somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইসলাম সম্পর্কে কিছু কমন প্রশ্ন ও তার উত্তর- সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

১১ ই জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
জনৈক প্রশ্নকারীর প্রশ্ন-
আল্লাহ্ বলেছেন... তিনি কার-ও মুখাপেক্ষী নন... তাহলে কেন আমাদের ইবাদত করতে হবে???... আর... না করলে কঠিন আজাব আছে...

এর অর্থ কি দাড়ায়... ব্যাপার-টি কি স্ব-বিরোধী হয়ে গেলো-না???...

যেমন ধরেন... ব্লগ কতৃপক্ষ বললো...
মাহফুজ ভাই... আমরা আপনার লেখা-র ধার-ধারি-না... আপনি প্রতি-দিন একটা করে পোস্ট দেবেন... না দিলে ব্লক করে দেবো...

এর অর্থ কি বোঝায়???

আমার উত্তর-
আপনি আমার লেখাটা ইবাদতের উদ্দেশ্য কি এবং ইবাদতের পরিপূর্ণতা কিসের উপর নির্ভর করে? ভাল করে পড়লে এ প্রশ্নটা করার কথা না!!!
ধরে নিলাম- হয়ত ঠিকমত না পড়েই প্রশ্নটা করেছেন। আমি আপনাকে বোঝাতে পারব কিনা জানিনা। তবে এর উত্তরে- আমিও আপনার সামনে প্রশ্ন রাখতে চাই-

*আমাদের সচেতন মা-বাবা আমাদেরকে নিয়ে এত চিন্তা করেন, লেখা পড়া করার কথা বলেন এবং এত পরামর্শ দেন কেন?
*ঠিক তেমনি আপনি নিজেও আপনার সন্তানদের বিষয়ে একইরূপ আচরণ করেন কেন?
*বাবা-মায়েরা আমাদের মুখাপেক্ষি বলেই কি এমনটি করেন?


নিশ্চয়ই না। বরং আমরা যেন পরমুখাপেক্ষি না হই এবং মানুষের মত মানুষ হতে পারি- মূলত উদ্দেশ্যটা তো তাই।

স্রষ্টা তার প্রতিনিধি হিসেবে মানুষকে সৃষ্টি করেছেনে। তিনি ইবাদতের মুখাপেক্ষি নন। বরং তিনি মানুষকে এমনই আদলে সৃষ্টি করেছেন যে, আমরা তাঁর ইবাদতের মুখাপেক্ষি হতে বাধ্য। তিনি ভাল করেই জানেন মানুষকে সত্যিকার মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য এবং মানুষের সামগ্রীক শান্তি ও কল্যাণের জন্য তার ইবাদতের কোন বিকল্প নেই। এই ইবাদত না করলে স্রষ্টার কোনই যায় বা আসে না। বরং মানুষই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আর এই ক্ষতির মূল বিষয়টি হলো মানুষ পরিপূর্ণ আত্মিক শান্তি থেকে বঞ্চিত হয়। এই ইবাদতের অর্থ কিন্তু ভাই ব্যপক। শুধুমাত্র জায়নামাজ বসে বা মসজিদে সময়মত হাজিরা দিলেই ইবাদতের হক আদায় করা যায় না। এটি সমষ্টিগত একটি বিষয়। আমি কি বলতে চাইছি তা আমার তা আমার এই পোষ্টটা ইবাদতের উদ্দেশ্য কি এবং ইবাদতের পরিপূর্ণতা কিসের উপর নির্ভর করে? ভাল করে পড়লে বুঝতে পারবেন আশাকরি।

সংক্ষেপে ইবাদতের purpose (উদ্দেশ্য) হলো:- স্রষ্টার আনুগত্য করার মাধ্যমে আত্মার পরিশুদ্ধি অর্জন এবং সেই সঙ্গে শান্তি প্রাপ্তি ও কল্যাণ সাধন। পূর্ণ ঈমান ছাড়া ইবাদতের এই purpose (উদ্দেশ্য) বোঝা সম্ভব নয়।

ভাই, ব্লগ কর্তৃপক্ষ কিন্তু মাহফুজকে সৃষ্টি করে নাই। এই মাহফুজের সৃষ্টি হয়েছে অনেক আগেই। সুতরাং ব্লগ কর্তৃপক্ষ আমাকে ব্লক করল, কি করল না- তার ধার আমি ধারি না। এখন ব্লগ কতৃপক্ষ যদি বলে- এখন থেকে মাহফুজ নামের লোকটা যদি আস্তিক টাইপ লেখা বন্ধ না করে তাহলে তাকে ব্লক করা হবে। তাতে কি আমার লেখা বন্ধ হবে? না , কখনই না। কারন এই লেখাকেও আমি ইবাদতের অংশ মনে করি। যতদিন লিখব- এভাবেই লিখব। এখানে বন্ধ হলে অনত্র লিখব। পৃথিবীটা অনেক বড়।

জনৈক আরেকজন মন্তব্য করেছেন-
বাবা-মা যে সন্তানদের একেবারেই মুখাপেক্ষী নয় - একথা পুরোপুরি সত্য নয়। সন্তান হল (বিশেষ করে ছেলে সন্তান) হল বংশের ধারক ও বাহক এবং আমাদের সমাজে পিতামাতার বৃদ্ধ বয়সের একমাত্র অবলম্বন। বাবা-মা যে শুধু নিঃস্বার্থভাবেই সন্তানের মঙ্গল চান একথা পুরোপুরিভাবে সত্য নয়। তাহলে, আমাদের দেশে পুত্র সন্তানের কামনা এত ব্যাপক হত না। বরং, তারা সন্তানের মঙ্গল চান এই ভেবে যেন ভবিষ্যতে সেই সন্তান তাদের অপেক্ষাকৃত সুখে রাখতে পারে। আবার, অবস্থাসম্পন্ন পরিবারের পিতা-মাতা চান তাদের সন্তান যেন তাদের সম্পত্তি ও সম্মান দেখাশোনা, বৃদ্ধি করতে পারে।

আমর উত্তর-
আপনি বলেছেন- বাবা-মা যে সন্তানদের একেবারেই মুখাপেক্ষী নয় - একথা পুরোপুরি সত্য নয়।

ভাই, যা সত্য - তা সর্বকালেই সমভাবে সত্য। এর সাথে আংশিক বা সম্পূর্ণ শব্দগুলো বেমানান। তবে বলতে পারেন বিভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে একেক জন একেক ভাবে উপস্থাপন করার মাধ্যমে সত্যের প্রকৃত সৌন্দর্যকে হয়ত ক্ষণিকের জন্য ঢেকে রাখবার অপচেষ্টা চালায়। কিন্তু কালের প্রবাহে সত্য স্বমহিমায় প্রকাশিত হয়।

আপনি পিতা-মাতার সাথে সন্তানের সম্পর্কের যে দিকটিকে তুলে ধরেছেন তা আমি অস্বীকার করছি না। তবে এই সম্পর্কটা এতটা যান্ত্রিক নয় বলেই আমি বিশ্বাস করি।

মানুষ সামাজিক জীব এবং একে অপরের উপর নির্ভরশীল। পিতা-মাতাও এ সমাজেরই বাসিন্দা এবং মানুষ। সুতরাং জীবনের একটি বিশেষ সময়ে সন্তানের উপরে পিতা-মাতার নির্ভরশীল হওয়ার ভাবনাটাকে আমি নিছক স্বার্থের শৃঙ্খলে আবদ্ধ করার পক্ষে নই।

জীব হিসেবে জৈবিক চাহিদাকে অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু আত্মীক দিকটিকে একেবারে উপেক্ষা করলে মানুষ আর মানুষ থাকে না।

স্রষ্টা স্বয়ংসম্পূর্ণ। তিনি কারও উপর নির্ভরশীল নন। তিনি শুধু সৃষ্টি করেই ক্ষান্ত দেন নাই। সবকিছু একটা সিস্টেমে ফেলে মানুষকে শান্তিতে থাকবার পথ দেখিয়ে দিয়েছেন। আর তাঁর দেখান এই পথটিই হলো ইবাদত।

স্রষ্টার ইবাদত করার মূল বিষয়টি আত্মার সাথে সম্পর্কিত। যদিও পার্থিব কোন বিষয়কে এর সাথে সম্পর্কিত করাটা ঠিক নয়, তথাপি পিতা-মাতার সাথে সন্তানের আত্মিক সম্পর্কটাকে আমি উপমা হিসেবে পেশ করেছি মাত্র। আমি খুব ভাল করেই জানি- মহান স্রষ্টা এসব উপমার অনেক অনেক ঊর্ধ্বে। আপতত বোঝানোর জন্য এর চেয়ে ভাল উপমা আমার জানা নেই।

কোন বাবা-মা যদি সন্তান কামনার বিষয়টিকে লাভ-লোকসান হিসেব নিকেশ করে শুধুমাত্র যান্ত্রিক দিক থেকেই দেখতে শুরু করে তাহলে এর পরিণাম খারাপ ছাড়া ভাল নয়। যে সন্তান এরূপ পরিবেশ ও মানসিক অবস্থার মধ্য দিয়ে গড়ে উঠবে তার কাছ থেকে সমাজ তথা জাতি স্বার্থপরতা ছাড়া কিছুই আশা করতে পারেনা।

জনৈক প্রশ্নকারীর প্রশ্ন-
ভাই... বাবা-মা... বিন্দু মাত্র হলে-ও মুখাপেক্ষী... তারা কল্পনা করেন... সন্তান তাদের সেবা করবে... অভিযোগ করেন... আল্লাহ্ কিন্তু এটা স্বীকার করেন-নি...

বিপরীত-এ... তিনি লোভ দেখান... লোভ না-দেখিয়ে যে পাওয়া যাবে-না... এটা তিনি বোঝেন!!!... এতে-ই কি তার ক্ষমতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়-না???...

আমার উত্তর-
আপনার মন্তব্যের মধ্যেই যে অজান্তেই উত্তরটি বেরিয়ে এসেছে- তা কি লক্ষ করেছেন?
আল্লাহতায়ালা কারও মুখাপেক্ষি নন- তাই স্বীকার করার প্রশ্ন আসে না।

ধরুন যখন আপনি একজন শিক্ষক হিসেবে ছাত্রদের পরীক্ষা নেন তখন শুধু ফলাফলই দেন না- মেধার ভিত্তিতে বিভিন্ন গ্রেডিংও করেন। এতে আপনার কি লাভ? আপনার মেধা বা ক্ষমতা যাচাই করার জন্য কি আপনি এমনটি করেন?

ছাত্রদেরকে এই গ্রেডিং দেয়াকে আপনি যদি নিছক লোভ দেখান বলেন- তবে বলতে পারেন। হয়ত অন্য কেউ এটিকে অন্যভাবে ব্যাখ্যা করবেন। যে যাই ভাবুক- আগ্রহ সৃষ্টিটাই মূল বিষয়। এই আগ্রহ সৃষ্টির বিষয়টিকে যদি কেউ কারো ক্ষমতার কমতি বা অপারগতা ভাবে!!!! তাহলে আর কিছু বলার নেই।

জনৈক প্রশ্নকারীর প্রশ্ন-
ভাই, আপনি ইবাদাতের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাদ দিয়ে দিলেন, একটা হল হাক্বুল্লাহ্, আরেকটা হল হাক্বুল ইবাদ। হাক্বুল ইবাদ মানুষ, প্রাণী, পরিবেশকে ভালো রাখে। আর হাক্বুল্লাহ্ নিজেকে ভালো রাখে। এখন ইবাদাত করা হল একটা টেস্ট। সেই টেস্টে যদি ভালো করতে পারি, তবে পুরষ্কার পাবো, আর খারাপ করলে শাস্তি। যদি এমন হত ইবাদাতের পুরষ্কার বা শাস্তি তাৎক্ষণিক ভাবে পেত, তবে সেটা হত লোভের বিনিময়ে করা, কিন্তু এখন যেটা করব সেটা হল একটা অদ্ভূত দ্বন্দ্বে বেঁচে থেকে বিশ্বাস করে ইবাদাত করে ফলাফল আশা করা। "বাকির লোভে নগদ পাওনা কে ছাড়ে এই ভুবনে"। এটাই তো পরীক্ষা।

আমার উত্তর-
আপনি বলেছেন- "বাকির লোভে নগদ পাওনা কে ছাড়ে এই ভুবনে"

নগদ পাওনা পুরোপুরি ছাড়তে কে বলেছে? আল্লাহর আইনের আওতায় থেকে ভোগ করতে তো কোন বাধা নেই। ক্ষমতার অপব্যবহার করে অন্যকে বঞ্চিত না করে বরং যার যতটুকু প্রাপ্য তাকে ততটুকু দিতে হবে।
ইবাদতের ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে একদমই পাওয়া যায় না- তা ঠিক নয়। আত্মিক শান্তিটাই বড় শান্তি। এ শান্তি ইবাদত ছাড়া যে অন্য কিছুতে মেলেনা, তা যারা প্রকৃত ইবাদতকারী তারা ভাল করেই জানে। যারা সত্যিকার ইবাদত করে তাদের কাছে শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনটাই মুখ্য বিষয়। এর মধ্য দিয়ে নিজের শান্তিকে খুঁজে পায়। পরবর্তীতে কি পাবে না পাবে সে কথা ভাববার ভার আল্লাহতায়ালার উপরেই ছেড়ে দেওয়া হয়।

জনৈক প্রশ্নকারীর প্রশ্ন-
আপনি যে ইবাদাতের কথা বলেছেন, কোয়ান্টাম মেথডের মেডিটেশন প্রণালী খুব একটা ভিন্ন না। আসলে ইবাদাতে মানুষ যে শান্তি খুঁজে পায়, এটা জাস্ট তার একান্ত ইচ্ছার কারণেই পায়।

আমার উত্তর-
আপনি যে কোয়ান্টাম মেথডের মেডিটেশন প্রণালীতে শান্তি প্রাপ্তির কথা বলছেন তার প্রাপ্তি ইহকাল পর্যন্তই সীমাবদ্ধ।
আর আমি যে ইবাদতের কথা বলছি তার প্রাপ্তি অসীম অর্থাৎ শুধু ইহকাল নয়, অনন্তকাল পর্যন্ত বিস্তৃত। নিচের লিংকটি মন দিয়ে পড়লে এর ব্যাপকতা বুঝতে পারবেন।

জনৈক প্রশ্নকারীর প্রশ্ন-
এই উপমা দিয়া বোঝা যায় নাই। আল্লাহ যেই ধরণের সত্তা তাকে কোন পার্থিব বিশেষ বা সার্বিক সত্তার সাথে উদাহরণ দিয়ে কিছুই বোঝানো যায় না।

আল্লাহ যে কারো মুখাপেক্ষি না, এবং তার যে কোন অভাব নাই, ইবাদতে তিনি খুশি হন না, ইবাদত না করলে রাগও হন না, তারপরও তিনি ইবাদত চান, এইটা কিভাবে সম্ভব তা পার্থিব কোন উদাহরণ ছাড়া বোঝান। কারণ পার্থিব সকল সার্বিক ও বিশেষ বস্তুই অসম্পুর্ণ এবং অন্যকিছুর উপর নির্ভরশীল।

আমার উত্তর-
আপনার এই কথার সাথে আমি একমত- আল্লাহ যেই ধরণের সত্তা তাকে কোন পার্থিব বিশেষ বা সার্বিক সত্তার সাথে উদাহরণ দিয়ে কিছুই বোঝানো যায় না।

কিন্তু আপনি আবার একথাও বলেছেন- আল্লাহতায়ালা ইবাদত চান----!!

ভাই, এই কথা আপনি কই পাইলেন???
"আল্লাহতায়ালা ইবাদত চান"- এই ধরনের কথা মোটেই ঠিক নয়। বরং আমাদের ভালর জন্যই তিনি ইবাদত করার আদেশ দিয়েছেন। ইবাদত না করলে তাঁর কোনই লাভ বা ক্ষতি হয়না। বরং ক্ষতি হয় আমাদেরই। এই ইবাদতের মাহাত্ব ইমান ছাড়া বোঝা সম্ভব নয়।

জনৈক প্রশ্নকারীর প্রশ্ন-
ভাই... মহান আল্লাহ্-তো পরম দয়ালু... এই বিষয়-টা মনে হয় ভুলে গেছেন... পরম দয়ালু কি-ভাবে আপনাকে হুমকী দিতে পারে???...

আমার উত্তর-
মহান আল্লাহ পরম দয়ালু বলেই তো এখনো আপনি এবং আমি বুক/ফুসফুস ভরে তাঁরই সৃষ্ট বাতাসের অক্সিজেন নিতে পারছি।
মহান আল্লাহ পরম দয়ালু বলেই তো তাঁর সকল নেয়ামত থেকে তিনি বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসী কাউকেই বঞ্চিত করছেন না।
ইহকালে তিনি যে স্বাধীনতা দিয়েছেন তার উপর তিনি হস্তক্ষেপ করেন না।
তিনি কেন ও কিসের জন্য হুমকি দিয়েছেন এবং কখন তাঁর এই হুমকি কার্যকর হবে তার বিসদ বিবরণও তিনি যুগে যুগে জানিয়ে দিয়েছেন। এরপর সিদ্ধান্ত নেবার ভার তো আমার এবং আপনার ইচ্ছার উপরেই ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
আল কোরয়ান- সূরা আনকাবুত -আয়াত নং-৬৪
(২৯: ৬৪) অর্থ:- এই পার্থিব জীবন তো ক্রীড়া, কৌতুক ছাড়া আর কিছুই না, আর পরকালের জীবনই তো প্রকৃত জীবন- যদি ওরা তা জানত।
সূরা নাবা -আয়াত নং-১৭, ৩৯
(৭৮: ১৭) অর্থ:- নিশ্চয়ই বিচার দিবস নির্ধারিত রয়েছে।
(৭৮: ৩৯) অর্থ:- এই দিবস সত্য। সুতরাং যার ইচ্ছা সে তার পালনকর্তার পানে ঠিকানা খুঁজে নিক।

জনৈক প্রশ্নকারীর প্রশ্ন-
আল-কোরআনে আল্লাহতায়ালা কখনো কখনো সরাসরি তাঁর বক্তব্য (Active terms or directly) পেশ করেছেন , যেমন- সূরা হূদ -আয়াত নং:-১৪, সূরা নিসা -আয়াত নং-৮২, সূরা হজ্জ-আয়াত নং-৮, সূরা হা মীম সজিদাহ-আয়াত-৪২।
আবার কখনো কখনো সরাসরি বক্তব্য পেশ না কোরে তাঁর পক্ষে অন্যকে (ফেরশেতা জীবরিল-আঃ এবং রাসূলুল্লাহ-সাঃ) দিয়ে (passive terms or indirectly) বক্তব্য পেশ করিয়েছেন যেমন- সূরা হজির -আয়াত নং-৯।
এ বিষয়টি নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় ভোগেন এবং তাদের মনে অহেতুক এ ধরনের প্রশ্নের সৃষ্টি হয়- আল্লাহতায়ালা তাঁর বক্তব্য সবসময় সরাসরি পেশ না কোরে কেন মাঝে মাঝে অন্যের মাধ্যমে অর্থাৎ কর্মবাচ্য রূপে (passive terms or indirectly) পেশ করলেন?


আমার উত্তর-
সাধারনত ইমানের কমতি এবং ভালভাবে জানতে ও বুঝতে না পারার কারণে এ ধরনের সন্দেহ বা প্রশ্নের সৃষ্টি হতে পারে। কিন্তু যখন কোন মানুষ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করবে যে, আল-কোরআন স্বয়ং আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে প্রেরিত ঐশীবাণী এবং সেইসাথে এটাও বিশ্বাস করবে যে, এ বাণী ফেরেশতা জীবরিল (আঃ) মারফত রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর উপর নাযিল করা হয়েছে- তখন তার মনে এরূপ অহেতুক সন্দেহ বা প্রশ্নের উদ্ভব হবে না। আর এ অবস্থায় আল-কোরআনে আল্লাহতায়ালার বক্তব্যকে কর্তৃবাচ্য (Active terms) কিংবা কর্মবাচ্য (passive terms) অর্থাৎ directly or indirectly যে রূপেই উপস্থাপন করা হোক না কেন- সবই যে আল্লাহর বাণী তা বুঝতে ও মানতে মোটেই অসুবিধা হবে না। একটু ভেবে দেখুন তো, সম্পূর্ণ গ্রন্থখানার ভাব যদি শুধু কর্তৃবাচ্য কিংবা কর্মবাচ্য, অর্থাৎ যে কোন একাটি রূপে প্রকাশ করা হত- তাহলে কি একঘেয়েমী মনে হত না? আল-কোরআনের বাণীগুলো কর্তৃবাচ্য ও কর্মবাচ্য (Active terms & passive terms) এই দুই রূপেই প্রকাশ করার ফলে একদিকে যেমন এটির সাহিত্যিক ঢং ও ভাবের পরিচয় ফুটে উঠেছে, অপরদিকে তেমনি ভাব প্রকাশের ক্ষেত্রে একঘেয়েমীতা থেকে মুক্ত থেকেছে। এ ধরনের বিষয়গুলোকে পরিষ্কারভাবে বুঝতে হলে ধৈর্যের সাথে এবং নির্ভরযোগ্য তফসির (ব্যাখ্যা) সহ এই মহাগ্রন্থের প্রতিটি সূরা একে একে পাঠে মনোনিবেশ করতে হবে। তখন দেখা যাবে আস্তে আস্তে সব বিষয় পরিষ্কার হয়ে আসছে।

জনৈক প্রশ্নকারীর প্রশ্ন-
অনেকে কিয়ামত সম্পর্কে সন্দেহে ভোগে এবং বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করে, যেমন- (My question is why this confusion in dialect? Then being rhetorical in some cases is also very confusing for me. I mean if I was God and writing something to my disciples. I would have wrote,”Day X is the judgment day. not Undoubtedly, the Day of Judgment has an appointed time. Why question or doubt my own scheduled time?)

আমার উত্তর-
এ ধরনের প্রশ্নের উত্তরে প্রথমত আমি বলতে চাই- (Surely Allah is beyond all kinds of doubt. Actually this Undoubtedly word is used for those, who are in doubt about judgment day & these type of people always questioned our Prophet (sw) about judgment day with fun & doubt.) কিয়ামত তথা বিচার দিবস যে আল্লাহতায়ালার নির্ধারিত নির্দিষ্ট ক্ষণেই ঘটবে- এটি বিশ্বাস করা ইমানের অংশ। যেহেতু মহান স্রষ্টা সন্দেহাতিতভাবে এটি ঘোষণা করেছেন, সুতরাং এই বিষয়ে সন্দেহ করার কোন অবকাশ নেই। কিয়ামত ঠিক কোন নির্দিষ্ট ক্ষণটিতে অনুষ্ঠিত হবে- তা একমাত্র আল্লহতায়ালাই ভাল জানেন। নাস্তিকেরা এখন যেমন এ বিষয়ে সব সময়েই সন্দেহে ভোগে এবং দন্দ সৃষ্টি করে। তেমনি যদি আল্লাহতায়ালা কেয়ামতের নির্দিষ্ট দিন-ক্ষণ প্রকাশ করে দিতেন, তখনও দেখা যেত তারা একই রকম আচরণ করছে। তাদের সন্দেহ প্রকাশের ভঙ্গিমা ও প্রশ্ন করার ঢং এই আয়াতগুলোর মাধ্যমে আমাদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। আমরা যারা নাস্তিকদের এসব প্রশ্নের সম্মুখিন হই, তারা যেন দৃঢ়ভাবে এর জবাব দিতে পারি- সেই প্রস্তুতি এবং শিক্ষাই এখানে দেয়া হয়েছে। এভাবেই তিনি আমাদেরকে পরীক্ষা করেন।

জনৈক প্রশ্নকারীর প্রশ্ন-
অনেকে আবার ২৯ নং সূরা আনকাবুত-আয়াত নং-৬৪ এর এই বক্তব্যে (এ দুনিয়ার অর্থাৎ পার্থিব জীবন তো খেলা তামাশা ছাড়া আর কিছু নয়; নিশ্চয়ই পরকালের জীবনটা হচ্ছে আসল জীবন, কত ভাল হত যদি তারা জানত!) হতাশায় ভোগেন, তারা প্রশ্ন করেন- এই পার্থিব জীবনটা যদি খেলা তামাশাই হয়, তাহলে এটাকে এত গুরুত্ব দেয়ার কি প্রয়োজন? বরং এ পার্থিব জীবন থেকে দ্রুত প্রস্থান করাই কি ভাল নয়?


আমার উত্তর-
এই প্রশ্নের উত্তর দেবার আগে তাদের কাছে আমি একটি প্রশ্ন করতে চাই- যে কোন খেলার মাঠে যখন খেলোয়াড়রা খেলতে নামে, তখন তারা যদি না খেলে হাহুতাশ করে এবং খেলাকে গুরুত্ব না দিয়ে তা শেষ হবার পূর্বেই মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে আসে- তবে কি তাতে পরাজয় ছাড়া ভাল কোন ফল আশা করা যায়?
আমাদের জন্য পৃথিবীটা খেলার মাঠই তো বটে। এ খেলাতে দল প্রধানত দু’টি। একটি দল হলো খাঁটি ইমানদার, আর বিপক্ষের দলটি হলো বেইমান অর্থাৎ অবিশ্বাসীর দল। এর মাঝে যারা আছে তারা মূলত সুযোগসন্ধানী মোনাফেক। যখন যে দল ভারি হয়, তারা সে দলের পেছনে ছোটে। তবে অবিশ্বাসীদের সাথে থাকতে ও তাদের পথ ও মতে চলতে এরা স্বাচ্ছন্দ বোধ করে এবং গোপনে বিশ্বাসীদের ক্ষতি করার পায়তারা করে।
অবিশ্বাসী ও মোনাফেকদের জন্য এই পৃথিবীটা তো খেল-তামাশারই জায়গা। তাদের খনিকের এই খেলার গুরু হলো শয়তান। আইন-কানুন হলো শয়তান ও তার দোসরদের কুমন্ত্রণা প্রসূত খেয়ালী রীতি-নীতি। উদ্দেশ্য হলো শয়তানের সন্তুষ্টি অর্জন ও আল্লাহর দেয়া বিধানের বিরোধিতা করা। আর এর ফলাফল হলো ইহকালে শান্তির নামে লাগামহীন বিলাসিতা ও অশান্তি ছড়িয়ে দেয়া এবং পরকালে চরম অশান্তি ভোগ অর্থাৎ দোজখ বাসি হওয়া।
বিশ্বাসীদের জন্য এই শাশ্বত খেলার শিক্ষক অর্থাৎ গুরু হলেন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এবং তাঁর খাঁটি অনুসারিগণ, আইন-কানুন হলো আল-কোরআন এবং উদ্দেশ্য হলো একমাত্র আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন। আর এর ফলাফল হলো ইহকালে সরল ও শান্তির পথ প্রাপ্তি এবং পরকালে পরম শান্তি অর্থাৎ অনন্তকাল বেহেশত লাভ করা।

জনৈক প্রশ্নকারীর প্রশ্ন-
অনেকে আবার বলেন- দুষ্টুমি বা অপরাধ করলে আমাদের পিতামাতা আমাদেরকে অনেক সময়ই শাস্তি ও বকুনি দিতেন। কিন্তু এমন কোন কঠিন কথা তো তারা বলতেন না বা এত ভীতিকর ও কঠিনতম শাস্তিও তো তারা দিতেন না, যে ধরনের ভয়ংকর শাস্তির কথা আল্লাহতায়ালা মানুষকে দেবেন বলে আল-কোরআনে ব্যক্ত করেছেন, [যেমন- ৪৪ নং সূরা দুখান- ৪৩ থেকে ৫০ নং আয়াতে বলা হয়েছে- নিঃসন্দেহে যাক্কুম বৃক্ষ, পাপীদের খাদ্য,- গলিত তামার মত- পেটের ভেতরে, ফুটন্ত পানির টগ্ বগ্ করার মত (ফুটবে)! (আদেশ দেয়া হবে) “ধরো একে- তারপর টেনে-হেঁচড়ে নিয়ে যাও ভয়ংকর আগুনের মাঝখানে। “তারপর তার মাথার উপরে ফুটন্ত পানির শাস্তি ঢেলে দাও; (বলা হবে) “স্বাদ আস্বাদন কর; তুমি না ছিলে (দুনিয়ার বুকে) একজন শক্তিশালী ও অভিজাত মানুষ। অবশ্যই এটা হচ্ছে (সেই শাস্তি) যা সম্পর্কে তোমরা সন্দেহ করতে।]
এই ধরনের কঠিন আযাবের সংবাদ শুনে তারা প্রশ্ন করে- আমরা তো তাঁরই সন্তান, তবে কেন আল্লাহতায়ালা তাঁর সন্তানদের প্রতি এরূপ তীব্র বিরাগ প্রদর্শন করেছেন?

আমার উত্তর-
দয়া করে কিছু মনে করবেন না। এই প্রশ্নের উত্তর দেবার আগে যার মনে এরূপ প্রশ্নের উদ্রেগ হয়েছে তার উদ্দেশ্যে আমি আবারও কিছু প্রশ্ন করতে চাই-
*আপনি কি আপনার পিতা-মাতাকে কখনও অস্বীকার করেছেন? তাদের সমস্ত কথার বিরোধিতা করেছেন?
*সেইসাথে আপনার অন্যান্য ভাই ও বোনদেরকেও কি পিতা-মাতার কথা না শোনার জন্য এবং তাদের অস্বীকার করার জন্য সব সময় কুবুদ্ধি দিয়েছেন বা মৃত্যু ভয় দেখিয়েছেন?
*জন্মদাতা পিতা-মাতাকে ছেড়ে অন্য কাউকে কি সেই আসনে বসিয়েছেন?

(আমার দৃঢ় বিশ্বাস এমনটি আপনি করতেই পারেন না।)
*যদি আপনার কোন সন্তান আপনার সাথে এরূপ আচরণ করে- তবে আপনার মনের অবস্থা কেমন হবে?

যাই হোক, এগুলো তো মানব মনের কথা। এবার আসল কথায় আসা যাক। মহান স্রষ্টা মানুষকে সর্বশ্রেষ্ঠ হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। আর এই সৃষ্টি জগতের সবকিছু তিনি তাদের জন্য নিয়োজিত রেখেছেন। আমারা যে পিতা-মাতার সন্তান, তাদেরকেও তিনিই সৃষ্টি করেছেন। আমরা সবাই তাঁর সন্তান নই, বরং বান্দা (খৃষ্টানরা নিজেদেরকে যীষু-খৃষ্টের সন্তান ভাবে)। এই বান্দাদের মধ্যে যারা বিশ্বাসী কিংবা অবিশ্বাসী কারো ক্ষেত্রেই তো তিনি তাঁর নিয়ামতের কমতি করেন না। কিন্তু তিনি ইচ্ছা করলে তো বায়ুমন্ডলের অক্সিজেনকে উধাও করে দিতে পারেন, ভূগর্ভস্থ পানির স্তরকে আমাদের নাগালের বাইরে নিয়ে যেতে পারেন। কিন্তু রহমানুর রহিম তো কারো জন্য এরূপ পক্ষপাতিত্ব করেন না। তাঁর সৃষ্ট বান্দারা যেন ইহকালে শান্তি পায় ও পরকালে সফলকাম হতে পারে সে জন্য তিনি বিধি-বিধান প্রেরণ করেন। যারা তাঁর প্রেরীত এই বিধানকে ভ্রুক্ষেপ তো করেই না, বরং সরাসরি স্রষ্টাকেই অস্বীকার করে কিংবা তাঁর শরিক করে, যারা সরল পথে চলতে চায় তাদেরকে শুধু কটাক্ষই করেনা বরং সুযোগ পেলে স্বমূলে নির্মূল করতে চায়, স্রষ্টার দান করা মন ও মগজকে সব সময় বাঁকা পথে ব্যবহার করে, এমনকি মহান আল্লাহতায়ালাকে সরাসরি অস্বীকার করতেও ছাড়ে না- এত কিছুর পরও এই সব অহংকারী ও জেদি লোকগুলোকে পরম করুণাময় আল্লাহ্ তওবা করার সুযোগ দেন। বিভিন্নভাবে তিনি তাদেরকে সৎ পথে ফিরে আসার জন্য সচেতন ও সাবধান করার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু এরপরও যারা ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করতেই থাকে এবং জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত স্রষ্টাকে অস্বীকার করতেই থাকে, তাদের জন্য তো পরকালে চরম সাজাই প্রাপ্য। কিন্তু যারা অজ্ঞতা বশত ছোটখাট ভুল- ত্রুটি কোরে ফেলে এবং পরবর্তীতে সেই ভুল বুঝতে পারলে অবনত মস্তকে স্রষ্টার কাছে নতী স্বীকার করে। তাদেরকে রহমানুর রহিম মহান স্রষ্টা নিশ্চয় একদিন ক্ষমা করে দেবেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:০৯
১১টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×