somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... আবার পাহাড় গড়ার পালা কেউ আমাকে একটু লাই দিলেই আমি মাথায় উঠে যাই, নামার নাম করিনা। তারাও আর কোথাও যাবার জায়গা নেই, তাই থাকুক, ভেবে কষ্ট হলেও বয়ে বেড়ান। এ ভদ্রলোক তেমনি একজন।

ফোনে জানলেন কিছু টাকা তৈরী রাখতে হবে। যেতেই পুরো নোট ধরিয়ে দিলেন আগে তারপর প্রশ্ন, কী করবি টাকা দিয়ে? আমি কৃতগ্গ জানালাম, ঐ যে চিটাগাং এর জন্য টাকা যোগাড় করছে তো সবাই...

উনি বললেন, টাকা ফেরত দে। আমি আমার শহর হলে দিতাম। চিটাগাং এর জন্য দেবোনা। আমি উনার ঠাট্টায় হেসে ফেললাম। নোট হাত থেকে নিয়ে নিতে চাইলেন। আমি মজার খেলা ভেবে আরো শক্ত করে ধরে থাকলাম। তারপর জিগ্গেষ করলেন, কোন চ্যারিটিতে যাচ্ছে? আমি পড়ে গেলাম বিপদে। ঝোকের মাথায় বেরিয়ে গেছি। শুধু জানি খুব বিশ্বাস করা একজন কে দেবো। সে যেভাবেই হোক নিয়ে যাবে জায়গা মতো।

তিনি বললেন, আমি এইসব চ্যারিটিতে টাকা দেইনা। আগে জানলে দিতামই না। আমি আরো মজা পেলাম। এতো হাসাতে পারে মানুষ। হঠাত হেসে আমার হাত থেকে টাকা টা ছিনিয়ে নিলেন তিনি। তার বদলে অরধেক একটা নোট তুলে দিলেন হাতে। নে এইটা নে। তুই বলে দিলাম।

জানতে চাইলেন কোথায় যাবো। আরো হেসে বললেন, এই পাচ দশটা টাকার জন্য ঘুরে বেড়াবি। দোকান ভরতি লোকজন। তুমল লজ্ঝা ঢাকার জন্য তাদের সবার সাথে তুমুল আড্ডা দিলাম। নিজের প্রতি তীব্র বিবমিষা নিয়ে বেরিয়ে এলাম।

একজন স্বল্প পরিচিত লোকের অফিসে তারপর। এমনিতে যেতাম না হয়তো। কাছাকাছি বলে চেষ্টা। কিছু টাকা হাতে তুলে দিলেন তিনি। আমি অবাক। এতো তো চাইনি। তিনি বললেন, আরে সব আমার নয়। চাদা তুলেছি কলিগদের কাছ থেকে। দুমুঠো ভরে গেলো আমার।

একটা বন্ধুর সাথে দেখা করার কথা ছিলো আজ। ইচ্ছে করে জানাইনি তাকে। চাইলেও কিছু করতে পারবেনা। কী লাভ তার মন খারাপ করে। সে জানলো। মন না। মেজাজ খারাপ করলো। গালাগালি করে জোর করে টাকা গুজে দিল হাতে। আমি জানি এই টাকা দিলে সে ভয়ংকর বিপদে পড়বে। হয়তো থাকতে হবে না খেয়েই। সে শুনলোনা। এই পাগলগুলো কিছুতেই শোনেনা।

আরো একটা চমতকার বন্ধু আছে আমার। ধরমের সব নিয়ম না মানলেও সে যাকাত দেয় প্রচুর। তার স্বামী একটা ঝকঝকে ল্যাপটপ কিনেছে কদিন আগে।
আমি তার বাসায় গেলাম। আমরা বেরুলাম। আমি তাড়া দিলাম। সে বললো দিচ্ছি। সে দু ঘন্টা ঘুরলো। হাজার দুয়েক টাকার অপ্রয়োজনীয় শপিং করলো। চলে এলো তার গাড়ী। যাবার আগে সে ছোট একটা নোট আমার হাতে তুলে দিলো। তার দোষ না। আমি এই অংকই বলেছিলাম। জিনিষ কেনায় অপরিমিত হওয়া যেতে পারে। সাহায্যে নয়।

আমি অতি দরিদ্র একজন মানুষ। ধনী বন্ধু ছাড়া আমার আরথিক কোন ক্ষমতা নেই। গত বছর পরযন্ত লোকে আমাকে পানি কিনে দিয়ে পয়সা নিতোনা।
আমি সবকিছুর ওয়ারকিং পারটনার হতে পারি। ফিনান্সিয়াল পারটনার নই।
এবছর একটা ভালো কাজ পেয়েছি। কিন্তু অনেক ধার বাজারে। তাই বেতন পাই আর সব টাকা চলে যায় দেনা শুধতে। তার ওপর এমাস টা শুরু থেকেই এতো বাজে অবস্থা।

সব মিলিয়ে আমি একটা বাচাল - একটা অক্ষম মানুষ। পাহাড়ের মতো একটা সুন্দর জিনিস ধ্বসে সব কিছু অসুন্দর করে গেলো। আমি কিছু করতে পারিনি। কখনো পারবোনা।

কিন্তু বাকিরা?

আমি জানি আমার একটা বন্ধুর বিয়ে শীগগীর। সে কি পারবেনা তার উতসব একটু কম ঝলমলে করতে?
এই যে ব্লগের এতো এতো প্রবাসী পড়ুয়া তারা কি পারবেনা ১৩৬ টাকা দিয়ে একটা পাউন্ড, ৯০ টাকা দিয়ে একটা ইউরো, ৬০ টাকা দিয়ে একটা ডলার বিক্রি করতে? কেউ কি তার দু হাত বাড়িয়ে কিছু মানুষকে তুলে আনবেনা?

কারো হাত - কারো টাকা মিলিয়ে বাংলাদেশ কি পারবেনা একটা ধ্বসে পড়া পাহাড় আবার দাড়া করাতে?

..............................................................

আমি শুধু সামনের মাসের বেতন পেলে ঐ ভদ্রলোকের কাছে যাবো। তার টাকাটা ফেরত দিয়ে বলবো, খেতে পাইনা বলে আমরা ভিক্ষা নেই ঠিকই। কিন্তু আমরা ভিখারি নই।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Janalablog/28715959 http://www.somewhereinblog.net/blog/Janalablog/28715959 2007-06-14 16:13:35
আরিফ জেবতিক এর


A true story –

She came to visit this country as a young volunteer in 1969. In 1972, the foolish girl came back again. To provide physiotherapy to the wounded - blooded freedom fighter who fought for the freedom of Bangladesh. The adamant unwise girl then never went back.

After a long process, she somehow had managed a broken fallow storehouse. In that small room a tiny little physiotherapy voluntary organization had begin called CRP.

This fool girl started going to door to door. With nothing but her own hands and a bicycle. She bowed her head, been insulted, affronted. The result was depressing but she did not loose hope. Not for her own sake, whatever the stupid girl did, did everything for us. The girl with broken backbone (physically or mentally), the boy who was helpless to walk without his father’s support, for the only incomer of the family who had met an accident in his way back home…. She was roaming – tearing for them… been devastated to rent a house, but her story of nursing the people was never ended.

Her organisation CRP had became the central point of a hierarchy to serve the people with physical difficulties. The peoples with broken back, the walker with crèche, the person for who crawling is the name of walk, the person who rolls to reach somewhere… everybody have got a new shelter – CRP.

In one part of the story she realized the crazy girl inside her had turned into a crazy Ms. elderly and she could not get her own family.

She had adopted two girls, disable, as usual. She taught them how to work like other ordinary student then gave job in CRP.

In this Bangladesh, no matter NGO or consultancy, the top people always get paid in Dollar. We calculate the money in Taka and get shocked. We can’t even dream of that amount of money. But truth is stranger then fiction.

Do you know how much money she takes from her own organization? Seven thousands and five hunderd. Not in Dollar, seven thousands taka in a month. She maintains her family with seven thousand five hundred taka. Even the drivers of Gulshan, Bonani receive thousand more then hers!

The name of this old foolish lady is Valerie A. Taylor.

There is another story available –

We have a former member of state cabinet. He had entered in CRP to provide his wide range of experience. He maintains a good relation with foreign donor. Why not? He was well known in his sector. He opened his gold mine of experience as if he will rebuild the CRP. Just to serve the community, nothing else. So that he decided to take a little reward as a salary. Do you know how much it is per month? Two and half lakh (Two hundred and fifty thousand taka) only.

Valerie opposed the decision.
If somebody takes two lakh from a charity that supposes to serve the people how the organization will work? (May be here she had made the biggest mistake).

The respected member arranged to earn the money. Why the patients are here for if they don’t pay? The home who providing the treatment at free of cost are now selling the service in high amount. The economy is going faster, Apollo – Bamrungrad are making business without hassle, what’s the problem if that former cabinet member does the same?

The last hope of disable people, the well known organization in Asia is becoming a private hospital eventually.

Everything is changing, changing rapidly.

Everything is happening so quickly.

Valerie has been disposition from the post of Convenor. She is not allowed to see the budget any more.
With a sudden letter her right to sign the check book has snatched from her.
The yearbook is full of all the famous peoples in the society. Only there is no sign of Valerie.
The disable girl was adopted by Valerie is being target by that circle. The helpless girl is being transferred from section to section. Valerie became unvacant, powerless. She is like a showpiece in her own organisation.

She was corrupted. After a point to point search he can not get any proof her corruption.

She does not understand management.
The lady, who has made a 400 bed hospital from an unused store, she has to learn management now?

I do not want to insult any swear word by adding it before his name.
I just want to mention his name.
His name is Shafi Sami.

We, the two pence people:

Mr. Shafi Sami, I am not sure this writing will be in your reading list or not, but I am talking to you.

I am a very ordinary person, very much ordinary. I am not able to make a big difference. But I will try to protest you with my every single ability. I will not keep my mouth shut. I will not tolerate this unjust with blind eyes till I live.

For the time being I will be mailing desperately to all the renowned organization. I will request them humbly to move forward to stop this unjust. We can not bear the burden of this black story.

I will e mail to the head of the military now, will mail to the head of the caretaker government, will mail to the consulters of USA and UK. I will write to the Amnesty, TIB. I will write to the donors all over the world especially the main donor agency in UK and Germany. I will phone them to request to get to know the truth as well.

I will spread this appeal to all my friends; they will spread it to their group mail. The story will go on. From one to two, from hundred to thousands, from billions to trillions phone, e mail, fax will be made. I will not let anybody be in peace.

A vast number of peoples will call the donor agency in Germany and UK. Valerie gave us 36 years of her life. Now it is our time to pay her back.
I will spend minimum 36 minutes in this task. This will be a huge issue one day.

I might make a big difference, or may be I will be a big failure.
But Shafi Sami you should know, the two pence person like me is not enough to do something, but this two pence and two pence will be united. It will not be ‘me’ any more. It will be ‘we’ or ‘us’. We will cross the border of your two hundred and fifty thousand.
You will see before you go.

(if anybody want to be part of this process…..)







]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Janalablog/28712453 http://www.somewhereinblog.net/blog/Janalablog/28712453 2007-05-25 08:27:00
ঝামেলামানুষ-২; ভ্যলেরি টেইলর, আপনাকে
মেয়েটাকে আমি অপছন্দ করি খুব। এতো কথা বলে। বিরক্ত করে সারাক্ষন। কিংবা আমিই বিরক্ত হয়ে যাই খুব তাড়াতাড়ি। মাঝে মাঝে চেষ্টা করি। বিরক্তি কমে না।

পোস্টার দেখেই তার বিকরিত হাসি টা দিল। আমিও কি মেলায় যাবো? তাকে নিয়ে যেতে হবে আমাকেই। বিরক্তি যথাসম্ভব কমিয়ে বললাম, যাবে। খুশিতেই বোধহয় পায়ে জোর এসে গেলো তার। পা টাকে টেনে টেনে গেলো আরেকজনের কাছে। ঘরের ভেতর হুইল চেয়ার ছাড়াও হাটতে পারে সে। কাকে যেন বলছে, ভাই বলেছে আমাকে কাল মেলায় নিয়ে যাবে। আমি কখনো মেলায় যাইনি। কেউ নিতে চায়না।

পরের দিন আমার মেজাজ খারাপ খুব। ছুটিতে যাবার আগে শেষ দিন। কত কাজ রয়ে গেছে জমা। ঘুম থেকে উঠেই তার দাবি, চুল বেধে দাও। ঠান্ডা চোখে একবার তাকাতেই চলে গেলো চুপচাপ। একটু পরে আবার এসে বললো তুমি মেলায় যাবে না? হাসি পেয়ে গেলো এবার। বেচারী ভয়ে জিগ্গেস করতে পারছেনা সে নিজে সত্যি মেলায় যাচ্ছে কি না।

দুপুর থেকে ব্রিষ্টি ভীষন। আমার ভালোই লাগছে। গরম কমে গেছে অনেক। আজেবাজে মেলায় যেতে হবেনা।

সে আবার এলো আমার কাছে। তুমি মেলায় যাবেনা? আমি বললাম, দেখি। তাকে কেউ বলেনি কখন যাওয়া হবে। তবু বাইরে যাবার কাপড় পরা। কে যেন লিপস্টিক ও লাগিয়ে দিয়েছে একটু। সে বসলো একটু দুরে। আমি যথারীতি বিরক্ত। কাজের সময় অহেতুক কথা একদম পছন্দ করি না আমি

হঠাত খেয়াল করি যেখানে যাই, সে আসছে সাথে সাথে। এক ফাকে বোনকেও ফোন করে একবার;আমি না মেলায় যাচ্ছি। এমনকি অফিস রুমেও। তুমুল বিরক্ত নিয়ে বলি, কিছু চাই তোমার? সে বলে আবারো, তুমি মেলায় যাবে না? আমি একটু চিন্তায় পড়ে যাই। ব্রিষ্টি কমে যায় যদি। সে আমার সামনে একটা সোফায় বসে থাকে। চোখের আড়াল করে না। যদি তাকে ফেলে মেলায় চলে যাই।

সে বসে বসে ঝিমায়। আমি নিশ্চিত হই। ব্রিষ্টি কমেছে। তবু এ অবস্থায় মেলায় যাওয়া সম্ভব না। মাঝে মাঝে শুধু সে চোখ খুলে দেখে, আমি আছি কি না। একা একা মেলায় চলে গেছি কি না।

বিকেলে হই চই করে আসে সবাই। তাদের কারো হুইল চেয়ার নেই। অনেক ভালো হাটে তারা। কোন বাধা নেই তাই মেলায় যেতে। সবাই কে নিষেধ করে দেই তাকে কিছু না বলতে। চলে যায় সবাই। সে হয়তো বোঝে কিছুএকটা। আস্তে আস্তে এসে বলে, তুমি মেলায় যাবেনা? আমি আবার বলি, দেখি। পা টেনে টেনে চলে যায়। ঘুমিয়েই পড়ে ঝিমাতে ঝিমাতে। লালা গড়িয়ে পড়ে তার হা করা মুখ দিয়ে ।


প্রিয় ভ্যালেরি, এটা গল্প নয়। সত্যি। আমি এমন করেছিলাম। আমি সত্যি এমনি করি। আচ্ছা, আপনি হলে কী করতেন?

আপনি তো অনেক পেশাদার ভ্যালেরি। এরকম ব্রিষ্টি ভেজা কাদা মাখা রাস্তায় হুইল চেয়ার টানা যে কি পরিমান কষ্ট, কি পরিমান বিপদজনক, জানেন আপনি।
তবু কী আপনি করতেন না কিছু?

আপনি হয়তো একটা গাড়ী জোগাড় করতেন। ঘুরিয়ে আনতেন তাকে মেলার আশেপাশে অথবা অন্য কোথাও। অথবা টুকটাক গল্প করতেন তার সাথে। সে হেসে ফেলতো আপনার কোন একটা কথায়। ভুলে যেতো মেলায় যেতে না পারার দুঃখ। অথবা কোন কিছু করতে না পারলে আপনি তাকে বুঝিয়ে বলতেন সমস্যাটা। বোকা তো না সে। ঠিক বুঝতো। আমিও পারতাম। করিনি। আপনি করতেন।

আচ্ছা ভ্যালেরি, এতোদিনের একটা কাজ থেকে আপনাকে সরিয়ে দিতে চাইছে কেন ওরা? আপনি কি প্রতিষ্ঠানের অনেক টাকা নিজের একাউন্টে ভরে নিয়েছেন? কী করেছেন এত টাকা দিয়ে? বিদেশে, নিজের দেশে কোন সম্পদ নেই কেন আপনার? হ্য়তো আছে। আমরা জানিনা। আমি আপনার জায়গায় হলে কবেই ফিরে যেতাম দেশে। বসে বসে খেতাম। কেন পরে থাকতাম এই কাদা মাখা দেশে কতগুলো খোড়া মানুষের মাঝে?

আপনাকে দুর থেকে দেখেছিলাম একবার। চিনতাম না তখন আপনি কে। শুধু ফরসা রমনী দেখবো বলে দেখেছিলাম। মাইক হাতে নিয়ে বলেছিলেন, আমি খুব দুঃখীত; এতোদিন বাংলাদেশে থেকেও বাংলা শিখতে পারিনি।
এটা আপনার বড় অপরাধ হতে পারে। ওরা একবার বললে আমিই আপনাকে বের করার ব্যবস্থা করতাম।

আচ্ছা চ্যারিটি তো অনেক আছে। আপনার সাংগঠনিক ক্ষমতা ভালো। পশুর মতো খাটতে পারেন। চাইলে কি একটা ভালো কাজ আপনি পেতেন না? ভালো পদবী, ভালো বেতন। ভাগ্য ভালো হলে একটা নোবেল প্রাইজ।
কী লাভ হলো কিছু গরীব চাষাভুষোর সেবা করে?

একটা ব্যক্তিগত প্রশ্ন করি ভ্যালেরি। আপনি কি বিয়ে করেছেন?
কে পাগল আছে এমন বিয়ে করবে আপনাকে?
দেখতে তেমন সুন্দর নন। যখন ছিলেন তখন তো বোকার মতো চলে এসেছিলেন এই দেশে। ভেতর - বাইরের সমস্ত সুন্দর ছড়িয়ে দিয়েছেন কিছু হাত পা ছেড়া মানুষর জন্য।
শুন্য থেকে বিশাল কিছু শুরু করার বোকাটে মেয়ে তেমন ছেলে পাবেই কোথায় একটা? তবু যদি বিয়ে করেই থাকেন আপনি। ঐ লোকের জন্য আমার রীতিমতো কষ্ট হ্য়। কতটুকু সময় আপনি রাখেন নিজের অথবা পরিবারের জন্য?

আচ্ছা ভ্যালেরি,সি আর পি ছাড়লে কোথায় যাবেন আপনি? বয়স হয়ে গেছে,তবু কোথাও ভালো একটা চাকরী নিশ্চয়ই পাবেন (আমাদের এখানে জয়েন করবেন? আমরা লোক খুজছি) কিন্তু পারবেন কি করতে?
আরে ২৫ বছর থাকলে কয়েদিরও জেলখানার প্রতি মায়া জন্মে যায়। আর আপনি গেলে যাবেন তো সারা জীবনের সন্চয় ছেড়ে। আপনার সন্তানদের ছেড়ে। কী করে থাকবেন আপনি?

বংলাদেশ বা অন্য কোথাও কটা লোক যেচেপড়ে সাহায্যকরেছে আপনাকে? আপনিই তো ভিখারির মতো নতজানু হয়ে ভিক্ষা চেয়েছেন কিছু ভিখারির জন্য।

তবু আপনার ভাগ্য ভালো ভ্যালেরি। আপনার গায়ের রং সাদা। আমাদের মতো বাদামী হলে এতোদিনে আপনার রিমান্ড হয়ে যেতো। কিংবা আপনি হতেন আরেকজন চলেশ রিশিল।

ভ্যালেরি, আমি আমার সরকার, সরকারের প্রতিটা লোক এবং প্রতিটা বাঙালিকে প্রচন্ড বিশ্বাস করি। তারা যদি বলে ২৮ বছর পর আপনি কোন পদের যোগ্য নন। আপনি নন।
তারা যদি বলে আপনি যাবেন। আপনি যাবেন।
তারা যদি বলে আপনি খারাপ। আপনি খারাপ।

ভ্যালেরি টেইলর, আপনার চলে যাওয়াই উচিত।



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Janalablog/28711887 http://www.somewhereinblog.net/blog/Janalablog/28711887 2007-05-21 18:42:08
ঝামেলামানুষ দ্রুত দেখে নেই আশপাশের অবস্থা আর আ্যলার্ম। খুব স্বাভাবিক গলা রেখে জিেগ্গস করি, তুমি ঠিক আছো? সে আমার হাত ধরে নিয়ে যায় দরজার কাছে। আমি বলি দরজা এখন খোলা যাবেনা। সে তবু হাত ধরে রাখে। খারাপ কিছুর জন্য প্রস্তুত হই। খোলা হাত কে শক্ত করে রাখি নিজেকে রক্ষার প্রয়োজনে। রেগে গেলে ওরা ভয়ংকর শক্তিশালি হয়ে ওঠে। সে কিছু বলে না। আস্তে করে হাত ছেড়ে দৌড়ে অন্য দিকে চলে যায়।

এবার সে আগের থেকে শান্ত অনেক। এখন তার শান্তনা কেই ভয় পেয়ে যাই আমি। শরীর খারাপ? কিংবা বড় কোন ঝামেলা বাধাবে এবার?
ডাক্তার কে ফোন করি। জানা হয় তার ঔষধ বদলে গেছে। খুব শক্ত ঔষধ খাচ্ছে এখন। কারন এতো বেশী চন্চল সে। ক্ষতিকর তার নিজের বা আশপাশের সবার জন্য। ঔষধ খুব ভালো কাজ করছে। তাই সে দরজা খুলে গাড়ির সামনে পড়ে যাচ্ছেনা। ক্লান্ত করে দিচ্ছেনা অন্যান্য দের।
আমি বোকার মতো জিগগেশ করি, ওতো কিছু খেতেও পারছেনা। খেতে গিয়ে আমার কাধে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়ছে। ঔষধের সাইড এফেক্ট নাতো?
ডাক্তার আমাকে বোঝাতে গিয়ে হাসেন। বলেন ওহে তরুন, ভাগ্য ভালো তুমি ডাক্তার নও। নাহলে এখুনি বুঝিয়ে দিতাম চিকিতসা বিগগান কাকে বলে।

সে মহা আনন্দে ছুটে বেড়াচ্ছে এখান থেকে ওখানে। আমিও ছুটছি সাথে সাথে। চেষ্টা করছি যেন গাছের পাতা খেয়ে না নেয়। লুকিয়ে কিছু মুখে দিয়ে দেয় একটা। ধরা পড়ে হেসে দৌড় দেয় অন্য দিকে।
যেন বাচ্চা খেলা করছে এক। বাচ্চাই তো। আঠারো হয়েছে শুধু। খুব সুন্দর সে। হাসলে মনে হয় দেবশিশু।
হঠাৎ এক হাত কামড়ে অন্য হাত ঢুকিয়ে দেয় ট্রাউজারের পকেটে। আরো সুন্দর করে হাসতে থাকে। প্রচন্ড বিরক্ত হই আমি। এ সমস্যা টা নতুন। তার মা লিখে দিয়েছেন সে প্রতি সন্ধায় এমন করবে। তাকে যেন এই সময় তার রুমে নিয়ে শুইয়ে রাখা হয়।
আমি তাকে ভেতরে নিতে চাইছি। পারছিনা। সে মাঝে মাঝে পকেট থেকে হাত বের করে আমার হাত ধরছে। কিছু একটা দেখাতে চাইছে। গা ঘিনঘিন করছে আমার। একা রেখেও যেতে পারছিনা। সে ক্ষতিকর নিজের বা আশপাশের সবার জন্য।

কদিন আগে তার এবং বাকি সবার নিরাপত্তা নিশ্চি্ত করা হয়েছে। পরিবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাকে পাঠিয়ে দেয়া হবে দুরে কোথাও। এরকম অন্য ছেলে মেয়ে দের সাথে।
সব জায়গা থেকে মত চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে আমি লিখলাম, তার শারীরিক অবস্থা পরিবার জন্য খুবই দুশ্চিনতা এবং দী্রঘ অসুবিধার কারণ হতে পারে।
সত্যি কথাই লিখলাম। সবরকম সুবিধা থাকার পরও তাকে দেখাশোনা করা সত্যিই কষ্টের। শুধু তার জন্ম তারিখ লেখার সময় লেখা ধীর হয়ে গেলো। আঠারো মাতরো আঠারো সে। অনেক ছোট। এ সময়টায় পরিবারের সাথে থাকা খুব দরকার তার।

দেবশিশু আমাদের এখানে আর আসেনা। এরকম নিরাপদ ব্যাবস্থা রেখে আসার কোন দরকার ও নেই। আমরা মাঝে মাঝে ঝামেলার কথা বলতে গেলে তার উদাহরন দেই। একটা বাচ্চা ছেলে তার সমস্ত ঝামেলা নিয়ে আমাদের নিরাপদ করে গেছে। স্বস্তি দিয়ে গেছে।

কদিন আগে অন্য একটা ফাইল খুজতে দেখি তার ফাইল টা নেই। একজন জানালো সে যেহেতু আসছেনা আর তার তথ্যের কোন দরকার ও নেই। সে ও তার ফাইল আরকাইভে চলে গেছে। আমরা এখন নিরাপদে কাজ করি
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Janalablog/28709955 http://www.somewhereinblog.net/blog/Janalablog/28709955 2007-05-10 15:39:01
তোকে সাগরের কী দাবী
তাই তার দেহ ধুয়ে
ঢেউদের নাচ হয়
কথক বা মণিপুরি মাছেরা যা জানে
নাচসুখি সমুদ্্র
শুনে হেসে খুন হয়
ম্রিত নীল প্রাণী -
একদিন জেনেছিল বন্ধুতার মানে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Janalablog/28704333 http://www.somewhereinblog.net/blog/Janalablog/28704333 2007-03-30 20:58:53

বাংলাদেশের পাশে দাড়াই।
জয়ে কিংবা পরাজয়ে... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Janalablog/28702402 http://www.somewhereinblog.net/blog/Janalablog/28702402 2007-03-16 09:11:48