আমার প্রিয় পোস্ট
- মৌলিক সংখ্যা নিয়ে আমার কিছু কথা - তারছিড়া..
- জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা। - হাসান41554
- গান শোনা যাবে এখন ভিন্ন মাত্রায়! - হাসান জোবায়ের
- এবার যে কোন অনলাইন রেডিও শুনুন আপনার (ওয়ার্ডপ্রেস বা জুমলা) সাইটে!!! - রাসেল আহমেদ (রাসেল)
- php mysql coonection দিতে হলে নিচের নিয়ম দেখুন - স্বনীড়
- পুরোনো কিছু বিজ্ঞাপন - সংবাদপত্রে প্রকাশিত ( ১ম পর্ব ) - বল্টু মিয়া
- আপনি কি আপনার কম্পিউটারের "Autorun.inf " Remove করতে চান - মোস্তাফিক
- Wavin' Flag - গানে গানে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী চেতনা... - দি ফ্লাইং ডাচম্যান
- সাহায্য চাই পোস্ট! প্রথমআলো থেকে লেখা কীভাবে ইউনিকোডে কনভার্ট করে ওয়ার্ড ফাইল বানাবো? - হমপগ্র
- বিশ্বের ১০টি বিস্ময়কর ব্রিজ!!!!!!!!!! - পর্ব ৩ - মুভি পাগল
- দেশের সবচেয়ে প্রাচীন স্কুল এবং কলেজ কোনগুলি??? সবার সাহায্যে তৈরি হল একটি তালিকা.... - সারওয়ার ইবনে কায়সার
- ...লেখাজোকা আহবান... - কায়সারহেলাল
- বিজ্ঞাপনের রকমফের.........আজিব সব আইডিয়া - সারওয়ার ইবনে কায়সার
- প্রিয় রুদ্র - তসলিমা নাসরিন - বইপাগল
- শতবর্ষ আগের ঢাকা - মামুনুর রহমান খাঁন
- Split Personalities:: আপনি সুস্থ আছেন তো? - আইরিন সুলতানা
- Summer of 69 :: বুয়েটিয়ান ভার্শন(আমার প্রথম ভিডিউ পুষ্ট) - ভাঙ্গা পেন্সিল
- কথোপকথন: পূর্ণেন্দু পত্রী - সুজন ১২
- মেডিটাশনঃ কোয়ান্টাম মেথডের ফ্রি বাংলা অডিও MP3 ডাউনলোড করুন - রনি৪৪৬
- তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা - অপ্সরা
- রাজাকার জামাত শিবিরকে কোপানোর জন্য সব চেয়ে সেরা গান / মাকসুদ(নিষিদ্ধ) রিপোষ্ট.। - আবুল বাহার
- যাও পাখি বলো তারে - লিরিক্স ও গীটার কর্ড - শাহারিয়ার আহমেদ
- ভাল লাগা কবিতা................ - বিপাশা দেবনাথ
- উড়াধুরা প্রেমের কবিতা - সুলতানা শিরীন সাজি
- Esnips থেকে ডাউনলোড ,বিনা কষ্টে বহুত আরামে করবেন - চিকনমিয়া
- তোমার ভাঁজ খোলো আনন্দ দেখাও ... - প্রভাৎ ঋষি
- আপনার পিসিকে ভাইরাস মুক্ত রাখতে চান? - নিউটন
- হে নিদারুণ সুসময়, তুমি উচ্চারণ করো, কবির মৃত্যুতে আমাদের কিছু আসে যায় না! - মৃদুল মাহবুব
- Esnips থেকে গান ডাউনলোডের উপায় - রাশেদ
- নগ্নিকা এবং মনন ভূমে কাঠঠোকরার কেরামতি - আকাশচুরি
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আমাদের জাতীয় সঙ্গীত ও ত্রিভুজ গোত্রীয়দের বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেস্টা - নাস্তিকের ধর্মকথা
- জামাতি দাওয়াতে মওলানার জবাব - অমি রহমান পিয়াল
- ক্যাচালের সিরিয়াস পোস্ট - ক্যাচাল
A Secular Plan- আসলে কী বলা হয়েছে
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৩
প্রথমেই একটা অপ্রিয় কথা বলে শুরু করতে হচ্ছে। আমাদের গায়ে হিন্দুয়ানী রক্ত এখনও টগবগে। নাহ! হিন্দুদের দোষটা আর দেওয়া যায় না। দোষটা আসলে বাঙ্গালীর রক্তে। সেটা হলো, হিন্দু ব্রাহ্মণ গোষ্ঠির আগে খুব একটা ভয় ছিল। কিছু হলেই, "গেল গেল গেল রে...আমার জাত ধম্ম সব তাল গাচে উঠেচে..." শরৎ বাবুর লেখার তখন দুই পয়সা দাম দিত না ব্রাহ্মণরা। শ্রীকান্ত গল্পে শ্রীকান্ত একটি মরা ছুয়ে দিতে গেলে তার বন্ধু তাকে জিজ্ঞেস করে, "কি জাত না জেনেই ছুয়ে দেবে"?
উত্তরে শ্রীকান্ত বলেছিল, "মরার কী জাত আছে রে"।
বর্তমানে আমাদের সেই ব্রাহ্মণদের মত অবস্থা। কান একেবারে সটান। কিছু হলেই, "ধর্ম বাচার, দেশ বাচাও..." কিন্তু কী হয়েছে ওদের অর্ধেকের বেশিই সেটা জানে না। ব্লগে তথাকথিত শিক্ষিত লোকদের ভীড়ে এসেও একই হাল দেখে আমি তাজ্জব বনে যাই। উল্লেখ্য ধর্মের এই মহা কান্ডারীগণকে কোনদিন যৌতুকের বিপক্ষে মিছিল করতে দেখা যায় না। দেখা যায় নাই, অভাবীদের জন্য সরকারের কাছে পয়সা ডোনেট করতে। দেখা যায় নাই, ধূপমান, মাদকাসক্তির মত ভয়ংকর সামাজিক ব্যাধির বিপক্ষে কথা বলতে।
ধান ভানতে শিবের গীত গাচ্ছি মনে হতেই পারে। কিন্তু এই ভূমিকাটা দেবার একটা উদ্দেশ্য ছিল। আসল কথায় আসি। আমাদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র জয় একটা মহা কাজ করে ফেলেছেন। কী করেছেন? মাত্র চার পাতার একটা রচনার মত লিখেছেন। আর কিচ্ছু করেননি। নানা...তার বিরুদ্ধে সেইটাই সব থেকে বড় অভিযোগ। তিনি দুর্নীতি করেন নাই, রাজনীতিতে আসেন নাই বরং পড়াশোনা করেছেন অনেক খানি। সেইটাও তারই দোষ। সবই মেনে নিচ্ছি।
জয় তার "A Secular Plan" লেখাটিতে আসলে কী বলেছেন? আমি কালকে অনেকবার এই লেখাটি পড়েছি। পড়ে কোথাও "ইসলামী ভূত" কথাটা পেলাম না। ফরহাদ মাজহার কোথায় পেলেন একমাত্র উনিই বলতে পারবেন। আওয়ামীলীগ চিরদিন একটি সেক্যুলার দল ছিল। এবং জয়ের ভাষ্য মতে সেরকমই থাকবে। এবং তার ব্লগে তিনি আওয়ামীলীগের শাঈখুল হাদীসের সাথে সমঝোতাকে একেবারেই এক্সেপ্ট করতে পারেন নাই।
বঙ্গবন্ধুর এই দলটি বাংলাদেশের স্বাধীনতায় রাখে অগ্রগামী ভূমিকা। লক্ষ্য করবেন, সেই সময় সমাজতান্ত্রিকদের এমন উত্থানেও বঙ্গবন্ধু সমাজতান্ত্রিকতায় জড়াননি। তিনি ইসলামে বিশ্বাসি ছিলেন, কিন্তু তিনি ছিলেন সেক্যুলার একজন মানুষ। ধর্মে ধর্মে বিভেদ তিনি মানতেন না। আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় গেলে সেক্যুলার দল হিসেবেই দেশ চালাবে। জয়ের কথাটা এরকমই। আসলেও ১০০ ভাগই এরকম।
আমাদের দেশের মানুষের স্বভাব চরিত্র তো আর আমেরিকার মত নয়। যে দেশটি যুগ যুগ ধরে সেক্যুলার রাষ্ট্র হিসেবে সবথেকে বেশি পরিচিত প্রশংসিত সবই। কিন্তু সেই দেশ থেকে বাংলাদেশকে দিন দিন পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ না হলেও ১০০ বছর পেছনে পরে আছে। নাহলে আমরা বারাক হোসেন ওবামার জয়ে এত উল্লাসিত হলাম, অথচ নিজের দেশে একটা হিন্দু মন্ত্রী পর্যন্ত সহ্য করতে পারি না। তাহলেও পরিবর্তনটা কোথায় এলো? আসেনি। জয় বলেছেন আগামী ২৫ বছরের মধ্যে আমরা একটা হিন্দু প্রধানমন্ত্রী পাব। কথাটা শুনে আমাদের চিরচেনা ধর্মীয় কনসার্ভেশন মাথা চারা দিয়ে উঠলো। আমার প্রশ্ন হলো, একজন হিন্দু এই দেশের নাগরিক হয়ে যোগ্য একজন প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে না? তাহলে "আমরা সবাই সমান" এই ঝান্ডা উঠায়া লাভ কি?
জয়ের উপর আমার অভিমান, এই যে তিনি বাংলাদেশ সম্পর্কে কোন রকমের ধারণা না করেই অবিবেচকের মত একটা লেখা দিয়েছেন। যার কোন মূল্য এই দেশের অশিক্ষিত অর্ধশিক্ষিত জনগণ বুঝতে পারবে না বরং আধার চেয়ে গাধা বুঝবে। তাঁর এই ধরণের লেখা এই কন্টেক্সটে আমি সাপোর্ট করতে পারলাম না।
আসুন দেখি লেখার কিছু জায়গা হাইলাইট করি।
BNP has begun to rely heavily on JI’s (jamat islami) highly focused fundamentalist Islamic base. The Islamists tend to support reunification with the Islamic Republic of Pakistan and do not share the Awami League’s affinity for Rahman (Shiekh Mujibur Rahman) and the liberationists that fought Pakistan in the 1970s. The alliance of anti-liberationists, JI, and the BNP has also had direct and indirect involvement with Islamic fundamentalist groups that masterminded 500 coordinated bombings across Bangladesh in 2005. This display of terror was an attempt to showcase their growing power. These shadow groups, namely Jamat-ul Mujahid Bangladesh (JMB), Jagrata Janata Muslim Bangladesh (JMJB) and Harkatul Jihad (HuJi), have been the militant arm of JI. They overtly denounce the Constitution and seek to replace democracy and secularism with a governing construct based on Sharia Law.
বাংলাদেশকে স্বাধীন করা হয়েছিল ধর্মনিরপেক্ষতার উপর। যাতে কেউ অন্যধর্মের কাউকে আঘাত করে কিছু না করতে পারে। যাতে সব ধর্মের লোকেরা সমান অধিকার পায়। আর পাকিস্তানের চিন্তাধারা ছিল পুরো বিপরীত। তারা মনেই করত এইদেশে সব হিন্দুরা থাকে। অবাক করা হলেও সত্য কোন এক পাকিস্তানি কার্টুনিস্ট পত্রিকার কাভারে যখন এইদেশের মানুষকে রিপ্রিসেন্ট করত, তখন সে সেই মানুষটাকে ধুতি পড়িয়ে ছবি আঁকত। তার অর্থ আমরা হিন্দু। পাকিস্তানের কথা গেল, বি এন পি জামাত দেশকে ঠেলে সেই সেক্যুলার পথটি থেকে সরিয়ে দিচ্ছে। অর্থাৎ তারা ইসলামিক রিপাবলিক অফ পাকিস্তানের মত করে দেশটাকে গড়তে চাচ্ছে। সেটা আমাদের দৃষ্টিতে কিন্তু এড়িয়ে যাচ্ছে না।
ইসলামকে পুজি করে বি এন পি জামাত জোট, অনেক মানুষকে প্রলুব্ধ করেছে। করেছে সংখ্যালঘু নির্যাতন। যা পাকিস্তান আমলে হত।
আমি ইসলামের বিরুদ্ধে নই। স্বয়ং আওয়ামীলীগও নয়। কিন্তু আমরা প্রগতিশীল সেক্যুলার রাষ্ট্রের পক্ষে। আমরা ইসলামিক স্টেট হতে চাই না। কারণ আমাদের দেশে দেড় কোটি হিন্দু ধর্মাবলম্বি আছে, আছে খ্রীষ্টান, বৌদ্ধরাও। তাদেরকে বাদ দিয়ে রাষ্ট্র শুধু একটি ধর্মকে হাইলাইট করা হবে এটা মেনে নেওয়া যায় না।
সেনাবাহিনী সম্পর্কে জয়ের লেখাটা এরকম,
Islamic extremism is also on the rise in Bangladesh because of the growing numbers of Islamists in the military. The Islamists cleverly began growing their numbers within the Army by training for the Army Entrance Exams at madrassas. This madrassa training was necessary because of the relative difficulty associated with passing these exams. The military is attractive because of both its respected status and its high employment opportunities in a country where unemployment ranges from 20 percent to 30 percent for younger males. High demand for military posts has resulted in an entrance exam designed to limit the number of recruits. Before this madrassa Entrance Exam campaign, only 5 percent of military recruits came from madrasses in 2001. By 2006, at the end of the BNP’s reign, madrassas supplied nearly 35 percent of the Army recruits. In a country that has seen four military coup d’états in its short 37 year history, the astronomical growth of Islamists in the military is troubling to say the least.
বিএনপি জামাত জোট সরকারের আমল থেকে দেশের সেনাবাহিনীতে যোগ হচ্ছে শতকরা ৩৫ ভাগ মিলিট্যান্টস যারা মাদ্রাসার ছাত্র। আমি এই ব্যাপারটার বিরোধি। কারণ মাদ্রাসাতে কোন সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থা নেই। সেখানে ছাত্রদের (ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি) আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞান থেকে দূরে রাখা হয়। আমরা স্কুল কলেজে যে বিজ্ঞান ও ইংরেজি পড়ি তার সাথে তার আকাশ পাতাল তফাৎ। তাছাড়া মাদ্রাসার ছাত্রদের অধিকাংশই একটি দলের পক্ষে কাজ করে। দলটি হলো জামাত। এরা চরম ইসলামিস্ট বলে আওয়ামীলীগের সেক্যুলার ভাবমূর্তি তারা পছন্দ করে না। শতকরা ৩৫ ভাগ করে যদি আর্মিতে রিক্রুট হতে থাকে, তাহলে আশা করা যায় আওয়ামীলীগের ভবিষ্যৎ খুব খারাপ। তাতে আমার কুচ পরোয়া নাই। কিন্তু দেশের কী হবে? যদি এই ফান্ডামেন্টালিস্টদের হাতে রাষ্ট্রীয় অস্ত্র যায়, যদি এদের কাছে গ্রেনেড বোমা, এসব সহজলভ্য হয়ে যায়? আর্মি থেকে তারা রিভোল্ট করে বসে? ভেবে দেখুন। পরিকল্পনা কিন্তু সুদূর প্রসারি।
চলে আসি জয় এই তথ্য আসলে কোথায় পেল? সেকি নিজে থেকে বানিয়ে নিয়েছে? ব্যাপারটা জানার জন্য জয়ের ব্লগ ভিসিট করে ভিত্তিহীন কিছু পাওয়া যায় নাকি দেখলাম। সেখানে নেই। কিন্তু ফরহাদ মাজহার যখন বলেছেন এই তথ্যের উৎস কই? তখন ওনার লেখা থেকেই উৎস্য পেলাম। সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মঈন ইউ আহমেদের সাথে জয়ের বৈঠক হয়। সেখান থেকেই তিনি এই কথাটি জানতে পারেন বলেই আমার ধারণা।
Since madrassas are educational institutions within the country, they are under the purview of the country’s educational ministry. While almost all funding for these institutions comes from private donors in Saudi Arabia, there is no statute against their regulation by proper national authorities. Furthermore, nowhere in Islam or the Koran does it say that science, math, and history cannot be taught alongside religion. This enlightened education would show students that there is more to the world than only religion and that there are additional opportunities to earn a livelihood than merely religious or radically religious pursuits.
মাদ্রাসাগুলোর ফান্ডিং হয় সৌদি আরব থেকে অথবা প্রাইভেট ডোনারদের দ্বারা। এইজন্যে তাদের কারিকুলামে সরকার হাত দিতে পারে না। কিন্তু জয় কথাটা বেশ ভদ্র ভাবে বলেছেন, কোন জাতীয় অথরিটি মাদ্রাসাকে রেগুলেট করছে না। এতে ক্ষতি কাদের হচ্ছে? মাদ্রাসার ছাত্রদের। যারা অনেক কিছুই করতে পারছে না। শিখতে পারছে।
সেক্যুলার প্ল্যান
As the country was founded on a secular system of governance, the entire political system is now vulnerable. Can the Awami League stop the growing tide of Islamism in a country that has seen the sale of burkas rise nearly 500 percent in the last five years? The answer is yes if it implements the following secular renewal plan. First, it must modernize the curriculum of the madrasses. Second, it must build proper, secular elementary schools and hospitals. Third, it should increase the recruitment of secular-minded students into the military from secular cadet academies. Fourth, it must attempt to rehabilitate known extremist clerics. Lastly, and perhaps the most abstract solution, it must push to vanquish Bangladeshi poverty and illiteracy that consistently ranks among the worst in the world. This plan would make the country less hospitable to a growing Islamist movement and help return Bangladesh to its secular roots.
মি. জয় একটা চরম বোকামি করেছেন। তিনি বোরখা বিক্রিকে ইসলামিজম বেড়ে যাওয়ার একটা লক্ষণ হিসেবে দেখছেন। কিন্তু লক্ষণ কী এইটা? বোমা হামলা থেকে শুরু করে গ্রেনেড হামলা, ভাস্কর্য ভাংচুর এসবই উদাহরণ হতে পারত। এইখানে সেক্যুলার হাসপাতাল মানে কী আমি বুঝতে পারলাম না।তবে মিলিটারি ক্যাডেট একাডেমিতে সেক্যুলার স্কুল থেকে মানুষ নেওয়া উচিৎ বলেই আমি বিশ্বাস করি। চার নম্বর কাজটাতে একশো ভাগ সমর্থন করি। ফান্ডামেন্টালিস্টদের অবশ্যই পুনর্বাসনের সুষ্ঠ ব্যবস্থা থাকা উচিৎ। আর দারিদ্র দূরিকরণ ও শিক্ষার প্রসার করা অবশ্যই জরুরী। এইটাও একটা ভালো সল্যুশন।
If Sheikh Hasina and the Awami League win the upcoming December election, this downward trajectory of poverty, literacy, and Islamism will be averted. This de-radicalization plan has great potential for success. The Bangladeshi people are starting to see the connection between secularism and success in Bangladesh. The time is ripe for them to support these initiatives. In the careful balancing act between Islam and governance in a Muslim country, it appears that the pendulum has tipped to the side of secularism. The Awami League must build on this momentum to ensure its long-term success.
লেখা আমার শেষের পথে। এইখানের একটা লাইনে এসে হোচট খেলাম।
poverty, literacy, and Islamism will be averted?
এইটা কী লিখল সে? সারা লেখা জুড়ে আছে ইসলামিক এক্সট্রিমিজমের কথা। আর এইখানে এসে ইসলামিজম? বার বার পড়ি, কিন্তু বুঝি না। শেষে ধরতে পারলাম। দেখুন লাইনটার পুরো অর্থটাই বদলে দেওয়া হয়েছে একটি দুটো শব্দ দিয়ে। this downward trajectory of poverty, literacy, and Islamism will be averted.
অর্থাৎ ইসলামিজমের ফলে যে ধরণের নেগেটিভ জিনিসগুলো হচ্ছে সেটাকে মুছে ফেলা হবে। সেগুলো হতে পারে, উগ্রমৌলবাদী সংগঠন, জঙ্গিবাদী ইত্যাদি। ইসলামকে ভুল বুঝে মানুষ এইসকল নেগেটিভ দিকে ধাবিত হচ্ছে। এই জিনিস মুছে ফেলতে না পারলে বাংলাদেশের সেক্যুলার চেহারা ধ্বংস হবে। সেটা অস্বীকার করার উপায় নেই।
ফরহাদ মাজহার সিওভাক্কোর চরিত্র নিয়েও বেশ কথা বার্তা বলেছেন। তিনি হেন, তিনি তেন। তিনি ইরাক যুদ্ধের হোতা ইত্যাদি ইত্যাদি। তারা দুইজন মিলে বাংলাদেশকে নাকি ইসলাম শূন্য দেশ করে দেবেন। অথচ লেখাটা পড়ে আমি সেইরকম কোন ইঙ্গিত পাই নাই। আর সিওভাক্কো ইরাকে ইসলাম উচ্ছেদ করতে যান নাই। তিনি যদি বাংলাদেশকে নিয়ে ভাল কোন প্ল্যান করেন তাহলে সমস্যা কী? বুশের দেশ সাম্রাজ্যবাদী দিনের মধ্যে একশোবার করে বলি। কিন্তু ডিভি লটারী কেনায় আমাদের কে হার মানাবে বলুন?
মি. জয়, আমিরাকা থেকে বাংলাদেশের ভৌগলিক দূরত্ব যেমন অনেক তেমনি, আমেরিকা থেকে বাংলাদেশের শিক্ষা, চিকীৎসা সব কিছুরই বেজায় ফারাক। বিদেশে বসে বাংলাদেশকে নিয়ে প্ল্যান করেছেন, বেশ ভালো। কিন্তু আপনার পরিবেশের কথা চিন্তা করা উচিৎ ছিল। আমেরিকানদের পক্ষে আপনার প্রস্তাব মেনে নেওয়া অনেক সহজ। কিন্তু হাজার কিলোমিটার দূরের বাংলাদেশ, আর ১০০ বছর পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশের মানুষের পক্ষে আপনার প্ল্যান গ্রহণযোগ্যতা পাবে কিনা ভেবে জিনিসটা লেখা উচিৎ ছিল। গ্রো আপ মি. জয়।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): প্রবন্ধ! ;
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ত্রিভুজ বলেছেন:
আপনার নিজের মত তর্জমা ভালই হয়েছে। তবে পাবলিক মনে হয় ইংরেজী বুঝে.... লেখক বলেছেন: জ্বি পাবলিক ইংরেজি ভালৈ বুঝে তার হাল তো দেখলামই। লেখার কোন স্থানে আছে ইসলামী ভূত তাড়াবে? ঐ জায়গাটা তর্জমা করে দেন না। আমার উপকার হয়।
ফরহাদ মাজহার আপনাদের কাছে এখন তো একেবারে নায়ক বনে গেছেন। করতেন সর্বোহারা। এখন আসছে ইসলামের পথে। যাক আল্লাহ তাকে হেদায়াত করুক!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও!
মিছে মন্ডল বলেছেন:
ত্রিভুজ মিয়া ইংরেজির জাহাজ
লেখক বলেছেন: তাই তো দেখতাছি...![]()
দুঃখবিলাস বলেছেন:
বেশ ভালো ওবসজারভেশন। ধন্যবাদ।
মাহমুদ৬৯ বলেছেন:
গ্রো আপ মি. জয়। ফরহাদ মজহারকে নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই।লেখাটার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন:
কেউ নিজেকে ধর্মের কান্ডারী মনে করলেই ধর্ম তাকে সেই স্বীকৃতি দেয় না।
"তিনি দুর্নীতি করেন নাই, রাজনীতিতে আসেন নাই বরং পড়াশোনা করেছেন অনেক খানি। সেইটাও তারই দোষ। সবই মেনে নিচ্ছি।"
কেউ দুর্নীতি করলে কি আরেক জনের দেশের ভাবমুর্তি নষ্ট করা যায়েজ হয়ে যায়?
"বঙ্গবন্ধুর এই দলটি বাংলাদেশের স্বাধীনতায় রাখে অগ্রগামী ভূমিকা। লক্ষ্য করবেন, সেই সময় সমাজতান্ত্রিকদের এমন উত্থানেও বঙ্গবন্ধু সমাজতান্ত্রিকতায় জড়াননি। তিনি ইসলামে বিশ্বাসি ছিলেন, কিন্তু তিনি ছিলেন সেক্যুলার একজন মানুষ। ধর্মে ধর্মে বিভেদ তিনি মানতেন না।"
সমাজতন্ত্রে গেলে ধর্ম থাকবে না এই তত্ত্ব কোথায় পেলেন?
চায়না দের কি ধর্ম নাই?
কিউবার কি সবাই নাস্তিক?
লেখক বলেছেন: আমাদের দেশে সবার বদ্ধমূল ধারণা এই যে মার্কসবাদীরা নাকি নাস্তিক হয়।
আর প্রথমে কী বলতে চাইলেন স্পষ্ট করে বলুন!
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
আপনি এই লাইনটার মজাদার ব্যাখ্যা দিয়েছেন........ this downward trajectory of poverty, literacy, and Islamism will be averted.আমার সিওভাক্কোর কাছে এইটার ব্যখ্যা জানতে ইচ্ছা করতাছে। ফরহাদ মজহারের মাথায় বিষয়টা ঢুকলো না।
আওয়ামী লীগ বরাবরই বিদেশী প্রভুদের খুশী করতে গিয়ে দেশীয় ভোটারদের বিরাগভাজন হয়।
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
আমরা বাঙ্গালী শিক্ষিত হই আর অশিক্ষিত হই.....কোনোদিন মানুষ হবো বইলা মনে হয় না। আজ তারেক জিয়া, কাল কোকো, পরশু জয়---এরা কে কি করলো সেইটা নিয়া পইড়া আছি...ভবিষ্যতের নেত্রী হইতে লন্ডন থেইকা উইড়া আসছে আরেকজন--জনসমাবেশে এই বয়সে ভাষণ দেয়াও শিখছে! ভোটের বয়স হইছে কিনা সন্দেহ! রাজপুত্র-রাজকন্যারা বক্তৃতা দেয়, আমরা তালিয়া বাজাই। রাজপুত্র রাজকন্যারা কাহিনী করে, আমরা তার তর্জমা করি!! বাহ রে বাঙ্গালি বাহ!
অলস ছেলে বলেছেন:
বোকা জয়কে এত মধুর ভৎসর্না করায় আমার চোখদুটি মায়াতে আদ্র হয়ে এলোরে ভাই।এমন উচ্চমানের ও নিম্নমানের দালালী বাকশালী ছাড়া দুনিয়ার আর কেউ করতে পারবেনা, কনগ্রাচুলেশন।
মেহেদী হাসান রুমী বলেছেন:
অসংখ্য মিথ্যা ও পরস্পর বিরোধী কথা থাকার জন্য মাইনাস। এবং একমুখী লেখার জন্যও মাইনাস।
মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেছেন:
আপনার শিরনামের সাথে লিখার সামন্জস্য কুব একটা পেলাম না। সন্জীব ওয়াজেদ জয় এর লিখা পাত্তা দেয়ার কিছু বোলে আমি বিবেচনা করি না। তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে কিছু দিয়েছেন বলে আমার জানা নেই।আমাদের আওয়ামী বন্ধু শেখ মুজিব দলীয় সংবিধানে 'Secularism" এর যেই বাংলা অনুবাদ দিয়েছেন তা আসলে কি? বাংলাদেশ কি কখনোই হিন্দুবিদ্বেস ছিলো? ওতো গভীরে যাবোনা। এ নিয়ে অসংখ্য বিতর্ক হয়েছে। মুক্তচিন্তক হলে নিন্মোক্ত বিষয়ে অবশ্যই একমত হবেন:
ষাংবিধানিকভাবে, 'Secularism" = "ধর্মনিরপেক্ষ" মানে সহজভাষায় যে যার ধর্ম নিরবে পালন করবে।
আর্ন্তজাতিক রাজনীতিতে, 'Secularism" = "ধর্মকে রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্নকরণ করে ব্যাক্তিগত পর্যায়ে প্রতিষ্ঠা"
ষংবিধানে যাই লিখা থাকুক বাস্তবে কি চলছে তা বিবেছনা করুন। স্বাধীণতার পর পর-ই আওয়ামী লীগ সকল ইসলামিক রাজনীতি ব্যান করে দেয়(পরিস্থিতি পাকিস্তানি রাজাকারদের বিরুদ্ধেই ছিল, তাই আমি এটাকে সময়ের ছাহিদা বলেই বিবেছনা করি)। বংলার বন্ধু শেখ মুজিবের মৃত্যুর পর আওয়ামী লীগ ঐ ৫ বছরে সকল ইসলামিক দলগুলোকে কোনঠাসা করে রেখেছিলো। এবার ক্ষমতায় এসেই সংবিধানে রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়া পরিবর্তন, সকল ইসলামিক দলগুলোর কার্যক্রম স্থগিত এবং সকল মাদ্রাসাকে সরকারী আওতাকরণ কি প্রমাণ করে তা যে কোনো বিবেকবান নিরপেক্ষ নাগরিকের অকপটেই বোধগম্য। আওয়ামী লীগের এই যাত্রার সূচনাতেই তুমুলভাবে সমালোচিত তথাপি ক্ষমতার পরবর্তী সময়গুলোতে অনেক অনুকূল পরিবেশে লৈকা চালাতে হতে পারে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















