আমার প্রিয় পোস্ট
- রূপকথার ভেতরেই শুধু - নাজনীন খলিল
- আমার ছেলের কথা বলছি শোনো - ভাঙ্গা পেন্সিল
- সেন্ট রিপ্সিমি - নম্রতা
- উড়ে যায় পাখি,ফেলে যায় পালক তার, একটা সাদা এবং একটা কালো - সুলতানা শিরীন সাজি
- ব্লগের প্রিয় কবিতা --বার। - বিলাল
- শত উদাসীন বেকার ঘুরে.....মহাকবি ঝরে পড়ে - হিমালয়৭৭৭
- গল্প - মাঠশালা
- জেগে ওঠো মানিব্যাগ - মেহরাব শাহরিয়ার
- দহনের স্মৃতি-কথা - নাজনীন খলিল
- কবির আত্মকথন ,কবিতার সুষম সাম্রাজ্য - ফকির ইলিয়াস
- প্রসঙ্গ: মেডিটেশনের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি - বিবর্তনবাদী
- ঘুম ভেঙ্গে গেলে - আন্দালীব
- স্মৃতি হন্তারক বৃস্টিতে থ্যাঁতলানো কয়েকজন আর উড়াল সেতু জুড়ে ধাবমান কদম - আকাশচুরি
- কালপুরুষ - আনমোনা
- নির্জলা হিপোক্রিসি - রুখসানা তাজীন
- আমার মৃত্যুগাথা . . . - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- ব্লগের কিছু প্রিয় কবিতা-নয় - বিলাল
- পৃথিবীতে সবচেয়ে দুর্বহ ভার, পিতার কাঁধে সন্তানের লাশ - রাসেল ( ........)
- ছবি চাই, ছবি। দিন না একটা ছবি। - রাগিব
- তোমার হর্ষজাত এ্যাবসার্ডিটির ভেতর - আন্দালীব
- আধুনিক কবিতার দ্বন্দ্বযাত্রা ও পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনা / আহমেদ ফিরোজ - ফকির ইলিয়াস
- আসুন, শাশ্বতের বাঁচার লড়াইয়ে সামিল হোই - আ-আল মামুন
- আমি যেদিন নিজের হাতে খুন হয়েছিলাম - আকাশচুরি
- নগ্নিকা এবং মনন ভূমে কাঠঠোকরার কেরামতি - আকাশচুরি
- কবিতা হোক সৃষ্টির প্রথম ধারণকৃত সংখ্যা / হাবীবুল্লাহ সিরাজী - ফকির ইলিয়াস
- ধোঁয়াটে রূপকথা (শেষ অংশ) - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- তারার ফুল (কল্পগল্প) - (অ)গাণিতিক
- সূর্য্যগন্ধি মেঘে একজোড়া গোল্ডফিশ - আকাশচুরি
- স্পর্শের বাইরে : ভালবাসার স্পর্শ কোথা পাই .... - আইরিন সুলতানা
- কবিতার সঙ্গে পথ হাঁটা / সৈকত হাবিব - ফকির ইলিয়াস
- বিবাহিত প্রেমের কবিতা - সরকার আমিন ১৯৬৭
- একদা এক প্রোগ্রামিং কন্টেস্টে!!! - যূঁথী
- একটি পংক্তির জন্য - প্রণব আচার্য
- "এক বিকেলের হাত ধরে---" / চিটি - চিটি (হামিদা আখতার)
- ফ্যাক্ট আর ফিকশনের গল্প, সাথে একটি মোরাল,সারা জীবন মনে রাখার মতো।/বিহংগ - বিহংগ
- জন্ম অবিশ্রান্ত মৃত্যুর মৈথুন - সাখাওয়াৎ
- কবিতা : পাখি বিষয়ে যৎসামান্য আরেকবার - অভিজিৎ
- আজ কি আমার বিকেলগুলো, অন্য কারো? - সুনীল সমুদ্র
- বিবর্ণ দুপুর - রোডায়া
- যে রাতটি আমার নির্ঘুম কাটে - সামী মিয়াদাদ
- কেন লিখিনা - সামী মিয়াদাদ
- । । বাবা ও তাঁর নি:শ্বাস এবং 'বু জি'র জন্য এলিজি । । - হাসান মোরশেদ
- বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর.............. - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ভালোবাসার এপাশ ওপাশ - আনোয়ার সাদাত শিমুল
- প্রথম সবকিছু - রোডায়া
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- এলিজি ফর দি মোস্ট বিউটিফুল লেডি - প্রজাপতি
- আজ তোমার মেঘে মেঘে রংধনু- - কনফুসিয়াস
- কালপুরুষ: ব্যাপারটা দু:খজনক। - কনফুসিয়াস
- ভালবাসা চিরকালের - কালপুরুষ
- বার্ধক্য - উধাও ভাবুক
- বৃষ্টিতে - সুলতানা শিরীন সাজি
- সো দেসকা-দের দেশে-১ (সারমেয় কাহিনী) - রুখসানা তাজীন
- দুটি সংলাপের একটি কল্পচিত্র - কাল্বেলা
- কি হও তুমি ওর? - কাল্বেলা
- বিহংগের বয়কট - বিহংগ
- জীবন্ত ক্যানভাস(মুনিয়া) - মুনিয়া
- চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়.... - আব্দুন নূর তুষার
- একা - সুলতানা শিরীন সাজি
- কবিতা সমগ্র : উৎসর্গ নীলাঞ্জনা - অমি রহমান পিয়াল
- জীবনের প্রয়োজনে জীবন যেখানে পরাজিত।(চতুরভূজ) - চতুরভূজ
- কামসূত্র কামশাস্ত্রমাত্র নয়, বরং কর্মশাস্ত্র - মুজিব মেহদী
- আমি সর্বদা একদিকে কাত হয়ে হেলে থাকি
- সামী মিয়াদাদ
- আমার হৃদয় কবিতা লিখে না - নীলকণ্ঠ
- বৃস্টিতে - সুলতানা শিরীন সাজি
- উৎসর্গঃ কালপুরুষ - মাধবী
- ......এবং আমার নারীত্ব - সাতিয়া মুনতাহা নিশা
- চলো, ডুব দিয়ে ছুঁই - মাছরাঙ্গা
- মা'য়ের চোখে প্রাপ্তি - কালপুরুষ
- তার জন্য - জিহাদ
- জীবনপাঠ - মুজিব মেহদী
- কবিতার শিল্প (পল ভ্যারলেইন) - নাজিম উদদীন
- রাহেলার মায়ায় জামসিং'র টেউটিতে - ফয়সল নোই
- কবির প্রয়োজনীয় হয়ে ওঠা - মুজিব মেহদী
- তিমির হননের গল্প/বিহংগ। উতসর্গঃপিতৃস্নেহ বঞ্চিত শিশুদের। - বিহংগ
- শেষ অশ্রু - বিহংগ
- মাসুদ খানের গোধূলিব্যঞ্জন - মুজিব মেহদী
- এক সানকির ইয়ার - শিলা
- লোপার গন্তব্য ও তার সঙ্গে না-হওয়া বোঝাপড়া - মুহম্মদ জুবায়ের
- জন লেননের সোচ্চার ভালবাসা আর বব ডিলনের অভিমান ( চতুরভূজ) - চতুরভূজ
- গুগল কথন - ১ : প্রযুক্তির প্রাণকেন্দ্রে বসবাস - রাগিব
- বিদায় আফ্রিকা,বিদায় কংগো,বিদায় কালো মানুষদের দেশ । - আশিক হাসান
- সব বাবারা দেখতে এক রকম! - মানবী
- অভিনয় (-নীলাভ আমিন) - নীলাভ
- তুমি আমার স্বপ্ন হাজার... - মানবী
- শিশির - বকলম
- ব্যক্তিগত রুপকথা:'তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে'(শেষ পর্ব) - চামেলী হাতে নিম্নমানের মানুষ
- আমরা ভালো আছি - রাসেল ( ........)
- ছাদের কার্ণিশে কাক - আনোয়ার সাদাত শিমুল
- ব্যবধানে ব্যবধান - এহেছান লেনিন
- আমার কোনদিন দুধ চা খাওয়া হবেনা - নজমুল আলবাব
- খসে পড়া পেসমেকার - বৃশ্চিক
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- ক্যান্ডেল ইন দ্যা উইন্ড... - মানবী
ছায়াজীবি
২২ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১:০৪
ছায়াজীবি
(আমার প্রিয় এক ব্লগারের লেখার সূত্র ধরে)
আলোর নীচে অন্ধকার, প্রদীপের নীচে তার স্পষ্ট আভাষ। আলোর সাথে ছায়ার চিরকাল নির্লিপ্ত বসবাস। আকাশের নীচে বিরাজমান নক্ষত্র, সূর্য, চন্দ্র-তার নীচে মেঘ, তারও নীচে বৃক্ষ, মাটি, পাহাড় আর সমুদ্র। দিনের আলোয় সবাই আলোকিত। নক্ষত্রগুলো শুধু অদৃশ্যমান। সূর্য ডুবলেই আঁধারের কালোছায়া- পৃথিবীর বুকে, সারা আকাশটা জুড়ে। আঁধার নেমে এলেই দূরের জ্বলজ্বলে নক্ষত্রগুলো আকাশের ছায়া থেকে বের হয়ে আসে। ক্রমশঃ উজ্জ্বল।
সূর্যকে আড়াল করে ভাসে মেঘ, মেঘের ছায়া লুটায় মাটির বুকে। মাটিতে শেকড় গেড়ে দাঁড়িয়ে থাকে যে বৃক্ষ, মেঘের ছায়ার নীচে তার'ও ছায়া পড়ে এই মাটির বুকে। জীবনের প্রয়োজনে কেউ দেয় আলো, কেউ দেয় ছায়া। গাছের জীবন আলো- সূর্য তার ভালবাসা; ফসলের জীবন বৃষ্টি- মেঘের কাছে গচ্ছিত সেই ভালবাসা, বৃষ্টি দেয় তা ভরিয়ে; মেঘকে ভালবাসে বাষ্প-তাই সমুদ্রের কাছে সে চিরঋণী। সমুদ্র, সূর্যের ভালবাসায় সদাই উন্মত্ত, উত্তাল- পৃথিবীর সব মোহনায় সেই উচ্ছাসের প্রকাশ।
একই আকাশের নীচে-তুমি, আমি, আমরা সবাই; সৃস্টির সকল কিছু। নিতান্তই ছায়াজীবি হয়ে বেঁচে আছি অদৃশ্য এক ভালবাসার টানে- শেকড় গেড়ে কিংবা শেকড়বিহীনভাবে- কখনো শুন্যে, কখনো মাটিতে। এই মাটির বুকে, ছায়াবৃক্ষের সন্ধানে আমরা কেবল জায়গা বদল করি। আপনা থেকেই বদলে যাই। জীবনের তাগিদে আর নিষ্ঠুর প্রয়োজনে আমরা ক্রমশই ছায়াজীবির খোলশ ছেড়ে পরজীবি হয়ে উঠি। মাটির বুকে লুকানো সুপ্ত রসের সন্ধানে শেকড় গ্রথিত হয় আরও গভীরে। মায়ার বাঁধন খুলে যায়, মাটির মমত্বে সৃষ্টি হয় নতুন কিছু। মাটির বুকে পড়ে থাকা সমান্তরাল ছায়া- শেকড় হয়ে সেঁধিয়ে যায় নরম মাটির বুকে। মাটি হয়ে ওঠে মানবী, মাটির শরীরেই জন্ম নেয় নিষ্পাপ মাটির সন্তান। ছায়াজীবি হয়ে ওঠে মায়ের কোলে।
লেখক বলেছেন: জ্বী, ভাল আছি। আলহামদুলিল্লাহ্। কবিতা লেখা হয়নি। লিখতে হবে আপনার কারণেই। আমার ব্লগে এসে হতাশ হয়ে ফিরে যাবেন সেটাতো আমি কখনোই চাইনা। সুতরাং ... বুঝতেই পারছেন। প্রেরণা যোগানোর জন্য অশেষ ধন্যবাদ।
আপনি কেমন আছেন? ভাল থাকুন। প্রার্থনা রইলো।
রুখসানা তাজীন বলেছেন:
কেন যে এত ভালো লাগলো বুঝলাম্না। প্রিয়তে
লেখক বলেছেন: তোর ভাল লেগেছে ভেবে গর্ব বোধ করছি। ভাল লাগানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
মানবী বলেছেন:
কালপুরুষ, ভালো থাকা দুবার পোস্ট হলে তাই অনেক ভালো আছেন বুঝতে পারছি সবসময় অনেক ভালো থাকুন এবং "প্রণমী তোমায়"এর মতো চমৎকার সব কবিতা লিখুন। শুভ কামনা রইলো। :-)
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
এটা কবিতার চেয়েও বলিষ্ঠ ।
লেখক বলেছেন: দুর্বলতম প্রচেষ্টায়, বলিষ্ঠতম সাফল্য। ধন্যবাদ।
ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন:
অসাধারণ হয়েছে ভাইয়া! আমি কবিতাটা লেখার সময় আপনার কিছু কথা কবিতাটায় বুঝাতে চেয়েছিলাম। জানিনা কতটুকু পেরেছি কিন্তু আপনার লেখাটা পড়ে সত্যি ভাল লাগলো। কবিতাটা আমার খুব প্রিয়। এত সুন্দর করে কথাগুলো বলার জন্য অনেএএএএক ধন্যবাদ !!! আবারো বলি সবাইকে কবিতাটা :হঠাৎ কেমন অবশ লাগে
ক্লান্ত বিবশ মনটা জাগে
দীর্ঘদিনের ঘুম শেষে-
রোষে উঠি গোপন রাগে।
ঘন-ঠান্ডা ফরাস নিচে
ঘুমগুলো সব ঘনিয়ে বাঁচে।
স্বপ্নগুলো হাল্কা কাঁপে-
বাইরের ঐ গরম আঁচে।
অস্থির সব চিন্তাগুলো-
লুকিয়ে থাকে আপন ছাঁচে।
প্রচন্ড সেই ঘুম শেষে
রাগটা জাগে আপন বেশে
ঘুমের দেশের স্বপ্নগুলো-
শিউড়ে ওঠে আত্মনাশে।
. . .আমি নরম বালুর ওপর নিখুঁত স্বপ্ন আঁকি,
কিন্তু হুরমার ঢেউয়ের তোড়ে তা এলোমেলো হয়ে যায়।
. . .আমি একটু রঙের খোঁজে দূর-দূরে চোখ রাখি,
কিন্তু চারপাশ ঢেকে আসে আবছা কালো ছায়ায় ||
অনেএএএক ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: তোর লেখাটা আমার খুব ভাল লেগেছিল। তোকে বলেছিলাম আমি কিছু লিখে রেখেছি। তোর ব্লগে মন্তব্য আকারে দেয়ার ইচ্ছে ছিল। পরে সেটা না করে লেখাটা পোস্ট আকারে দিয়ে দিলাম, সবার সাথে শেয়ার করার জন্য। ধন্যবাদটা তোর প্রাপ্য, তোর লেখার সূত্র ধরেই লেখা।
ভাল থাকিস। পরীক্ষা কেমন হচ্ছে জানাস। দোয়া রইলো।
কালপুরুষ'দা,
কি খবর , কেমন আছেন? অনেক অনেক দিন ব্লগে আসতে পারিনি। আপনাদের কত কত লেখা জমে গেছে। এত সব কখন যে পড়ি।
এই লেখাটা পড়লাম। আগেরমতই দারুন।
লেখক বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ্। ভাল আছি। আপনাকে দারুন মিস করি। অনেকদিন পর মনে করে এলেন ব্লগে খুব ভাল লাগলো। ব্যস্ততা কাটিয়ে আবারো আসুন নিয়মিত। আপনার লেখা মিস করি। ভাল থাকুন। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
সাতিয়া মুনতাহা নিশা বলেছেন:
দারুণ কালপুরুষ-দা দারুণ!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
মাজুল হাসান বলেছেন:
ছায়াবীথি নামের একটি গল্প আছে আবু তাহের সরফরাজের। শূন্যের গল্পকার, ভালই।শুভেচ্ছা।
উত্তরাধিকার বলেছেন:
কালপুরুষ দা,
মানব সভ্যতা আর তাবৎ প্রকৃতির বিশদ বর্ণণাটুকু এত্ত কম কথায় কেমন সহজে বলে গেলেন ......
আমি অপার বিস্ময় নিয়ে পড়ে গেলাম -
কয়েকবার পড়লাম । আর প্রতিবারেই মুগ্ধতা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে...।
আপনায় স্যালুট কালপুরুষ দা।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ। এমন মন্তব্য লেখার অনুপ্রেরণা যোগায়। মন ভরে গেল।
আসিফ আহমেদ বলেছেন:
আমার কেন যেন মনে হচ্ছে এটা লেখার পর আপনি অন্যরকম কোন আনন্দ পেয়েছেন। সব লেখাই কবির আনন্দ, কিন্তু কিছু বিশেষ তো থাকেই।আমি হলে অবশ্যই পেতাম।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: সব সৃষ্টির পেছনেই কিছু না কিছু আনন্দ থাকে। এটাতেও তার ব্যতিক্রম নেই। আপনার ভাবনা ও বোধ বেশ গভীর। ধন্যবাদ।
আন্দালীব বলেছেন:
মুক্তগদ্য....অনেক ভালোলাগা রইলো। আরো চলুক না! শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: চেষ্টা থাকবে অবশ্যই। ধন্যবাদ।
চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন:
অসাধারণ!! হয়েছে।প্রতিটি কথার পরতে পরতে ভালোলাগার ছোঁয়া মিশে আছে নিবিড় ভাবে।
ভালো থাকুন
শুভেচ্ছা থাকলো।
লেখক বলেছেন: তব প্রশংসায় বিগলিত এ চিত্ত মোর,
সদা সুরভিত পুষ্প পল্লবিত- প্রতিটি ভোর।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
কি ভালো যে লাগলো।এত সুন্দর গুছিয়ে লিখতে কোনদিনও কি পারবো।কিছু লিখতে বসলেই এলোমেলোতায় মিশে যাই।
খুব ভালো লাগলো" ছায়াজীবি"র অনুভবগুলো।
সুস্হ এবং সুন্দর থাকবেন এই প্রত্যাশায়।



















নতুন কবিতা পড়তে এসেছিলাম, কবিতা নেই।