনুন। এরপর মহানবী (সঃ ) এর মৃত্যু হলো। ক্ষমতা বর্তালো চার খলিফার হাতে। কিন্তু ক্ষমতার লোভের উর্ধ্ব কেউই নন। এক মোহাম্মদ (সঃ ) ছাড়া। চার খলিফার তিন খলিফাই খুন হোন।
শেষটায় হযরত আলী (রাঃ )-এর হাতে ক্ষমতা যায়। কিন্তু তার আগে হযরত উসমানকে (রাঃ ) নামাজ পড়া অবস্থায় কে বা কারা হত্যা করে। উসমান ছিলেন আবূ সুফিয়ানের ছেলে উমাইয়ার আত্মীয় সমন্ধ। পক্ষান্তরে আবূ সুফিয়ানেরই আত্মীয়।
উমাইয়া আলী(রাঃ ) কে বলেছিলেন, উসমান হত্যার বিচার কর। কিন্তু আলী (রাঃ ) সেইটা করলেন না। বরং তিনি ক্ষমতা নিতে ব্যাস্ত। আয়েশা (রাঃ ) আলীর বিরোধিতা করেছিলেন বলে, আলী (রাঃ ) তাকেও নির্বাসিত করেন। এখন, উমাইয়া আর উপায় না দেখে আলীর বিরোধিতা শুরু করেন।
আলীর মৃত্যুর পর উমাইয়া ক্ষমতা নেওয়ার পায়তারা করতে থাকেন। তার ছেলে এজিদের সৈন্যরা মহাম্মদের (সঃ ) নাতিদের হত্যা করেন, এবং ক্ষমতা কুক্ষিগত করেন। তাহলে এক সময় এই উমাইয়া বংশধররাই ক্ষমতায় ছিলো, যখন তারা কাফির ছিলেন। আজকে আবার সে বংশই ক্ষমতায় আসলো, কিন্তু তারা আজকে মুসলমান।
উমাইয়ার বিরোধিতা করে, আলীকে নেতা মনে ধারণ করে রাজ তন্ত্রের প্রতিবাদে, শিয়া নামক একটি গষ্ঠি বেড়িয়ে এলো। আর আজকের শিয়া সুন্নির দাঙ্গার কথা সবারই জানা।
আবূ সুফিয়ানকে যদি ক্ষমা না করে ফাসি দেওয়া হত তাহলে তার বংশধরদের হাতে মহানবী (সঃ ) এর নাতিদের মরতে হত না। আর ইসলামও এইভাবে বিভক্ত হত না। আবূ সুফিয়ানদের হাতে আমরা ক্ষমতা দিতে চাই এরপরেও?
না তারা মানবতার শত্রু। তাদের হাতে ইসলাম আজকে দু-ভাগ হয়ে গেছে, তাহলে কেমন করে আমাদের দেশকে দুই ভাগ করার জন্য আবূ সুফিয়ান রূপি গোলাম আযম, মতিউর রহমান নিজামির মত বিশ্বাস ঘাতকের হাতে আমরা ক্ষমতা তুলে দিব, বা তাদের রাজনীতি করতে দেব? ইতিহাস কী আমাদের কোন শিক্ষাই দেয় না?
(সুত্রঃ দ্যা মেসেজ ছবি পরিচালকঃ মুস্তফা আক্কাদ এবং ইন্টারনেটঃ ইস্টোরি অফ শিয়া সুন্নী কনফ্লিক্ট)
(মানুষ সহ সকল ব্যানড ব্লগারদের মুক্তি চাই)
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মনের কথা। আপনাকে এতদিন পরে দেখলাম। ভাল আছেন আশা করি।
এইসব অনেক ওয়েব সাইটেই পাবেন। ইসলামিক হিস্টরি অথবা ডাইরেক্ট উইকিতে পাবেন, শিয়া সুন্নী লিখে সার্চ দিয়ে।
ধন্যবাদ, ভাই ভাল থাকবেন।
হলদে ডানা বলেছেন:
আল্লাহর রসুল ভুল করেছিলেন এমন কথা বলার পূর্বে আপনাকে বারবার ভেবে নেয়া দরকার ছিল। রসুল স. মানুষ ছিল সন্দেহ নেই। কিন্তু রিসালাতের দায়িত্ব তিনি আল্লাহর প্রত্যক্ষ নির্দেশে পালন করেছেন। সেখানে সামান্য ভূল ধরার এখতিয়ার কোন মানুষের নেই। রসুল স. তার রিসালাতের দায়িত্ব পালনের প্রতি পদে পদে আল্লাহর নির্দেশনা পেয়েছেন, যখনই সামান্য বিচ্যুতির ও কোন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে সাথে সাথে আল্লাহ তাকে সংশোধন করে দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইসলামী আন্দোলনের বিরোধিতায় অন্ধ হয়ে রসূল স. কে নিয়ে বেসামাল উক্তি করার মত ধৃষ্টতা দেখাবেননা।
লেখক বলেছেন: হলদে ডানা
আমি আপনাকে যা জবাব দিতে চেয়েছিলাম, তা সিহাব চৌধুরি দিয়ে দিয়েছেন। তার রিপ্লাই পড়ুন। ধন্যবাদ।
@হমপগ্র, ভাল পুস্ট দিয়ো না আর। মনে রাখবা, চোরের মায়ের গলা সবসময়ই বড় হয়।
লেখক বলেছেন: আমি জানি, আমার লেখাটার অর্থ এই ধর্মান্ধরা বুঝবে না। কিন্তু দেখুন আমি মহানবী (সঃ ) এর নাতিদের হত্যাকারির হাতে ইসলাম দেখতে চাই না। কখনও না।
তারা মানবতার শত্রু।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
@ দুঃখবিলাস , আসুক না , হলদে ডানা, তার বাপদের ও নিয়া আসুক -- সত্য সাথে আছে , ভয় কি ?
@হমপগ্র , চমতকার পোষ্ট । ভন্ড জামাতিদের লাফালাফি এভাবেই ভাংগতে হবে । গালাগালি দিয়ে লাভ হবে না । keep it up man .
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সিহাব চৌধুরী,
আসলে আমাদের সামনে সত্য আছে, আমরা গ্রহণ করছি না। আমাদের সামনে ইতিহাস পরে আছে, আমরা ধরেও দেখছি না।
আবু সুফিয়ানের বিচার হয়নি, তার ছেলে উমাইয়া ও নাতি এজিদ, সবাই বহাল তবিয়তে দুনিয়া পার করেছেন।
কথা হচ্ছে, তাহলে কী আমাদের টান তাদের জন্য নাকি মহানবী (সঃ ) এর নাতিদের জন্য থাকা উচিত?
এই ভ্রান্ততা থেকে আমাদের মুক্ত হতে হবে। তাহলে ইসলাম তার সঠিক পথ ফিরে পাবে। আর আমরাও পাব।
এর থেকে কঠিন ইতিহাস হলো কিং সউদ এর ইতিহাস। সেটাও আমি বলব।
ঘাতক বলেছেন:
হুম! ইতিহাস আমাদের এই শিক্ষা দেয় যে ইসলামকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র আগেও ছিল এখনো আছে। আমাদেরকে এই ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে হবে।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
@হলদে ডানা, তার মানে কি আপনি বলতে চান , এই যে শিয়া সুন্নির সংঘাত -- আল্লাহ ইচ্ছা করেছিলেন মুহাম্মদ (সাঃ) কে দিয়ে আবুসুফিয়ান কে হত্যা করান নি ?
Dont give me any fatalistic answer !
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
@হলদে ডানা, তার মানে কি আপনি বলতে চান , এই যে শিয়া সুন্নির সংঘাত -- আল্লাহ ইচ্ছা করেছিলেন, তাই মুহাম্মদ (সাঃ) কে দিয়ে আবুসুফিয়ান কে হত্যা করান নি ?
Dont give me any fatalistic answer !
তাহলে আল্লাহর দোযখ ও বানাবার কোনো দরকার হতো না।
তাই এই সব গড়লদের বোঝানো মানে বৃথা চেষ্টা করা। এদের কাজই ইসলাম নিয়ে ব্যবসা করা। তাই এদের রুটি-রুজির ওপর আঘাত আসবে এমন কিছুই ওরা সহ্য করবে না বা বুঝতে চাইবে না।
আমাদের সবার মনে রাখতে হবে- এরা ইসলাম নিয়ে ব্যবসা করে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আপনার মন্তব্যের জন্য।
আসলে ইতিহাস কিন্তু জয়ি রাই লেখে। আর এখানে জয়ী উমাইয়া গোত্র। তাদের দ্বারা ব্রেইন ওয়াসড হয়ে গেছে মানুষ।
আর জামাতিরা তো কথায় কথায়...
হলদে ডানা বলেছেন:
শিয়া সুন্নি দন্দ্ব আল্লাহর রসুল স. এর জীবদ্দশায় হয়নি।আবারও বলছি, আল্লাহর রসুলের রিসালাতের ভুল ধরার চেষ্টা করবেননা যদি মুসলমান হন। আপনার এ প্রচেষ্টার ফলাফল এমন হবে যে শেষ পর্যন্ত আল্লাহর ভুল ধরতে শুরু করবেন, বলবেন শয়তানকে দুনিয়াতে মানুষকে বিভ্রান্ত করার ক্ষমতা দিয়ে এবং কিয়ামত পর্যন্ত আয়ু দিয়ে আল্লাহ ভুল করেছিলেন যার কারনে পৃথিবীতে মানুষের মাঝে এ চরম অনাচার।
এই আপনারাই আজ রসুলের ভুল ধরেন আর কাল মাওলানা মওদূদীর বিরুদ্ধে কাফের ফতোয়া দেন সাহাবীদের ভূল ধরার অভিযোগ করে।
ইসলামের এমন কিছূ মৌলিক বিষয় আছে যেগুলো প্রমাণিতভাবে প্রতিষ্ঠিত। কোন মুসলিমের এ বিষয়ে গলদ ধরার সুযোগ নেই। ঠাস করে এসব বিষয় ভুল বলে মন্তব্য করা নিতান্তই মুর্খতা ও ৗদ্ধত্য।
দিগন্ত বলেছেন:
"রাজাকারদের কেন বিচার করতে হবে তা জানা দরকার।"- দুঃখিত, পোস্টটা আমার পছন্দ হল না। আপনি রাজাকারদের বিচারের দাবীতে নবীর উদাহরণ আনছেন? আপনার খেয়াল আছে কিসের সাথে কিসের তুলনা হয় আর হয়না?
হলদে ডানা বলেছেন:
দিগন্ত, আমারও একই কথা। জামায়াতের ভুল ধরুন, নিজামীর ভুল ধরুন আপত্তি নেই। কিন্তু রাজাকার বিরোধিতার উসিলায় ইসলামের গোড়া কাটার চেষ্টা করা নিজের পায়ে কুড়াল মারাই হবে, ইসলামের কোন ক্ষতি হবেনা। আল্লাহর রসুল হচ্ছেন আল্লাহর দেয়া জীবন বিধান আল-কুরআনের বাস্তব নমুনা যা দেখে পৃথিবীবাসী কিয়ামত পর্যন্ত ইসলামের আলোকে ব্যাক্তি সমাজ ও রাষ্ট্র চালানোর শিক্ষা নেবে। রসুলের কার্যক্রমকেই যদি ভুল বলা হয় তবে প্রকারান্তরে ইসলামকেই পৃথিবীবাসীর সামনে ভুল হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করা হয়। অথচ ইসলাম হচ্ছে মানুষের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে এক নির্ভূল জীবন বিধান। আল্লাহর রসুলের কাজে ভুল ধরা মানে পৃথিবীবাসীর জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে অনুসরনীয় কোন জীবন বিধান আর অবশিষ্ট রইলোনা বলে ঘোষণা দেয়া।
জাগারণ বলেছেন:
আপনার লেখার উদ্দেশ্য হ্যালো । কিন্তু ভাষার ব্যবহার ও ঐতিহাসিক পেক্ষাপটা অনেকটা মুখস্ত লেখার মত লিখেচেন। যাহোক, কারবালায় এসে ইসলাম সম্পূর্ণ রূপে দু'টি ধারায় প্রবাহিত হয়। যার একটি হচ্ছে ইয়াজিদের ইসলাম আরেকটি ইমাম হোসেনের ইসলাম। এদের পার্থক্য ইয়াজিদী ইসলামে নামায কালামের সাথে মদ, নারী, খুনখারাবী .. সব চলে । আর ইমাম হোসেনের ইসলামের সাথে ন্যায়পরায়ণা, সত্যে অটল, সমাজ সংস্কার এবং আত্মশুদ্ধির দ্বারা আর্দশিক ভাবে চলার শিক্ষা দেয়। যেভাবে নিষ্পাপ মহানবী (স.) চলেছেন।
আপনি প্রায় ঠিকই বলেছেন , তাই আমাদের আজ বুঝতে হবে আমরা কোন ইসলামের অনুসারী নতুবা নিজের অজান্তে হয়ত ইয়াজিদী ইসলামের গাড়ী উঠে বসে থাকবো। যার পরিণতি ভয়ঙ্কর।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
@দিগন্ত, হলদে ডান, জাগরন -- ইস্লামের ভুল কেউ ধরতে চাচ্ছে না । বলা হচ্ছে নবীজীর সিদ্ধান্তের ফলাফল । এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমরা কি একই ফলাফল চাই ?
অন্ধকূপ থেকে বেরোতে পারবে না কখনও জানি । তবু একটু যুক্তিযুক্ত কথা অন্তত বলুন !
@ হমপগ্র, তিনি এরকমই একটি ভুল করে বসেছিলেন।
,
ভুল শব্দটিতেও উনাদের আপত্তি । বাক্যটি পালটিয়ে উনার সিদ্ধান্তের ফলাফল বা এইরকম কিছু লিখে দেন । নাইলে আজকেই আপনাকে মুরতাদ বানিয়ে পোষ্ট দিবে ।
হলদে ডানা বলেছেন:
ইসলামের শিক্ষা হচ্ছে ক্ষমা। ইসলাম মানুষকে জীবন্ত করার জন্য এসেছে, নির্মুল করার জন্য নয়। এজন্যই আল্লাহর রসুল স. ক্ষমা করেছেন যতক্ষণ পর্যন্ত ক্ষমা করা সম্ভব ছিল। আবু সুফিয়ান কে ক্ষমা করার মাধ্যমে রসুল স. দেখিয়ে গেছেন পরাজিত শত্রুকে বাগে পেয়েও মাফ করা ইসলামেরই শিক্ষা। এ শিক্ষার জোড়েই মানসিংহের হাত থেকে তলোয়ার পড়ে যাবার পর ঈসা খাঁ নতুন তলোয়ার প্রদান করে অতপর যুদ্ধ পুনরায় শুরু করেছেন।ক্ষমাপ্রাপ্ত ব্যাক্তির সন্তানের পরবর্তী জীবনের অপরাধের দায়ভার চাপালেন রসুল স. এর উপর? আফসোস আপনার জন্য@সিহাব চৌধুরী। অপরাধ আর অপরাধীর নতুন সজ্ঞা দিলেন।
জাগারণ বলেছেন:
ঐডা মহানবী (স.)-এর ভুল সিদ্ধান্ত নয়। বরং আপনি ইতিহাস তুলে ধরতে ভুল করেছেন। আপনি কখনো পারবেন না ঐতিহাসিক পেক্ষাপট থেকে একটি মাত্র নমুনা আনতে যে, মহানবী (স.) কারো কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছেন। এমন কি যারা তাঁর পরবর্তী কালো খলিফা হয়েছেন, তাদেরকেও তিনি খলিফা হিসেবে মনোনীত করেন নি।আর এই কথাটা `তিনি আবূ সুফিয়ানকে বানালেন তার রাজনৈতিক সচিব। তখন তো সচিবের ধারণা ছিল না। তিনি তাকে রাখলেন মজলিসের অন্যতম সদস্য হিসেবে। ' ঠিক নয়।
আর এডা আবার কী `তিনি এরকমই একটি ভুল করে বসেছিলেন। ' লিখলেন মশাই?
হেটা কোন ইতিহাসে পাইচো? `আয়েশা (রাঃ ) আলীর বিরোধিতা করেছিলেন বলে, আলী (রাঃ ) তাকেও নির্বাসিত করেন। ' ইতিহাস লিখতেও মানুষের সময় লাগে কিন্তু এই ওয়েব ব্লগের সামান্য কিভাবে রচনা করছেন?
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
মহানবীর মুহাম্মদ (সাঃ) এর উপর কিছুই চাপাচ্ছি না । উনার সিদ্ধান্তের বাস্তবতা টা কি -- এটাই আলোচ্য পোষ্টে এসেছে analogy হিসেবে --জামাতি রাজাকারদের ছাড় দিলে বাস্তবতা টা কি হবে সেটার উদাহরন হিসেবে ।
ক্ষমার কথা বলছেন ? রাজাকারদের একবার ক্ষমা করা হয়েছিল -- যুদ্ধের পরপরই , তার ফলাফল -- আমাকে শুনতে হয় গোলাম আযম আমার চেয়ে বেটার সিটিজেন, কারন তার সার্টিফিকেট আছে , আমার নেই ।
তাই ,
ক্ষমা প্রার্থনা যখনই করবে - ওদের মুখে আমার একদলা থু থু !
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
মহানবীর মুহাম্মদ (সাঃ) এর উপর কিছুই চাপাচ্ছি না । উনার সিদ্ধান্তের বাস্তবতা টা কি -- এটাই আলোচ্য পোষ্টে এসেছে analogy হিসেবে --জামাতি রাজাকারদের ছাড় দিলে বাস্তবতা টা কি হবে সেটার উদাহরন হিসেবে ।
ক্ষমার কথা বলছেন ? রাজাকারদের একবার ক্ষমা করা হয়েছিল -- যুদ্ধের পরপরই , তার ফলাফল -- আমাকে শুনতে হয় গোলাম আযম আমার চেয়ে বেটার সিটিজেন, কারন তার সার্টিফিকেট আছে , আমার নেই ।
তাই ,
ক্ষমা প্রার্থনা যখনই করবে - ওদের মুখে আমার একদলা থু থু !
@ হলদে ডানা ।
পাশা বলেছেন:
@হমপগ্র,আপনার পোস্ট পড়ে যার পর নাই আনন্দিত হইলাম। কারণ একজন পাক্কা মুসলমান এ ধরনের কথা লেখছে।
কুরআন হাদীসের রেফারেন্স দিয়া লেখলে খুশি হইতাম।
(পাগলে কিনা বলে ছাগলে কিনা খায়।)
যেটা জানেন না সেটা লেখতে আসেন কেন?
@সিহাব চৌধুরী, আস্তিক হলেন কবে থেকে?
আবু সুফিয়ান মক্কা বিজয়ের আগেই মুসলিম হয়েছিল।
জাগারণ বলেছেন:
ধন্যবাদ (পাশা ভাইকে)
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন:
হযরত আলী (রা) একদিন আক্ষেপ করে বলেছেন আমার মেরুদন্ড দুই ধরনের লোক ভেঙ্গে দিয়েছে এক হচ্ছে অজ্ঞ আবেদ বা ইবাদতকারী আর দুই হচ্ছে পাপাচারী আলেম।মুলত এরা যুগে যুগে এরাই ইসলামের ক্ষতি করে যাচ্ছে।
শিয়া কি শিয়ারা কারা ???
এই সম্পর্কে জানতে হলে আমাদের তার উৎপত্তি স্থলে যেতে হবে।
এবং দেখতে হবে অথেন্টিক সোর্স।
তা নিয়ে আশা করি কিছু লিখব পরের দিকে।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
@পাশা , নাস্তিক ছিলাম না কি , কখনো ?
@সন্ধ্যাবাতি, সূত্র দিলে ভালো হতো । তত্থ্য যদি ভুল ও হয় তাতে কি? জামাত চিংড়ির দলই । মেরূদন্ড কখনো ছিলনা , নেই, থাকবেও না ।
জাগারণ বলেছেন:
ভ্রক্ষেপিত জ্ঞান ! আমি তো ভাই অনেক দিন ধরে এমন একজনের সন্ধান করিছলাম যে আমাকে `শিয়া কি বা কারা' জানাবেন। আচ্ছা কতদিন পর জানাবেন? এহকালে, না-পরকালে? তবে জ্ঞানীদের মতো প্রত্যেকটির কথার উদ্ধৃতি উল্লেখ করে লিখবেন। হ্যাঁউম! আপনাগোর বিসমি্ল্লাহর ক্যালিয়োগ্রাফিটিও শিয়া ইরানীদের তৈয়ারী তা কী জানেন সাহেব?
অপেক্ষায় থাকলাম হুজুর।


















