এসব কী হচ্ছে?
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৮
ইসলামফোবিয়া ঢুকে পড়েছে সবখানে। সম্প্রতি রাবি'তে ঘটে যাওয়া ঘটনার পর এখন নতুন কিছু ঘটতে চলেছে। ইডেন কলেজে ছাত্রীদের হয়রানির নতুন পন্থা খুঁজে পাওয়া গেছে। বাংলাদেশের প্রতিটা নাগরিকই কোনো না কোনো দলের সাপোর্ট করে। নিরপেক্ষ বা কোনো দলের সমর্থক নয়, এমন মানুষ বোধ করি পাওয়া যাবে না। অথচ এই কলেজের কিছু ছাত্রী একটি দলকে সমর্থন করে বিধায় তাদেরকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। শোনা যাচ্ছে, ৩৪ জন ছাত্রীকে কলেজ থেকে বহিষ্কার করতে যাচ্ছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। অপরাধ, তারা নামাজ পড়ে, সহপাঠীদের ইসলামের দাওয়াত দেয় এবং ন্যায়ের পথে চলার পরামর্শ দেয়। এক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে কিছু পুস্তক-পুস্তিকাকে। অবশ্য এসব বইয়ের লেখক বা বই কোনোটাই বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ নয়। অথচ নির্লজ্জভাবে সেগুলোকেই তথাকথিত 'জিহাদী বই' বলে প্রচার করা হচ্ছে। আসলে তারা জিহাদী বই বলতে কী বুঝাতে চাচ্ছেন তা আমাদের বোধগম্য নয়। কুরআন এবং হাদিসের বইকে এভাবে জিহাদি বলে প্রচার এবং মিডিয়ায় প্রচার করে কারা কী ফায়দা লুটতে চায় তা পরিষ্কার হওয়া দরকার। নচেৎ জাতি চরম সঙ্কটে পড়বে। কুরআন এবং হাদিসের চর্চা আছে বলেই দেশে ভালো কিছু মানুষ এখনও আছেন এবং কিছু লোক তৈরি হচ্ছে। দেখা যায়, যে ব্যক্তিটি এইসব বইপত্রকে তথাকথিত জিহাদি বই বলছেন, তারাই বা তাদের আত্মীয়স্বজন মারা গেলে কুরআন হাদিস পড়া ব্যক্তিকেই জানাজা বা মিলাদ পড়ানোর জন্য ডেকে আনা হয়। তাই এ অবস্থার দ্রুত অবসান হওয়া দরকার। রাজিনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে নিরীহ ছাত্রীদের হয়রানি বন্ধ করে তাদের শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না করার দাবি ইসলামপ্রিয় প্রতিটি মানুষের। আশা করি বিষয়টির দ্রুত সুরাহা হবে।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
হায়রে দুনিয়া বলেছেন:
বিয়া করেন ওই ৩৪ টা মেয়েরে, তারপর আফগানিস্তান বা পাকিস্তান গিয়া সুখের ঘর বান্ধেন, যান।
লেখক বলেছেন: আপনার দেখছি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের অনেক কিছুই চেনা। একটু বর্ণনা দেবেন কি? আমি না কোনোদিন ঢাকার বাইরেই যাইনি!
লেখক বলেছেন: ঐ ৩৪ ছাত্রীকে দোররা না হয় মারাই হলো, কিন্তু আপনি সেখানে নিজেকে একবার কল্পনা করুন। অবশ্য আপনি যদি সত্যিই নারী হন বা ধর্মকে বিশ্বাস করেন। গণতান্ত্রিক দেশে সবারই বাক স্বাধীনতা রক্ষিত হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে কি সেটা দেখা যাচ্ছে? জামায়াত বা শিবির এদেশে কোনো নিষিদ্ধ সংগঠন নয়। সংগঠন করার অধিকার এদেশের সংবিধান স্বীকৃত। কী আপুমণি, আরেকটা মাইনাস দিবেন বুঝি? দেন তাহলে।
সিটিজি৪বিডি বলেছেন:
অপরাধ, তারা নামাজ পড়ে, সহপাঠীদের ইসলামের দাওয়াত দেয় এবং ন্যায়ের পথে চলার পরামর্শ দেয়। ইসলামের দাওয়াত দিতে গিয়ে যুগে যুগে মুসলমানরা নির্যাতিত হইয়াছে. কেয়ামত পর্যন্ত নির্যাতিত হইবে.. তারপরে ও ইসলামের বানী কেউ রুখতে পারবেনা.. আর ইসলামের মর্মবানী যদি সবাই বুঝতো?
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন:
এ অবস্থার দ্রুত অবসান হওয়া দরকার।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
ছাত্রী সংস্থারে মাইনাস। এই পোস্টেও।
লেখক বলেছেন: ছাত্রী সংস্থাকে আগে জেনে তারপর মন্তব্য করা ভালো ছিল না কি? এখন যদি কেউ বলে আপনার প্রিয় বোনটি (!?), তখনও কি বাছবিছার না করেই এভাবে মন্তব্য করে বসবেন? আমার পোস্টে মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।
েমাঃ মাইনুিদ্দন বলেছেন:
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
পিচ্চি হুজুর বলেছেন:
এই দেশ এ যদি এই অবস্থা হয় তাইলে ত মনে হয় বাইরে পড়তে গেলে যদি রুমমেট স্বপ্নে টূপি দেখে তাইলে দেখা যাইব পরের দিন আইসা এফ বি আই আইসা ধইরা নিয়া যাইব
ডঃ জেকিল বলেছেন:
েমাঃ মাইনুিদ্দন আপনার মন্তব্য আপত্তিকর।
মামুন বিদ্রোহী বলেছেন:
অপরাধ, তারা নামাজ পড়ে, সহপাঠীদের ইসলামের দাওয়াত দেয় এবং ন্যায়ের পথে চলার পরামর্শ দেয়।ওরে মুনাফিক... কইতে লজ্জা লাগে যে এরা সন্দেহভাজন ছাত্রী সংস্থার কর্মী। কেমন দল করস যে দলের কর্মীদের পরিচয় দিতে লজ্জা পাস
লেখক বলেছেন: আমার পোস্ট পড়েই বুঝে ফেললেন আমি কোন্ দল করি। বাহ্! ফাইন মেধা আপনার! তাইতো বলি, সন্দেহের বশে আপনারা কত্ত কিছুই না করতে পারেন। সন্দেহ করে নিন না আপনার বোনটিকে হাজতে, তুলে দিন হায়েনাদের হাতে।
হায়রে দুনিয়া বলেছেন:
েমাঃ মাইনুিদ্দন বলেছেন: আর মেঘ যে মন্তব্য করেছে তা খুব দুঃখজনক। মেয়ে হয়ে ছেলের পোশাক পড়েছে। এই শয়তানের কাজ। এই সমস্ত মেয়েদের নিয়ে ছাত্রলীগ ১০০তম ধর্ষণ ক্লাব পূরন করে। (অবশ্য মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা মালা পরাইছে)দোরা মারা উচিত মেঘ এর মত ব্যাশামারা মাইয়াদের
-----------------------------------------------------------------------------
তুই ব্যাডা দূরে গিয়া মর।
মামুন বিদ্রোহী বলেছেন:
@েমাঃ মাইনুিদ্দন ........... তোর মন্তব্য আপক্তিকর.... তোরে খাইসি..
লেখক বলেছেন: এ পর্যন্ত কয়ডারে খাইছোস পিচ্চি হায়না?
মামুন বিদ্রোহী বলেছেন:
@ লেখক................ক্ষেপলাম েমাঃ মাইনুিদ্দন উপর। তোর গো.আ. জ্বলে উঠল কেন?
লেখক বলেছেন: তোর মুখের ভাষাটা তো দারুণ! খেপলাম, কারণ মানুষরে খাওয়ার কথা কেবল পশুরাই ভাবতে পারে।
tuhin_sarker বলেছেন:
কাদিয়ানী সম্পর্কে আপনার ধারনা আছে ওনারাও কিন্তু ইসলামের দাওয়াত দেয়.........।
লেখক বলেছেন: ওদের দাওয়াতদান পদ্ধতিটা ইসলাম সমর্থন করে না। ইসলামে কোনো প্রকার সহিংসতার অবকাশ নেই।
সালমান সিদ্দিকী বলেছেন:
@েমাঃ মাইনুিদ্দন .......নিম্নমানের ছাগুল
রথে চেপে এলাম বলেছেন:
েমাঃ মাইনুিদ্দন এর মন্তব্য অত্যন্ত আপত্তিকর। @লেখক আপনি আবার তারে এই মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদও দিছেন???!!!!!
লেখক বলেছেন: মোঃ মাইনুদ্দিনের মন্তব্যে আপত্তিকর কিছুই তো পেলাম না। আপনি বোধহয় ভুলে যাচ্ছেন, শেখ হাসিনার গত সরকারের আমলে জাহাঙ্গীরনগরে ছাত্রলীগের এক নেতা (মানিক) ধর্ষণের সেঞ্চুরি করেছিল। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী (তখনও) সেদিন তাকে রক্ষা করার জন্য বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। এটাকে তো এক প্রকার ফুলের মালা উপহার দেয়াই বলে, নাকি। আর মেয়ে হয়ে ছেলের পোশাক বা ছেলে হয়ে মেয়ের পোশাক পরা ইসলামের দৃষ্টিতে শুধু নিষিদ্ধই নয়, কবিরা গুনাহের কাজ। কবিরা গুনাহ কি বোঝেন তো? নাকি আল্লাহ, রাসূল, ইসলাম- এসবে বিশ্বাসই নেই আপনার! ধন্যবাদ।
ইসটুপিড বলেছেন:
ছাত্রলীগের কুকীর্তির জন্য শিবির সাপোর্ট করতে হবে? পোস্টে মাইনাস দেয়াটাও ঘৃণাকে সম্পূরণ প্রকাশ করতে দেয় না।েমাঃ মাইনুিদ্দন কে দেখে বুঝলাম শিবিরের ব্রেইনওয়াশ কি জিনিস। কংগ্রাচুলেশনস, েমাঃ মাইনুিদ্দন।
লেখক বলেছেন: আপনাকে শিবির সাপোর্ট করতে কে বলেছে? এটা তো একান্তই আপনার ব্যাপার। তাই বলে ভালো কাজের প্রশংসা করবেন না?
েমাঃ মাইনুিদ্দন-এর ব্যাপারটা তার সাথেই বুঝুন।
ইসটুপিড বলেছেন:
তো আপনার পোস্টের উদ্দেশ্য কি?
লেখক বলেছেন: সব জায়গায় বুঝি উদ্দেশ্য খুঁজে বেড়ান? কোনো উদ্দেশ্যই ছিল না, তবে এই মুহূর্তে একটা উদ্দেশ্যের কথা বলতেই হচ্ছে, সেটা হচ্ছে-
সারাদেশব্যাপী মানবতার যে চরম লঙ্ঘন হচ্ছে তার তুলে ধরা। প্রশ্ন করতেই পারেন মানবতার লঙ্ঘন কিভাবে কোথায় হচ্ছে? অনুরোধ করবো বাংলাদেশ সংবিধানের ২৭, ৩১, ৩৭ ও ৩৮ নম্বর অনুচ্ছেদগুলো পড়তে। ধন্যবাদ।
Arefin বলেছেন:
আমার মনে হয় মাইনুদ্দিনের ঈমানে সমস্যা আছে। আপনি ভাল করে চেয়ে দেখেন মেঘ মোটেও ছেলেদের পোশাক পরেননি। ওইটুকু একটা ছবি, তাও ছাড় দিলেন্না। আপনার এই কমেন্টে বোঝা যাচ্ছে আপনার Family, Background কি রকম। আপনি ফটুক তুইলা Internet এ কি করেন? এগুলা নাফরমানি কাম, জানেন্না? ভাগেন, এইডা আফনার জায়গা না।
শয়তান বলেছেন:
জামাত শিবিরের ধর্মের ভাষার নমুনার আদর্শ প্রমান এই পোস্ট ।
ফুডা মাইনুদ্দিনের অশালীন কমেন্ট রিপোর্টেড ।
হোদল রাজা বলেছেন:
ইসলাম আর মওদুদী ইসলাম এক না!জামাত-শিবির ইসলামের নামে ধর্ম ব্যবসা-রাজনীতি করে। রাজনীতির নামে হায়নার মত আচরন করে! জংগীদের সবাই এক্স-জামাতি! এ গুলা কি ইসলাম!
নামাজ-ধর্মের নাম করে ইডেন কলেজের ছাত্রীদের হায়না বানানো ঠিক না!
নোংড়া হায়না মাইনু রিপোর্টেড!
লেখক বলেছেন: ইসলাম বলতে আপনি কী বোঝেন তা কিন্তু পরিষ্কার করছেন না। মওদূদী ইসলাম বলে কিছু নেই। মওদূদী হয়তো ইসলাম সম্পর্কে কিছু বইপত্র লিখে থাকবেন। জামায়াত-শিবির শুনেছি সেগুলো অধ্যয়ন করে। কিন্তু মওদূদীর আদর্শ প্রচার করে বলে শুনিনি। আপনি কি এ সম্পর্কে কিছু তথ্য আমাকে দেবেন?
জঙ্গীদের সবাই এক্স জামাতি, এটা মেনে নিতে পারলাম না। শায়খ আব্দুর রহমান কে ছিলেন বোধকরি নতুন করে বলা লাগবে না।
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
সবই দৃষ্টি কোণের ব্যাপার-স্যাপার! ক্ষমতায় আছে আলীগ-বাম! তাই তাদের চরমপন্থী-শ্রেণী সংগ্রাম-বিপ্লবী-ভ্যানগার্ড সবই অতিশয় দেশপ্রেমী বই, আর ৪০-৫০ বছরের রাজনৈতিক দলের উন্মুক্ত বই গুলা হঠাৎ কইরাই জিহাদি হইয়া পড়ছে! গোয়েবলস যেন আলীগ-বামের ঘাড়ে চইড়া আবার দেশে ফিরে আসছে!
লেখক বলেছেন: জব্বর কথাডাই বলছেন বাইজান!
লেখক বলেছেন: মনে কয় দোজখ আপনের কথামতোই চলবো। কী কামাই করছেন দোজখ থেইকা বাঁচনের লেইগা? সত্য ভাষণ অজম করার পাওয়ার থাকন দরকার। অত গা জ্বলন ঠিক না।
ইসলামের দাওয়াত দেয়া আর শিবির করা এক নয়। শিবির যে বা যারা করুক তাদের জন্য বারবার বলি - ফি নারে জাহান্নামা।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই সত্য।
মরুর মুসাফির বলেছেন:
এই অন্যায় আর জুলুমের অবসানের জন্য তাদের কৃতকর্মই যথেষ্ট। বিপরীত দিকে যাদের দমন করার জন্য এই কর্মতৎপরতা তারা শূণ্যে থেকে বিজয়ীর ভালোবাসা পেয়ে আবার জেল থেকে মুক্তির মিছিল বের করবে।সত্য উদ্ভাসিত হয়ই।
যত আধারই হোক।
আলো ফুটবেই।
আর হয়তো আমি দেখবো না, তুমি দেখবে না,
আমার পরবর্তী প্রজন্ম দেখবে না
কিন্তু তাতে আমি বিচলিত হবো কেন
আমিতো ক্ষনিকের প্রাপ্তির জন্য লড়ছি না।
আমি তো কায়েমী স্বার্থবাদী নই যে
এখনই ক্ষমতার মসনদে আমাকে বসতে হবে?
দূর্বলদের দূর্বল ভেবে ধ্বংসের মহা উল্লাস
তাদের প্রলয়ের আয়োজন মাত্র।
সময় কথা বলবে ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে
তাই আবারো বলছি মৃত্যুর সাথে আমরা আপোষ করতে জানিনা
এবং আমরা ব্চিলিত নই।
মারুফ সৈকত বলেছেন:
''আমরা নীরব হবো নানিথর হবো না, নিস্তব্ধ হবো না
যতদিন না আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দীনকে বিজয়ী হিসেবে দেখতে পাব"
মুসাফির আপনাকে ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















