আমার প্রিয় পোস্ট
- ১ম বার জার্নাল / কনফারেন্স এর পেপার লিখতে কিছু কমন ভুল যা আমরা প্রায়ই করি এবং ঈগলের টিপস - পরিবেশবাদী ঈগলপাখি
- পিজ্জা ২০১০ ! - আইরিন সুলতানা
- ১০০০০০ ই-বইয়ের ভুবনে স্বাগতম
- ইন্ঞ্জিনিয়ার
- আজাইরা পোস্ট
.. ইয়াহু ম্যাসেঞ্জারের কিছু হিডেন Emoticon - সৌরভ১৩
- সাই ফাই: সারপ্রাইজ!!! - আজম
- খালেদা জিয়া'র জন্মদিনের ডকুমেন্টস - সেলটিক সাগর
- Whenever Whereever - Shakira (Lyrics and Link) - শাহারিয়ার আহমেদ
- জামায়াতে ইসলামী এর ইতিহাস ফিরে দেখি - ইরতেজা
- ব্লক করুন অনাকাংখিত সাইট... (একটেলের মতো হইয়া গেল দেখি...
) - তাজুল ইসলাম মুন্না
একজন ধর্ষকের কী সাজা হওয়া উচিত?পর্ব-২;নীরবতা কাম্য নয়
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:০৯
একজন ধর্ষকের কী সাজা হওয়া উচিত তা উঠে এসেছে একজন যৌন নিপীড়িত মেয়ের জবানিতে। ঠিক ধর্ষণ বলতে যা বোঝায় মেয়েটি তার শিকার হয়নি সত্যি, কিন্তু মেয়েটি তার অনুভূতি ব্যক্ত করেছে আমার কাছে। ধর্ষণ কী শুধুই শরীরী বিষয় নাকি আরো কিছু জড়িত আছে এখানে, সে ব্যাপারেও মেয়েটিকে প্রশ্ন করে হয়েছিল এবং মেয়েটি তার মতামত আমাকে জানিয়েছে।
***উল্লেখ্য যে মেয়েটির ব্যক্ত কথামালাই এখানে প্রকাশিত হয়েছে, কোন বিতর্ক শুরু করার চেষ্টা করা হয়নি। আর মেয়েটি তার সাক্ষাৎকার ব্লগে প্রকাশ করতে রাজি হলেও তার পরিচয় প্রকাশ করতে রাজি নয়।***
একজন ধর্ষকের কী সাজা হওয়া উচিত?পর্ব-১
নিপীড়িত মেয়েটি আমকে তাঁর কাহিনী বলে যাচ্ছিলেন.... এক পর্যায়ে তিনি বললেন যে নিপীড়ণকারী তাঁর আত্মীয় (!!)। আমি প্রচন্ড অবাক হই। আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করি সে, এটা কীভাবে সম্ভব হল? তিনি তাঁর আত্মীয়ের (?) হাতে নিপীড়িত হয়েছেন অথচ পারিবারিকভাবে বা আইনগত কোন পদক্ষেপ তিনি কেন গ্রহণ করলেন না কেন?
উত্তরে মেয়েটি যা জানান, তা আরও বিস্ময়কর। নিপীড়নকারী নাকি তাঁরই বাড়িতে এখনও বাস করে এবং সম্ভবত বেশ নিরাপদেই!!!
মেয়েটি এই ব্যাপারে আদালত না হোক নিদেনপক্ষে পারিবারিক বিচারের পক্ষপাতি ছিলেন এবং এই বিষয়ে সরব হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর পরিবারের ২ জন সদস্যকে ব্যাপারটা জানানোর পর সদস্য ২জন কঠোর গোপনীয়তার সাথে ব্যাপারটি চেপে যান। পারিবারিক ও সামাজিক সমস্যা ও দৃষ্টিভঙ্গির দোহাই দিয়ে তাঁরা মেয়েটিকে
ব্যাপারটি প্রকাশ না করতে অনুরোধ করেন এবং একই সাথে চাপ সৃষ্টি করেন।
তাঁরা নিজেদের দায়িত্বে নিপীড়নকারীকে জুতোপেটা করেন, কিন্তু ব্যাপারটা গোপনই থেকে যায়। নিপীড়নকারী অপরাধ স্বীকার করলেও মেয়েটির কাছে এই শাস্তি অপ্রতুল মনে হয়। মেয়েটি এখনো নিজের ঘরে থাকতে নিরাপদ বোধ করে না একইসাথে চিৎকার করে সমাজের কাছে বিচার চাইতে পারে না। কারণ সে দেখেছে ধর্ষিতার প্রতি অনেক প্রগতিশীল (?) মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন হয়; সে বুঝতে শিখেছে এই পুরুষশাসিত সমাজের (আইনের চোখে নয়) চোখে ধর্ষিতার অপরাধ ধর্ষকের সমান কিংবা ক্ষেত্রবিশেষে বেশি!!!
তাকে এই সমাজের সামাজিক শান্তি নিয়ে বেঁচে থাকতে হলে সারাজীবন, ধর্ষিত হয়ে বিচার না পাবার মানসিক অশান্তি নিয়েই বেঁচে থাকতে হবে।
আর এই নীরবতার সুযোগ নিয়ে কতিপয় জানোয়ার নিয়ত যৌন নিপীড়ন ও হয়রানি চালিয়ে যাচ্ছে মেয়েদের উপর। যেখানে নিজের পরিবারের সদস্য থেকে শুরু করে গৃহপরিচারিকা, সহপাঠি, ছাত্রী সবাই অন্তর্ভূক্ত!! ইন্টারনেট ও মোবাইলের মাধ্যমে তথ্য-প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যাবহারের ফলে বাস্তব ও পরাবাস্তব দুই জগতেই মেয়েদেরকে হয়রানি ও নিপীড়ন করার নিত্য নতুন পদ্ধতি উদ্ভব করছে এই জানোয়ারের দল।
আজকের পর্ব শেষ করতে চাই একটি পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন দিয়ে। যে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ঢাকা শহরের ২টি বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে এবং কী সুকৌশলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম (!) রক্ষার্থে ব্যাপারগুলোকে গোপন রাখা হয়েছে!
পত্রিকার প্রতিবেদন : Click This Link
বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকে দেশের সেরা সন্তানেরা, বিশ্ববিদ্যালয় হল জাতির বিবেক, এখান থেকেই শুরু হয়েছিল আমাদের ভাষা আন্দোলন। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ই যখন এইভাবে নিপীড়ন ও ধর্ষনের ঘটনা গোপন করে মতান্তরে নিপীড়নকারী বা ধর্ষককে উৎসাহ দেয়; তখন মেয়েটি বা মেয়েটির মত হাজারজন নিপীড়িত মানুষের হতবাক-নির্বাক হয়ে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কী-ই বা করার থাকতে পারে???
বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুরা যখন নিপীড়কের বিরূদ্ধে জেগে ওঠে, "সানি"র মত আরো হাজারো জানোয়ারের বিচারের দাবীতে প্রকম্পিত করে প্রাঙ্গণ; তখন সেই মেয়েটি ভাবে, "কেউ তো আছে বিচার চাওয়ার!!" কিন্তু সাথে সাথেই শিউরে ওঠে এই ভেবে যে সেই বিচার চাওয়া মিছিলেই হয়তো লুকিয়ে আছে আরো কয়েক শত কালো হাত..... তার দেহকে লোলুপভাবে লুফে নিতে..... তাকে ছিঁড়ে খেতে....
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: পর্ব-১ এ অনেকেই এই শাস্তি দিতে চেয়েছেন।
আপনার মতামতের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
ক্যালিপসো বলেছেন:
আমাদের দেশে ধর্ষকের বিরুদ্ধে যথাযথ আইন নেই। সেই আইন করারও কোন উদ্যোগ নেই। এই অবস্থায় আইন হাতে তুলে নেয়া ছাড়া কি করার আছে?
লেখক বলেছেন: আসলে আইনের ফাঁক রয়েছে অনেক আর ধর্ষন এমন একটি অপরাধ যা প্রমান করা কঠিন; একই সাথে সামাজিক ও আইনী দৃষ্টিকোণ থেকে......
লেখক বলেছেন: হুমম.......
পর্ব-১ এ অনেকেই বলেছেন এমনটা.......
আমি নৃশংসতায় বিশ্বাসী নয় ।
তবে , ইট মারলে পাটকেল খেতে হয , এই নীতিতে বিশ্বাসী ।
ধর্ষকের বিশেষ অঙ্গ কেটে ফেলুন । মরবে না । যথেষ্ট শিক্ষণীয় শাস্তি । "
আমি একটু বেশি নৃশংস।
শুনেছি এখন নাকি, ছেলে টু মেয়ে কনভার্টের একটা বিশেষ ব্যবস্থা আছে চিকিত্সা বিজ্ঞানে।
এই ধর্ষকদের সেই ব্যবস্থায় মেয়ে বানিয়ে বেশ্যা বাজারে ছেড়ে দেয়া হোক। অন্তত পক্ষে ভালো মেয়েগুলোকে (যাদেরকে জোরপূর্বক যৌনব্যবসায় আনা হয়) এপেশায় আনা তাহলে কমে যাবে।
লেখক বলেছেন: আসলেই জানিনা কতখানি কার্যকর হবে কোন ব্যবস্হা বা কোন শাস্তি.......
শুধু শরীরে নয়, মানসিকতায় তাদেরকে মেয়ে করে ফেলার কোন উপায় থাকলে হত...
স্বপ্নকথক বলেছেন:
তাদেরকে খাশীকরন করা হোক।
লেখক বলেছেন: হুমম..... অনেকেই বলেছেন......
হিমাংশু বলেছেন:
মইনের প্রস্তাবটা চিন্তা করে দেখা যায়।
লেখক বলেছেন: আসলে প্রস্তাব অনেক, চিন্তা অনেক...... কিন্তু নিপীড়িত নারীর জীবনের একটাই বাস্তবতা
ব্যাকপেইন বলেছেন:
ফ্যামিলীর গার্জেনদের আরও সচেতন হওয়া উচিত নিজ নিজ গন্ডিতে ।
লেখক বলেছেন: একই সাথে যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধে এবং নিজের সন্তানদের ধর্ষক হয়ে ওঠা থেকে দূরে রাখতে..... সচেতনতা প্রয়োজন।
বিডি আইডল বলেছেন:
সমস্যাটা ব্যাপক এবং এর পিছনে শুধু পুরুষদের দুষে লাভ নেই....বিষয়টা ধর্ষণের মধ্যেই তো আর থাকছেও না...সর্বদা নানা রকম নীপিড়নে চলে যাচ্ছে...আপনাকে একটা সরল প্রশ্ন করি...(সালটা খেয়াল নেই) রোকন এর নামে একটা হিডেন ভিডিও আসে ঢাকা ভার্সিটি স্টুডেন্ট নামে...পরে সে বহিস্কার হয়..এরপর পিন্টু-সুমন থেকে সহস্রাধিক হিডেন ভিডিও এসেছে মেয়েদের...আমাদের শিক্ষিত মেয়েরা এখনও এই বিষয়ে সচেতন নয় কেন?
লেখক বলেছেন: আমাকে এই প্রশ্ন করার মানে কী? আপনার কী মনে হয় না যে ভিডিও ""হিডেন"" সেটা সম্পর্কে মেয়েটার জানার কথা নয়? আর শিক্ষিত মেয়েরা সচেতন নয় বলতে আপনি কী বোঝাতে চাইছেন, তা স্পষ্ট নয়।
আর ইচ্ছাকৃত ধারণ করা ভিডিওগুলোতে ছেলে এবং মেয়ের সমান সম্মতি থাকে; সেটাও সত্যি। আর আমি শুধুই পুরুষদের দোষ দিচ্ছি না; আমি সেই সমাজ ব্যবস্হার কথা বলছি যে সমাজ ব্যবস্হায় ধর্ষিতাকেও অপরাধী ভাবা হয়, কলঙ্কিত ভাবা হয়। সেই সমাজ ব্যবস্হা যেখানে মেয়েদেরকে প্রকৃতি ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় পাঠালেও তারা নিজেদেরকে যথাযথভাবে রক্ষা করতে পারেনা, যেখানে মেয়েরা যথাযথ আশ্রয় প্রার্থনা করতে পারে না.....
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
ধর্ষনকারীর সামনে খুবই সুন্দরী একটি মেয়েকে নগ্ন অবস্হায় রাখা হবে, তার পুরুষা;গ পুরোপুরি সক্ষম হওয়ার মাত্র একটি গোখরা সাপকে দিয়ে পুরুষা;গের অগ্রভাগে দ:শন করাতে হবে.......।ঘটনাটার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভিডিও করে সব পুরুষকে বাধ্যতা মূলক দেখার ব্যাবস্হা করতে হবে|
দ্যাট ইজ ইট, ইওর অনার.......
লেখক বলেছেন: হতে পারে.......
তবে আমি আসলে শাস্তির ব্যাপারটাকে বেশি বলতে চাইছি না; (কেননা প্রথম পর্বে সেটা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে).... এই পোস্টের বিষয় "মূলত নীরবতা কাম্য নয়" এবং " সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন"
অজানা আমি বলেছেন:
হতবুদ্ধি বলেছেন: ব্যবহৃত অস্ত্র কেড়ে নেয়া উচিৎ। আর যারা সেই অস্ত্র নিয়ে এখনও ঘুরাফেরা করছে, সম্ভাব্য হামলা থেকে রেহাই পেতে সেই অস্ত্রমূক্ত করা উচিৎ।
লেখক বলেছেন: হুমম.......
পর্ব-১ এ অনেকেই বলেছেন এমনটা.......
ভাবসাধক বলেছেন:
বিডি আইডল বলেছেন: সমস্যাটা ব্যাপক এবং এর পিছনে শুধু পুরুষদের দুষে লাভ নেই....বিষয়টা ধর্ষণের মধ্যেই তো আর থাকছেও না...সর্বদা নানা রকম নীপিড়নে চলে যাচ্ছে...আপনাকে একটা সরল প্রশ্ন করি...(সালটা খেয়াল নেই) রোকন এর নামে একটা হিডেন ভিডিও আসে ঢাকা ভার্সিটি স্টুডেন্ট নামে...পরে সে বহিস্কার হয়..এরপর পিন্টু-সুমন থেকে সহস্রাধিক হিডেন ভিডিও এসেছে মেয়েদের...আমাদের শিক্ষিত মেয়েরা এখনও এই বিষয়ে সচেতন নয় কেন?
লেখক বলেছেন: আমাকে এই প্রশ্ন করার মানে আমার পক্ষে বোধগম্য নয়। আপনার কী মনে হয় না,যে ভিডিও ""হিডেন"" সেটা সম্পর্কে মেয়েটার জানার কথা নয়? আর শিক্ষিত মেয়েরা সচেতন নয় বলতে আপনি কী বোঝাতে চাইছেন, তা স্পষ্ট নয়।
আর ইচ্ছাকৃত ধারণ করা ভিডিওগুলোতে ছেলে এবং মেয়ের সমান সম্মতি থাকে; সেটাও সত্যি। আর আমি শুধুই পুরুষদের দোষ দিচ্ছি না; আমি সেই সমাজ ব্যবস্হার কথা বলছি (সে সমাজে পুরুষ ও নারী দুই পক্ষই থাকে) যে সমাজ ব্যবস্হায় ধর্ষিতাকেও অপরাধী ভাবা হয়, কলঙ্কিত ভাবা হয়। সেই সমাজ ব্যবস্হা যেখানে মেয়েদেরকে প্রকৃতি ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় দিয়ে পাঠালেও তারা নিজেদেরকে যথাযথভাবে রক্ষা করতে পারেনা, যেখানে মেয়েরা যথাযথ আশ্রয় প্রার্থনা করতে পারে না.....
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:
বিডি আইডল বলেছেন: সমস্যাটা ব্যাপক এবং এর পিছনে শুধু পুরুষদের দুষে লাভ নেই....বিষয়টা ধর্ষণের মধ্যেই তো আর থাকছেও না...সর্বদা নানা রকম নীপিড়নে চলে যাচ্ছে...আপনাকে একটা সরল প্রশ্ন করি...(সালটা খেয়াল নেই) রোকন এর নামে একটা হিডেন ভিডিও আসে ঢাকা ভার্সিটি স্টুডেন্ট নামে...পরে সে বহিস্কার হয়..এরপর পিন্টু-সুমন থেকে সহস্রাধিক হিডেন ভিডিও এসেছে মেয়েদের...আমাদের শিক্ষিত মেয়েরা এখনও এই বিষয়ে সচেতন নয় কেন?
হিডেন ভিডিওতো হিডেন করা থাকে মেয়েদের না জানিয়ে। মেয়েরা কিভাবে ওটা হতে মুক্তি পাবে তাহলে?
আর হিডেন ভিডিও দেখার আগ্রহ যেরকম বেশী , মেয়েদের কিন্তু ওরকম আগ্রহ নেই, তাই সে এই ধরনের খবর খুবই কম জানে বলে মনে হয়। সে শিক্ষিত হলেও সে এটাতো আর শিখে না স্কুলে , যতক্ষন না সে তার নিকটস্হ কারও এমন হয়েছে না জানা পর্যন্ত।
আমাদের মিডিয়াগুলোতে মেয়েদের সচেতন করার জন্য কিছু পোগ্রাম চালু করা উচিত।
লেখক বলেছেন: মেয়ে ও ছেলে দুই পক্ষেরই হিডেন ভিডিও দেখার আগ্রহ আছে বলে আমার মনে হয় (কারণ এখন তথ্য প্রযুক্তির সাথে সাথে এসব বিষয়ও হাতের নাগালে চলে এসেছে)
আর সচেতনতাও মেয়ে আর পুরুষের মাঝে সমান ভাবে তৈরি করা উচিৎ....
লেখক বলেছেন: হুমম.....
ফাহিম আহমদ বলেছেন:
তাদের কে বিয়ে করিয়ে দেয়া হোক
লেখক বলেছেন: মানে??? কাদেরকে??? পরিষ্কার করে বলুন.... প্লিজ.....
শয়তান বলেছেন:
আগের কমেন্ট এবারো বহাল রাখলাম । নো মার্সি
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ......
আমি আসলে শাস্তির ব্যাপারটাকে বেশি বলতে চাইছি না; (কেননা প্রথম পর্বে সেটা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে).... এই পোস্টের বিষয় "মূলত নীরবতা কাম্য নয়" এবং " সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন"
বিডি আইডল বলেছেন:
কায়েস সব ভিডিও কিন্তু হিডেন না.....মেয়েদের স্ব-ইচ্ছায়, সজ্ঞানে অসংখ্য ভিডিও আছে মেয়েদের এইসব বিষয়ে আগ্রহ নেই বলে যে ধারণা চালু আছে....পুরোপুরি ঠিক না...আমি যখন ছাত্র (২০০১-০২) সে সময়ই আমার সহপাঠিনীরা এডাল্ট মুভি দেখেছে....এখন নেট সহজলভ্য হওয়াতে এটা আরো অগ্রসর হওয়ার কথা
লেখক বলেছেন: সত্যি কথা
তবে যারা সচেতন, তারা কখনই সজ্ঞানে এমনটা করবে বলে আমার মনে হয় না; সে শিক্ষিতই হোক আর অশিক্ষিত।
শয়তান বলেছেন:
নির্জলা অথবা চোরাগুপ্তা ধর্ষন এর সাথে এ্যাডভেন্চারমুলক এমএমএস করা একপাল্লায় মেলানো উচিৎ না ।
লেখক বলেছেন: একমত
বিডি আইডল বলেছেন:
@ শয়তান....এটা একটা উদহারণ দিলাম মাত্র
লেখক বলেছেন: তবুও.....
হোরাস্ বলেছেন:
@বিডি আইডল, মেয়েদের স্বইচ্ছায় তোলা ভিডিও হাতে গোনা কিন্তু প্রতিদিন ঘটা সারা দেশে যৌন নির্যাতনের সংখ্যা হিসাব করতে হইলে ডাটাবেজ লাগবে।@ লেখক, যৌন নির্যাতন কারীদের কঠোর শাস্তি হওয়া দরকার। যারা ধামাচাপা দিতে চায় আমি তাদেরও শাস্তি চাই। সেটা মেয়ের বাবা-মা হইলেও। নো মার্সি।
লেখক বলেছেন: আপনার কথায় একমত......
কিন্তু একটা কথা ভেবে দেখবেন কী, ঠিক কোন সামাজিক প্রেক্ষাপটে বাবা-মা সন্তানের প্রতি হওয়া এতবড় অবিচারের ঘটনা ধামাচাপা দিতে চায়??? যে সমাজ ব্যবস্হায় ধর্ষিতাকেও অপরাধী ভাবা হয়, কলঙ্কিত ভাবা হয়। সেই সমাজ ব্যবস্হা যেখানে মেয়েদেরকে প্রকৃতি ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় দিয়ে পাঠালেও তারা নিজেদেরকে যথাযথভাবে রক্ষা করতে পারেনা, যেখানে মেয়েরা যথাযথ আশ্রয় প্রার্থনা করতে পারে না..... আমি সেই দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি অঙ্গুলিনির্দেশ করতে চাইছিলাম...
অলস ছেলে বলেছেন:
মুল্যবান আলোচনা। সমস্যা সমাধানে নতুন দিগন্ত উন্মোচন হবে আশাবাদ ব্যক্ত করছি।
লেখক বলেছেন: আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ, তবে এতটা আকাশচুম্বী চাওয়া নেই; যারা পোস্ট পড়ছেন, তাঁরা অন্তত সচেতন হবেন এটাই চাওয়া.....
শয়তান বলেছেন:
এই পোষ্টের পরিপ্রক্ষীতে নতুন একটা প্রশ্ন নিয়ে পোষ্টের আইডিয়া এসেছে । দেখি আজকে দিতে পারি হাতে তেমন সময় থাকলে ।
লেখক বলেছেন: পোস্টের জন্য আগাম ধন্যবাদ...... সচেতনতার আলো ছড়িয়ে ভবিষ্যত প্রজন্মকে (ছেলে ও মেয়ে উভয়কেই) নিরাপদ করার পথে আপনার একটি পোস্ট হয়ত অনেক বিরাট ভূমিকা রাখবে...
বিডি আইডল বলেছেন:
হোরাস...পুরোপুরিই একমত
লেখক বলেছেন: ১৯ নং কমেন্টের জবাব দ্রষ্টব্য
সে ক্ষেত্রে সমস্যা আছে। কেউ যদি দেশের প্রধানমন্ত্রী'র দিকে নজর দেয়!!!!!!
লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় আপনার এবং ফাহিম আহমদের বক্তব্য পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন। আপনারা যা বলতে চাইছেন স্পষ্ট করে বলুন। কারণ আমি যা অনুমান করছি, আপনারা তা বলে থাকলে সে ব্যাপারে আমার কিছু বলার থাকবে.....
আহাসান বলেছেন:
ফাহিম আহমদ বলেছেন: তাদেরকে বিয়ে করিয়ে দেয়া হোক ।লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় আপনার এবং ফাহিম আহমদের বক্তব্য পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন। আপনারা যা বলতে চাইছেন স্পষ্ট করে বলুন। কারণ আমি যা অনুমান করছি, আপনারা তা বলে থাকলে সে ব্যাপারে আমার কিছু বলার থাকবে.....
ঠিক, এটা সমাধান হতে পারেনা।
আমি বেশিরভাগের মন্তব্যের সাথে একমত, তবে এটাকে যদি আইন করা যেত, তবে আমার মনে হ্য়, বেশি ইফেকটিভ হত।
আর, সামাজিক দৃষ্টিভংগীর কথা বলছেন ?
আমার ধারণা থেকে বলছি, প্রতিটি মানুষের দৃষ্টিভংগী কি আদৌ পরিবর্তন করা সম্ভব ?
একেকজন একেকভাবে একেক পরিবেশে বড় হয়, সমাজ/সংস্কৃতি একই হলেও মতের, চিন্তাভাবনার অমিল কিন্তু সবসময়ে থেকেই যাবে।
সামাজিক দৃষ্টিভংগীর ব্যাপারে এ কথাটা আগেও বলতে চেয়েছি অন্য কোথাও, এবার বলেই ফেললাম...
লেখক বলেছেন: দেখুন, প্রত্যেকে যতই আলাদা হোক না কেন, কিছু গ্রস ব্যাপারে তো আমরা বেশিরভাগ মানুষই একমত। যেমন: হত্যা, একটি জঘণ্য অপরাধ। এই অপরাধে অপরাধীর শাস্তির দাবী আমরা প্রকাশ্য রাজপথেই করতে পারি। তেমনটা কেন হবে না ধর্ষণের ক্ষেত্রেও?? একজন মানুষ (মেয়ে বা ছেলে) ধর্ষিত হলে আরেকজন মানুষ (মেয়ে বা ছেলে) কেন সেটা উপভোগ করবে?? কেনই বা সেটাকে আড়াল করবে??? এই গ্রস ব্যাপারে সবাইকে একত্রিত দেখতে চাই।
আর এটাকে যদি আইন করা গেলে, নিশ্চয়ই বেশি ইফেকটিভ হত।
অসংখ্য ধন্যবাদ ![]()
গোধুলী রঙ বলেছেন:
ধ্বজভংগ করে দেবার(স্থায়ীভাবে) পর যা যা দেওয়া যায় মানে কারাদন্ড, জরিমানা, আর যা যা করা যায়।
লেখক বলেছেন: এই সমাধানের কথা অনেকেই বলেছেন। কিন্তু আমি এই পোস্টে মূলত সবার সচেতনতামূলক মতামত চেয়েছি। ![]()
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















আমি নৃশংসতায় বিশ্বাসী নয় ।
তবে , ইট মারলে পাটকেল খেতে হয , এই নীতিতে বিশ্বাসী ।
ধর্ষকের বিশেষ অঙ্গ কেটে ফেলুন । মরবে না । যথেষ্ট শিক্ষণীয় শাস্তি ।