আমার প্রিয় পোস্ট
- পুষ্পের গন্ধপাপ.... - মাহী ফ্লোরা
- ফিরে দেখা ২০১০ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- ডায়াবেটিস সম্পর্কে জানুন - ডা. এ.বি.এম. কামরুল হাসান রাঙা
- তুমিহীন একটি কবিতা - চতুষ্কোণ
- চীনের শেনচেন গিয়ে পৃথিবী দেখুন(Window of the World) - জুল ভার্ন
- চায়না থেকে ফিরেঃ ওর্য়াল্ড এক্সপো সাংহাই-২০১০(২য় র্পব) - জুল ভার্ন
- সেদিন আড্ডায় গিয়েছিনু যারা
- আবদুল্লাহ আল মনসুর
- মৌমাছি—বিস্ময়কর এক ভেক্টর গণিতবিদ ! - ম্যাভেরিক
- কে কে মনিটর কিনতে চান? - জর্জিস
- ঈশ্বরের হনন ও কতিপয় অন্ধ ও বধির গুটিপোকা - নৈশচারী
- পিৎজ্জা সমাচার - আরিয়ানা
- ডিজিটাল ক্যামেরা ও ফটোগ্রাফি বিষয়ক পোস্টগুলোর সংকলন - টি. জাহান চৌধুরী
- একজন আইটি ব্যক্তিত্ব এবং তাঁর তৈরী করা শেয়ারের একটি চমৎকার সাইট - সুনীল সমুদ্র
- ব্লগের কবিতা : সাময়িক দৃষ্টিপাত - রোদেলা খাতুন
- ডিজিটাল ক্যামেরা টিউটোরিয়াল (বেসিক) - জোবাইর
- আমার করা চারটা পিডিএফ ই-বুক
- ~স্বপ্নজয়~
- গন্ধটা বড় জ্বালাচ্ছে.... - দুরণ্ত সাহস
- (গল্প) জীবন ও জলুস্তির চক্র - ম্যাভেরিক
- আলীন উড়াল - শিরীষ
- কিভাবে Word ফাইলকে PDF এ কনভার্ট করবেন? - আলোকিত পৃথিবী
- স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস না ভ্যালেন্টাইনস ডে? - দিবস বাণিজ্যে বিবশ তারুণ্য ! - দিনমজুর
- লিওনার্দো দা ভিঞ্চি - নাহিদ মাহমুদ
- রাতের ছবি (নাইট ফটোগ্রাফি) - নুভান
- ধেয়ে আসছে প্রকৃতির প্রতিশোধের ভয়ংকর ড্রাগন! জলে-স্থলে-অন্তরীক্ষে কোথাও বাঁচার পথ নেই!! - মনজুরুল হক
- একাত্তরে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ - একরামুল হক শামীম
- প্রত্নতাত্ত্বিকের দিনলিপি: আফ্রিকার গণিত, আফ্রিকার স্বাধীনতা - ম্যাভেরিক
- প্রিয় প্রেমের কবিতারা...প্রথম কিস্তি - বাবর মোহাম্মদ
- আমার কিছু কাজ – আমার দেশের নাম রাখবার জন্য !!!! - আরিয়ানা
- সভ্য বিশ্বের নতুন ডাম্পিং গ্রেভইয়ার্ড-চট্টগ্রামের ভাটিয়ারি > জাহাজভাঙ্গার ভাগাড়ে মানুষ আর প্রকৃতির নিদারুন বিপর্যয় > দ্বিতীয় পর্ব। - মনজুরুল হক
- আজ বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস - নেহাল হাসনাইন সার্জা
- পরাজয় সরণী - মেহবুবা
- আয়না ও শীত বিষয়ক কবিতাগুচ্ছ - আমি ও আমরা
- উচ্চবিত্তের সংসার (প্রত্যুত্তর কবিতা) - নাফিস ইফতেখার
- মধ্যপ্রাচ্যের প্রাচীন ইতিহাস: এশিরিয় সভ্যতা - ইমন জুবায়ের
- লাউয়ের প্রতি ভালবাসা - কালপুরুষ
- তুমিই তবে জোনাকের ফুল - ভাঙ্গন
- বাংলা বানানের প্রায়োগিক কিছু ভুল: প্রয়োজন সাধারণ সতর্কতা - আলাউল হোসেন
- প্রযুক্তির ক্ষেত্রে কিছু ভুল ধারণা
- ইন্ঞ্জিনিয়ার
- পাবলো নেরুদা: একজন কবির জীবন ... - ইমন জুবায়ের
- ক্যামেরা কিনবেন কে কে ? - নক্ষত্রের কান্না
- অতঃপর আড্ডা নিয়ে একটি পদ্য... - সুনীল সমুদ্র
- আড্ডাতে পাত্তা না পাইয়া আড্ডা পরবর্তী সর্বশেষ ব্লগ পোস্ট (এটার পরে আড্ডা নিয়ে আর কোন পোস্ট লেখা নিষেধ
) - অন্ধ দাঁড়কাক
- ছবিই সব কথা বলে আড্ডার - আরিয়ানা
- রবীন্দ্র সরোবরে বৃষ্টিভেজা ব্লগাড্ডা - একরামুল হক শামীম
- ২ অক্টোবরের ব্লগ আড্ডা সংকলন - গোয়েবলস
- রবীন্দ্র সরোবরের সেই আড্ডাটা ...... - ক্যামেরাম্যান
- বলক কি, ইহা কেমনে হয়, একটি অনুসন্ধানী চিত্র প্রতিবেদন - অন্যমনস্ক শরৎ
- প্রতিদিনই নতুন, নতুন / রহমান হেনরী - পোয়েট ট্রি
- কবি মঞ্জু রহমান লেবু'র কবিতা - সৈয়দ আফসার__১৯৭৯
- কাঠঠোকরার চঞ্চু - সেলিনা শিরীন শিকদার
- বিশাল ব্লগীয় আড্ডা !! এই নিয়ে আমার ১০০ তম পোস্ট




- আকাশ_পাগলা
- জন লেনন-এর সেই গান - ইমন জুবায়ের
- সভ্য বিশ্বের নতুন ডাম্পিং গ্রেভইয়ার্ড-চট্টগ্রামের ভাটিয়ারি > জাহাজভাঙ্গার ভাগাড়ে মানুষ আর প্রকৃতির নিদারুন বিপর্যয়!! - মনজুরুল হক
- দ্বিচারিনী একজন......[শেষ পর্ব] - ত্রেয়া
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- ছোটগল্প : আমার মৃত্যু পরবর্তী চিঠি - আবদুর রাজ্জাক শিপন
বৌ এর চেহারা দেইখা নাকি আমার বন্ধু বারবার কনফিউজড হয়ে যায়
- অনন্ত দিগন্ত
- মুক্তগদ্য: বৃষ্টিতে ভেজার লজ্জা এবং গাছটির নাম রাত্রি নয়-- গায়ত্রী - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- রবীন্দ্রনাথ ও আনা আখমাটোভা - ইমন জুবায়ের
- ঘোড়াগুলো - তমিজ উদ্দীন লোদী
- বৃষ্টি, বৃষ রাশির বালিকাটি - সৈয়দ আফসার__১৯৭৯
- ছুঁয়ে থেকো -- Keep in touch - সহেলী
- ঐ নতুনের কেতন উড়ে.....!!! - মানবী
- বিবেক ও আমি (রম্য আলাপচারিতা) - কালপুরুষ
- ব্লগ পরিবারে একটি বছর - অপ্সরা
- দৈবের বশে, প্রবাসে - সৈয়দ আফসার__১৯৭৯
- সেলিব্রিটি সিনড্রোম - ফারহান দাউদ
- সামহোয়্যারইন ব্লগে আমার তিনটি বছর - সাঈফ শেরিফ
- সরল-গদ্য : ব্লগের বিভিন্ন মন্তব্য ও রচনার পাঠক্রিয়া - ইমন সরওয়ার
- কবিতারা…….. - শওকত হোসেন মাসুম
- বেলাশেষের রক্তজবা - নম্রতা
- হারিয়ে খুজি তোমায় - রাফাত আফরিন
- বরষা বন্দনা - ফেরারী পাখি
- অনঙ্গ সারঙ্গী - হারুন আল নাসিফ
- গল্প: ঝাঁপতাল - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- কালপুরুষদায়ের জন্মদিন - সৌম্য
- আমার নাম অসুখ - প্রবর রিপন
- কেন এমন হয়!-২ - জুল ভার্ন
- প্রধানমন্ত্রী কি রেড হেরিং খেললেন নাকি? আমরা হাইকোর্ট চিনিনা!! - জ্বিনের বাদশা
- সামু আড্ডা: কানা কাউয়ার দৃষ্টিতে (!) (অন্যদের আফসুস করানোর জন্য একটি পোষ্ট
) - অন্ধ দাঁড়কাক
- গুলশান নয় বনানীতে কালপুরুষ দার বাড়ীর ছাদের আড্ডা........ - শ্রাবনসন্ধ্যা
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- চিঠি ........... - ফেরারী পথিক
- কৌতূহল: প্রিয় ব্লগারদের প্রথম লিখিত পোস্টটি কী রকম ছিল...! - ভাঙ্গন
- উন্নয়ন-পরিকল্পনা যদি হয় শুধুমাত্র বাণিজ্যিক বিবেচনায়, তাহলে তা এই শহর ও শহরের প্রতিটি মানুষকে পণ্য বানাবে। - সৈয়দ সাইফুল আলম শোভন
- মুভি রিভিউ :: অশ্রুর বাঁধ ভেঙে দেয়া ১৩ টি সিনেমা - মেহরাব শাহরিয়ার
- ১২ রাশীর সুতিকাহন - অপ্রিয় সত্য
- আমরাই বিশ্বের শ্রেষ্ঠ টি-টোয়েন্টি দল :: এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে উল্লসিত জুনায়েদ সিদ্দিকী - মেহরাব শাহরিয়ার
- সময় যখন অসময় - মুনিয়া
- নজরুল সঙ্গীতের কিছু ভালোলাগার কলি ও জীবনের কিছু চাওয়া পাওয়া - অপ্সরা
- আমার প্রিয় রবীন্দ্রসঙ্গীতের অ আ ক খ - অপ্সরা
- কবিতা সময়ের পাঠ নাকি সময়কে পাঠ করা? - সৈয়দ আফসার__১৯৭৯
- টিপাইমুখ বাধ প্রসংগে: চাই সংগ্রামের আন্ত:সংযোগ - দিনমজুর
- টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা । - ইমন১৯২৪
- সূচীপত্র - মা দিবসের (২০০৯) জন্যে লিখা সকল ব্লগের লিঙ্ক - ~স্বপ্নজয়~
- রাধিকাবাতাসে ভাসে যক্ষারেণু - নম্রতা
- রাগের নাম: ইমন - ইমন জুবায়ের
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৩৪ (দোতলার ল্যন্ডিং,মুখোমুখি দু'জন--আহসান হাবীব)] - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ইদানিং তোমার চেয়ে তোমার চুলের ব্যান্ডটাকেই বেশি প্রিয় মনে হয় - পুনর্নভা মৌ
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- সে এক পাথর আছে কেবলি লাবণ্য ধরে... - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ভার্চুয়াল ও ননভার্চুয়াল ক্ষেত্র থেকে সামহোয়ারইনব্লগ কর্তৃপক্ষের ব্লগ রূপরেখা এবং এর ব্লগ, ব্লগার ও ক্রমঃবিবর্তিত পরিচালন পদ্ধতি - কৌশিক
- বিশ্বমন্দার কবলে বাংলাদেশও - শওকত হোসেন মাসুম
- সুনীল সমুদ্রের ক্যামেরায় ও কমিকস-এ এবারের পিকনিক - সুনীল সমুদ্র
- বসন্ত পিকনিকঃ ফ্রেমে বন্দী বিশেষ কিছু মুহূর্ত - কালপুরুষ
- সামহোয়ার ইন পিকনিক - সৌম্য
- আবারো পিকনিক .... - ক্যামেরাম্যান
- ০: একটি স্বর্গীয় পরিভ্রমণের গল্প (সম্পূর্ণ) - ম্যাভেরিক
- 70 দিনের হিসাব - অপ বাক
- যে অমূল্য কথাগুলো সব সময় ফটোগ্রাফারদের অনুপ্রাণিত করেছে - হাসান বিপুল
- তোমার কোলেই যেন থাকি মাগো নির্ভয়ে প্রতিদিন - জানা
- ড্রাফট-ফোল্ডারে তিনটা বনসাই-কবিতা - আন্দালীব
- জাম্বো সাইজ ব্লগঃ বঙ্গের গল্প - সৌম্য
- তুমি ভাল বলে ক্লান্তিহীন অপার আনন্দে পথচলা আমার - সহেলী
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১২৯ ব্লগারের তথ্য (আপডেট পোস্ট) - ফিউজিটিভ
- অক্ষর - লাবণ্য প্রভা গল্পকার
- 'সর্প কোমরের বাঁক' পাণ্ডুলিপি থেকে - মুক্তি মণ্ডল
- ভাগীরথীকে নিয়ে লিখা আমার ছোটগল্প - মেঘ
- পড়ন্ত গোধুলী বেলা - জিনাত
- সাপ ও সূর্যমুখী - দেলোয়ার হোসেন মন্জু
- ১৯৭১ : বীরাঙ্গনা অধ্যায় - আইরিন সুলতানা
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-১২ : একটি বিশেষ ঘোষণা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- বর্ণমালার গল্প - বৃশ্চিক
- ২০০৮ : সামহোয়্যারইন ব্লগের বর্ষসেরা কবিতা (ব্লগারদের মনোনয়ন) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- আমার ছেলের কথা বলছি শোনো - ভাঙ্গা পেন্সিল
- সেন্ট রিপ্সিমি - নম্রতা
- উড়ে যায় পাখি,ফেলে যায় পালক তার, একটা সাদা এবং একটা কালো - সুলতানা শিরীন সাজি
- ব্লগের প্রিয় কবিতা --বার। - বিলাল
- শত উদাসীন বেকার ঘুরে.....মহাকবি ঝরে পড়ে - হিমালয়৭৭৭
- গল্প - মাঠশালা
- জেগে ওঠো মানিব্যাগ - মেহরাব শাহরিয়ার
- দহনের স্মৃতি-কথা - নাজনীন খলিল
- প্রসঙ্গ: মেডিটেশনের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি - বিবর্তনবাদী
- স্মৃতি হন্তারক বৃস্টিতে থ্যাঁতলানো কয়েকজন আর উড়াল সেতু জুড়ে ধাবমান কদম - আকাশচুরি
- কালপুরুষ - আনমোনা
- নির্জলা হিপোক্রিসি - রুখসানা তাজীন
- ব্লগের কিছু প্রিয় কবিতা-নয় - বিলাল
- ছবি চাই, ছবি। দিন না একটা ছবি। - রাগিব
- তোমার হর্ষজাত এ্যাবসার্ডিটির ভেতর - আন্দালীব
- আমি যেদিন নিজের হাতে খুন হয়েছিলাম - আকাশচুরি
- নগ্নিকা এবং মনন ভূমে কাঠঠোকরার কেরামতি - আকাশচুরি
- তারার ফুল (কল্পগল্প) - (অ)গাণিতিক
- সূর্য্যগন্ধি মেঘে একজোড়া গোল্ডফিশ - আকাশচুরি
- স্পর্শের বাইরে : ভালবাসার স্পর্শ কোথা পাই .... - আইরিন সুলতানা
- কবিতার সঙ্গে পথ হাঁটা / সৈকত হাবিব - ফকির ইলিয়াস
- বিবাহিত প্রেমের কবিতা - সরকার আমিন ১৯৬৭
- একদা এক প্রোগ্রামিং কন্টেস্টে!!! - যূঁথী
- "এক বিকেলের হাত ধরে---" / চিটি - চিটি (হামিদা রহমান)
- ফ্যাক্ট আর ফিকশনের গল্প, সাথে একটি মোরাল,সারা জীবন মনে রাখার মতো।/বিহংগ - বিহংগ
- জন্ম অবিশ্রান্ত মৃত্যুর মৈথুন - সাখাওয়াৎ
- কবিতা : পাখি বিষয়ে যৎসামান্য আরেকবার - অভিজিৎ
- আজ কি আমার বিকেলগুলো, অন্য কারো? - সুনীল সমুদ্র
- বিবর্ণ দুপুর - রোডায়া
- । । বাবা ও তাঁর নি:শ্বাস এবং 'বু জি'র জন্য এলিজি । । - হাসান মোরশেদ
- বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর.............. - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ভালোবাসার এপাশ ওপাশ - আনোয়ার সাদাত শিমুল
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- এলিজি ফর দি মোস্ট বিউটিফুল লেডি - প্রজাপতি
- আজ তোমার মেঘে মেঘে রংধনু- - কনফুসিয়াস
- ভালবাসা চিরকালের - কালপুরুষ
- বৃষ্টিতে - সুলতানা শিরীন সাজি
- সো দেসকা-দের দেশে-১ (সারমেয় কাহিনী) - রুখসানা তাজীন
- কি হও তুমি ওর? - কাল্বেলা
- বিহংগের বয়কট - বিহংগ
- জীবন্ত ক্যানভাস(মুনিয়া) - মুনিয়া
- চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়.... - আব্দুন নূর তুষার
- কবিতা সমগ্র : উৎসর্গ নীলাঞ্জনা - অমি রহমান পিয়াল
- জীবনের প্রয়োজনে জীবন যেখানে পরাজিত।(চতুরভূজ) - চতুরভূজ
- কামসূত্র কামশাস্ত্রমাত্র নয়, বরং কর্মশাস্ত্র - মুজিব মেহদী
- আমি সর্বদা একদিকে কাত হয়ে হেলে থাকি
- সামী মিয়াদাদ
- আমার হৃদয় কবিতা লিখে না - নীলকণ্ঠ
- ......এবং আমার নারীত্ব - সাতিয়া মুনতাহা নিশা
- চলো, ডুব দিয়ে ছুঁই - মাছরাঙ্গা
- কবির প্রয়োজনীয় হয়ে ওঠা - মুজিব মেহদী
- তিমির হননের গল্প/বিহংগ। উতসর্গঃপিতৃস্নেহ বঞ্চিত শিশুদের। - বিহংগ
- মাসুদ খানের গোধূলিব্যঞ্জন - মুজিব মেহদী
- এক সানকির ইয়ার - শিলা
- লোপার গন্তব্য ও তার সঙ্গে না-হওয়া বোঝাপড়া - মুহম্মদ জুবায়ের
- জন লেননের সোচ্চার ভালবাসা আর বব ডিলনের অভিমান ( চতুরভূজ) - চতুরভূজ
- গুগল কথন - ১ : প্রযুক্তির প্রাণকেন্দ্রে বসবাস - রাগিব
- বিদায় আফ্রিকা,বিদায় কংগো,বিদায় কালো মানুষদের দেশ । - আশিক হাসান
- সব বাবারা দেখতে এক রকম! - মানবী
- অভিনয় (-নীলাভ আমিন) - নীলাভ
- তুমি আমার স্বপ্ন হাজার... - মানবী
- শিশির - বকলম
- ব্যক্তিগত রুপকথা:'তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে'(শেষ পর্ব) - চামেলী হাতে নিম্নমানের মানুষ
- ছাদের কার্ণিশে কাক - আনোয়ার সাদাত শিমুল
- ব্যবধানে ব্যবধান - এহেছান লেনিন
- আমার কোনদিন দুধ চা খাওয়া হবেনা - নজমুল আলবাব
- খসে পড়া পেসমেকার - বৃশ্চিক
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- ক্যান্ডেল ইন দ্যা উইন্ড... - মানবী
লাউয়ের প্রতি ভালবাসা
২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৩
লাউয়ের প্রতি ভালবাসা
সাধের লাউ আমাকে কখনো বৈরাগী হতে দেয়নি বরং রাগের কারণ হয়েছি। আর এই রাগের পেছনে যিনি থাকতেন তিনি আমার প্রিয়তমা গিন্নী। কতদিন যে এই সবুজাভ ত্বকের লিকলিকে তন্বী অথবা মোটাতাজা নাদুস-নুদুস গোছের লাউয়ের প্রেমে পরে নিজের দুর্গতি ডেকে এনেছি তার হিসেব নেই। স্বামীর অন্তরের খবর গিন্নীরা কী করে যেন টের পেয়ে যায়। বিয়ের পরপরই গিন্নী আমার ঠিকই টের পেয়েছিল লাউয়ের প্রতি আমার একটু বেশী মাত্রার দুর্বলতা। তাই থলে হাতে বাজারে গেলেই থলের ভেতর থেকে বিড়ালের উঁকি দেয়ার মতোই লাউ কেনার বাসনাটা কেমন যেন মাথা চাড়া দিয়ে উঠতো। লাউয়ের প্রতি মনটা ব্যকুল হয়ে উঠতো। কিন্তু বরাবরই লাউ কিনতে আমি ভীষণ ভয় হয়। আমার কেনা সুন্দরী কোন লাউ কচি হয়না। সব পাকনা বুড়ি। বাসায় নেবার পর বুঝতে পারি। গিন্নী নির্দয়ভাবে যখন তার সতীন লাউকে বটির নীচে ফেলে তখন লাউয়ের ধবধবে সাদা বিচিগুলো দাঁত বের করে হাসে। গিন্নী বুঝতে পারে তার সতীন যথেষ্ট পাকাপোক্ত গোছের। সহজে দমেনা। রান্নার সময় সেই লাউ অবিগলিত হাসি দিয়ে বলে তোমার স্বামী একটা আস্ত একটা গবেট- আজ পর্যন্ত কচি লাউ চিনলোনা। গিন্নী দূর থকে কটমট করে আমার দিকে তাকিয়ে থাকে। আমি কাছে যেয়ে হাঁড়িতে আদর করে দুই/এক চামচ চিনি ঢালি, বেহায়া লাউ তবুও গলতে চায়না। রান্নার পরে আধাসেদ্ধ বিচিগুলো এতিম পোলাপানের মতো কাতর দৃষ্টিতে আমার দিকে চেয়ে থাকে। আমার খেতে মায়া হয়, অরুচি লাগে।
আমার গিন্নীর সাথে যুবতি লাউয়ের সম্পর্ক কিছুটা নমনীয় হলেও বুড়ি লাউয়ের সাথে শত্রুতা আজও অব্যাহত। সম্পর্কটা রীতিমত সতীনসুলভ। বিয়ের এতো বছর পরেও বুড়ী লাউয়ের প্রতি আমার প্রগাঢ় মমতা ও প্রেম দেখে বউ শুধু রাগে ফুসতে থাকে। ছোটবেলা থেকেই লজ্জা শরম কম বলেই হয়তো এসব গায়ে মাখিনা। আমি যখন ঘর্মাক্ত শরীরে, গদগদ চিত্তে এক হাতে বাজারের ব্যাগ আর অন্য হাতে একটা লাউ ঝুলিয়ে বাজার থেকে ফিরি- বউ তখন আমার দিকে ফিরেও তাকায় না। কপাল বেয়ে ঘাম ঝরতে থাকে- ভাবি, বউ হয়তো আঁচল দিয়ে মুখটা মুছিয়ে দেবে। বলবে, বাজার করা সত্যিই একটা ঝকমারি কাজ। আর এই কাজটা করে তুমি আমাকে সারাজীবন উদ্ধার করলে। কিন্তু তা নয়! সে আমার হাতে ধরা লাউয়ের দিকে তাকিয়ে বলবে- আজ দুপুরটা আমার মনে হয় উচ্ছন্নে গেল। কারণ এই লাউ গলতে কতক্ষণ সময় লাগবে আল্লাহ্ মালুম। সে ভয়ে অস্থির। আমি মনে মনে ঢোঁক গিলি। অন্য রান্না আজ সে শেষ করতে পারবে কিনা সেই চিন্তায় অস্থির। আমি অভয় দিয়ে বলি- আজকের লাউটা কিন্তু দারুন পেয়েছি! একদম কচি। তুমি যেমন যেমন বলেছো ঠিক সেইভাবেই চিমটি কেটে এনেছি। লাউ বিক্রেতা নিজের হাতে বেছে দিয়ে বললো আজ এই লাউ খাবেন আর আমাকে স্মরণ করবেন (বেটা যে ঠিক বলেছিল বুঝেছিলাম পরে)। গিন্নী তাচ্ছিল্যের ভঙ্গিতে বললো- তাহলেই হয়েছে। ঠিক ঐ বেটা হতচ্ছাড়া তোমার ঘাড়ে এবারো বুড়ী লাউ গছিয়েছে। এমন কথা শুনলে কার না আঁতে ঘা লাগে! তবুও আমি চুপ থাকি। উত্তরটা রান্নার পর জমবে ভাল, সেই আশাতেই থাকি। হাতের লাউটা মেঝেতে নামিয়ে বলি- কোন কিছু যাচাই না করে সে সম্পর্কে মন্তব্য করা ঠিক না। বউ বলে- সেতো আমি আজ নতুন দেখলাম না। এই বলেই সে চুপ। আমিও গোছল সেরে রান্না শেষ হবার প্রহর গুনি।
আসলে বউ আমাকে প্রায়ই মনে করিয়ে দেয় লাউ কেনার আগে লাউয়ের গায়ে নখ দিয়ে চিমটি মেরে দেখবে- সেটা কচি নাকি বুড়ী! আমি উত্তরে বলি, তরতাজা লাউয়ের নাজুক গায়ে কেউ কী চিমটি মারে? আমি তো বিয়ের আগে তোমাকে চিমটি মেরে দেখিনি, তুমি কচি ছিলে নাকি বুড়ী! তাহলে বেচারী লাউয়ের দোষটা কোথায়? তাছাড়া তোমার মতো নেইল পলিশ লাগানো, লম্বা ধারালো নখতো আমার নেই। আর কাউকে খোঁচা মারার অভ্যাসও আমার নেই। খোঁচা দিলেই কী সব বোঝা যায়- ভেতরটা কার কেমন! এরপর কথা আর না বাড়িয়ে চুপ করে থাকাই ভাল মনে করি। কারণ এরপর কোন কথা বলে কী বিপদে পরি তার ঠিক নেই। দু’বেলা চুলোর তাপে পুড়ে দু’চারটে ভালমন্দ রান্না করে দিচ্ছে, বেশ খাচ্ছি-দাচ্ছি- এইতো অনেক! আর কী চাই! লাউ কচি হোক আর বুড়ী হোক, সংসারে তেমন কোন বড় ঝামেলা না পাকালেই হলো।
অগত্যা খেতে বসে লাউয়ের সেই চিরন্তন দশা দেখে নিজেই লজ্জা পেলাম। লাউয়ের বিচিগুলোর বিদ্রুপের হাসি দেখে নিজেরই দাঁত খিঁচিয়ে উঠলো। অগত্যা মেজাজ কিছুটা তেতে উঠলো। লাউয়ের টুকরোগুলো আচ্ছামতো ডলা দিতেই গললো বটে- তবে ডলাটা আদরে নয় রাগে। মনে মনে পণ করলাম এবার থেকে লাউয়ের চেহারা দেখে আর কিছুতেই ভুলবোনা। লাউয়ের শরীর দেখতে যতই সর্পিল কিংবা তন্বী-তরুণীর মতো কোমল অথবা যত পেলবই হোকনা কেন- চিমটি আমি একটা দেবোই। লাউয়ের গায়ে চিমটি কাটার জন্য নখ বড় হতে থাকলো। লাউ বিক্রেতার চটকদার মিষ্টি কথায় আর ভুলবো না। তার পছন্দের কোন লাউ আর আমার ঘরে তুলছি না। এবার পছন্দ হবে একান্তই আমার। চিমটিই হবে লাউ যাচাইয়ের নির্ভুল মাপকাঠি। আর এ কারণেই নখ বড় রাখছি। লাউয়ের যতই কষ্ট হোক খোঁচা আমাকে দিতেই হবে- আর নইলে লাউ খাওয়া ছাড়তে হবে। লাউ খাওয়া আমি ছাড়তে পারবোনা আর গিন্নী ছাড়াও আমার চলবে না- তাই লাউয়ের গায়ে চিমটি আমাকে মারতেই হবে! আমি জানি, আমার প্রিয় লাউ আমার চিমটি সইতে পারবে কিন্তু সতীনের অত্যাচারে প্রতিনিয়ত বিদগ্ধ হতে চাইবেনা। নিজের জীবন বিসর্জন দিয়ে হলেও সে আমার রসনা বিলাসে সহায়তা করবে। হে প্রিয়তমা লাউ, তোমার প্রতি আমার অগাধ ও অকৃত্রিম ভালবাসা রইলো।
(রিপোস্ট, পরিমার্জিত)
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:২২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
চাচামিঞা বলেছেন:
কচি মাল(লাউ)....চিমটি কাটলেই ভার্জিনিটি নস্ট হইয়া যাইবোলেখক বলেছেন: ছিঃ ছিঃ ভাতিজাগো সামনে এমুন ১৮+ কথা কৈতে নাই।
মন মানে না বলেছেন:
চাচামিঞা বলেছেন: কচি মাল(লাউ)....চিমটি কাটলেই ভার্জিনিটি নস্ট হইয়া যাইবোলেখক বলেছেন: সবুজ মানেইতো ফ্রেশ। লাউ সবুজ।
লেখক বলেছেন: লাউ বিক্রেতা চিমটি দিলে রাগ হয়।
মন মানে না বলেছেন:
আবার আসলাম ।হঠাঃ করে মনে হলো এই লোক টা ব্লগ আড্ডায় খালি মেয়ে ব্লগারদের সাথে সাথে থাকে !
{গোপন কথা দিলাম ফাঁস কইরা}
মনে হইল এই পোষ্ট অশ্লীলতা দোষে দুষ্ট !
মাইনাস(+) দিতে আসলাম !
লেখক বলেছেন: লাউয়ের প্রতি অগাধ ভালবাসার কারণেই হয়তো।
এইটা কোন গোপন কথা না। ব্লগের সবাই জানে। এই নিয়ে অনেকে অনেক পোস্ট দিছে আমাকে "লাউছাড়া" করার জন্য।
১৮+ ট্যাগ জুড়তে হইলে কইয়েন।
দ্বিতীয় কথা হলো আপনার মতো আমারও অভিজ্ঞতা একই। কিন্তু সমস্যা হলো বাজারে গিয়ে লাউয়ের গায়ে চিমটি কাটার অভ্যাসটা আমার নেই। তাই মাঝে মাঝে গিন্নীর সঙ্গে লাউ নিয়ে কথাকাটাকাটি। কি আর করার। সেদিন বাজারে আমার সামনে এক খালাআম্মা লাউয়ের গায়ে চিমটি কেটেই বললেন একেবার বুড়া। উনি অবশ্য বুড়ি বলেন নী। আমার সুবিধা হলো খালাম্মার কথা শুনে সে দোকানের সামনে থেকে চলে এলাম। সেদিন আর লাউ কিনলাম না।
চমৎকার লেখার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
'লেনিন' বলেছেন:
বুড়া লাউয়ে নাকি খাট্টা ভালো হয়।
লেখক বলেছেন: লাউয়ের খাট্টা খাইনি মনে হয়। তবে বউয়ের মুখ খাট্টা হতে দেখেছি।
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:
হাহাহা
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
বড় বড় নখ ভালু না।কেউ দেখতে পেলে নেইল্পালিশ বিক্রি করতে চাইতে পারে
উপাদেয় পুস্ট।
কেমন আছেন?
লেখক বলেছেন: বড় নখ আত্মরক্ষার কাজে লাগে। লাউ বাছতে সব নখ বড় দরকার নেই। একটা কলেই চলবে।
আমি ভাল আছি পাগলা বাবু
। তুমিও ভাল আছো আশা করি। শুভকামনা রইলো।
সম্ভব,অসম্ভব বলেছেন:
sorry, আমি আসলে বুঝিনি এটা শুধুই রম্য না সতিৎকারের সমস্যা।সতিৎকারের সমস্যা হলে দুইটা tips রইল--- লাউ কেনার সময় যদি সামান্যতম সন্দেহ হয় যে লাউ বুড়ি হতে পারে তাহলে সাথে ১০০ গ্রাম কাচা পেপে কিনে নেবেন। তারপর লাউ যদি সতিৎ বুড়ি হয় তাহলে কাটার সময় বিচির আংশ ফেলে পেপে দিয়ে রান্না করলে তাড়াতাড়ি রান্না হয়ে যাবে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
টিপসটা জেনে রাখলাম। আমি অবশ্য গরুর মাংশ তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হবার জন্য অনেক সময় পেঁপে বাটা দিই। তবে এই লেখাটা সত্যি ও কিছুটা রম্য হিসেবেই উপস্থাপন করা।
শুভ কামনা রইলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ হোদল রাজা।
লেখক বলেছেন: খাই নাই কখনো। রান্না করলে ডাইকেন।
তমিজ উদ্দীন লোদী বলেছেন:
রম্য রচনার জন্য যথার্থ ক্ষমতা থাকা চাই।যে ক্ষমতা বিরলপ্রজ হয়।আপনার মধ্যে এই ক্ষমতা বিরল নয় যথার্থই আছে।খুব ভালো লাগলো।আপনার এই ক্ষমতার মাঝে মাঝেই যেন প্রয়োগ দেখতে পাই।ভালো থাকুন,নিরন্তর।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কবি। একটু লজ্জা পেলাম।
(লজ্জা পাওয়ার ইমো হবে)
শয়তান বলেছেন:
দুপুরে লাউ চিংড়ি তরকারি ছিল আজ । আমার মায়ের হাতের এই তরকারিটা জোস হয় বরাবরই । খেতে গেলে মনেঈ থাকে না লাউটা আদতে কচি না বয়ষ্ক ছিল। লেখক বলেছেন: আমারে ডাকলেই পারতেন- হাজির হয়া যাইতাম।
শয়তান বলেছেন:
হা হা । ঠিকাছে একদিন লাউ চর্চরি আর কুমড়াশাক এর আয়োজন একসাথে করে আপনারে ফোন দিতেসি । বাংলার আদি ও অকৃত্রিম রান্না । সাথে বোনাস দু তিনটা নানারকম ভর্তা ভাজি লেখক বলেছেন: ধুর মিয়া সারা রাইত আমার জিহ্বা দিয়া পানি গড়াইবো যে খাওনের লোভ দেখাইলেন। এমনেতেই মাইনসে আমারে "লুল" কয়। আইজ ঘরের বউও ঐকথা কইবো। মহা মসিবত!
এস বাসার বলেছেন:
সাধের লাউ কালপুরুষ কে তুই না আবার কাপুরুষ বানিয়ে দিস
( কানে কানে বলি সব পুরুষই কাপুরুষ, অন্তত উনার কাছে> সুতরাং মাইন্ড খাইয়েন না)
লেখক বলেছেন: "কালপুরুষ" যদি "কাপুরুষ" হয় সমস্যা একটাই "ল"। "ল" মানে আইন। কেউ যদি আইন নিজের হাতে তুইলা নেয় তাইলে ধইরা নিতে হইবো আইনরক্ষাকারী সংস্থার উপর মানুষের আস্থা কইমা গেছে। কি আর করা!! সংবিধান যেখানে বদলায়া যাইতেছে সেখানে একটা "ল" আর কি ফালাইবো?
লেখক বলেছেন: না থাউক। নিজের বালিশ ভিজবো তাতে মাইসের কী!!!
কিন্তু আপ্নার লেখা পড়ে লাউএর প্রতি কিঞ্চিত প্রেম অনুভব করছি।
লেখক বলেছেন: প্রেম মহানুভব, অকিঞ্চিতকর।
বেকার বলেছেন:
সতীনের কাহিনী শুনে ব্যাপক মজা পাইলাম...আহারে বাজার থেইক্কা যদি একটা কচি-ডেগি (কেউ এহনো হাত লাগায় নাই) আনবার পারতাম...
সত্যি কইরা কইলাম, আমার বাসায় যাওনের পর- সতীনের হাতে বটির নীচে পরবার কোন ভয় নাই....
একলা মানুষ। উল্টাইয়া আর পাল্টাইয়া যা কিছু (রান্না) সব আমি একলাই করমু।
লেখক বলেছেন: আমার বাসায় আনলে আপনি নিজেই সমস্যায় পড়বেন, পুরোপুরি বঞ্চিত হবেন। শেষে অভিসম্পাত করবেন। কারণ কচি লাউয়ের প্রতি আমার সবিশেষ দুর্বলতার কারণে রান্না করার পর আপনার কপালে যে জুটবে সেটা আপনি ভাবছেন কি কিভাবে? সতীনের বটির নীচে না পরলেও আমার রসনা বিলাসে কমতি হবে সেটা ভাবা ঠিক নয়। তাই যা করবেন খুব ভেবেচিন্তে খেয়াল করে করবেন। পয়সা খরচ করে লাউ কিনে পরের ঘরে নিয়ে রান্নার চিন্তা করলে জীবনেও আপনার লাউ খাওয়া হবেনা। তবে তলানি যদি কিছু থাকে পেতেও পারেন।
পল্লী বাউল বলেছেন:
লাউ নিয়ে যে এত চমৎকার লেখা যায় বিশ্বাস হতে চায় না।দাদা, শয়তান ফোন দিলে আমারে একটু নক কইরেন.....
( শয়তানের ফোনের অপেক্ষা না করে নিজে রান্না করে খেয়ে নেয়াই উত্তম)
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে। রেডী থাকবেন। মানুষ হলে বিশ্বাস হতোনা- শয়তান বলে কথা!! বিশ্বাস করতেই হয়।
শুভ কামনা রইলো।
বড় বিলাই বলেছেন:
কচি লাউয়ের প্রতি আপনার ভালোবাসা অটুট থাকুক, কিন্তু যাকে এত ভালোবাসেন, তাকে চিনতেই এত কষ্ট? নখ বড় হয়েছে?
লেখক বলেছেন: লাউ কচি কী বুড়ি বাইরে থেকে কী আর বুঝা যায়? যেমন মেয়েদের মন। তবে এখন লাউ মোটামুটি চিনতে পারি। তবে মেয়েদর মন চিনতে আরো সাধনা প্রয়োজন। এখন আর নখ বড় নেই। যদি তেমন সমস্যা হয় তবে তোমার কাছ থেকে যে কোন একটা নখ ধার নিলেই চলবে।
সুরঞ্জনা বলেছেন:
উফ!!! দাদা! আপনার এই লেখা পড়ে আমি হাসতে হাসতে শেষ!!! পারেনও বটে!!!
তবে কথা গুলো কিন্তু একেবারেই খাঁটি।
আপনার গিন্নির কথা শুনে আমার নিজের
কথাই মনে হচ্ছে। আর যথারিতি আপনার
যায়গায় আমার গাধা বরটা।
তার লাউ প্রেমে আমিও নাকাল হই।
আর আমার বাক্যবানে সে মাকাল হয়।
লেখক বলেছেন: আহা! তোমার কর্তা বেচারা! একদিন দেখা হলে আমরা দুজনে গলাগলি ধরে কাঁদবো আর লাউয়ের নিকুচি করবো। ![]()
![]()
![]()
মাহমূদ হাসান বলেছেন:
লাউ নিয়েই যে এত সুন্দর একটা লেখা লেখা যায় তা আগে কখনো ভেবে দেখিনি।
মাহমূদ হাসান বলেছেন:
ও আরেকটা জিনিস এখনই খেয়াল করলাম আগে করিনি। তা রান্না ও আপনার প্রিয় কাজ? কি রকম নিয়মিত না অনিয়মিত? কি রকম রান্নায় সুখ অনুভব করেন? একা একা নাকি গিন্নির কাজে সহযোগী হয়ে।
লেখক বলেছেন: রান্না করা আমার শখ। তবে এই শখের শুরুটা বিয়ের অনেক পরে। সাধারণতঃ ছুটির দিনে কিংবা বাসায় কোন মেহমান এলে বা কোন অনুষ্ঠান থাকলে বেশ কিছু আইটেম আমি নিজেই রান্না করি বিশেষত রিচ ফুড জাতীয় খাবার। তবে সব ধরণের র্রান্নাই আমার জানা আছে। আর রান্না আমি নিজেই করি তবে কাজের ছেলে বা বুয়া পেঁয়াজ কাটা ও আদারসুন বাটার কাজগুলো করে দেয়।
হায়রে দুনিয়া বলেছেন:
লাউয়ের প্রতি আমারও ভালবাসা আছে, তবে তার চেয়ে অনেক বেশি আছে লাউ নিয়ে রচিত এই অসাধারন গানটার প্রতি।আমার মাটির গাছে লাউ ধরেছে
ও লাউ দেখতে বড় সোহাগী
লাউয়ের পিছে লাগছে বৈরাগী
ও দরদী লাউয়ের পিছে লাগছে বৈরাগী।
তোমার মাটির গাছে লাউ ধরেছে
ও লাউ দেখতে বড় সোহাগী
লাউয়ের পিছে লাগছে বৈরাগী
ও দরদী লাউয়ের পিছে লাগছে বৈরাগী।
হায় হায়, আহ ছাড় না।
দিনে দিনে লাউ যে আমার শুধুই বড় হয়
তাই না দেখে পাড়ার লোকে কত কথা কয়।
লাউ গাছেতে কে দেয় নজর খুইল্লা ক' আমায়
লাথির চোটে ভাঙ্গমু মাজা যাবে সে কোথায়
ও তুই আঁচল দিয়া ঢাইকা দে লাউ
ওরে ভাবিস না তুই অভাগী অভাগী।
লাউয়ের পিছে লাগছে বৈরাগী
ও দরদী লাউয়ের পিছে লাগছে বৈরাগী।
লা লা লা লা লা লা লা লা লা লা লা।
আরে যাস কই? ধর ধর ধর।
আরে লাউয়ের মধু করল, খাইতে ইচ্ছা হয়
বলনা কবে সুযোগ দিবি, আর কি দেরী সয়
সব পুরুষের একই স্বভাব, মধু খাইতে চায়
বামন হইয়া চাঁদের পানে শুধুই হাত বাড়ায়
ও তুই তাকাইলে তোর চামড়া দিয়া
আমি বানাইমু যে ডুগডগী ডুগডগী ডুগডগী
লাউয়ের পিছে লাগছে বৈরাগী
ও দরদী লাউয়ের পিছে লাগছে বৈরাগী।
লেখক বলেছেন: বেশ মজার গান। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আজকে মিটিং টা কেন হলো না জানতে পারি নাই। আমি অপেক্ষো করে চলে আসছি। (শিমূল)
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















