somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হিঃহিঃহিঃ....হাঃহাঃহাঃ...খিকখিকখিক

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:১৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বেকার মানুষ,হাতে এখন অফুরন্ত সময়। সারাদিন ঘরের কাজ করি বাকি যেটুকু সময় পাই হয় পিসিতে বসি নয়তো আগের কথা মনে করে স্মৃতির জাবর কাটি আর হাসি । নিজেরে সবসময়ই আমি গন্ডার ভাবি।এখন ও ভাবি কারণ যখন এসব কাহিনী দেখতাম শুনতাম তখন হাসতাম না কিন্তু এতদিন পরে মনে করে হাসি পায়.......
8-|
অফিসে ঢোকার সময় বাস থেকে নেমে যা খুচরা থাকতো সেটা দিয়ে ক্লোর-মিন্ট(chor-mint) কিনতাম। একদিন খুব ভাব ধরে অফিসের নিচের দোকানদাররে বললাম,ভাই আমারে চারটা চোর-মিন্ট দেন। ব্যাটা অবাক হয়ে তাকিয়ে বলে "আপা এটারে চোর-মিন্ট বলে না তো ক্লোর-মিন্ট বলে"। আমার কি দোষ ch রে আমি চ ভেবেই চোর-মিন্ট বলেছি,সঠিক উচ্চারণ সেদিনই দোকানদারের কাছে শুনলাম...
;)
রিক্সায় বলে প্রায়ই চাকায় ওড়না পেচাত।একদিন পান্হপথ পর্যন্ত গিয়ে দেখি ওড়নার একমাথা খালি আমার হাতে । রিক্সাওয়ালা আর কণা ইচ্ছামতন ঝাড়ি দিলো ।সে এক মজার দৃশ্য....ওড়নার একপাশ কাঁধে চেপে আমি দাঁড়িয়ে আছি ওপর পাশে রিক্সাওয়ালা আস্তে আস্তে বাকি ওড়না খুলে নিয়ে আসছে আর কণা মাঝে গাধার মতন ওড়না টানাটানি করে বেশী কাজ দেখাচ্ছে। মানুষ আমাদের দেখে হাসছে দেখে মুখ কালো করে আছি । ওদিকে কণা বললো তুই এখন সিনেমার মতন ডায়লগ দে" ছেড়ে দে শয়তান ,আমার ওড়না ছেড়েদে, ইয়া মাবুদ এই দুষ্টু রিক্সার চাকা থেকে আমার ওড়নারে বাচাও ,ইজ্জ্বত বাঁচাও"...
B-)
ভর্তির সময় এত ভীড় থাকত যে টেনশনে শেষ ..আজ ভর্তি হতে পারবো কিনা। লম্বা লাইনে দাড়িয়ে আছি, কেয়া দেরীতে আসাতে কণা আর আমি চাইলাম ও যেন লাইনে আস্তে করে ঢুকে যায়। সেটা করতে গিয়ে পিছনে মেয়েটা চিৎকার করে উঠলো সিরিয়াল ব্রেক হলো বলে। ও মেয়ের সাথে তিনজনে ইচ্ছামতন ক্যাঁচর-প্যাঁচর করে ও ঝগড়ায় পারছিনা বলে কণা হুট করে দেখি ব্যাগে কি খুঁজে । নিজের কাছে না পেয়ে বললো "একটা কলম দে আজ এই ছেমড়ির ট্যারা চোখ কানা করে দিবো"।ঐ মেয়ের চোখ ট্যারা ছিলো এটা সেদিন ঝগড়ার সময়ই খেয়াল করলাম...
:D
রিক্সায় উঠলেই এত ঘুম পেত। এত আরামের ঘুম নিজের বিছানায় ও আসে না,যতটা রিক্সায় ঘুমাই। কণা আফসোস করে সবসময় বলে ওর কাঁধ নাকি চিকনা হয়ে গেছে কারণ আমি রিক্সায় বসেই ওর কাঁধে মাথা রেখে ঘুম দিতাম।একদিন ছোটুর সাথে কাজে গেলাম বাইরে আসার সময় ঘুমে তাকাতে পারি না। রানীক্ষেত রোগওয়ালা মুরগীর মতন ঝিমাতে ঝিমাতে রিক্সা থেকে পরে যাবার অবস্হা ।ছোটুর মায়া লাগাতে বললো" দি ,তুমি আমার কাঁধে মাথা রেখে ঘুমাও"। বাসায় এসে বলে "তোমার সাথে আর বাইরে যাবোনা, তুমি তো ঘুম দিলা সারারাস্তায় মানুষ আমাদের দেখে হাসছে"...
:)
কলেজে থাকার সময় আমরা এক স্যারের কাছে পড়তাম। স্যাররে কলম দিলেই খালি কলমের ঢাকনি কামড়াতো। পরে কলম ফেরত দিলে বেশীরভাগ সময় আমরা কামড়ানো ঢাকনিটা ফেলে দিতাম। বান্ধবী কণা একবার করলো কি স্যার কলম চাইলে পর ঢাকনি ছাড়া কলম দিলে স্যার অবাক হয়ে জানতে চাইলো "ঢাকনি কই"? কণা বলে"স্যার কলমের ঢাকনি লাগেনা,লেখা গেলেই হলো"। স্যার কিছুক্ষন অংক করানোর পর এইবার কলমের পিছনের দিকটা কামড়াতে লাগলো.....এরপর কণা কলমের পিছনের দিকটা যতটুকু কামড়ানো হয়েছে সেটুকু কেটে ফেলার জন্য ব্লেড খুঁজতে লাগলো। কারণ স্যার ডেইলি এমন করবে বলে আমার তোআর ডেইলি কলম ফেলে দিতে পারবো না। এরপরে থেকে প্রাইভেটে যাবার সময় পচা আর কম দামী কলম নিয়ে যেতাম
:D
ইন্টারের পর বাবা-মা আমারে পিচ্চি ভাবলে কি হবে এক পরিচিতের মাধ্যমে ছেলেপক্ষ দেখতে আসলো। বাবা-মা বিরক্ত হলে ও ঘুম থেকে উঠিয়ে বললো "যাও,আসলো যখন দেখে যাক"।ছেলের মা-তো প্রচুর কথা বলে। এটা-সেটা বলার পরে আসল কথা বললো তার নাকি সাত ছেলের কারোই বিয়েই হয়নি। এরপর এ্যালবাম বের সাতছেলের ছবি দেখায় আর বলে দেখ কারে পছন্দ হয়। নিজেরে তখন দ্রৌপদীর চেয়ে কয়েক ডি্গ্রি উপরে মনে হয়েছিলো।দ্রৌপদীর তো পন্ঞ-পান্ডব ছিলো আর আমি এই সাতটা থেকে কারে ভালো বলবো........এরচেয়ে ভালো রুমে গিয়ে আবার আরেক কিস্তি ভোঁশভোঁশ করে ঘুম দেওয়া...
B-)
পাত্রী দেখা নিয়ে আরেকটা মজার কাহিনী আছে। ইডেন কলেজের সুনাম-কুনাম দুইটাই আছে।অনেকরে দেখি উল্টা-পাল্টা কথা বলতে ইডেনের ছাত্রী শুনে...আমি অবশ্য ভাবি ভালো-মন্দ নিয়েই দুনিয়া।সবকিছুতে ভালো খুঁজলে কেমন হবে ? একবার এক ছেলে আর তার কয়েকজন মুরুব্বী মিলে দেখতে আসলো সেখান থেকে এক ইয়াং মুরব্বী আমি ইডেনে পড়ি শুনে জিজ্ঞেস করলো "তুমি কি কলেজে গিয়ে মারপিট করো"? রাগে কিছুক্ষণ চুপ থেকে উল্টা সেই মুরব্বীরে বললাম" আমাকে দেখে আপনার কি মনে হয়"।এরপরে সেই ছেলে সাথে কথা বলতে দিলো। ছেলে কথা বলার সময় একটু পরপর খালি হাই তুলে আর যখনই এমন করে মুখটা এত বড় হা করে যে তার মুখের ভিতরের কলকব্জা সব দেখা যায়। আবার কথা বলার সময় পায়ের উপর পা তুলে সেইপায়ের উপর নিজের হাত দিয়ে তবলা বাজায়,আবার গুন গুন করে গান ও গায়।কি তাল তার মনেX( কি কথা হয়েছিলো মনে ও নেই কারণ তার বদঅভ্যাস দেখে আমি উঠে কোন দিকে যে দৌড় দিবো সেটাই চিন্তা ছিলো
:P
এই কাহিনীটা আমার পরিচিত একজনের কাছে শোনা।এক দাদী তার নাতীকে অনেক আদর করে। বাচ্চারা যখন আধো আধো ভাংগা ভাংগা কথা বলে তখন সেইসব কথা শুনতে অনেক মজা লাগে,এই দাদীর নাতী ও সবে ভাংগা ভাংগা কথা বলতে শিখেছে।একদিন দেখে নাতীর সব দাঁত ঠিকমত উঠে নাই তাও নাতী কি জানি খায়। দাদী ও আহলাদ করে নাতীকে জিজ্ঞেস করে
দাদী: আমার দাদুভাইটা কি খায়
নাতী: ...............(চুপ করে আছে)
দাদী: ও দাদুভাই কি খাও
নাতী: ...............(চুপ করে মুখ নাড়তেই আছে)
দাদী: আমার দাদুভাইটা কি খায় বলে না কেন?
নাতী: ...............খানিকক্ষণ চুপ থেকে বিরক্ত হয়ে উত্তর দিলো "তুপ থাল বুলি তোল মুন্দু তাই(চুপ থাক বুড়ি,তোর মুন্ডু খাই)
=p~
পরিচিত এক আপু দেখতে অনেক সুন্দরী কিন্তু তার জামাই দেখতে যা তা রকমের বাজে।উদাহারণ হিসেবে এটিএন বাংলার ইভা-মাহফুজের সাথে তুলনা করা যেতে পারে। দুলাভাইটা আবার দেখতে একদম হ্যাংলাপাতলা দেখে মনে হয় ফু দিলেই উড়ে যাবে। আপুর মা'র অনেক দুঃখ মেয়ের জামাইরে নিয়ে। প্রায়ই মেয়ের সামনে খালি প্যানপ্যান করে আর বলে জামাইরে খালি গায়ে দেখলে মনে হয় কাপড়ছাড়া হ্যাঙ্গার দৌড়াদৌড়ি করছে। আপু উল্টা তার মাকে সাত্ত্বনা দেয় "কই এত খারাপ নাতো মা,কাপড় পরলে তো ভালোই লাগে....খালি খালি কি যে বাজে কথা বলো"। এরপরে আরো কাহিনী হয়েছে। বিয়ের পর তারা রাজশাহীতে বেড়াতে গেলে। একদিন সিনেমা দেখে রাত করে ফেরার সময় পুলিশ তাদের ধরলো। আমার ধারণা বেশী রোমান্টিক হয়ে রিক্সায় বসে তারা উল্টা-পাল্টা কিছু করেছিলো:P...সেটা কি তারা স্বীকার করবে?তারা যতই বলে তারা স্বামী-স্ত্রী ,পুলিশ নাকি দুলাভাইরে ততই জেরা করে.....আরো কত যে কাহিনী। তারা এখন দেশের বাইরে চলে গেছে, যাবার আগে দুলাভাই নাকি মনের দুঃখে প্রায়ই বলতো কি যে সুন্দরী মেয়ে বিয়ে করলাম। নিজের বউ বললেও বিশ্বাস করতে চায় না,উল্টা জেরা করে
:-P
আমার বান্ধবী কণা যে কলেজে পড়ার সময় কত উল্টা-পাল্টা কাজ করেছে। সেসব মনে করে এখনো অনেক হাসি পায়। নীলক্ষেত থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত রিক্সায় আসবো রিক্সায় পাইতে যে কত কষ্ট হত, আর সে করত যতরকমের নখরামি। বুড়া রিক্সাওয়ালার রিক্সায় উঠবেনা কারণ সে দেখতে টেলিসামাদের মত হলে কি হবে আমি তো ছোট-খাট হাতী।বুড়া চাচা নাকি রিক্সা টানতে পারবেনা। আবার ইয়াং রিক্সাওয়ালা নাকি ভালো না, আমি মাঝপথে নেমে গেলে নাকি রিক্সা হালকা হয়ে গেলে রিক্সাওয়ালা পঙ্খীরাজ ঘোড়ার মতন উড়ে চলে,আর তখন নাকি সে শক্ত হয়ে রিক্সার একসাইড ধরেই ঝুলতে থাকে (এভাবেই পরে বলতো)। পরে যাও একটা রিক্সা পেলাম তার মনমত হলো ব্যাটা রিক্সাওয়ালা আমরা রিক্সায় উঠার সময় ফিকফিক করে হেসে ফেললো আর কণা আবার রিক্সা থেকে নেমে গেল,সে যাবেনা কারণ রিক্সাওয়ার নাকি গঁজদাঁত আবার সেই দাঁত নাকি ময়লা ও। রীতিমতন কান্দনের দশা তখন আমার:((
আরেকদিন চটপটি খাবারের সময় সে বেঁকে বসলো খাবেনা। কলেজের বুড়াচাচার ছেলে সেদিন চটপটি বিক্রি করছে আর চাচার ছেলেরে নাকি সামনে-পিছনে নিজের শরীর চুলকাতে দেখেছে। আমরা যত বোঝাই তার শরীর সে চুলকালে তোর কি।কণা বলে তোরা খা,যে হাত দিয়ে এখানে সেখানে চুলকায় সে হাতের চটপটি সে খাবোনা...এরপরে সে সত্যিই কলেজে আর কোনদিন চটপটি খায়নি । আমরা যখন খেতাম তখন সে দূরে বসে বসে সে কাহিনী বলতো কিভাবে চুলকাতে দেখেছে যাতে আমাদের অরুচি হয়। কেয়া আর আমি হাসতে হাসতে শেষ আর বলতাম "তোর বদনজর ঠিক কর"...;)
কণা আরো অনেক উল্টা-পাল্টা কাজ করতো। সে সারা কলেজে খালি খুঁজে বেড়াত কোন, কোন মেয়ে ম্যারিড.....আর এত সেন্স কম যে ম্যারিড মেয়েরা অসুস্হ কিংবা কয়েকদিন কলেজে না আসলে পরে দেখা হলে বলে বসত" এই তোমার কি বাবু হবে নাকি.......এত তাড়াতাড়ি নিলা কেন........আরো কত যে হাবিজাবি। লোকমুখে শুনি একবার কে নাকি ওরে ঝাড়ি দিয়া বলছে "আমার বাবু হলে কি তোমার কি কোন সমস্যা আছে"B-)
হুট করে কণা কলেজে আসেনা পরে ফোন দিলে বলে সে নাকি নন্দনে সাথে নাকি তার মামা( নিজের জামাইরে মামা বানাইছে)। বিয়ের পর ভাইয়া এই কাহিনী কথায় বলে দিলো। কণার জন্য আইন জারী করলাম কাজলভাইরে (কণার স্বামী) এখন থেকে আমাদের সামনে মামা ডাকবি...আমাদের অবাক করে দিয়ে সত্যিই মামা ডাকতো। আর ভাইয়া খালি বলতো ঘরে বউরে ভয় পাই আর বাইরে এসে তোমাদের তিনটারে একসাথে খালি পালানোর রাস্তা খুঁজি। কণার বিয়ের পর কেয়া আর আমি একসপ্তাহ যোগাযোগ বন্ধ করে দিছি। কারণ ও যে রকম বদ নিজেদের ম্যারিড লাইফের সব কাহিনী সব না বলা পর্যন্ত চুপচাপ থাকবেনা। ক্লাশে এসে একদিন আমাদের দুইজনের মাঝে বসে বসে সে নিজের কাহিনী বলছে। ওরে বলি তুই পিছনের বেন্চে যা, তিনজন বসা যায়না। সে তো যায় না,কাহিনী বলে আর আমরা শব্দ করে হাসতে পারিনা বলে মুখচাপা দিয়ে হাসছি। অনেকক্ষণ এমন হাসাহাসি দেখে ম্যাডাম আমাদের তিনটারে ক্লাশ থেকে বের করে দিলো। বাইরে গিয়ে আবারো হাহাহাহিহিহি । ও হ্যা কণার বিয়ের পর আমরা ওরে প্রায়ই এটা বলে ক্ষেপাতাম" এই তোর কি বাবু হবে নাকি, এত তাড়াতাড়ি নিলে কেন" ...:P

..............:):DB-)............;) :P :-P ............... =p~ 8-| :)
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:২৯
৮০টি মন্তব্য ৮০টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×