যে মাত্র ২ বছর বয়ষে এই কম্পিউটারটা
বানিয়ে, আমাদের সবাইকে টাসকি খাইয়ে দিয়েছিল। আমরা ইচ্ছা করে, ঐ ঘটনা গিনিস রেকর্ডে উঠানোর ব্যাবস্হা করিনি। কারন - প্রিয়র সাফল্য ঐ তুচ্ছ গিনিস রেকর্ডে উঠিয়ে কি লাভ ?
সারাক্ষন প্রশ্ন, বকবকানী। আমাদের মাথা খারাপের মত অবস্হা।
মাঝে মাঝে খুবই বিব্রত হই আমরা।
* প্রিয়র বয়স যখন ৩ , আমি দুপুরে বিছানায় শুয়ে আছি।পেপার পড়ছি একটা। প্রিয় ঘুমে আমার পাশে।প্রিয়র আম্মু এসে আমার হাতের পেপারটা ফেলে দিল। হটাত প্রিয়র কথা.. আমরা ছিটকে দুজন দুদিকে
প্রিয় : আম্মু তুমি আব্বুর মুখে কামড় দিলে কেন ? আব্বু তো ব্যাথা পেয়েছে।
প্রিয়র আম্মু : না বাবা কামড় দেইনি তো
প্রিয় : মিথ্যে বল কেন ? আমি দেখেছি
প্রিয় বিছানা হতে নামল। আমরা খুবই আল্লাহ্ আল্লাহ্ করছি।আজ আবার কি হয় কে জানে।
ও সোজা আমার আম্মার কাছে। একটু পরেই ফিরল। খুবই উত্তেজিত।
প্রিয় : আব্বু তোমাকে দাদু ডাকে। এক্ষুনি আস।
কাম সারছে। আজ কি যে হয়? গেলাম আম্মার রুমে। প্রিয়ও সাথে।
প্রিয় : দাদু , এই যে দেখ।আব্বু ব্যাথা পেয়েছে। আম্মু আব্বুর মুখে কামড় দিয়েছে।
ওরে আল্লাহ্ রে আমি কই আছি এখন ? দৌড়ে আম্মার সামনে হতে- আমাদের রুমে গিয়ে। আমার বউকে বল্লাম- তোমাকে আম্মা ডাকছে।(মনে মনে বলছি- যাও যাও ঝামেলায় পর
আম্মুকে দেখেই
প্রিয় : দাদু , আম্মুকে ধমক দাও, আব্বুর মুখে কামড় দিয়ে, আব্বুকে ব্যাথা দিল কেন ?
এই কথা শুনে আমার বউও দৌড়।
প্রিয় তার দাদুকে তখনো বলছে- তুমি আম্মুকে ধরলে না কেন? ধমক দিলে না কেন ? প্রিয়র দাদু প্রিয়কে বুদ্ধি দিল- তোমার আব্বুকে বল, আম্মুর মুখে কামড়ে দিতে।
সমাধান টা প্রিয়র খুব পছন্দ হল।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

