লালনের ওপর টকশো হচ্ছিলো একুশের রাতে। অগ্রজ কথা বলবেন জানতাম বলে বসে বসে দেখছিলাম। চোখ পরলো লুঙ্গি পরা লম্বা চুল, দাড়ি ওয়ালা একটা ছেলের ওপর। টিভি প্রোগ্রামে লুঙ্গি !!! এ আবার কোন ভন্ডামিরে বাবা ... (মাফ্ চাচ্ছি রাহী। এক মূহুর্তের অনুভুতিকে নিশ্চই ক্ষমা করা যায়?) কিছুক্ষণ পর ভালো লাগতে শুরু করলো, মজে গেলাম প্রোগ্রামটায়।
দুদিন পর ব্লগে লালনের ওপর একটা লিখা চোখে পরে গেলো। টকশোটার আছর তখোনো কাটেনি বলে পড়তে শুরু করলাম। লেখকের নাম অরুপ রাহী। আআরেহ!! এইটা ঐ লুঙ্গী পরা ছেলেটা না ?? নিশ্চিত হবার জন্য কমেন্ট এ জানতে চাইলাম : ভাই এটা কি টকশো এর আগের না পরের। জবাব এলো: আগের।
যাক .. দুই জন একই ব্যক্তি। বিরাট একটা জিনিস আবিস্কার করে ফেলেছি। দুদিন বিশ্রাম নেই এবার।
কিসের বিশ্রাম ... নিত্যদিনের মতো ফেইসবুকে মেইল চেক করছি। আবার অরুপ রাহী। একটু অবাক হলাম। এক জোড়া চিঠি আদান প্রদান হলো। এবার নিশ্চিত হলাম যে লুঙ্গিওয়ালাকে আবার পাওয়া গেছে।
এতবার পাবার পর মানুষটাকে না দেখলে খারাপ দেখায় না ?? শনিবার সন্ধায় আজিজে কাজ ছিলো আমার। একটু দেরীতে হলেও রাহী এলেন। কফি হাউজে ম্যারাথন আড্ডা দিলাম দোকানের শাটার না ফেলা পর্যন্ত।
একটু মজা তখোনো আমার জন্য বাকি ছিলো। বাপ্পির চায়ের দোকানের পাশে দাড়াতেই রাহী পরিচিত করিয়ে দিলেন আরো কিছু ব্লগারের সাথে। ব্রাত্য রাইসু, কৌশিক আহমেদ, অন্যমনস্ক শরত, অমি রহমান পিয়াল আরো দু এক জন। হায়! হায়!!
ব্লগের বাহিরে মানুষগুলো তো একদম মানুষের মতো। লেজ, শিং, ছেদন দাঁত কিচ্ছু নেই ... ...
এক ঘেয়ে যান্ত্রিকতায় একটু ভিন্নতা, একটু নতুনত্ব।
ধন্যবাদ রাহী।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



