somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার পরিচয়

এক দেশে ছিলো এক রাজকন্যা....তার নাম ছিলো কঙ্কাবতী.....

আমার পরিসংখ্যান

আমার সকল পোস্ট (ক্রমানুসারে)

নোলা

লিখেছেন কঙ্কাবতী রাজকন্যা, ০২ রা আগস্ট, ২০১৮ রাত ১১:৫৬


মা বলতেন, নোলা, নোলা, নোলা। এত্ত খায় তবুও নোলা কমে না, দুই চক্ষে যা পড়বে তাই খাওয়া চাই...কুটি ভেঙ্গে দুটি করার ক্ষমতা নেই অথচ সাতবেলা রাশ রাশ খাওয়া। রাক্ষসী খাই খাই স্বভাব। বাবারে বাবা, অবাক হয়ে যাই! মনে হয় পেটে রাক্ষস ঢুকেছে! যত্তসব! এই বয়সে এত খাই!... বাকিটুকু পড়ুন

৩৬ টি মন্তব্য      ২৭৪ বার পঠিত     ১০ like!

অমল ধবল পালে লেগেছে মন্দ মধুর হাওয়া

লিখেছেন কঙ্কাবতী রাজকন্যা, ০৩ রা মে, ২০১৮ রাত ৯:৫০



রাজু, আজকাল প্রায়ই আমি চুপি চুপি তোর ফেসবুকের ওয়ালে ঘুরে বেড়াই। তোদের ছবি দেখি। তোর সোনালী চুলের বিদেশী বউ, পুতুলের মত ফুটফুটে মেয়েটার ছবি, তোর নতুন কেনা গাড়ি, তোদের বেড়াতে যাবার সব ছবি আমার প্রায় মুখস্ত হয়ে গেছে। অবাক হয়ে দেখি, কি আশ্চর্য্যভাবেই মেয়েটা তোর মুখের আদল আর... বাকিটুকু পড়ুন

৫০ টি মন্তব্য      ৪৫৯ বার পঠিত     ১০ like!

যে তোমায় ছাড়ে ছাড়ুক, আমি তোমায় ছাড়বো না (ভূত সিরিজ -২)

লিখেছেন কঙ্কাবতী রাজকন্যা, ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৪৩

সুযোগটা যে এত তাড়াতাড়ি এসে যাবে তা আমি কল্পনাও করিনি। মরেছি আজ তিন দিনও হয়নি এরই মাঝে শয়তান্নীটা বাড়িতে এসে হাজির। আজ দুপুরের পর সবে বিকেল নেমেছে। আমিও সবে মাত্র জানালার আলসীতে পা ঝুলিয়ে বসে বসে বড় রাস্তাটা দেখছি। বেডরুমের এই জানালাটা বেঁচে থাকতেও আমার বড় প্রিয় ছিলো।... বাকিটুকু পড়ুন

৭৮ টি মন্তব্য      ৫১৫ বার পঠিত     like!

যে তোমায় ছাড়ে ছাড়ুক, আমি তোমায় ছাড়বো না (ভূত সিরিজ -১)

লিখেছেন কঙ্কাবতী রাজকন্যা, ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:২৩


বেঁচে থাকতে আমি প্রায়ই তাকে বলতাম,
- দেখো, আমি মরলে স্বপ্নেও দ্বিতীয় বিয়ের চিন্তা মাথায় এনো না। একবার যখন তোমার হাত ধরে বাপের বাড়ি ছেড়েছি তখন এই জনমে মরণে তোমাকে আমি আর ছাড়ছি না। এই কথা শুনে রমি হাসতো। বলতো,
- ভূত হয়েও ছাড়বি না? আমি বলতাম,
- ঠিক তাই।... বাকিটুকু পড়ুন

৫৪ টি মন্তব্য      ৮২১ বার পঠিত     ১০ like!

অর্ধাঙ্গিনীর অর্ধ বিড়ম্বনা

লিখেছেন কঙ্কাবতী রাজকন্যা, ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৩৮


সুমনার বিয়ে হয়েছে আজ বছর সাতেক হলো। এই সাত বছরে সংসারের সাত দুগুনে চোদ্দ পাঁকের মাঝে সে যেন আষ্টেপৃষ্ঠেই বাঁধা পড়ে গেছে। ঠিক সতেরো বছর বয়সে চৌত্রিশ বছরের দুবাই ফেরৎ সুযোগ্য পাত্রের হাতে তাকে তুলে দিয়েছিলেন বাবা। তার এই কাঁটায় কাঁটায় অর্ধেক বয়সটা নিয়ে স্বামী দেবতা সেই বাসররাতেই... বাকিটুকু পড়ুন

৭৪ টি মন্তব্য      ৯১৩ বার পঠিত     ১৯ like!

একদা সে আগন্তক - ২ এবং শেষ পর্ব

লিখেছেন কঙ্কাবতী রাজকন্যা, ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৫৭



-ও হো হো হো!!! পরথম দেখায়-ই গাঞ্জার অফার! লাইক দ্যা এটিচ্যিউড... ফারহান আমার দিকে এক চোখ ছোট করলো। ফারহানের এই আচরণ আমার পছন্দ হইলো না। দেইখাও আমি না দেখার ভান কইরা অন্যদিকে ঘুইরা রইলাম। ফারহানের তাতে ভ্রুক্ষেপও নাই। সে অনবরত বক বক কইরা যাইতেছিলো।... বাকিটুকু পড়ুন

৮২ টি মন্তব্য      ৬২৫ বার পঠিত     ১৪ like!

একদা সে আগন্তক- ১

লিখেছেন কঙ্কাবতী রাজকন্যা, ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:০৬


বহু বছর পর এই বয়সে আইসাও হঠাৎ হঠাৎ তার কথা আমার মনে পড়ে। তার সাথে যখন আমার পরিচয় হইসিলো আমি তখন নিতান্তই কিশোরী, ইন্টারের ছাত্রী। এরপর প্রায় বছর সাতেক পার হইছে। এখন আমি পূর্ণ বয়সের একজন পরিপূর্ণ মানুষ। তবুও কারণে অকারণে প্রায়ই আমার তারে মনে পড়ে। জানিনা কই... বাকিটুকু পড়ুন

৯৪ টি মন্তব্য      ৭৫৬ বার পঠিত     like!

আমার দীপুদা- ৪

লিখেছেন কঙ্কাবতী রাজকন্যা, ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৪৮


কানাঘুষায় শুনতে পাই, বিয়ের পর থেকেই নাকি দীপুদাদের সংসারে অশান্তি লেগেই আছে। মা চাচী ফুফুরা প্রায়ই তাদেরকে নিয়ে মুখরোচক গল্প তোলে। বউ নাকি রাগ করে প্রায়ই তার বাবার বাড়ি চলে যায়। গন্ডগোলটা মূলত মেজো ফুপুর সাথেই। দীপুদা মায়ের অন্ধ সমর্থক তাই এত সমস্যা। এমনিতেই মেজ ফুপুর মাঝে চরম... বাকিটুকু পড়ুন

৬২ টি মন্তব্য      ৭২১ বার পঠিত     ১৫ like!

আমার দীপুদা-৩

লিখেছেন কঙ্কাবতী রাজকন্যা, ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:৫৯

হঠাৎ একদিন খবর পাই, দীপুদার বিয়ে। এই খবর মেজো ফুপু নাকি ফোনে জানিয়েছেন মাকে। এই মাসেই তার এনগেজমেন্টও হবে। খবরটাতে আমি কিছুক্ষনের জন্য স্তব্ধ হয়ে যাই। ভেতরে ভেতরে একটু আধটু না চরম বিস্মিত হই! তবে খুব চুপচাপ শান্ত মাথায় শুনে যাই। বুকের ভেতর হতে উদগত দীর্ঘশ্বাস গিলে ফেলি। তারপর... বাকিটুকু পড়ুন

৭০ টি মন্তব্য      ৬৬৭ বার পঠিত     ১১ like!

আমার দীপুদা- ২

লিখেছেন কঙ্কাবতী রাজকন্যা, ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:১৯


আমার দীপুদা - ১
পরদিন খুব ভোরে তুমি ফিরে গেলে। আর আমার দিন কাঁটেনা। সারাদিনমান কি এক ঘোরের মাঝে আমি। বিহ্বল হয়ে ঘুরে বেড়াই। অকারনে কান্না আসে আমার। নিজের মনে হাসি। লুকিয়ে আয়না দেখি। মনে হয় আয়নার মাঝে চেয়ে আছো তুমি। নিজের দুই গালে দেখি আরক্তিম আভা।... বাকিটুকু পড়ুন

৮৪ টি মন্তব্য      ৬১২ বার পঠিত     ১৫ like!

আমার দীপুদা - ১

লিখেছেন কঙ্কাবতী রাজকন্যা, ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৫১


মনে পড়ে দীপুদা, সেই যেবার তুমি মির্জাপুর ক্যাডেট থেকে এস এস সি তে সারা বোর্ডে প্রথম হয়ে বাড়ি এলে, তোমাকে নিয়ে বাড়ির সবার সে কি উচ্ছাস! এমনিতেই পুরো বাড়িতে তুমি ছিলে আমাদের আইডল। কেউ পড়ালেখা না করলেই বা অন্য কোনো দুষ্টুমী বা বড়দের চোখে মহাভারত অশুদ্ধ... বাকিটুকু পড়ুন

৮৪ টি মন্তব্য      ৭৬০ বার পঠিত     ১৭ like!

একি খেলা আপন সনে - ২১ (শেষ-পর্ব)

লিখেছেন কঙ্কাবতী রাজকন্যা, ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:১৮


মায়ের ডায়েরীটি শুধুমাত্র প্রতিদিনের ব্যাক্তিগত দিনলিপিই নয়। এই ডায়েরীতে মা লিপিবদ্ধ করে রেখে গিয়েছেন তার নানা রকম প্রিয় এবং অপ্রিয় জাগতিক ও অজাগতিক বিষয়গুলিও। যেমন ছেলে শিশু ও মেয়ে শিশুদের নাম। কয়েক পাতা জুড়ে মা শুধু নাম কালেকশনই করেছেন। যেমন আরও কয়েক... বাকিটুকু পড়ুন

১৫০ টি মন্তব্য      ১১৪৫ বার পঠিত     ১৫ like!

একি খেলা আপন সনে - ২০

লিখেছেন কঙ্কাবতী রাজকন্যা, ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৪৫


বেশ কয়েক বছর পর এ বাড়িতে এলাম আমি। আমার ১৩ বছরের জন্মদিনের পরে আরও বছর তিনেক প্রতি জন্মদিনেই দাদু নিয়ম করে আমাকে এ বাড়িতে নিয়ে আসতেন। এরপর কিভাবে কিভাবে যেন একটা সময় এই আসাটা বন্ধ হয়ে গেলো। মা তো ভুলেও কখনও বলতেন না এ বাড়ির কথা। অথচ আমি যতদূর... বাকিটুকু পড়ুন

১১৮ টি মন্তব্য      ৯০৫ বার পঠিত     ১৫ like!

একি খেলা আপন সনে - ১৯

লিখেছেন কঙ্কাবতী রাজকন্যা, ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৫৩


পরদিন খুব ভোরে দাদুর বাসায় চলে এলাম আমি। হঠাৎ আমার এভাবে মরিয়া হয়ে দাদুর বাসায় আসতে চাওয়ার আবদার দেখে মা হয়তো অবাকই হয়েছিলেন। কিন্তু কিছু জানতে চাইলেন না। এই দাদুর বাসায় হঠাৎ আসার ব্যাপারটা নিয়ে আমি যখন আকুল হয়ে মায়ের কাছে অনুরোধ করেছিলাম, মা খুব অবাক হয়ে আমার... বাকিটুকু পড়ুন

৮২ টি মন্তব্য      ৮৪৭ বার পঠিত     ১৭ like!

একি খেলা আপন সনে - ১৮

লিখেছেন কঙ্কাবতী রাজকন্যা, ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৩১


এরপর ঝুমকী ফুপুর সাথে আমার বেশ কয়েকবার দীর্ঘ কথোপোকথনের পর তার সাথেই পাকাপাকি আবাস গড়ার পরিকল্পনা করি আমি। মাও এই সিদ্ধান্তে আপত্তি করলেন না বরং মনে মনে বোধ হয় খুশিই হলেন। কোনো এক বিশেষ কারণে সেই ছোট থেকেই আমার প্রতি ঝুমকি ফুপুর অস্বাভাবিক এক সুপ্ত ভালোবাসা বোধ করেছি... বাকিটুকু পড়ুন

১১৮ টি মন্তব্য      ৯২৫ বার পঠিত     ১২ like!
আরো পোস্ট লোড করুন
ব্লগটি ২৫১১৭ বার দেখা হয়েছে

আমার পোস্টে সাম্প্রতিক মন্তব্য

আমার করা সাম্প্রতিক মন্তব্য

আমার প্রিয় পোস্ট

আমার পোস্ট আর্কাইভ