বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম : দারিদ্র্য দূর করার ক্ষেত্রে ভারতের চেয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট াইএফপিআরআই)-এর সা¤প্রতিক এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ পত্রিকায় ৬ই নভেম্বর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে আইএফপিআরআই-এর গবেষণার বরাত দিয়ে বলা হয়, ১৯৯০ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন উপাত্ত পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ১৯৯০-এর দশকের শেষ দিক থেকে বাংলাদেশে ‘অতিদরিদ্র’, ‘মাঝারি পর্যায়ের দরিদ্র’ ও ‘দরিদ্র’ মানুষের সংখ্যা কমেছে। কিন্তু ভারত এ ক্ষেত্রে তেমন সাফল্য পায়নি। ‘দ্য ওয়ার্ল্ডস মোস্ট ডিপ্রাইভড’ শিরোনামে প্রকাশিত আইএফপিআরআই-এর প্রতিবেদনে দৈনিক মাথাপিছু ৫০ সেন্টের কম আয়ের মানুষদের ‘অতি দরিদ্র’, ৫০ থেকে ৭৫ সেন্ট আয়কারীদের ‘মাঝারি দরিদ্র’ ও ৭৫ সেন্ট থেকে ডলার আয় করতে সক্ষম মানুষদের ‘দরিদ্র’ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বে এখন অতি দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ১৬ কোটি ২০ লাখ। এছাড়া সারা বিশ্বে ৩২ কোটি ২০ লাখ মাঝারি পর্যায়ের দরিদ্র এবং ৪৮ কোটি ৫০ লাখ দরিদ্র মানুষ রয়েছে। আখতার উ আহমদের নেতৃত্বে পরিচালিত ওই গবেষণায় বলা হয়, সারা বিশ্বের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ১২ শতাংশই বাস করে দক্ষিণ এশিয়ায়। ভারতে গত প্রায় এক দশকে মাঝারি দারিদ্র্যের পরিমাণ কিছুটা কমেছে। তবে প্রতিবেশী বাংলাদেশ বেশি সাফল্য পেয়েছে অতি দরিদ্রের জীবনমান উন্নয়নের ক্ষেত্রে। এতে বলা হয়, সা¤প্রতিক সময়ে দারিদ্র্য হ্রাসের ক্ষেত্রে পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার দেশগুলোর চেয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো অনেক বেশি সফল হয়েছে। সারা বিশ্বে ২০০৪ সালে এ বিষয়ে অর্জিত সাফল্যের অর্ধেকই অর্জন করেছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো। বাকি ৫০ ভাগের মধ্যে ৩১ শতাংশ সাফল্য পেয়েছে আফ্রিকার দেশগুলো। আর পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার দেশগুলোর সাফল্য মাত্র ১৭ শতাংশ। ১৯৯০ থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে সারা বিশ্বে দৈনিক এক ডলারের কম মাথাপিছু আয়ের জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ১২৫ কোটি থেকে কমে ৯৬ কোটি ৯০ লাখে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয় প্রতিবেদনটিতে।
http://www.manabzamin.net/page1.htm

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

