ব্লগার প্রলয় হাসান- আপনার উত্থাপিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমার কিছু বক্তব্য।
প্রলয় হাসান বলেছেন: @কালপুরুষ ওরফে অনিক ওরফে হুমায়ুন বাদশাহ,
সরি, দেশে কথা বলছিলাম, তাই আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে একটু দেরী হয়ে গেল। আমাকে করা আপনার কমেন্টগুলো দেখে মন-মেজাজ অসম্ভব খারাপ হয়েছে। সবগুলোর উত্তরই একটা একটা করে দিলাম।
১. আউলার পোস্টটা সাময়িক ছিলো, পরদিন মুছে ফেলা হয়েছে। স্ক্রীনশটও রাখার প্রয়োজন মনে করিনি। কারন, তখন কি জানতাম আপনি এমন করে ভোল পাল্টে ফেলবেন? তাই কোন তথ্যপ্রমান দিতে পার্লাম না। কারো বিশ্বাস না হলে আউলাকে গিয়ে জিজ্ঞেস করে আসতে পারেন যে কালপুরুষ আমাকে আর ইরাপুকে নিয়ে কি বলেছিলো।
--আপনার উত্থাপিত প্রথম অভিযোগের জবাব-
প্রলয় বাবু, আউলা আপনার মন্তব্যের জের ধরে যে পোষ্ট দিয়েছিল তাতে আমি একদিন পরেই মন্তব্য করেছিলাম। সম্ভবত পোষ্টটা তিনদিন ছিল। এক্কেবারে ছেলেমানুষের মতো (তা হবেন হয়তো) একটা কথা বললেন- “কারো বিশ্বাস না হলে আউলাকে গিয়ে জিজ্ঞেস করে আসতে পারেন যে কালপুরুষ আমাকে আর ইরাপুকে নিয়ে কি বলেছিলো”। কেউ কী এতো কষ্ট স্বীকার করবে? আর আউলা কী আমার মন্তব্যটা মুখস্ত করে বসে থাকবে? হাসালেন। আপনি কিন্তু আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমাণ করতে পারলেন না।
২. নিজের লেখা পড়ার জন্য ছ্যাবলার মত গিয়ে তাকে ডজন ডজন লিংক দিয়ে এসেছেন। সেটা বলাতে আমাকেও কটু কথা বলতে ছাড়েননি। আচ্ছা, এতে করে আপনার কোন লাভ হয়েছে? ইরাপু আপনার লিংকগুলার কয়টাতে গিয়েছে আমাকে বলেন! আপনার ব্লগে ইরাপুর কয়টা কমেন্ট আছে বলেন আমাকে! কোনদিনও সে আপনার ব্লগে যায়নি। আপনার দাওয়াত দিয়ে নিয়ে যাবার কারনে ভদ্রতার খাতিরে দুয়েকবার গিয়েছিলো মাত্র।
--আপনার উত্থাপিত দ্বিতীয় অভিযোগের জবাব-
আনার ইরাপুর ব্লগে আগমন মাত্র অল্প ক’মাস। আপনার ইরাপুর লেখা “আকাশ ছোঁয়া” পোষ্ট নিয়ে ওনার সাথে মন্তব্য পাল্টা মন্তব্য হচ্ছিল। আমি আমার মতো করে ব্যাখ্যা করেছিলাম, উনি ওনার মতো। বিষয়গত বা ভাবনাগত মতানৈক্য হতেই পারে। আর আমি যে লিংকগুলো তাকে দিয়েছিলাম সেগুলো আকাশ সংক্রান্ত ভাবনা নিয়েই লেখা। কোন প্রেমের কবিতা নয়। আর উনি যদি তা ফ্লার্ট বা ছ্যাবলামি মনে করতেন তবে আমাকে নিষেধ করতেন বা ব্লক করতেন। তা তিনি করেননি। কারণ আমার কোন মন্তব্যের কোথাও তার সাথে ফ্লার্ট করার ইঙ্গিত বহন করেনা। বরং সেটা নিজস্ব মত পার্থক্যের ইঙ্গিতবহ। আবার পড়ে দেখতে পারেন।
৩. আমার মনে হয় না এর আগে ব্লগের আর কোন মেয়ের হাতে আপনি এতটা অপমানিত হয়েছেন! কিন্তু তবুও আপনার টনক নড়েনি। এত কিছুর পরও ঠিকই আপনি এখনও যান তার ব্লগে, অনিক নিকে সাইন ইন করে খানিকটা লোল ফেলে আসেন। আপসোস।
--আপনার উত্থাপিত তৃতীয় অভিযোগের জবাব-
জ্বী ঠিকই বলেছেন। প্রায় আড়াই বছরের ঊর্দ্ধে আমি এখানে ব্লগিং করছি। আমার মা, বোন, বউ, বান্ধবীকে নিয়ে কতিপয় ব্লগার এর আগেও অনেকে বাজে কথা বলেছে, আমি নিশ্চুপ ছিলাম এবং প্রতিবাদ স্বরুপ ব্লগ ছেড়েও চলে গেছিলাম। তারপরেই আমার “অনিক” নিকে আবির্ভাব। আমার দুটো নিকের কোন নিকেই সেদিনের পূর্বে কেউ একটা বাজে কথা বলেনি। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠেনি। এই ব্লগে এই প্রথম কোন মেয়ে আমাকে এমন অভদ্র উক্তি করলো। কারণ, এই ব্লগের অন্যকোন মেয়ে ব্লগার আপনার কাজিন নয়। আবারো বলিছ, “এই ব্লগের অন্যকোন মেয়ে ব্লগার আপনার কাজিন নয়”। তাই নিজের কাজিনকে আপনি সহজেই একজনের বিরুদ্ধে উস্কে দিতে পারবেন অন্য কারো বেলায় সেটা সম্ভব নয়। কারণ আপনার ইরাপু কিছু কথার প্রেক্ষিতে আপনাকে “জ্যোতিষী” বলে সম্মোধন করেছিল আপনার কিছু আগাম কথার প্রেক্ষিতে।
লেখক বলেছেন: তাই তো দেকতাছিরে!
প্রলয়, তোর কতা অক্ষরে অক্ষরে ফলছে। সিডনীতে একটা জ্যোতিষীর দোকান খুইল্যা বইছ।
রাতে ফোন দিছ। কতা আছে।
৪. রাশেদ আর আউলার ব্যাপারটা এ নিয়ে আপনি পরপর তিন জাগায় বল্লেন। সেটা ফান করে বলেছিলাম। সেটা ওরাও জানে। সবচে বগ কথা হলো সেটা আপনার মত এতটা সিরিয়াস অফেনসিফ বা বাপ-মা তুলে গালাগাল ছিল না। ব্যাপারটা বন্ধুদের মাঝে স্রেফ ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে। এবং আমাদের মধ্যে মিটমাটও হয়ে গেছে। তাই সেদিনের পর থেকে ব্লগে এটা নিয়ে আজ পর্যন্ত কেউ আর কোন কথা তুলেনি। শুধু আপনি তুলছেন। বার বার ঘটনাটার কথা সবাইকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন। এর মানে হল, ব্যাপারটাতে আপনি ভীষন মজা পেয়েছেন। আর আপনি চাচ্ছেনই ভুলে যাওয়া কাসুন্দি বার বার ঘেটেঁ আমাদের বন্ধুত্বের মধ্যে ফাটল ধরাতে। নিজে নিলর্জ্জের মত আউলার পোস্টে গিয়েও লালা ফেলে এসেছেন। আপনার এই ঘৃন্য মানসিকতাকে পরিবর্তন না করতে পারলে ছেলের বয়সীদের হাতে আপনার আরো অপমানিত হবার আশংকা রয়েছে। যুবক বয়সের খায়েশ বুড়ো বয়সে মেটাচ্ছেন! নিজের মেয়েসম কোমলমতি নারীদের পোস্টে গিয়ে অযথা তেলতেলে কমেন্ট করেন! আপনি কি ভাবেন না যে আপনার কমেন্টা অন্য কোন ব্লগারেরও চোখে পড়তে পারে? শেষ বয়সে এসে প্রকাশ্য দিবালোকে যে এরকম লইচ্চামি করা যায়, আপনাকে না দেখলে সেটা বিশ্বাস করাই কঠিন হত। চক্ষু লজ্জা বলে কি কোন জিনিস আপনার নাই? আশ্চর্য!
--আপনার উত্থাপিত চতুর্থ অভিযোগের জবাব-
ওহ্ আচ্ছা! আপনি নোংরামী করলে সেটা ফান হয় আর আমি কারো সাথে ভদ্রভাবে কথা বললেও সেটা নোংরামী হয়। কি অদ্ভুত বিচার আর বিবেচনা আপনার। আউলার পোষ্টে আমার মন্তব্য যদি “লাল” ফেলা হয় তবে অন্যদের ব্লগে আপনার করা মন্তব্য কি ফেলা হয়? জানতে পারি কী? আমির বেলায় লোল আর আপনার বেলায় ঝোল। তাইনা!
আমি ব্লগিং করি। ব্লগিং করতে কী বয়সের “বার” আছে নাকি? আপনি এখানে পাত্রী খুৎজে পেতে পারেন কারন আপনি ব্যাচেলর আমি পাত্রী খুঁজতে আসিনা। ব্লগ পড়তে, ব্লগে লিখতে ও বিভিন্ন লেখায় মন্তব্য করতে আসি এবং তা নারী পুরুষ নির্বিশেষে। নারী ব্লগারদের ব্লগেই আপনি আমার মন্তব্য দেখতে পান কারণ আপনি পুরুষ ব্লগাদের ব্লগ নিজেই কম পড়েন।
“লইচ্চামি” কাকে বলে জানতে পারি কী? মেয়েদের ব্লগে কমেন্ট করা যদি লুচ্চামি হয় তবে আপনি আমার চেয়েও বড় লুইচ্চা। কারণ মেয়েদের ব্লগেই আপনার মন্তব্য বেশী। আমার মন্তব্যের পরিসংখ্যান কিন্তু তা বলেনা। আপনি বলেছেন আমি নাকি প্রকাশ্য দিবালোকে লুচ্চামি করি। একটা কথা জেনে রাখেন, মানুষ লুচ্চামি করে আড়ালে আবডালে, রাতের আঁধারে। প্রকাশ্য দিবালোকে কেউ লুচ্চামি করেনা- মাতাল যে সে’ও সেটা জানে। আপনি করেন কিনা সেটা আমার জানা নেই, অন্যেরাও সেটা দেখতে পারবে না।
৫. পুরো ব্লগের কয়টা লোক আপনাকে পছন্দ করে? কয়জন যায় আপনার পোস্টে কমেন্ট করতে? সেটা নিয়ে কেউ কিছু বল্লেই সে খারাপ হয়ে যায়। নিজের ভীমরতি নিয়ে এভাবে আর কয়দিন বেহায়ার মত সাফাই গাইবেন? ছিঃ, আপনার না ঘরে ভাসির্টি পড়ুয়া ছেলে আছে? আপনার স্ক্রী না ঢাকা কলেজের শিক্ষিকা? থুহ! ভাবতেও ঘিন্না হয়। ব্লগের ব্যাপক সমালোচিত একজন রাজাকার কন্যাকে আবার নিজের পুত্রবধূও বানাতে চেয়েছেন! (তাইতো বলি, রাজাকার খেদাও আন্দলনের সময় নিজের ব্লগে গিয়ে মুরগীর মত বসে থাকেন কেন!)ধিক আপনাকে!!!! শত ধিক!!! মানুষ এতটা নিলর্জ্জ হয় কি করে? আপনার মত ব্লগার যেন পৃথিবীর কোন ব্লগে না জন্মায়, এই কামনা করি।
--আপনার উত্থাপিত পঞ্চম অভিযোগের জবাব-
আমার জনপ্রিয়তার যাচাই আমি কখনই করিনি। করার ইচ্ছেও নেই। আমি কোন সেলিব্রেটি ব্লগার নই। তবে আমার পোষ্টের হিট আর মন্তব্য এটাই নির্দেশ করে যে অনেকেই তা পড়ে। জ্বী জনাব, আমার ভাসির্টি পড়ুয়া ছেলে আছে, ঘরে প্রফেসর বউ আছে। তাতে কী আমি ব্লগিং করতে পারবোনা? লিখতে পারবোনা? আমি তো সাফাই গাইতে এখানে আসিনি ভাতিজা। আমার বউ-ছেলেরা আমার প্রতিটি বিষয় সম্পর্কে অবগত। কারণ আমি লুকিয়ে কিছু করিনা। করার প্রয়োজন পড়েনা। আর ব্লগের বাইরেও অনেক ব্লগারের সাথে আমার ঘনিষ্টতা আছে। তারা আমাকে খুব ভাল করেই জানে। আর জানে বলেই তাদের শ্রদ্ধাটুকু কখনই হারাইনি।
আর হ্যাঁ, সন্ধ্যাবাতি সম্পর্কে যেটা বলছেন সেখানেও মনগড়া ভ্রান্ত ধারণার বশবর্তী হয়েই বলেছেন। পুরোনো একটা পোষ্টে আমার দুই ছেলের ছবি দেখে সন্ধ্যাবাতি আর সারিয়া তাসনিম বলেছিল “দুজনে আপনার দুই ছেলেকে বুক করে রাখলাম”। সেই থেকে সন্ধ্যাবাতি আমাকে বলতো, “হইলেও হইতে পারে শশুর”। আমার মতো ব্লগার জন্মানোটাতো খোদার হাতে। আপনি রুখবেন কি করে?
৬. এ নিয়ে কখনোই কিছু বলতাম না। আজ আপনি আমাকে বাধ্য করলেন। আর "ইরাবতীর বুকে কেমন ঝড় তুলেছিলাম"- এটা চরম অশোভন একটা মন্তব্য। অবশ্য আপনার মত বোধহীন মানুষের সেটা বোঝার কথাও না। যাই হোক, এটার ব্যাপারে আমি আপনাকে এখনই কিছু বলব না। যা বলার সময়মত ইরাপুই বলবে!
--আপনার উত্থাপিত ষষ্ঠ অভিযোগের জবাব-
ইরাবতী’র বুকে কেমন ঝড় উঠতেই পারে। মানুষের বুকে ঝড় ওঠেনা। ইরাবতী একটা নদী সেটা ভুলে যাননি আশা করি। এই কথাটা আপনার ইরাপুকে “অনিক” নিকে মন্তব্য আকারেও বলেছিলাম। তিনি প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে ছিলেন।
অনিক বলেছেন: ইরাবতী'র শান্ত জলে ঢেউ তুলতে পারে এমন বাতাস আছে তাহলে! প্রলয়ঙ্করী ঝড়ে কোন নদীর জল শান্ত থাকে এমনটা ভাবিনা।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২৪
লেখক বলেছেন: Hahahaha.....The Most Surprizing Comment I've Ever Had!!!!!!! Thanks a looooooot!!!!!
৭. আপনার সমদ্ধে আমার অনেক উচুঁ ধারনা ছিল। কিন্তু ক্রমেই আপনার আসল চেহারা বেরিয়ে এসেছ। আয়নায় নিজের মুখ দেখেন। কালুদা, সবশেষে ছোট হয়ে একটা বড় কথা বলি, বয়স তো আর কম হলো না, এসব বাদ দিয়ে আখরাতের কথ একটু ভাবেন। মেয়েদের গায়ের উপর লোলামি বাদ দিয়ে আল্লাহ-খোদার নাম নেন। কেয়ামতের দিন আল্লাহ যদি আপনাকে ডেকে দুনিয়ার সমস্ত মেয়েদের সামনে জিজ্ঞেস করে, "হুমায়ূন বাদশাহ, তোমাকে বিরাট কাব্যপ্রতিভা দিয়েছিলাম, সেটা দিয়ে তুমি ঘরে বউ রেখেও বেগানা নারীর প্রেম-ভালোবাসা পেতে চেয়েছ? কেন?" তখন তাকেঁ কি উত্তর দেবেন সেটা বসে বসে ভাবুন। সময় কিন্তু বেশী নাই। আমার কমেন্টাকে বিদ্রুপ বা কটাক্ষ হিসেবে না নিয়ে জাস্ট একটা রিমাইনডিং হিসেবে নেন। কারন, আপনার সাথে আমার কোনরুপ তর্কে যাবার কোন ইচ্ছা নেই। আমার শেষ কথাগুলো ভেবে দেখবেন দয়াকরে। ধন্যবাদ।
--আপনার উত্থাপিত সপ্তম ও সর্বশেষ অভিযোগের জবাব-
আমার সম্বন্ধে আপনার কী ধারণা সেটা আমার জন্য কোন বড় কথা নয়। কারণ আমি জানি আর আমার ঈশ্বর জানেন আমি কেমন। আর জানেন আমার পরিবার। যারা আমাকে জন্ম থেকে দেখে আসছে। আর জানে আমার বন্ধু-বান্ধব, কলীগ আর যাদের সাথে ইমার নিত্য ওঠা-বসা। মাত্র কদিনের উপস্থিতিতে ভার্চুয়াল জগতের নিক-সর্বস্ব কালপুরুষকে আপনি আর কতটুকুইবা চিনবেন। কারণ আপনার সেই দেখার চোখ ইরাবতীর জলে ভেসে গেছে।
ধন্যবাদ প্রতুল বাবু। আমার জন্য কষ্ট করে এমন একটা লেখা দাঁড় করিয়েছেন। আর হ্যাঁ একটু আগেই দেখলাম ইরাবতীর বাঁধ ভেঙ্গে গেছে। চির স্রোতস্বীনি ইরাবতীর জল ফুলে ফেঁপে- ঘেন্না আর ধিক্কারের বন্যা বইয়ে দিচ্ছে। আর আমি আকাশের নক্ষত্র এক কালপুরুষ মর্ত্যের বুকে বয়ে চলা সেই ক্ষীণস্রোতা নদীর জলে আমার ছায়া দেখে প্রকম্পিত হচ্ছি। মনে হচ্ছে কেউ বুঝি সত্যিই আকাশটাকে ছুঁয়ে ফেললো।
ভাল থাকুন “বারুদ” পুরুষ প্রলয় হাসান ও “স্ফুলিং” নারী ইরাবতী। আপনাদের শ্রম বৃথা যাবে কিনা জানিনা- তবে কালপুরুষ আকাশ থেকে ধরণীতে নেমে আসবে, সেই সম্ভবনা খুবই কম। আর যদি কখনও কেয়ামত আসে তবে বলা যায়না টুপ করে একদিন খসে পড়তেও পারি। তবে নিজেকে ভীষণভাবে মানুষ বলেই ভাবি তাই হয়তো উপরওয়ালার কাছে যাওয়ার জন্য সবসময় প্রস্তুত হয়েই থাকি।
(দৃষ্টি আকর্ষণ- ব্লগার ইরাবতী)
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


