আমার প্রিয় পোস্ট

আদিবাসীদের ভাষা কেও সমান মর্যাদা দেওয়া...

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:১৫

শেয়ার করুন:                   Facebook

আদিবাসীদের ভাষা নিয়ে গত কয়েকবছর যাবত একটা জগাখিচুরী পাকানো গ্যাছে। আমাদের দেশের সরকার তো উন্নয়নমুখী শিক্ষা বিস্তার করে যাচ্ছে। যদিও উন্নয়নের অবস্থা আমরা প্রত্যক্ষ করে মাঝে মাঝে শিউরে উঠি। যাই হোক, আনেক আদিবাসীদের দাবী, তারা তাদের মাতৃভাষায় শিক্ষা করতে চায়। সেটার একটা ব্যবস্থা করেছিলো সরকার। ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত তাদের নিজেদের ভাষায় শিক্ষা হত। কিন্তু পরবর্তিতে তা ক্লাস থ্রি পর্যন্ত করা হয়েছে। অনেক আদিবাসীদের নিজস্ব ভাষা পদ্ধতি ও ব্যকরণ আছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও তারা নিজেদের ভাষায় শিক্ষা লাভ করতে পারছে না। কারণ, বাংলা ভাষার আধিপত্য, আর ইংরেজি ভাষার ব্যাপক চর্চা। বাংলাদেশে বসবাস করতে হলে বাংলা ভাষায় শিক্ষাটাই স্বাভাবিক। আর পরবর্তিতে ইন্টারনেশন্যাল ল্যাঙ্গুয়েজ হিসেবে ইংরেজিতে বাকি পড়াশোনা করাটাই যুক্তিযুত।

এখানে একটা জায়গায় এসে আমরা আমাদের আবেগের কাছে বার বার হোচট খাচ্ছি। তাহল, আমরা আমাদের মাতৃভাষার জন্য জীবন দিয়েছি। বাংলা ভাষার যথেষ্ট উ\কর্ষ সাধিত হয়েছে। এটা আমাদের মায়ের ভাষা বলেই। পক্ষান্তরে সাঁওতাল, চাকমা, মারমা, মুরং প্রভৃতি আদিবাসীদের মাতৃভাষাও তাদের স্ব স্ব ভাষা। তবে কেন তাদের মায়ের ভাষাকে স্বীকৃত করা হবে না? কেনই বা আমাদের দেশে তাদের জন্য তাদের ভাষায় পড়াশোনা করার সুযোগ দেওয়া হবে না? প্রশ্নটা ক্রমেই কী প্রকট হচ্ছে না? ভাষার প্রতি অগাত সৌহার্দ আর ভালবাসা শুধুই কী আমাদের? তাদের নেই? আর এই জন্যই তাদের থেকে আমাদের দূরত্ব দিন দিন বাড়ছে?

এই অবাঞ্চিত অবস্থা দূর করার লক্ষ্যে, একজন নিরপেক্ষ দ্রষ্টা হিসেবে আমার কোন বক্তব্য দেওয়ার নেই। আমি য্যান বা একটা বিশাল গলক ধাঁধার মধ্যে পড়ে যাই। বাংলাভাষি হিসেবে আমি আমার ভাষার কথা বলবই। আর একেকজন আদিবাসী তার নিজের ভাষার চর্চা করবেই, এইটা যার যার অধধিকার। নয়? তাদের স্বাতন্ত্রতা রক্ষা করার দায়িত্ব তাদেরই এটা যেমন সত্য তেমনি এও সত্য যে তাদের মুক্ত চর্চা করবার সুযোগ করে দেওয়াও আমাদেরই কর্তব্য।

 

 

  • ৩০ টি মন্তব্য
  • ৩৯৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৩ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২৩
comment by: রাশেদ বলেছেন: ভালো প্রসংগ। ধন্যবাদ।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাশেদ ভাই। ভাল থাকবেন।

২. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২৩
comment by: রোদ্দূর মিছিল বলেছেন: সহমত।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

৩. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২৬
comment by: বিহংগ বলেছেন: সাঁওতাল, চাকমা, মারমা, মুরং প্রভৃতি আদিবাসীদের মাতৃভাষাও তাদের স্ব স্ব ভাষা। তবে কেন তাদের মায়ের ভাষাকে স্বীকৃত করা হবে না?
সহমত।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বিহংগ দা।

ভাল থাকবেন।

৪. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২৭
comment by: মানুষ বলেছেন: ব্যাপারটা ভাবায়। কিন্তু কি করনীয় সেটা বুঝতে পারি না।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২৯

লেখক বলেছেন: হা! মানু ঠিক কইছো। চিন্তার বিষয়।

কিছু না করতে পারলে, আমাদের একুশে ফেব্রুয়ারির প্রভাতফেরীতে ওদের উপস্থিতি কমবে। আমাদের ব্যর্থতা আমাদেরই ভাষাকে অপমান করবে।

৫. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৩৯
comment by: মাহমুদউল্লাহ বলেছেন: ভাল প্রসংগ। একটা তথ্য জানতে চাচ্ছি... এখনও কি ক্লাস থ্রি পর্যন্ত শিক্ষাব্যবস্থাটা আছে? থাকলে কয়টা ভাষায় আছে? আমি ঠিক সংখ্যাটা জানিনা, আমদের আদিবাষীদের সবার মোট কতটা ভাষা। যদি অনেক হয় তাহলে প্র্যাকটিকাল একটা প্রবলেম হবে এতগুলা ভাষায় সবগুলা বিষয়ের অনুবাদ করে বইয়ের ব্যবস্থা করা। তারপরেও যদি করা যায়, কতদূর পর্যন্ত করা যাবে? এস, এস, সি বা এইচ এস সি? যদি এসএসসি পর্যন্তও হয়, তাহলে আবার তাদের পরবর্তী শিক্ষার মাধ্যমটা কি হবে সেটাও ভাবতে হবে। কারন তাদের বাংলা শেখাটা আমাদের এখন বাংলা মাধ্যমের ইংরেজী শেখার মতই হবে। আমরা যেমন ইউনিভার্সিটিতে উঠে ইংরেজী নিয়ে হাবুডুবু খাই তারা তখন বাংলা, ইংরেজী দুইটা নিয়েই সমস্যায় পরবে। এরকম আরো কিছু সমস্যা আছে মনে হয়... তবে বিভিন্নজনের মতামত দেখা যাক.. ভাল কোন সাজেশন থাকতেও পারে... পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাহমুদুল্লাহ।

আমাদের দেশে ৩১টি আদিবাসী গোষ্ঠি আছে। তাদের মধ্যে ৭-৮টি গোষ্ঠির নিজস্ব বর্ণশৈলী আছে, ব্যকরণ আছে। হ্যা! এটাই সব থেকে বড় প্রতিবন্ধকতা যে তাদের ভাষায় বই তেমন নেই। আর অনুবাদ করার মানে অনেক কষ্ট সাধ্য এবং এর সাথে কয়েকটা ভাষার মধ্যে তারা হাবুডুবু খাবে। ক্লাস থ্রি পর্যন্ত ব্যবস্থা এখনও আছে। আর এই প্রতিবন্ধকতার জন্যই আমি কোন উপদেশ দিতে পারলাম না, এই পরিস্থিতির উত্তরণ কল্পে।

৬. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪৪
comment by: তানজিলা হক বলেছেন: সহমত
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! ভাল থাকবেন!

৭. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪৬
comment by: রাশেদ বলেছেন: প্র্যাকটিক্যাল প্রবলেম হইলো বাংলাতেই কিন্তু সবাইরে এখনো পড়ানো যাইতেছে না। আদিবাসীদের জন্য অবকাঠামোগত সুবিধা কি সরকার দিতে পারবে? মনে তো হয় না। NGO ভিত্তিক কিছু হয়তো হবে। আর চাকরি বাকরির ব্যাপারটাও আছে।

আমরা যেমন সরকারি স্কুলে আরবি শিখতাম ক্লাস সিক্স থেকে এইট তাদের জন্য এই রকম একটা সিস্টেম করা যাইতে পারে। তাদের জন্য ভাষা বিষয়ক একটা সাবজেক্ট থাকলো।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪৯

লেখক বলেছেন: সুন্দর প্রস্তাব রাশেদ ভাই। সেইক্ষেত্রে তাদের সাবজেক্ট বেড়ে যাবে। সেটাও ভাববার বিষয়। সেটা আবার প্রতিবিন্ধকতার সৃষ্টি করতে পারে।

যাহোক, আমারও মনে হয়, সমগ্র জাতি আমরা এক হয়ে এরকম একটা প্রস্তাব কল্পে কাজ করতে পারি।

ধন্যবাদ আবারও!

৮. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪৮
comment by: মাইবম সাধন বলেছেন: এইসব টার্ম কিম্বা টপিকসগুলো আমাদের হর্তাকর্তা ব্যক্তিরা 'জঞ্জাল' বলেই মনে করেন..! [মনে হয়.. হচ্ছে.. হবে হয়তোবা ভবিষ্যতেও..]

একজন শেখ মুজিব 'বঙ্গবন্ধু' হলেও আমাদের কাছে নিখাদ ভিলেন.. এবং তার পরবর্তী উত্তরসূরীরা'তো বিশেষ মোনাজাতসহ সেই পথে আরো দু'কদম আগ বাড়িয়েছেন..!!!

তাই নয় কি..?
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৫১

লেখক বলেছেন: নাইস কপ্লিমেন্ট।

হর্তাকর্তা আর কই? সব তো নিজের ধান্ধায় মত্ত। মাঝে চাপা পড়েছেন কত মনীষী। তাতে হর্তাকর্তাদের টাকায় তো টান পরে না। পড়লে বুঝা যেত সব।

৯. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৫১
comment by: মাইবম সাধন বলেছেন: রাশেদ ভাই, এতো দূর.. চলে গেলেন.. অনুমোদনইতো নেই..!!!
১০. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৫৬
comment by: রাশেদ বলেছেন: মাইবম সাধন ভাই, আশা করি অনেক কিছুই। কিন্তু বাস্তবে তা হয় না। কি করবো কন! :(
১১. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:১১
comment by: মাইবম সাধন বলেছেন: ভাই, আর বেশী কইয়েন না..
এই বিষয়ে কইতে গেলে আমার বিরুদ্ধে ফরমান জারি হইয়া যাইবো..

"যে দেশে 'মুক্তিযুদ্ধ'কেই বলা হচ্ছে 'গৃহযুদ্ধ' সেই দেশে যে সবকিছুই হইতে পারে.." আর সেইখানে আবার আদিবাসী কিম্বা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের 'ভাষা' কিম্বা 'মাতৃভাষা' শব্দটিই তো কেমন কেমন শুনতে লাগে তাই না..?
১২. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:১২
comment by: মুকুল বলেছেন: সহমত
*****
১৩. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪১
comment by: নিহন বলেছেন: বিহংগ বলেছেন: সাঁওতাল, চাকমা, মারমা, মুরং প্রভৃতি আদিবাসীদের মাতৃভাষাও তাদের স্ব স্ব ভাষা। তবে কেন তাদের মায়ের ভাষাকে স্বীকৃত করা হবে না?
সহমত।

সহমত।
১৪. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫৩
comment by: ফাহমিদুল হক বলেছেন: আদিবাসীদের মাতৃভাষায় শিক্ষগ্রহণের সঙ্গে জেনারেল এডুকেশনের সমম্বয় হওয়া দরকার।
১৫. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০৬
comment by: কুঙ্গ থাঙ বলেছেন: ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলো এখনো সাংবিধানিক স্বীকৃতি পায়নি। তাদেরকে এখনো রাষ্ট্রীয়ভাবে চিহ্নিত করা হয় 'উপজাতি' হিসাবে গভীরার্থে যেটা মোটা দাগের রেসিয়াল ডিসক্রিমিনেশান। 'জাতি'র কিভাবে 'উপ' হয় এবং 'উপজাতি' শব্দটি কিভাবে বাংলাভাষায় প্রবেশ করল সেটার ব্যাখ্যা হয়তো ভাষাবিজ্ঞানীরা দিতে পারবেন। কিন্তু এর থেকে বিপজ্জনক হলো রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যম এবং প্রকাশনাগুলোতে কথিত 'উপজাতি'দের জীবন প্রণালী, ভাষা, কৃষ্টি ও ঐতিহ্য সবকিছু ব্যাখ্যা করা হচ্ছে সংখ্যাগরিষ্ঠের দৃষ্টিভঙ্গী থেকে। পাঠ্যবইগুলোতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলো সম্বন্ধে যথাসস্ভব অদ্ভুত তথ্য হাজির করে বাচ্চাদের এন্টারটেইন করা হয়। বাংলাপিডিয়ায় লেখা হচ্ছে 'উপজাতিরা লোহা ছাড়া সব খায়' জাতীয় তথ্য। এসব দেখে মনে হয় রাষ্ট্রের নিকট ভাষিক সংখ্যালঘূ বা ক্ষুদ্র জাতিসত্তাগুলোর নিম্নতম গুরুত্ব নেই, কেবল জাতিসংঘ এবং বহির্বিশ্বে নিজেদের ভাবমুর্ত্তি ধরে রাখার জন্য কোটা জাতীয় কিছু সুবিধা চালু করেছে।

এসবকিছুর মধ্যে আদিবাসীদের ভাষার সমমর্যাদার পক্ষে আপনাদের অবস্থান এবং মতামত আমাদেরকে অভিভূত করে। পোষ্টটি প্রিয় তালিকাতে রাখলাম।
১৬. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:২১
comment by: মানবী বলেছেন:

অবশ্যই আদিবাসীদের নিজ নিজ ভাষার স্বিকৃতি দেয়া প্রয়োজন। অন্তত একটি দুটি বিস্ববিদ্যালয়ে তাঁদের ভাষা নিয়ে পড়ার এবং গবেষনার সুযোগ থাকা উচিৎ।

তবে, বাংলা ভাষা সম্পূর্ণ ভাবে উঠিয়ে দিলে তাঁদের পরবর্তী উচ্চ শিক্ষার সুযোগ সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে। শুধু বাংলা ভাষা চর্চা করে দেশের বৃহত্তরজনগোষ্ঠিও কিন্তু এগুতে পারছেনা। ইংরেজী শিক্ষা অপরিহার্য, বিশেষ করে প্রকৌশল, চিকিৎসা, প্রযুক্তি বিদ্যা ১০০% ইংরেজী নির্ভর।

আদিবাসীদের নির্দিষ্ট ভাষাভাষী আধ্যুসিত এলাকার স্কুল কলেজে সেই ভাষার প্রধান্য থাকা জরুরী। এই দাবীতে সমর্থন জানাই।


ভালো পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।

+
১৭. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:২৫
comment by: নরাধম বলেছেন: সম্পূর্ণ একমত।
১৮. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৩৩
comment by: আতরাফ রহমান বলেছেন: একমত৷
১৯. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৩৫
comment by: নেমেসিস বলেছেন: সম্পূর্ণ একমত।
২০. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৮
comment by: রোবোট বলেছেন: বাংলা সিনেমায় দেখাতো, সাওতালরা উরদু/হিনদিতে কথা বলে
২১. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪৪
comment by: মাইবম সাধন বলেছেন: একটু ক্লিক করবেন আশা রাখি:

Click This Link
Click This Link
২২. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:২১
comment by: হামোম প্রমোদ বলেছেন: বাংলাদেশের আদিবাসীদের মাতৃভাষাকে স্বীকৃতি দেয়া কিংবা আদিবাসীদের মাতৃভাষা শিক্ষা দেয়া এমন কোন কঠিন বা জটিল বিষয় নয়। এর জন্য প্রয়োজন আমাদের সচেতনতা, আদিবাসীদের নিজেদের কমিটম্যান্ট এবং বিষয়টাকে সিরিয়াস ভাবে নেয়া। যে জাতি পাকিস্তান থেকে যুদ্ধ করে নিজেদের স্বাধীন করতে পারলো আর এসব সামান্য কাজ পারবে না কেন? আসল কথা হলো আজও বাংলাদেশে আদিবাসীদের ভাষা- শিল্প- সাহিত্য- সংস্কৃতি সর্বোপরি বাংলাদেশের আদিবাসীদের কোন সমস্যাকেই কেউ সিরিয়াস ভাবে নিচ্ছে না।

 



 


আমার আমি।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৭৪৯৪৩