আমার প্রিয় পোস্ট
- মৌলিক সংখ্যা নিয়ে আমার কিছু কথা - তারছিড়া..
- জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা। - হাসান41554
- গান শোনা যাবে এখন ভিন্ন মাত্রায়! - হাসান জোবায়ের
- এবার যে কোন অনলাইন রেডিও শুনুন আপনার (ওয়ার্ডপ্রেস বা জুমলা) সাইটে!!! - রাসেল আহমেদ (রাসেল)
- php mysql coonection দিতে হলে নিচের নিয়ম দেখুন - স্বনীড়
- পুরোনো কিছু বিজ্ঞাপন - সংবাদপত্রে প্রকাশিত ( ১ম পর্ব ) - বল্টু মিয়া
- আপনি কি আপনার কম্পিউটারের "Autorun.inf " Remove করতে চান - মোস্তাফিক
- Wavin' Flag - গানে গানে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী চেতনা... - দি ফ্লাইং ডাচম্যান
- সাহায্য চাই পোস্ট! প্রথমআলো থেকে লেখা কীভাবে ইউনিকোডে কনভার্ট করে ওয়ার্ড ফাইল বানাবো? - হমপগ্র
- বিশ্বের ১০টি বিস্ময়কর ব্রিজ!!!!!!!!!! - পর্ব ৩ - মুভি পাগল
- দেশের সবচেয়ে প্রাচীন স্কুল এবং কলেজ কোনগুলি??? সবার সাহায্যে তৈরি হল একটি তালিকা.... - সারওয়ার ইবনে কায়সার
- ...লেখাজোকা আহবান... - কায়সারহেলাল
- বিজ্ঞাপনের রকমফের.........আজিব সব আইডিয়া - সারওয়ার ইবনে কায়সার
- প্রিয় রুদ্র - তসলিমা নাসরিন - বইপাগল
- শতবর্ষ আগের ঢাকা - মামুনুর রহমান খাঁন
- Split Personalities:: আপনি সুস্থ আছেন তো? - আইরিন সুলতানা
- Summer of 69 :: বুয়েটিয়ান ভার্শন(আমার প্রথম ভিডিউ পুষ্ট) - ভাঙ্গা পেন্সিল
- কথোপকথন: পূর্ণেন্দু পত্রী - সুজন ১২
- মেডিটাশনঃ কোয়ান্টাম মেথডের ফ্রি বাংলা অডিও MP3 ডাউনলোড করুন - রনি৪৪৬
- তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা - অপ্সরা
- রাজাকার জামাত শিবিরকে কোপানোর জন্য সব চেয়ে সেরা গান / মাকসুদ(নিষিদ্ধ) রিপোষ্ট.। - আবুল বাহার
- যাও পাখি বলো তারে - লিরিক্স ও গীটার কর্ড - শাহারিয়ার আহমেদ
- ভাল লাগা কবিতা................ - বিপাশা দেবনাথ
- উড়াধুরা প্রেমের কবিতা - সুলতানা শিরীন সাজি
- Esnips থেকে ডাউনলোড ,বিনা কষ্টে বহুত আরামে করবেন - চিকনমিয়া
- তোমার ভাঁজ খোলো আনন্দ দেখাও ... - প্রভাৎ ঋষি
- আপনার পিসিকে ভাইরাস মুক্ত রাখতে চান? - নিউটন
- হে নিদারুণ সুসময়, তুমি উচ্চারণ করো, কবির মৃত্যুতে আমাদের কিছু আসে যায় না! - মৃদুল মাহবুব
- Esnips থেকে গান ডাউনলোডের উপায় - রাশেদ
- নগ্নিকা এবং মনন ভূমে কাঠঠোকরার কেরামতি - আকাশচুরি
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আমাদের জাতীয় সঙ্গীত ও ত্রিভুজ গোত্রীয়দের বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেস্টা - নাস্তিকের ধর্মকথা
- জামাতি দাওয়াতে মওলানার জবাব - অমি রহমান পিয়াল
- ক্যাচালের সিরিয়াস পোস্ট - ক্যাচাল
আওয়ামীলীগ সাবধান হও, নতুবা পতন স্পষ্ট!
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৩৮
লেখাটা লিখার আগে একটা কথা বলা প্রয়োজন বলে মনে করি। সেটা হলো আমি আওয়ামী পন্থী একজন মানুষ। ব্লগে আমাকে আওয়ামীলীগের পক্ষ হয়ে কথা বলতে অনেকেই দেখেছেন। আমি আওয়ামীলীগার ছিলাম এখনও আছি। কেন আওয়ামীলীগকে আমার বিশেষ পছন্দ সেটা আর এই লেখায় না বলাই শ্রেয়।
যে উদ্দেশ্য নিয়ে লিখতে বসেছি, তা আওয়ামীলীগের পক্ষে কোন মতেই যেতে পারে না। দিন বদলের সনদ বলে আমাদের নেত্রী যে কথা দিয়েছেন, তার বাস্তবায়ন আমি হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। এবং এটাও বুঝে গেছি, বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রে স্বয়ং বারাক ওবামা এসেও দিন বদল করতে পারবে না।
দুঃখজনক হলেও সত্য, ছাত্রলীগ এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তারা ক্রমেই বেপরোয়া হয়ে উঠছে। মারামারির অনেক ঘটনাই মিডিয়াতে আসে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে আন্ত কোন্দল, ছাত্রদলের সাথে ছাত্রলীগের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটছে। মজার ব্যাপার হলো, আমার এক ছাত্রলীগের বন্ধুকে দুইদিন আগেও দেখেছি, রাজনীতির ধারে পাশ দিয়েও যেত না। আর এখন মরিয়ে হয়ে উঠছে। কীভাবে মারামারি লাগানো যায় তার একটা পায়তারা একটা ষড়যন্ত্র সর্বক্ষণই ছাত্রলীগের প্রত্যেকটা নেতা কর্মীর মনে পাক খাচ্ছে।
তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, কেন এসব করিস?
আমাকে উত্তরে শুনতে হলো, ছাত্রদল নাকি আরও বেশি করছে। তারা তো কিছুই করা শুরু করে নাই। কিছু শুরু না করতেই এই অবস্থা। শুরু করলে না জানি কী হয়!
বিসিএস হলো এর প্রধান কারণ। ছাত্র রাজনীতি করলে নাকি বিসি এস এ অনেক সুবিধা পাওয়া যায়।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সত্য কথা বলতে আপনার গত পাঁচ বছর বোঝার বয়স আমার ছিল না। তবে এই পাঁচ বছর যে আপনি কী ধরণের সমস্যার মধ্যে পরবেন তা আর বললাম না। শুনেছিলাম মানুষ নাকি একবার ঠেকেই শিখে। আর আপনি বার বার ঠেকছেন, শিখছেন না কিছুই। কিসের দিনবদল করবেন? লজ্জা লাগে না, আপনার ছেলেরা যখন হাতে অস্ত্র তুলে নিয়ে নিরীহ মানুষকে আহত করছে?
শিবিরের এক নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। কথা হলো, সে শিবির করুক, আর যাই করুক, তাকে মেরে ফেলতে হবে কেন? মেরে ফেলা হলো এইজন্যই যে, এখন দল ক্ষমতায়। যারা মারলো তাদের কোন বিচার হবে না। বিগত সরকারের আমলেও কী আমরা ঠিক একই চিত্র দেখি নাই? এই তাহলে দিন বদল? এই লজ্জার ভাগিদার আওয়ামীলীগকে নিতেই হবে।
বিডিআরের ঘটনায় আমরা দেখলাম প্রধানমন্ত্রী যথেষ্ট ব্যবস্থা নিয়েছেন। বিডিআরের হত্যাযজ্ঞকে শান্ত করেছেন। বিদ্রোহ দমন করতে সক্ষম হয়েছেন। সেনাবাহিনী বিচার কাজও শুরু করেছে। অথচ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, কোন ভয়ে আপনি একবারও সেনা অফিসারদের কাছে জানতে চাইলেন না, কেন বিডিআরে এরকম ঘটনা ঘটল? চাল ডাল তেল নূন নিয়ে আসলেও কোন ষড়যন্ত্র হয়েছে কী না তা একবারও আপনি জানতে চাইলেন না। আসলেই বিডিআর ভুক্তভোগী কিনা সেটা আপনার চোখ এড়িয়ে গেল।
যেতেই হবে, এই দেশেই আপনার বাবা সেনাবাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। আর আপনার তো আপনার বাবার পায়ের নখের সমানও সাহস নাই। দেশের জনগণ এই ব্যাপারটায় একেবারেই অন্ধকারে পরে রইল।
শেখ হাসিনা, দেশকে সেনাবাহিনীর হাতে বিকিয়ে দেওয়া খুবই সহজ। সহজেই আপনি গদি ধরে রাখতে পারবেন। তবে মনে রেখেন, এর খেসারত আপনাকেই দিতে হবে।
সহজ স্বাভাবিক ও যথেষ্ট সাধারণ ভাবে চিন্তা করে, আমার মনে হয় বিডিআরের ঘটনা একটা বিস্ফোরণ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রচন্ড ক্ষোভের। এই ব্যাপারটি ধামাচাপা পড়ে গেল ভারতীয় ষড়যন্ত্র আর জেএমবি ষড়যন্ত্রের আড়ালে, আর ওঠানো হবে না।
সেনা অফিসারদের এইরকম বর্বরচিত হামলার শিকার হতে হয়েছে। অথচ, আমরা কী জানি? বিডিআর, যারা নাকি সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী তাদের কত রকমের অসুবিধার মধ্যে থাকতে হয়। তাদের নাকের ডগা দিয়ে যখন সেনা কর্মকর্তারা কোটি টাকার গাড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়ায়, তখন কী কারও মাথা ঠিক থাকতে পারে?
যাইহোক, সব কথার শেষ কথা, আমি প্রচন্ড ভাবে দুঃখিত, হতাশ, ব্যাথিত, এবং চাই, এই দেশ থেকে ছাত্ররাজনীতি বিতাড়িত করা হোক, সেনাবাহিনীকে জবাবদিহিতামূলক প্রতিষ্ঠানে রুপান্তরিত করা হোক। সেনা অফিসারদের কু-কীর্তি সম্পর্কে অন্ধকারে কেন থাকবে জনগণ?
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সাম্প্রতিক! ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ছেড়া কাগজ বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: রাষ্ট্র এক্সপেরিমেন্ট করার জিনিস নয়। তবে এও সত্য, ডাকশাইটে নেতারা দুর্নীতির মহাসাগরে ডুবন্ত। তাদের দিয়ে কাজ হত ঠিকই, তবে আমেরিকায় আরও দুইচারটা বাড়ি উঠত।
মন্ত্রী সভা দেখে আমি খুশি হয়েছি। তারমানে এই নয়, যে ওরা কাজ না করে অথর্বের মত বসে থাকবে।
লেখক বলেছেন: এইখানে কিন্তু কেউ বাজে ভাষা ব্যবহার করেননি। মানুষকে দেখে শেখার চেষ্টা করা উচিৎ!
নেক্সাস বলেছেন:
খুব সুন্দর লিখেছেন।আমি বিএনপি পন্থী তাই বলে খুশি হচ্ছিনা।লেখকের সৎ মানসিকতা ভাল লেগেছে।আমরা সবাই যদি এভাবে নিজেদের সমালোছনা করতে শিখি দেশ হয়তো বদলে যাবে।আপনাকে ধন্যবাদ
+++
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। আসুন নিজেদের ভেতর সংস্কার আনি।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ!
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন:
হুমমমমম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন:
প্রথমেই একটি বিষয় স্পষ্ট করি- ছাত্ররাজনীতি বন্ধের পক্ষে আমি নই। কেননা, ছাত্ররাজনীতি বলতে তো আর শুধু ছাত্রলীগ কিংবা ছাত্রদলের রাজনীতি বুঝায় না। যে কোন একটি বিষয় নিয়ে যদি কোন আন্দোলন হয়, তাও কিন্তু ছাত্ররাজনীতি। এবং সাধারণ ছাত্রদের যৌক্তিক কোন দাবিতে কিন্তু তথাকথিত ছাত্ররাজনীতির ঝান্ডাদারীদের দেখা যায় না। কিন্তু আমি চাই লেজুড়ভিত্তিক রাজনীতি বন্ধ এবং শিক্ষক রাজনীতির অবসান। শিক্ষকরা প্রশ্রয় না দিলে এবং রাজনীতিবিদরা আশ্রয় না দিলে ছাত্ররাজনীতির গুণগত মান অনেক বৃদ্ধি পাবে।
শেখ হাসিনা সেনাবাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করতে গেলেও খুন হবেন, আবার তাদের সব কথা মেনে নিলেও তার পরিণতি হবে ভয়াবহ। তাহলে উপায় কি? উপায় হল মধ্যপন্থা অবলম্বন করা। এবং এখন শেখ হাসিনা সেটাই করছেন। সেনাবাহিনী শেখ হাসিনার কথা শুনেছে। এখন যে নারকীয় ঘটনা ঘটল, তাতে সেনাবাহিনীর যৌক্তিক দাবিগুলো না মেনে নিলে শেখ হাসিনাই জনগণের মধ্যে সমালোচিত হবেন এবং তার জীবনও আরেকটি বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে যাবে।
এখন শেখ হাসিনা আছেন উভয় সংকটে। সুতরাং এখনি হতাশ হবার কিছু নেই। আরেকটি বিষয় আপনাকে স্পষ্ট করা প্রয়োজন। ছাত্রলীগের নেতৃত্বকে নিয়ন্ত্রণ করেন চার নেতা। তাদের উপর শেখ হাসিনার নিয়ন্ত্রণ খুবই কম।
লেখক বলেছেন: প্রধানমন্ত্রী শব্দটার অর্থ কিন্তু ব্যাপক। দেশের সমস্ত ক্ষমতার অধিকারী তিনি। তিনিই যদি সেনাবাহিনীর ভয়ে নেতিয়ে পরেন, তাহলে দেশের প্রধানমন্ত্রীর চরিত্রে একটা পুতুল বসিয়ে দিলেই হয়।
বাংলাদেশ এখন স্বাধীন। ছাত্ররা রাজনীতি করে কী উদ্ধার করবে? ছাত্ররাজনীতি থাকলেই লেজুরবৃত্তি রাজনীতি থাকবে। এটা হবেই।
সুতরাং দেশের স্বার্থে এই মরণ ব্যাধি বন্ধ করতে হবে। আমি কোন মতেই চাই না, যে দলেরই হোক, কোন ছাত্র মারা চলবে না। ছাত্রের হাতে কেন ছাত্র খুন হবে?
dvWfu বলেছেন:
তারপরও সব কথার শেষ কথা.....আপনি আওয়ামী লীগই থাকবেন।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই আমি আওয়ামীলীগ থাকব। কারণ, আমি নিজের সমালোচনা করতে শিখেছি। আওয়ামীলীগকেও সে পথে নিতে আমি ব্রত। শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করব। আর তাপরেও যদি না হয় তাহলে সেটা ভেবে দেখা যাবে।
একটা জিনিসকে পরিশুদ্ধ করতে হলে তার ভেতরে থাকতে হয়। বাইরে থেকে তাকে নিয়ন্ত্রণ করা অর্থহীন।
মদন বলেছেন:
চীন-মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে শেখ-হাসিনার ভাষন শুনে আমি খুবই আশাবাদি হয়েছিলাম। তার শালীন ভাষন আমাকে মুগ্ধ করেছিলো। মনে হচ্ছিল সত্যিই একটা পরিবর্তন আসছে। কিন্তু, এখন যতোই দিন যাচ্ছে, ততোই হতাশ হচ্ছি। সেই আগোর ধারাই ফিরে আসছে... লেখক বলেছেন: কয়লা ধুইলেও ময়লা যায় না...![]()
হুমায়ুন কবির হাকিম বলেছেন:
আমি বিএনপি পন্থী, আপনার সৎ মানসিকতা ভাল লেগেছে। আমি একটা কথা বলে রাখি, দেশের উন্নতি চাইলে কেউ আওয়ামী লীগ/ বিএনপি করবে না। আর জামাত করার তো প্রশ্নই আসে না। কিন্তু ভাই, বিকল্প কি !!!!!!!!!!!
লেখক বলেছেন: বিকল্প এখন আপাতত নেই।
কিন্তু মনে রাখবেন, শেখ হাসিনা আর খালেদা জিয়া একদিনে এই পর্যায়ে আসেন না। তাদের আসতে অনেক অনেক বছর সময় লেগেছে। এখন হুট করে কেউ এসে মাইনাস টু করলেই তো হবে না। চর্চার প্রয়োজন, তাও অনেক দিনের।
দেখুন হিটলার তার জীবনের হঠাৎ করেই হিটলার হননি। হিটলার হতে তাকে কিন্তু পাঁচ বছর জেল খাটতে হয়েছে। তারপরে জনগণ তাকে নেতা হিসেবে দেখতে চেয়েছে।
আমাদের সমস্যা হলো, আমরা চর্চা করতে চাইনা। একটা আদর্শকে উপরে তুলতে হলে দরকার সাধনা আর চর্চা। যেটা করেছেন আমাদের নেত্রীরা। এই পর্যায়ে আসতে কেউ কাট খড় পুড়াতে চায় না। কিন্তু পোড়াতে হবে। নাহলে পরিবর্তন হবে না। আমরা নতুন মোড়কে পুরানো জিনিস আর দেখতে চাইনা।
হুমায়ুন কবির হাকিম বলেছেন:
আপনি আওয়ামী পন্থী হওয়ার পরও প্লাস দিয়েছি। কারণ হলো আপনার মানসিকতা।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ। সময় এসেছে, নিজেদের দিকে তাকানোর। অন্ধভাবে আরেকজনের দোষ বলে নিজের দোষ ঢাকার চেষ্টা করার জন্যই আমদের এই অবস্থা।
মুসান্না গালিব বলেছেন:
আপনার বিসিএস রাজনীতি ঘটনাটার সত্যতা আছে। গত কেয়ারটেকার সরকারের শেষ দিকে কলা ভবনের এক ফ্রেন্ডের সাথে কথা হচ্ছিল। সেই বললো। বিসিএস গ্যারান্টির বিনিময়ে তখন থেকেই সে জোরেসোরে লীগ করা শুরু করে। অথচ সে জিয়া হলে উঠেছিল দল হিসেবে এবং দুবছরেই সে নেতা হয়ে উঠেছিল। চিন্তা করেন কী রকম তার কনফিডেন্স, বিসিএস প্রিপারেশন হিসাবে সে একবছর আগে থেকেই রাজনীতি শুরু করে। অব্যর্থ টার্গেট।অবশ্য বিগত সরকারও এর ব্যতীক্রম ছিল না।
লেখক বলেছেন: ঘিন্না লাগে আসলে এইসব নিয়ে কথা বলতে। রাজনীতি করা খারাপ না, কিন্তু এসব কী? বিসিএস এ আমি সুবিধা পাব না কারণ আমি রাজনীতি করি নাই, আর আমার থেকে খারাপ ছাত্র আমার মাথার উপর ঢ্যং ঢ্যং করে নাঁচবে?
ভাল লাগল।++
শিবিরের এক নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। কথা হলো, সে শিবির করুক, আর যাই করুক, তাকে মেরে ফেলতে হবে কেন? মেরে ফেলা হলো এইজন্যই যে, এখন দল ক্ষমতায়। যারা মারলো তাদের কোন বিচার হবে না। বিগত সরকারের আমলেও কী আমরা ঠিক একই চিত্র দেখি নাই? এই তাহলে দিন বদল? এই লজ্জার ভাগিদার আওয়ামীলীগকে নিতেই হবে।
লেখক বলেছেন: ভাল লেগেছে জেনে ভালো লাগল। তবে একটা সত্য কথা বলি,
শিবিরের হাতে মারণাস্ত্র ছিল, সেটাও আমি মেনে নিতে পারি না। সেটা আপনার অকপটে স্বীকার করা উচিৎ, যদি সৎ হন।
হুমায়ুন কবির হাকিম বলেছেন:
প্রিয় লেখক, যারা ছাত্র রাজনীতির পক্ষে তাদের ব্যাপারে একটু খোঁজ নিয়ে দেখবেন অবশ্যই তাদের রাজনৈতিক ফায়দা লোটার অভ্যাস আছে। ছাত্রদল, ছাত্রলীগ, ছাত্রশিবিরের কেউ মরলে উনাদের কিছু হয় না বরং গুপ্তকেশে হাওয়া লাগিয়ে বেড়ান। মৃতের লাশ নিয়ে বক্তৃতা দেন আর বলেন "দলের/লীগের/জামাতের রাজনীতিতে উনার (মৃতের) অবদান অনস্বীকার্য "। উনারা লেখা-পড়া কম জানেন। জানলেও সেই ডিগ্রী দেশের কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নেননি। উনারা জানেন কিন্তু বুঝতে চান না উনাদের সেবা করতে গিয়ে ছাত্রনেতারা আমাদেরকে পিছিয়ে দেয়, ৫ বছরের ডিগ্রী ৮ বছরে শেষ করতেও নিশ্চয়তা পাই না। আই রিয়েলি ওয়ানা ফা*** দেম।
লেখক বলেছেন: এরা হলো জনম বেজন্মা। এদের কথা আর কী বলব?
আচ্ছা, শিক্ষিত একটা মানুষ কী খুন করতে পারে? শিক্ষিত মানুষের কী বিবেক বলে কিছু থাকে না? এই যে স্কুলে আর কলেজে বছর বছর রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, শরৎচন্দ্র এদের নীতি কথা, জীবনবোধ, পড়ে কী আমাদের একটুও শিক্ষা হবার নয়?
আমি বুঝি না, একজন মানুষ হয়ে কিভাবে একটা খুনকে আমি সাপোর্ট করব? কেন করব? একটা মানুষ হয়ে আমি কখনই আরেকজনে উপরে অত্যাচার হচ্ছে, হোক, সে আমার দলের না, এটা কেমন করে মেনে নেই? তাহলে বলতে হয়, আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে মানবিকতা, ধর্ম কিছুই প্রভাব ফেলছে না।
এই জনম বেহায়ারা আবার ভবিষ্যতের নেতা। থাক...শুধু দেখেই গেলাম!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
হরিদাসদের সুযোগ তো আমরাই দেই!
সোনার বাংলা বলেছেন:
গতকাল কে আমার কথায় কষ্ট নিয়েছেন মনে হয়। যাই হোক
ভাই জীবনের কোন এক সময় আমি ও ছাত্রলীগের ছাত্র রাজনীতির
সাথে যুক্ত ছিলাম। তাই আমি জানি এরা কি রকম জঘণ্য। এদের উপরের পোশাকী চেতনা আর ভিতরের মূল্যবোধে বিরাট পার্থক্য আছে। সে সময়ে অনেক নেতার এসব আর্দশহীন কাজের বিরুদ্ধীতার
কারনে অনেক অপবাদ সইতে হইছে। এরা নিজেদের কে নিজেরা
ধ্বংস করিতেছে প্লাস দেশের ভবিষৎত ধ্বংস করিতেছে। নেতা এবং
শিক্ষকেরা নিজেদের স্বার্থে এদের কে ব্যবহার করে। প্রত্যক মানুষেরই
বিবেক নামের একটা জিনিষ আছে .. যেটা মানুষ কে ন্যায় এবং অন্যায়ের পার্থক্য কি তা বুঝায়। সে বোধ মনে হয় আমাদের জাতির
ভিতর থেকে দিনে দিনে বিলুপ্ত হইতেছে।
আমার কথা হলো নীতি আদর্শ দিয়ে তুমি তোমার বিজয় নিশ্চিত করো।
হকস্টিক বা অস্ত্র দিয়ে নয়। তা না হলে তোমার পার্থক্যটাই বা কি? কথার মালা? তা দিয়ে কত দিনই বা চলা যায়? আমরা তো এখন আর যুদ্ধে নাই। একটা স্বনির্ভর দেশ গড়ার জন্য আর কত বছর এ জাতি কে অপেক্ষা করতে হবে? দেশের মানুষ যে কেমন হতাশ তা আমাদের দেশের রাজনীতিবিদেরা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে। যার কারনে বার বার আমরা বিচ্যুত হচ্ছি।
অন্যের দোষ না দিয়ে সব রাজনীতিবিদ যদি নিজেদের আত্ম সমালোচনা করতো। তাহলে এমন হতো না। অতীত থেকে শিক্ষা নেয়ার কোন লক্ষণ তাদের মধ্যে নেই।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: এদের দিয়ে কোন পরিবর্তন আশা করাও বৃথা!
রাজন সান বলেছেন:
মুক্তমন নিয়ে কখনো আওয়ামী লীগ কিংবা বি.এন.পি-র প্রকৃত সদস্য হওয়া যায়না। এখানে এক ব্যক্তি, এক কথা। শিরোধার্য। নেত্রীরা কখনো ভুল বলতে পারেনা। তবে মনে হচ্ছে আপনার লেখা কিছুটা ব্যতিক্রর্মী। ভালো লাগলো। প্লাস দিলাম। আর ছাত্র-রাজনীতি সেইদিন বন্ধ হবে, যেদিন তাদের জন্য নিজেদের দলগুলি প্রচন্ড ক্ষতির সম্মুখীন হবে। তার আগ পর্যন্ত কোন দল আমাদের কথা শুনবে না। কথা শুনবে তথাকথিত দলের বুদ্ধিজীবিদের।
অচেনা সৈকত বলেছেন:
হুজুরে আলা ডারউইন তাইলে শিবির!!! ঘ্যাটনা তো ফকফকা!!!
আই লাভ ব্লগিং বলেছেন:
+ দিলাম। ছাত্রলীগের কারণে মাত্র তিনমাসেই আওয়ামী লীগের ইমেজ ধসে পড়ছে। অথচ জীবনের প্রথম ভোটটা আওয়ামী লীগকেই দিয়েছিলাম।
লেখক বলেছেন: একমত!
শিবিরের হাতে মারণাস্ত্র ছিল, সেটাও আমি মেনে নিতে পারি না। সেটা আপনার অকপটে স্বীকার করা উচিৎ, যদি সৎ হন।
ছিল না মানে,অবশ্যই ছিল।তবে লাঠি ছিল,ইট পাটকেল ছিল।
খোমেনী ইহসান বলেছেন:
আপনার পোস্টটি পড়ে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ।----
আপনাকে ধন্যবাদ জানানোর অবশ্য কারণ আছে। আমাদের দেশে যারাই আওয়ামী লীগ, বিএনপি কিম্বা জামায়াত করুক তাদের আমরা গড়পরতা একই চিন্তা-ভাবনার লোক মনে করি। কোন দলকে যদি ভালো মনে করি তো ঐ দলের সবাই ভালো। আবার খারাপ মনে করলে সবাই খারাপ।
আসল ব্যাপারটা এরকম না। সকল দলেই শুভবোধ সম্পন্ন লোক আছে। কিন্তু আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিত্ব দেশপ্রেমহীণ লোভী ও অযোগ্য লোকদের হাতে কুক্ষিগত বলে আমরা শুভবোধের মানুষদের চিন্তা পারি না।
-----
শেখ হাসিনা যদি সত্যিকারের রাষ্ট্রনায়ক কিম্বা রাজনীতিক হতেন তাহলে আমার মনে হয় তিনি ছাত্রলীগকে সায়েস্তা করতেন। কারণ ২০০৭ সালে তিনি জেলে যাওয়ার পরে ছাত্রলীগ তার জন্য কী করেছে বা করতে পেরেছে এটা সবাই জানে। আজ সারা দেশে ছাত্রলীগের নেতারা-কর্মীরা গুন্ডামি করছে, অথচ নেত্রী জেলে যাওয়ার পরে তারা হাতে চুরি পরে ছিলো। আজ তারা ছাত্রদল-ছাত্র শিবির মেরে নিজের পৌরুষ জাহির করছে, অথচ সেদিন ইদুর মতো তারা পালিয়ে বেরিয়েছিলো। নেত্রী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর তার উচিত ছিলো তার ছাত্র সংহগঠনের এই কর্মীদের ব্যাপারে তদন্ত করা, কেন তারা সেদিন তার মুক্তির জন্য মাঠে নামেনি, এই প্রশ্নের উত্তর খুজতে।
------
এ কথা আমি বলছি এ জন্য বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নির্যাতন প্রতিরোধ ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ রাজনৈতিক কর্মীদের মুক্তির জন্য দিনের পর দিন মিছিল-সমাবেশ-বিক্ষোভ করেছি। সেদিন হাতে গোনা কয়েকজন ছাত্রলীগ কর্মীকে ছাড়া তো আর কাউকে মাঠে পাইনি। অথচ দুই নেত্রীর মুক্তির পর আমরা আমাদের কোন চাহিদাই পুরন হতে দেখিনি। আমরা তো চেয়েছিলাম বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বহুজনের, বহুমতের সহাবস্থান দেখবো। গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি চর্চা হতে দেখবো। কিন্তু কই কিছুই দেখলাম না। চারিদিকে শুধু সন্ত্রাস আর সন্ত্রাস। আমরা চেয়েছিলাম ছাত্র সংসদ নির্বাচনগুলো হোক। কই কিছুই হচ্ছে না।
-----
সেনাবাহিনী নিয়ে আপনি যে মন্তব্য করেছেন তাও আমি সমর্থন করি। আমরা অনেকেই স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীক মনে করি সেনা বাহিনীকে। অথচ বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মই হয়েছিলো অধিকার আদায়ের রাজনীতি থেকে। সেই রাজনীতি যদি না থাকে তাহলে সেনাবাহিনী তো স্বাধীনতা রক্ষা করতে পারে না। কারণ সেনাবাহিনীই বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি নাগরিক হত্যা ও নিপীড়ন করেছে। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছে। দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রাকে বারবার ব্যহত করছে। মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত সাংবিধানিক নাগরিক অধিকার হরণ করেছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
সত্য কথা বলেছেন। ছাত্ররাজনীতি করে আমরা কিছুই পাচ্ছি না। পাওয়ার মধ্যে কিছু ক্ষমতা পাচ্ছি, সেই ক্ষমতা বলে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করছি প্রতিনিয়ত।
সেনাবাহিনীকে জবাবদিহিতামূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করতে হবে। রাজনীতি তাদের দ্বারা প্রভাবিত কেন হবে? তারা জনগণের সার্ভেন্ট, তাদের নিয়ন্ত্রক নয়। ভারতের সেনাবাহিনীর মত করে আমাদের সেনাবাহিনীকেও একটি নিরপেক্ষ ইন্সটিটিশন হিসেবে দেখতে চাই। কোনরকম রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ তাদের তরফ থেকে কাম্য নয়।
বিডিআর সদস্যদের কোর্ট মার্শাল হবে শুনেছি। কিন্তু আর্মির কোন দোষই কী ছিল না? আর এ ব্যাপারটাকে ভারতীয় ষড়যন্ত্র বলে অন্যদিকে চোখ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কেন? সেনাবাহিনী বিগত দুইটা বছর চাল, ডাল নিয়ে কী কোন দূর্নীতি করেনি? সেটার সত্যতা কই?
লেখক বলেছেন: এইখানে কিন্তু কেউ বাজে ভাষা ব্যবহার করেননি। মানুষকে দেখে শেখার চেষ্টা করা উচিৎ!
বাজে ভাষা কোনটা?
BAL=bangladesh awami league
মাল=জিনিস।
তুমি কথাটা মনে রেখ।
ব্যার্থতার কাব্য বলেছেন:
'শিবিরের এক নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। কথা হলো, সে শিবির করুক, আর যাই করুক, তাকে মেরে ফেলতে হবে কেন? মেরে ফেলা হলো এইজন্যই যে, এখন দল ক্ষমতায়। যারা মারলো তাদের কোন বিচার হবে না। ' হ্যাঁ ভাইয়া, শিবির হলেই তাদের মরতে হবে। শিবির 'মানুষ' না তারা 'কুকুরের ও অধম এক প্রজাতি', এই ধরণের পোস্ট কিন্তু আমরা গত দুই দিন ধরে প্রচুর পেয়েছি, আর কেউ প্রতিবাদ করতে গেলেই 'ছাগু' গালির তোড়ে ভেসে গিয়েছে।কিছু লেখার ইচ্ছা ছিলনা কারণ গালাগালিকে আমি খুব ভয় পাই। এটা এমন এক মহান 'শিল্পকর্ম' যেখানে আমি সবসময়ই হারতে বাধ্য।
আমি বুঝিনা এতো শিক্ষিত মানুষদেরকে কেন এইটুকু বুঝান যায় না যে, কেউ অপরাধীর হলে তার সাথে অপরাধ করা 'জায়েয' হয়ে যায় না, বরং এটা তার অপরাধকেও বৈধতা দিয়ে দেয়ার শামিল।
একজন ব্লগারতো রীতিমত 'মৃতের কবরে জলবিয়োগের আনন্দ' বর্ণনা করে পোস্ট দিয়েছেন। তাকে বলতে চাই, ভাই ঐ পোস্টটা পড়ার পরেও, আপনার মৃত্যুর পরে কেউ আপনার কবরে একইরকম আক্রোষ প্রকাশ করতে চাইলেও আমি বাধা দেব। হয়ত বলবেন আমি কি করব না করব তাতে কিছু যায়-আসে না, আমি বলবো, আমার মনুষ্যত্বতো প্রকাশ পায়। মানুষ হওয়ার মধ্যে আনন্দ আছে।
আর একজন বললেন 'তোরা যখন মানুষ মারসিলি তখনতো এই নাকি কান্না ছিল না', হ্যাঁ, শিবিরের এই নাকি কান্না তখন ছিলোনা, কিন্তু আমরা যারা এখন 'লাশের রাজনীতি' আর 'পরমতসহিষ্ঞুতার অভাব' নিয়ে চিল্লাচ্ছি তারা তখনো একই কথাই বলেছিলাম, একই নাকি কান্না কাঁদছিলাম।'হত্যা' কখনই সমর্থনযগ্য নয়।
আরেকজন বলে দিলেন 'মার দিতে হলে মার খেতে হবে', ইনাদেরকে কে বুঝাবে মারামারির সুত্রপাতটা নিয়েই আমাদের যত মাথাব্যাথা, আমরা মারামারিটাই সমর্থন করিনা।
লেখক বলেছেন: শিবির বহু হত্যা করেছে। সেটা সমর্থন যোগ্য নয়, তেমনি সমর্থন যোগ্য নয় ছাত্রলীগের মারামারির রাজনীতি।
রাজনীতি যারা করবে, তারা ছাত্রদের এ ব্যাপারে কেন ইনভলভ করবে? কেন ছাত্ররা নিজেদের ভেতর দুইভাগে বিভক্ত হবে?
আমার প্রশ্নের কোন সদোত্তর কেউ দিতে পারবে না। সময় এসেছে, দেশের জন্য কিছুটা হলেও আমাদের করতে হবে। সেটা অবশ্যই ছাত্ররাজনীতি মুক্ত করে।
মারামারিটাই পছন্দ করি না, আর সেটা এতদূর পর্যন্ত গড়ানো তো আরও বেশি অপছন্দের। আর সেটাকে সাপোর্ট করা তো দূরের কথা!
ব্যার্থতার কাব্য বলেছেন:
"আমি বুঝি না, একজন মানুষ হয়ে কিভাবে একটা খুনকে আমি সাপোর্ট করব? কেন করব? একটা মানুষ হয়ে আমি কখনই আরেকজনে উপরে অত্যাচার হচ্ছে, হোক, সে আমার দলের না, এটা কেমন করে মেনে নেই? তাহলে বলতে হয়, আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে মানবিকতা, ধর্ম কিছুই প্রভাব ফেলছে না"একমত, সম্পুর্ণ রূপে একমত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
অচেনা সৈকত বলেছেন:
আপনার লেখায় শিবিরের কথা আসল দেখে একটা সত্যি ঘটনা মনে পড়ে গেল। আমি তখন ইন্টারমিডিয়েটে পড়ি। আমাদের শহরের গার্লস স্কুলের এক শিক্ষিকার ছেলে রাজশাহী ইউনির ছাত্রলীগ নেতা। একবার এরকম শিবিরের সাথে মারামারি হওয়ার পর ভার্সিটি বন্ধ হয়ে গেল। তখন উনি বাসে চড়ে পাবনায় আসছিলেন। বাস রাজশাহীর বাইরে আসবার আগেই বিনোদপুরের কাছে শিবিরের ক্যাডাররা বাস আটকাল। তল্লাসী চালিয়ে খুঁজে বের করল ভাইয়াকে। সবার চোখের সামনে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে কুপিয়ে নারকীয় উল্লাসে তাকে হত্যা করল শিবির ক্যাডাররা। লাশটা যখন দেখি তখন তার পিঠে অনেকগুলি ধারাল অস্ত্রের কোপ। অবশ্য সেটা নিয়ে এত হৈ চৈ হয় নি। ভাইয়া ছাত্রলীগ করতেন তো, (আর 'নোমানি'র মত হাই-প্রোফাইল নেতাও ছিলেন না) এদের বোধহয় ঠিক মনুষ্য পদবাচ্য বলে গণ্য করা হয় না।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মূল্যবান মন্তব্যের জন্য।
এরকম ঘটনার অবতার কেন হবে? এখানে দোষ কিন্তু ছাত্রলীগের ছেলেটার নয়, দোষ সরকারের নীতিনির্ধারকদের। যারা জেনে শুনে ছাত্রদের হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছে।
আমি বুঝতে পারি, প্রতিপক্ষ থাকবেই, তবে কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা অনর্থক। যে লোকটা চলে গেছে, তাকে আর ফিরে পাওয়া যাবে না ঠিক। কিন্তু যারা আছে, তাদেরকে বাঁচতে হবে। বের হয়ে আসতে হবে প্রতিহিংসার বলয় থেকে। নচেৎ এই মারামারি, খুনাখুনির শেষ কোথায়?
সবকিছুকে এক পাল্লায় মাপতে যাবেন না এবং মানবাধিকারের দোহাই দিয়ে সবাইকে মানুষ হিসেবে মূল্যাযন করার চেষ্টা করবেন না।
শিক্ষাঙ্গন সহ সারাদেশে সবধরনের সন্ত্রাস নৈরাজ্যের বিপক্ষে।
দল করি না। তবে আগামীতে করব না এমন কথা দিতে পারি না।
শিবির রাজাকার জামাতের প্রতিদিন মৃত্যু চাই। আমি আমার সন্তানের জন্য শিবির রাজাকার জামাত মুক্ত বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই। ৭টি বছর জামাতী স্কুলে পড়েছি। আমাদের বেদনা আপনারা কখনো জানবেন না।
প্রতিটি ঘরে, প্রতিটি জেলায়, প্রতিটি ইউনিয়নে, গ্রামে মহল্লায়, পঞ্চান্ন হাজার বর্গমাইলের যেখানেই জামাত শিবির রাজাকার আছে, তাদের নিধন চাই।
শেষ কথা বলি বিগত সাত বছরে দেশ এমন জায়গায় এসেছে হাসিনার পক্ষে দেশ চালানো অসম্ভব। যে দেশের সবচাইতে সুশৃংখল (!) বাহিনী তাদের সাথে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের ক্লিপিং নেটে ছেড়ে দেয় সে দেশের রক্ষাকর্তা সাত আসমানের উপরেও নেই।
লেখক বলেছেন: ব্যাক্তিগত ভাবে আমি জামাতকে পছন্দ করি না। আমিও চাই এই আদর্শের সমাপ্তি হোক।
প্রিয় মেঘ,
আমরা তো চাইনি, আমাদের দেশটা যুদ্ধাপরাধীদের কবলে পড়ে থাকুক। কিন্তু সেই সুযোগ যখন আমরাই তাদের করে দিয়েছি! একটা আদর্শকে তৈরী হতে দিয়ে তা তো ধ্বংস করা অত সহজ কাজ নয়। আমরা যদি বোদ্ধা হতাম, আমরা সে আদর্শের কোন স্থান দিতাম না। কিন্তু এত এত বুদ্ধিজীবী, আর এত এত ভালো লোক নিয়ে, আমরা দেশটার আজ এই হাল করেছি। মানুষ মেরে আদর্শ দমন করতে গেলে সেই আদর্শ আরও শক্ত হয়। হয় একটা গণজাগরণ দরকার, নয় তো যেভাবে আছে সেভাবেই চলবে।
আসলে আমাদের দরকার একজন সুযোগ্য নেতা। যিনি, আমাদের ঘৃন্য রাজনীতিকদের ফাঁসির মঞ্চে দিয়ে একটা নতুন যুগের সূচনা করবেন। সেই দিন হয়তো অনেক দূরে, নয়তো কাছে।
আই লাভ ব্লগিং বলেছেন:
@ব্যার্থতার কাব্যআমি আপনাদের ঈর্ষা করি। কারণ আপনি এবং অনেকেই যারা শিবির করেন না, শিবিরের রাজনীতি সমর্থনও করেন না; কিন্তু শিবিরকে মানুষ হিসেবে গণ্য করার মত মানসিক উচ্চতায় পৌঁছাতে পেরেছেন। আমি পারি নি। আমার মত অনেকেই পারে নি। এই পোস্টটা পড়ে দেখতে পারেন। Click This Link
যারা শিবিরের নৃশংসতার বলি হয়ে আজ অঙ্গারের মত জ্বলছে তাদের কাছে আপনার এই মানবতার বাণীর মূল্য নেই। বাংলাদেশের রাজনীতিতে শিবির একটা বিষবৃক্ষ ছাড়া কিছুই নয়। সেই বৃক্ষের একটি কাঁটা উপড়ানোতে অনেক ভিক্টিম উল্লাস প্রকাশ করতেই পারেন।
পাগলা কুকুরকে আপনি যতই মানবতা শেখান না কেন, সে আপনাকে কামড় দেবেই। সৌভাগ্যবান হলে আপনি তার কাছ থেকে দূরে থাকতে পারেন, এই যা!
ব্যার্থতার কাব্য বলেছেন:
@আই লাভ ব্লগিং, আমি পাগলা কুকুরের কাছে মানবতা আশা করি নাই, 'মানুষের' কাছে আশা করেছি। 'পাগলা কুকুর'-এর সেই সৌভাগ্য কোথায় যে তাদের লাশ নিয়ে রাজনীতি হবে? এইকাজ একমাত্র আমরা 'মানুষ'রাই পারি ।
ধীবর বলেছেন:
ভিন্ন আদর্শের হয়েও হমপগ্র ভাই যে উদারতা প্রকাশ করেছেন, সেই কারণে তিনি শ্রদ্ধাভাজন হয়ে থাকবেন। রাজনৈতিক ভেদাভেদ থাকবেই, সেটা রাজনীতি দিয়েই করতে হবে। এখানে সশস্র কায়দায় বিরোধি নির্মুল করতে গেলে গৃহযুদ্ধের সুচনা হবে। তাতে কি আমাদের কোন লাভ হবে? একজন মানুষের ভালো মন্দের বিচার তার ব্যাক্তিগত কর্মকান্ডের মধ্যেই নিহিত, তার রাজনোইতিক আদর্শ নয়। এজন্য দেখি শত উগ্রচন্ডি আঃ লিগপন্থিদের মধ্যে এই পোস্টের লেখক অত্যন্ত সুবিবেচনার পরিচয় দিয়েছেন। একারণেই প্রতিয়মান হয় যে, সুবিবেচক মানুষের প্রধান্য বেশি কিন্তু তার কথা বলার ক্ষেত্রগুলি খুব কন্টকমুক্ত নয়। অথচ আমাদের দেশে এ ধরণের মানসিকতার মানুষগুলি সামনের কাতারে থাকা অবশ্যক। প্লাস।
মেঘ বলেছেন ঃ সবকিছুকে এক পাল্লায় মাপতে যাবেন না এবং মানবাধিকারের দোহাই দিয়ে সবাইকে মানুষ হিসেবে মূল্যাযন করার চেষ্টা করবেন না।
যখন নিষিদ্ধ ঘোষিত জনযুদ্ধের সন্ত্রাসিরা, কিংবা বিচ্ছিন্নতাবাদিরা অথবা দলিয় সন্ত্রাসি ক্যাডাররা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনির হাতে নিহত হয়, তখন কিন্তু আপনাদের বক্তব্য ঠিক ঊল্টোটা হয়ে থাকে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
রশীদ বলেছেন:
ধন্যবাদ অকপট সরল সত্য কথা বলার জন্য।
খোমেনী ইহসান বলেছেন:
আমার মন্তব্যের জবাবে আপনার বক্তব্য ভালো লেগেছে। তবে সেনা বাহিনীকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর মতো অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার পক্ষে নই আমি। কারণ ভারতীয় সেনা বাহিনী আইন বলে তার নাগরিকদের হত্যা করার অনুশীলন করে থাকে।----------
সেনা বাহিনীতে গণতান্ত্রিকতা, স্বচ্ছতা ও সংবিধান মানতে বাধ্য করতে হবে।
-----
জাতীয় প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে সেনা বাহিনী বা বিশেষ কোন বাহিনীর কাছে আমরা আমাদের নিরাপত্তা জিম্মা রাখলে তারাতো বিদেশীদের ডলারের লোভে আমাদের বিরুদ্ধে যে কোন সময় চক্রান্ত করতেই পারে। এক্ষেত্রে আমাদের জাতীয় দায় হচ্ছে গণপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি সামনে নিয়ে আসা।
ধন্যবাদ।
মগ্নতা বলেছেন:
অসাধারণ লেখা। হমপগ্রকে ধন্যবাদ এই লেখার জন্য।
ধীবর বলেছেন:
মেঘ বলেছেন: @ধীবর : শিবির জামাত রাজাকার এর সাথে অন্য কোন কিছু, একদম কোনকিছুর তুলনা করবেন না। একদম না। কক্ষণো না।আমি কি করবো না করবো সেটা আমার ব্যাপার। সেটা নিয়ে আপনার মাথা না ঘামালেও চলবে। এটা আপনার বাসার ড্রইং রুম না যে যাকে যা খুশি বলবেন। উগ্রচন্ডিদের কথায় কিছু অবার্চিনকে উস্কে দেয়া যায়, কিন্তু দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণকর কিছু করা যায় না। শুভবুদ্ধি উদায়ক এই পোস্ট পড়েও দেখি অনেকের চোখ খুলেনি।
আবদুল ওয়াহিদ বলেছেন:
লেখাটি বেশ ভাল লাগল। যদি আওয়ামীলীগের এই বোধগুলি হত, তাহলে অন্তত আমরা দেশ নিয়ে ভাবার সুযোগ পেতাম। এখন আওয়ামীলীগই দেশের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে আর তাদেরকে নিয়েই ভাবনায় আপনার আমার দিন নিকেশ হয়ে যাচ্ছে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















