আমার প্রিয় পোস্ট

ছায়া ছায়ায় পথ হেটে চলি--ছায়া আমার সামনে ও পিছে।

ছবি কি কথা বলে?

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৩

শেয়ারঃ
0 8 0



আমরা ছাত্র আমরা বল....



আইজ পাইলে খাইছি....



অনেকদিন পর বিরোধী দলের পোলা পাইনরে পাইছি....



সভাপতি হইছো না?... নেও তোমার পুরস্কার!



যাক মাইর খাইলাম... আগামীবার এমপি প্রার্থী কনফার্ম!



জিনিসগুলাতে জং ধইরা গেল... অনেকদিন পর সুযোগ পাইলাম...



আমারে একবার মারছেন তো... শীতের দিনে ব্যথা লাগে না?



জিনিসটা হাতে পাইয়া হিরো হিরো মনে হইতাছে...



ঢি...সা... ঢি...সা... গুল্লি মার...



এইটা হইলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়....!!! এবং ছাত্র সংগঠনের কর্মকাণ্ড...

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৯
মদন বলেছেন: সভাপতি কয় পোলার বাপ? দেইখাতো মনে হয় বুইড়া ভাম, হেয় আবার ছাত্র হয় কেমনে?
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৬

লেখক বলেছেন: বুইড়া না হইলে সভাপতি আবার কেউ হয় নাকি ভাই!

২. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৯
আঁতেল বলেছেন: ব্যাপক হইছে... চালাইয়া জান..............
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৭

লেখক বলেছেন: আজ সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত।

৪. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৬
সাগর ঢাকা বলেছেন: চরম ছবি :) কবে তোলা এই ছবি ? সাস্ট এর কথা মনে পরে গেল :(
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৭

লেখক বলেছেন: আজকের...

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৯

লেখক বলেছেন: হবয়াভ কঠি নছেইক.... হি..হি...

৬. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৮
তৌসিফ বলেছেন: অস্থির ছবি দিলেন। ধন্যবাদ।
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৮

লেখক বলেছেন: স্থির করার প্রচেষ্টা.... ধন্যবাদ।

৭. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৯
িসপাহী বলেছেন: ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার সময় টুকু ও আলিম উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাত করতে প্রশাসনিক ভবনের ভেতরে ছিলেন।

সাক্ষাত শেষে পৌনে ১১ টার তারা বের হয়ে এলে বিদ্রোহীরা তাদের ধাওয়া করে। এসময় সভাপতি টুকু কলাভবনের ভেতরে ঢুকে পড়েন।

পৌনে ১২টার দিকে কলাভবনের পেছনের ফটক দিয়ে তিনি বের হলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা তার ওপর হামলা চালায়। এসময় পুলিশ গিয়ে তাকে ঘিরে রক্ষার চেষ্টা চালালে ছাত্রলীগ কর্মীরা পুলিশের বর্ম ভেদ করে তাকে মারতে থাকে।
এরপর সূর্যসেন হল থেকে একটি সশস্ত্র মিছিল বের করে ছাত্রলীগ। মিছিলকারীরা প্রকাশ্যে চাপাতি, রড, কিরিচ উচিয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে।


বিডি নিউজ ২৪.কম
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৪

লেখক বলেছেন: বিডিনিউজ সত্যি হইলে আপনার কথাটাও সত্যি...

৮. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩০
অনির্বান বলেছেন: ছাএদল ছএলীগ সব ই একই...
৯. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩০
ইযাচিন মিযা বলেছেন: জিনিসটা হাতে পাইয়া হিরো হিরো মনে হইতাছেতো
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: ভুল কইছি নাকি ভাই?

১০. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩১
এস এম মোমিন বলেছেন: ভাই জবাব নাই, বাহ! ছাত্রদল বাহ!
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৭

লেখক বলেছেন: সব দলেই একই সমস্যা। ভাইরাস আছে ক্লিনার নাই।

১১. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৪
ফান্টুস বলেছেন: আম্রা শক্তি আমরা বল আম্রা ছাত্রদল
১২. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৭
'লেনিন' বলেছেন: সব ক্যাডারবাজ ছাত্রসংগঠনের ধ্বংস চাই।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৮

লেখক বলেছেন: ছাত্র সংগঠনের আগে ছাত্র নামে অছাত্রদের সংগঠন বিলুপ্ত হওয়া দরকার!

১৩. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪০
শ।মসীর বলেছেন: সাবাস বাংলাদেশ.......।দেশ আবারও স্বাধীন করার টাইম আইসা গেছেত :):)
১৪. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪৫
সত্য কথা তাই তিতা লাগে বলেছেন: সাক্ষাত শেষে পৌনে ১১ টার তারা বের হয়ে এলে বিদ্রোহীরা তাদের ধাওয়া করে। এসময় সভাপতি টুকু কলাভবনের ভেতরে ঢুকে পড়েন। পৌনে ১২টার দিকে কলাভবনের পেছনের ফটক দিয়ে তিনি বের হলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা তার ওপর হামলা চালায়। এসময় পুলিশ গিয়ে তাকে ঘিরে রক্ষার চেষ্টা চালালে ছাত্রলীগ কর্মীরা পুলিশের বর্ম ভেদ করে তাকে মারতে থাকে। এরপর সূর্যসেন হল থেকে একটি সশস্ত্র মিছিল বের করে ছাত্রলীগ। মিছিলকারীরা প্রকাশ্যে চাপাতি, রড, কিরিচ উচিয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে।


সাবাশ !! সাবাশ !!!
এই না হলে হাসিনার পোলা !!!
ডিজিটাল পোলা !!!
১৫. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪৮
সত্য কথা তাই তিতা লাগে বলেছেন: এস এম মোমিন বলেছেন: ভাই জবাব নাই, বাহ! ছাত্রদল বাহ!

===============================

সাক্ষাত শেষে পৌনে ১১ টার তারা বের হয়ে এলে বিদ্রোহীরা তাদের ধাওয়া করে। এসময় সভাপতি টুকু কলাভবনের ভেতরে ঢুকে পড়েন।

পৌনে ১২টার দিকে কলাভবনের পেছনের ফটক দিয়ে তিনি বের হলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা তার ওপর হামলা চালায়। এসময় পুলিশ গিয়ে তাকে ঘিরে রক্ষার চেষ্টা চালালে ছাত্রলীগ কর্মীরা পুলিশের বর্ম ভেদ করে তাকে মারতে থাকে।
এরপর সূর্যসেন হল থেকে একটি সশস্ত্র মিছিল বের করে ছাত্রলীগ। মিছিলকারীরা প্রকাশ্যে চাপাতি, রড, কিরিচ উচিয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে।

========================

ছাত্রলীগের খুব জবাব আছে.......................বাহ রে বাহ !!!!
১৬. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৪
ফেরারী... বলেছেন: ভাই জিনিস তো দিছেন সেই রকম...:D :D
১৭. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৯
সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: comment by: মদন বলেছেন: সভাপতি কয় পোলার বাপ? দেইখাতো মনে হয় বুইড়া ভাম, হেয় আবার ছাত্র হয় কেমনে?
আঁতেল বলেছেন: ব্যাপক হইছে... চালাইয়া জান..............
সত্য কথা তাই তিতা লাগে বলেছেন: এস এম মোমিন বলেছেন: ভাই জবাব নাই, বাহ! ছাত্রদল বাহ!
comment by: শ।মসীর বলেছেন: সাবাস বাংলাদেশ.......।দেশ আবারও স্বাধীন করার টাইম আইসা গেছেত
comment by: অনির্বান বলেছেন: ছাএদল ছএলীগ সব ই একই...
comment by: ইযাচিন মিযা বলেছেন: জিনিসটা হাতে পাইয়া হিরো হিরো মনে হইতাছেতো
ফান্টুস বলেছেন: আম্রা শক্তি আমরা বল আম্রা ছাত্রদল
লেনিন' বলেছেন: সব ক্যাডারবাজ ছাত্রসংগঠনের ধ্বংস চাই।
আমার আবার কি মত?
১৮. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৪
টি-ভাইরাস বলেছেন: মারা মারি কাদের মাজে করে , কোন দোল আর কোন দোল
১৯. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৬
জিসান শা ইকরাম বলেছেন: ঢাবিতে ছাত্রদলের গোলাগুলি, ছাত্রলীগের সশস্ত্র মহড়া


Mon, Jan 18th, 2010 12:37 pm BdST

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জানুয়ারি ১৮ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- নতুন কমিটিতে জায়গা পাওয়া নিয়ে সোমবার সকালে বিএনপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদলের পদপ্রাপ্ত ও 'পদবঞ্চিত' নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

সংঘর্ষের কারণে ক্লাস নেওয়া বন্ধ হয়ে যায়।

এসময় সরকার সমর্থক ছাত্রলীগও সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছে, ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দীন টুকু ছাত্রলীগের হামলায় আহত হয়েছেন।

আহত হয়েছেন প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম খান ও শাহবাগ থানার ওসি রেজাউল করিম।

সাইফুল ইসলামকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল এবং ওসিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এসময় ছাত্রদলের দু' পক্ষ পরস্পরকে লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি ককটেল নিক্ষেপ করে। কয়েকটি গুলির শব্দও শোনা যায়। সংঘর্ষ থামাতে কাঁদানো গ্যাসও নিক্ষেপ করে পুলিশ।

পরে ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মী সশস্ত্র মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে।

ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ উদ্ধার করেছে একটি ককটেল।

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, ভোর সাড়ে ৬টার দিকে ছাত্রদলের নতুন কমিটির কেন্দ্রীয় নেতারা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে এলে কেন্দ্রীয় মসজিদের কাছে বিদ্রোহী গ্র"পের কর্মীদের বাধার মুখে পড়েন। সেখানে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষে একজন বহিরাগত আহত হয়। পরে বিদ্রোহী গ্র"পের কর্মীরা প্রশাসনিক ভবন, জসিমউদ্দিন ও সূর্যসেন হলের আশপাশে অবস্থান নেয়।

সেমসময় ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ''বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আমরা ক্যাম্পাসে যাব বলে সেখানে কর্মীরা সমবেত হচ্ছে। এক্ষেত্রে কেউ বাধা দিলে ছাত্রদল সাধারণ ছাত্রদের নিয়ে তা মোকাবিলা করবে।''

বিদ্রোহী গ্র"পের নেতা আহসান উদ্দিন খান শিপন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ''নতুন কমিটি গঠনে ত্যাগী নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন করা হয়নি। ওই কমিটিকে আমরা ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছি। তারা এলে প্রতিরোধ করা হবে।''

বিদ্রোহী গ্র"পের সংঘর্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন সাবেক সমাজকল্যাণ সম্পাদক আহসান উদ্দিন খান শিপন।

এসময় নতুন কমিটির কেন্দ্রীয় নেতা-কর্মীরা মধুর কেন্টিন, কলাভবন ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের কাছে অবস্থান নেয়। এ গ্র"পের সংঘর্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল হক নাসির।

বেলা ১০টার দিকে ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দীন টুকু ও সাধারণ সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান আলিম ক্যাম্পাসে আসেন। এরপর ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান নেওয়া তাদের সমর্থকরা মধুর ক্যান্টিনে জড়ো হয়। তারা একত্রে প্রশাসনিক ভবনের দিকে যেতে থাকেন। মল চত্বরে যাওয়ার পর আগে থেকে অবস্থান নেওয়া বিদ্রোহীরা তাদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। তারাও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে প্রতিরোধ ও পাল্টা হামলা চালায়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ পরস্পরকে লক্ষ করে বেশ কিছু ককটেল নিক্ষেপ করে ও বিস্ফোরণ ঘটায়। এসময় বেশ কয়েক রাউন্ড গুলির আওয়াজও পাওয়া যায়।

ইটপাটকেল নিক্ষেপের পর উভয়পক্ষের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলে। রড, কিরিচ নিয়ে তারা পরস্পরের ওপর হামলা চালায়। সংঘর্ষকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ আট রাউন্ড টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে।

ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার সময় টুকু ও আলিম উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাত করতে প্রশাসনিক ভবনের ভেতরে ছিলেন।

সাক্ষাত শেষে পৌনে ১১ টার তারা বের হয়ে এলে বিদ্রোহীরা তাদের ধাওয়া করে। এসময় সভাপতি টুকু কলাভবনের ভেতরে ঢুকে পড়েন।

পৌনে ১২টার দিকে কলাভবনের পেছনের ফটক দিয়ে তিনি বের হলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা তার ওপর হামলা চালায়। এসময় পুলিশ গিয়ে তাকে ঘিরে রক্ষার চেষ্টা চালালে ছাত্রলীগ কর্মীরা পুলিশের বর্ম ভেদ করে তাকে মারতে থাকে।

সংঘর্ষে ছাত্রলীগ...

সংঘর্ষ চলাকালীন সূর্যসেন হল ছাত্রলীগের সভাপতি সাঈদ মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক তুহিনের সমর্থকরা বিদ্রোহীদের সমর্থন ও সাহায্য করে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

এ বিষয়ে সাঈদ মজুমদার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "আমরা ছাত্রদলের অভ্যন্তরীন কোন্দলে জড়াইনি। কিন্তু পুলিশ কোন্দলের সময় হলের দিকে টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করায় আমরা ছাত্রদলকে প্রতিহত করেছি।"

খালেদা জিয়া একজন জঙ্গিকে ছাত্রদলের সভাপতি বানিয়ে ক্যাম্পাসে জঙ্গিবাদকে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন অভিযোগ করে তিনি বলেন, "সাধারণ ছাত্র ও ছাত্রলীগ তা কখনোই মেনে নেবে না এবং প্রতিহত করবে।"

এরপর সূর্যসেন হল থেকে একটি সশস্ত্র মিছিল বের করে ছাত্রলীগ। মিছিলকারীরা প্রকাশ্যে চাপাতি, রড, কিরিচ উচিয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে।

সাঈদের দাবি, সংঘর্ষে ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক শওকত দু'জন আহত হয়েছেন।

ছাত্রলীগের কর্মীরা খণ্ড খণ্ড হয়ে মিছিল নিয়ে মধুর ক্যান্টিনের দিকে আসছিল।

এদিকে আহত হওয়ার আগে সকাল ১০টার দিকে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে জানিয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে শাহবাগ থানার ওসি রেজাউল করিম বলেন, ''পর্যাপ্ত পুলিশ ক্যাম্পাসে মোতায়েন করা হয়েছে।''

আহতদের মধ্যে মহসিন হল ছাত্রদল নেতা শোভন (২২), এফ রহমান হল ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মুকুল (২৪), ছাত্রদল কর্মী শিপন (২৩), সূর্যসেন হল ছাত্রদলের কর্মী ইমুকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া শাহবাগ থানার ওসি রেজাউল করিম কপালে ও কনস্টেবল ফিরোজ বুকে আঘাত নিয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।


গত ১ জানুয়ারি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সভাপতি ও আমিরুল ইসলাম খান আলিম সাধারণ সম্পাদকসহ ১৭১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গ্র"প ওই কমিটিতে দুর্নীতিবাজ ও অছাত্রদের স্থান দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করে বিদ্রোহ ঘোষণা করে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/প্রতিনিধি/এসএম/জিএমএ/জিএনএ/১৩০৬ ঘ.



িসপাহী সাব,অর্ধেক খবর দিয়া দৃষ্টি অন্য দিকে ঘুরাতে চান কেন।আপনার বিডি নিউজ২৪.কম এর সম্পুর্ন খবর টা দিলাম।আপনার বিডি নিউজ২৪.কম এর ছবি দেখুন নিচের লিংক এ।
এধরনের ঘটনা আমাদের ঘৃনা করা কর্তব্য।

Click This Link
২০. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৪
ফাহমিদ বলেছেন: এ থেকে মুক্তির উপায় আমাদের কেই বের করতে হবে।

আসুন না সবাই মিলে এই দেশ এই জনপদ কে মুক্ত করি
ফিরিয়ে আনি বিশ্ববিদ্যালয়গুলি কে শুধুমাত্র মানুষ গড়ার
প্রতিষ্ঠান হিসেবে।

২১. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৪
রাঙ্গাকলম বলেছেন: ঘৃণা সকল নেতা নেত্রী খালেদা এবং হাসিনাকে।

এরাই আজকের এই অবস্থার জন্য দায়ী।

ছাত্রদের মূল রাজনীতি থেকে মুক্ত করে শুধুই ছাত্র রাজনীতিতে ফিরিয়ে দেয়া হোক।

আবার ঘৃণা জানাচ্ছি, যারা এই ঘটনার আগে পিছে আছে। সবাইকেই
২২. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৩
একজন আমি বলেছেন: @লেখক

জিসান শা ইকরাম এর কথার জবাব দেন..
২৫. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৮
অজানা আমি বলেছেন: 'লেনিন' বলেছেন: সব ক্যাডারবাজ ছাত্রসংগঠনের ধ্বংস চাই।
২৬. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৩
লুথা বলেছেন:

++++++++++++++++++এরা ছাত্র ???
২৭. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৪
সুমন_ফকির বলেছেন: দশের শুভ কামনায় রাজনীতি হোক তবে এটা নয়।
২৮. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩২
মুভি পাগল বলেছেন: আল্লাহরে, এই তাণ্ডব কোন জায়গায় ঘটছিল?

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৪১৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কেউ লেখা বেচে খায়, কেউবা অন্য কিছু বেচে লেখে। অনেকে আছে এমনি এমনি লেখে। আমিও তেমনি। লেখি নিম্নমানের। ব্যক্তিগতভাবে আমি...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই