somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... বাবার মুখে শোনা মুক্তিযুদ্ধ
মুক্তিবাহিনীরা ঘাঁটি গাড়ছিল কালো পাহাড় নামের গহীন অরন্যে ছনখোলার ভিতরে। যুদ্ধ করছিলেন ঈদগাহ্‌, ঈদগড়, উখিয়া, ডুলাহাজারা ও রামুতে। অরন্যের মগ, মুরুং বা চাকমারা তখনো জানেনা যুদ্ধ কি ? শুধু জানে ১৫/২০ জনের একটা দল পান্জাবী মারার জইন্য ফেরারী হইছে। মুরুং রা মুক্তিবাহিনীর খাওয়া দাওয়া সবকিছুর ব্যাপারে তাদের সাহায্যের হাত বাড়াই দিছিল। মুক্তিবাহিনীতে যোগ দিছিল কয়েকজন মুরুং যুবক।

বাবার ভাষায়, সচক্ষে দেখা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়েছিল ঈদগাহ্‌ বাস ষ্টেশনের পাশে ছোট্ট লোহার ব্রীজটাতে। বাস স্টেশনটা কক্সবাজার শহর থেকে ২৫ কি.মি. আগে । খবর আসছে, কক্সবাজারে পাকি মিলিটারীর একটা দল আসতেছে আর ঈদগাহতে ছিল পাকি দের দুর্বল ডিফেন্স। মুক্তিবাহিনীর কাছে পর্যাপ্ত গোলা বারুদ ছিলনা। পাহাড়ী মুরুংদের পাঠানো হল গ্রামে। গ্রামবাসী তাদের চেরাগের শেষবিন্দু কেরোসিনটুকু ঢেলে দিলো ড্রামে, মুদির দোকানীরা দিল তাদের দোকানের সব কেরোসিন। গ্রামে না হয় আর কোনদিন চেরাগ-ই জ্বলবেনা !!! বন্ধ হল কয়েকটা গ্রামের ডিজেল চালিত রাইসমিল। আমার দাদী দিলেন সারা বছরের খোরাক ২০০ আড়ি ধান বেচা টাকা।

সূর্য্য ডুবতেই চারটা নৌকা নিয়ে মুক্তিবাহিনী রওয়ানা হলো। সারা রাত নৌকা চলল ভাটিতে, ঈদগড় থেকে ঈদগাহ, গন্তব্য-ঈদগাহ্‌ ব্রীজ। ভোর হতে আরো দেরী ছিল। লোহার ব্রীজের কাঠের পাটাতনে কায়দা করে বিছানো হল কয়েক'শ চটের বস্তা। একজন উঠে গেল বিরাট এক মেহগনি গাছের আগায়। ব্রীজের দুই মাথায় মুক্তি বাহিনীর দুইটা দল বসে আছে, কখন আসবে হায়েনার দল?? কখন মেহগনি গাছের উপর থেকে তাদের দিকে টর্চ মেরে সংকেত দেয়া হবে ???? মিলিটারিরা আসতেছে, গাছের উপর থেকে টর্চ মারা হল, ঢেলে দেয়া হল ড্রামে ড্রামে কেরোসিন ব্রীজের উপরে। হ্যা , মিলিটারির দুইটা ট্রাক উঠে গেছে ব্রীজে। ব্রীজের দুই মাথা থেকে একই সাথে লাগিয়ে দেয়া হল আগুন। রাতের কালো আকাশ লাল হল, প্রচন্ড যুদ্ধ হল। বেরসিক আগুন আর দুই দিক থেকে মুক্তি বাহিনীর আক্রমন !!! ২০/২৫ জন মুক্তি সেনার হাতে শিয়াল কুত্তার মত মরল ৫/৬ ডজন পাইক্যা "হাইওয়্যান"।

"অ - মা - রে" -------- গগনবিদারী আর্তচিৎকারে সবাই পিছনে ফিরে এলেন। হায়েনার বুলেট বিঁধেচে শান্তির পায়রার বুকে! রক্তে লাল হলো ঈদগাহ্‌ খাল। ভোরের প্রথম আলোয় অন্ধকারে স্তিমিত হল দুটি চোখ, বুকের মানিক হারালেন এক "মুরুং মা"। রক্তদিয়ে লেখা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক অলিখিত সৈনিক হয়ে গেলেন মঙ্গোলীয়ান বংশধারার এক উপজাতি মুরুং যুবক।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/KONIKAblog/28786660 http://www.somewhereinblog.net/blog/KONIKAblog/28786660 2008-04-10 20:34:58
সবকিছু ধোঁয়া ধোঁয়া লাগে (বড়ভাই বোঘদাদি হেকিম-কে)
মরুর বুকে আমি আজো ফোঁটাতে পারিনি ফুল। হয়তোবা আমার দেয়া পানিতে তাদের তৃষ্না মিটেনি বলে !! আমি পারিনি করো চোখে চোখ রেখে, মনে মন মিলিয়ে করা শপথের বানী রক্ষা করতে। নেহায়েত দৈব দূর্ঘটনাটা না ঘটলে হয়তোবা আমি আজও দাপিয়ে বেড়াতাম আমার শহরের অলিতে গলিতে। বিপরীতে মাড়িয়ে চলেছি কন্টকময় পথে রূঢ় বাস্তবের প্রহসনে ঘেরা নানা ঘাত প্রতিঘাতের তিনটি বছরের সফর।

"ভাইডি"!!! তোমার লাল গাড়ির গল্পের মতন আমারও স্বপ্ন আছিল, কলাতলী রোড হয়ে ছুটে চলবে আমার গাড়ী, মৃদু শব্দে গান বাজবে, গিয়ারের উপর রাখা আমার হাতের উপরে থাকবে প্রিয়ার হাতের আলতো ছোঁয়া ! হা হা হা হা ....... আমার মতন আখাড়া আচোদা এসব কিভাবে করবে ?? ছাদে উঠে সুখটানে বিভোর হতাম। পোড়া ইটা কালারের ছোট্ট চেভ্রলেট টার ড্রাইভিং সীটের পাশের খালি সীটটা দেখলে বড্ড আফসোস হয় আজ !! ও গানটা মনে পড়ছে, "যখন আমার কেউ ছিলনা, ছিলে শুধু তুমি - এখন আমার সব হয়েছে, পর হয়েছ তুমি ............."

সবকিছুকে ছাড়িয়ে পরম প্রশন্তিতে মনটা ভরে উঠে, যখন "ভোগে সুখ নয়, ত্যাগেই প্রকৃত সুখ" কথাটা নিজের কাছে সত্য মনে হয়। যখন নিজের গাধাখাটা পরিশ্রমের অংশটুকু দিয়ে ছোট্ট পরিবারটার বিশাল চাওয়ার থেকে একটা বিন্দু পাওয়াতে পরিনত করতে পারি তখন সেই সুখটার কাছে অন্যসব সুখ কাহিনী ম্রিয়মান মনে হয়। ছোট ভাই ফোন করে বলে, "ভাইয়া তোমার দেয়া ল্যাপটপটা হেভ্ভি হইছে, আমার খুব পছন্দ হইছে, থ্যাংকু ভাইয়া"। খুশির আনন্দে দুই চোখে বন্যা নামে। "মা" কাঁদো কাঁদো গলায় বলে, "বাপ ! অনেক হল, এবার আয়, তোকে একবার দেখি"

সবার ভালবাসায় আজ আমি কানায় কানায় পূর্ণ। তবুও কেন জানি সব কিছু ধোঁয়াটে ধোঁয়াটে মনে হয়। মনে হয় - এক নির্জন খোলা প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছি আমি, কোন দূর পাহাড়ের গায়ে থেকে প্রতিধ্বনি হয়ে ফিরে আসছে একটি আর্তচিৎকার। সেই হাহাকার মেশানো আর্তচিৎকার আমাকে ছুঁড়ে ফেলে দেয় পৃথিবী থেকে অনেক অনেক দূরের কোন নাম না জানা গ্রহে..........................................]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/KONIKAblog/28778161 http://www.somewhereinblog.net/blog/KONIKAblog/28778161 2008-03-11 03:12:53
"হে খোদা ! তুমি আর মানুষ সৃষ্টি করোনা যদি এমন হয় তাহলে তোমার সৃষ্টি তোমার সাথে তো বেঈমানী করবেই।

আমি পৃথিবীর মধ্যভাগ থেকে লিখছি। যাদের ভার্চুয়াল লগো "Kingdom of Humanity"/ আল মামলাকা আল ইনাসানীয়্যা - মানবতার রাজ্য। আমি বলি, আল মামলাকা আল হাইওয়্যানীয়্যা - পশুত্বের রাজ্য। যেখানে আজও ভূলন্ঠিত হচ্ছে "আজনবী"দের স্বার্থ। এখনো চলে অদৃশ্য দাস প্রথা। আমাদের পায়ে দাসত্বের অদৃশ্য শেকল পরিয়ে দিচ্ছে বারে বারে। না পারি বেরিয়ে আসতে দাসত্বের শেকল কেটে না পারি মাথা খুঁটে মরতে। কারন আমাদের দিকে হা করে তাকিয়ে আছে আমাদের পরিবার, কয়েকটি করুন মুখ।
যদি এমন হয় তাহলে কেন বলেছিলে "আশরাফুল মাখলুকাত" ?

হে খোদা ! কখনো অবুঝ হৃদয়ে প্রেম-ভালবাসার সঞ্চার করোনা। যদি তাদের মধ্যে প্রেম-ভালবাসা নামের অদৃশ্য সাঁকোটি তৈরি করেই দাও তাহলে কোন কঠিন শর্তের গ্যাড়াকলে তাদের জোড়া আলাদা করোনা। প্লিজ খোদা ! কি লাভ তোমার, দুটি পিপাসার্ত হৃদয়কে মরার আগ পর্যন্ত খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মারার??
যদি এমন হয় তাহলে তোমার সৃষ্টিই তো তোমার বানানো ভালবাসার সাদা চাদরে কালি ছুঁড়ে মারবে।

খোদা ! আমি বড়ই স্বার্থপর। সবসময় নিজকে নিয়ে ভাবি, নিজেদের কথা চিন্তা করি। আজও নিজের সুখ কামনায় গুঁমরে কাঁদি তোমার সৃষ্টির কোন এক নারীর জন্যে। বুঝে উঠতে পারিনা, কে আসল আর কে ফাঁকিবাজ। আর তাই আমার স্বার্থ উদ্ধার করতে খুবই কষ্ট হয়। তাই বলি খোদা ; বন্ধ করে দিলে কেমন হয়, তোমার হাতের জন্ম রহস্যের পুতুল খেলাটা !!

আর যদি তোমাকে তোমার কঠিন সংবিধানের জটিল ধারাবাহিকতার গলিত পদার্থে মানুষ সৃষ্টি করতেই হয়, হ্যা কর ; তবে আরো কয়েকজন - "মাওলানা ভাষানী, ফজলুল হক, দেশমাতৃকার ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ, মুজিব, জিয়া, মাদার তেরেসা"। কয়েকশ সুন্দরী ক্লিউপেট্রা বা হেলেন আমি চাইনা - শুধুমাত্র একজন কু-শ্রী "তারামন বিবি"তে ই আমি খুশি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/KONIKAblog/28751237 http://www.somewhereinblog.net/blog/KONIKAblog/28751237 2007-12-13 02:09:07
একজন বাবা ; তাঁর ষ্টুপিড ছেলের কাছে
টু বা থ্রীতে পড়ি তখন। প্রতি রবি ও বুধবার বিকেল ৫টায় বাবার অফিসের সামনে হাজির হতাম। শুকলাল হাটে যেতে হবে। বাবার হাত ধরে রেললাইন দিয়ে হাঁটতাম। বাবা বলতেন, বুলবুল বলতো ব্যাট্টা: মানব দেহে হাড়ের সংখ্যা কত? পৃথিবীতে কয়টি মুসলিম দেশ আছে? অমুক দেশের রাজধানী কোথায় ?........ চলতো শুকলাল হাট পর্যন্ত।

বাবার বড় স্বপ্ন ছিল তাঁর বড় ছেলেকে বিদেশে অনেক বড় ডিগ্রী নিতে পাঠাবেন; উনার সমস্ত সঞ্চয় দিয়ে হলেও। বাবার সমস্ত সুখস্বপ্নের স্বার্থে পা মাড়িয়ে নিজেকে আবিষ্কার করেছিলাম নেশার রাজ্যে। খুবই কেঁদেছিলেন বাবা। আজ অন্যের স্বার্থ উদ্ধার করতে গিয়ে আমাকে ছুটতে হয়েছে পৃথিবীর কয়েকটা প্রান্তে।

বাবার মেজো ছেলে বায়োমেকানিক্যাল ইন্জিনিয়ার নামক শব্দটার পেছনে হন্যে ছুটছে আর ছোট ছেলে টার্নিং পয়েন্টের টিবিতে উঠে দাঁড়িয়েছে। বাবার লালিত স্বপ্নের বীজ তাদের মাঝে বুনে দেয়ার কঠিন দায়িত্ব আজ আমার হাতে; আমাকে পারতেই হবে। আজ জীবনের সকল সংকটময় সময়ে সহজ সমাধানের প্রশ্নে বারবার অনুভব করি "বাবা" নামক মহামানবের প্রয়োজনীয়তা। তাই এখন বাবার দেয়া মারগুলোকে ঔষধ আর তাঁর বলা প্রতিটি কথাকে "পবিত্র বাণী" বলে মেনে নিয়েছি।

বাবাকে সন্তান হিসেবে গর্ব করার মত কতটুকুন কি দিতে পেরেছি জানিনা। তবে আমরা বাবাকে নিয়ে একবুক গর্ব করি। হয়তোবা আগামী প্রজন্মও করবে, যতদিন লাল-সবুজের পতাকা থাকবে। আমাদের শোকেজে সাজিয়ে রাখা আমার ১৫/২০টা ক্রেষ্ট ও কাপের মধ্যে পিতলের অনেক পুরানো ক্ষয়ে যাওয়া একটি কাপ আমাদের অমূল্য সম্পদ। যেখানে খোদাই করে লিখা আছে - "কক্‌সবাজার গুনীজন সংবর্ধনা পরিষদ। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের স্বীকৃতি স্বরূপ মুক্তিযোদ্ধা জনাব মোহাম্মদ হোছাইনকে প্রদান করা হইল - ১৬/১২/১৯৭২ইং"।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/KONIKAblog/28749239 http://www.somewhereinblog.net/blog/KONIKAblog/28749239 2007-12-04 00:34:47
ক্লান্তিকর পরবাস ; তোমার কাছে ফেরার নিস্ফল রোদন !
আমি কোন ভাবুক নই। শরতের নীলাকাশ আমাকে কখনো ভাবায়না, বরষার ধারা আমাকে আর পুলকিত করেনা, চন্দ্রালোকিত রাত আমাকে আর আগের মত হাতছানি দেয়না জানিনা হয়তোবা তোমার চাঁদে আর মরুর চাঁদে শত শত আলোকবর্ষ দূর কিনা ???

ওভারটাইম না করলে যেন আর চলেইনা। ক্লান্তশরীর বিদ্রোহ করে, স্টিয়ারীং ঘুরাতে পারিনা। লাল সাগরের পাড়ে কোন এক পাথরে গা এলিয়ে ব্লু কেডী্‌ তে চুমুক দিয়ে কয়েকজোড়া ডানহিল পুড়িয়ে সাগরকে প্রশ্ন করি, হে সমুদ্র তোমার সাথে তো পৃথিবীর সব সাগরের অদ্ভুদ মিতালী; তুমি কি পারনা আমার সমুদ্রের বাতাস মেশানো একটা ঢেউ আমায় দিতে? এই লাল সাগর তুমি না হয় তোমার নিয়মের উল্টো গিয়ে আমার রূপালী বঙ্গোপসাগরকে বলে দিও আমি কবে ফিরব তার কাছে?? তার মাঝে ডুব দিয়ে ভুলে যাব আমার সব ক্লান্তি! তুমি নাহয় আরেকটু কষ্ট করে গিয়ে আমার রূপবতী বাংলাকে বলে দিও আমি কবে ফিরব তার কাছে?? তার সবুজে বুক লাগিয়ে আমি ভুলে যাব আমার সব আঘাত! আমার না হয় একটু দেরিই হল; তবে ফিরব তো !!!!!!!!!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/KONIKAblog/28742745 http://www.somewhereinblog.net/blog/KONIKAblog/28742745 2007-11-05 00:16:16
একটি গল্প ২০০৩ সাল, বর্ষার দিন। চারদিকের সব দালানগুলোর জানালা বন্ধ। শুধু মাত্র একটি জানালা খোলা ছিল। আনমনে বৃষ্টি দেখছিল ছেলেটি। গরম গরম কফি, সাথে সিগারেট, বর্ষার দিনে ঠান্ডা ঠান্ডা বাতাস; অন্যরকম অনুভূতি।
***
চারতলা থেকে একটি জানালা আস্তে আস্তে খুলে গেল .... পরনে ছিল গাঢ় নীল রঙের কাপড় .... মুঠ করে বৃষ্টির পানি নিয়ে মুখে মাখছে। ছেলেটা অপলক দৃষ্টিতে দেখছিল দৃশ্যটা। ছেলেটাকে খেয়াল করার পরে নিজেকে সামলে নিলেও লুকানোর চেষ্টা করেনি মেয়েটি।
***
২০০৩ সালের ১৮ ই জুলাই ; মেয়েটি ইশারায় হাতের তিনটি আঙ্গুল দেখাল। কি হতে পারে অর্থ ?? বিকেল তিনটার দিকে বাসার সামনে রাস্তায় দেখা হল, সামান্য কথা হল, হার্টবিট বেড়ে গেল, আর মেয়েটিকে খুউব ভাল লেগে গেল।
***
জীবনের প্রথম কোন মেয়ে ছেলেটিকে ফুল দিল "কদম" ; কদম ছেলেটির প্রিয় ফুল। সেইবার বাড়ীতে গিয়েই ছেলেটি কদম গাছ লাগিয়েছিল গেইটের কোনায়। ছেলেটার আম্মু হেসে বলেছিলেন, এত ফুলের গাছ থাকতে কদম কেনরে?? বুঝাতে পারেনি -"কদম তার সবচাইতে প্রিয় ফুল"।
***
ঢাকার পাঠ শেষ, বাড়ী ফেরার পালা। মেয়েটির কাছে বুয়ার মাধ্যমে একটি চিঠি পাঠাল। "চলে যাচ্ছি এই শহর ছেড়ে, হয়তোবা আবার দেখা হবে, ভালো থেকো"। মেয়েটি খুব কাঁদছিল। চারতলার সেই জানালায় দাঁড়িয়ে ছেলেটিকে হাত নেড়ে বিদায় দিল।
***
এই মুহূর্তে ; জীবন এবং জীবিকার সংগ্রামে ছেলেটি মেয়েটির কাছ থেকে অনেক অনেক দূরে। মেয়েটির সাথে যোগাযোগ করার জন্য হাজারো ব্যার্থ চেষ্টা করেছিল সে। ৩ টি বছর পেরিয়ে গেল ....... প্রতিটা মুহূর্ত মিস করে মেয়েটিকে ...... ইউ. পি. এস. এক্সপ্রেস মেইলটা মেয়েটির হাতে পৌছেছিল ১৩ মার্চ ২০০৭ ।
***
"আই এম ...., প্লীজ কল মি, হ্যারী আপ" মোবাইলে এস.এম.এস পেল ছেলেটি। ৩ বছর পরে কথা হল মেয়েটির সাথে। অনেক অনেক কথা.......। মেয়েটির অমতেই বিয়ে হয়েছিল। স্বামীর সংসারে সুখী হতে পারেনি সে। চলে এসেছে বাবার বাড়ীতে। কান্না যেন আর থামেনা:- শুধু বার বার করে বলল "আমাকে ভুলে যাও"।
***
অফিস থেকে ছেলেটি বাসায় ফিরেনি। লোকচক্ষুর আড়ালে চোখ মুছে সারা রাত কাটিয়ে দিল রেড-সী'র পাড়ে। ভোরে বাসায় ফেরার পথে কার এক্সিডেন্ট........, ৬ দিন হাসপাতালের বেডে........ ,চোখ দিয়ে পানি পড়ছিল ছেলেটির..... কি কারন? .... কেন?.... কাউকে বলেনি ছেলেটি...।
************************
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/KONIKAblog/28723925 http://www.somewhereinblog.net/blog/KONIKAblog/28723925 2007-08-02 19:11:23