somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... পুরানো কবিতারা ১ কত কথা মনে মনে
মনটা তার জানে কি ছাই,
কি যেন কি বলবো কথা খুঁজে না পাই।

ইচ্ছে ছিলো হবো ঘাস, পাতবো মিতা
হীরক জ্বলা শিশির সনে।
এক জীবনে পুড়িয়ে দেবো হাজার চিতা
উড়াল দেবো এক পূর্ণিমায় চাঁদের পানে।

ইচ্ছে ছিলো লিখবো গান, তোমায় মনে
আঁকতে আঁকতে, তোমার ধ্যানে
কাটিয়ে দেবো স্বপ্নের রাত।
কোন এক দারুন ক্ষণে
পড়িয়ে দেবো লতার মুকুট হাতে বুনে,
ছুঁয়ে দেবো বাড়িয়ে হাত।

আমি জানি না,
মনের কথা আকাশ জানে।
_____________________________________________

১৯/২০ অক্টোবর, ২০০৫]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29428944 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29428944 2011-08-10 00:32:25
একটি স্বপ্ন প্রস্তাবনা
খামার বাড়িতে ছোট্ট একটা সবজি বাগান আছে। আছে একটা ফলের বাগানও। খানিকটা দূরে একটা বনজ গাছের বাগান, সেখানে দীর্ঘ মেয়াদি বেশ কিছু গাছ লাগানো। পশু পালনের ফসল চলে যায় শহরের বাজারে। খানিকটা সরু চাল খাবার অভ্যাস থাকলেও সমস্যা নেই মোটে। তা শহরের বাজারেই পাওয়া যায়। চাল কেনার পরও অনেক টাকা বাঁচে। সবজি, মাছ, দুধ, ডিম তাতো বাড়িতেই আছে। চাইলে মাংশ কেনা যায় খানিকটা, আর তেল-নুন ইত্যাদি। তারপরও বেঁচে যায় অনেক টাকা। সে টাকায় খামার বাড়িতে আসে সৌর বিদ্যুত, একটা জেনারেটর বসানো ডিপ টিউবয়েল। নিজের নিতান্ত প্রয়োজনের যোগান নিজের কাছেই।

হাতে বেশ সময় থাকে। ইচ্ছে হলে সবুজ ছবি আঁকা যায় চোখের সামনে। ইচ্ছে হলে মোটর বাইকে বেড়িয়ে পড়া যায় ঘুরতে, আড্ডায়, নাহয় আধা ঘন্টা শহরপানে। ইচ্ছেমত ছবিও তোলা যায় ঘুরতে বেড়িয়ে পথে পথে বুনো ফুলের। স্বপ্ন চোখে জড়িয়ে ঘুম থেকে ওঠা যায়, শহুরে মানুষদের মত অফিস যাবার তাড়া থাকেনা বলে। মনটা উদাস হলে, অথবা রঙ্গিন, কবিতা লেখা যায় একটা, অনায়াসে।

স্বপ্নটা আরও পাঁচ বছর পরের। এমন একটা সময় আমি। স্বপ্নটা ইদানীং দেখছি খুব। একদিন ঠিক আবার ঘরে ফিরে যাবোই এ স্বপ্ন তো বহুদিনেরই। নাহয় খানিকটা আগেই হতে পারে সেটা। বছরখানেকের মধ্য খামারের কাজ শুরু করার জন্য কিছু রশদ যোগার হয়ে যাবার কথা। শহরে জীবনে আজীবনে জীবন বাঁচানোর যোগানের পেছনে না ছুটে সামনের বছরই ফিরে যাওয়া যায়।

যাই, শেকড়েই ফিরে যাই...
_____________________________________________

ছবি: আমার দাদা বাড়ির সামনের সবুজ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29328977 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29328977 2011-02-18 02:49:36
Ha-show দেখে হাসেন কি?
যাই হোক, ইয়াফি ভাইয়ের উপস্থাপনায় এটাই প্রথম টিভি অনুষ্ঠান, সুতরাং দর্শকদের মতামত তার জন্য আসলেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমার এ পোস্টটা সে কারনেই। তিনি নিজেও এই ব্লগের একজন পাঠক। অনুষ্ঠানটা আসলে কেমন হচ্ছে সে বিষয়ে এই ব্লগের ব্লগারদের মতামত জানার ইচ্ছা তার।

কেমন লাগছে Ha-show আপনাদের কাছে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29278853 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29278853 2010-11-27 12:58:58
কি জঘন্য!!!! কি জঘন্য!!!!!!! Click This Link)

ছাগুগুলো এই উছিলায় আসছে বোরকা পড়ার ফতোয়া নিয়ে আর কিছু আবাল সেই ব্লগে গিয়ে প্লাস দিচ্ছে, মন্তব্যও করছে সেই পোস্টের পক্ষে। একবারও ভেবে দেখছে না পুরা বিষয়টাই সংস্কৃতির উপর। সময়ের সাথে সাথে সংস্কৃতি পাল্টায়। হ্যাঁ, সে সংস্কৃতির লাগামটা আমাদের হাতে রাখতে হবে, যেন সেটাকে আস্তে বা জোরে, ডানে বা বামে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। কিন্তু তাই বলে আমরা তো নিজেদের উল্টো মধ্যযুগে নিয়ে যেতে পারি না। তবে হ্যাঁ, সেই সংস্কৃতির পরিবর্তনের সাথে সাথে নিজেদের চিন্তার, মানসিকতার পরিবর্তনটাও জরুরী। সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের নিয়ন্ত্রণ আর পরিবর্তনের সাথে সাথে নিজের চিন্তার মানসিকতার পরিবর্তন- এ দুটোর সমন্বয়টা ঠিক মত হলেই পোষাকের কারনে ইভ টিজিংয়ের মত কোন ঘটনা ঘটবে না।

এই বোরখা পড়ার উপদেশ দেওয়া পোস্টগুলা দেখে আমার কি মনে হয়েছে জানেন, মনেহয়েছে যে মানুষগুলো এই ব্লগে এমন বিশ্রীভাবে মেয়েদের নিয়ে কথা বলতে পারে তারাই পারে রাস্তায়, বাসে সুযোগ পেলেই ইভ টিজ করতে। আবার কেউ কেউ আছে যারা প্রকাশ্যে ইভ টিজ করতে পারে না তারা এই ব্লগে বেনামে ইচ্ছামত ইভটিজের স্বাদটা মিটায়ে নিচ্ছে। আর ব্লগের মডুও সেই পোস্ট মুছে ফেলে না, কারন পোস্টে এই ফালতু উপদেশটার সাথে কিছু ভালো কথাও তো আছে। আর হাজার হলেও ইভ টিজিং একটা বড় ইস্যু, এটা নিয়ে আলোচনার পোস্ট তো মুছে দেয়া যায় না। মধ্যএই ব্লগে অনেক নারী ব্লগাররা আছেন। ঐ লেখাগুলো পড়ে আবার নিজেরই যেমন ঘেন্না লেগেছে না জানি তাদের কতটা খারপ লেগেছে।

এই নোংরা পোস্টগুলো লিখে বা নোংরা মন্তব্যগুলো করে আপনারাও যে ব্লগে ইভটিজিংই করছেন তা কি একবার ভেবে দেখেছেন?

বি;দ্র: সামু কতৃপক্ষ ইভটিজ প্রতিরোধ ক্যাম্পেইনে যে লেখাগুলো সংকলিত করেছে তার প্রথম পাতায় যে ১৫ টা পোস্ট পেলাম তা থেকে ২ টা পোস্টের লিংক দিলাম। একটু দেখুন তো এগুলো কি ইভটিজিং প্রতিরোধ বিষয়ক পোস্ট, নাকি ইভটিজিং করা পোস্ট।

লিংক ১: Click This Link
লিংক ২: Click This Link
_____________________________________________

ছবি: http://bdoza.wordpress.com/category/politics/]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29266924 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29266924 2010-11-05 00:32:31
ঈদের ছুটিতে রাস মেলা (দুবলার চর, সুন্দরবন) যাচ্ছি, যাবেন নাকি কেউ?
এইবার আমার পরিচিত একটা গ্রুপ দুবলার চর যাচ্ছে রাস মেলা দেখতে ঈদের পরেই, রাস মেলাটা হবে ঐ সময়ই। ট্যুর শুরু হবে ১৯ তারিখ রাতে খুলনা থেকে আর ট্যুর শেষে মংলাতে পৌছাবো ২১ তারিখ সন্ধ্যায়। ওরা একটা ট্রাভল এজেন্সীর নামেই ট্যুরটা করছে। ট্যুরের বিস্তারিত নিচে দিলাম:

রাস মেলা ২০১০, আলোরকোল, দুবলার চর, সুন্দরবন
(১৯-২১ নভেম্বর, ২০১০)

যাত্রা পথ:
যাত্রা শুরু: খুলনা লঞ্চ টার্মিনাল, ১৯ নভেম্বর, শুক্রবার, রাত ৮:৩০ মিঃ
দুবলার চরে পৌছানো: ২০ নভেম্বর, শনিবার, দুপুর
রাসমেলা প্রাঙ্গনে নোঙর: ২০ নভেম্বর, শনিবার, বিকেল
পূজা ও স্নান: ২১ নভেম্বর, রবিবার, ভোরবেলা
দুবলারচর থেকে মংলার উদ্দেশ্যে যাত্রা: ২১ নভেম্বর, রবিবার, সকাল
যাত্রা শেষ: মংলা লঞ্চ টার্মিনাল, ২১ নভেম্বর, রবিবার, সন্ধ্যা

পুরা ট্যুরটা দোতলা লঞ্চে হবে, কেবিনে থাকা আর খাওয়া-দাওয়ার ভালো ব্যবস্থা থাকবে বলেই মনেহল। খাওয়া দাওয়ার লিস্ট দেখতে চাইলে নিচের ছবিটা বড় করে দেখতে পারেন।

ও আচ্ছা, আসল কথাটাই তো বলা হয়নি। এই ট্যুরে জনপ্রতি খরচ হবে ৪,৫০০ টাকা। ৫০% টাকা ০২ নভেম্বরের মধ্যে দিতে হবে, সাথে নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বরও দিতে হবে বনবিভাগের অনুমতির জন্য। আর বাকি টাকা ৮ নভেম্বরের মধ্যে দিলেই হবে। তবে খুলনা যাওয়া বা মংলা থেকে ফিরে আসার খরচ ও ব্যবস্থা এই টাকার মধ্যে নেই। খুলনা যাওয়া ও মংলা থেকে ফিরে আসার ব্যবস্থা আপনাকেই করতে হবে, ওরা হয়তো আপনাকে সহযোগিতা করবে।

ব্লগে আমার ট্যুরের পোস্টগুলোতে অনেকেই ট্যুরে যাবার আগ্রহ দেখিয়েছেন। সবট্যুরে তো সবাইকে নেয়ার সুযোগ হয় না, এই ট্যুরটা আমার মনেহলো একটু আরামদায়ক ট্যুর হবে। তাই আপনাদের জানালাম। আমার মনেহয় বেড়ানোর জন্য এটা একটা অন্যরকম ট্যুর হতে পারে। আর ফটোব্লগাররা তো একটা সুযোগ নিতেই পারেন, হয়ত মেলার দারুন কিছু ছবি পেলেও পেতে পারেন।

তবে ১৮ তারিখ রাতে ওদেরই আরেকটা লঞ্চ রওনা হবে রাসমেলারই উদ্দেশ্যে। এই একটা দিন আগে রওনা দেবে সুন্দরবনের পর্যটন স্পটগুলো ঘুরে দেখার জন্য। কেউ যদি ১৮ তারিখই রওনা দিতে পারেন তবে কটকা, হিরন পয়েন্ট হয়ে দুবলার চর যেতে পারেন। সেক্ষেত্র খরচটা ৫০০ টাকা বেশি পরবে, অর্থাৎ সেক্ষেত্র ট্যুরের খরচ পড়বে ৫,০০০ টাকা।

যেতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন আমার সাথে। এখানে বা আমার মেইলে () আপনার ফোন নম্বরটা জানান, আমিই আপনাকে ফোন করবো।

যাবেন নাকি কেউ?
_____________________________________________

ছবি: Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29263108 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29263108 2010-10-28 16:01:31
ইদানীং আলসেমী কি যেন অক্টোপাসের মত,
অক্টোপাস না, সে অন্য কিছু।
অক্টোপাসের মত তার জড়ানোর শুর নাই।
তবে নানা রংয়ের অনুভুতিতে অন্ধ করে দিতে পারে নিমিষে
একেবারে ঠিক অক্টোপাসের মতই।
আর জড়াতে পারে
চোখের সম্মোহনে,
সে চোখ, সে সম্মোহন শুধু তারই।

আমি অলস দিন কাটাই, আলসেমীতে জড়াই।
প্রতিদিন হেরে যাই,
সময় উড়াই।
_____________________________________________

ছবি: সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে নেয়া ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29261844 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29261844 2010-10-26 19:22:31
বিচ্ছিন্ন কিছু দুঃখবোধ/ দুঃখ'তা কিছু দুঃখ তো থেকেই যায়।
এই যে দুঃখ থাকার দুঃখটা
কতটা জানো তুমি?
ঐ দুঃখটা
অথবা সেই মানুষের সেই দুঃখটা,
কতটা জেনেছো তুমি?
এই মানুষটার যেমন দুঃখ আছে,
আছে ঐ মানুষটারও।
হয়তো আছে বলে বানিয়ে বানিয়ে
বলে দেয়া যায় একশ একটা মনের দুঃখ।
কিন্তু ঠিক যে দুঃখটা মনে পুষে
তা কি তুমি জানো?

হয়তো দেখেছো অনেক হারানো ব্যাথা,
হয়তোবা পেয়েছো তীব্র।
কিন্তু হারাবার আগে আজনম
না পাওয়ার ব্যাথাটা জানো না তুমি।

হয়তো হেসে ভাবছো দুঃখ বিলাস।
কিন্তু জেনো,
ক্ষুধা পেটে যতটা সৃষ্টি ছিলো মনে,
এই ফার্মের মুরগীতে তার একফোঁটাও না।

দুঃখের কোন তুলনা হয় না,
যেমন মৃত্যুর।

স্যালুট তোমায়
হে দুঃখবোধ,
স্যালুট তোমায়
প্রিয় দুঃখতা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29245810 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29245810 2010-09-27 00:18:11
নোটস টোনা-টুনির গল্প ১

আমি বললাম, 'আমি প্রেমের চেয়েও সুলভ'।
তুমি ভাবলে প্রেম আমার চেয়ে দামি।

টোনা-টুনির গল্প ২

দুঃখবোধে নিজেরে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে হয়।
বুকের মধ্যে,
সান্ত্বনায়।
আমি জড়ালাম নিজেরে
নাকি তোমায়?

সঙ্গতা

যার কেউ নেই
তার একটা চাঁদ আছে,
আর আছে কিছু তারা,
মেঘ জল ঝরে পড়া বৃষ্টি আছে
শূণ্য আকাশ দৃষ্টিহারা।

ব্যাচেলর কথন

তার চেয়ে বরং আয়না দেখি,
কি লাভ খুঁজে নিজেরে!!!
আমার আমি তো আমাতে বিলীন
আমার বুকের পাঁজরে।

_____________________________________________

ছবি: Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29242848 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29242848 2010-09-21 14:40:56
ছবিব্লগ: রাইখ্যং-এর উজান বেয়ে পানছড়ি: শেষ পর্ব (ঝর্ণার খোঁজ আর ফিরে আসা)
এক.


দুই.


তিন.


চার.


পাঁচ.


ছয়.


সকালে চা খেয়েই রওনা দিয়ে দিলাম ঝর্নার পথে, কখনো পাহাড়, কখনো ঝিরি পথ ধরে। যেতে যেতে ছবি তোলা চলছিলো বরাবরের মতই।

খানিটা গিয়ে প্রথমে একটা ঝর্ণা পেলাম, যেটা পাহাড়ের গা বেয়ে নেমে আসছে। ঝর্নাটা সুন্দর, কিন্তু ওটাতে আরাম করে ভেজার মত ছিলো না, তাই আরও সামনে এগুলাম। কিন্তু সামনে গিয়েও যেটা পেলাম সে ঝর্ণার পানি পাহারের গা বেয়ে নেমে আসেনি, কিন্তু তাতে পানি খুবই কম। আমাদের গাইড জানালো আরও কয়েক ঘন্টার পথ পাড়ি দিলে আমরা বড় একটা ঝর্ণার কাছে যেতে পারবো। কিন্তু আমাদের ফেরার তাড়া থাকায় আর এগোনোর পরিকল্পনা বাদ দিলাম। ওখানের ঝিরিতেই নেমে গেলাম। ঝিরির জলে গা ডুবিয়ে স্রোত টান অনুভব করতে করতে গোসলটা সেরে নিলাম ওখানে।

সাত.


আট.


নয়.


দশ.


এগারো.


বারো.


তেরো.


ফিরে এসে আমাদের তাড়াহুড়া বেড়ে গেল অনেক। নিজেরাই নুডুলস রান্না করে খেয়েই রওনা দিয়ে দিলাম। এরমধ্যে আবার আকাশ কালো করে এলো বৃষ্টি, কেউ কেউ আরেক দফায় ভিজে নিলো বৃষ্টিতে।

চৌদ্দ.


পনেরো.


ষোল.


সতেরো.


আঠারো.


উনিশ.


অবশেষে বিদায় নিয়ে ফারুয়ার দিকে রওনা হলাম আমরা।

ফারুয়াতে আমাদের বড় নৌকাটা আমাদের জন্য অপেক্ষা করছিলো। আমরা ফারুয়া বাজারে উঠে খেয়ে নিলাম, কিছু খাবার কিনেও নিলাম। তারপর আবার রওনা কাপ্তাইয়ের পথে। গানের দল বিকেলের আলোতে আবার গান শুরু করে দিলো, গানের সাথে সাথে সন্ধ্যা মিলিয়ে আসছে আর আমরা বকের ডানায় ভর করে বিদায় জানালাম পাহাড়গুলোকে।

বিশ.


একুশ.


বাইশ.


তেইশ.


চব্বিশ.


পঁচিশ.


ছাব্বিশ.


সাতাশ.


আঠাশ.


উনত্রিশ.


ত্রিশ.


_____________________________________________

ছবিব্লগ: রাইখ্যং-এর উজান বেয়ে পানছড়ি: পর্ব ১ (কাপ্তাই থেকে ফারুয়া): Click This Link

ছবিব্লগ: রাইখ্যং-এর উজান বেয়ে পানছড়ি: পর্ব ২ (ফারুয়া থেকে পানছড়ি): Click This Link
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29198680 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29198680 2010-07-13 16:13:02
ছবিব্লগ কেবল তো সন্ধ্যেবেলা.......... :-)]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29192481 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29192481 2010-07-04 21:16:53 মনভাবনারা ইদানীং যেমন ২৪ এপ্রিল, বিকাল ৫ টা

ইচ্ছে করে, ইচ্ছে করে,
বুকের মধ্যে বৃষ্টি ঝরে।

২৬ এপ্রিল, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা

আকাশ বন্ধু এই মন জানে,
বৃষ্টি বন্ধু আসে সেই টানে।

২৬ এপ্রিল, রাত আড়াইটা

আজ আর কালের মধ্যে ঝুলে আছি, এই শূণ্য সময়ে আমি স্বপ্ন দেখতে চাই।

২৮ এপ্রিল, রাত সাড়ে বারো

আকাশে চাঁদ উঠবেই এমন কোন কথা ছিলো না, জানি।
তবু যে মনটা অভিমানী। <img src=" style="border:0;" />

২৯ এপ্রিল, রাত সাড়ে এগারো

আকাশ জুড়ে পূর্নিমার চাঁদ, এই মাটিতে চাঁদ কই?
খুঁজে তোমায় পাই বা না পাই, তোমায় তবু খুঁজবোই।

২৯ এপ্রিল, রাত ১২ টা

জেগে থাকতে ইচ্ছে হয়,
চাঁদের জোছনায়............।

৩০ এপ্রিল, রাত ৩ টা

ওটা সত্যি একটা স্বপ্ন ছিলো, আছে।
তুমি তারে মিথ্যে ভেবো না পাছে।

১ মে, রাত ৯টা

কথা হবার কথা ছিলো,
কথা বলার কথা রয়।
সময় বড় বদলে গেছে,
সময় শুধু বদলে যায়।

২ মে, রাত দেড় টা

মেঘ জানে, মাটি বৃষ্টি চায়।
তীব্র খরায়।
তবু হায়!
মেঘ শুধুই উড়ে বেড়ায়।

৪ মে, রাত ১১টা

Let the drop be rain.

৫ মে, রাত ১০টা

গুমোট আকাশ, গুমোট মন,
ঝড়ো হাওয়ায় উচাটন।

৭ মে, রাত ১২টা

আনন্দের বৃষ্টি এলো না, তবে না হয় দুঃখ জলেই ভিজি।

৮ মে, রাত দেড়টা

একটুখানি ছুঁয়ে দিলেই স্বপ্ন লাগা ঘোর,
বাস্তবতা যায় মিলিয়ে একটু ছোঁয়ায় তোর।

১১ মে, রাত ১২টা
আগুনে পুড়ে গেছে
একটা আকাশ,
একটা সকাল।
জানি দুপুর রোদে পুড়ে যাবে বাকি দিন।
আশ্চর্যজনকভাবে
নরম বিকেল আর প্রিয় সন্ধ্যাটা বাদ দিয়েই
নেমে আসবে রাতের অন্ধকার।
আমি সেই অপেক্ষাতেই আছি।

মে ১২, রাত সাড়ে ১০টা

আমি তো কোথাও নেই,
এখানে বা ওখানে।
মিটিমিটি জ্বলুক তারা
আঁধার রাতের সিথানে।

মে ১৩, রাত সাড়ে ১১টা

ও বৃষ্টির প্রথম ফোঁটা, তুই কি আমার কথা রাখবি না.............?

মে ১৫, রাত সাড়ে ৯টা

খুব তো বেশি নয় চাওয়া,
একটু হাওয়া,
বৃষ্টির ছোঁয়া..........

মে ১৬, রাত সাড়ে ৯টা

তবু কিসের যেন অপেক্ষা থাকেই যায়........

মে ১৭, রাত সাড়ে ৯টা

মন খারাপের সন্ধ্যেবেলায়
নেই নেই, কিছু নেই।
সারাদিনের মিছে খেলায়
নেই নেই, কিছু নেই।

মে ২১, সন্ধ্যা ৭টা

আমি কেউ না.......... :-(

মে ২২, বিকেল ৫টা

আকাশ মন,
কথা শোন......

মে ২৩, দুপুর আড়াইটা

প্রখর রোদে যখন জমিন পুড়ে চৌচির,
তখন অনাবৃষ্টিতে মন পুড়ে খাক হয়।
তবু চাতক পাখি বৃষ্টির প্রতীক্ষায়....।

মে ২৩, রাত ১১টা

আলোর প্রদীপ যখন নিভে যায়, প্রিয় চাঁদটাও ঠিক তখন ডুবে যায় কেন? <img src=" style="border:0;" />

মে ২৩, রাত দেড়টা

ইচ্ছে করে খুব,
বাস্তবতা ভুলে গেয়ে স্বপ্নতে দেই ডুব।

মে ২৪, রাত দেড়টা

ভালোবাসি নীল আকাশ, ভাবছো তুমি শূন্যতা........।

মে ২৬, রাত ১২টা

চাইলাম একফোঁটা বৃষ্টি।
বৃষ্টি এসে ভিজিয়ে দিলো।
এ যে আমার অনাসৃষ্টি,
আমার মনে দুঃখ ছিলো।

মে ৩০, রাত আড়াইটা

I am not me.

০৩ জুন, রাত ১০টা

হঠাৎ বৃষ্টি, তীব্র চাওয়া,
প্রথম ফোঁটায় তোরই ছোঁয়া।

০৭ জুন, রাত দেড়টা

তীব্র স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাই দুঃস্বপ্নের দিকে, তীব্র বিশ্বাস নিয়ে অবিশ্বাসে.......।

১০ জুন, রাত ১২টা

বাতাসের ছায়া পড়ে উঠোন জুড়ে,
জোছনার আলো চাই ভরদুপুরে।

১১ জুন, সন্ধ্যা ৬টা

একদিন ঠিক পালিয়ে যাবো, আমায় যাবো ছাড়ি,
আমি স্বপ্নগুলো ঘুম পাড়িয়ে জেগে থাকতে পারি।

১৩ জুন, রাত ৯টা

আকাশের সে রংয়ের খেলার কি মানে?
মন কি আর তুলির আঁচড় দিতে জানে!

১৩ জুন, রাত দেড়টা

শরীরেতে পচন আমার,
শরীর জুড়ে বিষ।
জোছনা জলে ভিজতে যেতে
সঙ্গে আমায় নিস।

১৫ জুন, রাত ১০টা

প্রথম বর্ষার
প্রথম বৃষ্টির
প্রথম ফোঁটা
তোকে দিলাম।

১৬ জুন, বিকেল ৪টা

অন্যরকম অন্যকিছু
অন্য কোন মানে,
তুমি জানো না, আমি জানি না,
শুধু আকাশ জানে।

২০ জুন, রাত ৩টা

মোবাইলটা অন্ধ,
চারদিক বন্ধ।
মেলে না ছন্দ।
সময়টা মন্দ।

২১ জুন, রাত ১টা

একটা আলপনা,
একটা ইচ্ছে,
শিল্পের কল্পনা
স্বপ্ন দিচ্ছে।

২৪ জুন, রাত ১০টা

চূড়ায় উঠে হাত বাড়িয়ে আকাশ ছুঁয়ে দিও,
মেঘের কাছে বৃষ্টি বাড়ির খবর জেনে নিও।

২৪ জুন, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা

খুব দেখতে ইচ্ছে করে আকাশটা, মিটিমিটি তারা আজ জ্বলছে কি জ্বলছে না আকাশে। অন্ধ আমি, দু'চোখ মেলে শুধুই অন্ধকার দেখি....।

২৬ জুন, রাত ৯টা

আহারে! আজ জোছনা নাকি!
চাঁদ তবে তো দেয়নি ফাঁকি।

২৭ জুন, রাত ১২টা

ইচ্ছে মতো মুখোসটা তোর পাল্টে নিলি,
সস্তা কি এমন তোর চোখের ঐ স্বপ্নগুলি!!!!!


ছবির লিংক: Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29186934 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29186934 2010-06-28 11:55:25
ছবিব্লগ: রাইখ্যং-এর উজান বেয়ে পানছড়ি: পর্ব ২ (ফারুয়া থেকে পানছড়ি) Click This Link

সকাল থেকে আকাশ অন্ধকার করা মেঘ নিয়ে আমাদের দ্বিতীয় দিনের শুরু। আমাদের নৌকা তখন ফারুয়া বাজারের ঘাটে। আমরা কয়েকজন নামলাম সকালের বাজারটা একটু ঘুরে দেখতে। ঐদিন ছিলো ফারুয়া বাজারের হাট। সকাল থেকেই তাই বেশ মানুষের আনাগোনা। নদীতে মাছ ধরাও চলছিলো তখন।

এক.


দুই.


তিন.


চার.


পাঁচ.


কিন্তু এসব দেখতে দেখতেই শুরু হয়ে গেল ঝুম বৃষ্টি। ক্যামেরাটা বাঁচানোর জন্যই দ্রুত ঢুকে পড়লাম একটা দোকানে। কিন্তু এভাবে কতক্ষন? বৃষ্টি কমার কোন লক্ষনই দেখা গেল না। শেষে রেইনকোটে ক্যামেরার ব্যাগটা জড়িয়ে বৃষ্টিভিজে কোন ভাবে ফিরলাম নৌকায়। কিন্তু আমাদের মাঝি তার নৌকা নিয়ে আর সামনের দিকে এগুতে রাজি না। মাঝির মতে এখন সামনের দিকে পানি কম, নৌকার প্রপেলর নদীর নীচে লেগে ভেঙে যেতে পারে। সুতরাং আমরা ছোট নৌকার খোঁজ শুরু করলাম। কিন্তু এই বৃষ্টিতে কিছুই পাওয়া যাচ্ছিলো না। তাই অপেক্ষা করে থাকতে হলো বৃষ্টি থামার। সকালের নাস্তাটা সেরে নিলাম এর ফাকে ফারুয়া বাজারে। দুপুরের দিকে বৃষ্টি খানিকটা কমে এলে আমরা একটা ছোট নৌকা রাজি করাতে পারলাম। যখন ছোট নৌকার জন্য খোজাখুজি চলছে তার মধ্যেই আমরা ঘুরে এলাম ফারুয়া বাজারের ওপারের বৌদ্ধ মন্দির থেকে। বাজারটাও ঘুরলাম আরও খানিকটা।

ছয়.


সাত.


আট.


নয়.


দশ.


এগারো.


বারো.


তেরো.


চৌদ্দ.


পনেরো.


এবার যেহেতু নোকাও ছোট তাই নিজেদের একেবারে প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো ছাড়া বাকি সব জিনিসপত্র রেখে দিলাম বড় নৌকায়। কিন্তু সে ছোট নোকায় উঠে বুঝলাম এ নৌকায় আমাদের সবার জায়গা হবে না। সুতরাং আবার আরেকটা নৌকা খোঁজা চলল। এবং অবশেষে মাঝদুপুরে আমরা দুইটা ছোট নৌকাতে করে কিছু খাবার নিয়ে আরও সামনে এগিয়ে চললাম।

ষোল.


সতেরো.


আঠারো.


উনিশ.


বিশ.


একুশ.


বিকেলে আমরা পৌছালাম চ্যাংড়াছড়িতে। ওখানেই আমাদের রাত কাটানোর কথা। এদিকে গতকাল থেকে আমাদের কারোই ভালোভাবে গোসল হয়নি, পাহাড়ি ঢলে নদীর পানি ভীষণ ঘোলা। তবে আমরা কয়েকজন বৃষ্টিতে খানিকটা গোসল সেরে নিয়েছি। শুনলাম আরেকটু এগুলে সামনেই পানছড়িতে ঝরনা আছে একটা। আমরা চ্যাংড়াছড়ি ছেড়ে তাই আরও সামনে এগুলাম পানছড়ির দিকে। পানছড়ির ঝরনাটা পেলাম তবে তা আহামরি কিছু না, পাহাড় বেয়ে কলের পানির মত পানি পড়ছে। আমরা সবাই ঐ ঝরনাতেই আরাম করে গোসল করে নিলাম।

বাইশ.


তেইশ.


চব্বিশ.


পঁচিশ.


ছাব্বিশ.


সাতাশ.


আঠাশ.


উনত্রিশ.


ত্রিশ.


একত্রিশ.


ওখান থেকে সন্ধ্যায় ফিরে এলাম আবার চ্যাংড়াছড়ি। আমাদের থাকার জন্য ওরা নদীটার পাড় ঘেষা দারুন একটা ঘর দিলো। এই ঘরের মালিক চাষের জন্য অন্য পাহাড়ে গেছে, ঘর খোলাই রেখে গেছে। আমরা নিজেরা রান্না করে খাওয়া দাওয়া সেরে আবার বের হলাম রাতে খানিকটা ঘুরতে।

আমাদের কারও সময়ের আসলে কোন হিসাব ছিলো না। আড্ডা দিয়ে তাই কখন যে আবার ফিরে এসে ঘুমিয়েছি, সময় বলতে পারবো না।
_____________________________________________

ছবিব্লগ: রাইখ্যং-এর উজান বেয়ে পানছড়ি: শেষ পর্ব (ঝর্ণার খোঁজ আর ফিরে আসা): Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29181180 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29181180 2010-06-20 16:16:15
ছবিব্লগ: রাইখ্যং-এর উজান বেয়ে পানছড়ি: পর্ব ১ (কাপ্তাই থেকে ফারুয়া)
ঢাকা থেকে বাস ছিলো রাত ১২টায়, আরামবাগ থেকে। সকালে সরাসরি পৌছালাম রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে। ওখানে নেমে নাস্তা শেষে একটা ইঞ্জিন নৌকা নিলাম আমরা। সাধারনত আমাদের অধিকাংশ ট্যুরে দলটা বড় হওয়ায় বেশ কষ্ট করে যেতে হতো, কিন্তু এবার বড় নৌকা, আর আমরা ১৩ জন। বেশ আরামেই আমরা হাত-পা ছড়িয়ে আমাদের মূল যাত্রা শুরু করলাম।

এই ট্যুরে আমার সাথে ছিলো আমার নতুন কেনা ক্যাননের ৭০-২০০এল লেন্স। জানি, এই পাহাড়ি ট্যুরে ল্যান্ডস্কেপ তুলবে সবাই, ভালোও লাগবে ল্যান্ডস্কেপ। কিন্তু আমি তুলে নিলাম আমার নতুন টেলি লেন্সটা দুটো কারনে। এক. নতুন লেন্সটার পারফমেন্স পরীক্ষা করা আর দুই. একটু অন্যরকম কিছু ছবি তোলা। আর তাছারা পোট্রেট তুলতে আমার সবসময়ই ভালো লাগে, ভালো লাগে মানুষ আর তাদের অনুভুতিগুলো তুলে নিয়ে আসতে। যাইহোক, আমি লেগে গেলাম আমার ক্যামেরা আর নতুন লেন্স নিয়ে। প্রথম দিনের কিছু ছবি আজ শেয়ার করলাম প্রথম পর্বে।

এক.


দুই.


তিন.


চার.


পাঁচ.


ছয়.


সাত.


আট.


নয়.


দশ.


এগারো.


বারো.


তের.


চৌদ্দ.


পনেরো.


ষোল.


সতেরো.


আঠারো.


উনিশ.


বিশ.


একুশ.


বাইশ.


তেইশ.


চব্বিশ.


রাতে আমরা পৌছালাম ফারুয়া বাজারে। ওখানে একটা হোটেলে খেয়ে নিয়ে নৌকাতেই ঘুম।

ছবিব্লগ: রাইখ্যং-এর উজান বেয়ে পানছড়ি: পর্ব ২ (ফারুয়া থেকে পানছড়ি)
Click This Link

ছবিব্লগ: রাইখ্যং-এর উজান বেয়ে পানছড়ি: শেষ পর্ব (ঝর্ণার খোঁজ আর ফিরে আসা): Click This Link
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29173507 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29173507 2010-06-09 13:54:00
না হয় ধরো বিয়েটা করেই ফেললাম
আমি নাহয় ডুবে গিয়ে মরেই যাবো, আমি না হয় হারিয়ে যাবো কথা না রাখার লজ্জায়, আমি যে কথা দিয়ে কথা রাখি। নাহয় হয়ত তৃষ্ণা নিয়েই চলে আসবো ফিরে, কিন্তু তবু তীব্র থেকে আরও তীব্র হবে তৃষ্ণা না মেটার ব্যবধান। আর সেই মানুষটা, আমায় ফিরে পেলেও পাবি কি আগের আমি? তখন যে আমি জলের ঠিকানা জানি।

এ পাপ আমায় করতে বলো না।

______________________________________________

বি: দ্র: ইহাও একটি ছোট গল্প, যার প্রথম অংশ এখানে Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29138681 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29138681 2010-04-20 21:40:59
"লুমিক্স ক্লিক টু ফেইম"-এর প্রতিযোগিতায় শর্ত প্রযোজ্যর খেইল (রিপোস্ট) Click This Link যেদিন নোটিসটা পেলাম (১লা এপ্রিল), বলা হলো ঐ দিনই দেখা করতে হবে। পরিমরি করে ছুটে গেলাম তাদের অফিসে, অফিস বাদ দিয়ে, গুলশান থেকে ধানমন্ডি। ওখানে গিয়ে তাদের একজনের সাথে কথা হলো অনেকক্ষন। আসল বিষয় হলো তারা তাদের এই প্রতিযোগইতার প্রচারের জন্য একজন মানুষ খুঁজছে যার কাজ হবে ফেসবুক, ব্লগ বা এই টাইপের জায়গাগুলোতে তাদের প্রচার প্রচারনা চালাবে। সপ্তাহে ৩ দিন তাদের অফিসে যেতে হবে, এছাড়াও তাদের প্রয়োজনে ডাকেল সে ডাকে সাড়া দিতে হবে, তারা আসলে কাজ কামহীন একজন বেকার বা ছাত্র খুঁজছে। স্বাভাবিকভাবেই একজন চাকরীজীবির পক্ষে এই কাজগুলো করা অসম্ভব, এবং এই কাজের জন্য তারা একজন ব্লগার খুঁজছে এটা জানলে অবশ্যই আমি এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণই করতাম না। কিন্তু আমাদের সামুও যখন এ প্রযতিযোগিতায় লেখা আহ্বান করেছিলো তখনও সেখানে একথা জানায়নি। কিন্তু পরে খেয়াল করে দেখলাম নিচে ছোট্ট করে লেখা ছিলো শর্ত প্রযোজ্য। কোন প্রতিযোগিতায় এ ধরনের শর্ত প্রযোজ্যর বিষয়টাই একধরনের প্রতারণা। সামুও শেষ পর্যন্ত অনেকের মত শর্ত প্রযোজ্যর প্রতারনায় নাম লেখালো, বিষয়টা আসলেই দুঃখজনক!!!!!!! তারা চাইলেই বিষয়টা খোলাখুলিভাবে জানাতে পারতো, এবং যাদের পক্ষে এ শর্তগুলা মেনে নিয়ে কাজ করতে পারবে তারাই অংশগ্রহন করতো। প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হবার পর আমি যখন আয়োজক কতৃপক্ষের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলাম তখনও আমাকে এসব শর্তের কিছু জানানো হয়নি। ঝামেলা করে তাদের অফিসে যাবার পরই আমি আসলে বিষয়টা জানতে পারলাম। কিন্তু শুধু শুধু এ প্রতারনা করে একজন ব্লগার কে এভাবে ডেকে নিয়ে ঝামেলা বাড়ানোর কোন মানে হয় না।

এ তো গেল ব্লগার নির্বাচন বিষয়ে। তারপর আবার ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায়ও অংশগ্রহন করলাম ছবি জমা দিয়ে। ব্লগার নির্বাচন নিয়ে ওদের উপর বিরক্ত থাকলেও ভেবেছিলাম অন্তত ফটোগ্রাফ নির্বাচনে তারা এমন কাজ করবে না। কিন্তু অবাক হয়ে দেখলাম মাত্র ৪ দিনে তারা ৬,৫০০ ছবির মধ্য দিয়ে সবচেয়ে ভালো ১০০ ছবি বাছাই করে ফেলেছে, যেটা কখনোই সম্ভব না। একমাত্র তখনই সম্ভব যদি ছবিগুলা আগে থেকেই ঠিক করা থাকে। একটা সাধারণ হিসাব দেই। ছবি জমা দেয়ার শেষ দিন ছিলো ৫ তারিখ। আর তারা সেরা ১০০ ছবির প্রদর্শনীটা করলো ১২ তারিখ। মাঝখানে ৬ দিন। ছবিগুলা প্রিন্ট নেয়া, বাঁধানো ও প্রদর্শনীতে সাজানোর জন্য অন্তত ২ দিন সময় লাগার কথা। তাহলে বাকি ৪ দিনে এত ছবি বাছাই করে তার মধ্য থেকে সেরা ছবি বাছাই করা কখনোই সম্ভব না এটা যে কেউ বুঝবেন। তবে কি আগে থেকে ঠিক করা ছবিগুলোই নির্বাচিত করা হয়েছে?

আমি যে খুব ভালো ছবি তুলি তা না। কিন্তু লুমিক্স-এর এ কম্পিটিশনের ওয়েবে গিয়ে সেই সেরা ১০০ ছবি দেখলাম। হ্যাঁ, বেশ ভালো কিছু ছবি তারা নির্বাচিত করেছে, কিন্তু বেশ কিছু ছবি আছে যেগুলা অন্তত সেরা ১০০ -এর মধ্য আসার কোন প্রশ্নই আসে না। ব্লগার টি_মৃদুল এসব ছবির কয়েকটা পোস্ট করেছিলেন তার একটি পোস্টে, দেখতে পারেন একবার চোখ বুলিয়ে Click This Link । এ ছবিগুলা দেখে আসলেই যদি আপনাদের মনেহয় নির্বাচন সঠিক হয়েছে তাহলে আমার বলার আর কিছুই নেই। তবে হ্যাঁ, এ প্রতিযোগিতায় সামু থাকে নির্বাচিত ব্লগারের কাছ থেকে জানতে পারলাম তারা নাকি ফটোগ্রাফারদেরও ইন্টারভিউ নিয়েছে। আল্লাই জানে, সেখানেও শর্ত প্রযোজ্যর কোন খেইল ছিলো কি না!!!!!

শেষে একটাই কথা বলবো, লুমিক্স নেমেছে মার্কেটে নাম ফাটাতে, তারা না হয় তাদের মতই চেষ্টা করবে, ফেয়ার বা আনফেয়ার যেভাবে পারে। কিন্তু সামওয়ার ইন ব্লগ কেন এই নোংরা খেলায় নাম লেখালো সেটাই বুঝলাম না।

গত লেখার মন্তব্য:

যানা আমার জান বলেছেন: হেলো

বেনামী বলেছেন: ধিক্কার আয়োজকদের জন্য!!!

আহমেদ রাকিব বলেছেন: লোনলি কাউ হইতেছে ইদানিং এর সবচেয়ে আলোচিত ফটোগ্রাফ। যীশুদা, এসবই হইল কর্পোরেট বানিজ্য। সামুতো এইসবের সাথে আজকে না, মেলা আগে থেইকাই আছে। এইটা ফটোগ্রাফী বানিজ্য ছাড়া আর কিছু না। ছবি তোলা নিয়া ইদানিং মানুষজনের মধ্যে বেশ ভালো একতা হুজুগ পইড়া গেছে। ডি,এস,এল, আর এর ছড়াছড়ির সুযোগটা তারা তদের মতন কইরা নির্লজ্জ্ব ভাবেই নিল। কিছু কওয়ার নাই।

যীশূ বলেছেন: আমি সত্যি বিষয়টা সহজভাবে নিতে পারি নাই। আমি একটা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করলাম, আর সেখানে নির্লজ্জের মত হাস্যকর কিছু ছবি নির্বাচন করা হলো, তারমানে কি আমার ছবি এর চেয়েও খারাপ!!!!!!

হুনার মন্দ বলেছেন: আগে আজিজের অলিতে গলিতে চারুকলার সামনে..যেই কোন ইন্টালেক্চুয়াল এরিয়ায় আছিল ফিল্ম মেইকারের ছড়াছড়ি...এখন হৈল ফটুগ্রাফারের হট্টগোল....কি কমু...আমারো যে মঞ্চায় ফটুগ্রাফি কর্তাম....

বেনামী বলেছেন: @ হুনার মন্দ , কোন কিছু বেশি হওয়া খারাপ না যদি সেটা মানসম্মত হয়।

যীশূ বলেছেন: সহমত @ বেনামী।

হুনার মন্দ বলেছেন: বেনামী...পুরাই একমত...এইখানকার কাউরে ইঙ্গিত কইরা কই নাই....মানসম্মত হলে বেশি বেশিতেও ক্ষতি নাই...আপত্তি শুধু কাউয়ার ভিড়ে কোকিল হারাইয়া গেলে

যীশূ বলেছেন: এই ব্লগে একজন ব্লগার শামসীর, যিনি এই প্রতিযোগিতার অনলাইন মুখপাত্র হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন। আমি আমার এই পোস্টে তার মন্তব্য আসা করছি।

যীশূ বলেছেন: আসা=আশা

স্বপ্নকথক বলেছেন: ভাই, আমিও বুঝিনাই আমার ছবি কেন নির্বাচন করেছিলো!! ৬৫০০ ছবির মধ্যে কি আমারটা ১০০তে আসার যোগ্য? চরম চরম সব ফটোগ্রাফারের মাঝে এক মোবাইল ফটোগ্রাফার হিসেবে খুব, খুব লজ্জা লাগছিলো!

যীশূ বলেছেন: @স্বপ্নকথক, আপনার তো লজ্ঝা পাওয়ার কিছু নাই। তারা আপনার ছবি সেলেক্ট করেছে, আপনি বিজয়ী। কিন্তু তারা কোন হিসাবে করেছে সে প্রশ্ন তো তাদের কাছে।

আপনার ছবি কোনটা?

_______________________________________________
(গতকাল লেখাটা "লুমিক্স ক্লিক টু ফেইম" গ্রুপে পোস্ট করেছিলাম Click This Link কিন্তু গ্রুপে পোস্ট করার কারনেই হয়তো অনেকেই লেখাটা দেখেননি। তাই গতলেখাটার মন্তব্যসহ লেখাটা আবার পোস্ট করলাম)

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29137720 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29137720 2010-04-19 10:56:43
"লুমিক্স ক্লিক টু ফেইম"-এর প্রতিযোগিতায় শর্ত প্রযোজ্যর খেইল Click This Link যেদিন নোটিসটা পেলাম (১লা এপ্রিল), বলা হলো ঐ দিনই দেখা করতে হবে। পরিমরি করে ছুটে গেলাম তাদের অফিসে, অফিস বাদ দিয়ে, গুলশান থেকে ধানমন্ডি। ওখানে গিয়ে তাদের একজনের সাথে কথা হলো অনেকক্ষন। আসল বিষয় হলো তারা তাদের এই প্রতিযোগইতার প্রচারের জন্য একজন মানুষ খুঁজছে যার কাজ হবে ফেসবুক, ব্লগ বা এই টাইপের জায়গাগুলোতে তাদের প্রচার প্রচারনা চালাবে। সপ্তাহে ৩ দিন তাদের অফিসে যেতে হবে, এছাড়াও তাদের প্রয়োজনে ডাকেল সে ডাকে সাড়া দিতে হবে, তারা আসলে কাজ কামহীন একজন বেকার বা ছাত্র খুঁজছে। স্বাভাবিকভাবেই একজন চাকরীজীবির পক্ষে এই কাজগুলো করা অসম্ভব, এবং এই কাজের জন্য তারা একজন ব্লগার খুঁজছে এটা জানলে অবশ্যই আমি এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণই করতাম না। কিন্তু আমাদের সামুও যখন এ প্রযতিযোগিতায় লেখা আহ্বান করেছিলো তখনও সেখানে একথা জানায়নি। কিন্তু পরে খেয়াল করে দেখলাম নিচে ছোট্ট করে লেখা ছিলো শর্ত প্রযোজ্য। কোন প্রতিযোগিতায় এ ধরনের শর্ত প্রযোজ্যর বিষয়টাই একধরনের প্রতারণা। সামুও শেষ পর্যন্ত অনেকের মত শর্ত প্রযোজ্যর প্রতারনায় নাম লেখালো, বিষয়টা আসলেই দুঃখজনক!!!!!!! তারা চাইলেই বিষয়টা খোলাখুলিভাবে জানাতে পারতো, এবং যাদের পক্ষে এ শর্তগুলা মেনে নিয়ে কাজ করতে পারবে তারাই অংশগ্রহন করতো। প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হবার পর আমি যখন আয়োজক কতৃপক্ষের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলাম তখনও আমাকে এসব শর্তের কিছু জানানো হয়নি। ঝামেলা করে তাদের অফিসে যাবার পরই আমি আসলে বিষয়টা জানতে পারলাম। কিন্তু শুধু শুধু এ প্রতারনা করে একজন ব্লগার কে এভাবে ডেকে নিয়ে ঝামেলা বাড়ানোর কোন মানে হয় না।

এ তো গেল ব্লগার নির্বাচন বিষয়ে। তারপর আবার ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায়ও অংশগ্রহন করলাম ছবি জমা দিয়ে। ব্লগার নির্বাচন নিয়ে ওদের উপর বিরক্ত থাকলেও ভেবেছিলাম অন্তত ফটোগ্রাফ নির্বাচনে তারা এমন কাজ করবে না। কিন্তু অবাক হয়ে দেখলাম মাত্র ৪ দিনে তারা ৬,৫০০ ছবির মধ্য দিয়ে সবচেয়ে ভালো ১০০ ছবি বাছাই করে ফেলেছে, যেটা কখনোই সম্ভব না। একমাত্র তখনই সম্ভব যদি ছবিগুলা আগে থেকেই ঠিক করা থাকে। একটা সাধারণ হিসাব দেই। ছবি জমা দেয়ার শেষ দিন ছিলো ৫ তারিখ। আর তারা সেরা ১০০ ছবির প্রদর্শনীটা করলো ১২ তারিখ। মাঝখানে ৬ দিন। ছবিগুলা প্রিন্ট নেয়া, বাঁধানো ও প্রদর্শনীতে সাজানোর জন্য অন্তত ২ দিন সময় লাগার কথা। তাহলে বাকি ৪ দিনে এত ছবি বাছাই করে তার মধ্য থেকে সেরা ছবি বাছাই করা কখনোই সম্ভব না এটা যে কেউ বুঝবেন। তবে কি আগে থেকে ঠিক করা ছবিগুলোই নির্বাচিত করা হয়েছে?

আমি যে খুব ভালো ছবি তুলি তা না। কিন্তু লুমিক্স-এর এ কম্পিটিশনের ওয়েবে গিয়ে সেই সেরা ১০০ ছবি দেখলাম। হ্যাঁ, বেশ ভালো কিছু ছবি তারা নির্বাচিত করেছে, কিন্তু বেশ কিছু ছবি আছে যেগুলা অন্তত সেরা ১০০ -এর মধ্য আসার কোন প্রশ্নই আসে না। ব্লগার টি_মৃদুল এসব ছবির কয়েকটা পোস্ট করেছিলেন তার একটি পোস্টে, দেখতে পারেন একবার চোখ বুলিয়ে Click This Link । এ ছবিগুলা দেখে আসলেই যদি আপনাদের মনেহয় নির্বাচন সঠিক হয়েছে তাহলে আমার বলার আর কিছুই নেই। তবে হ্যাঁ, এ প্রতিযোগিতায় সামু থাকে নির্বাচিত ব্লগারের কাছ থেকে জানতে পারলাম তারা নাকি ফটোগ্রাফারদেরও ইন্টারভিউ নিয়েছে। আল্লাই জানে, সেখানেও শর্ত প্রযোজ্যর কোন খেইল ছিলো কি না!!!!!

শেষে একটাই কথা বলবো, লুমিক্স নেমেছে মার্কেটে নাম ফাটাতে, তারা না হয় তাদের মতই চেষ্টা করবে, ফেয়ার বা আনফেয়ার যেভাবে পারে। কিন্তু সামওয়ার ইন ব্লগ কেন এই নোংরা খেলায় নাম লেখালো সেটাই বুঝলাম না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29137174 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29137174 2010-04-18 13:22:11
ছবিব্লগ: আরও কিছু বিচ্ছিন্ন ছবি
এক.



দুই.



তিন.



চার.



পাঁচ.



ছয়.



সাত.



----------------------------------------------------------------------------------

গত পর্ব: ছবিব্লগ: বিচ্ছিন্ন কিছু ছবি: Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29125202 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29125202 2010-03-28 23:48:44
আলোর ছবি আঁকার গল্প
খুব ছোটবেলা থেকেই ছবি আঁকতে পছন্দ করতাম। ক্যামেরার জন্যও ছিলো এক ধরনের আগ্রহ। জীবনের প্রথম ছবিটা তুলি যখন আমি পঞ্চম শ্রেনীতে পড়ি। ক্যামেরাটা কার ছিলো মনে নেই। ছোট মামার বাসায় বেড়াতে গেছিলাম আম্মুর সাথে, একটা ক্যামেরা ছিলো আম্মুর কাছে। অনেক অনুরোধের ফলে ক্যামেরাটা হাতে নিতে পেরেছিলাম, চুপিচুপি তুলেছিলাম আমার প্রথম ছবি, আমার পিচ্চি ঘুমন্ত মামাতো ভাইয়ের ঘুম। মজার বিষয় হলো সে প্রথম ছবিটার ফ্রেমিংটা আমি করেছিলাম কোনাকুনি ভাবে। আর তারপর আমাদের সে বেড়ানোর বাকি ছবিগুলো আমারই তোলার সৌভাগ্য হয়েছিলো, আর আম্মু-মামারাও বুঝেছিলো ছেলেটা ভালো ছবি তোলে।

এরপর ক্যামেরা হাতে পেয়েছি খুবই কম। এইচএসসিতে ভালো রেজাল্ট করতে পারলে একটা ভালো ক্যামেরা কিনে দেবার কথা ছিলো আম্মুর। রেজাল্ট খারাপ হয়নি, কিন্তু নিম্ন মধ্যবিত্তের আমাদের সংসারে ক্যামেরার কথা তুলিনি আর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে এসে ক্যাম্পাসে অনেক বন্ধুদের দেখলাম ফটোগ্রাফি কোর্স করে ফটোগ্রাফার বনে গেল। কারও কারও হাতে দেখতে পেতাম এসএলআর। আমিও খুব সাবধানে ছুঁয়ে দেখতাম একটু, ছবি তোলার গল্প শুনতাম ওদের কাছে। ফটোগ্রাফিতে আমার আগ্রহ দেখে আমার এক ফটোগ্রাফার বন্ধুই আমাকে ভর্তি করে দিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফি সোসাইটির প্রাথমিক কোর্সে, এমনকি কোর্স ফি টাও দিয়েছিলো সেই বন্ধু। সেই আমার প্রথম এসএলআর সম্পর্কে জানা। জীবনের প্রথম এসএলআর-এ ছবি তোলাও সেই কোর্সের কল্যানে। খুব একটা ভালো করিনি সে কোর্স পরীক্ষায়, কিন্তু প্রশিক্ষকরা আমার তোলা ছবি দেখে একটা কথা বলেছিলেন, "তোমার ফ্রেমিং সেন্স খুব ভালো"।

টিউশনি, রাজনীতি, আর ক্লাসের ভীড়ে হয়তো এরপর হারিয়ে যেত আমার ফটোগ্রাফি। সেসময়ে নিতান্ত সৌভাগ্যক্রমে ভাইয়ের বন্ধুর ফেলে রাখা একটা জেনিথ ক্যামেরার কল্যানেই চর্চাটা করতে পারলাম খানিকটা। কিন্তু টিউশনির টাকায় চলা ছাত্র জীবনে ফটোগ্রাফি হয়েগিয়েছিলো নিতান্ত বিলাসিতা। তবু যেখানেই যেতাম সাথে রাখতাম ক্যামেরাটা, চেষ্টা করতাম অন্য দৃষ্টিতে চারপাশ দেখার, তুলে আনতাম ক্যামেরায়। তারপর একদিন ফেরত দিয়ে দিতে হলো সে ক্যামেরা, আমার ফটোগ্রাফিতে আবার ভাটা পড়লো।

তারপর আমার নিজের ক্যামেরা হলো চাকরি জীবনে এসে। প্রথমে একটা সেকেন্ডহ্যান্ড ফিল্ম এসএলআর, আর মাস ছয়েক আগে অবশেষে কিনতে পারলাম একটা ডিএসএলআর। এখন ছবি তুলে যাচ্ছি যতটা পারি, যখনই সময় পাই। তবে খুব আফসোস হয় এখন, সেই ছাত্র জীবনে সময় ছিলো অফুরন্ত, টাকার অভাবে ক্যামেরা কিনতে পারিনি, ছবি প্রিন্ট করতে পারিনি, ছবি তুলতে যেতে পারিনি দূরে। আর আজ খানিকটা সচ্ছলতায় থেকেও ছবি তুলতে পারি না সময়ের অভাবে।

তবু ছাত্রজীবনের মতই কাঁধে ক্যামেরার ব্যাগটা রাখি, সুযোগ পেলেই বেড়িয়ে পড়ি দূরে। সারা জীবনেও যদি একটা দারুন মনে রাখার মত ছবি তুলতে পারি তবে নিজেকে অন্তত আলোকচিত্রি বলতে পারবো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29125182 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29125182 2010-03-28 23:21:39
প্রেমের গল্প
_____________________________________________

ছবি: Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29111473 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29111473 2010-03-07 01:40:18
ছবিব্লগ: বিচ্ছিন্ন কিছু ছবি


দুই.



তিন.



চার.



পাঁচ.



ছয়.



সাত.



আট.



নয়.



দশ.



এগারো.



বারো.



তের.



---------------------------------------------------------------------------------

পরের পর্ব: ছবিব্লগ: আরও কিছু বিচ্ছিন্ন ছবি: Click This Link
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29072642 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29072642 2010-01-06 00:42:39
গীতিকবিতা প্রিয় তুমি রয়ে গেছো ঘরের ঠিকানায়।
আমি খুঁজি ধুলায়,
কে আমারে ভুলায়,
রয়ে গেছি অবহেলায়, আজও অজানায়।

আমি বহুরাত, কষ্ট আর বিষাদ,
অমাবস্যা কেটেছে প্রিয় চাঁদ খোঁজায়।
আমার প্রিয় চাঁদ,
পূর্ণিমারই স্বাধ,
আমার আমি রয়ে গেছি আমার অচেনায়।

আমি বহু দুপুর, আকাশটা উপুর,
মেঘ হয়ে উড়ে গেছি মেঘের ভেলায়।
বৃষ্টি টাপুর টুপুর,
তোমার পায়ে নুপুর,
নেচে গেছে আমার প্রিয় সময়ের পাতায়।

আমি বহুকাল, সূর্যের সকাল,
সূর্যাস্ত কেটে গেছে তোমার অপেক্ষায়।
তুমি আমি একা,
আজও অদেখা,
প্রতীক্ষার প্রহর কাটাই আমরা দুজনায়।

_____________________________________________

অক্টোবর'০৫]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29071908 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29071908 2010-01-04 23:26:17
অভিমান কবিতা লিখতে না পেরে
আত্মহত্যা করলো।
তাতে কবিতার কি?

দিনের শেষে
শব্দগুলো বড্ড ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
ঘুম ঘুম চোখে
তাকিয়ে থাকে করুণ
আমার চোখে।
রাতের আঁধারে স্বপ্নেরা ডাকে,
অবাস্তবতার লোভে
হাতছানি দেয় নিদারুন।

কবিতারা তো ভালোই থাকে।
আমার চোখের সামনে
স্বপ্ন দেখে ঘুম ঘরে।

একজন কবি
মিলনের লোভে
যাবজ্জীবন নিলো ঐ ঘরে।

কবিতা যতই কবি ছাড়ুক,
তাতে কবির কি?

_____________________________________________

২৪, জুন, ২০০৫

ছবি: http://damaged.anime.net/archive/suicide.jpg]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29070447 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29070447 2010-01-02 17:29:57
আজ প্রদর্শনীর শেষ দিন: আলো ছায়ায় বাংলাদেশ প্রদর্শনীর নিমন্ত্রন জানিয়ে আমার গত পোস্ট:

ছবির সংজ্ঞা অনেকে অনেক ভাবেই দেয়। আমার মতে ছবি হলো আলো আর ছায়ার খেলা। ক্যানভাসে রং নিয়ে খেলার মত আলো আর ছায়ার উপস্থাপনেই তৈরী হ্য় দারুন এক শিল্প। আর এই শিল্প আসলে ছড়িয়ে আছে আমাদের চারপাশেই। আমরা যারা ছবি তুলি তারা তো আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে থাকা আলো ছায়ার শিল্পকেই তুলে আনি ক্যামেরায়।

আমরা কিছু মানুষ এই আলো ছায়ার সৌন্দর্য খুঁজতেই মাঝে মাঝে বেড়িয়ে পড়ি। আমাদের কেউ কেউ সে আলো ছায়া তুলে আনে ক্যামেরায় আর কেউবা মনের ক্যানভাসে। এভাবেই আমরা ঘুরে বেড়িয়েছি এই সুন্দর বাংলাদেশের অনেক জায়গায়। আমাদের এই দলটার নাম "বাংলাদেশ টুরিজম এক্সপানশন ফোরাম" (বিটিইএফ)। আমরা চেষ্টা করি দেশের সেইসব জায়গাগুলোতে যেতে যেখানে সৌন্দর্য লুকিয়ে আছে এখনো নিভৃতে, আর সে লুকিয়ে থাকা আলোছায়ার সৌন্দর্যগুলো আপনাদের সামনে তুলে আনার জন্যই আমরা এবার আয়োজন করেছি ছবি প্রদর্শনীর। আমাদের প্রায় ৫০ টি ট্যুরের মধ্য থেকে বাছাই করা ১২টি ট্যুরের ছবি নিয়ে "আলো ছায়ায় বাংলাদেশ" শিরনামে এ প্রদর্শনী উদ্বোধন হবে আগামী ১৬ ডিসেম্বর আর চলবে ২২ তারিখ পর্যন্ত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার জয়নুল গ্যালারীতে। প্রদর্শনী চলবে প্রতিদিন দুপুর ২ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত।

সবার নিমন্ত্রন রইলো ছবি দেখতে আসার। আসলে চোখে যতটা সৌন্দর্য দেখা যায় তার অল্পই তুলে আনা যায় ক্যামেরার মাধ্যমে ছবিতে। তবুও এ প্রদর্শনীর ছবি দেখে কেউ হয়তো খুঁজতে বেড়িয়ে পড়বেন সেই না দেখা সুন্দর, ঘুরে বেড়াবেন মদক, পোয়ামুহুরী, সোনারচর, তবে আমাদের এ চেষ্টা সফল হবে।

দেখা হবে তবে বন্ধু।

ছবি প্রদর্শনী: "আলো ছায়ায় বাংলাদেশ"
আয়োজনে: "বাংলাদেশ টুরিজম এক্সপানশন ফোরাম" (বিটিইএফ)।
তারিখ: ১৬ ডিসেম্বর থেকে ২২ ডিসেম্বর ২০০৯ পর্যন্ত।
প্রতিদিন দুপুর ২ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত।
স্থান: জয়নুল গ্যালারী, চারুকলা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
----------------------------------------------------------------------------------

আজ প্রদর্শনীর শেষদিন। যারা মিস করেছেন তাদের আবার নিমন্ত্রণ জানাই। আর যদি কেউ গিয়ে থাকেন তবে প্রদর্শনী কেমন লাগলো তা জানানোর অনুরোধ রইলো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29063515 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29063515 2009-12-22 10:59:16
নিমন্ত্রণ রইলো ছবি প্রদর্শনী দেখার
আমরা কিছু মানুষ এই আলো ছায়ার সৌন্দর্য খুঁজতেই মাঝে মাঝে বেড়িয়ে পড়ি। আমাদের কেউ কেউ সে আলো ছায়া তুলে আনে ক্যামেরায় আর কেউবা মনের ক্যানভাসে। এভাবেই আমরা ঘুরে বেড়িয়েছি এই সুন্দর বাংলাদেশের অনেক জায়গায়। আমাদের এই দলটার নাম "বাংলাদেশ টুরিজম এক্সপানশন ফোরাম" (বিটিইএফ)। আমরা চেষ্টা করি দেশের সেইসব জায়গাগুলোতে যেতে যেখানে সৌন্দর্য লুকিয়ে আছে এখনো নিভৃতে, আর সে লুকিয়ে থাকা আলোছায়ার সৌন্দর্যগুলো আপনাদের সামনে তুলে আনার জন্যই আমরা এবার আয়োজন করেছি ছবি প্রদর্শনীর। আমাদের প্রায় ৫০ টি ট্যুরের মধ্য থেকে বাছাই করা ১২টি ট্যুরের ছবি নিয়ে "আলো ছায়ায় বাংলাদেশ" শিরনামে এ প্রদর্শনী উদ্বোধন হবে আগামী ১৬ ডিসেম্বর আর চলবে ২২ তারিখ পর্যন্ত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার জয়নুল গ্যালারীতে। প্রদর্শনী চলবে প্রতিদিন দুপুর ২ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত।

সবার নিমন্ত্রন রইলো ছবি দেখতে আসার। আসলে চোখে যতটা সৌন্দর্য দেখা যায় তার অল্পই তুলে আনা যায় ক্যামেরার মাধ্যমে ছবিতে। তবুও এ প্রদর্শনীর ছবি দেখে কেউ হয়তো খুঁজতে বেড়িয়ে পড়বেন সেই না দেখা সুন্দর, ঘুরে বেড়াবেন মদক, পোয়ামুহুরী, সোনারচর, তবে আমাদের এ চেষ্টা সফল হবে।

দেখা হবে তবে বন্ধু।

ছবি প্রদর্শনী: "আলো ছায়ায় বাংলাদেশ"
আয়োজনে: "বাংলাদেশ টুরিজম এক্সপানশন ফোরাম" (বিটিইএফ)।
তারিখ: ১৬ ডিসেম্বর থেকে ২২ ডিসেম্বর ২০০৯ পর্যন্ত।
প্রতিদিন দুপুর ২ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত।
স্থান: জয়নুল গ্যালারী, চারুকলা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29058674 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29058674 2009-12-14 14:43:22
নোটস: স্বমোহন অন্যকারও হাত।
আমার মাথাটা শুয়ে থাকে।
আর হাতটা চুলে বিলি কেটে
তারে ঘুম পাড়িয়ে দেয়।

আর কখনো
ভয়ে জড়োসড়
শেষ নিরাপত্তায়
আমি একা।

ছবি: Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29049423 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29049423 2009-11-25 14:04:18
কথোপকথন - সময় তো চলছে তার নিজের পথে।
আমার কি সাহস
তাকে প্রশ্ন করার?
তবে, তুমি যখন জানতে চেয়েছো,
তো খুজে দিতে পারি।
গতকাল তুমি আমি মিলে দুই,
আজ আমি এক,
পাশাপাশি দুটো দিন,
আজ একুশ,
একুশ তারিখ।

- আজ কি বার?
- গতকাল পাশে তুমি ছিলে,
ছিলো জোছনা,
কদমতলায় বসে ভিজেছি জোছনায়।
গতকাল ছিলো জোছনার দিন।
আজ মাথার উপর গনগনে সূর্য।
আজ সূর্যের দিন,
আজ রবিবার।

- এখন সময় কত?
- মনেপড়ে,
আমরা ছুটেছি অবিরাম,
সাথে সময়,
পুরোটাই খেয়েছি চেটেপুটে,
সময়ের উচ্ছিষ্ট ছিলো না এতটুকু।
গতকাল সময় ছিলো অসীম,
কেননা পাশে তুমি ছিলে।
তবে আজ নিশ্চয়ই
আমরা স্থির সময়ে দাঁড়িয়ে।

-------------------------------------- একুশ (সত্যি সত্যি).দশ.দুইহাজার তিন

ছবি: Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29046993 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29046993 2009-11-20 23:59:24
প্রসঙ্গ অপরবাস্তব Click This Link আমরা কালপুরুষ'দার বাসায় বা আজিজে যখন যেভাবে পেরেছি একত্রিত হয়ে সিদ্ধান্ত নিতাম আর কাজগুলো করার চেষ্টা করেছিলাম। আমি সম্পাদনা বুঝি না, লেখার ভালো মন্দও ভালো বুঝি না, কিন্তু ঐ কাজের সাথে থাকতে পেরে ভালো লেগেছিলো খুব।

হতে পারে, কিছু সমালোচনার কথা এড়াতেই গতবছর অপরবাস্তব বের করার উদ্যোক্তা হিসাবে আবির্ভাব হলো লোকালটকের। তারপর কিভাবে যে অপরবাস্তব ৩ বের হল তা আমার জানা নেই। তবে লেকালটক রহস্যের কারনেই মনেহয় ঐ কাজের সাথে আমার সম্পৃক্ততা ছিলো না, শুধু বই মেলায় গিয়ে দেখলাম অপরবাস্তব বের হয়েছে।

এবারও অপরবাস্তব বের হওয়া নিয়ে গতবারের মতই কেমন যেন লুকোচুরি লুকোচুরি খেলা হচ্ছে। এটা ঠিক, অপরবাস্তব বের করার জন্য কাওকে না কাওকে তো উদ্যোগটা নিতে হবে, জানা গেল কৌশিকের অনুরোধে এবার দায়িত্বটা নিয়েছে অপ্সরা। দারুন বিষয়, ব্লগে তার জনপ্রিয়তা ভালো, তার উদ্যোগে সাড়াও মিলেছে তাই দারুন!

কিন্তু অপরবাস্তব বের করাটা শুধু মাত্র একজন মানুষের উদ্যোগে হয় না। অপ্সরার পোস্টেই অনেকে এ বিষয়ে জানতে চেয়েছে, কিন্তু তেমন কোন সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি। ধারনা করা যায় গতবারের মত এবারও অপরবাস্তবের টিম কাজ করবে, কিন্তু অপর বাস্তব টিমটা কাদের নিয়ে? কারা সিদ্ধান্ত নিলো এবারের অপর বাস্তবের বিষয়বস্তু অথবা সময়কাল? আসলে তারা কি এককভাবে এ সিদ্ধান্ত নিতে পারে? ব্লগাররা অপ্সরার পোস্টে যে ব্লগগুলোর লিংক জমা করছেন সে লেখাগুলো আসলে যাচাই করবে কে? আমি আমার লেখা অপরবাস্তবে প্রকাশের সিদ্ধান্তের জন্য আসলে কাকে লেখা জমা দিচ্ছি? তাদের উপরে আমাদের কি আস্থা আছে? সেটা জানার আগে তাদের পরিচয়টা আমাদের জানা দরকার।

আমার মত একজন সাধারণ ব্লগারের এত কিছু আসলে জানারও হয়তো দরকার নেই। অপরবাস্তটা বের হলেই হলো, গতবছর এমন চিন্তা থেকেই এ বিষয়ে কোন খোঁজ খবর রাখিনি। কিন্তু আমি একজন ব্লগার হিসাবে নিজেকে এ ব্লগের একটা অংশই মনে করি। আর এ ব্লগের একটা প্রকাশনা এই ব্লগকেই উপস্থাপন করে। সুতরাং এ ব্লগের প্রকাশনার দায়িত্ব কাকে এবং কাদেরকে দেয়া হচ্ছে, সেটা জানার অধিকার কিন্তু ব্লগের সবারই আছে।

অপ্সরাকে ব্লগার হিসাবে চিনি, যে পরিচয় পুরাটাই ভার্চুয়াল। ব্যক্তিগত পরিচয়ের কারনেই জানি কৌশিক, শরৎ, বাকিবিল্লাহ, রাহা কে, কিন্তু তারাও হয়তবা অনেকের কাছেই শুধুমাত্র একটা ভার্চুয়াল ক্যারেক্টার ছাড়া আর কিছু না। এমন ভার্চুয়াল যোগাযোগের মধ্য দিয়ে একটা কিছু প্রকাশ পেলে তাতে খানিকটা মজা থাকতে পারে ঠিকই, কিন্তু তাতে দায়বদ্ধতার জায়গাটা অনেক কম থাকে।

আমি সবসময়ই সব কাজে যৌথায়নে বিশ্বাস করি। আমার মনেহয় এ প্রকাশনায় এখানে যতবেশী ব্লগারদের সম্পৃক্ত করা যাবে অপরবাস্তব বের করাটা তত সফল হবে। আর তাছাড়া এ ব্লগে চলতে চলতে অনেক প্রতিভারই দেখা পাওয়া যায়, যাদের সম্পৃক্ততার ফলে অপরবাস্তব হয়ে উঠতে পারে আরও সমৃদ্ধ।

উপরের কথাগুলো আসলে অনেক অগোছালো, ইদানীং আসলে গুছিয়ে ওভাবে লিখতেও পারি না কেন যেন। যাইহোক, মূল কথা আমি যেটা বলতে চাচ্ছি সেটা হলো অপরবাস্তব বের হওয়া নিয়ে যেন গতবারের মত লুকোচুরি লুকোচুরি খেলা না হয়। যতটা সম্ভব ব্লগারদের একত্রিত করে সবার মতামতের ভিত্তিতে যেন সিদ্ধান্তগুলো নেয়া হয়। অন্তত সকলের কাছে গ্রহনযোগ্য একটা সম্পাদকমন্ডলী/ টিম যেন থাকে, আর যদি ইতিমধ্যেই তা গঠন করা হয়ে থাকে তা যেন ব্লগে প্রকাশ করা হয়।

অপরবাস্তব প্রকাশের দায় বা সফলতার অংশ যেন হয় ব্লগের সবাই।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29028510 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29028510 2009-10-19 16:33:08
ছবি ব্লগ : ঈদ বেড়ানো সুন্দরবনে, পর্ব ৩/ শেষ: কচিখালি ও করমজল
পরদিন ভোরে আবার রওনা, করমজলের পথে। করমজলে পৌছালাম আবার সেই বিকেলের দিকে। একটা মিনি চিড়িয়া খানায় থাকায় কিছু পশু পাখি দেখতে পেলাম। সন্ধ্যার মধ্যে বোটে ফিরে তাড়াতাড়ি খেয়ে নিতে হলো। তারপর গোছগাছ, রাত ৯ টায় টুরিস্ট বাসে করে রওনা, মংলা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে।


কচিখালির কাশবন


ফ্রেম উইথইন দ্যা ফ্রেম


অভিযান


মৌচাক


কচিখালির খালের পাড়ে আবারও বাঘ মামার পায়ের ছাপ


বন্য সবুজ


মেঘে মেঘে আলো ১


মেঘে মেঘে আলো ২


উকি


বাঘ মামা, গতবার যেটাকে সেজ'দা মেরে রেখে গেছিলো । <img src=" style="border:0;" />


কোস্টগার্ড (আমাকে সাংবাদিক মনে করে বলে দিলো, লেখে দিয়েন এরা খুব কষ্টে আছে)


হরিণ (কটকার মিনি চিড়িয়া খানার <img src=" style="border:0;" /> )


কুমির (কটকার মিনি চিড়িয়াখানার <img src=" style="border:0;" /> )


কটকার টাওয়ার


গুলাবি <img src=" style="border:0;" />


সাপ (এটা কিন্তু চিড়িয়াখানার সাপ না)


সূর্যাস্ত


মেঘে মেঘে রং


মংলা বন্দর


লালিমা ১


লালিমা ২

----------------------------------------------------------------------------------

পর্ব ১: Click This Link

পর্ব ২: Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29025642 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29025642 2009-10-14 14:58:38
ছবি ব্লগ : ঈদ বেড়ানো সুন্দরবনে, পর্ব ২: কটকা

সিডরে বন্ধু হারানো একলা গাছ। কটকা


দূরে হরিন, বোট থেকে তোলা ছবি।


কটকা।


জঙ্গলে হরিণ।


আমাদের পুরা টিম। জঙ্গলে ঢোকার আগে


শিল্প


কাশফুল (কটকা বীচ যাওয়ার পথে)


কটকা বীচ যাওয়ার পথে আমাদের টিম


গাইডের মতে এটা বাঘ মামার পায়ের ছাপ


দূরন্ত শৈশব


আমি ও সাগর


রং


বীচ থেকে ফিরে যাওয়ার পথে


কাশফুল


কাশবন


জঙ্গলে মিঠা পানির পুকুর


আবার কাশফুল


অভিযাত্রী


এই ঝোপের আড়ালেই বাঘ মামা থাকে

----------------------------------------------------------------------------------

পর্ব ১: Click This Link

পর্ব ৩/ শেষ: Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29024484 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29024484 2009-10-12 13:48:32
ছবি ব্লগ : ঈদ বেড়ানো সুন্দরবনে, পর্ব ১: নদী ভ্রমন
ঈদের পরেরদিনের পরের দিন, সকাল ৭ টায় রওনা। টুরিস্ট বাসে করে ডেমরা পৌছে বোটে উঠলাম। তারপর সামনে শুধু নদী আর নদী। ঢাকা ছাড়লাম, মেঘনা যমুননার সংযোগ পেরুলাম। সারাদিন রোদ, মেঘ আর বৃষ্টির দারুন খেলা দেখলাম নদীতে। ক্যামেরায় ভালো জুম লেন্স না থাকায় চারপাশের দারুন দৃশ্যগুলো ধরতে পারিনি অতটা।

আজ দিলাম সে নদীর কিছু ছবি আপনাদের জন্য।


দূরে দেখা যাচ্ছে আমাদের বোট


নদীর ধারে, পারাপারে


মেঘ বলেছে, বৃষ্টি হবে


এবং বৃষ্টি


তাহারা


নদীর পাশে বাজার


রঙীন পাল ১


রঙীন পাল ২


আলো


বৃষ্টি শেষে


সন্ধ্যে প্রায়


একলা


সুন্দরবনের কাছাকাছি


নৌকা


ফেলে আসা বৃষ্টি পথ


সুন্দরবনে বৃষ্টি


মৎস শিকার


মেঘে মেঘে সন্ধ্যা

-------------------------------------------------------------------------------------

পর্ব ২: : Click This Link

পর্ব ৩/ শেষ: Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29023894 http://www.somewhereinblog.net/blog/Jeeshublog/29023894 2009-10-11 14:02:52