আমার প্রিয় পোস্ট

'কাটায়ে উঠেছি ধর্ম আফিম নেশা/ধ্বংস করেছি ধর্ম যাজকী পেশা,/ভাংগি মন্দির ভাংগি মসজিদ/ভাংগি গীর্জা--গাহি সংগীত' - নজরুল

আল্লাহর নাম কাশ্মীরের আকাশে বনাম প্রকৃতি

২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:২৫

শেয়ারঃ
0 2 0

আল্লাহর নাম কাশ্মীরের আকাশে দেখা গেছে আরবী হরফে।
এবার আমি আপনাদের দেখাই প্রকৃতিকে।

কি বলবেন এবার?
একটি ভদ্র ছবি দিলাম এখানে। বাকীগুলো দেখতে -
http://haha.nu/funny/nature-is-sexy/

বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদদের মাইন্ডে লাগলে নিজগুনে ক্ষমা করবেন।

 

সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৩০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:২৯
বুমবুম বলেছেন: এই বৃক্ষ কুন দেশে?ফাকিস্তান?
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: লিংক দেওয়া ওয়েবসাইটটিতে খোঁজ করুন।

২. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৩১
সাবাডিয়া বলেছেন: আসল কথা হল এমন ঘটনা সব সময় ই ঘটে। বিভিন্ন জন বিভিন্ন ভাবে দেখে।
ব্যাপার টা ফটো গ্রাফারের মনে। উনি যেভাবে দেখতে চান সেই ভাবে আমাদের কে দেখান
পোস্টের জন্ন +
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: সহমত

৩. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৩৩
জেনারেল বলেছেন: নগ্ন ছবি দেওয়ার জন্য লাইটহাউজের ব্যান চাই
৪. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৩৫
স্নোবল বলেছেন: জটিল সব পিকচার...আমাগো বুয়েট পাশ এঞ্জিনিয়ার আউরাংয়ের কাছে নিশ্চঈ বেখ্যা আচে এগুলার।
৬. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৩৭
সাবাডিয়া বলেছেন: জেনারেল এই ছবি দেখতেও যেতে হবে
৭. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৩৯
জেনারেল বলেছেন: সাবাডিয়া তাইলে আইডিয়া লইয়া তুমি একটা পুষ্ট দাও,
আমি আছি তুমার লগে, সাথে লাইঠাউজের নেওন লাগবো, বন বাদারে গেলে লাইট ছাড়া চুকে দেখা যাবে না :)
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৪২

লেখক বলেছেন: আয়োজন করেন ... যাবো।

৮. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৪৬
সাবাডিয়া বলেছেন: এইটা কোথাকার ছবি লাইট হাউজ(বার বার লাইঠাউজ হইয়ে জাচ্ছে)?
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৫১

লেখক বলেছেন: একটু কষ্ট করে ওই ওয়েবসাইটের নীচের দিকে খোঁজ করেন।

৯. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৫১
শয়তান বলেছেন: স্নোবল বলেছেন: জটিল সব পিকচার...আমাগো বুয়েট পাশ এঞ্জিনিয়ার আউরাংয়ের কাছে নিশ্চঈ বেখ্যা আচে এগুলার।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৫২

লেখক বলেছেন: ব্যাখ্যা দেবার জন্য তারা কষ্ট করে এই ব্লগে আসবেন বলে মনে হয় না।

১০. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:১০
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন: ‘আল্লাহ’ কন্সেপ্টটা এত সস্তা না যে আকাশে বাতাসে দিয়ে প্রমান করতে হবে! যারা এসব দিয়ে প্রমান করতে চায় তাদের মত অশিক্ষিতদের কথায় নেচে আপনি নিজেকে কী প্রমান করলেন, আপনি-ই বলেন।
১১. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:২২
মামু বলেছেন: ফারজানা মাহবুবা@ সহমত।

আগামীকাল যদি আরেকটা লিকা দেখা যায় যাতে সৃষ্টিকর্তার নামে খারাপ কিচু প্রদর্শন হইল তাইলে কি কইবেন?
১২. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৩৮
কালপুরুষ বলেছেন: এই ছবিটা ফেক বলে মনে হচ্ছে। প্রকৃতি বর্তমান এক গাছের শাখা প্রশাখার সাথে ব্যালে নৃত্যরতা কোন রমনীর বিমূর্ত ছবিকে বিশেষ কায়দায়, শৈল্পিক নিপূণতায় একটা অনুপম চিত্রকে প্রাকৃতিক নিদর্শন হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিশেষ করে গাছের ডালপালা আর কান্ডের মধ্যে তেমন কোন প্রাকৃতিক ভাবে দৃশ্যমান জোড়ালো কোন বন্ধন নেই বা ডালপালার উৎসগুলো কান্ডের সাথে তেমনভাবে যুক্ত নয় বলেই মনে হচ্ছে। আর কান্ডের উপর কৃত্তিম ধুসর ব্রাশের যে ছোঁপ দেখা যাচ্ছে তাতে মানুষের অঙ্গের ভাঁজ ফোটানোর চেষ্টা করা হয়েছে। বিশেষ করে নিতম্বের কাছে যে ভাঁজটা ডান পা হিসেবে টান টান হয়ে আছে তা যে কোন গাছেরই শাখা হোকনা কেন ঐভাবে বাড়বে না, গাছের মরীর মানব শরীরের মত পেলব নয়। খুব ভাল করে দেখলে বোঝা যাবে এটা কোন পেইন্টিংস যর সাথে প্রকৃতি থেকে নেয়া আলোকচিত্রের সাথে সুপারইমপোজ করে একটা ধাঁধার সৃষ্টি বা তৃতীয়মাত্রার কোন শিল্প সৃষ্টি করা হয়েছে।

ধর্ম বা আল্লাহ সংক্রান্ত ইস্যু নিয়ে জটিলতার মধ্যে যেতে চাইনা বলে আল্লাহর লেখা ছবির বিষয় নিয়ে কিছু বলতে চাইনা। বিশ্বাসে মিলায়রে বস্তু তর্কে বহুদূর। যার যার বিশ্বাস তার তার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি।
১৩. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৭
সূফি বলেছেন: জয় কালপুরুষ দা । একটা গাছও উনার নজর হইতে মুক্ত নয় । গাছের নিতম্বের মাঝে ব্রাশের ছোয়াও উনি দেইখা ফালাইছেন ।

আল্লাহপাক ,এই সব নিরীহ গাছদের ইজ্জত রক্ষা করুন । আমীন ।
১৪. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০১
কালপুরুষ বলেছেন: আরো একটু যোগ করতে চাই। প্রকৃতিতে সকল বৃক্ষের ডালপালা কান্ডের চারপাশে বর্দ্ধিত হয়। কখনই কোন বৃক্ষের যে কোন একটা দিক সম্পূর্ণ শাখা-প্রশাখাবিহীন বৃদ্ধি পাওয়াটা অনেকটাই অবস্তব। এখানেও তাই, আমরা যেদিক থেকে ছবিটা ভিজ্যুয়ালাইজ করছি সেদিকে কোন শাখা-প্রশাখর নেই, পত্র-পল্লব কিছুই নেই, শুধু কান্ড সাদৃশ্য একটা নগ্ন নর্তকীর বিমূর্ত ছবিটাই অবলোকন করছি। অথচ এই প্রতিকৃতিটা শাখা-প্রশাখা কিংবা পাতার আড়ালে ঢাকা পড়ার কথা। তা কিন্তু হয়নি।
১৫. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১৭
শয়তান বলেছেন: @ কালপুরুষ আপনি ভুল ।
যদি গাছটাকে এই ফটোগ্রাফারের এংগেল থেকে দেখেন তাহলে এমনই লাগবে । আর আপনার ইচ্ছাকৃত অন্য এংগেলে এটা একটা নিরেট হিজিবিজি গাছই লাগবে ।
১৬. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১৮
কালপুরুষ বলেছেন: সুফি,
আমর মতো আপনিও দেখছেন। আমি যা দেখছি আপনিও তাই দেখছেন। কিন্তু পার্থক হলো এই যে সূফি হিসেবে আপনি বৃক্ষের আড়ালে দাঁড়িয়ে বৃক্ষের অসতর্ক আব্রু নিয়ে ভাবছেন, আর আমি সেই বৃক্ষের নান্দনিকতা বা শিল্প নিয়ে ভাবছি। আপনি শারীরিক পুলক অনুভব করছেন আর আমি মানসিক প্রশান্তি। আপনি চোখে সুরমা লাগিয়ে সব কিছু স্বচ্ছ দেখার চেষ্টা করেন, আর আমি নিজের অন্ধত্ব নিয়ে শিল্পের আলো খুঁজে বেড়াই। তফাৎটা এখানেই। সবই দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপার। পরনে বলনে সুফি না হয়ে অন্তরে সুফি হউন কাজে দেবে। আলখেল্লার নীচে নাপাক শরীর গোছলে শুদ্ধ হবে হয়তো কিন্তু অন্তরের ময়লা কী তাতে পরিষ্কার হবে?
১৭. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১৮
স্নোবল বলেছেন: গাছের কথা বাদ দেন, লিঙ্ক যেটা দেওয়া আছে, সেটার সব পিকচারই কি ফেক? @কালপুরুষদা।
১৮. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৪০
কালপুরুষ বলেছেন: দুটো আলাদা আলাদা ধরলে কোনটাই ফেক নয়,কিন্তু দুটো পিকচারের এমন উপস্থাপনে যা বোঝানো হয়েছে সেটা শিল্পকর্ম হতে পারে কিন্তু বাস্তব নয়। আর টোটালিটি এনালাইসিসে গাছের অমন ভঙ্গিটা ফেক। অথচ গাছটা কিন্তু সত্যিই গাছ, আর নৃত্যরত চিত্রকর্মটিও সত্যিই কোন শিল্পীর আঁকা। কিন্তু দুটোর কম্বিণেশনে যা হয়েছে সেটাকেই বলছি "তৃতীয় মাত্রা" বা অন্য এক "শিল্পকর্ম" যা বস্তবে গাছের অমন ভঙ্গিমকে "ফেক" হিসেবে ধরা হলেও শিল্পকর্ম হিসেবে উৎরে যায়। কথা হলো আমি কী দেখছি? শিল্পকর্ম নাকি একটা গাছের প্রকৃত প্রদত্ত রূপ? যদি শিল্পকর্ম হিসেবে দেখি তবে সেখানে কোন কথার অবকাশ নেই আর যদি প্রকৃতির সৃষ্টি হিসেবে তবেই "ফেক" কথাটা চলে আসে। মূল কথা হলো এই কাজটা যে শিল্পীর সেই ভাল বলতে পারবেন তিনি কী বোঝাতে চেয়েছেন। "প্রকুতিতে এমনও হতে পারে", "প্রকৃতি এমন হলে" আর " প্রকৃতির লীলাখেলা" এই বাক্যগুলোর ব্যখায় যেম পার্থক্য আমাদের দেখায় ও দৃষ্টিভঙ্গিতেও তেমনি পার্থক্য।
১৯. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৬
স্নোবল বলেছেন: আপনারে জিঙ্গাইলাম কি, আর আপনে বল্লেন কি। হাইপোথেটীকাল কথাবার্তা বুঝতে পারি না।
২০. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৫১
কালপুরুষ বলেছেন: এটা এমনও হতে পারে কোন শিল্পীর মিশ্র বা যৌগিক শিল্পকর্ম বা তা নিয়ে পরীক্ষা। আলোকচিত্র ও পেইন্টিংস দুটো মাধ্যমকে কোন এক যোগসূত্রে গেঁথে ফেলা- নতুন এক মাধ্যম নিয়ে পরীক্ষা-নিরিক্ষা করা। রিয়্যালিটি ইমেজ (ফোটোগ্রাফী) এর উপর আ্যাবাষ্ট্রাক্ট ইমেজ (পেইন্টিংস) সুপারইমপোজ করে নতুন কোন ইমেজ সৃষ্টি করে মানুষকে ভাবিয়ে তোলা। কতকিছুই তো হতে পারে।
শিল্পীর খেয়াল, উন্মুক্ত দেয়াল- যা মনে আসে, তাই করে বসে।
২১. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৪
দিগন্ত বলেছেন: ফেক বলে মনে হচ্ছে না, কারণ ছবিটা বিশেষ কোণ থেকে তোলা। সেটা স্বাভাবিক কোনো কোণ নয় কারণ নিচে মাটি ট্যারাব্যাঁকা হয়ে গেছে এর ফলে।
২২. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:২৭
শমশের আলম শোভন বলেছেন: ঘটনা কি? এত ভীড় কেন এই পুস্টে? শালা গাছ হইয়াও মাইয়াগো রেহাই নাই, লুকে খাড়ায়া গেছে। যান কামে লাইগা যান, দেখেন ছালচামড়া ঠিক রাইখা কাম সারতে পারেন কি না
২৩. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:২৮
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: এইটা মনে হয় সৃষ্টিকর্তা বেহেস্তী কোন হুরের ছায়া অবলম্বনে বানাইয়া রাখছেন.....যে দেখ মুমীনগন তোমরদের জন্য কি ওয়েট করতাছে....তার হুর নাচতাছে ক্যান বুঝলাম না
২৪. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:২৯
রাশেদ বলেছেন: ইহা মুমিনগনের জন্য বিজ্ঞাপন! আইসো তোমরা! :P
২৫. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৪
অরুনাভ বলেছেন: ছবির জন্য+ ....
আর শমশের আলমের মন্তব্যেও+
২৬. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:০৯
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
বিলা বিনোদন পাইলাম লোলের পুকুর দেইখা! +

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৮২৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
নেই স্বর্গলোভ কিংবা কল্প-নরকের ভয়,/অলীক সাফল্যমুক্ত কর্মময় পৃথিবী আমার৷

চর্মচোখে যা যা দেখি, শারীরিক ইন্দ্রিয় যা ধরে,/তাকেই গ্রহন করি৷ জানি, নিরাকার...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই