দালাল
২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৩
বাঘেদের এইপারে আসতে হয় জমিদারি ফলাতে কিন্তু এইপারে বাঘেদের অত খোরাক নেই আর মশা আর গরম আর ঘাম পানি কাদা তাই এইপারে থাবাভাঙা ছালপড়া বাঘেরাই আসে রাজকীয় সম্মানের লোভে অথবা সিভিতে বিদেশ শাসনের মেডেল লাগাতে চ্যাংড়া বাঘেরা কিছু আগ্রহী হয় তবু পুরোটা জমিন জুড়ে লাঠি ঘোরাতে মিনিমাম যত বাঘ দরকার তার সিকিভাগও জোটানো মুশকিল অথবা খরচের বিষয় তাই এইপারে এসে ওরা বাঘালি পোশাক পরিয়ে বিড়ালদের ছোট বাঘ বানিয়ে ঘোড়ার পিঠে তুলে দেয় আর নেড়ি কুত্তারা জি হুজুর বলে বোবা বিড়ালের পায়ে নজরানা ঢেলে বাঘের আনুগত্য ঘোষণা করে আর মিশন সমাপ্ত হলে বিড়ালের শরীর থেকে কস্টিউম খুলে নিয়ে বাঘেরা বিড়ালদের ধন্যবাদ দিয়ে খাল পার হয়ে নিজেদের দেশে ফিরে যায় আর ন্যাংটো বিড়ালেরা দেখে পেছনে ধেয়ে আসছে ক্ষুধার্ত কুকুরের ঘেউ...
২০০৮.০৮.০৮ শুক্রবার
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): হাবিজাবি ;
প্রকাশ করা হয়েছে: কবিতা বিভাগে ।
লেখক বলেছেন:
আমিও বুঝি নাই
ইমরান খান ইমু বলেছেন:
তুলনাটা ভালো লাগলো...যথার্থ...
আরিফুর রহমান বলেছেন:
জব্বর... লীলেন ভাই... দম নিতে পারি এইবার?
ফারিহান মাহমুদ বলেছেন:
তাই এইপারে এসে ওরা বাঘালি পোশাক পরিয়ে বিড়ালদের ছোট বাঘ বানিয়ে ঘোড়ার পিঠে তুলে দেয় আর নেড়ি কুত্তারা জি হুজুর বলে বোবা বিড়ালের পায়ে নজরানা ঢেলে বাঘের আনুগত্য ঘোষণা কর......................বাঘালি পোশাকপরা দালালবিড়ালদের সুন্দর চরিত্রায়ণ।


















তয় হাবিজাবির মইধ্যে কি জানি লুকানো, বুঝি নাই।