01.তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে। সাগরে আমেরিকা আর জাপানের যুদ্ধ জাহাজ যুদ্ধ করতেছে। হঠাত করে জাপানী জাহাজের ক্যাপ্টেন খেয়াল করলো আমেরিকার জাহাজ থেকে পানির নিচ দিয়া বেকায়দা স্টাইলে একটা মিসাইল ছুড়া হইছে। মিসাইল নির্ঘাত জাপানী জাহাজে আইসা লাগবো। মরা ছাড়া জাপানীদের আর কোনো উপায় নাই।
জাপানী ক্যাপ্টেন তার বৃদ্ধ সহকারীকে ডেকে পরিস্থিতি বুঝায় বললো।
ক্যাপ্টেন : আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করবো জাহাজকে মিসাইলের পথ থেকে সরিয়ে নিতে। কিন্তু সফল হওয়ার সম্ভাবনা কম। তুমি এক কাজ করো। নিচে আমাদের যেসব সৈন্য আছে তাদের কাছে যাও। তাদেরকে মিসাইলের কথা বলো না। বরং আমি চাই এই শেষ বেলায় তুমি তাদেরকে কিছুক্ষনের জন্য হাসাও। দেশপ্রেমিক ক্লান্ত সৈন্যরা যেনো জীবনের শেষ মুহুর্তেও একটু হাসতে হাসতে মরতে পারে।
বৃদ্ধ : স্যার, আপনি কোনো চিন্তা করবেন না। আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা করবো তাদের হাসাতে।
বৃদ্ধ সহকারী নিচে নামলো। সৈন্যরা তাকে দেখে উপরের খবর জানতে চাইলো…
বৃদ্ধ : ঊপরের খবর ভালো, নিচের(!!!) খবর আরো ভালো।
সৈন্যরা : নিচের খবর ভালো মানে?
বৃদ্ধ : আমি যদি বলি আমার নিচের “জিনিস” দিয়ে জাহাজের এই মেঝেতে বাড়ি দিলে জাহাজটা ভেঙ্গে দুই ভাগ হয়ে যাবে, তাহলে কে কে অবিশ্বাস করবে?
সৈন্যরা : হাহাহাহা…বুড়ার খায়েশ দেখো…এই বয়সে কিসব কাপঝাপ কওন লাগছে।
সৈন্যরা হাসতে হাসতে মাটিতে গড়াগড়ি খাওয়া ধরলো।
বৃদ্ধ : বিশ্বাস হয় না?….দাড়া…দেখ তাহলে মজা….
এই বলে বৃদ্ধ হাটু গেড়ে বসে তার “জিনিস” দিয়ে জাহাজের পটাতনে দিলো এক বাড়ি। ঠিক সেই সময় মিসাইল এসে জাপানী জাহাজে আঘাত করলো। জাহাজ দুই ভাগ হয়ে ডুবতে লাগলো….
সৈন্যরা সবাই মারা গেলো। কাহিনীর প্রয়োজনে বেচে রইলো শুধু ক্যাপ্টেন আর বৃদ্ধ।
ক্যাপ্টেন : তোমাকে যা করতে বলছিলাম তুমি কি তা করছো?
বৃদ্ধ : জ্বি স্যার। আমি তাদেরকে শেষ সময়ে হাসাতে সাহায্য করেছি।
ক্যাপ্টেন : কিভাবে হাসাইছো?
বৃদ্ধ সব খুলে বললো। সব শুনে ক্যাপ্টেন বললো,
ক্যাপ্টেন : ভালো কাজ দেখাইছো। আমি অনেক খুশি হইছি যে আমাদের দেশের জন্য যারা যুদ্ধ করছে তাদেরকে তুমি শেষ মুহুর্তের আনন্দটুকু দিতে পারছো। তবে পরেরবার থেকে তোমার “জিনিস” ব্যবহারে সাবধান থাকবে। কারন মিসাইল আমাদের জাহাজের পাশ কেটে গেছে।
02.বিদেশ থেকে দুবছর পর বাড়ি ফিরে হাসান দেখল তার বউয়ের কোলে ছয় মাসের একটা বাচ্চা।
হাসান বউকে বলল, এটা কার বাচ্চা?
: কার আবার, আমার।
: কী! বল, তার নাম বল! কে আমার এত সর্বনাশ করেছে!
বউ চুপ।
: বল, কে সে? নিশ্চয়ই শয়তান জামাল!
: না
: তা হলে নিশ্চয়ই শয়তান জাফর!
: না, তাও না।
: তা হলে কে?
: তুমি শুধু তোমার বন্ধুদের কথাই বলছ আমার কি কোনো বন্ধু থাকতে পারে না।
03.এক ভদ্রলোকের খামারে ব্রিডিং এর দরকার হলো। তিনি বাজারে গিয়ে তরতাজা এক মোরগ পছন্দ করলেন এবং দোকানিকে দাম জানতে চাইলেন। দোকানদার বলল, ২০ ডলার, তবে এর চেয়ে এই শুকনা মোরগটা নিয়ে যান আপনার কাজে লাগবে। ভদ্রলোকের ঠিক পছন্দ না হলেও দোকানদার শুকনা মোরগ এর জন্য ৪০ ডলার চাইল। ভদ্রলোক শুকনা মোরগ টাই নিলেন।
প্রথমদিন মোরগটা খামারির সব মুরগিগুলোকে প্রেগন্যান্ট করল,
দ্বিতীয়দিন সব ছাগলগুলোকে প্রেগন্যান্ট করল,
তৃতীয়দিন সব গরুগুলোকে প্রেগন্যান্ট করল।
এবং
পরদিন
ভদ্রলোক ঘুম থেকে উঠে দেখেন তার মোরগ মাঠের মাঝে মৃত পড়ে আছে। ভদ্রলোক হা হা করে কাছে ছুটে যেতেই মোরগ লাফ দিয়ে উঠে বলল, হতচ্ছাড়া তোর জন্য আমার টার্গেট করা কাক গুলো মিস হয়ে গেল।
04.টমাস আলভা অ্যাডিসনের গ্রামোফোন আবিষ্কার উপলক্ষে এক সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এক তরুণী তাঁর বক্তৃতায় অ্যাডিসনকে অযথাই আক্রমন করে বসল, ‘কী এক ঘোড়ার ডিমের যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন, সারাক্ষণ কানের কাছে ঘ্যানর ঘ্যানর করতেই থাকে। আর তাই নিয়ে এত মাতামাতি! ইতিহাস আপনাকে ক্ষমা করবে না…।’
তরুণী বলেই যাচ্ছে। থামার কোনো লক্ষণ নেই।
অ্যাডিসন চুপ করে শুনে গেলেন। বক্তৃতা দিতে উঠে তিনি বললেন, ‘ম্যাডাম, আপনি ভুল করছেন। আসলে সারাক্ষণ কানের কাছে ঘ্যানর ঘ্যানর করার যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন ঈশ্বর। আমি যেটা আবিষ্কার করেছি সেটি ইচ্ছেমতো থামানো যায়।
05. ইংরেজ আমল । দুজন লোক একজনকে বাশ দিয়ে পিটিয়েছে ।ফলে সেই লোক হাকিমের কাছে বিচার দিয়েছে ।হাকিম ইংরেজী জানা লোক ।বাংলা অল্পসল্প বুঝেন । বিচার সমাধানের জন্য তিনি বিচারকার্য বসালেন ।
উকিল :: My Lord!!কুদ্দুস মিয়া ও কুক্কুর আলি Begin to মারামারি , In the সারাবাড়ি under the তালগাছ।
My Lord :: উকিল!!কুদ্দুস মিয়া ও শুক্কুর আলি not কুক্কুর আলি ।
উকিল :: OK. কিever, কিever.মানে whatহোক .
Another man :: My মক্কেল লেবু মিয়া come with two,বলদ‘s .One of these বলদ before into উস্তা খেত ।
হাকিম :: What is উস্তা?
উকিল :: উস্তা is a kind of তরকারি , which is call করলা।And the second man with a ধানিকাচি ।
হাকিম :: What is ধানিকাচি?
উকিল :: ধানিকাচি is a kind of knife.Whose oneside is খাজকাটা and another side is plan,and the Third man with a বরগা বাশ ।
হাকিম :: What is বরগা বাশ?
উকিল :: বরগা বাশ is a kind of বাশ।whose খাজ is very শক্ত ।He attacked my মক্কেল এত জোরে য Blood come out less than সাড়ে ৫ সের । my মক্কেল cried মাগো ,মাগো , মরি গেছি ।
হাকিম :: What ????
06. আগুনের মতো সুন্দরী এক মেয়ে বারটেন্ডারের টেবিলে এসে বসলো এবং আংগুল দিয়ে ইশারায় বারটেন্ডারকে ডাকলো। বারটেন্ডার ঢোক গিলতে গিলতে এগিয়ে গেলো!
মেয়েটি বারটেন্ডারের গালে আদুরে ভংগিতে হাত বুলাতে বুলাতে বললো, “তুমি কি এই বারের ম্যানেজার?”
বারটেন্ডার কোন মতে জবাব দিলো, “না।”
মেয়েটি এবার বারটেন্ডারের কপাল ও চুলে আস্তে আস্তে হাত বুলাতে লাগলো এবং বললো, “ম্যানেজার কি আছে?”
বারটেন্ডার কোন মতে ঢোক গিলে গলা ভিজিয়ে বললো, “ন.. না।
“মেয়েটি এবার আংগুল দুটো ধীরে ধীরে বারটেন্ডারের কপাল নাক ছুইয়ে তার মুখের ভেতর দিয়ে দিলো! বারটেন্ডার মন্ত্রমুগ্ধের মতো তা ধীরে ধীরে চুষতে থাকলো!
মেয়েটি এবার বারটেন্ডারের কানে ফিসফিস করে বললো, “ম্যানেজার এলে বলো যে লেডিস টয়লেটের টিস্যু শেষ হয়ে গেছে !
07. স্বামী আর স্ত্রী ঘুমাচ্ছে…
ঘুমের মধ্যে স্ত্রী স্বপ্ন দেখছে…
স্ত্রী হটাৎ জোরে চিৎকার করে উঠলো…
“জলদি… পালাও…আমার স্বামী আসছে…”
স্বামী শুনে উঠে তড়িঘড়ি করে জানালা দিয়ে লাফ দিলো!!
08. স্ত্রী ঘরের বাইরে গেছে…
স্বামী ঘরে বসে …স্ত্রীর ছবিতে ডার্ট ছুঁড়ে মারছে… কিন্তু একটাও ছবিতে লাগছে না…
এমন সময় স্ত্রী ফোন দিলো…
স্ত্রীঃ ” কি করছ???”
স্বামীঃ ” তোমাকে খুব miss করছি…”
09. এক লোক হঠাত্ দুপুর বেলা অফিস থেকে বাড়ি ফিরলো।বেড রুমে ঢুকে দেখে তার স্ত্রী আর অপরিচিত এক লোক সম্পূর্ন নগ্ন অবস্হায় খাঁটে শুয়ে যৌনকর্ম করছে।স্ত্রী জোরে জোরে চিত্কাখর করছে।দেখে লোকটির মাথা গরম হয়ে গেল।সে চেচিয়ে উঠলো”তোমরা কি করছ?”
অপরিচিত:গান শুনি
লোক
অপরিচিত:আপনি তো হেডফোনের প্লাগ ই দেন নাই।শুনবেন কেমনে?
10. রাতে বিছানায় দম্পতি শুয়ে আছে। হঠাৎ করে স্বামীর সেক্স করতে ইচ্ছা হলো। সে স্ত্রীর কাঁধে টোকা দিলো এবং হাত ঘষে ইঙ্গিত দিতে লাগলো। স্ত্রী পাশ ফিরে স্বামীকে বললো, “ইয়ে, কাল না আমার গাইনেকোলজিস্ট এর সাথে অ্যপয়েন্টমেন্ট আছে। তাই আমি একটু ফ্রেশ থাকতে চাচ্ছি। আজ তাই সেক্স করবো না।” বেচারা স্বামী আর কি করবে। সে পাশ ফিরে ঘুমানোর চেষ্টা করতে লাগলো। কিন্তু তার আর ঘুম আসে না। শেষে থাকতে না পেরে আবার তার স্ত্রীর কাঁধে টোকা দিলো। এবার সে স্ত্রীর কানে ফিসফিস করে বললো, “কাল কি তোমার ডেন্টিস্ট এর সাথেও অ্যপয়েন্টমেন্ট আছে?”
11. তিন লোক মারা যাওয়ার পর স্বর্গে গেলো
যমদূত জিজ্ঞেস করলো কার কয়টা অবৈধ সম্পর্ক ছিল
১ম লোকঃ১০টা
যমদূত তাকে একটা সাইকেল দিলো
২য় লোক বললঃ৫টা
যমদূত তাকে মোটরসাইকেল দিলো
৩য় লোক বললঃআমি আমার স্ত্রীর প্রতি বিশ্বস্ত ছিলাম
যমদূত খুশি হয়ে তাকে একটা BMW দিলো
পরের দিন ১ম লোকটা দেখল ৩য় লোকটা মন খারাপ করে বসে আছে।
সে জিজ্ঞেস করলো,BMW পাওয়ার পরও তোমার মন খারাপ কেন?
সে উত্তর দিল,সকালে দেখলাম আমার স্ত্রী সাইকেল চালাচ্ছে।
12. স্বামী-স্ত্রীতে বনিবনা হচ্ছিল না। শেষে বিশ্বাসহন্তা স্বামীকে রেগে তালাক দিয়ে দিল স্ত্রী। এরপরও রাগ কমে না। একদিন ভদ্রমহিলা পথের পাশে একটা পুরোন অথচ সুন্দর প্রদীপ পেয়ে হাতে নিল। ঘষা দিতেই বিশাল এক দানব বেরিয়ে এল- “মালকিন, আমি প্রদীপের দানব। আমি আপনার তিনটা ইচ্ছা পূরণ করব। আর আপনি যা চাইবেন, আপনি যাকে দেখতে পারেন না; সে তার দ্বিগুণ পাবে।”
মহিলা তো বিমূঢ়। শেষে বলল, “ঠিক আছে, আমাকে ধনী বানিয়ে দিন।” সঙ্গে সঙ্গে মহিলা ধনী হয়ে গেল। তার স্বামী হয়ে গেল দ্বিগুণ ধনী।
মহিলা এবার দ্বিতীয় ইচ্ছার কথা জানাল- “আমাকে সুন্দর বানিয়ে দিন।” ইচ্ছামত মহিলা সুন্দরী এবং তার স্বামী দ্বিগুণ সুপুরুষ হয়ে উঠল।
দানব বলল, “ঠিক আছে, এবার আপনার শেষ ইচ্ছাটার কথা বলুন।”
মহিলা: ”আমাকে ভয় দেখিয়ে আধমরা করে দিন।”
13. স্ত্রী নতুন গাড়ি চালাতে শিখেছে…
তো সে গাড়ি নিয়ে বাইরে বের হয়েছে…
স্বামী ফোন করে বলল,” সাবধানে গাড়ি চালাও। ট্রাফিক রেডিওতে শুনলাম,কে একজন নাকি Wrong Side এ গাড়ি চালাচ্ছে।”
স্ত্রীঃ “কিসের একজন???এখানে তো শত শত লোক উল্টো দিকে গাড়ি চালাচ্ছে!”

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



