somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মিলাদ ও কেয়ামের ইতিহাস ।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

بسم الله الرحمن الرحيم

প্রিয় মোহতারাম ...
আসসালামু আলাইকুম
আজ যে বিষয়টি আপনাদের সামনে আলোচনা করবো ইহা অতি গুরুত্ব পুর্ন বিষয় । মিলাদ ও কেয়ামের ইতিহাস । ইনশা আল্লাহ ধারাবাহিক ভাবে সম্পুর্ন বিষয় টি আপনাদের সামনে আলোচনা করার চেষ্টা করবো ।
মিলাদ ও কেয়ামের ইতিহাস

সুচনা ...

প্রথম মিলাদ ও কেয়াম কে করেছিলেন ?

পবিত্র মিলাদুন্নবীর ইতিহাস অতি প্রাচিন । মিলাদুন্নবীর সুচনা করেছেন স্বয়ং আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ।
রোজে আজলে সমস্ত আম্বিয়ায়ে কেরামেকে নিয়ে আল্লাহ এই মিলাদের আয়োজন করেছিলেন । নবী গনের মহাসম্মেলন ডেকে মিলাদুন্নবী আয়োজক স্বয়ং আল্লাহ । তিনি নিজে ছিলেন মীরে মাজলিস বা সভাপতি । সকল নবীগন ছিলেন শ্রোতা । ঐ মজলিসের উদ্দেশ্য ছিল হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াছাল্লামের বেলাদাত, শান ও মান অন্যান্য নবীগনের সামনে তুলে ধরা এবং তাঁদের থেকে তাঁর উপর ঈমান আনয়ন ও সাহায্য সমর্থনের প্রতিশ্রুতি আদায় করা । কোরআন মজিদের ৩য় পারা সুরা আলে এমরানে ৮১-৮২ নং আয়াতে মধ্যে আল্লাহ তায়ালা ঐ মিলাদুন্নবী মাহফিলের কথা উল্লেখ করেছেন । নবীজীর সম্মানে এটাই ছিল প্রথম মিলাদ মাহফিল এবং মিলাদ মাহফিলের উদ্যোগ্ক্তা ছিলেন স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা ।
সুতরাং মিলাদে মাহফিল আনুষ্ঠান হচ্ছে আল্লাহর সুন্নত বা তরিকা ।
ঐ মজলিসে সমস্ত আম্বিয়ায়ে কেরাম ও উপস্থিত ছিলেন । ঐ মজলিসে স্বয়ং আল্লাহ নবীজীর শুধু আবির্ভাব বা মিলাদের উপরই গুরুত্ব আরোপ করেছিলেন । সিরাতুন্নবীর উপর কোন আলোচনা সে দিন হয়নি । সমস্ত নবীগন খোদার দরবারে দন্ডায় মান থেকে মিলাদ শুনেছেন এবং কিয়াম করেছেন । কেননা খোদার দরবারে বসার কোন অবকাশ নেই । পরিবেশটি ছিল আদবের ।
মিলাদ পাঠকারী ছিলেন স্বয়ং আল্লাহ এবং কিয়ম কারীগন ছিলেন আমবিয়ায়ে কেরাম ।

এই মিলাদ ও কিয়াম কোরআনের " ইকতেদো উন নস " দ্বারা প্রমানিত হলো : উল্লেখ্য যে কোরআনে মজিদের "নস" চার প্রকার যথা : ইবারত , দালালত , ইশারাও ইক্কতিজা ।উক্ত চার প্রকার দ্বারাই দলিল সাবেত হয় । ( নুরূল আনওয়ার দেখুন ) নিম্নে উল্লেখিত আয়াতের মধ্যে ইবারতের দ্বারা প্রমানিত হয়েছে অঙ্গীকার / দালালাতের দ্বারা নবীগনের মাহফিল , ইশারার দ্বারা মিলাদের ব আবির্ভাবের এবং ইকতিজার দ্বারা কিয়ামের প্রমানিত হয়েছে ।

সুতরং মিলাদুন্নবী মহফিল কেয়াম নবীগনের সম্মিলিত সুন্নাত ও ইজামায়ে আম্বিয়া দ্বারা প্রতিষ্ঠিত । কোরআন মজিদে আলে এমরানের আয়াত ৮১-৮২ উল্লেখ করা হলো :



আল্লাহ বলেন ( ৮১ ) " হে প্রিয় রাসুল ! আপনি স্মরণ করূন ঐ দিনের কথা , যখন আল্লাহ তায়ালা সমস্ত নবীগন থেকে প্রতিশ্রুতি নিয়েছিলেন এ কথার উপর যে , যখন আমি তোমাদেরকে কিতাব ও হিকমত দিয়ে দুনিয়ায় প্রেরন করবো ; তারপর তোমাদের কাছে আমার মহান রাসুল যাবেন এবং তোমাদের নবু্যত ও কিতাবের সত্যতার সাক্ষ্য প্রদান করবেন , তখন তোমরা অবশ্য অবশ্যই তাঁর উপর ঈমান আনবে এবং অবশ্যই তাঁকে সাহায্য করবে "
আল্লাহ বলেন : " তোমরা কি এ সব কথার উপর অঙ্গীকার করছো এবং এই শর্তে আমার ওয়াদা গ্রহন করে নিয়েছো ( তখন ) তাঁরা সকলেই সমস্বরে বলেছিলেন, ----আমরা অঙ্গিকার করছি ।

আল্লাহ বলেন : " তাহলে তোমরা পরস্পর সাক্ষি থাক । আর আমি ও তোমাদের সাথে মহাসাক্ষী রইলাম " ।


( ৮২ ) " অত:পর যে কোন লোক এই অঙ্গীকার থেকে ফিরে যাবে- সেই নফরমান " (কাফের ) ।( আলে এমরান আয়াত ৮১/৮২ )।


উক্ত দুটি আয়াতে মধ্যে নবী করিম (দ) -এর ব্যাপারে ১০ টি বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে । যথা :
১ । এই ঐতিহসিক মিলাদ সম্মেলনের ঘটনাবলীর প্রতি রাসুলে কারিম (দ) -এর দৃষ্টি আকর্ষণ । যেহেতু নবী করিম (দ) ঐ সময়ে সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ।
২। আল্লাহ কর্তৃক অন্যান্য আম্বিয়ায়ে কেরামের নিকট থেকে নবীজীর শানে অঙ্গীকার আদায় ।
৩। নবীগনের রমরমা রাজত্বকালে এই মহান নবীর আগমন হলে তাঁর উপর ঈমান আনতে হবে ।
৪। তাঁর আগমন হবে অন্যান্য নবীগনেরর সত্যতর দলীল স্বরূপ ।
৫। ঐ সময়ে নবীগনের নবুয়ত স্থগিত রেখে- নবীজীর উপর ঈমান আনয়ন করতে হবে ।
৬।নবীজীকে সর্বাবস্থায় পুর্ন সাহায্য সহযোগিতা প্রদানের অঙ্গীকার আদায় ।জীবনের বিনিময়ে এই সাহায্য হতে হবে নি:শর্তভাবে ।
৭। নবীগনের স্বীকৃতি প্রদান ।
৮। পরস্পর সাক্ষী হওয়া ।
৯। সকলের উপরে আল্লাহ মহাসাক্ষী ।
১০ । ওয়াদা ভঙ্গের পরিনাম - নাফরমান ও কাফের ।


১০ নং দফায় নবীগনের উম্মত তথা ইয়াহুদী ও খৃষ্টানদের পরিনতির দিকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে । কেননা নবীগগনের অস্বীকারের প্রশ্নই উঠে না । অস্বীকার করেছেন ইয়াহুদী ও নাসারাগন । সুতরাং তারাই কাফের ।


নবীগনের যুগে মিলাদুন্নবী

১। হযরত আদম (আ) -এর যুগে মিলাদ

প্রত্যেক নবী নিজ নিজ যুগে আমাদের প্রিয়নবী ও আল্লাহর প্রিয় হাবিবের আবির্ভাবের সুসংবাদ দিয়ে গেছেন । হযরত আদম (আ) তাঁর প্রিয় পুত্র ও প্রতিনিধি হযরত শীস (আ) কে নুরে মুহাম্মদীর তাজিম করার জন্য নিম্ন অসিয়ত করে গেছেন ।

আনুবাদ অংশ টি নিম্নে বর্ননা করা হলো ( আরবি অংশ পরবর্তিতে চেষ্টা করবো )

" আদম (আ) আপন পুত্র হযরত শীস (আ) কে লক্ষ্য করে বল্লেন : হে প্রিয় বৎস। আমার পরে তুমি আমার খলিফা । সুতরাং এই খেলাফত কে তাকওয়ার তাজ ও দৃঢ় একিনের দ্বারা মজবুত করে ধরে রেখো । আর যখনই আল্লাহর নাম ঝিকির (উল্লেখ) করবে তাঁর সাথেই মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লামের নামও উল্লেখ করবে । তাঁর কারন এই : আমি রূহ ও মাটির মধ্যবর্তী থাকা অবস্থায় ই তাঁর পবিত্র নাম আরশের পায়ায় (আল্লাহর নামের সাথে ) লিখিত দেখেছি । এরপর আমি সমস্ত আকাশ ভ্রমন করেছি । আকাশের এমন কোন স্থান ছিলনা যেখানে মুহাম্মাদ(দ) -এর নাম অন্কিত পাই নি । আমার রব আমাকে বেহেস্তে বসবাস করতে দিলেন । বেহেস্তের এমন কোন প্রাসাদ ও কামরা পাইনাই যেখানে মুহাম্মদ (দ) -এর নাম ছিলনা । আমি মুহাম্মদ ( দ) -এর নাম আরোও লিখিত দেখেছি সমস্ত হয়রদের স্কন্ধ দেশে , বেহেস্তের সমস্ত বৃক্ষের পাতায় , বিষেশ করে তুলা বৃক্ষের পাতায় পাতায় , পর্দার কিনারায় এবং ফেরেসতাগনের চোখের মনিতে ঐ নাম অন্কিত দেখেছি । সুতরাং হে শীস ! তুমি এই নাম বেশী বেশী করে জপতে থাক ।
কেননা , ফেরেস্তাগন পুর্ব হতেই এই নাম জপনে মশগুল ররয়েছেন " ( জুরকানি শরীফ )।
উল্লেখ্য যে সর্ব প্রথম দুনিয়াতে ইহাই ছিল জিকরে মিলাদুন্নবী ( দ )।

হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এর মিলাদ পাঠ ও কেয়াম

হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এবং হযরত ইসমাইল (আঃ)যখন আল্লাহর ঘর তৈরী করছিলেন , তখন ইব্রাহীম (আঃ) উক্ত ঘরের নির্মাণ কাজ কবুল করার জন্য নিজের ভবিষ্যৎ সন্তানাদিদের মুসলমান হয়ে থাকার জন্য আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করার পর দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বা কেয়াম করে নবী (দঃ) -এর আবির্ভাব আরবে ও হযরত ইসমাইলের বংশে হওয়ার জন্য এভাবে দোয়া করেছেন ।



অর্থাৎ হে আমার রব ! তুমি এই আরব ভুমিতে আমার ইসমাইলের বংশের মধ্যে তাদের মধ্যে হতেই সেই মহান রাসুলকে প্রেরণ করো- যিনি তোমার আয়াত সমুহ তাদের কাছে পাঠ করে শয়নাবে , তাদেরকে কোরআন সুন্নাহর বিশুদ্ধ গেয়ান শিক্ষা দেবেন এবং বাহ্যিক ও আত্বিক অপবিত্রতা থেকে তাদের পবিত্র করবেন ।
সুরাহ আল বাকারা ১২৯ আয়াত ।

এখানে দেখা যায় - হযরত ইব্রাহীম ( আঃ) রাসুলুল্লাহের ৪০০০ বৎসর পুর্বেই মুনাজাত আকারে তাঁর আবির্ভাব , তাঁর সারা জিন্দেগীর কর্ম চান্চল্য ও মাণুষের আত্বার পরিশুদ্ধির ক্ষমতা বর্ননা করে হুজুর (দ) -এর মিলাদের সারাংশ পাঠ করেছেন এবং এই মুনাজাত বা মিলাদ দন্ডায়মান অবস্থাই করেছেন ---- যা পুর্বের দুটি আয়াতের মর্মে বুঝা যায় ।

ইবনে কাছির তাঁর বেদায়া ও নেহায়া গ্রন্থে ২য় খন্ডে ২৬১ পৃষ্ঠায় লিখেছেন
" দোয়া ইব্রাহিমু আলাইহি ওয়া সাল্লামু ওয়াহুয়া কায়েমুন "
অর্থাৎ উক্ত দোয়া করার সময় ইব্রাহীম (আঃ) দন্ডায়মান ছিলেন ।

নবী করিম (দ) বলেণ " আনা দুয়াওতু ইব্রাহীমা " আমি হযরত ইব্রহীমের (আঃ) -এর দোয়ার ফসল ।"
হযরত ইব্রাহীম ( আঃ) আল্লাহর নিকট থেকে চেয়ে আমাদের প্রিয় নবী(দ) কে আরবের ইসমাইল (আঃ) -এর বংশে নিয়ে এসেছেন । এটা উপলব্ধির বিষয় ।
আশেক ছাড়া এ মর্ম অন্য কেউ বুঝবে না । বর্তমান মিলাদ শরীফে রাসুলে পাঁকের আবির্ভাবের যে বর্ননা দেয়া হয় -তা হযরত ইব্রাহিম(আঃ)-এর দোয়ার তলনায় সামান্যতম অংশ মাত্র । সুতরাং আমাদের মিলাদ শরিফ পাঠ ও কেয়াম হযরত ইব্রাহীম আলাহিস সালামেরই সুন্নাত ।
( দেখুন বেদায়া ও নেহায়া ২য় খন্ড ২৬১ পৃষ্ঠ )



ইনশা আল্লাহ চলবে..........।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫৮
১০টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×