জিয়াউর রহমানের সময়েই স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকারদের এদেশে পুনর্বাসন করা হয়েছে। কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী গতকাল জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু পরিষ্কার বলে দিয়েছিলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, ধর্ষণ এবং খুনের মতো অপরাধ করেছে তাদের ক্ষমা নেই। কিন্তু জিয়াউর রহমার ক্ষমতায় এসে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আটককৃত রাজাকারদের মুক্ত করে দিয়েছিলেন। তারপর রাজাকারদের পুনর্বাসনের জন্য সকল ব্যবস্থা করেন জিয়া। কারণ পাকিস্তানের কাছে তার ঋণ আছে। জিয়ার মা-বাবা কবর পাকিস্তানে। মতিয়া চৌধুরী আরও বলেন, জিয়াই প্রথম এদেশে মদের বারের লাইসেন্স দেন। তিনি সংসদ ভবনের সামনে জুয়া এবং হাউজির আসর বসান। ‘লাকী খান’ সংস্কৃতির প্রচলন করেন তিনি।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, দেশের উচ্চ আদালতে সম্প্রতি যে ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে তা উদ্দেশ্যমূলক ভাবেই ঘটানো হয়েছে। তা না হলে আমিনীর (মুফতি ফজলুল হক আমিনী) আইনজীবী থাকতে কেন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা সেখানে হট্টগোল করতে গেলেন। তিনি বলেন, তারেক ও আরাফাত রহমানসহ যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া ও বিএনপি চাচ্ছে দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে ধ্বংস করে দিতে। হানিফ বলেন, খালেদা জিয়া এ আদালতের উপর সন্তুষ্ট নন। কারণ এ আদালতের নির্দেশেই বঙ্গবন্ধুর খুনিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে, বিরোধীদলীয় নেতাকে তার ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি ছাড়তে হয়েছে, তারেক ও আরাফাত রহমানের বিচার হচ্ছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আফম রুহুল হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. ক্যাপ্টেন (অব.) মজিবুর রহমান ফকির, আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাব্লিউ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, স্বাচিপের মহাসচিব ডা. ইকবাল আর্সনাল, বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মাহমুদ হাসান, মহাসচিব অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমদ প্রমুখ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

