somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... সিম্ফোনি এফ টি ৩৮ কিনতে চাই... জরুরী সাহায্য করুন
আমার দরকার ফেইসবুক, জিমেইল (অপেরা মিনি দিয়ে হলেও সমস্যা নাই)! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29531072 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29531072 2012-01-28 23:40:22
নিজেদের দিকে তাকানোর সৎ সাহসটুকু আমাদের নাই ভারতকে দোষ দিয়া লাভ কি?
আমি কি এর বিরোধিতা করব? তিতাসের থেকে আমাদের বাংলাদেশের প্রধানতম শহর ঢাকা যে নদীটির তীরে গড়ে উঠেছে, তাকে এক কথায় ড্রেন বলা চলে। জ্বি না, ভারত এটাকে ড্রেন বানিয়ে যায়নি আমরা নিজেরাই বানিয়েছি। তুরাগ নদীটা ছোটবেলায় বিশাল দেখতাম। আর এখন এটাকে একটা ছোটখাট খাল বললেও ভুল হবে। এই নদীগুলো কি ভারত ভরাট করেছে? আমরাই করেছি।

আওয়ামীলীগ সরকার, অথবা বিএনপি, কেউ কি এই নদী ভরাটকারীদের আটকাচ্ছে? কেউকি তুরাগকে উদ্ধার করবে? অথবা বুড়িগঙ্গাকে? শীতলক্ষা নদীর পানি বর্জ্যে বর্জ্যে দূষিত হয়ে গেছে। শীতলক্ষার তীর ঘেষে গড়ে উঠছে আবাসন প্রকল্প। কে আছে এসব বন্ধ করার? কেউ নেই। কোন নিতী আমাদের নিজেদেরই নাই, আমরা হুদাই ভারতরে কেন দূষি?

ভারতের কোলকাতায় গিয়েছিলাম। ২০০২ সালে একবার, ২০১১ সালে আরেকবার। হুগলি নদীটা আগের মতই আছে। কেউ দখল করেনি। ২০০২ সাল থেকে ২০১১ সালে এই নদী আরও পরিস্কার লেগেছে। আর নদীর মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে দৈত্যাকার ড্রেজার। নদীকে শাষণ করে চলেছে। আমরা একটা ড্রেজারও কিনতে পারিনি। ভারত নিজের দেশকে এতটাই ভালোবাসে যে তারা বাঁধ দিয়ে বাংলাদেশে আসা পানির স্রোত পরিবর্তন করে নিজের নদীগুলোকে দিচ্ছে। আর বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক আদালতে একটা কেস করতে পারে না।

এই ব্যার্থতা আমাদের বৈ অন্য কার না। আশিয়ান সিটি নামক এক আবাসন প্রকল্পের কাজ রাজউক কর্তৃক কয়েক দফা অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। অথচ, টিভিতে তাদের বিজ্ঞাপণ এখনও চলছে, আমাদের সরকার কই? কবে এসব তারা বন্ধ করবে? আর কবে? বসুন্ধরা গ্রুপ, মানুষের জমি দখল করে একটার পর একটা আবাসন প্রকল্প করে যাচ্ছে। কারও কোন মাথা ব্যাথা নেই।

যারা ব্লগ কাপিয়ে দিচ্ছেন দেশপ্রেম দেখাইয়া, তাদের আক্ষরিক অর্থে কিছু করার ক্ষমতা নেই। যেমনটি হয়েছিলো ফেলানীর পক্ষেও। আমরা কিছুই করতে পারিনি। কারণ যাদের করার কথা বিজিবি, তারা বিএসএফের দিকে একটা গুলি ছুড়তে পারে না। ভীতু কাপুরুষের বাচ্চারা। কিসের এত ভয় তোদের? ফালায় দেয় কয়েকটা বিএসএফ, তারপরে ভারতের সাথে জাতিসংঘ আর সরকার বুঝবে।

সরকারকে দেশের মানুষের কথা চিন্তা করতে হয়। আপনার আমার মত চিন্তা করলে কেউ সরকার চালাইতে পারবে না। ভারতকে ট্রানজিটকি সরকার সাধে দিতে চায়? আমাদের দেশের জনসংখ্যা সরকারী মতে ১৬ কোটি, আর বেসরকারী মতে ২০ কোটি। ২০ কোটি মানুষের পেটে কয়েক লাখ মেট্রিকটন চাল ঢুকে প্রতিদিন। এই চাল আসবে কোত্থেকে? আমাদের টাকার মূল্য দিনকে দিন পড়ছে। আমাদের ইকোনমিতে ৭-৮% করে মূল্যোস্ফীতি প্রতিমাসে!

কেউ জনসংখ্যা কমানোর কথা বলে না। কেউ ফেমিলি প্ল্যানিং নিয়ে কাজ করছে না। সব দোষ পাশের দেশের উপরে চাপায় খালাস! নিজেরা একেকটা ধোয়া তুলসিপাতা! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29509786 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29509786 2011-12-25 13:41:04
সমকামীতা ও আমার নিজস্ব বক্তব্য
আমি ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে কোন কিছু বিচার করি না। এটা আমার নীতি বিরুদ্ধ। তাই এখানে যা বলতে চাচ্ছি, তা কোনভাবেই আমার উপরে চাপিয়ে দেওয়া কোন মহাজ্ঞান জাত নয়।

মানুষকে বিচার করতে হলে, আগে প্রকৃতিকে বিচার করা প্রয়োজন। মানুষের বিবর্তন প্রথমে প্রকৃতিকে ঘিরেই। তারপরের বিবর্তন মানুষের চারপাশের পরিবেশ পরিস্থিতির নিরীখে। আগে মানুষ পোশাক পড়ত না। তারপর পোশাক পড়া শুরু করল। তখন কেউ কেউ পোশাক পড়ত, কেউ পড়ত না, এমন একটি বাস্তবতা বিরাজ করত। আর আজ, পোশাক না পড়লে মানুষ তাকে পাগল সম্বোধন করে।

প্রকৃতিই মানুষকে শিখিয়েছে বাঁচা। প্রকৃতির ভেতরেই লুকিয়ে আছে, আগুন, পানি, নানারকমের ঔষধ। সুতরাং, সেইদিক থেকে বিচার করলে, সমকামীতা একটা মানসিক অসুস্থতা ছাড়া আর কিছুই নয়।

প্রকৃতিতে আর কোন প্রাণীর মধ্যেই কিন্তু সমকামিতা বিষয়টি পরীলক্ষিত হয় না। ছেলে ও মেয়ে, এদের লিঙ্গ বিন্যাসটি পরস্পরের মধ্যে সঙ্গমের মত করে তৈরী। এভাবে, প্রতিটি প্রাণীই সঙ্গম করে।

গে, অথবা লেসবিয়ান, এই ধ্যান ধারণা আমাদের অসুস্থ নাগরিক সভ্যতার, বাজে প্রসার ছাড়া আমার কিছু মনে হয় না।

শুনতে পাই, লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি, সক্রেটিস এরাও নাকি সমকামি ছিলেন। তাঁদের সমকামিতার কোন প্রমান কেউ দেখাতে পারে না। তবু, কেন এই মিথ্যা প্রপাগান্ডা করে, এই মানসিক অসুস্থতাটাকে বাড়িয়ে দেয়ার বিশ্রী প্রচেষ্টা চালানো হয়? কেন বোঝানো হয় মানুষকে, "সমকামিতা কোন দোষ নয়"।

দেশে দেশে সমকামি বিয়ের জন্য লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে। যা আমার কাছে উদ্বেগজনক। সমকামি আচরণের মাধ্যমে মানুষ হয়তো সাময়িক একটি আনন্দ পায়, কিন্তু সেটাকে ইংরেজিতে আমরা ইউয়ার্ড অথবা বিজারর বলতে পারি। বাংলায় বলতে গেলে বলতে হবে, নোংরামি।

যারা সমকামী, তাদেরকে আমি বলব, এটা প্রকৃতি প্রদত্ত কোন ব্যাপার নয়, এটা জন্মগতও নয়। এটা সম্পূর্ণ ইন্ডাস্ট্রিয়াল সোসাইটির একটি নোংরা পণ্য। এটা মানসিক অসুস্থতা। যে সকল দেশ, সমকামিদের বিবাহ করার জন্য আইন করছে, তারা এই অসুস্থতাকে আরও ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এতে কোন ভাল নিহিত নেই।

প্রথমে যে উদাহরণটা দিলাম, যে মানুষের মেটামরফোসিস হয়, অর্থাৎ, মানুষ আগে পোশাক পড়ত না, এখন পড়ে, সুতরাং মানুষ পরিবর্তীত হয়ে, আগে কেউ সমকামি ছিল না, কিন্তু এখন হচ্ছে...এমনটাও মনে করতে পারেন।

সেক্ষেত্রে আমি বলব, রূপান্তর অর্থবহ হওয়া উচিৎ। পোশাক পরিধান, তৃণভোজী থেকে মাংসাসি হওয়া এগুলো অর্থবহ রূপান্তর। এতে মানুষের চিত্র পাল্টেছে, এবং ভাল দিকেই পাল্টেছে। কিন্তু সমকামিতা টা এমন নয়। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29506842 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29506842 2011-12-21 00:05:13
বাংলাদেশের জন্ম একটি ভুল
ডাব পাড়া হয়ে গেল। কিন্তু তিনি বাড়ি এসে দেখেন, মিলিটারি অফিসারদের একজন তার বউকে নিয়ে টানাটানি করছে। মাথায় তার রক্ত চরে গেল। সে হাতের দাউটা নিয়ে মিলিটারির কাঁধে বারংবার কোপ মারতে থাকে। মারতে মারতে মিলিটারি অফিসার সেখানেই মারা যান। অপর দিকে, আরেকজন পালিয়ে যাচ্ছিলেন, কিন্তু তাকেও ছোটকু ছাড়ে না। সে দাউ দিয়ে তাকেও কোপ দিয়ে হত্যা করে।

পাকিস্তানী আর্মি এই খবর পেলে, গ্রামের মাতব্বরকে বলে ছোটকুকে দিতে, নতুবা তারা গ্রাম জ্বালিয়ে দিবে। ছোটকু পালিয়ে থাকে কিছুদিন। কিন্তু পরে তার মনে হয়, গ্রামের মানুষকে বাঁচানোর জন্য তার আত্মসমর্পন করা উচিৎ। এবং সে তাই করল।

তবে, অবাক ব্যাপার হলো পাকিস্তানি মিলিটারি গ্রাম বাড়ি ঘর তবুও জ্বালালো। আর ধর্ষণ করল গ্রামের ষোড়শীদের।

২৫ শে মার্চ রাতে পাকিস্তানীরা বাংলাদেশের নিরস্ত্র মানুষের উপর বর্বরচিত হামলা চালায়। কিন্তু এই ইতিহাস আমরা লেখি। আসলে, হামলা চালিয়েছিল, আওয়ামীলীগ ও ভারতের লোকজন। যার কারণে যুদ্ধ বাঁধে। এবং ১৪ই ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবীদের হত্যাও করেছিল আওয়ামীলীগ ও ভারতীয় দোসররা।

ব্যাপারটা পাকিস্তানের উপরে চাপানো হয়, কেননা এটা ভারতীয় ষড়যন্ত্র ছিল। ভারত চাইত পাকিস্তান ভাগ হয়ে যাক।

সুতরাং ছোটকুর উচিৎ ছিল, তার বউকে ধর্ষণ করতে দেওয়া। অর্থাৎ আমাদের উচিৎ ছিল পাকিস্তানের কথামত, নিজেদের সমস্ত অধিকার, সপে দেওয়া। কুত্তার মত জীবন যাপন করাই আমাদের উচিৎ ছিল। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29504891 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29504891 2011-12-17 23:28:17
ইরানও পশ্চিমাদের ফলো করে

ইরানও পশ্চিমাদের ফলো করে... <img src=" style="border:0;" />

http://www.youtube.com/watch?v=Icvse6DEcFg

ভিডিও না এলে, সরাসরি লিংক এ যান! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29501223 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29501223 2011-12-12 11:31:13
রাষ্ট্রদ্রোহী! ২, ৩
বাকিটা পথ, কখনও ঘুমিয়ে, কখনও বা বাইরে তাকিয়েই শেষ হলো। তেমন কোন ঘটনা ঘটল না। ঐদিকে বাচাল লোকটা কথা বলেই গেল, বলেই গেল। মাঝে মাঝে কটমট করে অনবের দিকে অগ্নিদৃষ্টিও সে নিক্ষেপ করেছে। কিন্তু তাতে অনবের কিছু এসে যায় না।

রাত যখন আটটা বাজে, তখন ট্রেন হুইসেল দিয়ে চিটাগাং স্টেশনে পৌছালো। চিটাগাং স্টেশন দুইটা। একটা নতুন, আরেকটা পুরানো। পুরানোটা এখন অকেজো। খালি প্ল্যাটফর্ম আদিম মানুষের ছায়ায় ধূ ধূ করে। বৃটিশ আমলে নির্মিত এই স্টেশনটি দৃষ্টি কাড়ে। সরকার কোন এক অজানা কারণে এর সংস্কার করে না।

ট্রেন থেকে নেমে একটা ঠান্ডা বাতাস গা ছুয়ে গেল অনবের। এখন শীতকাল নয়। সম্ভবত পাহাড়ের গা ঘেষে আসা বাতাসের ধরণ এমন শীতলই হয়ে থাকে।

ট্রেন স্টেশনে কারও আসার কথা নয়। মানুষ নামছে, তো নামছেই। পুরো প্ল্যাটফর্মটি মানুষে মানুষে ভরে গেছে। আর কুলি কামীন তো আছেই। আধুনিক স্টেশনের বাইরে পা রেখে চিটাগাং শহরটাকে একবার চোখ বুলিয়ে দেখে নিল অনব। তার গন্তব্য, হালিশহর। ট্রেন স্টেশন থেকে কোন বাহনে করে যাওয়া যায়, সেটাই সে ভাবছিল।

এমন সময়, দেখতে পেল, কোথা থেকে একটা গাড়ি এসে ভিড়ল স্টেশন চত্বরে। অনবের যে বন্ধুটি চিটাগাং এ থাকে, তুহিন, সে বেড়িয়ে এলো গাড়ি থেকে। অনবকে তার চোখে পড়েনি। সে ভেতরের দিকে পা বাড়াবে, এমন সময়, অনব তাকে ডাকে, ঐ তুহিন, এইদিকে।

তুহিন উজ্জ্বল চোখে অনবের দিকে তাকায়। যাক, সময় মত এসেছি তাহলে। তুই তো ব্যাটা আদিম যুগের মানুষ। একটা মোবাইল সাথে রাখলে কি হয়? তোর দেড়ি হলে আমি কি করতাম? সারা স্টেশন খুজে বেড়াতাম।
-হয়তো দোকান থেকে তোকে ফোন করে জানাতাম কোথায় আছি। সমস্যা শেষ!
তুহিন হার মেনে বলে, গাড়িতে ওঠ। তাড়াতাড়ি। বাসায় যাই, আজ রাতে বৃষ্টি হবে মনে হচ্ছে, আকাশের অবস্থা ভালো না।
অনব গাড়িতে ওঠে। হাতে একটা ব্যাগ। তুহিন প্রথম কথা বলে, তা পথে সমস্যা হয় নাই তো?
-আরে নাহ! ঐ যা হয় আরকি, বাচাল মাইনসের পাল্লায় পড়ছিলাম।
-ওহ! আচ্ছা, এধরণের মানুষ তো তোর বরাবরই অপছন্দের। বাবা এখন বাসায় নাই। রাত হবে ফিরতে। সুতরাং কাল সকালে কথা বলিস।
-আমি তো কথা বলতে চাইনাই, তুই না জোর করে আনলি।
-আরে ব্যাটা, তোরে তো এক্সপোজ করাতে হয়, তুই হইলি চুপচাপ মানুষ। আমার বাপের সাথে কাজ কর। সবারই একটা প্ল্যাটফর্ম লাগে। তাছাড়া কিছু হয় না।
-তুই আমেরিকায় যাচ্ছিস কবে?
-বেশিদিন নাই, এতো এক মাস সময় লাগবে।

কথা বলতে বলতে, তুহিনের বাড়ির আঙ্গিনায় গাড়ি এসে পৌছাল। অনব নামে গাড়ি থেকে। তুহিনও নামে। তারপরে, দুইজন মিলে ঘরে ঢুকে। ঢুকতেই একগাদা লোকের সামনে পড়ে অনব। লোকজন দেখেই বুঝে এরা হলো তুহিনের ফ্যামিলি। তুহিন একে একে পরিচয় করায়, এটা আমার ছোট বোন অনিলা, এটা আমার মা, এটা আমার দাদা, আর এটা আমার ছোট ভাই, রোমেল।

১৯৬৫ সালে, তুহিনের দাদা এই বাড়ি বানিয়েছিলেন। তখন তিনি জাহাজের জিনিসপত্রের ব্যবসা করতেন। কুশলের পরে, বিশাল বাড়ি খানার একটা রুমে ঢুকে অনব। এটাই তুহিনের ঘর। চারিধারে নানা রক ব্যান্ডের পোস্টার। তুহিন একসময় খুব গান বাজনা করত। এই লিংকেই তুহিনের সাথে ক্ষাতির জমে অনবের। একপাশে কম্পিউটার টেবিল, তাতে একটা ল্যাপটপ, আর আরেকপাশে বিছানা পাতা। সামনে সুন্দর জানালা, তার ধারেই পড়ার টেবিল। এসব দেখে অনব নিজের ঘরের কথা ভাবে। একেবারেই ভিন্ন আঙ্গিনায় থাকে সে। তার রুমে চারটে বিছানায়, তেল চিটচিটে নোংরা বালিশ, নোংরা বেডশিট। চারজনে মিলে থাকা আরকি। মেস করে। বইখাতা বিছানার একপাশে থাকত আগে। এখন নেই। পড়াশোনা শেষ হবার পর, দুই একদিন চাকরির জন্য পড়েছিল অনব। তার পর, সব বাদ।

রাতে খাওয়া শেষ করে, অনব আর তুহিন, নানা গল্পে পার করে ফেলল রাতটা। তুহিন একেবারেই বৈষয়িক ছেলে। তাই অনেক সময় অনবের সাথে তার দ্বন্দ বেধে যায়। আজও বাধতে পারত। তবে, অনবের ইচ্ছে ছিল না। এক সময় নিজে থেকেই অনব বলল, শুয়ে পড়ি, জার্নির ধকলটা ক্লান্ত করে দিল। তুহিন বলেন, হুম...আমিও শুবো।



সকালে নাস্তার টেবিলে দেখা হয় মোজাম্মেল হকের সাথে। এই হলো তুহিনের বাবা। চিটাগাং ইউনিভার্সিটির প্রফেসর। মোজাম্মেল খুব গম্ভীরভাবে অনবকে নিরীক্ষণ করে। অনব একটু ইতস্তত করে। মোজাম্মেল খুব নরম গলায় বলে, বসো। খেয়ে নাও। তারপর তোমার সাথে কথা বলব।

খাওয়ার টেবিলে অনব বসে। চিটাগাং এর ভাষা বড়ই দুর্বোধ্য। সে বোঝার চেষ্টা করে অনিলা, রোমেল, তুহিন আর তাদের মা কি জানি বলছে। মাঝে মাঝে অনবের নামটি বললেই শুধু সে বুঝতে পারে, তাকে নিয়েই কথা হচ্ছে।

মোজাম্মেলকে লক্ষ্য করে বলে, কি ব্যাপার বলুন তো?
-হুম? কিছুটা অনভস্ত্য খাওয়ার টেবিলে কথা বলায় মনে হলো মোজাম্মেল কে।
-নাহ! মানে আমাকে ডেকেছেন তো?
-ওহ! আচ্ছা, খেয়ে চলো লনে বসি। চা খাবো আর কথা হবে।
অনবের খাওয়ার ইচ্ছা নাই। তবু সে খায়। চিটাগাং এর রান্না সম্পর্কে তার একটা কুসংস্কার আছে। এরা ভালো রাধতে জানে না। তাই অনব ধীরে ধীরে খায়। পেট খালি, সুতরাং খেতে ভালোই লাগে তার।
খাবার শেষে, চায়ের আড্ডা বসে। তুহিন অনবের নানা কীর্তির কথা আওড়াতে থাকে, মোজাম্মেল সাহেবের সামনে। একসময় মোজাম্মেল বলে, তোমার কিছু লেখা আমার ভালো লেগেছে। মনে হয় তুমি খুব স্ট্রেইটকাট মানুষ। এধরণের লোক আমার খুব পছন্দ।
তুহিন, ঘড়ি দেখে কি যেন মনে করার চেষ্টা করে। তারপরে বলে, বাবা, আমার একটু যেতে হয়, তোমরা আলাপ কর। বলে একবার অনবের দিকে তাকায়। বলে, আমি চললাম, তুই ঢাকায় যাওয়ার আগে দেখা করে যাস!
অনব মাথা নেড়ে প্রসঙ্গে ফিরে আসে!
-আমার লেখা? কোনটা?
-ঐ যে, সময় নিয়ে কি একটা লিখেছিলে না? কি যেন নাম?
-নিছক গল্পের মত!
-হ্যা, হ্যা এইতো মনে পড়ল। তোমার আইডা টা অসাধারণ। আমার তো মনে হয় অনেক পড়াশোনা করেছো তুমি।
-মোটেও না। জেনেছি অনেক কিছু, তবে পড়ি কম।
-কি পড়েছো?
-এরিস্টটল, মার্কস, এরিস্টার্কাস, সক্রেটিস, প্ল্যাটো এইসব ধারণা আছে আরকি।
-এক্সাক্টলি। এটাই তো চাই। তোমার লেখায় আমি একটা সমাজতান্ত্রিক মনোভাবে পেয়েছি, মানে...
-সরি স্যার, আমি মার্কসবাদী নই।
মোজাম্মেল, কেমন স্থির হয়ে চায়ের কাপে চুমুক দেন। তারপরে ধীরে ধীরে বলেন, হুম...তো তুমি?
-আমি কোন আদর্শ আকড়ে ধরি না। কেননা, আদর্শ আকড়ে ধরলেই তা খসে পড়ে যেতে সময় লাগে না।
-হুম...তা, শুনেছি তোমার ইচ্ছে আছে, রাজনীতিতে আসার। তাই ভাবলাম, আমার সাথে থেকে কিছু কাজটাজ শেখো। তুমি তো নিতান্তই নাদান, অন্তত আমার বয়সের তুলনায়।
-নাহ! আমি সমাজতান্ত্রিক চেতনায় বিশ্বাসী নই, তাই আপনার সাথে কাজ করতে পারবো না।
- আমি দলের জন্য বলছিলাম না।
এই বলে মোজাম্মেল সাহেব উঠে দাড়ান। ধীরে ধীরে পা বাড়ান অনবের দিকে। তারপর তাকে বলেন, আসো একটু হাটি।
অনব উঠে দাঁড়ায়। তারপরে বলে, ভুল বুঝবেন না। আমি আসলে রাজনীতি করব কিনা জানি না। তবে কিছু বিষয় আছে সেগুলো নিয়ে আমার বেশ বিশ্লেষণ করতে ভালো লাগে।
-যেমন?
-হিপোক্রেসি! আমাদের মানুষদের সব থেকে বড় সমস্যা।
-হুম...ঠিক বলেছো। তুমি একেবারেই নাদান...বাচ্চা! জীবনের তাগীদে মাঝে মাঝে হিপোক্রেট হতে হয়। তুমি যেমনটি ভাবছো, তেমন সম্ভব নয়। আদর্শ ছাড়া রাজনীতি চলে না, আবার আদর্শের বরখেলাপি ছাড়াও রাজনীতি চলে না।
অনব বলে, হুম।
মোজাম্মেল বলেন, যাইহোক, তুমি ভালো ছেলে, উদ্যোমি, তোমার কাজ আমার ভালো লেগেছে। তাই ভাবছিলাম একজন নেতা হয়তো বের করতে পারবো।
-ওহ! তা নয় ব্যাপারটা...
-শোন, আমাদের কাজের মধ্যে তোমাকে আমি খুজে পাই।
-হতে পারে। কিছু কিছু মানুষ সম্ভবত নিজের ইচ্ছার প্রতিফলন দেখতে গিয়েই কিছু একটা দেখে ফেলে। তার ভালো লেগে যায়।
-তাহলে? তুমি আসবে না?
-না, স্যার আমার পক্ষে সম্ভব নয়। অন্তত, আমার গন্ডিতে যে মানুষগুলো আছে, ওরা ভিষণ কষ্ট পাবে।
-আচ্ছা যাক সে কথা। সমস্যা নেই। আমাকে দরকার পড়লে বলতে পারো। সাহায্য করব সাধ্যমত।
-হুম, আপনাকে সাথে পেলে আমার ভালো লাগবে।
-আমরা কি দলাদলি করছি? কথাটা বলে হেসে ফেললেন মোজাম্মেল সাহেব।
এর উত্তরে অনব বলল, আমি করছি না, এটা সত্য!
-রাজনীতিতে সত্য মিথ্যা প্রভেদ করা খুব কঠিন। আমরা অনেক মিথ্যাকে সত্য করে বলতে শিখে গেছি। এই যেমন ধরো, আমি একজন সমাজতান্ত্রিক নেতা, আর আমার ছেলে কিনা আমেরিকায় পড়তে যাচ্ছে। যে দেশকে আমি আগ্রাসী বলে ভাষণ দেই। এ চরম সত্যটার একটা ঘাপলা উত্তর কি জানো?
অনব একটু হাসে। তারপরে বলে, নাহ! তা জানি না।
আমি বলি, আমেরিকায় যে সাবজেক্ট আছে, তা অন্য দেশে নাই। তাই ও আমেরিকায় পড়তে যাচ্ছে। আর গেলেই বা কি? ও কি থেকে যাবে? ফিরে আসবে, এসে আমার পার্টিতেই তো কাজ করবে।
-আপনার মনে হয় ও ফিরে আসবে?
-জানি না।
কথাটা বলে দীর্ঘশ্বাস ফেলল মোজাম্মেল সাহেব। ধীরে ধীরে পায়চারি করছেন। বললেন, তোমার বয়সটা আমারও ছিল। কি উদ্যাম ছিলাম কাজে, তোমার কোন ধারণাই নাই। সারা রাত বসে বসে, প্ল্যাকার্ড বানিয়েছি, ভোরে পার্টি অফিসে গেছি, মিছিলে গেছি, পুলিশের মাইর খেয়েছি, বাসায় বাবা মার কথা শুনেছি। অবাক করা প্রত্যয় ছিল আমাদের। যখন দেখলাম, আমার দলের লিডার আদর্শের ভোল পালটে চলে গেলেন আইয়ুব খানের পলিটিক্যাল পার্টি করতে, ঠিক তখন বুঝলাম, আমি কতটা আহাম্মক। কতটা ফালতু আমাদের এইসব নেতারা। তিন বছর পড়াশোনা করিনি। তারপরে সব ছেড়ে পড়াশোনা শেষ করলাম। যুদ্ধেও পর্যন্ত গেলাম না। তখন আমি নিজেরটা বুঝতে শিখেছি। তুমিও শিখবে, সময় এলে।
অনব একটু উদ্যমি হয়ে বলল, আমি আজই চলে যাব। ঢাকায় কাজ আছে। আপনার সাথে দেখা হয়ে ভালো লাগল।
মোজাম্মেল অনবের দিকে তাকায়। ধীরে ধীরে বলেন, আচ্ছা এখনই চলে যাবে?
-জ্বি।
-তুহিনকে বলেছো?
-নাহ! তার দরকার নেই। ও জানে আমাকে। চলে গেলে অবাক হবে না।

অনব যা আশা করেছিল, তার কিছুই হলো না। অনেকটা হতাশ হয়েই বের হলো বাড়িটা থেকে। যাওয়ার আগে তুহিনের মা’র জোরাজরিতেও দুপুর পর্যন্ত থাকতে চাইল না অনব। পা বাড়ালো শহরের রাস্তায়। গন্তব্য বি-আর-টিসি মোড়। সেখান থেকে ঢাকার বাসে সোজা ঢাকা ফিরবে বলে স্থির করে ফেলল অনব।

চলবে...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29501047 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29501047 2011-12-12 00:29:42
আসুন আমরা একটু আত্মসমালোচনা করি
রাম মন্দির সেখানে ছিল না! অথচ, বাবরি মসজিদ বানানো হইছে অযোধ্যায়। আমাদের জন্য মক্কা যেমন পবিত্র, তেমনি হিন্দুদের জন্য আযোধ্যা পবিত্র। কেননা এই অঞ্চলকে তারা রামের জন্মভূমি বলে বিশ্বাস করে। সেই পবিত্র ভূমিতে, আমরা মসজিদ বানাইছি। ভালো কথা। হিন্দুরাও বানাইতে দিছে। কেন দিছে? কারণ তখন শাসনভার ছিল মুসলিমদের হাতে।

মানলাম, যদি আজকে আমেরিকা সৌদি দখল করে মক্কায় গীর্জা বানাইতো, তাহলে মুসলমানরা কি সেটা হতে দিত? আরে মক্কায় তো বিধর্মীদের প্রবেশই নিষেধ। হায় রে মুসলমান। এত ঈমান তোদের! যে বিধর্মী কাউকে, এতখানি সহ্য করার ক্ষমতা আমাদের নাই।

ঠিকাছে, এত বছর পড়ে হিন্দুরা কইছে, এইখানে রাম মন্দির ছিল, সুতরাং, এইখানে আমরা প্রার্থনা করব। উইকিপিডিয়ায় প্রাপ্ত তথ্য মতে (উইকিপিডিয়া আমেরিকান মিডিয়া, এতে ভুল তথ্য দেওয়া আছে, এখানে মুসলমানদের বিরুদ্ধে কথা বলা হইছে, ইত্যাদি ইত্যাদি, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন এসাইনমেন্টের কাজ বলেন, আর অফিসের কোন রিসার্চ কাজই বলেন, অথবা সামান্য একটা জরুরী তথ্যই বলেন, মুসলমানরাই উইকিপিডিয়া আগে খুজে, মানে তখন সব তথ্য সঠিক হয়ে যায়) অযোধ্যায়, একই স্থানে হিন্দু মুসলমানরা প্রার্থনা করত। ১৯৩৭ সালে, যখন এই মসজিদটি সংস্কারের অভাবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল, আর ঐ এলাকায় ইতোমধ্যে অনেক মসজিদ হয়ে গেছে, হিন্দুরা দাবী তুলল, ঐ মসজিদ তো তোমরা ইউজ কর না, এখন তাহলে ওটা আমাদের দিয়ে দাও। তখনই কিনা আমাদের মুসলমানিত্ব চারা দিয়ে উঠে। তখন ঐখানে আমাদের নামাজ পড়তেই হবে।

জাকির নায়েক কয়, আত্মঘাতি হামলা আমি সাপোর্ট করি না। কিন্তু যারা এটা করেছে তাদের আমি সাপোর্ট করি। মানে ঘুরে ফিরে আমরা যা করব তাই ঠিক। আর খ্রিষ্টানরা ভালো কিছু করলেও খারাপ। (There is no provision in Islam to commit suicide, thats haram, but if Osama Bin Laden is terrorizing a terrorist (AMERICA) then I support his acts)

কোন মুসলমানকে দেখলাম না, এই দুইদিন আগে শিয়াদের আশুরায় যে বোমা হামলা হয়ে ৫৮ জন মারা গেল, তাদের জন্য দুঃখ করতে। কোন মুসলমান শালা, সাহস থাকলে এটা ফেইসবুকে শেয়ার কর, যে এটা আমাদের ভুল, আমরা ভুল পথে হাটতেছি।

ভারত মুসলমানদের নাকি নিপীড়ন করে, আরে চ্যাটের বালের পোস্ট দেখলাম। অথচ, মাই ন্যাম ইজ খান নামক সিনেমা ভারতেই হয়। ভারতে টপ একটর সব মুসলমান। ওদের তো কিছু হয় না। ভারতের রাষ্ট্রপতিও মুসলমান ছিল, যা কখনই বাংলাদেশ অথবা অন্য কোন মুসলমান দেশে কোনদিন সম্ভব না।

মুসলমানদের এই একগুয়েমিকে আমি ঘৃণা করি। কেননা ওরা সত্যকে জোর করে মিথ্যা প্রতিভাত করে।

আর খবরে দেখলাম, ২৫ জন নাকি খ্রীষ্টান হইছে। ওদের নাকি মারার জন্য খুজতেছে। কেমন একরোখা এই মুসলমান জাত, যে কেউ যদি ইসলাম গ্রহণ করে তাহলে সাদরে আমন্ত্রণ জানাবে। আর কেউ ত্যাগ করলে মারতে যাবে? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29499462 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29499462 2011-12-09 15:46:51
রাষ্ট্রদ্রোহী! এটা নিছক গল্প!

চিটাগাং এর ট্রেন দুপুর দুইটায় ছাড়ে। ট্রেনের একটা কম্পার্টমেন্টে চেপে অনব তার আসনে স্থির হয়ে বসে। ট্রেন ছাড়ার কথা দুইটায়। কখন ছাড়ে কে জানে। ট্রেনের কম্পার্টমেন্টে অনেক লোকের আনাগোনা। কেউ নিছক চিটাগাং ভ্রমনে যাচ্ছেন, কেউ বা কাজে, কেউ বা বাড়িতে ফিরছেন। তবে অনবের উদ্দেশ্য ভিন্ন। সে দেশ উদ্ধার করতে যাচ্ছে। অন্তত তার কাছে সেটাই মনে হচ্ছে। উদ্দেশ্য রাজনৈতিক। চিটাগাং এর কমিউনিস্ট পার্টির চ্যায়ারম্যান তাকে ডেকে পাঠিয়েছেন। কেন, সে কথা অনব নিজেও জানে না। তার কাছে এসব রাজনীতির খেলা নিছক ছেলে মানুষি ঠেকছে। ছেলে মানুষিই হবে। তা না হলে এই বয়সের ভূত সহজে যাবার নয়। একবার মাথা চাড়া দিয়ে উঠলে নামতে অনেক সময় লাগে।

অনবের পাশের লোকটি বেশ হোমড়াচোমড়া টাইপের। অনবের সাথে কথা বলা শুরু করল ক'টা বাজে জিজ্ঞেস করা থেকে। লোকটির নিজের কাছে যে সময় জানার কোন যন্ত্র নেই তা নয়। লোকটিকে দেখেই মনে হচ্ছে বাচাল টাইপের। ঘড়ির কাটা যখন দুইটা পনের ছুই ছুই করছে, ঠিক তখন ট্রেনটা নড়েচড়ে উঠল। আর পাশের লোকটিও বলে উঠলো, পনের মিনিট লেট। বুঝলেন, এই দেশের আর কি হবে।

অনব স্বভাবসুলভ হাসি দিয়ে জানালার বাইরে তাকাল। ইচ্ছে করেই ট্রেন বেছে নিয়েছে অনব। বাসে যেতে ইচ্ছা করে না। ট্রেনের শব্দ তার অনেক প্রিয়।
-আপনি কেন যাচ্ছেন? মানে কোন কাজে? না ঘুরতে।
অনিচ্ছা সত্তেও অনব উত্তর দিল, যাচ্ছি, কাজেই যাচ্ছি।
-অফিসের কাজ?
তা দিয়ে আপনার কি? মেজাজ খারাপ হতে শুরু করেছে অনবের। এমনিতেই সে কম কথা বলে, আর যাত্রা শুরু হতেই এই দেশদরদীর হাতে পড়েছে কিনা।
-নাহ! আমার কোন চাকরি বাকরি নেই, অবসরে থাকি, লেখালেখি করার স্বভাব, ওখানে একজনের সাথে দেখা করতে যাচ্ছি।
-ওহ! আচ্ছা।
লোকটি ইতোমধ্যে অনবের ইন্ট্রোভার্ট ক্যারেকটারের কথা বুঝতে পেরেছে বোধহয়। তাই আর কথা বলল না। তবে, লোকটি এত সহজে ছাড়ার পাত্র নয়। সে তার মুখোমুখি বসা আরেক বুজুর্গ টাইপের মানুষটির সাথে কথা বলা শুরু করল।

ট্রেন ধীরে ধীরে চলছে, ঢাকা ছাড়ার সময়, ট্রেন কোন এক কারণে কচ্ছ্বপের গতিতে চলে। অনব ঠায় তাকিয়ে থাকে বাইরের দিকে। কখন শহর শেষ হবে, আর কখন একটু সবুজের আনাগোনা শুরু হবে। শহর শেষ হতে ঢের দেড়ি আছে! কথাটা অনবও জানে। কেননা, ঢাকা শহর অনেক বেড়েছে। মানুষ বন্দীত্ব বরণ করছে, আর অসহায়ের মত কবুতরের খুপড়ি ঘরে ঠায় নিচ্ছে।

ট্রেনে সবাই কিছু না কিছু করে। কেউ বই পড়ে, কেউ বাইরের দিকে তাকিয়ে থাকে। কেউ তার বন্ধু-বান্ধবীর সাথে গল্প করে, আর কেউ বা আপণ মনে বসে থাকে। এই কম্পার্টমেন্টও ভিন্ন কিছু নয়।

ট্রেন যখন সবুজের ধার ঘেসেছে, তখন ঘড়িতে সাড়ে তিনটা বাজে। এমন সময়, পাশের ভদ্র গোছের লোকটি আবার কথা বলা শুরু করল। ক'টা বাজে একটু দেখবেন। অনব ঘড়ি দেখে বলে, সাড়ে তিনটা।
-যে গতিতে স্টার্ট করেছে, আজ রাত না বাজিয়ে ছাড়বে না।
বলেই লোকটি সব দাত বের করে বিচ্ছিরি ভাবে হাসে।

অনব কিছু বলে না। বাইরের দিকে তাকিয়ে থাকে। লোকটি তার বিপরীত দিকের মানুষটিকে বলে, বুঝলেন, ভারতে গিয়েছিলাম। ওদের সব টাইমলি ছাড়ে, টাইমলি পৌছায়। আর ওদের দেশের ট্রেন তো মারাত্মক। যে গতি আর যে টাইমিং, মানে অবাক করার মত। উল্টোপাশের লোকটাও বেশ খোশ মেজাজে। সেও বলে, হুম, আমাদের আর কি হবে? আমাদের দেশের কিছুই তো ঠিক নাই। তাও যে ট্রেন এখন চলছে, এইটাই অনেক কিছু। বলে সেও হাসে। হাসতেই থাকে। তারপরে কথা গড়ায় রাজনীতিতে। দূর্নীতিতে। সব বিষয় উদাহরণ হয় ভারত, মনে হয় লোকটি ভারত ছাড়া অন্য কোন দেশ সম্পর্কে জানেই না। হয়তো অন্য কোথাও যাওয়ার সৌভাগ্যটি তার হয়নি।

এমন সময়, টিকেট চেকার আসে। এসেই বলে, সবাই টিকিটটা হাতে নিন। শুনে, বুক পকেট থেকে অনব টিকিটটা বের করে হাতে রাখে। ট্রেনের গতি বেড়েছে। সাথে শব্দও হচ্ছে মারাত্মক। এই শব্দের টানেই ট্রেনে ওঠে অনব। এর এক আলাদা টেম্পো আছে। একটু পর পর, লোহায় লোহায় ঘর্ষণের আওয়াজ ওকে মাতাল করে তোলে। শৈশবের কথা মনে করিয়ে দেয় তার।

টিকিট চেকার যখন কাছে আসে, তখন সে বাচাল লোকটা, টিকেট হারিয়ে ফেলার ভান করে। তারপরে বলে, টিকিটটা ভাই খুজে পাচ্ছি না তো। চেকার মুখের ভানটা এমন করে, যেন এ আর নতুন কি? আপনাদের মত লোকেরা আকসার এই কাজ করে।

লোকটা বলে, আচ্ছা একশো টাকা নিয়ে নাও। খুজে পাচ্ছি না। চেকার বলে, একশো টাকা? টিকিটের দাম একশো পঞ্চাশ টাকা। লোকটা বলে, আচ্ছা একশো পঞ্চাশ টাকাই নাও।

চেকার বলে, কাজটা ঠিক হচ্ছে না। আপনি টিকিট ছাড়া গাড়িতে উঠছেন কেন?

বাঙ্গালীর এসব কথায় খুব লাগে কিনা। বাচাল লোকটি তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠে। আমারে দেখছো? আমাকে দেখে কি চোর মনে হয় তোমার? আমি ভদ্রলোক, বুঝছো? আমি চুরি করি নাই। আর টিকিট না থাকলে, এই সিটে আর কেউ দাবীদার নেই কেন? বুঝো না?

তর্ক চলছে, অনব চোখ ছোক ছোক করে দেখছে সবই। তার বেশ মজা লাগছে ব্যপারটা। উল্টোদিকের বুজুর্গু টাইপের লোকটাও, এই বাচাল লোকটাকে সাপোর্ট করে, বলে আরে বাবা, উনি ভদ্রলোক, ভদ্রলোক দেখেও চিনো না।

টিকিট চেকারের করার কিছু থাকে না। সে একশত পঞ্চাশটাকা হাতে নিয়ে পকেটে ঢুকায়। তারপরে চলে যায় অন্য চেয়ারগুলোর দিকে। বাচাল লোকটি বলে, যত্তসব, অসভ্যে ভরে গেল দেশটা। দেখছেন? দেখছেন কারবারটা? বলে আমি নাকি চোর? আরে ভাই, টিকিট তো হারাতেই পারে? এটা কি ম্যাট্রিকের সার্টিফিকেট? যে লেমিনেটিং করে গলায় ঝুলিয়ে রাখতে হবে।

পাশ থেকে অনব এবার বিনয় নিয়ে বলে, আপনি না ভারতে গেছেন?
-হ্যা গেছি তো! ওখানে...
-ওখানে এমন হয় না। টিকিট না পেলে ওরা ট্রেন থেকে নামিয়ে ছাড়ে।
লোকটা এবার হুমকি ছাড়ে। ওটা ভারত, এটা বাংলাদেশ। এখানে ওসব চলে না।
-এইমাত্র না বলছিলেন, ভারতের রাজনীতি, রাষ্ট্রনীতি...সব আদর্শ।
-হ্যা ঠিক। ওদের মত হলে, আমিও টিকিট যত্ম করে রাখতাম।
-কিন্তু আপনি যে ঘুষ সাধলেন? এটা কি দূর্নীতি নয়?
-আমি ঘুষ সাধি নাই, আমি টিকিটের মূল্য দিছি।
-নাহ! আপনি টিকিটের মূল্য দেননি, ঐ টাকাটা ট্রেনের তেরজুরিতে যাবে না। যাবে হলো ঐ চেকারের পকেটে। দেশ নিয়ে কথা বলার আগে নিজে কতটা করছেন, তা একবার ভেবে দেখুন না।
বুজুর্গ বলে, আরে ধূর, দেশ নিয়া তো আমরা হরহামেশাই বলি। আর দেশের অবস্থা তো তেল-পানি।

অনব চুপ করে মুখ ফিরিয়ে নেয়। এ লোকগুলোকে বোঝাতে গিয়ে নিজেকে ছাগল হতে হবে ওদের মত। তা না হলে, এদের সাথে পারা মুশকিল।

তবে বুজুর্গ আর ঐ বাচালের কথা কিন্তু থামে না। তারা ট্রেনের চেকারের গুষ্টি উদ্ধার করতে ব্যাস্ত। আর বাংলাদেশকে গালি তো শুনতেই হয়!

(চলবে...) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29499146 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29499146 2011-12-09 00:12:32
বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম! <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" />
আমাদের পুরো দেশের এই সমস্যা। আমরা বুঝি না কিসে আমাদের সাফল্য আসে। আর কিসে আসে না। এভাবে নামাজ পড়লো ভালো কথা, কিন্তু এভাবে তো আর ক্রিকেট ম্যাচে জেতা যায় না।

আরেকটি জিনিস, সবাইকে মনে রাখতে হবে, তিন বারের চ্যাম্পিয়ান অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটাররা খ্রীষ্টান, আর এবারের চ্যাম্পিয়ান ভারতীয়রা বেশির ভাগই হিন্দু। ওরা তো নামাজ পড়ে না। না পড়েই চ্যাম্পিয়ান হয়ে গেল কেমনে? এর একটা সহজ ব্যাখ্যা হলো, কাজের সফলতার জন্য দরকার হলো প্র্যাক্টিস, কমিটমেন্ট ও সর্বোপরি দেশ প্রেম। যেটা আমদের মধ্যে অবর্তমান। আমরা মনে করি, আমাদের ক্রিকেট টিম কত আল্লাহওয়ালা! অথচ, ওদের মধ্যে না আছে কমিটমেন্ট, না দেশ প্রেম না প্র্যাক্টিসের কোন আলামত! এগুলো ঈশ্বরের হাতে নেই।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29497782 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29497782 2011-12-06 21:52:56
সাইদ বনাম সমাজ! ঘটনা-১,

যখন ক্লাস থ্রীতে পড়তাম, তখন তেমন বোধ ছিল না প্রেম ভালোবাসা নিয়ে। কিন্তু সৌন্দর্য কি জিনিস সেটা ঠিকই টের পেতাম। আমার একটি বন্ধু ছিল। নাম বলব না তার। তার বোন ছিল অপরূপা সুন্দরী। আপু প্রায়ই স্কুলে আসতেন আমার বন্ধুটিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। তারা দুই ভাইবোন, অনেক বেশি মিল। আমার বন্ধুর মা আসত প্রায়ই। ওদের তিনজনের সংসার। তার বাবা ছিল না। যখন আমি ক্লাস টেনে উঠলাম, একদিন শুনতে পেলাম আমার বন্ধুটির বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। ক্লাস টেনে উঠতে উঠতে প্রেম ভালোবাসা কি বুঝতে শিখেছি। বন্ধুটির বোনের জন্য, আমার একটু দূর্বলতা কাজ করত। তাই ওর বিয়ে হয়ে যাওয়ার ব্যাপারটি মনের মধ্যে দাগ কেটেছিল স্পষ্টত।

আপু আমার বন্ধুটিকে নিতে আর আসত না। আসত শুধু বন্ধুটির মা। যখন আমি ইন্টার পরীক্ষা দিব, ঠিক তখন একটা খবর শুনলাম। আমার বন্ধুটির সেই বোনটি আত্নহত্যা করেছে। আত্মহত্যা? বন্ধুটির চোখের দিকে তাকানো যেত না। সে মুষড়ে পড়েছিল। সেই অবস্থায় তার পরীক্ষাটি দিতে হয়।

আপু আত্মহত্যা করতে যাবে কেন? এই প্রশ্ন আমার মনের ভেতর ঘুরপাক খেতে লাগল। আমি কোনমতেই এটা বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। পরে, শুনেছি আমার বন্ধুর বোনের বিয়ের পর থেকেই তার হাসব্যান্ড পুরোই উলটো আচরণ শুরু করেছিল। সে আমার বন্ধুর মা কে প্রায়ই জোর করত, তাকে একটা গাড়ি কেনার টাকা দিতে। আমার বন্ধুর বাবা নেই। বুঝতেই পারছেন, এভাবে একটা ফ্যামিলির জন্য একটি গাড়ি কিনে দেওয়া কতটা কঠিন ব্যাপার।

এটা যৌতুক হবে। এটা সর্বজন বিদিত। আপুটি মারা যাবার আগে তিন মাস সে আমার বন্ধুর ফ্যামিলিতে এসে ছিল। এবং সে বলত, ঐ জানোয়ারের কাছে সে কোনদিন ফিরে যাবে না। শারিরীক প্রহার থেকে শুরু করে, মানসিক ও যৌন প্রহারও তখন মেয়েটিকে চিড়ে চিড়ে খাচ্ছিল। তারপরে, মেয়েটির স্বামী তাকে অনেক বুঝিয়ে আবার বাড়িতে নিয়ে যায়। এর পরের ঘটনা অনেক করুন। মাত্র ৭ দিনের মাথায় আপুর ঝুলন্ত লাশ পাওয়া গেল তাদের বেডরুমে।

গায়ে আঘাতের চিহ্ন ছিল, ছিল বিভিন্ন স্থানে ক্ষতের দাগ। পোস্ট মোর্টেম রিপোর্টে কি এসেছিল তা আমার জানা নেই। আপুর স্বামী এখন দ্বিতীয় বিবাহ করে সুখে জীবন যাপন করছে। তাদের সমৃদ্ধির পরিবার। বন্ধুটি প্রায়ই তার বোনের কথা আমাকে বলে। বলতে বলতে কেঁদে ফেলে। কি ছিল তার দোষ আমি বুঝতে পারি না। কেউই হয়তো পারে না। বন্ধুটি অসহায়। সে কিছু করতে পারেনি তার বোনের জন্য, যেমনটি এই দেশের অনেক মানুষই পারে না।

ঘটনা-২,

অনেকদিন আগেকার কথা। আমি আমার এক আত্মীয়ের বাসায় গিয়েছিলাম। সেখানে আমার এক ভাবী এসেছেন। ভাবী শ্যামলা বর্ণের, মুখের গঠন সুন্দর, স্বাস্থ্যকর চেহারা। ভাইয়া সবে এম এস সি করে বিদেশ থেকে এসেছে। সেদিন ছুটির দিন ছিল। আমরা ছোটরা মিলে হই চই করছি। এমন সময় ভাবীর একটি ফোন এলো অফিস থেকে। ভাইয়া স্থির দৃষ্টিতে ভাবীর দিকে তাকিয়ে আছেন। ব্যাপারটা আর কেউ খেয়াল করছে না। তবে আমি করছিলাম। ফোনটা রাখতেই ভাবীকে ভাইয়া জিজ্ঞেস করল, ছুটির দিনে অফিস থেকে ফোন আসে কেন?

ভাবী সবার সামনে ইতস্তত হয়ে বলেছিলেন, ঐ একটা কাগজ আমাকে দিতে বলেছিল দেই নাই। ওটার কাজ শেষ হয়েছে কিনা বস জানতে চাচ্ছিল।

এর উত্তরে ভাইয়া যা বলল তা বিস্ময়কর, তোমার আর কাজ করার দরকার নাই। ঘরের লক্ষ্মী ঘরেই থাকবা বুঝছ?

ভাবী কিছু বলল না। তবে, সেদিন বিকাল বেলায় ভাবীর চোখের নিচে ফোলা দাগ দেখে অবাক হয়েছিলাম। ভাবী যে কাদছিল তা স্পষ্টত আমার চোখে পড়েছিল। তারপরে ভাবী চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলেন। এখন একজন সাধারণ হাউস ওয়াইফ।

দ্যা বোটম লাইন

সামাজিক কারণেই হোক, আর ধর্মীয় বাধ্যবাধকতা থেকেই হোক, আমাদের সমাজের নারীরা আজও পুরুষের অধীন। পুরুষের ইচ্ছাতেই তাকে চলতে হয়। পুরুষের ইচ্ছাতেই তাকে কাজ করতে হয়। অনেক সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করা, আর জীবনের ১৮টি বছর পড়াশোনা কোন কাজে আসে না মেয়েদের। কেননা, তার স্বামী একটা বিশাল ফ্যাক্টর। কিন্তু কথাটা একটু ঘুরিয়ে চিন্তা করলে কি দেখা যায়? পুরুষের কি এমন কোন বাধ্যবাধকতার ধার ধারতে হয়? হয় না। কারণ আমাদের সমাজটি পুরুষতান্ত্রিক। তাই দৈবক্রমে একটি পুরুষ নির্যাতনের ঘটনা আমাদের কাছে বিশাল ব্যাপার বলে প্রতিভাত হয়।

সাইদের ব্যাপারটিতে আমি মোটেও দুঃখিত নই। কেননা, একজন এডাল্টকে আপনি কোনমতেই কোন ব্যাপারে জোর করতে পারেন না। সব মানুষের স্বাধীনতা আছে। আপনারা বলতে পারেন, আপনার বউ যদি এমন করত তাহলে কি করতেন?

আমি হয়তো তাকে বুঝাতাম, তাকে বলতাম, তোমার রাস্তা খোলা, তুমি চাইলে আমাকে ছেড়ে চলে যেতে পার। তারপরে অপেক্ষা করতাম তার উত্তরের জন্য, কিন্তু কখনই তাকে আমি অত্যাচার করতাম না, বা এধরণের ঘৃণ্য কাজ করতাম না, যাতে সে চিরজীবনের মত অন্ধ হয়ে যায়। আমি তো তার সাথে মানুষের মতই আচরণ করব, অমানুষের মত আচরণ করাটা তো আমার বিবেক দ্বারা তাড়িত নয়।

সে যদি চলে যেত আমাকে ছেড়ে? যেতেই পারত, তাতে কি? জীবন কখনই কারও জন্য থেমে থাকে না। সব সময় একটা রাস্তা সবার জন্য উন্মুক্ত হয়ে যায়ই!

সাঈদের মত একজনের মৃত্যু আমাদেরকে আজ বড় দংশিত করছে? কিন্তু প্রতিবছর, গ্রামে গঞ্জে, শহরের তল্লাটে, যে ক'জন নারী যৌতুকের দাবী মেটাতে না পেরে, হয় আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়, নতুবা হত্যার শিকার হয়, তা কি আমরা দেখি? দেখেও না দেখার ভান করি। সিমি, ইয়াসমিন, সহ ছেলেদের ইভটিজিং এর নোংরামির জন্য যারা জীবন দিল, আমরা কি তাদের জন্য আজ সাইদের মত দুঃখ প্রকাশ করছি?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29497470 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29497470 2011-12-06 13:06:16
নতুন ব্যাংক মানেই ইনফ্লেশন!
ইনফ্লেশন জিনিসটা কি?

খুব সহজ একটা উদাহরণে ইনফ্লেশন বুঝিয়ে দেওয়া সম্ভব। মনে করুন, একটা দেশে মাত্র দুইটা পণ্য আছে। এই দুইটা পণ্যের বাজার মূল্য ১০ টাকা করে সর্বমোট ২০ টাকা। এখন ধরেন, যদি বাইরে থেকে টাকা আসে, তাহলে এই দুইটি পণ্যের উপরে এর কি প্রভাব পড়তে পারে। দেশে মাত্র দুইটি পণ্য মানে হলো, মাত্র দুইটি প্রোডাক্ট। যাদের একটি ফিক্সড প্রাইস আছে। বাইরে থেকে এখন টাকা আসলে, এই দুইটি পণ্যের উপরে ওভার প্রাইস বা মূল্যস্ফীতি হবে। অর্থাৎ, যদি বাইরে থেকে ২০ টাকা আমাদের এই ছোট্ট ইকোনমিতে যুক্ত হয়, তাহলে ২০ টাকা দুইভাগ হয়ে ১০-১০ করে দুইটি পণ্যে বর্তাবে। অর্থাৎ, পণ্য দুইটির দাম হবে, ২০ টাকা ২০ টাকা অর্থাৎ ৪০ টাকা।

এর আগে এর দাম ছিল, সর্বমোট ২০ টাকা। এখন সর্বমোট ৪০ টাকা। অর্থাৎ আমাদের এই ইকোনমিতে যদি একজন ক্রেতা ও বিক্রেতা থাকেন, তাহলে, ক্রেতা বিক্রেতার কাছে বিক্রী করবেন, ২০ টাকা দরে।

ইনফ্লেশন তখনই হয়, যখন আগত টাকার বিপরীতে কোন রিসোর্স না আসে। অর্থাৎ যদি ২০ টাকা মার্কেটে প্রবেশ না করে বিশটাকার পণ্য মার্কেটে প্রবেশ করত, তাহলে পূর্বের দুইটি পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পেত না।

এটাই হলো মার্কেট ইকোনমির এসেন্স!

ব্যাংকের কারবার টাকা নিয়ে। এর সাথে পণ্য বা প্রডাক্টের যোগাযোগ আছে। তবে, আমাদের দেশে তা মেইনটেইন করা হয় না। অর্থাৎ, আমি যদি মার্কেটে ২০ লক্ষ টাকা ছাড়ি, তাহলে, এই ২০ লক্ষ টাকা কোন পণ্য ছাড়াই মার্কেটে ছাড়া যাবে না। অর্থাৎ, এই ২০ লক্ষ টাকা কাউকে ধার দিলে, সেটা দেশের সর্বমোট জিডিপিতে ইফেক্ট ফেলতে বাধ্য। সুতরাং যত ব্যাংক,তত মূল্যোস্ফীতি। আমাদের পাশের দেশ ভারতে সিডিউলড ব্যাংক আছে দেশি বিদেশি মিলিয়ে ৪৮ টি। আর বাংলাদেশে আছে ৪৯ টি।

ভারত অনেক বড়, সে তুলনায় ৪৮টি ব্যাংক কিন্তু বেশি নয়। এদিকে বাংলাদেশ অনেক ছোট এবং জনসংখ্যাও ভারতের থেকে কম, কিন্তু ব্যাংক দেশি বিদেশি মিলিয়ে আছে ৪৯টি। অর্থাৎ নতুন আরেকটি ব্যাংক যুক্ত হলে হবে ৫০টি।

আমাদের টাকার মান, অন্যান্য দেশের কারেন্সি থেকে পড়ে যাওয়ার এটাই একটি বিশাল কারণ! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29497168 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29497168 2011-12-05 23:30:58
দেশের হালচাল!
মূল কথায় আসি। একটা জিনিস কেউ খেয়াল করেছেন কিনা জানি না। যখনই আমাদের দেশে একটি নির্বাচিত সরকারের শেষ মুহুর্ত চলে আসে, মানে আরেকটি নির্বাচন যখন আসিন হয়, ঠিক তখনই, দুই দলের ক্ষেত্রেই একটি জিনিস পরিস্ফুট হয়। সেটা হলো, জনগণের থেকে সরকারের দূরত্ব ক্রমেই বাড়তে থাকে। এবং এ দূরত্ব ক্রমেই দলের পতনের কারণে গিয়ে পড়ে।

২০০৬ সালে আমার মনে আছে, খালেদা জিয়া বলেছিলেন, "কে বলেছে জিনিস পত্রের দাম বেড়েছে? এগুলো মিডিয়া প্রচার করে, আপনারা প্রচার করে বেড়াচ্ছেন"।

অবাক হয়ে খালেদা জিয়ার এরোগেনস দেখেছিলাম। মনে হচ্ছিল, উনি কি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী?

একই ঘটনা দেখলাম আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষেত্রেও। কয়েকদিন আগে নতুন দুই মন্ত্রী শপথ অনুষ্ঠানে তিনি কি বললেন, "সবাই শুধু ব্যার্থতা দেখে, যখন আন্তর্জাতিকভাবে সরকারের বিভিন্ন কাজের প্রশংসা করা হচ্ছে"। সেদিন শেখ হাসিনার এরোগেনস দেখে আমারও ২০০৬ সালে খালেদা জিয়ার কথা চোখে ভেসে উঠেছিল।

আর কত আমরা এই দুই দলের ধামা ধরে বেড়াব জানি না। এখন এই সার্কাস আর ভালো লাগছে না। সরকার একটা মোকারিতে পরিণত হয়েছে। সৈয়দ আশরাফুল বলেছেন, ব্লগ নাকি পর্ণো সাইট। দীপু মনি বলছেন, বাংলাদেশের ক্ষতি হয় ভারত এমন কিছুই করবে না। বাণিজ্যমন্ত্রী আবার কবে কি বলে আল্লাহই জানেন। ঐদিকে আবুল মালের তো আরেক গলা। ইকোনমির ই-ও সে বুঝে না, দেশের ইকোনমি চালায়। বলে গ্যাসের দাম নাকি তেলের দামের সমান হওয়া উচিৎ।

আরেক আবুলের সার্কাস দেখলাম পদ্মা সেতু নিয়ে।

এখন দেখা যাক, পতন কত আসন্ন! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29496539 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29496539 2011-12-05 00:30:50
নিওফাইটের রাজ্যে একটি প্রসংশনীয় উদ্যোগ, অশেষ শুভকামনা নিশাচর নাইম " নামক এক ব্লগারের ব্লগে ঢুকে পড়ি। ঢুকে যা দেখলাম, তা দেখে অত্যন্ত আনন্দিতই শুধু হইনি, বলতে পারেন হতবাক হয়েছি। ব্লগে কোন লেখা লিখতে কিছুই লাগে না। হাত আর মাথা থাকলেই হয়। তবে এ কাজ করার জন্য যথেষ্ট অনুপ্রেরণা, কর্মস্পৃহা, ও পরোপকারির মেন্টালিটি থাকতে হয়। যা আমার অন্তত নেই।

আজ খুব খারাপ লাগছে, এইসব জিনিস আমি এইচ এস সি লেভেলে পেলে, হয়তো সাইন্স পড়া কোনদিনই আমাকে ছাড়তে হত না।

অবশেষে @ নিশাচর নাইম, অসংখ্য ধন্যবাদ এই ব্লগে এসে, এমন একটি জিনিস ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য। আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যত যে কতটা উজ্জ্বল তা স্পষ্ট। একদিন অবশ্যই ছাত্র-ছাত্রীরা এর বদৌলতে, অন্তত কোচিং করাটা ছেড়ে দিক, এইটাই আমার কামনা।

নিওফাইট রাজ্য এর সকল কোলাকুশলি, এবং সংশ্লিষ্ট সকল পৃষ্টপোষক, লেখক, ও কন্ট্রিবিউটারকে জানাই অভিনন্দন, তার সাথে থাকল অনেক অনেক ভালোবাসা!

ভালো থাকবেন!

আর ইতোমধ্যে কেউ এই ব্যাপারে পোস্ট করে থাকলে আমি ক্ষমা প্রার্থী! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29494619 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29494619 2011-12-02 00:51:41
ফেইসবুক থেকে এইমাত্তর পাইলাম! <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_18.gif" width="23" height="22" alt=":|" style="border:0;" />
বড়ই চেন্তায় আছি, আমগো মাথা কি পুরাই গেল? /<img src=" style="border:0;" /> ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29493663 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29493663 2011-11-30 20:13:25
সিনেমার শেষ দৃশ্য ভয়ানক দৃশ্য সেটা, লালচে ধূসর স্ক্রীণে আবছা অবয়বগুলোর বিশ্রী নড়াচড়া,
নেঁচে গেয়ে বাদ্য বাজিয়েই শেষ হয়েছিল শেষ দৃশ্যটা।
বিভৎস ছিল দেয়ালের রঙগুলো, রঙচটে যাওয়া কুশ্রী বাড়ির মত।
শেষ দৃশ্যটা দেখার মত ছিল, সহ্য করার মত ছিল না।
লাশের উপর লাশ ছিল, তার উপর দিয়ে নৃত্য ছিল, আর ছিল
নষ্ট হয়ে যাওয়া সুখ স্মৃতি!

রক্তের উপরে আলতা পড়া নায়িকার চলে যাওয়ার দৃশ্য ছিল,
অলস দুপুরের জেগে ওঠা যৌবনের অতৃপ্তি ছিল।
সিনেমার শেষ দৃশ্যটা এমনই ছিল।

দেয়ালে সাটানো পোস্টার ট্রেইলারের ভেতরে অদ্ভূত এক দানব লুকিয়ে থাকে,
হিংস্র শাপদ দাতগুলো তার কামড়ে ধরে দেয়ালের রঙ...

অথচ, শেষ দৃশ্যতে আমি তোমাকে দেখেছি।
আশা দেখেছি। স্বপ্ন দেখেছি। পরিশেষে হল থেকে বেড়িয়ে এসে,
তোমার চোখে চুমু খেয়েছি...
নোংরা রাস্তা ধরে ফিরে এসেছি, তেল চিটচিটে ভয়ংকর জীবনে!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29484132 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29484132 2011-11-16 01:06:18
আমার একটা বিশেষ সাহায্য দরকার। এবং অতি শিঘ্রই!
এই লিংকে ফাইলটা পাবেন!

Click This Link ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29483358 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29483358 2011-11-14 22:01:24
আপনার মেয়েকে বোরখা পড়িয়েছেন তো? দেশের রাষ্টক্ষমতায় দুইজন অথর্ব মহিলা ২০ বছর ধরে বাল ছিড়তেছে।

ইসলামপন্থীদের চোখ ঘুরে ফিরে মেয়েদেরকেই আলিঙ্গন করে। কাপড়ের উপর দিয়ে তাদের বিভিন্ন অংশে চোখ ধাধিয়ে বেড়ায়। ছোক ছোক করে জিহবা দিয়ে লুল পড়ে অনবরত। চোখ দিয়ে তারা ধর্ষণ করে।

নিয়তির কাছে অশেষ আবেদন জানিয়ে রাখি, আমার যেনো এই ভূমিতে কণ্যা সন্তানের জন্ম না হয়। আমি আমার মেয়েকে পারব না কতগুলা পিশাচের সামনে নিয়ে ঘুরাফেরা করতে দিতে। যারা চান্স পেলেই দাত বসাতে চায়।

যারা যারপরয়ানাই হিংস্র, নোংরামিতে ভরপুর যাদের সর্ব চিন্তা চেতনা।

এই অবস্থার উন্নতি হবে না, যতদিন না ছেলে মেয়ে একসাথে এক কাতারে মসজিদে নামাজ পড়তে পারবে।

হজ্জ্বে তা সম্ভব হয়, কেন মসজিদে হয় না আমার জানা নেই। মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডাতে সব ধর্মের লোকদের আগমন হয়, নারী পুরুষের সমাগম হয়। সেখানে আল্লাহর ঘরের হক, এক মাত্র ছেলেদের। মেয়েরা যেন জনম পাপী!


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29479766 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29479766 2011-11-08 17:04:33
একটি সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের জন্য আমি নিম্নে উল্লেখিত ব্যাক্তিবর্গের ফাঁসি চাই
১...মোহাম্মদ জাফর ইকবাল
২...শাহরিয়ার কবির
৩...শামসুর রাহমান (কবর থেকে উঠিয়ে প্রতীকী ফাঁসি দেওয়া হোক)
৪...বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান (দেশটাকে অসম্প্রদায়িক আদর্শের ভিত্তিতে স্বাধীন করার জন্য।)
৫...মতিউর রহমান (প্রথম-আলোর সম্পাদক)
৬...আবেদ খান
৭...হুমায়ুন আহমেদ
৮...দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
৯...জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়
১০...মুন্নী সাহা
১১...আ আ স ম আরেফিন সিদ্দিক
১২...তারেক মাসুদ
১৩...এডভোকেট সুলতানা কামাল
১৪...মৃণাল হক
১৫...রামেন্দ্র মজুমদার
১৬...শামীম শিকদার
১৭...আসাদুজ্জামান নূর
১৮...শেখ হাসিনা
১৯...আনিসুল হক
২০...তানভীর মোকাম্মেল
২১...মোর্শেদুল ইসলাম
২২...কাজী নজরুল ইসলাম

সমস্ত চ্যানেলের হেড অফ প্রোগ্রাম যারা পূজার সময় নানান অনুষ্ঠান আয়োজন করে।

উপরে উল্লেখিত মানুষজনকে ফাঁসি দিয়ে, যারা ইতিমধ্যে মারা গেছেন, তাদের কবর থেকে উঠিয়ে প্রতিকী ফাঁসি দিয়ে আসুন আমরা দেশটাকে শুদ্ধ করি।

সর্বোপরি বাংলাদেশের সমস্ত, বৌদ্ধ, হিন্দু, খ্রীষ্টানদেরও ফাঁসি পর্যায়ক্রমে কার্যকর করার দৃঢ় দাবী ব্যাক্ত করছি।

বাংলাদেশ জিতে রাহো! বাংলাদেশ জিন্দাবাদ! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29479548 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29479548 2011-11-08 00:24:02
আমাদের বিকৃত সেক্সুয়াল ওরিয়েন্টেশন ও জাগো ফাউন্ডেশন
তবে, বিবিএ শেষ করার মুহুর্তে একটা ঘটনা ঘটল। এক দল বিদেশি স্টুডেন্ট এসে হানা দিল আমাদের ফ্যাকাল্টিতে। এরা এসেছে, জার্মানি থেকে। ছেলে মেয়ে একসাথে। একেকটা মেয়ে অপরূপা সুন্দরী। আর লম্বা। তাদের পোশাক আশাক, নিতান্তই ইউরোপীয়। টিশার্টের সাথে টাইট জিন্স প্যান্ট। টিনা নামে এক মেয়ের টিশার্ট একটু ঢিলা। গলার পাশ দিয়ে তার ব্রা এর ফিতা দেখা যাচ্ছে। আমাদের দেশের মেয়েদেরটা অনিচ্ছাকৃত ভাবে বের হয়। আর ওদেরটা দেখেই মনে হলো ইচ্ছাকৃত।

আমি সবার সাথে স্বাভাবিকভাবে কথা বললাম, হাসি ঠাট্টা করলাম। তবে বেশির ভাগের চোখ, টিনা মেয়েটির বেড়িয়ে থাকা ব্রা এর ফিতার দিকে। ওদের কাছ থেকে অনেক কিছু জানতে চাচ্ছি, জার্মানিতে পড়াশোনার সুযোগ কেমন, কিভাবে সেখানে যাওয়া যায়, আর কিভাবেই স্কোলার্সিপের জন্য এপ্লাই করা যায় ইত্যাদি ইত্যাদি।

এর মধ্যে আমার এক বন্ধু আগনেস নামক এক মেয়েকে জিজ্ঞেস করল, ওদের ওখানে হলে কি ছেলে মেয়ে এক সাথে থাকে? মেয়েটা খানিক বিচলিত মনে হলো। তারপর বলল, হ্যা এক সাথে থাকে। আমার বন্ধু অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, একই রুমে কি ছেলেমেয়ে এক সাথে থাকে কিনা।

মেয়েটি প্রশ্ন শুনে অবাক হয়ে যাচ্ছিল। তার উত্তর দেবার ভঙ্গি দেখে মনে হলো, সে বিরক্তির সাথে প্রসঙ্গটা এড়িয়ে যেতে চাইছে।

অবাক করা বিষয় হলো, এই বিদেশিনীদের পোশাক আশাকের ফাঁক ফোকড়ে কি আছে, আমরা যেন সেইটা নিয়েই ব্যাস্ত। কার কোন অঙ্গটা কিরকম, সেগুলো নিয়েই কালচার বেশি করি। ছেলে মেয়ে হলে এক সাথে থাকে, মাই গড এতো ভয়াবহ ব্যাপার।

আমরা কি সেক্স ছাড়া কিছুই ভাবতে পারি না? আমাদেরকে ওদের কাছ থেকে দেখে শেখার বা জানতে চাওয়ার আর কিছুই ছিল না।

এ ঘটনার প্রায় এক মাসের মত অতিবাহিত হয়ে গেছে। আমি তখন থেকে চিন্তা করছি ব্যাপারটা নিয়ে।

জাগো ফাউন্ডেশন

জাগো ফাউন্ডেশন এর সাথে আমি জড়িত নই। তবে, একবার রায়ের বাজারে অবস্থিত ওদের একটা স্কুলে একুশে ফেব্রুয়ারীর একটা অনুষ্ঠানে যাবার ভাগ্য আমার হয়েছিল। ইংলিশ মিডিয়ামের ছেলে-মেয়েরা সেখানে বস্তির ছেলে মেয়েদের ইংরেসজি মাধ্যমে শিক্ষা দেবার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। নিজেই দেখলাম, ইংলিশ মিডিয়ামের ছেলে মেয়েদের কাজ। তারা ক্লাস নিচ্ছে। কেউ একুশে ফেব্রুয়ারির অনুষ্ঠানের স্টেজ সাজাজ্জে। অনুষ্ঠানটি কন্ডাক্ট কিন্তু কোন ইংলিশ মিডিয়ামের ছেলে অথবা মেয়ে করল না। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণে সবই বস্তির ছেলেমেয়ে। তারা গাইল, কেউ নাচল, কেউ বা বক্তব্য দিল।

আমার মেপেললিফের বান্ধবী (এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার সহপাঠী) কাছ থেকে জানতে পারলাম, এরা প্রতিমাসে নিজেদের পকেট থেকে ৫০০ টাকা দেয়, আর অনেক বাড়ি থেকে ডোনেশন জোগাড় করে। ডোনেশনের টাকা দিয়ে স্কুল চলছে।

স্কুলটা আমার স্বচক্ষে দেখা।

আমি সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল থেকে মেট্রিক ইন্টার পাশ করি। বাংলা মিডিয়ামের স্টুডেন্ট। আমার কাছে জাগো ফাউন্ডেশনের কাজটা কিন্তু খারাপ লাগেনি। আমি ওদের অনেক উৎসাহ দিয়ে এসেছি। ভালো লেগেছে আমার সত্যি।

এরা কোত্থেকে ফান্ড পায়, সেটা আমেরিকা দেয় নাকি সৌদি-আরব দেয়, তাতে কি আসলো গেল? যারা এসব নিয়ে কথা বলছেন, নিজে কিছু করছেন তো? করছেন না, মানুষের ______ এর মধ্যে আঙ্গুল দিতে তো সব ওস্তাদ। আর আমেরিকা বৃটেনের ব্যাক থাকলে তো কথাই নাই। বস্তির ছেলে মেয়েরা যদি এই উছিলায় কিছু শিখে, তাতে কি কারও কমবে কিছু? কারও কোন ক্ষতি হবে?
জাগো ফাউন্ডেশনে ছেলে মেয়েদের ছবি দিয়ে, সব ইতররা সেক্সুয়াল থ্রিল অনুভব করছে, এটা বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে না। জাগোর মেয়েদের টিশার্ট নিয়ে কথা হচ্ছে, মেয়েদের হাসোজ্জ্বল ছবি নিয়ে কথা হচ্ছে...আমি তাজ্জব হয়ে গেলাম। ওরা তো আমাদের থেকে বয়সে অনেক ছোট। ওদের নিয়ে এরকম না ভাবলে সমস্যা কি হয়?
----------------------------------------------------------------------------------
জাগোর কার্যক্রম বা তাদের কর্মস্পৃহা-কে পাশ কাটিয়ে যেভাবে কিছু ছবিকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরীর চেষ্টা করা হচ্ছে দেখে দুঃখ লাগলো। ডিজুস জেনারেশন বলে অপবাদ দেওয়া হয় যাদের সেই তরুণ-তরুণীরা যে একটা উদ্যোগ হাতে নিয়েছে দেশের জন্য কিছু একটা করবে বলে জড়ো হয়েছে, যেখানে আর দশজন শুধু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তামাশা দেখে যাচ্ছে তখন এদের এই উদ্যোগকে তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে দেখার কোন অধিকার ঐ নিন্দুকদের নেই। হোক না তা সামান্য কিছু, হোক না তাতে দেশের দশের বিরাট কোন উন্নতি হচ্ছেনা, কিন্তু এরা তো স্বপ্ন দেখা ছেড়ে দেয় নি। নিজেদের উদ্যোগে, তারুণ্যে, কর্মচাঞ্চল্যে এরা স্বপ্ন দেখছে, দেখাচ্ছে। আমরা কজনই বা এমনটা করছি। আমাদের এও ভুলে গেলে চলবে না বয়সে এরা প্রায় সবাই নবীণ। ছোটকাট ভুল তাদের হতেই পারে। কিন্তু সেটি এমন আহামরি কিছু না যে, তাদের স্বপ্ন দেখার শুরুটাতেই আমরা এমন করে বিদ্রুপ, কটাক্ষের কাঁটা তাদের পথে বিছিয়ে দিব। আমার ধারণা তাতে কেবল আমরা নিজেদেরই অকল্যাণ বয়ে আনবো।

- মেঘদূতের এই চমৎকার কমেন্টটি আমার পোস্টে এড করলাম! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29478505 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29478505 2011-11-05 20:17:55
আমাদের মমতা!
শুধু নারায়ণগঞ্জ নয়, এবার পুরো বাংলাদেশ হোক আপনার লক্ষ্য। আপনাকে প্রধানমন্ত্রী রূপে দেখতে চাই। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29475577 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29475577 2011-10-31 10:53:22
কেমন নেতা চান?
আমাদের দৃষ্টি কোনদিকে?

আমাদের দৃষ্টি সর্বদাই, এমন দেশের দিকে যারা পশ্চিমাদের দোষারপ করায় ওস্তাদ। যেমন, ইরান, ইরাক (সাদ্দাম আমলের), লিবিয়া, ভেনিজুয়েলা, অথবা, কিউবা, সৌদি ইত্যাদি।

একটা মজার ব্যাপার লক্ষ্য করবেন, এইসব দেশে যাবার স্বপ্ন নিতান্তই শ্রমিকরা ছাড়া কেউ দেখেন না। পড়াশোনাওয়ালাদের জিজ্ঞেস করলে তারা উত্তর দিবে, ইউকে, ইউরোপ, নর্থ আমেরিকা অথবা অস্ট্রেলিয়া। কেননা, সেখানকার অবস্থা উপরে উল্লেখিত দেশগুলোর থেকে অনেকভালো। বা অনেকে মনে করেন সেখানে গেলে ভালোভাবে জীবনযাপন করা যাবে।

এর কারণ কি? একটাই, এসব দেশে জীবনের নিরাপত্তা বলতে একটা জিনিস আছে। আছে সুন্দর আইন শৃংখলা। এসবের কারণ কি? ওসব দেশের সংবিধান। ওসব দেশের কঠিন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা।

যতই পশ্চিমাদের গালি দেন, এসব কথা কেউ অস্বীকার তো করতে পারবেন না।

আমার যত ভাবনা এই একটি মানসিকতা কেন্দ্রিক। তাহলে, আমরা কেন, বারাক ওবামার কথা না বলে আহমেদিনেজাদকে ফলো করতে চাই? আমরা কি চাই, আহমেদিনেজাদের মত একজন শাসক।

আহমেদিনেজাদের কি আছে? মাথার উপরে একটা মাথা। ইরানের প্রকৃত শাসনভার তো সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খমিনীর হাতে। তিনি যা বলবেন, আহমেদিনেজাদ সে পথেই চলবেন। অর্থাৎ, একজন পুতুল শাসক তিনি।

বারাক ওবামার মত শাসক? বারাক ওবামাকে তো চাইনি। চাই, তার দেশের সংবিধান। পৃথিবীর সব থেকে পুরানো লিখিত সংবিধানটি রচনা করেছিল আমেরিকানরাই। অথচ, আমরা সেই সিস্টেমটিকে কখনই গুরুত্ব দেই না। বারাক ওবামার জনপ্রিয়তা আকাশ ছোঁয়া হলেও তিনি আট বছরের বেশি পোদ্দারি করতে পারবেন না। তার মাথার উপরে কোন মাথাও রাখা হয়নি।

তাহলে, আমরা আমেরিকার মত সংবিধানের কথা বলতে পারি, যাখানে নেতৃত্বের পরিবর্তন অনিবার্য।

এখন কারা বেশি বিখ্যাত

আমার চোখে, সব থেকে প্রিয় হলো, আমেরিকার শাসন ব্যবস্থা। অন্যদিকে ইংল্যান্ড, সুইডেন এসব দেশকেও বাদ দেই না। তবে বাংলাদেশে এদের মত হতে কেউ রাজি নন। কারণ আমেরিকা অথবা সুইডেন দূর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ান হওয়ার গৌরব অর্জন করেনি। আমরা করেছি।

মুসলমান দেশগুলোর এই এক খারাপ দিক। যেদিকেই মুসলিম রাষ্ট্র দেখবেন, শরিয়া আইনের আড়ালে তারা চালিয়ে যাচ্ছে সীমাহীন একনায়কতন্ত্র। যার জন্য তাদের অবস্থার বিশেষ কোন উন্নতি হয় না।

এখন, পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে কিছু বলতে পারলেই, তাকে আমরা হিরো মনে করি। অথচ পশ্চিমাদের উপরে আমাদের নির্ভর না করলে চলে না।

এই যেমন ধরুন, আমাদের বিখ্যাত সব বুজুর্গুরা বিশ্বাস করেন, আমরা ওয়ার্ল্ড ব্যাংক ও আইএমএফ এর কাছে বন্দী। অথচ, পদ্মা সেতুর দূর্নীতির ব্যাপারে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক কি আপোস করেছে? করেনি। তার বিরুদ্ধে আমাদের বাম অথবা ডান বুজুর্গুরা হাত এখন তুলছেন না। তুলছেন যোগাযোগ মন্ত্রীর উপরে। পদ্মা সেতু হলে, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের লাভ বেশি হত না আমাদের? সবাই বলবে, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের, আর আমি বলব আমাদের।

আই এম এফ, এর ঋণের শর্তগুলো আমি একবার পড়ার চেষ্টা করেছিলাম। শর্তগুলো নাকি দেশের অস্তিত্বের জন্য হুমকি স্বরূপ, তেমন টাই আমাদের হিরোরা বলে থাকেন। অথচ, আমি দেখলাম শর্তগুলো তেমন অগুরুত্বপূর্ণ কিছু নয়।

অনেকটা এরকম, দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীর ক্ষমতায়ন করতে হবে।
দেশের বেশিরভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কম্পিউটারাইজড সিস্টেম চালু করতে হবে। আন্তদেশীয় কানেক্টিভিটি করতে হবে। এখানে খারাপ কোনটা?

এখন বলবেন, শর্তটাই দেখলেন, পেছনের উদ্দেশ্য দেখলেন না? উদ্দেশ্য আমার দেখার বিষয় কি? আমি ওদের দিকেও যাবো, আবার শরিয়া আইনের দিকেও যাবো,তাহলে তো হবে না। যেকোন একদিকে কি আমরা থাকতে পারি? তা অসম্ভব।

নেতা নাই

আমাদের গণতন্ত্রবাদীরা ঠিক এইটাই চায়। যেন আমরা পশ্চিমাদের দিকে না ঝুকে ঝুকি, আরব বর্বরদের দিকে। যেখানে, এক নেতা এক রাষ্ট্র বিদ্যমান। কারণ, তারা আমাদের উপরে রাজতন্ত্র কায়েম করছে ছাড়া আর কিছু নয়। আমরা হলাম বোকার হদ্য। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29474580 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29474580 2011-10-29 21:19:56
এরকম একজন এক নায়ক আপনার দেশে থাকলে কি করতেন? প্রসঙ্গ গাদ্দাফি!
তবে গাদ্দাফিকে নিয়ে টুকরো টুকরো কিছু ঘটনা মনে আছে।

ঘটনা -১

১৯৮৬ সালে সম্ভবত লকারবি বোমা হামলা করে লিবিয়ার একজন নাগরিক। তারপর থেকে আমেরিকা লিবিয়ার বিমান দেশের বাইরে উড়তে দিত না। আমাদের দেশে যাওয়ার পথ ছিল, বেনগাজি থেকে প্লেনে করে ট্রিপলি, আর তারপরে, সেখান থেকে জাহাজে করে মাল্টা। মাল্টা থেকে প্লেনে করে দুবাই, দুবাই থেকে ঢাকা। যাওয়া আসার একই পথ। লিবিয়ায় একবার ফেরার সময়, আমার মনে আছে, আমি জাহাজের মাস্তুলে দাঁড়িয়ে হারবরে থাকা গাদ্দাফির ছবির দিকে তাকিয়ে উচ্চারণ করেছিলাম, "দেখো মা, গাদ্দাফি"। পাশ থেকে একজন লিবিয় মহিলা বলেছিলেন, "খবরদার, ওনার নাম মুখেও নিয়ো না"। এরপর আমার মা আমাকে চুপ করিয়ে দিল। আমি ভেবাচেকা খেয়ে গেলাম, এমন কি অপরাধ করেছি ভেবে!

ঘটনা-২

লিবিয়ায় আমরা যে শহরে থাকতাম, তার নাম ছিল আগুরিয়া। এর জেলা সদর হলো বেনগাজি। আগুরিয়া থেকে বেনগাজির দূরত্ব ছিল ৭০ কিলোমিটার, আর আগুরিয়া থেকে আল-মার্চ নামক আরেকটি শহরের দূরত্ব ছিল ৩৫ কিলোমিটার। বেনগাজি থেকে আল-মার্চ কাছে বিধায়, আল-মার্চে আমি ও আমার বোন স্কুল করতে যেতাম। স্কুলের নাম ছিলো, এশিয়ান ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল। এখানে প্রচুর বাঙ্গালী, ইন্ডিয়ান ও পাকিস্তানি ছাত্র/ছাত্রী পড়াশোনা করত। লিবিয়রাও ছিল। ছিল ইজিপশিয়ান আর ইরাক, ইরানীয়।

একদিন স্কুল থেকে বাড়ি ফিরতে সময়, এক লোকের গাড়ির চাবির ভেতরে গাদ্দাফি মার্কা ছবি দেখে, অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম, গাদ্দাফির ছবি, চাবির লোকেটে কেন? আমি প্রশ্ন করেছিলাম ইংলিশে, আর ঐ লোক ইংলিশ বুঝে না। সুতরাং সে কি বুঝতে কি বুঝলো, কে জানে, পরের দিন আমার বাবাকে স্কুল থেকে ডেকে পাঠানো হলো। এমন তার কাছ থেকে মুছলেকা নেওয়া হলো এই মর্মে যে, তোমার ছেলে গাদ্দাফির নাম উচ্চারণ করতে পারবে না।

কেন এরকম অবস্থা হত, গাদ্দাফির নাম নিলে? আমার জানা ছিল না। আমি ভাবতামও না তখন এটা নিয়ে। তারপরে ঘটল একটা দুর্ঘটনা, আমার বাবা একটা ক্লাবের মেম্বার ছিল। সেই ক্লাবের একটা লিবিয় নাগরিক, তারেক নামে, তাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হলো। ব্যাপারটা এমন কিছু নয়। আমার বাবার সাথে তার অনেক খাতির ছিল। আর বাবাকে বাসায় দাওয়াত করে খাওয়েছিল সে। তাকে যখন ছাড়া হলো, সে এসে আমার বাবাকে বলেছিল, বুঝলেন, আমাদের অনেক কিছু মেন্টেন করে চলতে হয়। আমাকে ধরে নিয়ে জিজ্ঞেস করল, ঐ বিদেশি লোকটার সাথে তোমার এত খাতির কিসের? ওই লোক, বিদেশি দাক্তুর (আমার বাবা সরকারী হাসপাতালের রেজিস্টার্ড ফার্মাসিস্ট ছিলেন), ওর সাথে ইংল্যান্ডের ভালো যোগাযোগ আছে।

ঘটনা-৩

আমার ফুফাকে হাজতে প্রেরণ

আমার মেজো ফুফার পরিচয় দিয়ে নেই আগে। তিনি ডেন্টিস্ট। লিবিয়ায় সরকারী হাসপাতালের ডেন্টিস্ট ছিলেন। ঘটনাক্রমে তিনি তুরস্কের এম্বাসেডরের চিকীৎসা করেছিলেন। এবং এর পর থেকে তুরস্কের সেই রাষ্ট্রদূত আমার ফুফাকে প্রায়ই আপ্যায়ণ করত দাওয়াত করে নিয়ে গিয়ে। ফুফার আত্মীয় ছিল আবার ইংল্যান্ডে। তিনি প্রায়ই ইংল্যান্ড ভ্রমণ করতেন।

এইজন্য তাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হলো। তিনরাত টানা জিজ্ঞাসাবাদ করা হলো। এবং এরপর আবার ফুফা দেশে ফিরে আসলেন। এখন অবশ্য তিনি ইংল্যান্ডের আইল অফ ওয়াইটের বাসিন্দা, এবং তিনি একজন নাম করা ডেন্টিস্ট।

এই হলো আমাদের কথা। পাশের বাড়ি থেকে হামজা, আমাদের ইমিডিয়াট প্রতিবেশির ছেলে মুসাদসহ কত ছেলেকেই ধরে নিয়ে গেল বিনা কারণে। ধরে নিয়ে গেলেই ওসব বাড়িতে কান্নার মাতম উঠতো। কারণ, ধরে নিয়ে যাওয়া মানে আর ফেরত না আসা। এবং এরা কোনদিন ফেরত আসেনি।

প্রকাশ্য ফাঁসি দেওয়া হলো, কিছু তেলের কর্মচারিদের, যারা একটা ট্রেড ইউনিয়ন করতে চেয়েছিল। ট্রেড ইউনিয়ন, কোন আন্দোলন নয়। এত তুচ্ছ ব্যাপার। এই ফাঁসির দৃশ্য লিবিয়ান স্টেট টেলিভিশনে রাত বাড়োটার পর প্রচার করা হত।

আমাদের ফিরে আসার কারণ

আমেরিকা লিবিয়ায় যখন, এমবার্গো দিলো, তখন লিবিয়ায় হঠাৎ করে দারিদ্র নেমে এলো। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত লিবিয়ায় চুরি বেড়ে গেল। বিদেশিদের বাড়ি দখল হওয়া শুরু হলো। আমার মনে আছে, আমরা যখন বাইরে যেতাম, আমাদের বাসায় একজন কে না একজনকে রেখে যেতে হত। আমার মা এরকম অনেকবার একা বাড়িতে রয়ে গেছিলেন, আর আমরা দাওয়াত খেতে গেছি। যেখানে গেছি, সেখানেও একি দৃশ্য, কারও মা আসেনি। সবাই বাসায় পাহাড়া দিচ্ছে। আর তখন মোবাইলও ছিলো না, যে সাথে সাথে যোগাযোগ করা যাবে। আমার মাকে হাসপাতালের চাকরিটা ছাড়তে হলো।

এরমধ্যে ঘটনা ঘটল, আগুরিয়াতে "সুক" (সুপার সপ) মাত্র একটি ছিল। এবং এটা আগে প্রতিদিন খোলা থাকত। কিন্তু এক সময় সুক বন্ধ হয়ে গেল। সপ্তাহে একদিন মাত্র খুলে। সেদিন সবাই মিলে যুদ্ধ করে একটা মুরগি আনতে হত। সরকারি মুদি দোকানে "খোবজা" (লিবিয়ানরা এটা দিয়ে নাস্তা করে) পাওয়া দুস্কর হয়ে পড়ল। সকাল ৬টার আগে না গেলে খোবজা পাওয়াই যেত না।

এমন অবস্থায়, আমার বাবার অন্যান্য বন্ধুবান্ধব সব লিবিয়া ছেড়ে দেশে চলে আসতে শুরু করল। অনেকে আবার অন্য দেশেও চলে গেল। শেষে আমার মা যখন প্রচন্ড কান্নাকাটি জুড়ে দিলেন, আর পারছি না এভাবে থাকতে, দম বন্ধ হয়ে আসে, আমার বাবা তখন ঠিক করলেন চলে আসবেন।

মনে আছে, লিবিয়ায় আসার বছর, আমার ও আমার বোনের পড়াশোনা বন্ধ ছিল প্রায় একটি বছর। আমরা স্কুলে যেতে পারতাম না। কারণ ঐ স্কুলটি বন্ধ করে দিলো সরকার।

প্রায় ছ'মাস ধরে প্রসেস করার পর, আমরা ছাড়পত্র পেয়েছিলাম লিবিয়া ছাড়ার। এখনও মনে পড়ে সেইসব দুঃসহ দিনের কথা।

লিবিয়ায় প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে বা মেয়ের একাউন্ট হতো। তারা তেলের পয়সা পেত। তবে, তা দিয়ে কি হবে? কাজের ক্ষেত্র কই? ভেড়া চড়ানো, আর দুম্বা পালা। বিদেশিরা সব বড় বড় অফিসের দায়িত্বে থাকত। তেলের বড় বড় কোম্পানি চালাত, শেল আর শেভরনের মত কোম্পানি। আর এদের অধিকাংশ কর্মচারি ছিল, ইন্ডিয়ান, বাংলাদেশি, আর পাকিস্তানি। লিবিয়দের সত্যিকার অর্থে কোন স্বাধীনতা ছিল না। কেউ কাওকে বিশ্বাস করত না। বাড়ির মধ্যে বাপের পোলা গাদ্দাফির এজেন্ট হয়ে বসে আছে, অথবা থাকতে পারে, তাই ঘরের ভেতরেও ওরা গাদ্দাফিকে নিয়ে কথা বলত না। রাষ্ট্রিয় চ্যানেল ছাড়া টিভিতে কিছু দেখাত না। আর রাষ্ট্রিয় চ্যানেলে ঘন্টার পর ঘন্টা গাদ্দাফির গুণকীর্তন। কোন বেসরকারি টিভি চ্যানেল ছিল না। বিনোদনের একমাত্র উপায় ছিল ভিডিও ক্যাসেট।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29473366 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29473366 2011-10-27 22:31:13
অনলাইন পেমেন্ট সম্পর্কে জানতে চাই http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29469954 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29469954 2011-10-20 22:50:25 আমরা আবার ভুল করছি!
২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত দেশের অবস্থা কি হয়েছিল? যার প্রেক্ষাপটে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এলো। থাকলো দুই বছর। আর আমরা চিল্লাইলাম গণতন্ত্র চাই গণতন্ত্র চাই। তখন গণতন্ত্রের মানসকন্যা আমাদের মূলা দেখাইলেন। আর মূলা দেখাইয়া, তিনি আমাদের গর্তে ফেললেন আবারও।

এমন অবস্থায় কি আমরা বিএনপিকে আবার চাইব? আমাদের মধ্য থেকে কি মুছে গেছে, সেই দুঃসহ দিনগুলো। সেই বোমাবাজি, হামলা, খুন এসব? আমরা কি চাইব আবার একটি ২৮শে অক্টোবর আসুক?

আমরা চাইলে কি হবে? সারা বাংলাদেশের আমলাতন্ত্র এই সাজে সজ্জিত। শুধু আমলাতন্ত্র বলছি কেন? বাংলাদেশের সমস্ত ক্ষেত্রই এই তন্ত্রে দিক্ষীত। সেনাবাহিনীতেও একই ধরণ। অর্থাৎ যার দল ক্ষমতায়, সে সুখে থাকবে ৫ বছর। আর যার দল ক্ষমতায় নাই, দুঃখে দুঃখে জিহবায় লালা জমাবে, আর বলবে, খাড়া আইতাছি...
আমরা কি এসব থেকে নিজেদেরকে মুক্ত করতে পারি না? আমরা শিক্ষিত মানুষ হয়েও কি আবার আওয়ামীলীগ অথবা বিএনপি কে ক্ষমতায় আনতে পারি? এ কি করে সম্ভব? কিন্তু ওরা আসবে, কারণ ওরা জানে আমরা কিছুই করতে পারবো না।

আসুননা, এই পুরো আরব বিশ্বের মত করে, আমরাও ক্রমান্বয়ে জ্বলে উঠি, এই দুই লুটতরাজ পরিবার থেকে দেশটাকে আবারও মুক্তি দেই। চলুন, আমরাই একটা রোডমার্চ করি, আমরাই ছিনিয়ে আনি ক্ষমতার হারানো মসনদ।

আসুন, আমরা সংবিধান বদলে দিয়ে সমস্ত সংগঠনকে রাজনীতিমুক্ত করি, আমরা এমন একটি সংবিধান করি যার ফলে দেশে আর কোনদিন একক নেতৃত্ব থাকবে না...আসুন...খুব কি কঠিন?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29467409 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29467409 2011-10-16 21:24:11
একান্তই আত্মকথন...
without Allah I am nothing...

কিন্তু আমার মনে হয় ব্যাপারটা উলটা!

without me, Allah is nothing....

মানুষ আছে বলেই ঈশ্বর আছেন। মানুষ না থাকলে ঈশ্বর থাকবেন কোথায়? ডাইনোসরের আমলে কোন ঈশ্বরের প্রয়োজন হয়নি। তখনকার ডাইনোসরদের পথ দেখানোর জন্য কোন আসমানি কিতাবও পাওয়া যায়নি।

পৃথিবীতে যত ধর্মই আছে, সবটার শুরুর সবথেকে পুরানো লিখিত বই, বা পুস্তক, সবই মানুষের আবির্ভাবের পরে পাওয়া যায়। এর আগে যখন মানুষ ছিল না তার কোন হদিস পাওয়া যায় না।

আল্লাহ, বা ঈশ্বরের বিশ্বাস একান্তই মানুষের ধারণা ছাড়া কিছুই নয়। এই ধর্মের প্রয়োজন ছিল, বর্বর মানুষকে সভ্য করা। তবে, ধীরে ধীরে এই জিনিস অসভ্যই রয়ে গেছে। কারণ, অসভ্যরাই সভ্যতার কারিগর! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29466758 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29466758 2011-10-15 20:26:17
ডঃ শফিক আমার বন্ধুর লেখা একটি গল্প শেয়ার করলাম!
এমন সময় বারান্দা থেকে একটা খুট করে আওয়াজ হলো। সারা শরীরে চরম ব্যাথা নিয়েই আমি তাকালাম কোনরকম বারান্দার দিকে। তাকিয়েই রইলাম। একটা ছায়া মূর্তি আমার দিকে এগিয়ে আসছে। আমার কাছে আসছে। ধীরে ধীরে, আমার অনেক কাছে এসে, সে বলল, আমি ডঃ শফিক। তোমাকে দেখতে এলাম। আমি ঘোরের মধ্যে কিছুই বুঝতে পারছিনা। ডাক্তার কেন বারান্দা দিয়ে আসবে। বারান্দার ওপাশে কোন দরজা নেই যে সেদিক দিয়ে কারও আগমন হতে পারে।

তিনি আমার নাড়ি দেখলেন, আমার জ্বর মাপলেন। নিবিষ্ট চোখে, আমারকে নিরীক্ষা করে বললেন, খুব কষ্ট হচ্ছে তাই না? আমি কি বলেছিলাম জানি না। তবে অনেক কথাই বলেছিলাম, যা এই মুহুর্তে মনে পড়ছে, না। এমন সময়, তিনি আমাকে বললেন, ডাক্তারখানায় এসো। তোমাকে আমি ভালোমত দেখে দেব।

এটুকু মনে আছে, তিনি আমাকে কানে কানে বললেন, আজিমপুর কবরস্থানের ভেতরে আমার চেম্বার। একটা বড় আম গাছ আছে, ঠিক তার পাশেই বসি।

জ্বরের ঘোরে আমি সেকথা একেবারেই ভুলে গেলাম। তারপরে, মনে হতে লাগল, আসলে একবার দেখা করে আসি। তখন ঝাপসা চোখে শুধুই পানির আনাগোনা, আর চারপাশে ডঃ শফিকের হেটে বেড়ানো। যেদিকেই তাকাই সেদিকেই তাকে দেখি।

তারপরে আর কিছু মনে নাই। যখন সম্বিত ফিরে পেলাম তখন অনেক রাত। প্রায় ২টার মত বাজে ঘড়িতে। আজিমপুর কবরস্থান থেকে আমার বাসা ১৫ টাকা রিক্সাভাড়া। নিপাটে ঘর থেকে বেড়িয়ে গেলাম। খুবই অবাক করা ব্যাপার, আমার গা দিয়ে তখন ঘাম ঝরছে। আর যতই কাছাচ্ছি, কবরস্থানে, ততই ভালো লাগছে।

রাতের বেলা কবরস্থানের গেট বন্ধ থাকে। তাই বিডি-আরের চার নাম্বর গেটের ধারে, একটা ফাটল ওয়ালা ওয়ালের ফাক গলে ভেতরে ঢুকে পড়লাম।

একটাই মাত্র আমগাছ। সেখানে গিয়ে দেখি একটি কবর। ডঃ শফিক। অনেক্ষণ বসে রইলাম। ভোর হলে, রওনা দিলাম বাসার দিকে।

তারপর থেকে আমি সেখানে প্রায়ই যেতাম। বলতে পারেন, আমার পুরো বড়-বেলা সেখানেই কেটেছে। ডঃ শফিকের সাথে আমার অনেক কথা হত। কিন্তু আজ, অনেকদিন পর, তার কথা মনে করতেই, সেখানে গিয়ে দেখলাম, কবরটা আর নেই। আরেকজনকে সেখানে কবর দেওয়া হয়েছে।
ডঃ শফিক হয়তো আর আসবেন না আমার কাছে।

ডেটেডঃ ১২/০৬/২০০৪]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29466226 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29466226 2011-10-14 23:31:35
ভালো জুমলা বা ওয়ার্ডপ্রেস টেমপ্লেট চাই! http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29465051 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29465051 2011-10-13 08:55:54 নেতা আসছে... ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29464816 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29464816 2011-10-12 22:51:02 সৌদির বিচার ব্যবস্থা আর আমাদের ডাইলেমা
তবে, মানবতাবাদীরা বলছেন, এটা মধ্যযুগীও বর্বরতা ছাড়া আর কিছুই নয়। মানবতাবাদীতের আমি দোষ দেই না। তারা তাকান উপরের দিকে। মানে মানবতাবাদী সব সংগঠনের হোতাই হলো, ইউরোপ আমেরিকার মত দেশ। সেসব দেশে মৃত্যু দন্ডের আইন উঠে যাচ্ছে। আমেরিকায় এখন বিচারে কারাদন্ড দেওয়া হয়, এরকম, সেন্টেন্স ফর লাইফ ইম্প্রিজনমেন্ট। এর অর্থ হচ্ছে, এখানেই তার জীবন শেষ হবে।

আবার অনেক বিচারের রায় এমন হয়, অপরাধ যত বেশি, তার শাস্তির মেয়াদও তত বেশি। মানে, ২০০ বছরের জেল এরকম। ২০০ বছর তো আর কেউ বেচে থাকবে না। সুতরাং ধরে নিতে হবে, এই গণ্ডির মধ্যেই তাকে পচে মরতে হবে।

আমরা পড়ছি মাঝখানে। কোনদিকে যাবো দিশা পাই না। একদিকে সমাজের একটি অংশ আমেরিকানাইঞ্জড হচ্ছে, আরেকদিকে সমাজের এক অংশ হচ্ছে আলেম পন্থী, অথবা ইসলামপন্থী। এই দুই রাস্তার মাঝখানে বসে আমরা বসে বসে ভেরেন্ডা ভাজছি।

র‍্যাব যখন ক্রস ফায়ারে লোক মারে, আমরা সেটাকে অপরাধীর উচিৎ বিচার হয়েছে, বলতে পারি না। আবার যখন, কেউ কারাগার থেকে রাষ্ট্রপতির দোয়ায় বেড়িয়ে আসে তাও আমরা মানতে পারছি না। এখন আমাদের করণীয়টা কি?

এই ডাইলেমা থেকে মুক্তির রাস্তা খুব সহজ নয়। বাঙ্গালীকে বিভক্ত করে দেওয়া খুব সহজ একটি কাজ। অথবা, বলতে পারেন, বাঙ্গালী সুবিধাবাদী। যেটা যার পক্ষে যাবে, সেটাতেই তার সন্তুষ্টি।

এমন করে, একটি জাতি চলতে পারে না। আমাদেরকে হয় একটি আদর্শের ভিত্তিতে সমাজ গড়ে তুলতে হবে। নতুবা, আমাদেরকে করতে হবে এমন একটি ব্যবস্থা যা, আমাদের নিজস্ব। আমাদের নিজস্বতা থেকে যার উৎপত্তি। এখন এখানেও সমস্যা। আমাদের নিজস্বতা যেখান থেকে এসেছে, সেটাও অনেক বিবেচনায় তর্কের উর্ধ্বে নয়।

তবে যদি মনে করেন, দুই আদর্শকে মিলমিশ করে আমাদের একটি আদর্শ তৈরি করতে হবে, তাহলে তা হবে একটি আহাম্মকি।

স্বপ্লজ্ঞান প্রসূত এসবই আমার মনে হয়েছে, তাই শেয়ার করে ফেললাম। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29463625 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29463625 2011-10-10 23:46:26
জামাত শিবির কর্মীরা নতুন ইস্যু খুজে পাইছে!
সেটার প্রমাণ পাওয়া যায়, এমন সব খবর দিয়ে। যেমন, গত বছর জানুয়ারি মাসে তারা টিভিতে একটি অনুষ্ঠানের একটি ছবি দিয়ে। অবাক হয়ে লক্ষ্য করবেন, ছবিটা একপিস। ঐ সেটে ঐখানে কি আর কেউ গান গায় নাই? একটা মাত্র ছবি কেন। আর এসব পুরানো জিনিস তুলে এনে বাংলাদেশের সরকারকে পরোক্ষভাবে কটাক্ষ করছে তারা। আরে শুয়োরের বাচ্চারা, তোরা তো ২০০১-২০০৬ পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলি। তখন ইন্ডিয়ান চ্যানেল চোক্ষে পড়ে নাই তোগো? তখন পারস নাই বন্ধ করতে?

তারা বিভিন্ন ভারতীয় ছবি থেকে খুজে খুজে বের করছে, কিভাবে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতকে অপমান করা হয়েছে। আরে চ্যাটের বাল, খুশি ছবি রিলিজ পাইছে, ২০০৩ সালে, তখন বিএনপি জামাত জোট সরকার ক্ষমতায় ছিল। কোথায় ছিলো তোদের এত আস্ফালন?

আরও কতকি বাইর করতাছে তারা। বাংলাদেশে ওয়ার্ল্ড কাপের উদ্ভোধনী ম্যাচে নাকি ৫৬ জন ইন্ডিয়ান বলিউডের শিল্পী পারফর্ম করবে। এটা নিয়ে তো মানব বন্ধন পর্যন্ত কইরা ফেলাইছে। অথচ, তারপর... তার আর পর নাই!

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29463562 http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/29463562 2011-10-10 21:33:23