আজকের পেপারে তার ফকফকা উদাহরণ। সেনাপ্রধান আসলে কত টাকার বিনিময়ে বসুন্ধরার মালিক শাহ আলমের সাথে আতাত করেছেন তা আমার জানা নেই। তবে এইটুকু বুঝতে বাকি রইল না, বসুন্ধরা বাংলাদেশের আর্মিকেও হাত করে নিয়েছে। পুরো খবরটা একবার পড়েও দেখতে ইচ্ছা করল না।
শাহ আলমের ছেলে সানবীর একটা খুনি। তার বিচারও হবে না। তারা টাকার উপরে ঘুমান। তাদের কোনদিনই কিছু হয়নি। আর আমাদের মত আভাগা দেশে আর তাদের কীই বা হওয়ার আছে?
কাকতালীয় হলেও সত্য হযরত শাহ জালাল, শাহ পরানের সাথে মিল আছে শাহ আলমের নামের। আশা করছি আজ থেকে আরও ১০০ বছর পর বসুন্ধরা সিটি যখন পরিত্যাক্ত হবে, তখন এটাকে হযরত শাহ আলমের মাজার বলা হতেও পারে। বাংলাদেশের অসংখ্য মানুষকে ইনি সাহায্য করেছেন। তার মধ্যে দেশপ্রেমিক সেনা প্রধান অথবা সেনাবাহিনী, এবং সাবেক স্বরাস্ট্রপ্রতিমন্ত্রীর নাম উল্লেখ করার মত।
আসুন আমাদের ভবিষ্যৎ এই দরগা ও মাজারকে ঠিকভাবে হেফাজত করি। যাতে করে এই মহান ব্যাক্তির কৃতিটুকু নষ্ট না হয়ে যায়। আর আমাদের দেশপ্রেমিক সরকারের দায়িত্ব হলো, এই বার্তা মানুষের কাছে পৌছে দেওয়া যে হযরত শাহ আলম (রঃ ) একজন সৎ নিষ্ঠাবান..................

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

