আমার প্রিয় পোস্ট
- Free Movies Download (direct) - আশরাফ৪৫৯
- দর্শনের আলোকে নাস্তিক আস্তিক সমাচার - নাস্তিকের ধর্মকথা
- বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর.............. - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ইউটিউবের ভিডিও ডাউনলোড করুন
- মুয়ীয মাহফুজ
- মিথ্যার বেসাতি : নীল আর্মস্ট্রং এর মুসলিম হয়ে ওঠার ইসলামী কল্পকাহিনী - লাইটহাউজ
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- সহজ কথায় বিবর্তন ও বিগ ব্যাং থিওরী - লাইটহাউজ
- সহজ প্রশ্ন : নবী-পয়গম্বররা কেন খালি আরব ভূমিতে আর অবতাররা কেন খালি ভারতে জন্মান? - লাইটহাউজ
- Esnips থেকে গান ডাউনলোডের উপায় - রাশেদ
- বাংলা গান ডাউনলোডের জন্য সবচে ভাল সাইট কোনটি? - কেএসআমীন
- ইতিহাস খুড়ে দেখা : মুজিবনগর সরকার, স্বাধীনতার ঘোষনাপত্রের মুল দলিল এবং মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক - মিরাজ
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীকে নিয়ে কিছু কথা - অমি রহমান পিয়াল
- "গন্ডগোলের দিন গুলি" গো.আ সাহেবের একাওর নামা
- লাল দরজা
- জগন্নাথ হল, ২৬শে মার্চ, ১৯৭১ - রাগিব
- বুদ্ধদেব বসু - আমার প্রিয় লেখক - লাইটহাউজ
- যীশু আর সক্রেটিস : পর্ব - ১ - লাইটহাউজ
- শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস - লাইটহাউজ
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আমাদের জাতীয় সঙ্গীত ও ত্রিভুজ গোত্রীয়দের বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেস্টা - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
'কাটায়ে উঠেছি ধর্ম আফিম নেশা/ধ্বংস করেছি ধর্ম যাজকী পেশা,/ভাংগি মন্দির ভাংগি মসজিদ/ভাংগি গীর্জা--গাহি সংগীত' - নজরুল

তবে কি টাইটানিক ডুবলো মমির অভিশাপে?
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:০৮
কোনদিনও ডুববে না এমন দাবি করে ১৯১২ সালে প্রথম বিহারেই ১৫০০ যাত্রী নিয়ে বিলাসবহুল টাইটানিক আটলান্টিক মহাসাগরে ডুবে যাবার পর যে সকল কাহিনী প্রচারিত হয়েছিল তাদেরই একটি এক অভিশপ্ত মমির অভিশাপ। আর এই মমিটি ইজিপ্টের রাজকুমারী আমেন রা এর। বলা হয় মমির অভিশাপের কারনেই ভাসমান বরফদ্বীপের সাথে ধাক্কা খেয়েছিল টাইটানিক। গল্পটি বহু বছর ধরে প্রচারিত হলেও এর পালে হাওয়া লাগে অস্কার বিজয়ী টাইটানিক ছবিটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাবার পর।
গল্পটি এরকম - ১৮৯০ সালের শেষার্ধে এক ধনী ইংরেজ লুক্সরের কাছে এক প্রত্নতাত্নিক খননকাজ দেখতে যান। তিনি সেখান থেকেই কেনেন কফিনশুদ্ধ রাজকুমারীর এই মমিটি। এরপর তিনি জাহাজে করে মমিটি দেশে পাঠাবার ব্যবস্থা করেন কিন্তু বন্দরে মমিটি গ্রহণ করার জন্য আর উপস্থিত থাকতে পারলেন না। তিনি অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিলেন। বাস্তবিকই তাকে আর কোনদিনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তার সঙ্গী অপর তিন জনের একজন কিছুদিন পরেই মারা যান, দুর্ঘটনায় একজনের হাত কাটা পড়ে আর অপরজন ব্যাংক ফেল করায় সর্বসান্ত হন।
কফিনটি ইংল্যান্ডে পৌছলে একজন ব্যবসায়ী তা কিনে নেন। এর ফলে সেই ব্যবসায়ীর পরিবারের তিনজন মোটর দুর্ঘটনায় আহত হন এবং তার বাড়ীতে আগুন লাগে। মমিটিকে অভিশপ্ত মনে করে সেই ব্যক্তি এটি ব্রিটিশ মিউজিয়ামে দান করে দেন।
মিউজিয়াম এটিকে সাদরে গ্রহণ করলো। কিন্তু মিউজিয়ামের কর্মচারীরা রাত্রিবেলা শুনতে পেল কফিনের ভেতর থেকে তীব্র কান্নাস্বর। প্রদর্শনী কক্ষের জিনিসপত্রগুলো সব এলোমেলোভাবে পড়ে থাকতে দেখা গেল। মারা গেল এক প্রহরী। এ কথা জানতে পেরে এক ফটোগ্রাফার কফিনের ছবি তুলে আনলেন। ছবি ডেভেলপ করার পর ছবিতে যে বীভৎস রূপ তিনি দেখলেন তাতে আত্নহত্যা করেই তিনি মুক্তির পথ খুঁজলেন।
ব্রিটিশ মিউজিয়ামও আর এসব সহ্য করতে পারছিল না। কিন্তু মমিটির কুখ্যাতি এতটাই ছড়িয়েছিল যে এ থেকে তারা সহজে মুক্তি পাননি। অবশেষে একজন আমেরিকান প্রত্নতত্ত্ববিদ এসব কিছুকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়ে কিনে নিলেন মমিটি আর টাইটানিকে চড়িয়ে দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করলেন। আর এরপরের ঘটনা তো সবারই জানা।
তবে এই গল্পের আরেকটি ভার্সনে বলা হয় সেই প্রত্নতত্ত্ববিদ টাইটানিকের এক নাবিককে ঘুষ দিয়ে মমিটি লাইফবোটে তোলেন এবং এটি আমেরিকা পৌছায়। এরপর মমিটি আবার হাতবদল হয়ে আরো কয়েকবার সমুদ্রবিহার করে অবশেষে সাগরতলে আশ্রয় নেয়।
এটি কি সত্যি? না কোন ফালতু কাহিনী?
তবে শিপিং রেকর্ডে খোঁজ করে টাইটানিকে কোন মমি তোলার সত্যতা পাওয়া যায়নি। তবে এর বিরুদ্ধে যুক্তি দিয়ে বলা হয় যে সেই প্রত্নতত্ত্ববিদ নাকি এটি গোপনে বিদেশে পাচার করছিলেন। আবার দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া কোন যাত্রীও লাইফবোটে মমি ওঠানোর কথা উল্লেখ করেননি। তাছাড়া কোন উদ্ধারকারীও মমির কথা তাদের প্রতিবেদনে প্রকাশ করেননি।
সম্ভবত এই গল্পের সূচনা হয় ডগলাস মুরে ও টি. ডব্লিউ. স্টিড নামক দুই ইংরেজের কাছ থেকে। তারা দাবি করেন যে তাদের এক সহযোগী ইজিপ্ট থেকে একটি মমি কিনে তার বাসার বসার ঘরে এটি সাজিয়ে রাখে। পরদিন সকালে দেখা গেল ঘরের সব ভঙ্গুর বস্তুগুলো হয়েছে ভেঙ্গে চুড়মাড়। এবার ঘর পাল্টে দেয়া হল। কিন্তু পরের সকালে দেখা গেল ফল সে একই।
দুজনেই ব্রিটিশ মিউজিয়ামে মমির কফিনটি দেখতে গিয়েছিলেন। শুধুই কফিন, আসলে সেখানে কোনদিনই কোন মমি ছিল না। তাদের মনে হল কফিনের ডালার গায়ের ছবিটি ভীতিকর। এরপর ভাংচুর আর ভয়ংকর ডালার গল্প দুটি জোড়া দিয়ে নতুন গল্পটি বিক্রি করে দিলেন পত্রিকার কাছে। পরে এই কাহিনীতে ঘটে টাইটানিকের অর্ন্তভুক্তি। এই খবর প্রকাশিত হয় ওয়াশিংটন পোস্ট, নিউ ইয়র্ক টাইমস সহ আরো অনেক পত্রিকায়।
সম্ভবত এই গল্পে টাইটানিকের অংশটুকু ঢোকানোর প্রেরণা দিয়েছিল ১৮৩৮ সালে মেনকরের কফিন হারিয়ে যাওয়া। প্রাচীন রাজত্বকালের সবচেয়ে উৎকৃষ্ট উদাহরণ হিসাবে বিবেচিত হওয়া এই কফিনটি আনা হচ্ছিল ইজিপ্ট থেকে ইংল্যান্ডে। দ্য বিট্রাইস নামের জাহাজটির কার্টাগিনার কাছে কোথাও সলিল সমাধি হলে এটিও সাগরতলে নিমজ্জিত হয়।
তবে ব্রিটিশ মিউজিয়াম এ সকল কাহিনী সবসময়ই অস্বীকার করে আসছে। আর রাজকুমারী আমের রা-এর কফিনটি এখনো ব্রিটিশ মিউজিয়ামে শান্তিতেই আছে। প্রতি বছর হাজার হাজার দর্শক আসে শুধু এই অভিশপ্ত মমির কফিনটি দেখতে।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
শীখা বলেছেন:
পড়ে ভালোলাগলো +
লেখক বলেছেন: আপনাকে স্বাগতম আমার ব্লগে।
শয়তান বলেছেন:
চেক ইউর সোর্স এগেইন।আমি ত জানি আমন রা পুরুষ ছিলেন ।
আর রাজকুমার নন তিনি সর্বকনিষ্ঠ রাজাই ছিলেন ।
পোস্ট টা শোকেজড্ । পরে পড়বো ।
লেখক বলেছেন: "The Princess of Amen-Ra"
প্রিন্সেস মানে যদি হয় রাজকুমারী তবে তিনি তাই।
কোথাও কোথাও অবশ্য তাকে ফারাও বলা হয়েছে।
সাবাডিয়া বলেছেন:
গল্প টা খুউব ভাল লাগল লাইট হাউজ। ++তবে আমুন রা সম্পর্কে ভুল ধারনা রয়েছে মনে হয়। ব্লগার শয়তান ও ঠিক বলতে পারেন নি। উনি "টুট আনখ আমেন" এর সাথে "রা" গুলিয়ে ফেলেছেন।
"রা" বা "আমুন রা" হলেন ফারাও দের প্রধান দেবতা। উনি রাজ কুমার বা কুমারী ছিলেন না।
আমি ফারাও দের ইতিহাস এ খুবি ইন্টারেস্টেড। আপনি যদি কোন পোস্ট দেন আনন্দিত হতাম।
লেখক বলেছেন: আমেন রা যদি দেবতা হন তবে তার মমি হয় কিভাবে?
ইজিপ্ট সম্পর্কে আমিও খুব আগ্রহী।
আমার ব্লগ নিয়মিত পড়লে আপনি অখুশি হবেন না মনে হয়।
অনামিকা বলেছেন:
আমার কবি বন্ধু দু:খ পাবে শুনে। এ ভাবে বলবেন না @ স্রোত
শয়তান বলেছেন:
সাবাডিয়া বলেছেন:ব্লগার শয়তান ও ঠিক বলতে পারেন নি। উনি "টুট আনখ আমেন" এর সাথে "রা" গুলিয়ে ফেলেছেন।
ধন্যবাদ । আমার ভুলটা ধরিয়ে দেবার জন্য।
@ লাইটহাউজ আমি দুঃখিত ।
লেখক বলেছেন: ইজিপ্টের অধিবাসীরা তাদের রাজা বা ফারাওদের দেকতা মনে করতো।
ব্লুজ বলেছেন:
সত্য মিথ্যা যাই হোক পড়ে ভাল লেগেছে আমার, আমিও এরকম শুনেছিলাম। আপনি এটা নিয়ে লিখলেন, এই ব্লগের আবার না জানি কি হয় আমেন রা এর অভিশাপে :-)
লেখক বলেছেন: একটা মজার কথা বলি
এই লেখাটা লেখার পরে আমার আম্মুকে গল্পটা বলি।
আমার আম্মু ভয় পেয়ে বলল লেখাটা মুছে ফেলতে। আমার না জানি আবার কি হয়!!!
এখনো কুসংস্কার ভরা মানুষের মনে।
ব্লুজ বলেছেন:
+
সাবাডিয়া বলেছেন:
পোস্ট টা শোকেইস এ রাখলাম
শয়তান বলেছেন:
স্টারগেট ছবিটা দেখেছেন@ লাইটহাউজ এবং সাবাডিয়া ?
লেখক বলেছেন: দেখিনি। এর বিশেষত্ব কি?
শয়তান বলেছেন:
অনেক মজার একটা মুভি । আমন রা কে নিয়ে । একটু সাই-ফাই টাইপ । স্টার মুভিজ না এইছবিও তে কয়েকদিন দেখাতো তো ।
লেখক বলেছেন: খুঁজে পেলে ডিভিডি কিনব।
সাবাডিয়া বলেছেন:
আমার কাছে আছে ওইটা
সাবাডিয়া বলেছেন:
পরে অই মুভি থেকে টিভি সিরিজ করা হয়। স্টারগেট এস জি ওয়ান আর স্টার গেট আটলান্টিস।আমি কনফার্মেসন দিচ্ছি আপনাদের ভাল লাগবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
অক্ষর বলেছেন:
শোকেজে রাখলাম না, যদি ভেঙ্গে যায়!!! এই ভয়ে...
শয়তান বলেছেন:
সাবাডিয়া বলেছেন: পরে অই মুভি থেকে টিভি সিরিজ করা হয়। স্টারগেট এস জি ওয়ান আর স্টার গেট আটলান্টিস। এর মাঝের একটাকে ভাষান্তর করে মনেহয় বাংলাভিশনে দেখায় ।
দুএকটা পার্ট দেখে তত ভালো লাগেনী
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
অমুক মরলো তমুক মরলো, এটা ভাঙলো সেটা ধ্বংস হলো, কিন্তু বৃটিশ মিউজিয়ামের কিছুই হলো না!
অভিশাপে তো বৃটিশ মিউজিয়াম গুড়িয়ে যাবার কথা ছিলো। আমেন রা-র দলতো সেখানে অনেক ভারীই হবার কথা। অভিশাপের পরিমানটাও বৃহৎ হওয়ার কথা তদানুসারে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














