সমকালে প্রকাশিত সংবাদে জামায়াতের প্রতিবাদ
দৈনিক সমকাল পত্রিকায় “পিপি হত্যা : জঙ্গিদের প্রতিশোধ” শিরোনামে গতকাল শুক্রবার প্রকাশিত প্রতিবেদনের একাংশে “পুলিশের শীর্ষস্খানীয় এক কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, পিপি হায়দার হোসেন জামায়াতে ইসলামীর একজন বহিষ্কৃত আমীর। তার সঙ্গে তার নিজ দল জামায়াতের তীব্র মতবিরোধ ছিল। এ বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” মর্মে যে অসত্য তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে তার প্রতিবাদ জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সেক্রেটারী অধ্যাপক মো: তাসনীম আলম গতকাল এক বিবৃতিতে বলেছেন, এ তথ্যের কোন বাস্তব ভিত্তি নেই।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, নাম না উল্লেখ করে পুলিশের শীর্ষস্খানীয় এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে যে বক্তব্য দেয়া হয়েছে তা একেবারেই বানোয়াট ও কাল্পনিক। পিপি হায়দার হুসাইন ছিলেন ঝালকাঠি জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর। পরবর্তীতে তিনি আমীর না থাকলেও জামায়াতের সকল কর্মকাণ্ডে অংশ নিতেন এবং কেন্দ্র থেকে শুরু করে সর্বপর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সাথে তার গভীর সম্পর্ক ছিল। সকলেই তাকে সম্মান করতেন। সুতরাং তার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর কোন মতবিরোধের প্রশ্নই আসে না। তিনি ছিলেন সর্বস্তরের মানুষের নিকট পরিচিত এবং একজন যোগ্য আইনজীবী। দুই বিচারক হত্যা মামলায় সরকার নিযুক্ত প্রধান কৌসুলি হিসেবে জেএমবির ৬ শীর্ষ জঙ্গির বিচারের ব্যাপারে তিনি অত্যন্ত বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছিলেন। দৈনিক সমকালের এ রিপোর্টে আমরা বিস্মিত হয়েছি এবং প্রকৃত খুনীদের আড়াল করার জন্যই এ রিপোর্ট করা হয়েছে কিনা সে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ধরনের অসত্য তথ্য প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকার জন্য তিনি দৈনিক সমকাল পত্রিকা কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আশা প্রকাশ করেছেন যে, অত্র প্রতিবাদটি যথাস্খানে ছেপে সৃষ্ট বিভ্রান্তি নিরসন করবেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


