যুগলবন্দী
ছেলেটি- ডানপিটে, দুরন্ত।
মেয়েটি- পরিপাটি, শান্ত।
ছেলেটি- কথার ফানুস ওড়ায়।
মেয়েটি- আনমনে ঝিনুক কুড়ায়।
ছেলেটি- কাঁকড়ার পেছনে দৌড়ায়।
মেয়েটি- সাগর জলে পা ভেজায়।
ছেলেটি- ডাকে তাকে ইশারায়।
মেয়েটি- অভিমানে মুখ ফেরায়।
ছেলেটি- সিগারেট ঠোঁটে ধরায়।
মেয়েটি- কাঁপে অজানা শঙ্কায়।
ছেলেটি- পাড়ার মাস্তান ছিল।
মেয়েটি- না বুঝেই মন দিল।
ছেলেটি- বলে, চলো পালিয়ে বিয়ে করি।
মেয়েটি- বলে, অসম্ভব তোমার পায়ে পড়ি।
ছেলেটি- কাল ঠিক বিকেলে দুজন পালাবো।
মেয়েটি- বাসায় আমি কী বলে বের হবো?
ছেলেটি- চিঠিতে লিখবে, আমি বিয়ে করেছি।
মেয়েটি- এই সেরেছে, তাহলেই মরেছি।
ছেলেটি- আর কতকাল ঝি’গিরি করবে ঐ সংসারে?
মেয়েটি- অভাবের সংসারে মেয়েদের কী বয়স বাড়ে?
ছেলেটি- বিয়ে করবে কিনা বলো?
মেয়েটি- তোমার কথা কী শেষ হলো?
ছেলেটি- হ্যাঁ, এটাই আমার শেষ কথা- দুজনে পালাবো।
মেয়েটি- ঠিক আছে, মানলাম। তা কোথায় যাবো?
ছেলেটি- কক্স’স বাজার নয়তো কুয়াকাটা, তুমিই বলো।
মেয়েটি- সাগর দেখার শখ আমারো, বেশতো চলো।
ছেলেটি- তাহলে ঠিক সময়ে চলে এসো ডার্লিং।
মেয়েটি- তার আগে কাজী অফিস, এনো কিন্তু বিয়ের রিং।
ছেলেটি- আহ্ কি মজা, সাগর কূলে হবে আমাদের হানিমুন।
মেয়েটি- হুম্! এক মাস্তানের হাতে এই নারী হৃদয় হলো খুন।
ছেলেটি- কী হলো তোমার? এতো আনমনা হয়ে কী ভাবছো বলোতো?
মেয়েটি- কাউকে না জানিয়ে এভাবে পালিয়ে এলাম, এই সুখ সইবেতো!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


