আমার প্রিয় পোস্ট

"পসার বিকিয়ে চলি জগৎ ফুটপাতে, সন্ধ্যাকালে ফিরে আসি প্রিয়ার মালা হাতে"

আমার ছবি আঁকা (সংশোধিত পোস্ট)

২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫১

শেয়ার করুন:                   Facebook

আমার ছবি আঁকা (সংশোধিত)

ছোটবেলা থেকেই স্কেচ, জলরং, চিত্রকলা, পেইন্টিং, আলোকচিত্র ও হস্তশিল্পের প্রতি এক ধরণের আকর্ষণ অনুভব করতাম। আমার বাবা নিজেই একসময় তাঁর নিপূণ ও শৈল্পিক হাতে সৌখিনতার বশে বালিশ, চাদর, টেবিল ক্লথ ও রুমালে ফুল তুলতেন। দেখে অবাক হতাম! আমি ভিউ কার্ড, স্ট্যাম্প ও নানা ধরণের ছবি সংগ্রহ করতাম। স্কুল জীবনে নিজেই রঙ বেরঙের প্রচুর ঘুড়ি বানিয়ে উড়িয়েছি। নাহ্, কখনো চিত্রশিল্পী হবো এমন খেয়াল মাথায় একবারের জন্যেও আসেনি।

শিল্পকলার প্রতি আমার প্রচ্ছন্ন অনুরাগটা ছিল বরাবরের। রাজশাহীর বরেন্দ্র যাদুঘর ছিল বাসার কাছেই। অবসর সময়ে সুযোগ পেলেই সেখানে ঢুঁ মারতাম। প্রাচীন আমলে গড়া বিভিন্ন মূর্তি, পুরাকীর্তি, আর পাথর খোদাইয়ের নানা রকম শিল্পকর্ম দেখে অবাক হয়ে ভাবতাম- মানুষ কি না পারে! মনে হতো ইশ্ আমিও যদি অমন করে মূর্তি বানাতে পারতাম। এরপর শুরু হলো ধারালো সব যন্ত্রপাতি দিয়ে মোম আর সাবানের উপর খোদাই চর্চার কাজ। তৈরী করতাম গ্রীক দেব-দেবীর আদলে ছোট ছোট মূর্তি, পশু আর পাখী বানানোর কাজ।

মা আমার এই কাজে খুব উৎসাহ দিতেন আর বাবা দেখলেই বকতেন। বাবার ধারণা ছিলো মূর্তি বানানো গুনাহ্'র কাজ। তিনি মনে করতেন শিল্পীরা অভাবে দিন কাটায়। এসব করলে ভবিষ্যতে না খেয়ে মরতে হবে। তার চেয়েও বেশী ভাবতেন এই শখ মাথা চাড়া দিয়ে উঠলে পড়ালেখা লাটে উঠবে। বাবা ছিলেন ব্যবসায়ী মানুষ, হিসেব কষতেন সব কিছুতেই। অর্থনৈতিক ভাবনাটা ছিল অনেক স্বচ্ছ। তাইতো অধিক সন্তানের পরিবার সত্ত্বেও কখনো তাঁকে অভাবের মুখ দেখতে হয়নি। বরং অনেক স্বচ্ছলতার মধ্যে দিয়েই দিন কেটেছে। বাবার একদম পছন্দ নয় বলেই শিল্পী হবার ইচ্ছা বা বাসনা মনের মধ্যে কখনো বাসা বাঁধেনি।

আমার বাবার ছিল প্রেস ব্যবসা। সেই সাথে লাইব্রেরী আর ছিমছাম সুন্দর একটা স্টেশনারী শপ। রাজশাহী শহরের অন্যতম পুরোনো প্রেস (দি নিউ প্রেস) ও স্টেশনারী শপ ছিল আমাদেরটা। সেই কারণে ছোট বেলাতেই শ্যাবল্ হেয়ারের তুলি, জলরঙ, তেলরঙ, রঙ পেন্সিল, ক্রেয়ন স্টিক, চারকোল, ড্রইং ইংক এসব কোনকিছুর অভাব ছিলনা। চাইলেই পেয়ে যেতাম। স্কুলে ছবি আঁকায় পুরস্কার পেয়েছি কয়েকবার। বাবা মনে মনে বেশ খুশী হয়েছিলেন। আমার স্কুল জীবনের এক শিক্ষক ("কালাচাঁন" স্যার) বাবাকে একদিন ডেকে বলেছিলেন- "আপনার ছেলে যা করতে চায় করুক, ওকে কোন কিছুতে বাঁধা দেবেননা। ও ভবিষ্যতে ভালই করবে, আপনি কখনো ওকে নিয়ে চিন্তা করবেননা"। স্যারের কথা বাবা রেখেছিলেন। আঁকার অভ্যাসটা অনেকদিন পর্যন্ত চলেছিল। ভার্সিটিতে ঢোকার পর আঁকার ঝোঁকটা দমে গিয়েছিল। তারপর একসময় আঁকাটা ছেড়েই দিলাম। আজ বহুকাল সেই অভ্যাসটা আর খুঁজে পাইনি। এখন আর আঁকতে মন চায়না। পারিওনা আগের মতো।

ছবি আঁকার যাবতীয় কৌশল রপ্ত করেছিলাম ছোটবেলায়, স্কুলে পড়াকালীন সময়ে। আমার শৈশব কেটেছে নানীর বাড়ি, পুরোন ঢাকায়। ঢাকা যদিও তখন রিক্সার শহর হিসেবে পরিচিতি লাভ করেনি তথাপি অলিতে গলিতে তখন রিক্সার কারখানা গড়ে উঠেছিল। বিশেষত পুরান ঢাকায়। রিক্সার পেছনে টিনের সীটে নানা ধরণের ছবি আঁকা হতো। এছাড়াও টিপু সুলতান রোডে ছিল বেশকিছু সাইনবোর্ডের দোকান। পাশাপাশি ক্যানভাসে সিনেমার নানা দৃশ্য ও নায়ক নায়িকাদের ছবি আঁকানোর বেশ কিছু খুপরি ঘর। ঐ সব ঘরের সামনে এসে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকতাম। মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে তাকিয়ে ঐসব ছবি আঁকা দেখতাম। ছোট বড় বিভিন্ন বয়েসের শিল্পীরা (?) কেমন মনযোগ সহকারে ক্যানভাসে একের পর এক ছবি এঁকে যাচ্ছে। রং আর তুলির কী নিখুঁত টান, টানের পর টান।

ক্যানভাসের গায়ে সিনেমার পরিচিত ও জনপ্রিয় এক একজন নায়ক-নায়িকার বিভিন্ন পোজের ছবি। রঙের ছোঁয়ায় যেন এক একটা জীবন্ত মানুষের প্রতিচ্ছবি। অবাক হয়ে দেখতাম আর ভাবতাম, আহ্ এমন যদি আঁকতে পারতাম। ক্যানভাসের গায়ে গ্রাফ টেনে হুবহু এক একটা মানুষের প্রতিকৃতি এঁকে যাচ্ছে অনায়াসে। কোথাও এতটুকু অমিল বা গড়মিল নেই। আমার কাছে ওরা তখন নামকরা চিত্রশিল্পী। সুযোগ পেলে এবং প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা পেলে হয়তো এরাই একদিন এক একজন ভ্যান গগ, লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি, মাইকেল এঞ্জেলো, এস এম সুলতান কিংবা জয়নুল আবেদীন হয়ে যেতে পারতো। আমার কাছে ওরাই তখন বিখ্যাত শিল্পী আর ওদের আঁকা ছবিগুলোই সব শিল্পকর্মের নমুনা।

ছবি আঁকার ব্যপারে ওদের সেই সহজ ও সনাতন পদ্ধতি রপ্ত করা ছাড়া আমি নতুন করে তেমন কিছুই শিখিনি। কোন প্রতিষ্ঠানিক শিক্ষা বা কোন শিল্পীর কাছে চিত্রকলার নিয়ম কানুন বা কলা-কৌশল কখনো রপ্ত করিনি। মোট কথা ছবি আঁকার কোন নিয়মতান্ত্রক শিক্ষাই আমার ছিলনা। অথচ কি করে যেন ছবি আঁকার আগ্রহটা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিলো। প্রথমদিকে কোন ছবি দেখে ভাল লাগলেই সেটাকে নকল করার চেষ্টা করতাম এবং আঁকার পর সবাইকে দেখাতাম, সেটা কেমন হলো! আসল ছবির মতো হয়েছে কিনা! ফলে একসময় ছবি আঁকাটা ভালই রপ্ত করে ফেললাম। আর এই ছবি আঁকার অভ্যাস থাকার কারণেই প্র্যাকটিক্যাল ক্লাশে এবং বিভিন্ন এ্যাসাইনমেন্টে ছবি আঁকার বিষয় থাকলে আমি সেটাতে খুব ভাল করতাম। প্র্যাকটিক্যালে বরাবরই আমি সর্ব্বোচ্চ নম্বর পেতাম।

পোট্রেট আঁকার সখ আমার ছোটবেলা থেকই। আর সেগুলো আঁকতাম ছবি বা ফটোগ্রাফ দেখে। দিনের পর দিন আমি অনুরোধে, উপরোধে বিভিন্ন মানুষ ও আত্মীয়স্বজনের অনেক প্রতিকৃতি এঁকেছি। কোন পয়সার বিনিময়ে নয়। নিজের শখের বশে। পুরোন ঢাকার খুপরি ঘরের সেই সাইনবোর্ড আঁকার পদ্ধতি অনুসরণ করে। সেই পদ্ধতির প্রয়োগ ও কলাকৌশল ভালই রপ্ত করেছিলাম বলেই একদিন ভাল ছবি আঁকা শিখে গেলাম। রঙ ও তুলির ব্যাপারে আমার আগ্রহ তেমন ছিলনা। সাদা-কালোতে মন আটকে গেল। আর এটা সম্ভব ছিল শুধুমাত্র গ্রাফাইট পেন্সিল ব্যবহারের মাধ্যেমই। গ্রে-স্কেল সম্পর্কে বিশদ ধারণা পেয়েছি আরও পরে।

মূলতঃ H থেকে 2H, 3H; B থেকে 6B পর্যন্ত এইসব গ্রেডের পেন্সিল ছিল আমার ছবি আঁকার প্রধান মাধ্যম। জল ও তৈল রং-এ খুব কম ছবি এঁকেছি। চারকোল (কয়লা) ব্যবহার করেছি অনেক বড় ক্যানভাসে ছবি আঁকতে। আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত জাতীয় ভুগোল সম্মেলনে "কালচারাল জিওগ্রাফী" বিষয়ের উপর আদিম মানুষদের (নিয়ান্ডাথ্যাল) বেশ কিছু প্রতিকৃতি দর্শক সমাদৃত হয়েছিল। সেইসব ছবিতে পোষ্টার কালার ব্যবহার করেছি। পোষ্টার, ঈদকার্ড ও জন্মদিনের কার্ড বানানোর সময়ও পোস্টার কালার ব্যবহার করেছি। প্রতিকৃতি আঁকতে আমি মূলতঃ ফটোগ্রাফ ব্যবহার করতাম। পাসপোর্ট কিংবা B2 আকারের যে কোন ছবি। ফুল ফিগার ছবিও এঁকেছি। ছবির উপর পেন্সিলের হালকা দাগ টেনে বর্গ বা গ্রাফ এঁকে নিতাম। তারপর ড্রইং পেপার বা সাদা সীটের উপর একইভাবে পেন্সিলের হাল্কা দাগ টেনে হুবহু ঐ ছবির গ্রাফের আনুপাতিক হারে বড় মাপের গ্রাফ এঁকে নিতাম। তারপর ছবির বিভিন্ন উপকরণের প্রতিফলণ ঘটাতাম ড্রইং সিটের উপর পেনসিলের হালকা-গাঢ় শেড-এর মাধ্যমে। ছবি হতো সম্পূর্ণ সাদা-কালো।

এভাবেই শুরু। শুরুটা বেশীদূর পর্যন্ত এগোয়নি। কারণ ছবি আকাঁর চাইতে অন্যকিছু করার তাগিদটা জীবনে বেশী প্রয়োজন ছিল। যে কোন কারণেই হোক আমি কখনো শিল্পী হতে চাইনি। হবার কোন চেষ্টাও করিনি। শিল্পী হবার বাসনা আমার মনে কখনও জাগেনি। শিল্পী হতে গেলে যে আবেগ লাগে, একাগ্রতা লাগে, শিল্পীসুলভ মন লাগে, কল্পনাশক্তি লাগে, অনুভূতি লাগে, দূরদৃষ্টি লাগে এবং সর্বোপরি যেমন দেখার চোখ ও হাতের ছোঁয়া লাগে তা আমার ছিল না। ছবি আঁকতে পারা আর শিল্পী হওয়ার মধ্যে বিস্তর ফারাক। মজার ব্যপার হলো আমার আঁকা প্রতিকৃতি দেখে সবাই প্রশংসা করতো- বলতো আরে এতো দেখছি হুবহু ফটোগ্রাফ। তার কারণ ছবি নকল করার দক্ষতা ও ক্ষমতা দুটোই ভালভাবে রপ্ত করেছিলাম। সেই অর্জন ধরে রাখতে পারিনি। কলেজ জীবনেই তার ক্রমাবনতি। এক সময় পরিসমাপ্তি। নকল করে যুৎসই ছবি আকাঁ সম্ভব হলেও শিল্পী হওয়া সম্ভব নয়। সবাই শিল্পী হতে পারেনা। আমিও পারিনি।

 

 

  • ৫৯ টি মন্তব্য
  • ৪১২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২১ জনের ভাল লেগেছে, ৮ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৬
comment by: শফিকুল বলেছেন: চমৎকার।
২. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৬
comment by: আবু সালেহ বলেছেন:
অরজিনাল কপি.....
কপিপেস্ট আইনে ধরাইয়া দিমু..
৩. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৮
comment by: আইরিন সুলতানা বলেছেন:
এই ছবিটা কি পেন্সিল স্কেচ ! আসলেই ফটোগ্রাফের মতই ....কম্পিউটারের কাজের মতও বলা যায়...অনেক নিঁখুত...আর থ্রি-ডি টাইপ ইফেক্ট ...
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: জ্বী দিদিমনি। ধন্যবাদ।

৪. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৯
comment by: িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন:
আপ্নের নাম কি হুমায়ন বাদশা ???
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন: জ্বী (হুমায়ুন বাদশাহ্)।

৫. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০০
comment by: পারভেজ বলেছেন: লেখাটা খুহব ভাল লাগলো! পেন্সিলের সফটনেসটা সুন্দরভাবে আপনার ছবিতে উঠে এসেছে।
৬. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১৩
comment by: রুবেল শাহ বলেছেন: কোন দুই জন মাইনাস দিল...........

আমিও একটা আঁকছি.............. মনে আছে দাদা........... ?
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন: @রুবেল শাহ, হ্যাঁ অবশ্যই মনে আছে।

৭. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১৮
comment by: সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: অনেক ভালো লাগলো ছবি আঁকার পিছনের কাহিনী।
স্কেচ ও সুন্দর.......শুভেচ্ছা আপনাকে।

৮. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩০
comment by: পল্লী বাউল বলেছেন: সুন্দর, ভাই আমার একটা পোট্রেট এঁকে দেবেন প্লিজ........।
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: লেখাটা সম্পূর্ণ পড়েছেন নিশ্চয়ই। বহু বছর হলো ছবি আঁকা ছেড়ে দিয়েছি। তাই আমি ভীষণ দুঃখিত, আপনার অনুরোধ রক্ষা করতে পারছিনা।

৯. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৪
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন:


আপনাকে যতই জানচি ততই মুকধো হচ্চি দাদা...
১০. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২৫
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: সিম্পলি গ্রেট!
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:১২

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস্।

১১. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৪০
comment by: অচন্দ্রচেতন বলেছেন:
পুরানো দিনের হিন্দি সিনেমার হিরোদের মতো লাগতেছে। এইটা কি সেলফ পোট্রেট? জটিল হইছে কিন্তু।
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:১১

লেখক বলেছেন: জ্বী, সেলফ্ পোট্রেট।

১২. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৫৫
comment by: রাজর্ষী বলেছেন: কঠিন। আমি শিশুকালে আঁকতাম শিশুকালেই ছাইড়া দিসি।
১৩. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:০৬
comment by: বিডি আইডল বলেছেন: আমি আকতাম পারিনা
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:১৩

লেখক বলেছেন: অনেকেই পারেনা। এক সময় আমিও পারতাম না। ধীরে ধীরে শিখেছি।

১৪. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৪৭
comment by: এফ আই দীপু বলেছেন: সুন্দর হয়েছে দাদা। নিখুত কাজ।
১৫. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৫৭
comment by: কঁাকন বলেছেন: সুন্দর হয়েছে
১৬. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১২
comment by: আমি ও আমরা বলেছেন: দাদা আপনি সত্যি একজন কালপুরুষ, চিজ একখান। কত প্রতিভা আপনার, লোভ হয়।

ছবিতে পেন্সিলের টোন গুলো ডাইমেনশ্যান অনুযায়ী দারুন পরেছে।

১৭. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১০
comment by: অপ্‌সরা বলেছেন: নকল হোক আর যাই হোক আমি মুগ্ধ! আপনার মত আমিও অনেক অনেক ছবি আঁকার ট্রাই করেছি এই জীবনে।আসল নকল যাইহোক আমি কিন্তু আজো দমিনি।
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:২৯

লেখক বলেছেন: দমবেন কেন? আরও ভালভাবে চেষ্টা চালিয়ে যান। মানুষ সবই করে তার মনের আনন্দে, যদি পেটের ক্ষুধা নিবারণের পাকাপোক্ত ব্যবস্থা থাকে তবে শৈল্পিক কোন কর্মকান্ড পিছিয়ে না যাওয়াই ভাল। ক্ষুধা শুধু আপনাকে কষ্ট দেবে, কিন্তু আপনার শিল্প শুধু আপনাকে নয় অনেক মানুষকে আনন্দ দেবে। মানুষ তার কর্মের মধ্যই বেঁচে থাকে।

১৮. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৯
comment by: শেখ জলিল বলেছেন: মুগ্ধতা ছুঁয়ে গেলো...
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জলিল ভাই।

১৯. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৯
comment by: বদরুল খান বলেছেন: আপনার লেখাতো খুব সুন্দর আগে দেখেনি।

২০. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৪৮
comment by: উত্তরাধিকার বলেছেন:
একজন গুনী লোক বলেই এমন অবাক হয়ে যেতে হয়...।
আপনার কবিতা...
আপনার গদ্য...
আর আজ স্কেচ...

অনবদ্য কম্বিনেশন।
:)
অনেক সাধুবাদ জানাই।
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। এমন করে কেউ বললে লজ্জিত হই।

২১. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৩১
comment by: পথিক!!!!!!! বলেছেন: এত নিঁখুত ছবি আঁকেন..বসে আছেন কেন..চালায়ে যান....
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৪৫

লেখক বলেছেন: চোখে এখন বেশী পাওয়ারের লেন্স ব্যবহার করছি যা একসময়ে এই নিঁখুত কাজের পুরস্কার(!)। এখন আর সেই চোখের জ্যেতি নেই যা ছবিকে নিঁখুত করতে সাহায্য করবে। ম্যাপিং ও কার্টোগ্রাফিক এক্সপার্ট হিসেবে দীর্ঘকাল কাজ করার সুবাদে চোখের উপর অনেক প্রেসার গেছে আর এখন কম্পিউটার মনিটরের সামনে দীর্ঘ সময় বসে থাকায় এখন কাছের জিনিষ দেখতে ভীষণ অসুবিধা হয়। তাই ছবি আঁকতে আগ্রহ হয়না।

২২. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:১৮
comment by: চাচামিঞা বলেছেন: ওয়ান এলেভেন নিয়ে একটা কার্টুনের কন্সেপ্ট মাথা আছে, কিন্তু আকতে পারি না, আপনাকে কন্সেপ্ট টা বললে একে দিবেন?
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৯

লেখক বলেছেন: আমি কার্টুন কখনো আঁকিনি, চেষ্টাও করিনি। মূলতঃ আমি ছবি দেখে দেখে ছবি আঁকতাম। একে একরকম নকল করাই বলতে পারেন। আপনি বরং কোন কার্টুনিষ্টকে বলে দেখতেপারেন। আপনার অনুরোধ রাখতে পারলাম বলে দুঃখিত।

২৩. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১৩
comment by: মাসুদ রানা* বলেছেন: দেশীচ্যাট রুমের কালপুরুষ ভাই নাকি।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২২

লেখক বলেছেন: আরে!! তুমি কী সেই মাসুদ রানা?? জ্বী, আমি সেই কালপুরুষ। অধরা, তুমি আর আমি মিলে সেই যে ছড়া লেখালিখি..... ঐ দিনগুলোর কথা মনে আছে নাকি? অনেকদিন হলো আর দেশীচ্যাট-এ যাওয়া হয়না। কেমন আছো তুমি? স্বাগতম এই ব্লগ ভূবনে। ভাল থেকো।

২৪. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:১১
comment by: মাসুদ রানা* বলেছেন: আমি যা ভাবছি তাই। অনেক দিন পর আপনাকে পেলাম। অধরা এখানে থাকলে ভালো হতো। খুব মিস করি আপনাদের।
২৫. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৫৬
comment by: চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন: কেমন আছেন দাদা?? চমৎকার আকিঁয়ে!!!!!!!!

ভালো থাকুন সবসময়।
২৬. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:১২
comment by: যীশূ বলেছেন: আপনি তো দারুন আঁকেন!
২৭. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৩৯
comment by: শুকলা দাস বলেছেন: দারুন হয়েছে কালপুরুষ দা।
২৮. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:০৭
comment by: অন্তিম বলেছেন: এককথায় অসাধারন।++++

দাদা এই ভেবে কষ্ট পাচ্ছি যে আপনি কবিতা ছেড়ে এসব করছেন:)
এমনভাবে চললে তো আর আমাদের কবিতা পড়া হবে না:)

ভাল থাকবেন।
২৯. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:০৫
comment by: রুবেল শাহ বলেছেন: রমযান মোবারক.........

৩০. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫৬
comment by: মাসুদ রানা* বলেছেন: কালপুরুষ ভাই, আমাদের জন্যে কয়েকটা কবিতা লিখুন।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: সময় করে লিখবো। তোমার ব্লগ ঘুরে এলাম। ভালই লিখেছো। আরো কিছু বাকি আছে, পড়বো।

৩১. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৩
comment by: মাসুদ রানা* বলেছেন: নতুন এখানে। লেখা আসলে শুরু করিনি। অধরা থাকলে ৩ জন এখানেও মজা করতে পারতাম।
৩২. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৩
comment by: জিগ স বলেছেন: ছবিটা কার? এমন বোকা বোকা চুলের কাটিং কেন? কোন আমলের? রাজ্জাক-কবরী আমলের হইলে ঠিকই আছে...ছবির নিচে আবার হুমায়ুন কদনাংক না কি জানি লেকসেন...হেইয়া কেইয়া?
৩৩. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:২৪
comment by: কালপুরুষ বলেছেন: ছবিটা কার?
- জ্বী, আমার।

এমন বোকা বোকা চুলের কাটিং কেন?
- জ্বী, তখন বোকা আছিলাম।

কোন আমলের? রাজ্জাক-কবরী আমলের হইলে ঠিকই আছে।
-অনুমান সঠিক।

ছবির নিচে আবার হুমায়ুন কদনাংক না কি জানি লেকসেন...হেইয়া কেইয়া?

- হেইয়া মোর দস্তখত, দস্তখতের পদাংক অনুসরণ করবার পারেন নাই। ৪ নং মন্তব্যে জবাব পাইবেন।
৩৪. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৮
comment by: আন্দালীব বলেছেন: আমি তো থ!!

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: হে কবিবর, আপনার কবিতা পড়ে আমিও তেমনি "থ" বনে যাই।

৩৫. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০০
comment by: চন্দন বলেছেন: বাদশা ভাই আপনি যে ছবিও আকেন জানতাম না :)
৩৬. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৪০
comment by: ফেরারী পাখি বলেছেন: আপনার আঁকা ছবিটা ভালো হয়েছে, তার চেয়ে ভালো হয়েছে ছবি আঁকার পেছনের পটভূমি। আর আমার তার চেয়ে ভালো লেগেছে রাজশাহীর কথা শুনে।
আমার অনেক পুরোরনা স্মৃতি মনে পড়ে গেল। আমার জীবনের একটা বিশেষ সময় কেটেছে রাজশাহীতে।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: রাজশাহীর কোথায় ছিলেন? আমি রাজশাহী ছেড়েছি অনেক আগে। এখন শুধু ঈদে কিংবা বিশেষ কোন উপলক্ষ হলেই যাওয়া হয়। রাজশাহীতে আপনি ছিলেন জেনে ভাল লাগলো। ভাল থাকুন।

৩৭. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৯
comment by: মাছরাঙ্গা বলেছেন: এবার আমার হিংসে হচ্ছে। আপনি আঁকতে জানেন !
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:০২

লেখক বলেছেন: ইশ।। তাহলে একোটা কাল আমি অবিশ্বাসের তালিকায় ছিলাম! যাই হোক আমার ব্লগ ডালে মাছরাঙ্গা পাখী? কি আশ্চার্য! এখন বিশ্বাস করতে পারো, মাছরাঙ্গাকে আমি কখনই আঁকতে পারবোনা। কারণ অমন রঙের ভান্ডার আমার নেই। এখন আর সেই চোখ আর দৃষ্টি নেই, নেই সেই নমনীয় আঙ্গুল। এখন চোখে ছানি পড়েছে, আঙ্গুল বুড়িয়ে গ্যাছে, আঁকতে চাইলেও পারবোনা।

৩৮. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৫৬
comment by: ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: শিল্পীকথন ভালো লেগেছে...কার্টুন টাইপ ছবি কখনো ট্রাই করছেন?? আমার ওইগুলা খুব ভালো লাগে...পেন্সিল আর্ট, কিন্তু হুবহু ফটোগ্রাফের নকল না...একটু অন্যরকম থাকে।
৩৯. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:২২
comment by: শিবলী বলেছেন: অ অ অ

ভাষা হারিয়ে গেছে, কালপুরুষ দা !
৪০. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৪৪
comment by: নিহন বলেছেন: কখনো যদি এমন আঁকতে পারি ,তবেই নিজেকে আঁকিয়ে বলবো ।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪২

লেখক বলেছেন: তুমি এমনিতেই ভাল আঁকিয়ে।

 



 


জন্মঃ নারিন্দা, ঢাকা।

পেশাঃ নগর গবেষক।

শখঃ আড্ডা, বিতর্ক, লেখালেখি, ফটোগ্রাফী, রান্না, বই পড়া, গান শোনা ও ছবি আঁকা। এক সময় রাশিফল...