Click This Link
১৯৯৯ সাল
আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ আজাদ-স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, অধ্যাপক ডা:রশিদ উদ্দিন আহমদ-চিকিৎসা বিজ্ঞান, অধ্যাপক এ.কিউ.এম. বজলুল করিম-শিক্ষা, অধ্যাপক এ এফ সালাহ উদ্দিন আহমদ-শিক্ষা, সিকান্দার আবু জাফর (মরণোত্তর)- সাহিত্য, মোহাম্মদ কিবরিয়া-চারুকলা, বেগম বদরেন্নেসা আহমেদ (মরণোত্তর)-সমাজসেবা, কলিম শরাফী-সঙ্গীত, এফ.আর.খান (মরণোত্তর)-স্থাপত্য, মাজহারুল ইসলাম-স্থাপত্য ও ব্রজেন দাস-ক্রীড়া।
২০০০ সাল
আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ (মরণোত্তর)-স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, মেজর জেনারেল এম.এ,রব,বীর উত্তম, (মরণোত্তর)- স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, সরদার ফজলুল করিম-শিক্ষা, সৈয়দ শামসুল হক-সাহিত্য, শিল্পী শাহাবুদ্দীন-চারুকলা, সুলতানা কামাল খুকী (মরণোত্তর)-ক্রীড়া ও খেলাধুলা, বিনোদ বিহারী চৌধুরী-সমাজসেবা, ওস্তাদ খুরশীদ খান-সঙ্গীত, অজিত রায়-সঙ্গীত ও রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই (মরণোত্তর) শিশু সংগঠন।
২০০১ সাল
শহীদ মশিউর রহমান-স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, আলহাজ্ব জহুর আহমদ চৌধুরী(মরণোত্তর)-স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, এম.এ.আজিজ (মরণোত্তর)-স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, শহীদ মোহাম্মদ ময়েজউদ্দিন (মরণোত্তর)-স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, রুহুল কুদ্দুস (মরণোত্তর)-স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, শহীদ আমিনউদ্দিন (মরণোত্ত)-স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, শহীদ ডা: জিকরুল হক (মরণোত্তর)-স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, কবি সৈয়দা মোতাহেরা বানু (মরণোত্তর)-সাহিত্য, আশফাকুর রহমান খান-স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, এম.আর.আখতার মুকুল-সাংবাদিকতা ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-ক্রীড়া ও খেলাধুলা।
২০০২ সাল
এস.এ.বারী এ.টি. (মরণোত্তর)-স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, হাসান হাফিজুর রহমান (মরণোত্তর)-সাহিত্য, বারীণ মজুমদার (মরণোত্তর)-সঙ্গীত, আবদুল লতিফ-সঙ্গীত, ঢাকা আহসানিয়া মিশন-সমাজ সেবা/জনসেবা।
২০০৩ সাল
প্রয়াত রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান (মরণোত্তর)-বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রধান নেতা হিসেবে নেতৃত্ব দানের জন্য এবং জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য,অসাধারণ ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (মরণোত্তর)-বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদান, বিশিষ্ট সেক্টর কমান্ডার হিসেবে সমগ্র মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় নেতৃত্ব দান এবং জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য, অসাধারণ ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ।
২০০৪ সাল
অলি আহাদ-স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, কমরেড মনি সিংহ (মরণোত্তর)-স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ,ব্রিগেডিয়ার আবদুল মালিক-চিকিৎসা, মুহম্মদ সিদ্দিক খান (মরণোত্তর)-শিক্ষা, আবু ইসহাক (মরণোত্তর)-সাহিত্য, শহীদ আলতাফ মাহমুদ(মরণোত্তর)-সংস্কৃতি, বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি-ক্রীড়া, পল্লী উন্নয়ন একাডেমী,বগুড়া-পল্লী উন্নয়ন, সন্ধানী-সমাজসেবা ও মিস ভেলেরী এ টেইলর-জনসেবা।
২০০৫ সাল
মো: মুজিবুল হক-দেশ ও মানুষের কল্যাণে সামগ্রিক অবদান, আই.সি.ডি.ডি.আর.বি.-দেশ ও মানুষের কল্যাণে সামগ্রিক অবদান।
২০০৬ সাল
বাংলাদেশ বেতার-স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, রেপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-জনসেবা।
২০০৭ সাল
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী-স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ এবং জনসেবা এবং ব্র্যাক-সমাজসেবা।
২০০৮ সাল
বাংলাদেশ রাইফেলস-স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, শহীদ ড.শামসুজ্জোহা (মরণোত্ত)-স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, শহীদ ড.গোবিন্দ চন্দ্র দেব (মরণোত্তর)-স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ ও অধ্যাপক রেহমান সোবহান-গবেষণা ও প্রশিক্ষণ।
২০০৯ সাল
আবদুল গাফফার চৌধুরী-সাহিত্য, আবদুল মতিন-সংস্কৃতি, প্রফেসর এ.এম.হারুন অর রশীদ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং আইভি রহমান (মরণোত্তর)-সমাজসেবা ও জনসেবা।
২০১০ সাল/সদ্য ঘোষিত
এ.কে.এম.শামসুল হক খান (মরণোত্ত)-স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী-স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, বেলাল মোহাম্মদ-স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, অধ্যাপক জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী-শিক্ষা, অধ্যাপক যতীন সরকার-শিক্ষা, রোমেনা আফাজ (মরণোত্তর)-সাহিত্য, মুস্তাফা নূরউল ইসলাম-সাহিত্য, বাংলা একাডেমী-সংস্কৃতি, ওয়াহিদুল হক (মরণোত্তর)-সংস্কৃতি, আলমগীর কবীর (মরণোত্তর)-সংস্কৃতি এবং ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী-সংস্কৃতি।
আরো অনেক গুণী রয়ে গেছেন এই পুরস্কার প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। অনেকে আমাদের ছেড়ে গেছেন। অনেকে এখনো বেঁচে আছেন। যাঁরা বেঁচে আছেন তাঁদেরকে জীবদ্দশায় এ সম্মান দিতে পারলে এ পুরস্কারের সার্থকতা আরো বাড়বে।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


