somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... আরও কিছু ছবি- আমার তোলা http://www.somewhereinblog.net/blog/Maverickblog/28732320 http://www.somewhereinblog.net/blog/Maverickblog/28732320 2007-09-19 23:12:28 আমার তোলা ছবি
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Maverickblog/28730674 http://www.somewhereinblog.net/blog/Maverickblog/28730674 2007-09-11 23:20:35
ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে ফের শগ্কা শেখ হাসিনার
বাকি সমকাল - ৯ সেপ্টেম্বর ২০০৭

-------------------------------------------
যখন মামলার রায় তার বিপক্ষে যায় তখনই সে ন্যায় বিচার পায়না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Maverickblog/28730216 http://www.somewhereinblog.net/blog/Maverickblog/28730216 2007-09-09 12:53:58
রাজশাহী ইউনিভার্সিটির সাম্প্রতিক ঘটনা : অনেক প্রশ্ন ঢাকা ইউনিভার্সিটির তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২২ আগস্ট রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে কেন এতো ভাংচুরের ঘটনা ঘটলো? সেদিন কেন নীরব ছিল প্রশাসন? ঘটনার দিন ক্যাম্পাসে প্রশাসনের কর্তা-ব্যক্তিদের অনেকেই অনুপস্থিত ছিলেন কেন? প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন শিক্ষকদের ক্যাম্পাসে কেন দেখা যায়নি? ভিসি অফিসই-বা কেন নিষ্ক্রিয় ছিল? এসব প্রশ্ন এখন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সচেতন রাজশাহীবাসীর মুখে মুখে ফিরছে। এখন এসব প্রশ্নের লেজ ধরেই বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাও সামনে হাটছে বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানায়, ঘটনার সময় ক্যাম্পাসে প্রশাসনের দায়িত্বশীল কোনো শিক্ষক-কর্মকর্তাকে দেখা যায়নি। প্রক্টরসহ তার টিমের সদস্যদের উত্তেজিত শিক্ষার্থীদের নিবৃত্ত করার কোনো চেষ্টা চোখে পড়েনি। অতীতের মতো ভিসি-প্রোভিসিসহ প্রভাবশালী কোনো শিক্ষককেই ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। জানা যায়, অতীতে ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন সঙ্কটকালে ভিসি সিনিয়র শিক্ষকদের তাৎক্ষণিক ডেকে পরামর্শ নিতেন, যা এবার ঘটেনি। অথচ এবারই সবচেয়ে বেশি প্রায় ৩ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে রাজশাহী ইউনিভার্সিটির।
প্রশাসনের একাধিক সূত্র জানায়, ওইদিন ভিসিকে দায়িত্বশীল শিক্ষক-কর্মকর্তারা কোনো ধরনের সাহায্য-সহযোগিতা করেননি, বরং তাকে মিসগাইড করা হয়েছে বিভিন্ন ভাবে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন শিক্ষক জানান, ঢাকা ইউনিভার্সিটির শামসুন্নাহার হলের ঘটনায় তৎকালীন ভিসি প্রফেসর আনোয়ারুল্লাহ চৌধুরী যেভাবে মিসগাইডেড হয়েছিলেন, ঠিক একই
ভাবে রাবিতে বিদ্যমান
বিভিন্ন পন্থী বিশেষ করে আওয়ামীপন্থী কিছু শিক্ষক-কর্মকর্তা বর্তমান প্রশাসনকে বেকায়দায় ফেলে রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে চেয়েছিলেন। সূত্রটি আরো জানায়, ঢাবির তুচ্ছ ঘটনাটি পরে সরকার বিরোধী আন্দোলনে রূপ নিয়েছিল। কিন্তু রাবির আন্দোলনটি শেষ পর্যন্ত রূপ নেয় ভিসি ও ইউনিভার্সিটি প্রশাসন বিরোধিতায়।
রাবি প্রশাসনের একটি নির্ভরযোগ্য ও একাধিক সিনিয়র শিক্ষকের সূত্রে জানা যায়, ইউনিভার্সিটি গ্র্যান্ট কমিশনে (ইউজিসি) চেয়ারম্যান হিসেবে ঢাবির আওয়ামীপন্থী শিক্ষক নেতা প্রফেসর নজরুল ইসলাম নিয়োগ পাওয়ার পরই দেশের সব ইউনিভার্সিটিতে শীর্ষ পদগুলোয় পরিবর্তন আসছে এমন ঢেউ তোলা হয়। রদবদল আনা হয় ইউজিসির মেম্বারদের মধ্যে। নতুন নিয়োগ পাওয়া এবং আগে থেকে থাকা মেম্বারদের অধিকাংশ নব নিযুক্ত চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক মতাদর্শের হওয়ায় কিছুদিন ধরেই প্রফেসর আবদুস সোবহানসহ আওয়ামী লীগ ও বামপন্থী প্রভাবশালী (যারা প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের ব্যানারে থাকেন) সামনের সারির বেশ কয়জন শিক্ষক ঘন ঘন যাতায়াত শুরু করেন ইউজিসিতে। আর এ সময় থেকে রাবি ক্যাম্পাসে পরিকল্পিতভাবে ছড়ানো হয়, ভিসি পরিবর্তন হচ্ছে শিগগির।
সূত্র জানায়, ওইসব শিক্ষক মাঝে মধ্যেই প্রশাসন ভবন, জুবেরী ভবন ও ক্যাম্পাসের বাইরে পদ্মার ধারে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি ক্লাব বড়কুঠিতে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ অফিসারকে সঙ্গে নিয়ে মিটিংয়ে বসতেন। ঢাকা ইউনিভার্সিটির ঘটনার পরদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দীর্ঘ একটি মিটিং চলে প্রশাসন ভবনে ডেপুটি রেজিস্ট্রার (প্রশাসন) আমানুল হকের চেম্বারে। এ সময় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দফতরের দুজন কর্মকর্তা, অর্থ ও হিসাব দফতরের একজন উপ-হিসাব পরিচালক, একজন সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, একজন সহকারী হিসাব পরিচালক, সংস্থাপন শাখার একজন মহিলা সেকশন অফিসার, একজন উপ-রেজিস্ট্রার এবং প্রভাবশালী শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে ২২ আগস্ট রাবির ঘটনাটি এতোদূর গড়ানোর পেছনে ভিসিকে মিসগাইড করার বিষয়টিকে অন্যতম হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভিসি অফিসে চাকরি করেন এমন একজন গুরুত্বপূর্ণ অফিসার (যিনি ওই সময় ভিসির বাসভবনে উপস্থিত ছিলেন) নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ওই সময় ভিসিকে ইউনিভার্সিটি সিনেটের শাহাবুদ্দিন সরকার বোঝাতে চেষ্টা করেন যে, এ মুহূর্তে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সহযোগিতা ছাড়া ক্যাম্পাসের উত্তপ্ত অবস্থা প্রশমিত করা সম্ভব নয়। তিনি নিজেই আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ভিসিকে বারবার মোবাইল ধরিয়ে সহযোগিতা চাইতে বাধ্য করেন। জানা যায়, ভিসির ফোন পেয়ে আওয়ামীপন্থী প্রভাবশালী শিক্ষক-কর্মকর্তারা ভিসির আবেদনে সাড়া না দিয়ে জুবেরী ভবনে মিটিং শুরু করেন। সূত্রটি জানায়, এর পর থেকে আন্দোলনের তীব্রতা বাড়তে থাকে। পুলিশের গুলিতে একজন রিকশাচালক নিহত হলেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া হয় ইউনিভার্সিটির একজন শিক্ষার্থী ও তাকে বহনকারী রিকশার চালক নিহত হয়েছে। রাবির মেডিকাল সেন্টার থেকে রিকশা চালকের লাশটি নিয়ে যখন বিক্ষোভ মিছিল ভিসির বাসভবনের দিকে আসছিল তখন জুবেরী ভবনে মিটিংরত শিক্ষকরা ভিসির সঙ্গে আলোচনার প্রহসন চালায়। তারা ভিসি ও প্রক্টরের পদত্যাগ এবং ক্যাম্পাস থেকে সব পুলিশ প্রত্যাহারের শর্তে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রশমিত করার প্রতিশ্রুতি দিলেও ইউনিভার্সিটি প্রশাসন ক্যাম্পাস থেকে পুলিশ প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়ার পরই প্রফেসর সোবহানের নেতৃত্বে ওইসব শিক্ষক ভিসির বাসভবন ত্যাগ করেন এবং এরপরই শুরু হয় দ্বিতীয় দফায় ভিসির বাংলো ভাংচুরের তা-ব, বাংলোর সামনে দাড়িয়ে থাকা ডিজিএফআইর গাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং তাদের শারীরিক নাজেহালের ঘটনা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ সময় রাবির কয়েকজন অফিসারকে ঘটনাস্থল প্যারিস রোডের আশপাশে ছোটাছুটি ও মোবাইলে যোগাযোগে করতে দেখা গেছে।
যায় যায় দিন - ৮ সেপ্টেম্বর ২০০৭]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Maverickblog/28730115 http://www.somewhereinblog.net/blog/Maverickblog/28730115 2007-09-08 19:59:50
অর্থের যোগানদাতার সন্ধানে গোয়েন্দারা -২০শে আগস্টের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা
নাশরাত চৌধুরী : ২০শে আগস্টের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা এবং ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরবর্তী সময়ে ঘটে যাওয়া আন্দোলনে অর্থের যোগানদাতাদের ব্যাপারে খোঁজখবর শুরু করেছেন গোয়েন্দারা। তারা এই পর্যন্ত বেশ কয়েকজনের নাম পেয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের কাছ থেকে আন্দোলন পরিচালনাকারীরা টাকা পেয়েছেনÑ এমন প্রমাণও পেয়েছেন। এই আন্দোলনে সবচেয়ে বড় অর্থের যোগানদাতাদের একজন সাবেক এক সংসদ সদস্য। তিনি নিজে পুরান ঢাকার কয়েকজন কমিশনারের মাধ্যমে দেড় কোটি টাকা দিয়েছেন। ওই কমিশনার গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের কাছে সাবেক এমপি’র টাকা দেয়ার কথা স্বীকার করেছেন। এছাড়া প্রায় ৪৫ লাখ টাকা দিয়েছেন সাবেক এক প্রধানমন্ত্রীর সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা। তার ছেলে ওই টাকার যোগান দিয়েছেন বলে তারা জানতে পেরেছেন। তার ছেলে একটি চ্যানেলকেও সরকার বিরোধী আন্দোলনে ব্যবহার করেছেন। এছাড়াও আরও প্রমাণ পেয়েছেন ‘এস’ আদ্যক্ষরের একটি গ্রুপের দুই পরিচালকও টাকা দিয়েছেন। এর আগে ওই গ্রুপের এক পরিচালক স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে সরকারের কোষাগারে ৩৫ কোটি টাকা দিয়েছেন। তার একটি প্রতিষ্ঠানের নামে প্রায় এক শ’ ১৫ কোটি টাকার একটি হিসাবের সন্ধান পান গোয়েন্দারা। গোয়েন্দারা সেটির হিসাব-নিকাশ মেলাতে গেলে পরিচালক নিজেই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে সরকারের কোষাগারে টাকা জমা দেয়ার প্রস্তাব দেন। সূত্র জানায়, এরপর থেকেই সরকারের ওপর তাদের ক্ষোভ জন্মে। তাই তারাও সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে টাকা দেন। এছাড়া সাবেক এক প্রধানমন্ত্রীর ভাই আজিজুল বারী হেলালের মাধ্যমে টাকা দিয়েছেন বলে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন। তিনি সাবেক এক প্রধানমন্ত্রীর ব্যাংক হিসাবের ব্লাঙ্ক চেকে স্বাক্ষর করা পাতা সংরক্ষণ করছেন বলেও গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন। সেখান থেকেই তিনি ওই টাকা দেন বলে জানা গেছে। তবে তারা এই ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত হতে পারেননি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিন সদস্যের একটি দল এ বিষয়ে তদন্ত করছে। ওদিকে ‘আর’ আদ্যক্ষরের একটি গ্রুপের চেয়ারম্যান এই আন্দোলনের জন্য অর্থের যোগান দিয়েছেন বলে গোয়েন্দাদের কাছে তথ্য রয়েছে। ইতিমধ্যে তার ওই ধরনের কর্মকাণ্ডের কিছু প্রমাণও গোয়েন্দারা পেয়েছেন।

সূত্র জানায়, এই আন্দোলনে বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ দু’দলই জড়িত ছিল। বিএনপি চেয়েছিল বেগম খালেদা জিয়াকে যাতে আটক করতে না পারে সরকার। আর আওয়ামী লীগ চেয়েছিল বিশেষ কারাগার থেকে শেখ হাসিনাকে মুক্ত করে আনতে।

সূত্র জানায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় এক শ’ জন ছাত্রকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। তারা জানিয়েছেন, প্রতিদিনের জন্য তারা দুই-তিন হাজার টাকা করে পেয়েছেন। তাদের মতো আরও এরকম অনেকেই টাকা পেয়েছেন। তারা আরও জানিয়েছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে স্বল্প সময়ে প্রায় ২০ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে। তারা কার কার হাতে টাকা আছে এমন সম্ভাব্য কয়েকজনের নামও বলেছেন। সূত্র জানায়, আন্দোলনে মাঠে প্রায় ৫০ হাজার লোক ছিল। তাদের প্রায় সকলেই প্রতি দিনের জন্য ১৫০-২০০ টাকা করে পেয়েছেন। তাদের একদিনের টাকা অগ্রিমও দেয়া হয়েছিল। এই কারণে তারা চারদিনের টাকা পেয়েছেন। চারদিনের জন্য প্রায় কয়েক কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে বলে তথ্য মিলেছে।

মানবজমিন - ৭ সেপ্টেম্বর ২০০৭
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Maverickblog/28730114 http://www.somewhereinblog.net/blog/Maverickblog/28730114 2007-09-08 19:55:08
আমার তোলা ছবি http://www.somewhereinblog.net/blog/Maverickblog/28729300 http://www.somewhereinblog.net/blog/Maverickblog/28729300 2007-09-04 00:28:54 প্রথম পোস্ট - সজিব ওয়াজেদ জয়ের ব্লগ [wjsK=http://www.sajeeb.blogspot.com/]

আশা করেছিলাম তার দাদার মত হবে .... হলো তার মা এর মত । আ গা চৌ এর মত দেশ এর বাহির থেকে ঘুমে সব দেখে । বাবার ভালবাসা তে তাকে দেশে আনা গেলো না। বাপ মরে গেলেও সে আসবেনা। ডা. ওয়াজেদ এর মত brillient লোক এর জিবন শেষ হলো হাসিনার কারনে।
মনে হবে সে তার মার ছাওয়াল। বাপ মরে যায়, পোলার কোন খোজ নাই।
- সে দেশে আসে না কেন?
- বাপের প্রতি দরদ নাই?
- চোর হেলাল মামু কই?
- জয়নাল হাজারি, ইকবাল, হাজি সেলিম, শামিম ওসমান .... সেনাপতিরা কই?
- ওর পড়াশুনার টাকা দিল কে? ওকে ইউএস এর সি আই পি হবার ৩০০ মিলিয়ন ডলার দিল কে?






]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Maverickblog/28728930 http://www.somewhereinblog.net/blog/Maverickblog/28728930 2007-09-02 01:10:02