আমার প্রিয় পোস্ট

সত্য সুন্দরকে ব্রত করি জীবনে

সহেলীকে , যার ভাবনার আকাশ অপূর্ব দীপ্তিময় ।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৪

শেয়ারঃ
0 0 0

হঠাৎ খুব পিপাসা পাওয়ায় ঘুম ভেঙ্গে গেল ।...

উত্তর দিকের বারান্দা থেকে কাদের যেন চাপা কণ্ঠস্বর কানে এলো ।...
অশেষের গলা পেলাম , বিশ্বাস কর , সেই প্রায় ষোল-সতের বছর আগে সদরঘাটে বরিশালের স্টীমারের সামনে দাড়িয়ে তোমার কাছে প্রথম শুনলাম , তুমি আমাকে ভালবাসো ।....
শিখা বলে -- এই শান্তি এই মধুরতা দিক সৌম্য ম্লান কান্তি জীবনের দু:খ দৈন্য- অতৃপ্তি'র পর করুন কোমল আভা গভীর সুন্দর ।

ওদের দুজনের কবিতা আবৃত্তি শুনতে শুনতে আমিও যেন কোন অচিন দেশে ভেসে যাই । যাব না ? ....
সভ্য মানুষ সেই আদিমকাল থেকে শুধু রহস্যের উদ্ঘাটন করে চলেছে । জীবনকে সুন্দরতর করার জন্য প্রতিদিন প্রতি মূহুর্তে সে কত কি আবিষ্কার করেছে । মানুষের সৃষ্টি ঐশ্বর্য আর সম্পদে ভরে গেছে এই পৃথিবী । কিন্তু সব সম্পদ-ঐশ্বর্যকে ম্লান করে দিয়েছে ভালবাসা । চিরদিনের চিরকালের এই পরম সম্পদ নিয়েই মানুষ মানুষকে দেবতা করে তুলেছে , রচনা করেছে কালজয়ী কাব্য-সাহিত্য-শিল্প-সঙ্গীত ।
আশ্চর্য এই সম্পদ ভালবাসা ! বাহুবলে সব সম্পদ , ঐশ্বর্য হরন করা যায় , কিন্তু আলেকজান্ডার-নেপোলিয়নের মিলিত শক্তির দ্বারাও এক অসহায় নারীহৃদয় জয় করা সম্ভব নয় । ভালবাসার ক্ষয় নেই , মৃত্যু নেই ; নেই সময়-অসময় , জাতি-ধর্ম-বর্ণ বিচার ।...

শিখা বলে যায় , আমি জানি তোমার স্ত্রী সত্যি ভাল মেয়ে । তোমাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোন দ্বন্দ সংঘাত নেই । বাইরের পৃথিবীর মানুষ যাকে সুখের সংসার বলে , তোমরা দুজনে সেই সুখের সংসারই গড়ে তুলেছো ।অশেষ প্রতিবাদও করে না , সমর্থনও জানায় না ।

শিখা প্রায় এক নি:শ্বাসে বলে যায় , মন-প্রান দিয়ে কর্তব্য করলেই যে কোন মানুষকে খুশী করা যায় , সুখীও করা যায় কিন্তু সমস্ত সত্ত্বা দিয়ে ভালবাসলে যেভাবে প্রিয়জনকে ভরিয়ে তোলা যায় , তা অন্যের দ্বারা কখনোই সম্ভব হতে পারে না ।
সে তো একশ' বার । এতক্ষন পর অশেষ প্রথম কথা বলে ।
তুমি যেভাবে বাছবিচার না করে পরের উপকার করতে , তা আমি কোনদিন করিনি কিন্তু সবার অজান্তে আমি নিজেকে তোমার উপযুক্ত করে গড়ে তুলেছিলাম । ঝিনুক , লক্ষ্মীটি এসব কথা বলে আমাকে আর দু:খ দিও না । আজকের মত রাত হয়তো আর কোনদিন আমাদের জীবনে আসবে না ...
বলতে পারো , কি করে আমি এই রাত্রির কথা ভুলব ?
কথাগুলো শেষ করে শিখা কাঁদে । আমি শুক্লা পঞ্চমীর আবছা আলোয় দেখি , অশেষ তাড়াতাড়ি ওকে কাছে টেনে নিয়ে চোখের জল মুছিয়ে দিতে দিতে বলে , ছি: ঝিনুক , অমন করে চোখের জল ফেলতে নেই । শঙ্করের মত স্বামী পাওয়া কি কম ভাগ্যের ?
শিখা মুখের উপর থেকে হাত সরিয়ে দিয়ে খুব জোরে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে , সত্যি ওর মত স্বামী পাওয়া ভাগ্যের কথা ।... শিখা মূহুর্তের জন্য থামে । অশেষ মুখ নীচু করে পাশের চেয়ারে বসে থাকে ।

আর আমি ? মানুষের জীবন-নাট্যের এক অপ্রত্যাশিত অঙ্ক চোখের সামনে অভিনীত হতে দেখে মন্ত্রমুগ্ধের মত দাড়িয়ে থাকি ।

... কিছুক্ষন পর অশেষ আস্তে আস্তে বলল , কত বছর হলো তোমার বিয়ে হয়েছে , কত বছর হলো আমাদের দেখা সাক্ষাৎ নেই । তুমি জীবনে কত কি দেখেছো , তবুও তুমি আমাকে ভুলতে পারলে না ।
শিখা একটু জোরেই হেসে উঠল । তারপর বলল , মেয়েরা বড় হিসেবী , বড় কৃপণ । সহজে তারা কাউকে ভালবাসে না , ভালবাসতে পারে না কিন্তু সত্যি একবার ভালবাসলে , সারা জীবনেও তারা এর থেকে মুক্তি পায় না । ও অশেষের একটি হাত নিজের হাতের মধ্যে নিয়ে বলল , ' রাতের সব তারাই আছে দিনের আলোর গভীরে '।

...সেদিন বগুড়ার মালতীনগরের বড় বাড়ির উত্তরের বারান্দায় শুক্লা পঞ্চমীর আবছা চাঁদের আলোয় প্রকৃতি আর পুরুষের যে ভাস্বর মূর্তি দেখেছিলাম , তা আমার মানস-চক্ষে চির অম্লান হয়ে থাকবে ।
...শিখার চোখের দীপ্তি , দেহের কান্তি ও মাধুর্য আজও বহু পুরুষকে মোহাবিষ্ট করতে বাধ্য । আর অশেষ ? ওর মত রূপ ও গুন ক'জনের আছে ?এর উপর দু'জনের ভালবাসা ও নির্জন নি:স্তব্ধ রাত্রিতে মোহময় পরিবেশ ! সে রাত্রে ওরা যেন ভালবাসার মানস সরোবরে অবগাহন করে সব বাসনা-কামনা-লালসা ভুলে গিয়েছিল ।

আমার মত ঝিনুকের মধ্যে তুমি কোন মুক্তা খুঁজে পাবে কিনা জানিনা কিন্তু তোমার মধ্যে গভীরতা ও ব্যপ্তি পেয়েছি... হাতের কাছে পেয়েও আমি তোমাকে হারালাম ।
অশেষ আস্তে আস্তে উঠে শিখার চেয়ারের পিছনে দাঁড়িয়ে নীচু হয়ে ওর মাথার উপর থুতনি রাখল । দুটি হাত দিয়ে ওর দুটি হাত জড়িয়ে ধরল । বলল , না ঝিনুক , তুমি আমাকে হারাও নি ; বরং আমিই তোমার মধ্যে হারিয়ে গেছি । আমার ধানমন্ডীর বাড়ির জানালার সামনের কৃষ্ণচূড়া গাছটার দিকে তাকালেই সেই পুরানো দিনের কথা মনে পড়ে যায় ।

সে কথা তুমি এখনও ভুলতে পারো নি ?

তুমি ভুলেছো ?

শিখা একটু হেসে বলল , আমাদের বাড়িটা না থাকলেও ঐ গাছটা এখনো আছে ।

জানি ।

তুমি কি ওদিকে যাও ?

হ্যাঁ , যাই ।

ওদিকে কার কাছে যাও ?

মাঝে মাঝে ঐ গাছটাকেই দেখতে যাই ।
শিখা আর বসে থাকে না । উঠে দাড়িয়ে বিমুগ্ধ নয়নে অশেষকে দেখে । অশেষও অপলক নেত্রে ওর দিকে তাকিয়ে থাকে । কয়েকটা অবিস্মরনীয় মূহুর্ত । তারপর অশেষ আলতো করে ওকে দু'হাত দিয়ে বুকের মধ্যে টেনে নেয় ।
কয়েক মিনিট গ্রীক ভাস্কর্যের যুগল-মূর্তির মত থাকার পর শিখা নিজেকে মুক্ত করে নিয়ে ওকে একটা প্রনাম করল । তারপর হঠাৎ ঝরঝর করে কাঁদতে কাঁদতে বলল , রাতের অন্ধকারে চোরের মত ভালবেসে কি মন ভরে ? এই পৃথিবীর কেউ জানল না আমাদের ভালবাসার কথা ; কাউকে বলতে পারলাম না , হ্যাঁ হ্যাঁ , আমি অশেষকে ভালবাসি । শুধু শঙ্করকে না , অশেষের কল্যাণের জন্যেও সিঁথিতে সিঁদুর পরি , এ দু:খ কী কোনদিন ঘুচবে ?

অনেকক্ষন দাড়িয়ে ওদের কথা শুনেছি ...
আর দাড়িয়ে থাকতে পারলাম না ।
... পরের দিন সকালে... হঠাৎ গুন গুন করে গান গাইতে গাইতে শিখা এক কাপ চা নিয়ে আমার বিছানার পাশে দাড়িয়ে হাসতে হাসতে বলল , এর আগে তিনবার চা নিয়ে ফিরে গেছি ।
আমি মুগ্ধ হয়ে ওকে দেখি কিন্তু মুখে কিছু বলি না ।
বলে , হঠাৎ আমাকে অমন করে দেখার কারন কি ঘটল ?
....বলি , তোমার চোখে-মুখে এমন খুশীর ভাব বোধহয় আর কোনদিন দেখিনি । সত্যি বলছি , আজ তোমাকে এত সুন্দর লাগছে যে তা বলে বোঝাতে পারব না ।
ও মূহুর্তের জন্য দৃষ্টিটা একবার উত্তরের বারান্দার দিকে বিলিয়ে দিয়ে বলল , সত্যি দাদা , আজ আমার খুব ভাল লাগছে । .....

বিয়ের কিছুদিন পর অতি সাধারন মেয়েরাও রূপশ্রী হয়ে ওঠে কিন্তু প্রানের পুরুষের নিবিড় সান্নিধ্যে তারা যেমন উজ্জ্বল , ভাস্বর , শ্রীমন্ডিত দেবীমূর্তি হয়ে ওঠে , তার তুলনা নেই ।সেদিন সকালে শিখাকে দেখে মনে হয়েছিল , চিরদিনের জন্য না হলেও অন্তত: ঐ একদিনের জন্য সে অনন্যা অসামান্যা হয়েছিল । আমি জানি না , সে রাত্রে চোখের জলের বিনিময়ে শিখা কি পেয়েছিল , কি হারিয়েছিল কিন্তু এইটুকু বুঝেছিলাম , ঐ অবিস্মরনীয় স্মৃতি , মাধুর্যের স্বাদ ও কোনদিন ভুলবে না , ভুলতে পারে না । সমস্ত পৃথিবীর অজান্তে শিখা তার শূন্য দেউলে জীবন দেবতার প্রতিষ্ঠা করে যে অনন্ত ঐশ্বর্যের স্বাদ মনে মনে উপভোগ করেছে , যে পূর্ণতার অধিকারিনী হয়েছে , তার রূপ আমি দূর থেকে দেখেই বিমগ্ধ হয়ে গেলাম ।
... পৃথিবীতে কোন দ্বন্দ্ব , কোন সংঘাতই চিরস্থায়ী হয়নি , হতে পারে না । যা চিরদিনের , চিরকালের তা হচ্ছে মানুষ । পৃথিবীর বুকে যতদিন মানুষ থাকবে , ততদিন প্রেম-প্রীতি স্নেহ-ভালবাসাও থাকবে । কোন পাসপোর্ট , কোন ভিসার শাসনে তাকে বন্দী করা যাবে না , যায় না ।

( নিমাই ভট্টাচার্যের উপন্যাস 'সদরঘাট' এর সঙ্কলিত এবং সম্পাদিত অংশবিশেষ )

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৩
ভাঙ্গন বলেছেন: হুম...পারস্পরিক এসব শ্রদ্ধাবোধ আর ভালবাসায় আমার খুবই সুখ হয়।
আমার দেখতে ভাল লাগে।
'সহেলী'পু আসলেই অনেক ভাগ্যবতী'!
কতজন তাঁকে ভালবাসেন!
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৮

লেখক বলেছেন: এসব জেনে ,দেখেও সুখ । মানুষ সত্যিকার অর্থে অন্যকে সুখী দেখতে চায় ।
সহেলী তার নিজের লেখা দিয়ে সবার ভালবাসা কুড়িয়ে নেয় ।

২. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৩
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: ' রাতের সব তারাই আছে দিনের আলোর গভীরে '। .... ঠিক যেমনটি শিখারা বেঁচে থাকে সোনালী সুতোয় বোনা স্মৃতির দেয়ালিকায় .....
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৯

লেখক বলেছেন: কথাটা বলেছো ঠিক ।
নিমাইয়ের এই উপন্যাস পড়তে গিয়ে ' রাতের সব তারাই আছে দিনের আলোর গভীরে ' দেখে মনে পড়েছিল সহেলীর পর্বগুলোর কথা ।

৩. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৬
তাজা কলম বলেছেন: মেয়েরা বড় হিসেবী , বড় কৃপণ । সহজে তারা কাউকে ভালবাসে না , ভালবাসতে পারে না কিন্তু সত্যি একবার ভালবাসলে , সারা জীবনেও তারা এর থেকে মুক্তি পায় না ।

নারী মন দেবা না জানন্তি
কুত: মনুষ্যা...

...আপনার নিমাই ভট্টাচার্যি মশাই বা নারী মন কতোটুকু চিনেছিলেন।

ভাল লাগল পোষ্টটি।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২৫

লেখক বলেছেন: নিমাই ভট্টাচার্য আমার হলো কি করে ?
উনি কতটুকু চিনেছিলেন জানি না ; মেম সাহেব বইটি পড়ে বোঝার চেষ্টা করে তেমন পারি নি ।
সহেলীর পোষ্ট পড়ে তাকে আবিষ্কারের ক্ষীন চেষ্টা ।
নিজে মেয়ে হয়ে অন্য একজন মেয়েকে বোঝা সহজ ।

ধন্যবাদ সময় নিয়ে এত বড় পোষ্ট পড়বার জন্য ।

৪. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৭
কালপুরুষ বলেছেন: পৃথিবীর সবচাইতে জটিল অথচ আকর্ষণীয় বস্তু হলো নারীর মন- যা পেলেও একটা পুরুষ ঠিক বুঝে উঠতে পারেনা কি পেলাম আর না পেলেও ভাবে কি যেন হারালাম। তবে একটা পর্যায়ে পাওয়া না পাওয়ার গভীরতা বা অনুভবে তেমন কোন উচ্ছাস থাকেনা। একজন নারীর বেলায় ভালবাসার মানুষ আরাধ্য তখনই যখন সেই পুরুষের সেই নারীর জীবনে অনুপ্রবেশ না ঘটে। আর যদি সেই পুরুষের আগমন ঘটেও তবে এতোকাল যত্ন করে ধরে রাখা নারীর সেই কল্পিত অনুভবে ক্রমশঃ ছন্দপতন ঘটে তখন কাছের মানুষটিকে কেমন অচেনা মনে হতে থাকে। সব ক্ষেত্রেই এমনটা ঘটবে তা নয় কারণ সব সফল প্রেমের পরিণতি মানেই চমৎকার মিলন নয়, আর সব সফল মিলনই দীর্ঘস্থায়ী প্রেমের নিশ্চয়তা নয়। নারী পুরুষের সম্পর্ক মানেই দুজনে মানিয়ে চলা, বিশ্বাসে এগিয়ে চলা আর যে যত মানিয়ে চলতে পারবে সে'ই তত বেশী সুখী(!) হবে কিংবা ভালবাসার রেসে টিকে থাকবে।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: আপনার বিশ্লেষনী মন্তব্য পড়ে ভাল লাগল ।
মানিয়ে চলবার কোন বিকল্প নেই সুখী হবার জন্য ।

৫. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২৬
েপচাইললা বলেছেন: সত্যিই, মেয়েরা বড় হিসেবী , বড় কৃপণ । সহজে তারা কাউকে ভালবাসে না , ভালবাসতে পারে না কিন্তু সত্যি একবার ভালবাসলে , সারা জীবনেও তারা এর থেকে মুক্তি পায় না ।

এই ভালবাসা একবার পেলে পৃথিবী জয় করার অনুভূতি পাওয়া যায়। অন্তত একজনের হৃদয় মন্দিরের পূজনীয় দেবতা হতে পারার সুখ তুলনীয় নয় কোন কিছুতেই।

ভাল পোস্ট, আবেগাক্রান্ত করে দিল।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৬

লেখক বলেছেন: আবেগাক্রান্ত করে দেবার মত লেখা নিমাই ভট্টাচার্যের ।
সহেলীর জন্য মানানসই ।

৬. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৮
পাস্ট পারফেক্ট বলেছেন: ভালবাসার ক্ষয় নেই , মৃত্যু নেই ; নেই সময়-অসময় , জাতি-ধর্ম-বর্ণ বিচার ।... ভালোবাসা বলিয়াও কিছুই নাই, আই বেট!!!
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫৩

লেখক বলেছেন: ভালবাসা বলে কিছু নেই ?
মানতে পারলাম না ।
দু:খিত ।

৭. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৩
সহেলী বলেছেন: নির্বাক হয়ে গেলাম ।
নিমাই ভট্টাচার্য সহেলীর নাম ভুলে মনে হয় শিখা লিখে ফেলেছে ।

অশেষ , শিখা খুব খুব চেনা ।
আর পেচাইললার "এই ভালবাসা একবার পেলে পৃথিবী জয় করার অনুভূতি পাওয়া যায়। অন্তত একজনের হৃদয় মন্দিরের পূজনীয় দেবতা হতে পারার সুখ তুলনীয় নয় কোন কিছুতেই। " --কথাগুলো এত মন ভোলানো ।
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৬

লেখক বলেছেন: হতে পারে নামের ভুল । এর পরে লিখলে নিমাই সহেলী নাম দিয়ে লিখবে । অশেষ শিখা তোমার চেনা হবার কথা । ওদের জীবন বোধ , পরিমিতিবোধ , পরস্পরের শুভাকাঙ্খী হবার প্রতিযোগীতা পড়তে পড়তে তোমার কথা মনে হল । তোমার লেখায় এমন কিছু চোখে পড়ে । তোমার লেখায় মুগ্ধতা আছে , পাশাপাশি আছে উদাস হবার উপকরন ।
তোমাকে মনে হয় এক রঙীন বিষন্ন প্রজাপতি । তার মনের খবর কেউ কি কখনো পায় ?

৮. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৩
নম্রতা বলেছেন: সুন্দর !
কেমন আছেন মেহবুবা ?
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৯

লেখক বলেছেন: ভাল আছি নম্রতা ।
তুমি যেখানে থাকো ভাল থেকো , নিরাপদ থেকো ।

৯. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৫
রোদেলা বলেছেন: চিরদিনের চিরকালের এই পরম সম্পদ নিয়েই মানুষ মানুষকে দেবতা করে তুলেছে , রচনা করেছে কালজয়ী কাব্য-সাহিত্য-শিল্প-সঙ্গীত ।
bhalo laglo porte
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০১

লেখক বলেছেন: নিমাই ভট্টাচার্য কি করে এমন সংমিশ্রন ঘটালেন কথা সব ।
গুনী সাহিত্যিকদের ব্যবহৃত ভাষা দেখলে বিস্মিত হতে হয় ।
ধন্যবাদ এমন এক লেখাতে সময় দেবার জন্য ।

১০. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৪
দীপান্বিতা বলেছেন: খুব খুব ভাল লাগলো...:)

পৃথিবীতে কোন দ্বন্দ্ব , কোন সংঘাতই চিরস্থায়ী হয়নি , হতে পারে না । যা চিরদিনের , চিরকালের তা হচ্ছে মানুষ । পৃথিবীর বুকে যতদিন মানুষ থাকবে , ততদিন প্রেম-প্রীতি স্নেহ-ভালবাসাও থাকবে । কোন পাসপোর্ট , কোন ভিসার শাসনে তাকে বন্দী করা যাবে না , যায় না ।
০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৯

লেখক বলেছেন: ঠিক কথা ।
এমন কঠিন একটা লেখা ধৈর্য ধরে পড়েছেন জেনে ভাল লাগল ।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে । লেখা ধার করা নিমাই ভট্টাচার্য থেকে ।

১২. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩১
রিমঝিম বৃষ্টি বলেছেন: "মেমসাহেব" বইটি কি নিমাই ভট্টাচার্যের?
০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: জ্বী । ওই একই ধাঁচের আরেকটি হোল ' ভিআইপি ' । চিঠি উপন্যাস । পড়লে ভাল লাগবে ।

১৩. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৪
চিকনমিয়া বলেছেন: মনডা উদাস হইচে
০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: কেন চিকনমিয়া ?
মন ভাল রাখুন , নন উদাস থাকুন ।

১৪. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৮
রিমঝিম বৃষ্টি বলেছেন: "ভিআইপি" তাহলে পড়ে দেখতে হয়। নিমাই ভট্টাচার্যের "মেমসাহেব" ছাড়া আর কোন বই পড়িনি।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২৬

লেখক বলেছেন: সদরঘাট উপন্যাসটাও পড়ে দেখবেন পুরো । ভাল লাগবে ।

১৫. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪৯
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: আপু, নতুন দিয়েছি একটা কিউট মেয়ের ছবি। কেমন হয়েছে?
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫০

লেখক বলেছেন: আমার খুব পছন্দ হয়েছে । এটা ভাল ।

১৬. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৩
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: আপু আমার হিন্ট দেখে যা বুঝেছেন আসলে তা না। কথা টা আমি বুঝিয়ে বলতে পারি নি! সরি! আপনি প্লিজ রাগ করবেন না আপু। আমি মন্তব্য করেছি। একটু দেখুন। :(
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২০

লেখক বলেছেন: তোমার উপর কে আবার রাগ করবে শুনি ?
বেশী বেশী স্যরি বললে অবশ্য আমি রেগে যাব ।
আচ্ছা দেখব ।

১৭. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১২
জুল ভার্ন বলেছেন: সহেলী আমার অন্যতম প্রিয় একজন ব্লগার। আমি ব্লগ অন লাইনে এসেই যাদের লেখা প্রথম পড়ার জন্য খুঁজি-সহেলী তাঁদের মধ্যে অন্যতম। আজ প্রায় ১০ দিন পর ব্লগে এসে সহেলীকে খুঁজতেগিয়ে দেখি-তাঁর ব্লগের পাতা শুণ্য! জানিনা কোন অভিমানে আমাদের জন্য তাঁর অপুর্ব সুন্দর সৃস্টিকে সরিয়ে নিয়েছেন! আপনার মাধ্যমে তাঁকে অনুরোধ করবো-সহেলী, আপনার সৃস্টিশীল লেখাগুলো এখন আমাদের সকল ব্লগারদের সম্পত্তি। আপনি আমাদের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করবেননা। প্লীজ, লেখাগুলো ফিরিয়ে দিন এবং ব্লগে আরো আরো নিত্য নতুন লেখা লিখুন।

মেহেবুবা, আপনি খুব বেশী লিখেননা-কিন্তু যা লিখেন-তাই মানোত্তীর্ণ। অসম্ভব সুন্দর লিখেন আপনি-যার প্রমান আপনার অন্যান্য লেখার মতই এই লেখাটাও।

শুভ কামনা।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৮

লেখক বলেছেন: সহেলী রোমান্টিক লেখা দিয়ে ব্লগে আবেগময় একটা পরিবেশ সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে । ছবি সাথে তার পোষ্ট দৃষ্টি আকর্ষন করে । সব কিছুর সাথে তার নিজস্ব অনুভুতি ফুটিয়ে তুলে ।
তার এবং তার মত অন্যদের বিচরন ব্লগে প্রয়োজন আছে মনে করি ।
আপনার কথা ভাল লাগল ।

জুলভার্ন ভাই , আমি অন্যদের মত লিখতে পারি না , যেটা পারি তাই শেয়ার করা এখানে । সময় অভাবে সেটাও হয়ে ওঠে না ।
এই লেখাটা আমার নয় ; নিমাই ভট্টাচার্যের উপন্যাস থেকে নেওয়া ।
শুভকামনা আপনার জন্যেও ।

১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৪

লেখক বলেছেন: সবার সহেলী ।
তোমার লেখা পাচ্ছি না কেন তারার হাসি ?

১৯. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৪
নিশ্চুপ নিরবতা বলেছেন: Click This Link

দেখুন... আর পারলে ইয়াহুতে এ্যাড দিয়েন। :)
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: দেখেছি তোমাদের রংপুরের অভিযান , কত কত মানুষকে শীত বস্ত্র দিয়ে এসেছো । এই মনটাকে যত্নকরে ধরে রেখ জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ।

ইয়াহুতে এ্যাড করে কি হবে ? আমাকে যোগাযোগ করে পাবে না ঠিকমত । এখানে আছি যতটা পারি ।
শুভেচ্ছা নিও ।

২০. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২২
ভাঙ্গন বলেছেন: আপু, জেরী'র পোস্টে আপনি আমাকে যে প্রশ্ন করেছেন, সেটা আমার চোখ এড়িয়ে যাওয়াতে এন্সার দিতে দেরী হলো।
আসলে সেটা ছিল নিছক একটা মিসটেক।
আমি আমার লগ ইন করতে যেয়ে দেখি আমাকে এরকম বলা হচ্ছে যে, আমি ব্যান। বুঝতে পেরেছিলাম..সমস্যা হচ্ছে কোথাও।
তারপর আবার লগইন করে ঠিকভাবেই ঢুকে ছিলাম।
তবে মজা করার জন্য স্ক্রিনশটটা রেখে দিয়েছিলাম।


ভাল থাকবেন ।
....
ভাঙ্গন
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন: মিস হল মিসটেক ।
যা হবার হোল ।
ভাল থাকবেন আপনিও
ভাঙ্গন ।

২১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৭
কাব্য বলেছেন:
গ্রুপ দেখলাম খুলনার অরন্য !! আপনি খুলনার নাকি :)?
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৫

লেখক বলেছেন: জ্বী, আজ্ঞে ।
আপনিও?
তবে অরণ্য নিয়ে শংকিত ।

২২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫২
জেরী বলেছেন: সহেলী তো তার ব্লগে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাচ্ছে /:)
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: সেটাই দেখছি । এত দিন ধরে সহেলীর দেয়া পোষ্ট এক নিমেষে উধাও ।

তোমার কি খবর জেরী ? হাসিখুশী জেরী ।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৮

লেখক বলেছেন: জ্বী ভাল আছি ।
আপনি ভাল আছেন ?

২৪. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৮
সহেলী বলেছেন: এ লেখাটা কি করে লিখল !
অশেষের কৃষ্ণচূড়া গাছের কাছে যাওয়ার ঘটনা পড়ে বিস্মিত হলাম ।
অশেষরা নিজেরা অশেষ থাকে অন্যকে শেষ করে দেয় । তারপর যদি হয় চাপা স্বভাবের !

এই লেখাটা তুলে নাও না কেন !
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪১

লেখক বলেছেন: এ লেখা এখান থেকে তুলে নিলেও নিমাই ভট্টাচার্যের বইয়ে থাকবে ঠিক ।
আর তোমার সব লেখার মূলসূর এখানে নয় কি ?
অশেষরা অন্যকে শেষ করে দিয়ে নিজেরা অশেষ থাকে তাই এসব অশেষকে বিশেষ করে দুরে কোথাও পাঠিয়ে দেয়া ভাল ।

২৫. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫৯
নতুন বলেছেন: @ পেচাইললার

"এই ভালবাসা একবার পেলে পৃথিবী জয় করার অনুভূতি পাওয়া যায়। অন্তত একজনের হৃদয় মন্দিরের পূজনীয় দেবতা হতে পারার সুখ তুলনীয় নয় কোন কিছুতেই। "

জটিল বলেছেন... সত্যি এই অনুভতি ভোলার নয়... :|


সহেলী...... সহেলীকে কিছুই বলার নাই.... যেই মেয়ে এতো মানুষের ভালোবাসাকে অবহেলা করতে পারে... আমার মনে হয় না তাকে কোন অনুরোধ করা উচিত....

আমি কিন্তু নতুন বষে` সহেলীকে উইশ করে আমার এই ভয়ের কথাটিও বলে ছিলাম.... কিন্তু মেয়ে অভিমান করে ঠিকই সব লেখা সরিয়ে নিলো ...
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে ।
সহেলীর লেখা পড়ে কখনো মনে হয়নি ও নিজেকে ছাড়া অন্য কিছু , অন্যকারো ভালবাসা অবহেলা করতে পারে । তাই যদি পারতো ওর লেখায় মায়া ঝরে পড়তো না । ও নিজেকে ভালবাসতে শিখুক । সবার অনুরোধে না ফিরতে পারুক নিজেকে গুছিয়ে ফিরে আসুক সেই প্রত্যাশা রইল ।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৮

লেখক বলেছেন: কি হোল কাব্য ???

২৭. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৪
অপ্‌সরা বলেছেন: এমন লেখা শুধু সহেলীমনিকেই লেখা যায়।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২৪

লেখক বলেছেন: তোমার সহেলীমনিকে নিয়ে নিমাই এত দিন আগে এমন একটা লেখা লিখে রেখেছে । তুমি কি শিখিয়ে দিয়েছিলে ওনাকে ?

২৮. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩২
মুক্ত বয়ান বলেছেন: সহেলী আপু'র কি হইছে??
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪১

লেখক বলেছেন: লেখা টেখা নিয়ে উধাও সহেলী । নিমাই ভট্টাচার্য কে জিজ্ঞেস করতে হবে কি ব্যাপার ।

তুমি কি জান ওনার ঠিকানা ?

২৯. ২৭ শে জুলাই, ২০১১ বিকাল ৩:০১
সকাল রয় বলেছেন:
আপনার এই লেখাটা ই-বুকের জন্য নিলাম
আপনি অনুমতি দিয়ে বাধীত করবেন পিলিজ

বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন

Click This Link
৩০. ২৯ শে জুলাই, ২০১১ সকাল ৯:৫২
মেহবুবা বলেছেন: আপনি নিতে পারেন এ লেখা ই -বুকের জন্য। এটি সঙ্কলিত সম্পাদিত অংশবিশেষ নিমাই ভট্টাচার্যের লেখা ।
খন্ড ত্ কেন যেন আসেনা । শুরুতে হঠাত্ বানানটা দেখবেন খেয়াল করে ।

আপনার কারনে আজ এ পোষ্ট পড়লাম, অনেকদিন আগে লিখেছিলাম ; সহেলীকে উৎসর্গ করতে পেরে ভাল লেগেছিল। যেন এখানে সহেলীর দেখা পেলাম শিখারূপে ।

ধন্যবাদ আপনাকে ।
৩১. ৩০ শে জুলাই, ২০১১ দুপুর ১:২৬
সকাল রয় বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ
শুধুমাত্র লেখার নিচে আপনার নাম কোনটা হবে এটা জানিয়ে একটা মেইল দিবেন
০৩ রা আগস্ট, ২০১১ রাত ১০:২৭

লেখক বলেছেন: যে নামটা আছে 'মেহবুবা' সেটাই দেবেন । এটার জন্য আর মেইল করছি না ।

ধন্যবাদ আপনাকে ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫৭৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই