অনুসন্ধান:
cannot see bangla? সাধারণ প্রশ্ন উত্তর বাংলা লেখা শিখুন আপনার সমস্যা জানান ব্লগ ব্যাবহারের শর্তাবলী transparency report
পরিবর্তনের জন্য দেশপ্রেমিক সুস্থ রাজনীতি প্রয়োজন।
আর এস এস ফিড

আমার বিভাগ

জনপ্রিয় মন্তব্যসমূহ

আমার প্রিয় পোস্ট

মানবতার গান গেঁয়ে যায়-তারুণ্যের প্রেরণায়

মানুষ পিঠিয়ে মারার আওয়ামী ইতিহাস

২৯ শে অক্টোবর, ২০১১ রাত ১:০৫ |

শেয়ারঃ
0 0

পিটিয়ে মানুষ হত্যার ঐতিয্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নতুন নয়। অনেকে ২৮ অক্টোবর ২০০৬ লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যা দেখে ভাবতে পারেন আওয়ামী লীগ মনে নয় একাজে নতুন। মোটেও নয়। কারণ আওয়ামীলীগ পিঠিয়ে মানুষ মারতে উস্তাদ। শুধু মেরে তারা ক্ষান্ত হয় না মৃত লাশের উপর নৃত্য করতে, উল্লাস করতেও ধিদ্বাবোধ করে না। তাদের এ নৃশংস পিঠিয়ে মারার রাজনীতির শিকার হয়েছে অনেকে। ২০০৬ সালের আজকের দিনের কথা সারা পৃথিবীর জানা। কি নিমমতা, কি নৃশংসতা তা সারা পৃথিবী দেখেছে মিডিয়ার কল্যানে। ২০০৬ সালের নিমমতা শেষ হতে না হতে ২০১০ সালে দিনে দুপুরে নাটোরে উপজেলা চেয়ারম্যানকে পিঠিয়ে হত্যার দৃশ্য করুন দৃশ্য আমাদের দেখতে হলো। ক্ষমতার মারপ‌্যাচে অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। তাদের সেই নিমমতার সবশেষ করুণ শিকার হলো চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেধাবী ছাত্র আবিদুর রহমান আবিদ। তাদের সেই পিঠিয়ে মানুষ মারার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস নিম্নে উপস্থাপন করা হল। ( না জানি এ পিঠিয়ে মারার ইতিহাস রচনা করতে গিয়ে আমাকেও না তাদের পিঠিয়ে মানুষ মারার ইতহাসের অংশ হতে হয়!)







২০১১

আবিদুর রহমান আবিদ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেধাবী ছাত্র ছাত্রলীগের পিঠিয়ে মারার রাজনীতির শিকার হয়ে ২১শে অক্টোবর মৃত্যু বরণ করেন।





১৯৫৮ সালের ২৩শে সেপ্টেম্বর তৎকালীন প্রাদেশিক পরিষদের অধিবেশনে ডেপুটি স্পীকার শাহেদ আলীকে চেয়ার দিয়ে পেটানো হয়েছিল শেখ মুজিবের নেতৃত্বে। যার ফলে ২৫শে সেপ্টেম্বর শাহেদ আলী মারা যান। যাদের বাবাই পিটিয়ে মানুষ মারা শুরু করে গেছে, তারা তো সেই কাজ করবেই।





১৯৬৯ সাল



ঐ বছরের ১২ আগষ্ট বর্তমান আওয়ামী লীগ নেতা (সেই সময় ছাত্র নেতা) তোফায়েল আহমদের নেতৃত্বে ছাত্র লীগের এক ঝাক গুন্ডা আহত করে ঢাবির ততকালীন মেধাবী ছাত্র আব্দুল মালেককে। আব্দুল মালেক পরে ১৫ আগষ্ট ১৯৬৯ শহীদ হন।





১৯৭০ সাল



ঐ বছরের ১৮ই জানুয়ারী পুর্ব পাক জামায়াত পল্টন ময়দানে আয়োজন করেছিল এক সমাবেশের। সেটা ছিল মুলত নির্বাচনী সমাবেশ।

আওয়ামী লীগ সেই সমাবেশে হামলা করে পন্ড করে দেয়। এমনকি ঐ হামলায় জামায়াতের দুই জন কর্মী নিহতও হয়।



২০০৬



দীর্ঘ ৩৬ বছর পর আবার আওয়ামী লীগ তার পুরোনো চেহেরা জাতির সামনে প্রকাশ করে ২০০৬ এর ২৮ অক্টোবরে। ২০০৬ সালের এই দিনে পল্টন মোড়ে আওয়ামী লীগসহ মহাজোট নেতাকর্মীরা লগি-বৈঠা ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা করে প্রকাশ্য দিবালোকে ৭ জনকে হত্যা করে। মহাজোট নেতাকর্মীরা লগি-বৈঠা দিয়ে বর্বরোচিত কায়দায় শুধু হত্যাই নয়, এরপর মৃতদেহের ওপর তারা উল্লাস-নৃত্য করে। সাপকে যেভাবে পিটিয়ে মারা হয়, সেভাবেই মারা হয়েছিল মানুষকে। টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে ভয়াল সে দৃশ্য দেখে গোটা বিশ্ববিবেক সেদিন স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণ ও মুহুর্মুহু বোমা হামলা চালিয়ে মানুষ হত্যা করে হায়েনার মতো উল্লাস প্রকাশের সেই দৃশ্য মনে হলে মানুষ আজও শিউরে ওঠে।



২০১০



০৮ অক্টোবর ২০১০ নাটোরে বিএনপির মিছিলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সশস্ত্র হামলায় বড়াইগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান ও বনপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি সানাউল্লাহ নুর বাবু (৪০) নিহত হয়েছেন।



এভাবে যুগে যুগে আওয়ামী হায়েনারা পিঠিয়ে মারার এ নৃশংস রাজনীতি অনুসরণ করে চলেছেন। যার সবশেষ শিকার হলেন আবিদ। এভাবে আর কত মানুষকে নৃশংস ভাবে মারা হবে? কেন এত হিংস্রতা? কেন বিরোধী মতের লোকদের উপর এত নিমমতা। বন্ধ হোক এ নিশংস হত্যাকান্ড। সবার প্রতি ভালবাসায় ভরে উঠুক মানবের মন। দেশে ফিরে আসুক ভালবাসার জোয়ার। ফাঁসি হোক এ সব নর ঘাতকদের। বন্ধ হোক এসব নরঘাতকদের প্রতি রাজনৈতিক পৃষ্টপোষকতা। সবার উপরে মানুষ সত্য তার উপরে নাই।



 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 


৭টি মন্তব্য

 

সকল পোস্ট     উপরে যান

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

 

© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি | বিজ্ঞাপন