প্রথমবারের মতো ধারণ করা হলো সীলুকান্ত শিশুর চলচ্চিত্র!
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৯
![]()
ইন্দোনেশিয়া ও জাপানের যৌথ বিশেষজ্ঞের একটি দল সম্প্রতি বিশ্বে প্রথমবারের মতো শিশু সীলুকান্তের (coelacanth, বাংলায় কেউ কেউ একে কোয়েলাকান্ত বলে থাকেন) আলোকচিত্র গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছেন। সীলুকান্ত প্রাণী জগতে অনন্য, অত্যন্ত বিরল প্রজাতির এক মৎস্য যা জীবন্ত জীবাশ্ম (living fossil) নামে অভিহিত।
সমুদ্র গবেষকদলটি ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি/সালাবীজ (Sulawesi) দ্বীপের উপকূলে মানাদো (Manado) উপসাগরের ৫২৮ ফুট গভীরে শিশু মাছটিকে খুঁজে পান এবং সফলভাবে এর চলচ্চিত্রও ধারণ করেন। ২০ মিনিটের ধারণকৃত চলচ্চিত্রটিতে দেখা যায়, নীল ও সাদা ফুটকি-খচিত, ১২.৬ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের সীলুকান্ত শিশুটি সাগরতলে উপলখণ্ডের ভেতর শান্তভাবে সাঁতার কেটে যাচ্ছে।
"যতদূর আমাদের মনে পড়ে, রহস্যাবৃত প্রাণীটির জীবন্ত কোনো বাচ্চার এটিই হচ্ছে প্রথম ভিডিওচিত্র," বললেন ফুকুশিমা প্রদেশের (Fukushima Prefecture) জলজ উদ্ভিদ ও মৎস্য সংরক্ষণ কেন্দ্রের (aquamarine) গবেষক মাসামিৎসু আইওয়াতা (Masamitsu Iwata)।
আবিষ্কারটি সীলুকান্তের আবাস ও প্রজনন আচরণের উপর আলোকপাত করবে বলে বিজ্ঞানীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। দূরনিয়ন্ত্রিত, স্বচালিত জলযানের মাধ্যমে গবেষকদল প্রাণীটির চলচ্চিত্র ধারণ করেন, আইওয়াতা যাকে একটি সদ্যজাত শাবক হিসেবে শনাক্ত করেন।
সুপ্রাচীনকাল থেকে আজ পর্যন্ত সীলুকান্তের শরীরে তেমন কোনো পরিবর্তন সাধিত হয়নি। প্রায় ৩৬৫ মিলিয়ন বছর পূর্বে, ডেভোনিয়ান (Devonian) যুগে প্রাণীটির উদ্ভব হয় বলে জীববিজ্ঞানীদের বিশ্বাস, এবং ধারণা করা হতো, প্রায় ৭০ মিলিয়ন বছর পূর্বে, ক্রিটেইশাস (Cretaceous) যুগের শেষভাগে এটি পৃথিবীর বুক থেকে হারিয়ে গেছে, রেখে গেছে কেবল জীবাশ্ম নিদর্শন। জীবাশ্মের উপর ভিত্তি করে, সীলুকান্তকে জলচর মৎস্য এবং স্থলচর চতুষ্পদের অন্তর্বর্তী দশার (transitional) জোরালো প্রমাণ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার প্রয়াসও পেয়েছিলেন অনেক বিজ্ঞানী।
কিন্তু ১৯৩৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ভারত মহাসাগরীয় উপকূলে প্রথমবারের মতো জীবন্ত, পূর্ণদশা সীলুকান্ত মাছ ধরা পড়ার পর বিশ্বজুড়ে বয়ে যায় বিস্ময়ের ঝড়; বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারগুলোর অন্তর্ভুক্ত হয় এটি। এরপর নিয়মিতই মাছটির খবর পাওয়া যেতে থাকে মোজাম্বিক, মাদাগাস্কার, কেনিয়া, তাঞ্জানিয়া, জাঞ্জিবার বা ইন্দোনেশিয়ার উপকূলে।
আজ, সত্তর বছরেরও বেশি সময় ধরে, প্রাগৈতিহাসিক অথচ জীবন্ত, মিলিয়ন মিলিয়ন বছর ধরে অপরিবর্তিত এই প্রাণীটির প্রতি মানুষের সুতীব্র সেই আগ্রহ বয়েই চলছে!
সংক্ষিপ্ত ইউটিউব ভিডিও
তথ্যসূত্র:
১। Click This Link
২। http://en.wikipedia.org/wiki/Latimeria
লেখক বলেছেন: অবাক ধন্যবাদ! ভালো কাটুক সময়।
লেখক বলেছেন: আশা করি ভালো আছেন। পড়া ও মূল্যায়নে ধন্যবাদ।
নীল ভোমরা বলেছেন:
কৃষ্ণকান্ত, রমাকান্ত.... অনেক শুনেছি! কিন্তু সীলুকান্ত এই প্রথম শুনলাম! তবে রাজ কাঁকড়া জীবন্ত ফসিল-এর একটি উদাহরণ...এটা শুনেছিলাম।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
কৃষ্ণকান্ত, রমাকান্ত...চেনা চেনা লাগছে। :-)
সীলুকান্তের কথা কোয়েলাকান্ত হিসেবে সম্ভবতঃ সত্যজিত রায়ের লেখায় পড়েছি।
শেরজা তপন বলেছেন:
ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, শেরজা ভাই। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
জানজাবিদ বলেছেন:
একটু অন্য ধারায় চলে গেলেন মনে হচ্ছে। আরেকটু ডিটেইলসে যেতে পারতেন।
লেখক বলেছেন: না, অন্য ধারা তো নয়, প্রিয় জানজাবিদ। জীববিজ্ঞানের উপরও আমার বেশ আগ্রহ, পাখি, উইপোকা, মৌমাছি'র উপরও পোস্ট আছে তো। :-)
হ্যাঁ, ডিটেইলস যাওয়া যেত। অনেক দিন পোস্ট দেয়া হয় না, তাই খবরটি পেয়ে দিয়ে দিলাম।
ভালো কাটুক সময়।
লেখক বলেছেন: হা হা হা, চোখে মাঝে মাঝে ভুল করাও আনন্দময়। আমি ভালো আছি; একটু ব্যস্ততা যাচ্ছে, তাই পোস্ট কম হচ্ছে।
ভালো কাটুক সময়।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। মাছটির তেমন বাণিজ্যিক মূল্য নেই, এর মানে সম্ভবতঃ মাছ ভাজা তেমন সুস্বাদু নয়। ![]()
তবে যে মাছের পূর্বপুরুষরা মিলিয়ন মিলিয়ন বছর ধরে পৃথিবীতে তাদের ঐতিহ্য অপরিবর্তিত রাখতে পেরেছে, তাকে সানন্দে পুষতে পারেন। ![]()
সৌম্য বলেছেন:
ম্যাভারিক দা, সীলুকান্ত নাকি সিলিকান্থ? ছোটবেলায় আব্দুল্লাহ আল মুতীর বইতে এই মাছের কথা পড়ছিলাম। জীবন্ত জীবাশ্মের রহস্যময় আবির্ভাব এই রকম নাম ছিল মে বি। ওখানে সিলিকান্থ নাম ছিল।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, বাংলার বতুতা।
বিভিন্ন উৎসের উচ্চারণে কিছুটা পার্থক্য থাকতে পারে। বিশেষ কোনো শব্দের জন্য, আমি সাধারণত মিরিয়াম-ওয়েবস্টার অভিধানের ইংরেজি উচ্চারণ অনুসরণ করি। প্রথমে ফনেটিক প্রতীকে বানানটি দেখি; তারপর এর সাথে মিলিয়ে, উচ্চারণটি কয়েকবার শুনে নিয়ে, তা বাংলায় লিখি, কারণ ফনেটিক প্রতীক থেকেও অনেক সময় উচ্চারণটি পুরোপুরি উদ্ধার করা যায় না। তারপরও বিভিন্ন উৎসে যে পার্থক্য থেকে যায়, তা কিছুটা ভৌগোলিক প্রভাবে হয়ে থাকতে পারে। এছাড়া, ভাষায় ধ্বনির চেয়ে প্রতীক কম, এটিও কিছুটা সমস্যা করে।
এক্ষেত্রে সীলুকান্ত শব্দটির শেষ বর্ণে হস চিহ্ন (...নত্) থাকার কারণে "ন্থ" লিখিনি, যদিও ইংরেজি বানানটি শেষ হয়েছে "...th" দিয়ে।
ঈদে এবার ভ্রমণ কোন রাজ্যে?
আতিকুল হক বলেছেন:
এই মাছের কথা অনেক পড়া এবং শোনা। কত কিছু যে আছে এই দুনিয়ায়।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, অনন্ত বিস্ময়ের এ পৃথিবী, কত রহস্য রে!
পড়া ও মূল্যায়নে ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
ইন্দোনেশিয়ান স্পিশিজ... ইন্টারেস্টিং হলো এদের শরীরের নিচের দিকের চারটা পাখনা, মনে হয় চারপেয়ে কোন প্রাণী মাছে বিবর্তিত হচ্ছে...
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা।
"...চারপেয়ে কোন প্রাণী মাছে বিবর্তিত হচ্ছে" তথ্যটি নতুন মনে হচ্ছে। কারণ "মাছটি বরং চারপেয়ে প্রাণীতে পরিণত হচ্ছে এবং এর ফসিল হচ্ছে সেই বিবর্তনের মিসিং লিঙ্ক", বিবর্তনবাদী বিজ্ঞানীরা এটি জোরালোভাবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছিলেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত বিজ্ঞান জগত ভূত দেখার মতো চমকে উঠল ১৯৩৮ সালে, যখন শত শত মিলিয়ন বছর ধরে টিকে থাকা এই প্রাণীটি পরিপূর্ণ মাছ হিসেবেই ধরা পড়ল ভারত মহাসাগরে। কাজেই আপনার তথ্যটি নতুন কোনো হাইপোথেসিস হয়ে থাকতে পারে।
ভালো থাকবেন।
পারভেজ রবিন বলেছেন:
@অপ্রয়োজন, এই মাছ বড় হলে যে আকার হয় তাতে আপনাকেই ভেজে খেয়ে ফেলতে পারবে। প্রথমে আপনার মত এই ভুলটা আমিও করেছিলাম। লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, মাছটি দশাশই হয়ে থাকে বটে। শিকার-শিকারী মিথষ্ক্রিয়া জটিল বটে! ![]()
পল্লী বাউল বলেছেন:
শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বাউল। ভালো কটুক সময়।
---
বলেন কি .... তাইলে তো এই মাছ থেকে দুরে থাকাই ভালো
লেখক বলেছেন: না, এমনিতে খুব শান্ত মিশুক মাছই মনে হয়, কাজেই কাছে গেলেও সমস্যা নেই। ![]()
তবে পৌরাণিক মাছটি পোষা হিসেবে চমৎকার হবারই কথা।
পারভেজ রবিন বলেছেন:
1938 সালের অাগে পর্যন্ত বলা হত এই মাছটি এমন সমেয় বিলুপ্ত হয়েছে যখন মাছটি চার পেয়ে প্রাণীতে বিবর্তিত হতে যাচ্ছিল। অার এখন বলা হচ্ছে চারপেয়ে কোন প্রাণী মাছে বিবর্তিত হচ্ছে। সুপার ইন্টারেস্টিং! লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা।
হ্যাঁ, এরকম বলাটা নিঃসন্দেহে নতুন হাইপোথেসিস হিসেবে বিবেচিত হবে, যা হবে বিস্ময়কর রকমের ইন্টারেস্টিং।
নুভান বলেছেন:
এত্তদিন পরে? কৈ ছিলেন ম্যাভেরিক দা?
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। আপনার ছবিটি জটিল হয়েছে। ![]()
ব্যস্ত ছিলাম ভাই বেশ কিছু দিন। আশা করি, ভালো আছেন।
লেখক বলেছেন: আরিব্বাস, আসলেই, উদ্ভাসিত হয়ে উঠে প্রাচীন পৃথিবী, একেবারে।
আশা করি, জীবন প্রবাহমান আনন্দে স্বস্তিতে।
ফারিহান মাহমুদ বলেছেন:
ভালো লাগলো মন্তব্য ১৪ পারভেজ রবিন@ আমাদের বাড়ির পাশে জঙ্গলে ছোটবেলায় ছোট ছোট গড়িয়াল (ঘইরল/গডজিলা) দেখতাম, এখন অনেক বড় বড় গড়িয়াল দেখি। অর্থাৎ, পৃথিবীতে ডাইনোসরের প্রত্যাবর্তন ঘটতে যাচ্ছে
লেখক বলেছেন: এ কী শোনালেন, ভাই! ভয়ে গা কাঁটা দিয়ে উঠল। ![]()
তবে গড়িয়ালগুলো কেন বড় হচ্ছে, গবেষণার বিষয় হতে পারে কিন্তু!
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
দারুণ!
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, এবং পৌরাণিক রোমাঞ্চকর। :-)
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, পৌরাণিক ইন্টারেস্টিং। ![]()
গড়িয়াল কি তাহলে ফারিহান ভাইয়ের সমানুপাতিক!!!
লেখক বলেছেন: আরে না, আপুনি, একেবারে শান্ত শিষ্ট, এমনকি লেজ-বিশিষ্ট, রাজসিক মৎস্য, অধিকারী সুপ্রাচীন ঐতিহ্যের। তোমার স্কুলে সানন্দে একে ভর্তি করে নিত পার। যা দিনকাল পড়েছে, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলে, মাছদের ভবিষ্যতও আজকাল উজ্জ্বল নয়!
প্রচেত্য বলেছেন:
দারুন তথ্য পাওয়া সম্ভব হইলো
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। পড়া ও মূল্যায়নে ধন্যবাদ।
রাগিব বলেছেন:
সিলুকান্থ ভাজা খেতে ইচ্ছে করছে। কিংবা দো-পেঁয়াজা। (তবে জঘন্য হবে বলে মনে হয়। ক্যাঙারুর বার্গার খেয়েছিলাম, রবারের মতো, এই চারপেয়ে মাছও সম্ভব ওরকম হবে)
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, রাগিব।
হ্যাঁ, দৃষ্টিনন্দন মাছটির ভাজা খেতে আসলেই ইচ্ছে করে, কিন্তু খোঁজ নিয়ে দেখলাম: হ্যাঁ, সুস্বাদু তো নয়ই, বরং পাকস্থলিকেই বিমর্ষ করে ফেলতে পারে এর স্বাদ। মূলত বিস্বাদের কারণেই, জেলেরা বহু বছর ধরে মাছটিকে চিনলেও, বিজ্ঞানীরা খুঁজে পেয়েছেন অনেক পরে।
ক্যাঙারুর বার্গার, আহা, খেতে মন চায়, রাবার হলেও! ভোজনসমঝদার (পেটুক না কিন্তু) হিসেবে নিজের অবস্থানটির উত্তরণ ঘটত। ![]()
নুভান বলেছেন:
রাগিব ভাই, ঘোড়ার মাংস-ও একই রকম। পাশের ল্যাবের এক উজবেকিস্তানি ছেলে নিয়ে এসেছিলো। ভাল্লাগে নাই লেখক বলেছেন: খাইছে, অশ্বমাংস ভক্ষণ! ভোজনরসিক হিসেবে আপনার স্থান তো অনেক উপরে। ![]()
নুভান বলেছেন:
ম্যাভেরিক দা, শুধু অশ্বমাংস কেন? অক্টোপাস হইতে শুরু করিয়া স্কুইড, ঈল হেন খাদ্য নাই যাহা দিব্যি পেটে চালান হয় নাই। অবশ্য সর্প, কুকুর পতঙ্গাদি ও শুকর হইতে বিশেষ নিরাপদ দুরত্ব বজায় রাখিয়া চলিয়াছি এই কোরিয়ান মুল্লুকে লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: খাইছে, ভোজনরসিক হিসেবে আপনার মর্তবা তো সুউচ্চে! ![]()
কুকুররা আপনাকে ভয় পায় না, ভালো খবর। শুনেছি, যমুনা সেতু নির্মাণের সময় কোনো কোরিয়ান দেখলে নাকি বাংলাদেশি কুকুরগুলো দৌড়ে পালাত!
লেখক বলেছেন: হা হা হা, বেশ চমৎকার বুদ্ধিদীপ্ত পরামর্শ, কে বলে আপনি বোকা ছেলে? ![]()
ভালো কাটুক ঈদ।
লেখক বলেছেন: ঈদ মোবারক। আনন্দময় হোক সময়, প্রিয় মুখদের সাথে।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, প্রিয় বাউল। ঈদ মোবারক। ![]()
লেখক বলেছেন: ঈদ মোবারক, ভাই।
হ্যাঁ, বিস্ময়কর এই প্রাণীটি সত্যিই কৌতূহলোদ্দীপক। তবে একে নিয়ে কম নাটক করেননি অনেক বিজ্ঞানী, যা নয় তা-ই প্রমাণ করার হাস্যকর প্রয়াস।
ভালো থাকবেন।
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন:
আমার একোরিয়াম এ কাচকি মাছ পালতে ইচ্ছে করে ! :-(
লেখক বলেছেন: কাঁচকি মাছ তো গভীর জলের মাছ, নদীর একেবারে তলদেশে থাকে, আপি। উঁচুতে এরা সাধারণত বাঁচে না। ধড় জাল নামের এক ধরণের জাল দিয়ে নদীর তলায় চিরুণী চালানোর মতো করে এদের ধরা হয়। একোরিয়ামের অল্প পানিতে এরা সাম্রাজ্য বিস্তারে রাজি হবে না। :-(
ভাল লেখা যথারীতি।
যদি ভুল না করি, তবে বিবর্তনবাদবিরোধীরা এই মাছের উদাহরণ টেনে আনতে বেশ পছন্দ করেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ভালো লাগল আপনাকে দেখে।
মাছটি খুব বিখ্যাত, আর বিবর্তনবাদীরা একে নিয়ে কম নাটক করেননি তো, তাই হয়তো বিবর্তনবাদবিরোধীরা একে উদাহরণ হিসেবে নিয়ে আসেন।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, নীলাভ, এবং সাদা ফুটকি খচিত।
আসলেই খুব সুন্দর।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
হ্যাঁ, সুস্বাদু তো নয়ই, বরং পাকস্থলিকেই বিমর্ষ করে ফেলতে পারে এর স্বাদ। --------------
এটাই মনে হয় কারণ এতো দীর্ঘ সময় পরেও নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার ।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, সম্ভবত।
এছাড়া গভীর জলের মাছও বটে এটি। ![]()
কোয়েলাকান্থ উচ্চারনটা টাং এর বিকৃত উচ্চারন ট্যনগু এর মতো।
লেখক বলেছেন: ইংরেজি বানান থেকে বাংলায় রূপান্তরিত করলে মোটামুটি সিলাকান্থ'ই দাঁড়ায়।
তবে উচ্চারণ শুনলে,
coe- = সি/সী (amoeba'র মতো)
-la- = লু (লা'র মতো নয়, অনেকটা ল + অ/উ-এর মাঝমাঝি শুনতে)
-canth- = কানত্/কানথ্ (হস ধ্বনির মতো)
সুপ্ত শিপন বলেছেন:
ভালো পোস্ট। ++






















