সবই তোমার জন্য
তোমার শরীরে নবান্নের ঘ্রাণ, চারপাশে ফসলের হাতছানি।
হেমন্তের করতল বেয়ে উচ্ছাস নেমে যায় শারদীয় সকালে।
উৎসবের পতাকা ওড়ে মসজিদের মিনারে, আমার প্রার্থনায়
জেঁকে বসো তুমি। জায়নামাজের প্রতিটি সেজদায় ছুঁয়ে যাই
তোমাকে। তোমার শরীরে পার্বণের উষ্ণতা-ভালবেসে পরম
নিশ্চিন্তে ঠাঁই নেয় বুনো হাঁসের দল। পালকে পালকে ছড়িয়ে
দেয় তোমার মমতার বাণী। হঠাৎ কখন যেন শকুনের নজর
পড়ে তোমার সোনালী ফসলে, হিংস্র নেকড়ে ঘোরে হাঁসের
মাংশের লোভে- গোপনে থাবা বসাতে চায় তোমার শরীরে।
শত্রুর উপস্থিতি টের পাই তোমার নিঃশ্বাসে। রাতের আঁধারে
কাস্তে শানাই শত্রু হননে; নিড়ানি আর লাঙ্গলের ফলা লুকিয়ে
রাখি খরের স্তুপে। কঠিন আঘাতে লোভের হাত গুঁড়িয়ে দেবো
চিরতরে, তোমার প্রতি লোলুপ দৃষ্টি যাদের তাদের মুখোশটা
টেনে ছিঁড়বোই- এমন প্রতীজ্ঞা নিয়ে বসে থাকি প্রতি রাতে।
নিশ্চিত নির্ভয়ে আজ বলতে পারি, পনের কোটি অতন্দ্র প্রহরীর
চোখ এড়িয়ে হাঁসের শরীর থেকে একটা পালকও খসবেনা আর,
গোলা থেকে সরবে না এক রত্তি ধান, নিশ্চিহ্ন ওরা হবেই হবে।
আমার নবান্ন, আমার উৎসব, আমার পতাকা-সবই তোমার জন্য।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

