somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সাঁইয়ের বারামখানা

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অভিজ্ঞতার জন্যে ছুটেছি কখনো পাহাড়ে, কখনো সমুদ্রে, ভ্রমণ করেছি মানুষের ভেতরে। নাগরিক সভ্যতায় প্রতিনিয়ত ব্যর্থ হতে যাওয়া মানব জীবনেও প্রায় সন্ধ্যায় নগরের গহীনে একটু শ্রান্ত সময় পেলেই আমাদের আড্ডা জমে, এ কোথায় এলাম দাদা? কার ভাবে এই দেহে এত আয়োজন? উত্তর হয়তো মেলেনা, তবে প্রাণ ঠিকই ফিরে আসে। এখনো ফুরিয়ে যাইনি এই বার্তা বারবার বাজতে থাকে এই দেহভাণ্ডের কোথাও। যেখানে আমার অনুভবের সামগ্রিক সত্যতা মুক্তি পায়। আয়ু সাধ্যে কুলায় যদি, তবে পেতেও পারি ভয়, লোভ আর বিশ্বাসের দ্বাসত্ব থেকে মুক্ত এক জীবন।

প্রচলিত সব তত্ত্ব কিংবা আচার-অনুশীলন যখন এই ভূখণ্ডকে ঠেলে দিচ্ছে একে অন্যের বিপরীতে। নিজেকে নিজের মুখোমুখি। খুব স্বাভাবিকভাবেই মনে হয় তবে কি সংসারের প্রকৃত সারমর্ম এখনো রয়ে গেছে অচেনা। তবে কি! এই অচেনা জীবনের সারতত্ত্ব খুঁজতে থাকাই জীবন? কিংবা অজস্র প্রশ্নের মুখোমুখি এসেও মৃতের মতো, উত্তরহীন থেকেও সময়ের গণ্ডিকেই জীবন ভেবে বেলায় ভোর-দুপুর-সন্ধ্যা-রাত আবার নতুন সকাল এলেই মৃত মানুষটাও অভ্যাসের দ্বাসত্বে বলতে শিখে- এইতো বেশ! জীবন! আহ! বেঁচে আছি। তবুও যে প্রশ্ন থেকে যায়, সব প্রশ্নের উত্তর নেই বলেইতো পৃথিবী এতোটা বৈচিত্র্যময়।

নাগরিক জীবন ব্যবস্থায় থেকেও নিজের ভেতরে অনুভব করি, এক বোধ, ভিন্ন এক বোধ। ভিন্ন এক বৈচিত্র্যময় অনুভূতির। যে বোধ বারবার টেনে নিয়ে যায় আমার আগে কিংবা সমসাময়িক সমবোধি অনুভূতিগুলোর কাছাকাছি। অসংখ্য জ্ঞানগুরুর সংস্পর্শে কিংবা বোধস্পর্শে এসেও সাঁইজি লালনের বোধ ও দর্শনই আমার গুরুবোধ। তিনি আমার জ্ঞানগুরু। সাঁইজির মাজারে শেষবার ভ্রমণকালের অভিজ্ঞতার স্মারক হয়ে থাকবে- প্রেম, আধ্যাত্ববাদ, সমবোধ ও বোধের ব্যবসার কিছু খণ্ডচিত্র- সাঁইয়ের বারামখানা।

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:২৫
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সেই ফাল্গুনে, এই ফাল্গুনে

লিখেছেন মলাসইলমুইনা, ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৮:৫৪



সেই ফাল্গুনে, হালকা শীতের সকালে ছিল
ধুলো, ধোঁয়া, কুয়াশা আর গোলা বারুদের গন্ধ |
ছিল পুলিশ, সেনাবাহিনীর গুলি, ধরপাকড়, জেল জুলুম
রাজপথ উত্তাল ছিল তবু ভাষার দাবি, বিক্ষোভে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিন্না বলে উঠলো "ঊর্দু এবং ঊর্দুই হবে রাষ্ট্রের ভাষা" তখন সাড়ে সাত কোটি বাঙালির শরীরে প্রতিবাদী রক্ত ধ্বণিত হয়ে উঠলো, না, রাষ্ট্রের ভাষা বাংলা হবে...

লিখেছেন রাজীব নুর, ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:২৮



১। সব মানুষের একটা ভরকেন্দ্র থাকা উচিত । আমার ভরকেন্দ্র রবীন্দ্রনাথ । যেখানে যাই আর যতোই চেচাই বুড়োটায় এসে সব ঠান্ডা । বাঙালির ১৪ না ১১৪ পুরুষের ভাগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

সব বাংগালী বাংলা-পড়া শেখা অবধি শহীদ দিবস পালন বন্ধ রাখা হোক!

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৫



ভাষা রক্ষার্থে গুলি খেয়ে বাংগালী প্রাণ দিয়েছেন, শহীদ মিনার হয়েছে, মিনারে ফুল দেয়া হচ্ছে, এ নিয়ে গান রচনা হয়েছে, কবিতা লিখা হচ্ছে; সবই ঠিক আছে; কিন্তু ৬৬ বছর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগে ভালো কিছু লিখতে না পারলে চুপ করে থাকাই শ্রেয়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২০

ভালো কিছু বলতে না পারলে চুপ থাকাই শ্রেয়। জিহবা'র অসঙ্গত ব্যবহার মানুষকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যেতে পারে। আধুনিক কালের জন্যে এমন করে কি বলা যায়- 'কি-বোর্ডে আঙ্গুলের অসংযত ব্যবহার... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ হঠাৎ দেখা

লিখেছেন অপু তানভীর, ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:১২

-এই যে দাড়ান । এতো রাতে কই যান ?

আমি সাইকেল থামালাম । সামনেই একটা পুলিশের গাড়ি দেখতে পাচ্ছি । টহল পুলিশ । আমার একটু ভয় পাওয়ার কথা । কারন এখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×