somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পুত্র সন্তান জন্ম না নিলে সরাসরি স্ত্রীদের দায়ী করা হয়- কিন্তু বিজ্ঞান ও আল-কোরআনের দৃষ্টিতে তা কি সঠিক?

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১১:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সন্তান আল্লাহর দান। এ পৃথিবীতে সন্তানের জন্য মা ও বাবার অবদান যে সবার ঊর্ধে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রে মা ও বাবা কারও ভূমিকা কম নয়। বরং মায়ের ভূমিকা অনেক ক্ষেত্রেই বেশী। মায়ের জরায়ুর কোন বিকল্প নেই। দীর্ঘ ৪০ - ৪২ সপ্তাহ একাত্মা হয়ে তিলে তিলে গঠিত হবার একমাত্র আশ্রয় যে মা, তাঁর কি কোন তুলনা হয়? কিন্তু প্রায়ই দেখা যায় পুত্র সন্তান জন্ম না নিলে সামাজিকভাবে সরাসরি সেই মা-কেই দায়ী করা হয়, শারীরিক ও মানসিক ভাবে অত্যাচার করা হয়, তালাক দেয়া হয়, এমনকি তাদেরকে প্রাণও দিতে হয়। অথচ বিজ্ঞান ও আল-কোরআনের তথ্য ও বক্তব্য কিন্তু এ ধরনের কুসংস্কার ও অজ্ঞতার সম্পূর্ণ বিপক্ষে।

আমরা জানি,সন্তান জন্মের প্রাথমিক পর্যায়ে ডিম্বাণু ও শুক্রাণু নিষিক্তকরণের সময় মায়ের কাছ থেকে আসা ডিম্বাণূর-২৩টি এবং বাবার কাছ থেকে আসা শূক্রণূর-২৩টি ক্রমোজম মিলে ভ্রূণ তৈরী হয়। সুতরাং স্বাভাবিকভাবে সন্তান (কন্যা/পুত্র) জন্মদানের ক্ষেত্রে মায়ের ডিম্বাণূ ও বাবার শূক্রণূ এই দুটোরই প্রয়োজন হয়। এক্ষেত্রে মায়ের সেক্স-ক্রমোজম X এর সাথে বাবার কাছ থেকে আসা X বা Y এর মধ্যে যে কোন একটি মিলিত হতে পারে। সাধারনত মায়ের কাছ থেকে আসা সেক্স-ক্রমোজম X এর সাথে বাবার X মিলিত হলে সন্তানটি কন্যা (XX) এবং বাবার Y মিলিত হলে সন্তানটি পুত্র (XY) হয়। ডিম্বাণূর সাথে শূক্রাণূর মিলন ঘটলে ভ্রুণের যে কোষটি গঠিত হয় তাতে মানুষের ক্ষেত্রে ডিম্বাণূর ২৩টি (২২টি অটোজম + ১টি সেক্স-ক্রমোজম X) এবং শুক্রণূর ২৩টি (২২টি অটোজম + ১টি সেক্স-ক্রমোজম X/Y) মিলে মোট ৪৬টি ক্রমোজম (২২জোড়া অটোজম + ১জোড়া সেক্স-ক্রমোজম XX/XY) থাকে। এর ব্যতিক্রম ঘটলেই নানা রকম অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়।

এখন একটা প্রশ্ন করে বিষয়টিকে আরেকটু খোলাসা করতে চাই-

পুত্র সন্তান জন্মের জন্য X এর সাথে যে Y ক্রমোজমটা মিলিত হবে তা কি ডিম্বাণূ থেকে আসবে? নাকি শূক্রাণূ থেকে?

উত্তর- নিশ্চয় বাবার শূক্রাণূ থেকে আসবে।

ভ্রুণ গঠনের জন্য শূক্রাণূ এবং ডিম্বাণূ দুটোরই প্রয়োজন হয়- মূলত এখানে আলোচনা কিন্তু এ বিষয়টি নিয়ে নয়।
আরেকটি প্রশ্ন- যে ভ্রূণটি গঠিত হবে সে যদি বংশবিস্তারক্ষম পুরুষ হয় তবে তার লিঙ্গ নির্ধারিত হয় কিভাবে?
আল-কোরআন-৫৩ নং সূরা নজম-৪৫ ও ৪৬ নং আয়াতের দিকে লক্ষ করি
(বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম)
(৫৩:৪৫) ওয়া আন্নাহু খালাকাজ যাওজাইনিজ জাকারা ওয়াল উংসা-

যাওজাইনি = (অর্থ) স্বামী-স্ত্রী, দুই প্রকার, দুই জোড়া (কোরআনের অভিধান- মুনির উদ্দীন আহমদ)
(৫৩:৪৫) অর্থ- এবং তনিই সৃষ্টি করেন পুরুষ ও স্ত্রীর যুগল

(৫৩:৪৬) মিন নুত্বফাতিন এজা তুমনা

নুত্বফাতুন = (অর্থ) পরিচ্ছন্ন পানি, স্ত্রী বা পুরুষের বীর্য ( আল -কাওসার- আধুনিক আরবী বাংলা অভিধান- মদীনা পাবলিকেশান্স) এবং তরল পদার্থের অতি সামান্য অংশ
এজা তুমনা =(অর্থ) স্খলিত/নিক্ষিপ্ত/নর্গিত/ফোটায় ফোটায় আসা
(৫৩:৪৬) অর্থ- নুতফা (বীর্যের বা তরল পদার্থের অতি সামান্যতম বা সূক্ষতম অংশ অর্থাৎ শূক্র) হতে- যখন তা স্খলিত/নিক্ষিপ্ত/নর্গিত হয়।

(৫৩:৪৫) নং আয়াতে 'যাওজাইনি' শব্দটির অর্থ স্বামী-স্ত্রী, দুই প্রকার, দুই জোড়া। আর দুইজোড়া, দুই প্রকার এবং স্বামী-স্ত্রী এই তিনটি অর্থই এখানে তথ্য বহন করে। যেমন এখানে ইংগিত দেয়া হচ্ছে ডিম্বাণূর সাথে শুক্রিণূর মিলন ঘটলে যে পূর্ণাঙ্গ ভ্রূণ-কোষটি গঠিত হয় তাতে সবার ক্ষেত্রে সব সময় একই প্রকারের নয় বরং বিভিন্ন জনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সময় দুই প্রকারের যুগল অর্থাৎ কখনও স্ত্রীর-যুগল (XX) সেক্স-ক্রমোজম, আবার কখনও পুরুষের-যুগল (XY) সেক্স-ক্রমোজম গঠিত হয়। আবার এ ধরনের স্বাভাবিক সেক্স-ক্রমোজম গঠিত হওয়ার উপরে পুত্র ও কন্যা সন্তানটির পরবর্তীতে স্বামী ও স্ত্রী হিসেবে ঠিকমত ভূমিকা পালন করা ও সন্তান জন্ম দেবার বিষয়টি অনেকাংশে নির্ভর করে। সুতরাং এ থেকে বুঝে নেয়া যায় যে, এখানে পুরুষ ও নারীর যুগল বলতে মূলত পুরুষের সেক্স-ক্রমোজম XY এবং নারীর সেক্স-ক্রমোজম XX কেই নির্দেশ করে।

(৫৩:৪৬) নং আয়াতে নুত্বফাতিন এর সাথে এজা তুমনা শব্দটি জুড়ে দেয়া হয়েছে এবং এই এজা তুমনা এর অর্থ স্খলিত/নিক্ষিপ্ত/নর্গিত/ফোটায় ফোটায় আসা সব গুলোই বোঝায়।আমরা জানি পুরুষের বীর্যই নিক্ষিপ্ত বা নির্গত হয়, যার প্রতিটি ফোটাতে অসংখ্য শুক্রকীট থকে। সুতরাং এই শুক্রকীটই সেই বীর্যের বা তরল পদার্থের অতি সামান্যতম বা সূক্ষতম অংশ যা ডিম্বাণূর সাথে মিলিত হয়।

http://anthro.palomar.edu/biobasis/bio_2.htm
Meiosis in human females is more complex. By the 5th month after conception, immature sex cells begin to develop in the fetal ovaries but stop at an early stage of meiosis (after prophase I). They remain in this precursor egg cell, or primary oöcyte, phase until puberty when hormones cause a resumption of meiosis for one to several cells each month. They proceed to the 1st and 2nd reduction divisions and once again stop developing. At this stage they are secondary oöcytes. When a secondary oöcyte is finally released from the ovaries into the fallopian tube (during ovulation), the egg still has not completed the last stage of meiosis. That happens only at conception as a result of chemical changes that occur when the main part of a sperm cell enters the ovum.

ওভুলেশনের সময় ডিমাশয় থেকে বের হয়ে ডিম্বটি (egg) যখন ফ্যালোপিয়ান টিউবে আসে তখন (নিক্ষিপ্ত/নির্গত অথবা ফোটায় ফোটায় আসা) শুক্রাণূটি এর সংস্পর্শে আসলে এক ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে পরিপক্ক ডিম্বাণূ গঠিত হয়। অর্থাৎ শুক্রাণূটি একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ডিম্বটির সংস্পর্শে না আসতে পারলে ডিম্বাণূটি আর পরিপক্কতা লাভ করতে পারেনা। ডিম্বাণূর সেক্স-ক্রমোজম (X) সব সময় নির্দিষ্টই থাকে এবং এর সাথে যখন (৫৩:৪৬ নং আয়াত অনুসারে- নিক্ষিপ্ত/নির্গত অথবা ফোটায় ফোটায় আসা) শুক্রাণূর X মিলিত হয় তখন সন্তানটি কন্যা অর্থাৎ স্ত্রীর যুগল (XX) এবং যখন (৫৩:৪৬ নং আয়াত অনুসারে- নিক্ষিপ্ত/নির্গত অথবা ফোটায় ফোটায় আসা) শুক্রাণূর Y মিলিত হয় তখন সন্তানটি পুত্র অর্থাৎ পুরুষের যুগল (XY) গিঠত হয়। পরিপক্ক ডিম্বাণূর গঠন এবং লিঙ্গ নির্ধারন- বিশেষ করে বংশবিস্তারক্ষম পুত্র সন্তান জন্মের জন্য সেক্স-ক্রমোজম যুগল XY গঠনের বিষয়টি যেহেতু শুক্রাণূর উপরে নির্ভর করে। সুতরাং এখানে (নিক্ষিপ্ত/নির্গত অথবা ফোটায় ফোটায় আসা) নুত্বফাতিন এর অর্খ পুরুষের (বীর্যের) শূক্রাণূ হিসেবে ধরে নেয়াই যুক্তিসংগত হবে।
এবার আল-কোরআন-৮০নং সূরা-আবাসার- ১৮ ও ১৯ নং আয়াতের দিকে লক্ষ করি
(বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম)
(৮০:১৮) মিন আইয়া শাইইন খালাকাহু
শাইউন=(আর্থ) জিনিস, বস্তু, কিছু
(৮০:১৮) আর্থ- তিনি তাকে কি জিনিস থেকে সৃষ্টি করেছেন?

(৮০:১৯) মিন নুত্বফাতিন খালাকাহু ফাকাদাদরাহু
নুত্বফাতুন=(অর্থ) পরিচ্ছন্ন পানি, স্ত্রী বা পুরুষের বীর্য ( আল -কাওসার- আধুনিক আরবী বাংলা অভিধান- মদীনা পাবলিকেশান্স)
(৮০:১৯) আর্থ- বীর্য (ডিম্বাণূ/শুক্রাণূ) থেকে তাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তাকে সুপরিমিত করেছেন।

(৮০:১৮) নং আয়াতের দিকে লক্ষ করলে দেখা যায়- এখানে মানুষকে প্রশ্ন করা হচ্ছে যে, তাকে কি রকম 'জিনিস বা বস্তু বা কিছু' থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে?
এর পরের (৮০:১৯) নং আয়াতেই উত্তর দেয়া হলো- নুত্বফাতিন অর্থাৎ (পুরুষ/নারীর) বীর্য থেকে এবং এই 'নুত্বফাতুন' এমন কিছু যা থেকে তাকে (মানুষকে) সুপরিমিতভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে।

(৫৩:৪৬)নং আয়াতের মত (৮০:১৯) নং আয়াতে 'নুত্বফাতিন' এর সাথে এমন কোন বিশেষণ জুড়ে দেয়া হয়নি যে এটাকে শুধুমাত্র পুরুষের শুক্রাণূ বলা যায়। তাই এখানে 'নুত্বফাতিন' এর অর্থ ডিম্বাণূ এবং শুক্রাণূ দুটোই ধরে নিতে হবে। কারন ডিম্বাণুর সাথে শুক্রাণূ মিলে প্রথমত ৪৬টি ক্রমোজমের অধিকারী একটি সুষম মানবকোষ সৃষ্টি করা হয় এবং এর মধ্যকার সংকেত অনুসারে ধীরে ধীরে (স্ত্রী/পুরুষ) মানুষটি সুপরিমিতভাবে পরিগঠিত হতে থাকে। সুতরাং দেখা যাচ্ছে এখানে স্রষ্টা মহান আল্লাহতায়ালা যে আরবী শব্দ ‘নুতফাত্বিন’ ব্যবহার করেছেন প্রকৃত অর্থে এটি কোন লিঙ্গ নির্দেশ করেনা। এ আয়াতে সন্তান জন্মের জন্য যে ‘নুতফাত্বিন’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে প্রকৃত অর্থে এটি দ্বারা স্ত্রী/পুরুষের বীর্য অর্থাৎ X এবং Y ক্রমোজম বহনকারী শুক্রাণু ও ডিম্বাণূ উভয়কেই নির্দেশ করে। মানুষ সৃষ্টির জন্য স্ত্রীর-ডিম্বাণু ও পুরুষের-শুক্রণূ দুটোই যে অপরিহার্য সে তথ্যটাই এখানে স্পষ্ট করে দেয়া হয়েছে।

আরেকটি প্রশ্ন - পুরুষের নির্গত/নিক্ষিপ্ত/(ফোটায় ফোটায় আসা) বীর্যে যেমন শূক্রাণূ থাকে, স্ত্রী-দের কি নির্গত/নিক্ষিপ্ত/(ফোটায় ফোটায় আসা) সেরূপ বীর্য থাকে কিংবা সেই বীর্যে(তরল নিঃসরণে) কি ডিম্বাণূ থাকে?

এই উত্তরটা কারও জানা থাকলে আশাকরি বাকি বিষয়টিও তিনি বুঝতে পারবেন।

বিজ্ঞান কি বলে তা সংক্ষেপে জেনে নেই-
In humans, there is a gene on the Y chromosome that codes for the presence and development of testes, and if those testes are formed, then, under guidance from other genes, they will begin to produce testosterone and other hormones that, in turn, are able to stimulate development of male genitalia. (Beard quality, by the way, is a totally separate, autosomal trait with its own genes/alleles, and its expression/phenotype is influenced by a variety of factors.) However, for development of male genitalia to happen, another gene, which is located on the X chromosome and which codes for the presence and functioning of testosterone receptors, must also do so. Interestingly, in human embryonic development, development of female genitalia is the “default” condition, so if there is no Y chromosome, there are no instructions to form testes and the baby develops as a girl, but even if there are testes and testosterone, and there’s also an alternate allele that codes for “faulty” or missing testosterone receptors, the baby still developes as a girl. Thus, the mere condition of being, chromosomally, XY, does not automatically mean that person is male! Again, sex is a phenotype, not a genotype. As described below, while it is not a very common thing, it is entirely possible that someone could have an X and a Y chromosome, yet because of the ways in which her alleles/genes are expressed, be phenotypically, female. In the past, before people knew about and were able to test for X and Y chromosomes, such a woman might have been labeled as “barren” or “infertile” – a bad-enough label, but now that we know about X and Y chromosomes and can test for their presence, some people, including some doctors and researchers, forgetting that sex is a phenotype, not a genotype, much less a karyotype, incorrectly and callously try to label these women as “chromosomally male” – a term which is sheer nonsense.

The “opposite” condition is also possible. A colleague told me of a case in which a couple who were having problems conceiving a baby went to a fertility specialist, and it was discovered that the very masculine, fully-bearded husband wasn’t producing sperm because he happened to be XX. Also, sex determination works differently in different species of animals. In humans and other mammals, due to the presence of Barr bodies, the expression of the genes/alleles on the Y chromosome “normally” results in a male phenotype, and thus people who are XXY (Klinefelter’s syndrome) are “normally” male.

উপরের দয়া তথ্য অনুসারে X ও Y উভয় ক্রমজোমে টেসটিস গঠন ও টেস্টোসটেরন উৎপাদনের অ্যলিল/জিন থাকলেও সাধারনভাবে Y এর মধ্যকার জেনেটিক সংকেতের কারনেই মূলত পুরুষের পুরুষত্ব নির্ভর করে অর্থাৎ সন্তান জন্মের জন্য শূক্রাণুর উৎপাদন সম্ভব হয়। আমরা আগেই জেনেছি যে, স্বাভাবিকভাবে মায়ের কাছ থেকে আসা সেক্স-ক্রমোজম X এর সাথে বাবার X বা Y এর মধ্যে যে কোন একটি মিলিত হতে পারে। সাধারনত মায়ের কাছ থেকে আসা সেক্স-ক্রমোজম X এর সাথে বাবার X মিলিত হলে সন্তানটি কন্যা (XX) এবং বাবার Y মিলিত হলে সন্তানটি পুত্র (XY) হয়। অতি নগন্য ব্যতিক্রম যে ঘটনাগুলো ঘটে, যেমন- কোন স্ত্রীলোকের স্ত্রী-যৌনাঙ্গ থাকা সত্বেও তার কোষে XY সেক্স-ক্রোমজমের উপস্থিতির কারনে সে নারীত্ব অর্থাৎ সন্তান উৎপাদনের ক্ষমতা থেকে বঞ্চিত থাকে। আবার কিছু কিছু পরুষ XX ক্রমোজম ধরান করার কারনে পুরুষের মত দৈহিক গঠন ও পুরুষাঙ্গ থাকা সত্বেও পরুষত্ব অর্থাৎ সন্তান জন্ম দেয়ার জন্য শূক্রানু উৎপাদনে অক্ষম হয়। তাই XY সেক্স-ক্রমোজমের অধিকারী একজন নারীকে যেমন পূর্ণরূপে নারীত্বের অধিকারী বলা যায় না, তেমনি XX ক্রমোজমের অধিকারী পরুষকেও পূর্ণরূপে পুরুষত্বের অধিকারী বলা যায় না। সুতরাং এ থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, শুধুমাত্র ক্রমোজম নয়, বরং ক্রমোজমের মধ্যে নিহিত অ্যালিল বা জিনের কারনেই এরূপ ঘটনা ঘটে। X সেক্স-ক্রমজোমের মধ্যে শুধুমাত্র পরুষের পুরুষাঙ্গ- টেসটিসের গঠন ও হরমোন টেসটোসটেরন উৎপাদনের জিন থাকলেও পরুষের শূক্রাণু উৎপাদনের কোন সংকেত থাকেনা। আর তাই XX ক্রমোজমধারী কোন পুরুষ সন্তান জন্মদানে তথা শূক্রাণু উৎপাদনে অক্ষম হয়। আবার XY সেক্স-ক্রোমজমধারী কোন ফেনোটাইপ নারীও সন্তান উৎপাদনে অক্ষম হয়। গবেষণায় দেখা গেছে Y ক্রমোজমের মধ্যে অবস্থিত একটি মাত্র জিনের (SRY) উপস্থিতি maleness অর্থাৎ পরুষত্বের কারন। কথনও X সেক্স-ক্রমজোম এই SRY জিন বহন করলেও XX ক্রমোজমধারী পুরুষটি sterile অর্থাৎ সন্তান উৎপাদনে অক্ষম হয়। সুতরাং গভীরভাবে চিন্তা করলে বুঝে নেয়া যায় যে, X+X অথবা X+Y মিলে সন্তান জন্ম নিলেও, শুধুমাত্র আকৃতিতে পুরুষ বা স্ত্রী নয়, বরং পরিপূর্ণ পুরুষ সস্তান জন্মের জন্য X সেক্স-ক্রমজোমের সাথে (SRY) জিন বহনকারী Y ক্রমোজমের মিলন অপরিহার্য। এর ব্যতিক্রম ঘটলেই নানা রকম অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়। ফলে বংশবিস্তারে অক্ষম (XY সেক্স-ক্রমোজমধারী কন্যা বা XX সেক্স-ক্রমোজমধারী পুত্র) সন্তান জন্ম নিতে পারে।

এবার ৩২ নং সূরার ৮ নং আয়াতের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই
(৩২ : ০৮) ছুম্মা জ্বাআলা নাছলাহূ মিন ছুলা-লাতিম মিম মা-য়িম মাহীন।
সলা-লাতুন = (অর্থ) নিংড়ানো বস্তু, নির্য্যাস, বীর্য্য ( আল -কাওসার- আধুনিক আরবী বাংলা অভিধান- মদীনা পাবলিকেশান্স)
মা,উম্মাহীন=(অর্থ) নিকৃষ্ট পানি, শুক্র (কোরআনের অভিধান- মুনির উদ্দীন আহমদ -পৃষ্ঠা ৩০১)
(৩২ : ০৮) অর্থ:- অতঃপর তিনি তার বংশধারা বা ভিত্তি স্থাপন করেছেন তুচ্ছ বা নিকৃষ্ট পানির বা শুক্রের নির্য্যাস থেকে।

এর আগে বিভিন্ন আয়াতে আমরা দেখেছি যে, 'নুত্বফাতিন' এর সাথে 'খালাকা' শব্দটি এসেছে। সেই ক্ষেত্রে ডিম্বাণূর সাথে শুক্রাণূ মিলে ভ্রুণের যে কোষটি গঠিত হয় তা সম্পুর্ণরূপে একটি নুতন মানব-কোষ সৃষ্টি হয় বলেই সে সব স্থানে 'খালাকা' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। কিন্তু এই (৩২ : ০৮) নং আয়াতে 'খালাকা' শব্দটি ব্যবহার না করে 'জায়ালা' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। যার অর্থ আগে থেকে সৃষ্ট কোন কিছুর মধ্যে কোন কিছুকে স্থাপন করা বা পরিগঠন করা। তুচ্ছ বা নিকৃষ্ট পানির বা শুক্রের নির্যাস বলতে শুক্রের ২২টি অটোজম এবং সেক্স-ক্রমোজম X এবং Y এর মধ্যকার জিনগুলোর কথাই সম্ভবত এখানে বোঝান হয়েছে। আমরা জানি প্রথম কোষ গঠনের পর ৪৬টি ক্রমোজমের মধ্যকার জিনের সংকেত অনুসারেই পরবর্তীতে পরিগঠন কর্মটি সুচারুরূপে সম্পন্ন হতে থাকে। বিশেষ করে পুরুষের বীর্যের Y ক্রমোজমের SRY জিনের কারনে যেহেতু একজন সন্তান পূর্ণরূপে পুরুষ হবে, নাকি স্ত্রী হবে তা নির্ভর করে। তাই এক্ষেত্রে (ছুলা-লাতিম মিম মা-য়িম মাহীন) তুচ্ছ বা নিকৃষ্ট পানির বা শুক্রের নির্যাস বলতে মূলত পুরুষের বীর্যের শূক্রাণূর Y ক্রমোজমের মধ্যে অবস্থিত এই SRY জিনেকেও নির্দেশ করে। এর ব্যতিক্রম ঘটলেই নানা রকম অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়। ফলে বংশবিস্তারে অক্ষম (XY সেক্স-ক্রমোজমধারী কন্যা বা XX সেক্স-ক্রমোজমধারী পুত্র) সন্তান জন্ম নিতে পারে। আর তাই বলা যায় যে, বংশবিস্তারে সক্ষম পুত্র সন্তান জন্মের বিষয়টি X এবং Y এর মিলন তো বটেই এবং সেই সাথে পুরুষের বীর্যের শূক্রাণূর Y ক্রমোজমের মধ্যে অবস্থিত SRY জিনের উপরেও নির্ভর করে।

সুতরাং এ থেকে স্পষ্টভাবে বুঝে নেয়া যায় যে সন্তান কন্যা হোক বা পুত্র হোক তাদের জন্মের জন্য মা ও বাবা উভয়েরই ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু প্রায়ই দেখা যায় পুত্র সন্তান না হওয়ার দায় একতরফাভাবে মা-এর উপরেই চাপিয়ে দেয়া হয়। বৈজ্ঞানীক ও ধর্মীয়- কোন দিক থেকেই তা সমর্থনযোগ্য নয়। বরং পুত্র সন্তান না হওয়ার বিষয়টি মূলত বাবার দিকেই অঙ্গুলী নির্দেশ করে।

অনেকে অভিযোগ করে বলে যে-
বাংলা ভাষার পূর্ববর্তী অনুবাদকগণ আরবি 'নুৎফা' শব্দটিকে 'বীর্য' (Semen) বলে অনুবাদ করেছেন, কিন্তু পরবর্তীকালে কোনো কোনো অনুবাদকগণ 'ভাষার মারপ্যাঁচে' বীর্যকে সরাসরি 'শুক্র' বা 'শুক্রাণু' বানিয়ে দিয়েছেন।

তাদের যদি সামান্যতম বোধ থাকত তবে এমনিট বলত না। তাদের বোঝা উচিত যে, অণুবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করার পর ১৬৭৯ সালে বীর্যের মধ্যে শুক্রের অস্তিত্ত্ব প্রথম পর্যবেক্ষণ করার আগে Semen-কে (Semen)-ই বলা হত। সাধারনভাবে সন্তান জন্মের জন্য যে 'বীর্য' (Semen) এর প্রয়োজন হয় তা সে সময়কার আল-কোরআনের পাঠকই শুধু নয়, বিজ্ঞানীরাও একইভাবে জানত। পূর্ববর্তী অনুবাদকগণ তাদের সে সময়কার জ্ঞান অনুযায়ী তাই আগে এই (৫৩:৪৬) আয়াতে আরবি 'নুৎফা' শব্দটিকে 'বীর্য' (Semen) হিসেবেই অনুবাদ করেছেন এবং সাধারনভাবে বোঝার জন্য এটিও মোটেই ভুল ছিলনা এবং এখনও নয়। কিন্তু তাই বলে তো এই 'নুৎফা' শব্দের মূল অর্থ 'তরল পদার্থের অতি সামান্যতম অংশ' বাতিল হয়ে যায় নাই এবং আল-কোরআনের এ ধরনের বিশেষ বিশেষ আয়াত ও শব্দ নিয়ে যারা চিন্তা-গবেষণা করার আগ্রহ রাখেন তারা সব যুগেই তা করতেন এবং এখনও করেন। বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করার পরেই যেহেতু বীর্যের (Semen) সামান্যতম অংশের বর্তমান নামটা 'শুক্র' বা 'Sperm' রাখা হয়েছে- তাই এখন 'নুৎফা' শব্দের মূল অর্থ 'তরল পদার্থের অতি সামান্যতম অংশ' বলতে আল্লাহতায়ালা কি বুঝাতে চেয়েছেন তা আরও গভীরভাবে অনুধাবন করা সম্ভব হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা নাম যাই দিক না কেন- মানুষকে সৃষ্টি করার জন্য যে {যেমন (৫৩:৪৬) নং আয়াতে 'নুৎফা' শব্দটি দ্বারা} স্খলিত/ নিক্ষিপ্ত/ নর্গিত/ ফোটায় ফোটায় আসা 'তরল পদার্থের অতি সামান্যতম বা ক্ষুদ্রতম অংশ' অর্থাৎ বীর্যের মধ্যকার একটি শুক্রকীটই যথেষ্ট তা কিন্তু মহান স্রষ্টা অনেক আগেই আমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন।

আল-কোরআনে এ ধরনের আরও অনেক শব্দ ও আয়াত এসেছে তা যখন নাজিল হয়েছিল শুধু তথনকার জন্য নয়, বরং কেয়ামত পর্যন্ত এর সঠিক অর্থ বোঝানোর জন্যই মহান স্রষ্টা শব্দটাকে সেভাবেই ব্যবহার করেছেন। মানুষের জ্ঞানের পরিধি যত বিস্তৃত হবে, সে চিন্তা-ভাবনা করলে তত সূক্ষ্মভাবে তার অর্থ বুঝতে সক্ষম হবে।

আমি সব তফসীরকারগণের উপর শ্রদ্ধা রেখে বলতে চাই যে, তাঁরা তাদের সে সময়কার বৈজ্জ্ঞানিক জ্ঞান অনুসারে ভিন্ন জন বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন। আর তাই আমি কখনই সেসব ব্যাখ্যার সমালোচনার পক্ষে নই অথবা তাদের এই মহৎ প্রচেষ্টাকে আমি ভুল বলতে রাজি নই।

আল-কোরআনের অন্যান্য সব বিষয়ের ব্যাখ্যায় আমি নিশ্চয় তাদের মত যে পারদর্শি নই- তা নির্দিধায় স্বীকার করছি। তবে এ বিষয়টিকে হয়ত আল্লাহতায়ালা আমাকে এভাবে চিন্তা-ভাবনা করার মত যৎসামান্য জ্ঞান অর্জনের ও ব্যাখ্যা করার সুযোগ দিয়েছেন। যেহেতু আমি বর্তমান কালের নামকরা আলেম ব্যক্তিবর্গের বা বুদ্ধিজীবি সমাজের অন্তর্ভূক্ত নই, সুতরাং আপনারা অথবা আলেম সমাজ আমার এই যৎসমান্য প্রয়াশকে গ্রহণ করতেও পারেন অথবা নাও করতে পারেন। তা নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই। আমাকে আল্লাহতায়ালা যতটুকু বোঝার মত তৌফিক দিয়েছেন- আমি তা প্রকাশ করেছি মাত্র। এখন সর্বজ্ঞ মহান স্রষ্টা যা চাইবেন তাই হবে।

"মহান স্রষ্টা যে আছেন" আল-কোরআনই তার চিরন্তর জ্জ্বলন্ত প্রমান। আল-কোরআনের আলোকে জ্ঞানচর্চায় উদ্বুদ্ধ হলে মানুষ ধীরে ধীরে অলীক কল্পনা ও মিথ্যার মায়াজাল থেকে বেরিয়ে আসে। সত্যের স্বচ্ছ জ্যোতিতে তার জ্ঞানচক্ষু হয় শাণিত ও উন্মোচিত। সুদূরপ্রসারী চিন্তাশক্তির সহায়তায় প্রচলিত মতবাদগুলোর মধ্য থেকে প্রকৃত সত্যটি সে সহজেই খুঁজে ও বুঝে নিতে পারে। এটি নিছক কোন বিজ্ঞানের বই নয়। তাই এতে বৈজ্ঞানিক তথ্য ও ত্বত্ত্বগুলোর বিস্তারিত বিবরণ না দিয়ে ঐশী ইংগিত দেয়া হয়েছে মাত্র। সৃষ্টি রহস্য সম্পর্কে একজন ইমানদার যখন আল-কোরআন ও বিজ্ঞানের চুলচেরা বিশ্লেষণের মাধ্যমে গভীর চিন্তা-গবেষণায় রত হয়, তখন পরম শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসে জগৎসমূহের স্রষ্টা সর্বজ্ঞ ও সর্বশক্তিমান এক আল্লাহর সামনে মাথা নত করতে সে বিন্দুমাত্র কুন্ঠিত হয় না। আল-কোরআন যে স্বয়ং মহান স্রষ্টা প্রেরিত পথপ্রদর্শনকারী মহাগ্রন্থ তা জ্ঞানী ও সরলমনা বিশ্বাসীরা তখন নির্দিধায় মেনে নেয়।।

বিঃদ্রঃ - লেখার সাথে প্রাসঙ্গিক মন্তব্য ও সমালোচনা সাদরে গ্রহণ করা হবে। অপ্রাসঙ্গিক কোন মন্তব্য মুছে ফেলা হবে এবং কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য পেশ করলে প্রয়োজনে ব্লক করতে বাধ্য হব।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:২৮
৮টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×