আমার প্রিয় পোস্ট

আ মা র আ মি

ছবিব্লগ: সোমেশ্বরীর বিরিশিরি

১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫৫

শেয়ারঃ
0 0 0



বারবার ফিরে যাই এই জায়গাটায়, ঢাকার থেকে কাছেই, নেত্রকোণার বিরিশিরি। সোমেশ্বরির টানেই বারবার এ ফিরে যাওয়া। এই ছুটিটায় গেলাম আবার। পাহাড় থেকে বেয়ে আসা সোমেশ্বরী, সে আগের মতই এখনো সুন্দরী, যদিও তার অনেকটাই খেয়ে নিয়েছে ধু ধু বালুচর। শুকিয়ে এতটুকু হয়ে যাওয়া নদীটা তবু ছুটে চলেছে টলটলা পানি বুকে।

কিছু ছবি দিলাম, আমার মোবাইল ক্যামেরায় তোলা।
































যারা যেতে চান তাদের জন্য কিছু তথ্য:

ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে যেতে পারেন। মহাখালি থেকে বাস পাওয়া যায়। ভাড়া ১৫০-১৭০। সার্ভিস খুব একটা ভালো না। খারাপ রাস্তা আর খারাপ বাসের কারনে যেতে প্রায় ৬ ঘন্টা লাগবে। আবার ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ হয়ে যেতে পারেন। ঢাকা থেকে ময়মনসিংয়ের বাস পাবেন, নিরাপদ বা সৌখিনের সার্ভিস ভালো। ভাড়া ১১০-১২০। ময়মনসিংহ ব্রিজের কাছের বাস স্ট্যান্ড থেকে বিরিশিরির বাস পাবেন। ভাড়া ৫৫-৬০।

থাকার জন্য বিরিশিরি ইদানীং কিছু রেস্ট হাউজ টাইপ হোটেল হয়েছে। তবে তার ভাড়া বেশি। তবে আমি সবসময় YMCA-তে থাকি। নিরালা, সুন্দর থাকা যায়, সোমেশ্বরীও কাছে। ভাড়া ২০০ টাকা। ২-৪ জান থাকা যায় ঐ এক রুমেই। YMCA-এর ফোন নম্বার ০১৯২০০৫০৭৬৭।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: ছোট্ট ছবিগুলো  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:১৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:০১
জয়িতা বলেছেন: অসাধারন, অপূর্ব সব ছবি।দেখেই মন ছুটে যায় কিন্তু যেতে পারি না।দু:খ+++++++++++++
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। যেতে পারেন না কেন? চেষ্টা করুন।

২. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:০৬
কৌশিক বলেছেন: আমিও একবার গেছিলাম....৯২ সালে ...সোমেশ্বরীর পাড়ে....এইটা একটা দারুণ ট্যুরিস্ট স্পট..
৩. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:০৭
কৌশিক বলেছেন: উপরের লেখাটা ছবির নীচে দিয়ে দেখতে পারো, ফ্রন্ট পেইজ থেকে ছবি দেখা যাইতেছে না
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:১৯

লেখক বলেছেন: কোন একভাবে ঠিক করার চেষ্টা করলাম।

৪. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:২০
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

দারুণ সুন্দর সব ছবি ।
আপনাকে ধন্যবাদ ।
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।

৫. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:২৪
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন: সত্যিই সোমেশ্বরী তে কি যেন আছে.
সোমেশ্বরীর মজা হলো এর জল।
একেবারে চকচকা।
নদীর নিচ পর্যন্ত দেখা যায়।
কপোতাক্ষীর মতো।
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৪০

লেখক বলেছেন: কপোতাক্ষী?

৬. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:২৬
বাংলার ছায়া বলেছেন: ধন্যবাদ.. ভাল তথ্য দিয়েছেন। আমিও ভাবছিলাম লিখব
৭. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:২৮
জেরী বলেছেন: সুন্দর ছবি........।
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৮. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:০২
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: ছবিগুলো বড়ই সুন্দর লাগলো যীশুদা।
দেখি টাইম কইরা যামু বিরিসিরি।
তথ্যের জন্য ধন্যবাদ।
যদিও ময়মনশিংহে আমার অনেক বন্ধু আছে।ওদের বাড়িতে থাইক্যা সেখান থেকেই যামু।
ভালো থাকবেন।
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:২০

লেখক বলেছেন: ময়মনসিং থেকেও যেতে ৩ ঘন্টার মত লাগে। তবে সোমেশ্বরীর পাড়ে রাতে থাকলে মজা পাবেন, যদি সেটা জোসনা রাত হয়।

৯. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:০৭
মুহিব বলেছেন: চমৎকার ছবি তোলার হাত। বিরিশিরি যাওয়ার ইচ্ছা আছে।
১০. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:২৫
শরিফ রনি বলেছেন: আমার বাড়ী সোমেশ্বরী পাড়ে। পোষ্টটা দেখে আর ব্লগারদের পজিটিভ কমেন্টগুলো পড়ে আবেগাপ্লুত হচ্ছি। আমার নিজের কাছে দূর্গাপুরের প্রাকৃতিক দৃশ্যকে অসাধারণ মনে হয়। আগে ভাবতাম ওখানে আমার বাড়ী বলেই হয়তো এমনটি হয়।
কিন্তু আজ বুঝতে পারছি আমার ভাবনাগুলো অমূলক নয়। তবে আমার ঢাকার বন্ধুরা শত ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও অনেকে দূর্গাপুর বেড়াতে যেতে চাননা। এর একটাই কারণ নিম্নমাণের যোগাযোগ ব্যবস্থা।

ময়মনসিংহ থেকে বিরিশিরি পর্যন্ত সরু আর ভাঙ্গা রাস্তার কথা জানলে আপনাদের অনেকেই হয়তো প্রকৃতির এই অপার সৌন্দর্য উপভোগ করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন। যদি কেউ সাহসী আর প্রকৃতিপ্রেমী হোন তবে অবশ্যই এটা মিস করতে চাইবেন না।

তবে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতিকল্পে সরকারের কোনই সদিচ্ছা নেই। এর লেশমাত্র আমাদের চোখে পড়েনি। ভবিষ্যতে কোন ভালো কিছু হবে কিনা সে সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছেনা। মাত্র ৩০ কি.মি. রাস্তা প্রশস্ত করে মেরামত করলেই অসংখ্য লোক সেখানে বেড়াতে যেতে পারতো। ঢাকা থেকে বিরিশিরির দুরত্ব মাত্র ১৪০ কি.মি. বা তার চেয়ে কম হবে। ভালো সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকলে ঢাকা থেকে বিরিশিরি যেতে কতোক্ষণ লাগতে পারে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন।
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৯

লেখক বলেছেন: আপনি দারুন ভাগ্যবান একজন, এমন একটা সুন্দর জায়গায় আপনার বাড়ি। আসলে বাংলাদেশের এমন অনেক জায়গাই সুন্দর, কিন্তু ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবে, সঠিক তথ্যের অভাবে অনেকেই তা জানে না, যেতে পারে না। তবে যত কষ্টই হোক আমি কয়েকবারই বিরিশিরি গেয়েছি, এবার নিয়ে ৪ বার। এবং আবারও যাবো। তবে এটা ঠিক যোগাযোগ ব্যবস্থাটা ভালো করলে এটা চমৎকার একটা বেড়ানোর জায়গা হতে পারে।

আবার এটাও ঠিক, বিরিশিরিতে এবার গিয়ে দেখলাম এমন ছুটিগুলোতে বেশ টুরিষ্ট আসে, আমাদের রুম পেতেও ঝামেলা হয়েছে। আর এভাবে বেশী টুরিষ্ট আসতে থাকলে এলাকাটার সৌন্দর্যের উপর তা প্রভাব ফেলবে, পরিবেশ নষ্ট হতে থাকবে যদি তাদের ঠিকমত নিয়ন্তণ করা না যায়।

১১. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪২
...অসমাপ্ত বলেছেন: বুড়ো লোকটার ছবির ক্যাপশন দিলাম "...অপেক্ষা"

:) ...ছবিগুলো এ+
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৬

লেখক বলেছেন: ক্যাপশন আর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। :)

১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২৪

লেখক বলেছেন: আরে, আপনাকে অনেকদিন পর দেখলাম। অনেক ভালো লাগলো আপনাকে দেখে, তাও আবার আমার পোষ্টে! :)

১৩. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩২
টংকেশ্বরী বলেছেন: ধন্যবাদ.. ভাল তথ্য দিয়েছেন। ছবিগুলো ও দুর্দান্ত।
১৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৯
জানা বলেছেন:

দারুণ হয়েছে ছবিগুলো। ভিশন মন কাড়া রূপ বাংলার। যেতেই হবে খুব শিগগীর। বলেছেন সরু ভাঙাচোরা রাস্তার কথা। নিজেদের গাড়ী (মাইক্রো) নিয়ে যাওয়া কি কঠিন হবে? ভাবছিলাম পরিবারের বয়সী সদস্যদের নিয়ে একবার ঘুরে আসবো। শিশু ও বয়স্ক বিদেশী অতিথিদের থাকা-খাওয়ার জন্য সুবিধাজনক এমন কোন গেস্টহাউজ বা হোটেলের ব্যবস্থা ওখানে আছে কি? থাকলে কোথায় যোগাযোগ করবো? কতদিন আগে বুক করতে হবে? নিজে ড্রাইভ করলে ঢাকা থেকে কতক্ষণ সময় দরকার? এখন ওদিকটায় ঠান্ডা কেমন? পরিবারের সবাইকে নিয়ে এই চমৎকার জায়গাটি ঘুরে আসতে চাই। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ছবি ও পোস্টের জন্য।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২২

লেখক বলেছেন: জানা, আপনাকে বোধহয় প্রথম দেখলাম আমার পোস্টে। ভাল্লাগলো।

হ্যা, রাস্তা আসলেই অনেক সরু আর ভাঙাচোরা। নিজেদের গাড়ী (মাইক্রো) নিয়ে যাওয়া কঠিন হবে। তবে আপনার যদি জায়গাটা দেখার, বেড়ানোর লোভ থাকে তবে অতটুকু কষ্ট করাটা বিফলে যাবে না। আর যদি সবাইকে (শিশু ও বয়স্ক বিদেশী অতিথি) নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা থাকে, তবে আগে আপনি নিজে গিয়ে একবার দেখে আসতে পারেন। কেননা, এক একজন মানুষের চাওয়া এক এক রকম হয়। আপনি যাদের নিয়ে যাবেন তারা কেমন থাকার জায়গা আশা করবে তা আমি ঠিক বুঝ্তে পারছি না। আমি পোস্টে একটা ফোন নাম্বার দিয়েছি, থাকার বিষয়ে ওখানে ফোন করে দেখতে পারেন, ওরা খুবই হেল্পফুল। নিজে ড্রাইভ করে গেলে কতক্ষণ লাগবে ঠিক জানি না, তবে বাসে প্রায় ৬ ঘন্টা লেগেছিলো। আর উপরে শরিফ রনির মন্তব্য অনুযায়ী ঢাকা থেকে বিরিশিরির দুরত্ব মাত্র ১৪০ কি.মি. বা তার চেয়ে কম হবে। সুতারাং আমার মনেহয় আমার চেয়ে আপনিই ভালো আন্দাজ করতে পারবেন। ঠান্ডা ওখানে বেশি না, ঢাকার মতই।

বেড়িয়ে আসুন। আনন্দের অনেক উপকরণ পাবেন ওখানে।

১৬. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩৫
অচেনা বাঙালি বলেছেন: কবে গেছিলেন?

আমিও মাস খানেক আগে গেছিলাম বিরিশিরি। Click This Link
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫১

লেখক বলেছেন: এইতো জানুয়ারীর ৮-১০।

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫৯

লেখক বলেছেন: আপনার লেখা পড়লাম। আগেও আরও ৩ বার গিয়েছি বলে এবার আর চুনা মাটির পাহাড় দেখতে যাইনি। একদিন ছিলাম। পুরাটাই সোমেশ্বরীকে দিয়েছি।

১৭. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:২৫
স্বাক্ষর শতাব্দ বলেছেন: ভালো জায়গা
আমার প্রিয় জায়গা
++++++++++++
১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:০৪

লেখক বলেছেন: তাই নাকি? বিরিশিরি দেখি অনেকেরই প্রিয়।

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৭৪২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
একজন সহজ মানুষ থাকার চেষ্টা। সহজ হয়ত সরল নয়। বোকাও নয়।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ