ব্যাপারটা একশতভাগ আপনার নিজস্ব স্বাধীনতা এবং নিজ-উদ্যোগ - ইউ আর আ onE maN armY টুমোরো... (এটাই ম্যাসেজ)
চট্টগ্রাম ও ঢাকাতে নেটিজেনদের নিয়ে রাস্তায় নামার পরিকল্পনা করার সময় আবশ্যিকভাবে কয়েকজনকে ব্যানারের ব্যবস্থা করতে হয়েছে - প্লাকার্ডের যোগাড় করতে হয়েছে এবং সবকিছু ম্যানেজ করতে হয়েছে । ফলে স্বাভাবিকভাবে কয়েকজন "ব্যক্তি" কে সামনে এসে দাড়াতে হয়েছে যারা প্রশাসন-সাংবাদিক-মিডিয়া ও টাকাপয়সা যোগাড় করেছেন।
কিছু অহঙ্কারী আর সেলিব্রেটী নেতা-ব্লগারদের ব্যাপারটা সহ্য হয়নি। তাদের ধারনা হয়েছিলো, ব্যাপারটায় নেতৃত্বের কোন বাপার আছে! তাদের ধারনা হয়েছিলো ব্যাপারটায় ক্রেডিটের কোন ব্যাপার আছে! তাদের ধারনা হয়েছিলো বাপারটায় রাজনীতির কোন ব্যাপার আছে.... (অথবা ভারত নিয়ন্ত্রিত কোন জায়াণ্ট পত্রিকার দেয়া পয়সা উসুল করতে ব্যাপারটা তারা এভাবে উপস্থাপন করেছিলো)
যাহোক, আগামীকাল শনিবার, বাংলাদেশ-ভারত বিশ্বকাপ উদ্বোধন ম্যাচ হবে । এই ম্যাচ দেখতে যারা স্টেডিয়ামে যাবেন তারা অবশ্যই বাঙালী... বাংলাদেশী.. বাংলাদেশকে ভালোবাসেন! কাটাতারের বেড়ায় ফেলানীর ঝুলন্ত লাশের ছবি যাদের মন থেকে মুছে গেছে, তাদের জন্য বিএসএফ গতকাল আরেকটা লাশ উপহার দিয়েছে ।
আগামীকালকে স্টেডিয়ামে আপনারা প্রত্যেকে ইন্ডিভিজুয়ালভাবে এই প্রতিবাদ কর্মসূচীর কর্মী! কেউ আপনাকে তার যোগার করা ব্যানারের নীচে দাড়াতে ডাকবে না । কেউ আপনাকে একটা "বিএসএফ এর বর্বরতার বিচার চাই" - STOP BSF killing in Bangladesh Border প্লাকার্ড ধরিয়ে দেবেনা । কেউ আপনাকে বলে দিবেনা কখন কোথায় কি করতে হবে!
যারা বিএসএফ এর অব্যাহত সীমান্ত সন্ত্রাসের প্রতিবাদের ইচ্ছা অন্তরে অনুভব করেন, তারা যা কিছু করবেন, নিজ উদ্যোগে করবেন । এই ব্লগে শুধু মাত্র কিছু গাইডলাইন তুলে ধরা হয়েছে । বাকিটা নিজেকে করতে হবে । আপনি যদি ক্রেডিট অথবা পলিটিক্স আতঙ্কে ভুগেন, তার কোন ভয় নেই । কারন পুরোটাই আপনার নিজের চেতনা - নিজ উদ্যোগ - আপনার মার্কার আপনি নিজে জোগাড় করবেন, স্টেডিয়ামের ক্যামেরাগুলো নিজ উদ্যোগে খুজে বের করবেন.. পলিটিক্সমুক্ত দেশপ্রেম আর প্রথমআলোর পয়সাজীবি দালালীমুক্ত দেশাত্ববোধ আগামীকাল স্টেডিয়াম প্রাঙ্গনকে উদ্ভাসিত করবে, এই স্বপ্ন বুকে ধারন করে পোষ্ট টা দিলাম ।
অদ্ভূত কারনে পোষ্টটা প্রথম পাতা থেকে সরে যাচ্ছে!!!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



