somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... “গুগল ডুডল ক্যাম্পেইন”- আমাদের প্রস্তুতি এবং আপনাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ!


তবে, আমরা জানি না আমাদের এই সাফল্য গাঁথা ইতিহাস কতটি দেশের মানুষ জানে। সবাই জানুক বা কয়েকজন, আমাদের লক্ষ আমাদের এই ইতিহাসকে পৃথিবীর সবার সামনে তুলে ধরবার। জানি আমাদের এই তুলে ধরার পথটি সহজ নয়। অনেক নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে আমাদের লক্ষে তীর ছুড়তে হবে।

আমাদের লক্ষ্যঃ
সামনের বছরের “২১শে ফেব্রুয়ারী”, “২৬শে মার্চ”, এবং “১৬ই ডিসেম্বর”- এই তিনটি দিনে যেন গুগল তাদের “ডুডল” ক্যালেন্ডারে আমাদের দেশের ইতিহাস হিসেবে স্থান দেয় এবং প্রতি বছর এই দিনগুলোতে আমরা আমাদের দেশকে সম্মানিত দেখতে পারি। তবে আমাদের প্রথম এবং প্রধান লক্ষ আপাতত একটিকে নিয়েই কাজ করা সেটা হল আমাদের “২১শে ফেব্রুয়ারী” আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। অন্ততঃ প্রতি বছর যেন এই দিনটিতে(২১শে ফেব্রুয়ারী) আমারা আমাদের ডুডল লোগো দেখতে পারি।

আমাদের প্রস্তুতিঃ
অনেকেই হয়তো প্রশ্ন করতে পারেন বা বলতে পারেন যে, একটি-ই কেন, তিনটাকেই করা হোক। আমরা বলতে চাই, “২১শে ফেব্রুয়ারী” আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এবং এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। তাই গুগল এটিকেই সর্বপ্রথম এবং হয়তো একমাত্র এটিকেই নিতে পারে আমাদের আবেদন সাপেক্ষে। তাই একসাথে অনেকগুলো চিন্তা না করে আমরা একটিকে নিয়ে ক্যাম্পেইন এর কাজ পরিচালনা করছি নিরলসভাবে।
কারণ, ধারনা করা হচ্ছে একসাথে তিনটা দিবসের ক্যাম্পেইন করলে একটাও একসেপ্ট নাও হবার সম্ভাবনা রয়েছে। আর একমাত্র আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে ২১ ফেব্রুয়ারিকেই আমাদের সামনে নিয়ে আসা উচিত। ২৬ মার্চ এবং ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের লোকাল ইভেন্ট তাই এই দুটো দিন যদি তাঁরা একসেপ্ট করে তবুও আমরা পাব শুধু এই লিংকেঃ
www.google.com.bd
এর ফলে সারা বিশ্ব বিষয়টা জানতেই পারবেনা। তিনটার জন্য একসাথে আবেদন করলে হয়ত দায় সারার জন্য একটা লোকাল ইভেন্ট চালু করে দেবে। যেমন ১৮.১২.১১ তারিখে সুইডেনে ছিলঃ
www.google.com/doodles/christoffer-polhems-350th-birthday
আর এটা এবং রাশিয়ায় ছিলঃ
www.google.com/doodles/yury-nikulins-90th-birthday
তাই আমার মতে ২১শে ফেব্রুয়ারি যেহেতু আন্তর্জাতিক দিবস তাই এটা নিয়েই আমাদের কাজ করা উচিত। এটা একসেপ্ট হলে পরে বাকিগুলোর জন্যও আমরা চেষ্টা করতে পারি।

গুগল “ডুডল”- কি,কোথায় এবং কেনঃ
প্রতি দিন বিশ্বের যত শ্রেষ্ঠ সন্তানদের জন্মদিন বা মৃত্যু দিবস, ঘটে যাওয়া কোন বিশেষ ঘটনা, কোন আবিষ্কারের এমন ঘটনা যা কোন মানুষ বা সম্প্রদায়কে স্মরণীয়-বরণীয় করে রেখেছে, কোন দেশের স্বাধীনতা বা বিজয় দিবস সহ এমন সব ঘটনা বা মুহূর্ত গুলোকে নির্দিষ্ট দিনে গুগল তাদের হোম পেজের লোগো এবং টাইটেল লেভেল দিয়ে বিশ্বের সামনে তুলে ধরে। এটাকেই আমার ডুডল বলি। আর এটা যেহেতু গুগলের একটি সেবা তাই গুগল তার নামের সাথে এটাকে সংযুক্ত করে দিয়ে “গুগল ডুডল” করেছে।
গুগল ডুডল সম্পর্কে আরও পড়তে চাইলে নিচের লিঙ্কে ভ্রমণ করুনঃ
http://www.google.com/doodles/about
এই পর্যন্ত ২০১১ সালের অন্যান্য সব ডুডল গুলো দেখতে নিচের লিঙ্কে ভ্রমণ করুনঃ
http://www.google.com/doodles/finder/2011/All doodles
আর শুরু থেকে অন্যান্য সব দেশের সব সালের ডুডল গুলো দেখতে চাইলে পেজের বামদিকের উপরে থেকে সাল ও দেশ সিলেক্ট করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কয়েক মিনিটের মধ্যেই সব দেখতে পারবেন।

আমাদের ক্যাম্পেইন কর্মসূচীঃ
ক্যাম্পেইনের কর্মসূচী হিসাবে আপনাদের অনেক কিছুই করতে হতো। আবার ব্যাপারটি এমনও নয় যে আমরাই সর্বেসর্বা। সবার অংশগ্রহণই এই ক্যাম্পেইনকে সফল করবে এটাই আমাদের সবার কাম্য। তদুপরি, আমার আপনাদের সবার কাজকে অনেক সহজ করে উপস্থাপন করছি সকল প্রকার দলিলসহ। আসলে গুগলের মত একটি জায়েন্ট এর কাছে এতো সহজেই একসেপ্টেবল হয় না। আবার অনেক ব্যাপার-ই সাদরে তারা গ্রহণ করেন। সাদরে গ্রহণ তখনই করবে যখন তারা সবকিছু সহজেই দেখতে এবং বুঝতে পারবে।
আর আমাদের ক্যাম্পেইন এর কাজের লক্ষ-ই ছিল কাজটি যেন সহজে এবং সুশৃঙ্খলভাবে সারা বাংলাদেশে সহ সকলদেশে বসবাসরত বাঙ্গালীরা অংশগ্রহণ করত পারেন সেভাবে ব্যবস্থা করা। আমারা কতটুকু সমন্বয় করতে পেরেছি তা আপনারাই মূল্যায়ন করবেন।

আমাদের প্রাথমিক অবস্থায় যা যা কাজ করতে হবেঃ-
যেহেতু আমরা সব কাজগুলো গুছিয়ে নিয়ে আজ থেকে ২/৩ দিনের মধ্যে গুগলকে আবেদন করবো, তাই আমাদের সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিতে আরও তিনটি কাজ রয়ে গ্যাছে। সেগুলো হল
১. একটি ইন্টারন্যাশনাল ইভেন্ট(ফেসবুকে বাংলার পাশাপাশি ইংরেজীতে);
২. একটি ফ্যান পেজ(ফেসবুকে বাংলার পাশাপাশি ইংরেজীতে);
৩. গুগল প্লাস ফ্যান পেজ(ফেসবুকে বাংলার পাশাপাশি ইংরেজীতে)।
যেহেতু গুগল প্লাস এখনও ইভেন্ট করার মত সুবিধা উন্মুক্ত করে দেয় নাই তাই আপাতত জি+ এর ইভেন্ট করা যাচ্ছে না। এই সুবিধা চালু হলে পরের ইভেন্টগুলোতে আমরা জি+ ইভেন্ট তৈরী করবো। তাই, উপরের পেজ এবং ইভেন্ট দুটোকে নিজ দায়িত্বে প্রোমোট করার দায়িত্ব আমাদের সবার। যত দ্রুত আমরা বেশি সাপোর্টার পাবো আবেদনের সাথে আমাদের সংযুক্ত তত জোরদার হবে। কারণ আমরা আমাদের আবেদন এর সাথে প্রমাণাদি আমরা সাবমিট করবো। তাই আমাদের দেশের স্বার্থে আমাদের পূর্ণ প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে।
আমাদের পাবলিক গুগল প্লাস পেজ লিংকঃ
http://gplus.to/googlebd
আমাদের পাবলিক ফেসবুক ইভেন্ট লিংকঃ
http://www.facebook.com/events/265528673501672/
আমাদের পাবলিক ফেসবুক ফ্যানপেজ লিংকঃ
http://www.facebook.com/BDGoogleDoodle
আমরা সবাই এই পেজ ও ইভেন্ট দুটিতে যোগাদান করে, দেশের ভাবমূর্তিকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে সচেষ্ট হবে এটাই সবার কাম্য। আর আবেদনের পূর্বের সকল আপডেট একসাথে পাবেন পেজ, ইভেন্ট এবং বিভিন্ন কমিউনিটি ব্লগ ও ফোরামে। তাই পেজ ও ইভেন্টের সাথে থাকুন এবং আপনাদের মতামত তুলে ধরুন।
কিভাবে, কোথায় আবেদন করবেন তা শীঘ্রই নিয়ে আসবো। সেই পর্যন্ত, সবাইকে ধন্যবাদ!
সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।
---------------------------------------------------------
মূল পোস্টটি লিখেছেনঃ আরিফুল ইসলাম শাওন।
লিংকঃ Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Mazedul/29508667 http://www.somewhereinblog.net/blog/Mazedul/29508667 2011-12-23 19:33:11
"সড়ক হোক নিরাপদ"
আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ সহ আরও পাঁচজন গুণী ব্যক্তিত্বের অকাল প্রয়ানে আমরা গভীর শোকাহত। আমরা চাই না এভাবে অমূল্য প্রাণ নিমিষেই হারিয়ে যাক। আসুন সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সোচ্চার হই, এই লিংকেঃ http://on.fb.me/SHNorg ক্লিক করে "সড়ক হোক নিরাপদ" শিরনামের ফেইসবুক পেজ এ যোগ দিন।

আমাদের লক্ষ্য সারাদেশব্যপী সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধের জন্য সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা, সড়ক দুর্ঘটনার কারণগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো নির্মূলে পদক্ষেপ নেয়া, দোষী ব্যক্তিদের শাস্তির মুখোমুখি করতে প্রয়োজনে প্রশাসনকে চাপ প্রয়োগ করা। আমরা এ বছর জুলাই থেকে এই কাজ শুরু করেছি প্রাথমিক পর্যায়ে বিভিন্ন চালকের সাক্ষাৎকার নেয়া হচ্ছে, তাঁরা সড়ক দুর্ঘটনার মূল কারণগুলো তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আমাদের জানাচ্ছেন। আমরা কেবল শুরু করেছি এরকম সময় আরেকটি আঘাত সবকিছু এলোমেলো করে দিল, আজ ১৩ আগস্ট আমরা বাংলাদেশের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ সহ আরও বেশকজন গুণী ব্যক্তিত্বকে চিরদিনের জন্য হারিয়ে ফেললাম। আর অপেক্ষা করার সময় আমাদের হাতে নেই, আর একটিও প্রাণ এভাবে যেতে দেয়া যায় না। আজ আমরা ফেইসবুকে এই পেজটি চালু করলাম। আমরা সারাদেশব্যপী আমাদের এই আন্দোলনকে ছড়িয়ে দিতে চাই। আশাকরি আপনারা আমাদের সঙ্গী হবেন। ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Mazedul/29431384 http://www.somewhereinblog.net/blog/Mazedul/29431384 2011-08-13 21:17:02
"দেয়াল" (গল্প)
দেয়ালের ওপারের বাড়িতে থাকে এক দম্পতি, তারা দুজনেই চাকরি করে অন্য শহরে, সকাল হলেই দুজনেই তাড়াহুড়ো করে কর্মস্থলে বেরিয়ে যায়। তাদের ছোট্ট মেয়ে পৃথা, দেখতে পুতুলের মত, বয়স সাড়ে তিন, তাকে সকালের খাবার খাইয়ে মা বেরিয়ে যায় কাজে, ফেরে সেই সন্ধের পর। বাকিটা সময় কাজের মেয়ে ফরিদা তার দেখাশোনা করে। ফরিদার দেশ পৃথার নানার বাড়ির পাশের গ্রামে, পৃথার নানীই বাধ্য হয়ে ফরিদাকে এই বাড়ির জন্য দিয়েছেন, মেয়ে-জামাই দুজনে বাইরে গেলে ছোট্ট পৃথাকে কে দেখবে? প্রথমে দেখার দায়িত্ব তারই ওপর ছিল, কিন্তু তিনি নিজ সংসার ছেড়ে আর কতদিন থাকবেন? গ্রামের বাড়িতে এত কাজ যে তার ছেলের বউরা সব একা সামলাতে পারেনা, তাই মেয়ের বাড়ি গিয়ে বেশি দিন থাকা হয়ে ওঠে না।

পৃথার মায়ের মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষ হবার পর মা যখন কর্মস্থলে যেত তখন সে নানীর কাছেই থাকতো, কখনো তার দাদী এসেও তার দেখাশোনা করত, কিন্তু বিপত্তি বাধে একটু বড় হবার পর মা বেরিয়ে যাবার পর-পরই কান্না জুড়ে দিত উচ্চস্বরে, কিছুতেই থামানো যেত না, এক সময় কাঁদতে-কাঁদতে ছোট্ট মেয়েটা ঘুমিয়ে পড়তো। এভাবে কিছুদিন চলার পর পৃথা মাকে ছাড়া থাকতে অভ্যস্ত হতে লাগলো। এরপর পৃথার নানী ফরিদাকে গ্রাম থেকে নিয়ে এসে নিজে বিদায় নিলেন। এখন সকাল বেলা মা টিভিতে কার্টুনের চ্যানেল চালু দিয়ে কর্মস্থলে চলে যায়, ফরিদা ঘরের কাজকর্ম করে। এখন সমস্যা একটাই দুপুর বেলা পৃথাকে খাওয়ানো, খাবার নিয়ে ফরিদা সামনে গেলেই পৃথার একটাই কথা “আম্মু আসলে খাব”, কিছুতেই তাকে খাওয়ানো যায়না, অনেক ভুলিয়ে-ভালিয়ে রাজা-রাণীর গল্প বলতে বলতে ধীরে ধীরে খাওয়াতে হয়। কিন্তু এভাবে একা থাকতে থাকতে পৃথা অন্য বাচ্চাদের তুলনায় নিরব প্রকৃতির হয়ে যেতে লাগলো। তার হাসি-কান্না-উচ্ছাস সবই অন্যদের চেয়ে আলাদা।

এর মাঝে একদিন মাঝরাতে মেঘের গর্জনে পুরো বাড়িটা কেঁপে উঠল, পৃথার ঘুম ভেঙে গেলো, ভয় পেয়ে সে মাকে জড়িয়ে ধরল। বৃষ্টি আর মেঘের গর্জন সমান তালে চলতে থাকলো। হঠাত্‍ বিকট শব্দে কোনও কিছু ভেঙে পড়ার আওয়াজ হল। পৃথার বাবা টর্চ হাতে বারান্দায় এসে দেখলো পাশের বাড়ির পুরো দেয়ালটি ভেঙে তাদের উঠোনের উপর পড়ে গেছে। মেজাজটাই বিগড়ে গেলো তার, পাশের বাড়ির আশফাককে এতবার বলার পরও ব্যবস্থা নিল না, ভেতরে এসে স্ত্রীর উপর রাগ ঝাড়ল, “আশফাককে এত করে বললাম যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে, তাই দেয়ালটি ভেঙে নতুন করে দিন, কিন্তু শুনল না”।

দেয়ালের অন্য প্রান্তে বিকট শব্দ শুনে আশফাক বেরিয়ে এসেছেন, বিদ্যুতের ঝলকানির মাঝে ভেঙে পড়া দেয়ালটির দিকে তাকিয়ে হতাশার দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছাড়লেন। এমনিতেই কিছুদিন হল তার ব্যবসার অবস্থা খারাপ যাচ্ছে আর এখন এই অবস্থা, নতুন করে এত বড় দেয়ালটি দিতে হবে, এ যে অনেক টাকার ব্যাপার। পরে নিজেকে নিজেই সান্তনা দিয়ে ভেতরে চলে গেল। ধীরে ধীরে ঝড়ের বেগ কমতে থাকলো।

পরদিন ভোরে পৃথার মা উঠোনে এসে হতাশ হয়ে গেলো, তার এত সাধের ফুলের বাগানে দেয়াল পড়ে সব তছনছ হয়ে গেল। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেক দুর্লভ গাছের চারা সংগ্রহ করে অনেক শখ করে এই বাগান সে নিজ হাতে গড়েছিল, আর এক রাতেই সব শেষ হয়ে গেল! তার সব রাগ গিয়ে পড়ল পাশের বাড়ির দম্পতির উপর। অপরদিকে আশফাক এসে অভিযোগ জানালো যে, “দেয়াল ঘেষে বাগানে পানি দেবার জন্য আপনার যে নালা কেটে দিয়েছেন তার ফলেই দেয়ালটি দুর্বল হয়ে এই অবস্থা হয়েছে। আপনাদেরকে নালা সরিয়ে নিতে বলার পরও আপনারা দেয়াল ঘেষে থাকা নালাটি সরিয়ে নেননি”। এর পর দুই পরিবারের মাঝে কিছু উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হল। পরে আশফাকের স্ত্রী সায়রা এসে স্বামীকে ভেতরে নিয়ে গেল। সায়রা পুরোদস্তুর গৃহিনী, সে কারো সাথে ঝামেলায় জড়ানো পছন্দ করেনা। সে স্বামীকে বোঝাল “হোক একটু কষ্ট আবার নতুন করে দেয়ালটি দিয়ে দাও”। আশফাকের মেজাজ তখন খারাপ হয়ে আছে, সে রেগে গিয়ে বলল, “ওরা তৈরি দেয়াল পেয়েছেতো তাই সুযোগ পেয়ে গেছে, কেন ওরা একটা সীমানা প্রাচীর দিতে পারেনা, সব দায়িত্ব কি আমাদেরই”? সায়রা স্বামীকে বুঝিয়ে ধীরে ধীরে শান্ত করল। আশফাক লোক ডেকে এনে ভেঙে পড়া দেয়ালের ইট গুলো সরিয়ে নেবার ব্যবস্থা করল। ঠিক করল দুই-তিন দিন পর দেয়াল তোলার জন্য মিস্ত্রী ধরাবে।

এসব তিক্ত ঘটনার পর পৃথার মা ব্যথিত মন নিয়ে অফিসে চলে গেল। পৃথা টিভি দেখছিল, হঠাত্‍ ইলেকট্রিসিটি চলে গেল, পৃথা ফরিদাকে খুঁজতে পাশের ঘরে গিয়ে দেখে ফরিদা ঘর ঝাড়ু দিতে দিতে একপাশে ঝাড়ুটি রেখে ঘুমিয়ে পড়েছে, পৃথা ডাকল “আপু তুমি ঘুমাচ্ছ কেন? ওঠো আমরা খেলি”। ফরিদা ঘুম জড়ানো কণ্ঠে বলল তুমি কার্টুন দেখো….” পৃথা বোঝানোর চেষ্টা করল, “কারেন্ট নেইতো”। কিন্তু ফরিদার আর কোনও সাড়া না পেয়ে সে উঠোনে বেরিয়ে আসল। আপন মনে এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ঘুরে বেড়াতে লাগলো, একসময় ভেঙে পড়া দেয়ালটির ফাঁকা যায়গায় এসে দাঁড়িয়ে অবাক চোখে পাশের বাড়ির দিকে উঁকি দিল।

সায়রা ঘরের কিছু কাজ সেরে চুলোয় রান্না বসিয়ে কাপড় ধুতে আসলো। আশফাক বাইরে চলে যাবার পর ছেলে দুটিও স্কুল চলে যায়, একটি ক্লাস সেভেনে পড়ে, বড়টি পড়ে ক্লাস নাইনে। আশফাক ইদানিং দুপুরের খাবার বাইরেই খেয়ে নেয়, আর ছেলেরা বিকেলে স্কুল থেকে এসে খায়। সবাই চলে যাবার পর সায়রা বড্ড একা হয়ে যায়, মূলত বাড়ির কাজ করেই তার সময় কাটে। কাপড়ে সাবান ডলতে গিয়ে হঠাত্‍ ডান দিকে চোখ গেল, দেখল ছোট্ট একটি মেয়ে দেয়ালের আড়ালে দাঁড়িয়ে অবাক চোখে তাকে দেখছে। সায়রা তাকে কাছে ডাকল, “তোমার নাম বুঝি পৃথা? আসো, আমার কাছে আসো”। পৃথা ভয় পেয়ে এক পা পিছিয়ে গেলো, কিন্তু চলে গেলো না। সায়রা আবার ডাকল। পৃথা আস্তে করে বলল, “তুমি কে”? “আমি তোমার আন্টি হই” জবাবে সায়রা বলল। পৃথা কাছে আসছে না দেখে সায়রা এগিয়ে গিয়ে তাকে কোলে তুলে নিলো। ঘরে নিয়ে এসে বলল, “কি খাবে বল”? পৃথা নিরব রইল। সায়রা তাকে একটি আপেল ধুয়ে খেতে দিল এবং ঘরের কাজ করতে করতে পৃথার সাথে কথা চালিয়ে গেলো।

ফরিদা ঘুম থেকে উঠে পৃথাকে না দেখতে পেয়ে ভীষণ ভয় পেয়ে গেলো, পুরো বাড়ি তন্ন-তন্ন করে খুঁজেও না পেয়ে ভেঙে পড়া দেয়ালের জায়গাটি দিয়ে পাশের বাড়িতে আসলো, দেখলো সায়রা পৃথাকে ভাত খাইয়ে দিচ্ছে। ফরিদা হাঁপাতে-হাঁপাতে বলল, “ভাবী ও আপনের কাছে কেমন করি আসলো? যাউক তাও খুজি পাইলাম, খুব পেরেশানির ভিতর ছিলাম, -আফাক কি জবাব দিম”। সায়রা বলল, “তুমি ওদের বাসায় থাকো? কোনও চিন্তা করনা, এখানে বস”, একটি পানির গ্লাস এগিয়ে দিল আর বলল, “পানি খেয়ে মাথা ঠান্ডা কর”। পৃথার খাওয়া শেষ হলে ফরিদা তাকে নিয়ে যেতে চাইলে সায়রা বলল, থাকুক না একটা দিন আমার কাছে”। “কিন্তু ভাবী.....আচ্ছা থাকুক কিন্তু ওর মা আসার আগে ওরে নিয়া যাইতে হবে”, উত্তরে ফরিদা বলল।


সন্ধার আগেই ফরিদা এসে পৃথাকে নিয়ে গেলো, যদিও তার যাবার ইচ্ছা ছিলনা। তার আগে সায়রার দুই ছেলে স্কুল থেকে ফিরে মায়ের সাথে হাসাহাসি করলো, “এইতো মা এতদিনে একটি মেয়ে পেয়ে গেছে.........”।

পরদিন, একই সময়ে পৃথা সায়রাদের বাসায় আসলো, ফরিদাও নিশ্চিন্তে যেতে দিল। কালকের পর পৃথার প্রাথমিক ভয় কেটে গেছে, সায়রার আন্তরিক ব্যবহারে সে সায়রাকে আপন ভাবতে শুরু করেছে।

দুপুর দুটা, কলিং বেল বেজে উঠল, ফরিদা ভাবল, হবে কোনও ভিখিরি, ইদানিং ভিখিরিরা খুব বিরক্ত করছে। ফরিদা দরজা খুলে চমকে উঠল, “আফা আপনি আইজ এত তাড়াতাড়ি”? “শরীরটা আজ ভালো নারে ফরিদা, মাথাটা খুব ব্যাথা, তাই ছুটি নিয়ে চলে আসলাম”, ভেতরে আসতে আসতে বলল পৃথার মা। ঘরে ঢুকে জিজ্ঞাসা করলো “পৃথা কোথায়”? ফরিদা ভীত গলায় বলল, “পাশের বাড়ির ভাবীর কাছে গেছে”। কথাটা শুনে পৃথার মা ভীষণ চটে উঠল, “তুই জানিসনা ওদের সাথে আমাদের সম্পর্ক ভাল না, আগে থেকেই ওরা আমাদের দেখতে পারে না আর এখনতো দেয়াল পড়ার পর আরো......আল্লাহ না জানি আমার মেয়েটাকে নিয়ে কি করছে, যা তুই এখনই পৃথাকে নিয়ে আয়”। ফরিদা দৌড়ে গেলো পাশের বাড়িতে, সায়রার কোল থেকে পৃথাকে নিতে গেলো, পৃথা অসম্মতি জানালো, “আমি যাবনা”। ফরিদা জোড় করতে লাগলো। সায়রা বলল, “থাকনা আমার কাছে, যেতে চাইছেনা যখন....” ভাবী ওর মা আসি খুব রাগ হইছে, নিয়া যাওয়াই লাগবে”। ফরিদা জোর করে পৃথাকে প্রায় কেড়ে নিলো সায়রার কোল থেকে, পৃথা কেঁদে উঠল, “আমি যাবনা....আমি যাবনা.....আমি আন্টির মেয়ে....”। কথাটা শুনে এবং ঘটনায় আকস্মিকতায় সায়রা হতবাক হয়ে গেলো, বুকের ভেতরটা মুচড়ে উঠল, কিন্তু তার কি সাধ্য অন্যের মেয়েকে আটকে রাখার? বরং তা উচিত্‍ না।

পরদিন পৃথার মা অফিসে যাবার আগে ফরিদাকে বলে গেলো, “আজ যাতে পৃথা ওদের বাসায় যেতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখবি”। মা চলে যাবার পর পৃথা যেতে চাইলে ফরিদা তাকে আটকাল, বলল, “যাওয়া হবেনা, তোমার মা মানা করছে”। এই কথা শুনে পৃথা উঠোন থেকে ইটের টুকরো কুড়িয়ে নিয়ে ফরিদার দিকে ঢিল ছুড়তে লাগলো। কিছুতেই পৃথাকে বোঝাতে না পেরে শেষে কোলে করে সায়রার কাছে নিয়ে এসে বলল, “ভাবী একে থামাইতে পারতিছিনা, আপনের কাছে আসার জন্যে কানতেছে, কিন্তু এরে বুঝান, পরতেক দিন এইরম করলে কেমনে চলবে? আইজ দিয়া গেলাম, কলিং বেলের শব্দ পাইলে আবার নিয়া যাব”।

বিকেলে ফরিদা এসে পৃথাকে নিয়ে গেলো। পরদিন আশফাক মিস্ত্রী ডেকে এনে কতটুকু ইট-সিমেন্ট-বালু লাগবে তা হিসেব করে কাজে ধরিয়ে দিল। ভেঙে পড়া দেয়াল থেকে যেসব ইট কাজে লাগানো যাবে তা পরিষ্কারের জন্য আলাদা লোক লাগিয়ে দিল। বাড়ির পেছন দিক থেকে দেয়ালের কাজ এগিয়ে চলতে থাকলো। আশফাক মিস্ত্রীদের সাথে কাজ তদারকি করতে বাড়িতেই থাকলো। পৃথা নিয়ম করে সেদিনও আসলো, সিড়িতে পা রেখে সায়রার পাশে আশফাককে দেখে থমকে দাঁড়াল, সায়রা আশফাককে বলল, “পাশের বাড়ির মেয়ে, দেয়াল ভেঙে যাবার পর থেকে রোজ আসে, সারাদিন আমার সাথেই থাকে”। শুনে আশফাক হেসে ফেলল, “তোমার মনে হয় নিজের মেয়ে না থাকার অতৃপ্তি এখনো থেকে গেছে”। আশফাক পৃথাকে কাছে ডাকল, কিন্তু সে আসলো না। সায়রা এগিয়ে এসে পৃথাকে কোলে নিলো। আশফাক বেরিয়ে গেলো মিস্ত্রীদের কাছে।

দেয়াল তৈরির কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে, প্রথম দিন এক তৃতীয়াংশ এগিয়ে গেলো। বড় দেয়াল হওয়ায় মিস্ত্রীরা পরামর্শ দিল দেয়ালটি দুটো অংশে ভাগ করতে, দুটো অংশের মাঝে একটা শক্তিশালী পিলার দেয়ার কথা বলল। আশফাক রাজি হল। বাড়ির পেছনদিক থেকে মাঝখানের পিলার পর্যন্ত দ্বিতীয় দিনেই সম্পন্ন হয়ে গেলো।

মাঝখানে একদিন শুক্রবার থাকায় পৃথার মা বাড়িতে ছিল, তাই সে সায়রার কাছে আসতে পারেনি, শনিবার আবার সে সায়রার কাছে আসলো, ততদিনে দেয়ালের অর্ধেক কাজ শেষ। রবিবার বাকি অর্ধেকের কাজ শুরু হয়েছে। সকাল নটা থেকে তুমুল গতিতে কাজ এগিয়ে চলছে। আজ পৃথার মা অফিস যেতে দেরি করছে, অফিসের উদ্দেশে বেরুতে আজ সকাল এগারোটা বাজিয়ে ফেলল। মা বেরিয়ে গেলে পৃথা উঠোনে এসে দেখলো দেয়াল দ্রুত বেড়ে চলেছে, দেয়ালের কিছু জায়গার উচ্চতা তার মাথা ছাড়িয়ে অনেক উপরে চলে গেছে আর কিছু জায়গার উচ্চতা আর কাঁধ পর্যন্ত এসে পৌঁছেছে। অবাক চোখে, ব্যথিত মন নিয়ে সে দেয়ালটির দিকে তাকিয়ে রইল।

এভাবে চলে গেলো অনেক সময়। পৃথার চোখের সামনে দেয়ালটির উচ্চতা বাড়তেই থাকলো, তার নিরব দৃষ্টি একসময় ঝাপসা হয়ে আসলো, দুচোখের কোন দিয়ে অবিরাম অশ্রুধারা ঝরতেই থাকলো।

সায়রা চুলোয় রান্না চড়িয়ে দিয়ে ঘরে এসে জানালা দিয়ে বেড়ে ওঠা দেয়ালটির দিকে দেখলো, তার বুকের ভেতরটা ফাঁকা হয়ে গেলো, সে দেয়ালের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলো, বোঝা গেলো না তার চোখেও জল ছিল কিনা, হয়তো সে নিজের কাছেই নিজের চোখের জল গোপন করতে চাইল।


কিছু কথা: প্রায় চার-পাঁচ বছর আগে এই গল্পটি লেখার কথা ভেবেছিলাম কিন্তু আলসেমির কারণে লেখা হয়নি। "দেয়াল" আমার লেখা প্রথম পূর্ণাঙ্গ ছোট গল্প, তাই ভুল-ত্রুটি থাকাটা স্বাভাবিক। ভুল-ত্রুটি হলে তা জানালে খুশি হব। গল্পে কাজের মেয়ে ফরিদা চরিত্রটির ভাষার ক্ষেত্রে রংপুর অঞ্চলের ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে, তবে সবাই যাতে সহজে বুঝতে পারেন এজন্য অপেক্ষাকৃত সহজবোধ্য ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। এই গল্পের সকল চরিত্র কাল্পনিক। কারো সাথে মিলে গেলে তা সম্পূর্ন কাকতালীয়। ধন্যবাদ সবাইকে।

লেখাটি একই সাথে আমার নিজের ব্লগে প্রকাশিত, আমার ব্লগের ঠিকানা: http://mazedul.blogspot.com/ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Mazedul/29256793 http://www.somewhereinblog.net/blog/Mazedul/29256793 2010-10-17 19:05:29
সকল ব্লগারগণের ফেইসবুক লিঙ্ক সংকলন (আপনার ফেইসবুক ইউজার নেমটা দখল করেছেনতো?) http://www.facebook.com/username/ এখানে ক্লিক করুন।

আজ সকাল ১০টা থেকে ফেইসবুক ইউজারনেম সিলেক্ট করার অপশন চালু করেছে।যার ফলে নিজ নামে ইউ,আর,এল (URL) নেওয়ার সুযোগ থাকছে।যেহেতু একই নামে অনেক ইউজার আছে তাই আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে নিজ নামে ইউজারনেম সিলেক্ট করতে পারবেন।যেমন আমি সিলেক্ট করলাম facebook.com/mazedul ফেইসবুকে যদি অন্যকোন মাজেদুল আমার আগে নামটা দখল করত তাহলে আমাকে নিতে হত mazedul1,mazedul2009 ইত্যাদি।তাই আর দেরি না করে তাড়াতাড়ি নিজ নামটি দখল করুন।আরো জানতে নিচের লিঙ্কে দেখুন।

Click This Link

নিচে ব্লগারগণের লিঙ্ক দেওয়া হলঃ

A

আমিনুল ইসলাম

B

বাঙ্গাল
বাংলা'র নবাব

C


D


E
এরং অথবা আমি

F

ফজলুল করিম
ফিফথ্‌নিক
""ফয়সল অভি ""

G

গাজী মো: সাইফুল ইসলাম

H

হাসান

I


J


K


L

লাভলুদা

M

মাজেদুল ইসলাম
মুহাম্মদ তসলিম
মুনীর উদ্দীন শামীম
মিঠুন ভাই
মুহম্মদ জায়েদুল আলম
মাজহার সৌরভ
মো. ইব্রাহীম হুসাইন

N

নরকের পাপী
নুভান
নিরব হাসি
নিস্সঙ্গ যোদ্ধা

O

অমাবশ্যার চাঁদ

P

প্রচেত্য

Q


R

রাগিব হাসান
রিয়াজুল ইস্‌লাম
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত
রিজভী
রনি রাজশাহী

S

শ।মসীর
~স্বপ্নজয়~
সাঈফ শেরিফ
সারওয়ার ইবনে কায়সার

T
তাজুল ইসলাম মুন্না
তাশফিকাল

U


V


W


X


Y


Z]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Mazedul/28963997 http://www.somewhereinblog.net/blog/Mazedul/28963997 2009-06-13 14:04:30
নিশ্চল আঁধার (গান)

কিছুদিন আগে "তুমি কি এখনো বন্ধু" শিরোনামে একটি গান পোস্ট করেছিলাম।সেই গানটি যারা শুনেছেন এবং মন্তব্য করেছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ আপনাদের প্রেরনা আমাকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।
আজ যে গানটা আপনাদের শোনাব তার শিরনাম "নিশ্চল আঁধার"।গানটি লিখেছেন শামীম পারভেজ।খুবই প্রতিভাবান একজন মানুষ,পেশায় লেখক।সুর আমার আর গেয়েছে ছোটন।গানটি ভাল লাগলে জানাতে ভুলবেন না।

বিঃ দ্রঃ গানটি বাসায় রেকর্ড করা তাই রেকর্ডিং কোয়ালিটি এবং মিউজিক এরেজমেন্ট খুব একটা ভালো হয়নি।

গানটির ফেইসবুক ভিডিও লিঙ্ক। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Mazedul/28963792 http://www.somewhereinblog.net/blog/Mazedul/28963792 2009-06-12 22:08:43
যে কথাগুলো না বলে পারলাম না ব্লগে প্রতিদিন নানা রকম লেখা আসে।ভালো লাগে সেসব লেখা পড়তে।তবে ব্লগে চার রকম পোস্ট (স্টিকি পোস্ট ব্যতিত) সবচেয়ে বেশি পঠিত হয়।

১.নাস্তিকতার সম্পর্কিত
২.ইসলাম সম্পর্কিত
৩.জামাত সম্পর্কিত
৪.তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কিত (টিপস)

এই বেশি পঠিত পোস্ট গুলোর মাঝে চার নম্বরটি শুধু মাত্র গালাগাল মুক্ত থাকে।ব্যক্তি আক্রমন এই ব্লগে নিষিদ্ধ হলেও প্রায়ই ব্যক্তি আক্রমন করা হয়।যেহেতু মডারেটরদের পক্ষে সব কমেন্ট মডারেশন করা সম্ভব নয়,তাই অনেক বাজে কমেন্ট থেকেই যায়।ব্যক্তি আক্রমন খুবই বাজে ব্যপার তবে তার চেয়ে আমার কাছে খারাপ লাগবে যদি কেউ শ্রী কৃষ্ণ,রাম,জিসাস,গৌতম বুদ্ধ অথবা হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) সম্পর্কে বাজে কথা বলে।ছোটবেলায় খবই কষ্ট পেতাম যখন আমার হিন্দু সহপাঠিকে অপর সহপাঠি তার ধর্ম নিয়ে ব্যঙ্গ করত,যথা সাধ্য চেষ্টা করতাম প্রতিবাদ করার।কিন্তু সেই ছোট বয়েসে তারা খুব কমই বুঝত,আমি নিশ্চিত এখন তারা তাদের কৃত কর্মের কথা মনে করে লজ্জিত হয়।কিন্তু সামহোয়ারের ব্লগাররা তো ছোট নয়,বরং তারা অনেক জ্ঞানী,অন্য ব্লগের ব্লগারের তুলনায় অনেক স্মার্ট,তারা কেনো এমন করবে?সুযোগ পেলেই রাসুল (সাঃ) আর কুরআন সম্পর্কে বাজে কমেন্ট।আমি যেকোনো উগ্র আচরনের বিপক্ষে,সেটা ধর্মীয় উগ্রবাদই হোক আর নাস্তিক উগ্রবাদি হোক।

নাস্তিক ব্লগারদের প্রতি কিছু কথাঃ

ধর্ম নিয়ে আমার কোন বাড়াবাড়ি নেই,প্রত্যেকে তার নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীন ভাবে পালন করবে এটাই আমার চাওয়া।সবাই চায় নিজে যা পছন্দ করে অন্যকেও তা করতে উদবুদ্ধ করা,তাই আপনারা চান সবাই নাস্তিক হোক।এতে দোষের কিছু নেই।কিন্তু বাই ফোর্স কোন কিছুই সম্ভব না,নিজের চরিত্রকে এমন করা উচিত যাতে মানুষ মুগ্ধ হয়ে আপনার মত হতে চায়,এটাই মূল কথা।মুক্তমনা সহ,প্রায় সব ব্লগেই নাস্তিকদের লেখা আমি পড়েছি।অভিজিত রায়,নাস্তিকের ধর্মকথা সহ অনেকেরই লেখা এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল।আপনাদের লেখা গুলো আমার ধর্ম বিশ্বাসের কোন ক্ষতি করেনি বরং আমার বিশ্বাসকে আরো মজবুত করেছে এবং ধর্ম সম্পর্কে জানতে আরো উদ্বুদ্ধ করেছে।এজন্য আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ।তবে আপনাদের মাঝে কিছু ব্লগার একটু কম বিনয়ী,তাদেরকে উগ্রবাদি বলা যায়,তারা আবেগ দিয়ে চলে।আবেগের বসে গালিগালাজ করা তাদের স্বভাব।যার যা স্বভাব এরা ধার্মীক হলে হত ধর্মীয় উগ্রবাদী।তবে সবাই এমন নয়।তবে আপনাদের লেখা নিয়ে আমার কিছু বলার আছে।আরবী ভাষায় একই শব্দের বিভিন্ন অর্থ রয়েছে,ইংরেজী ভাষাতেও একই শব্দের বিভিন্ন অর্থ রয়েছে।আরবী থেকে ইংরেজী করার সময় কিছু ভুল থেকে যাওয়া অস্বাভাবিক না,আর আপনারা যেহেতু ইংলিশ অনুবাদটা অনুসরন করেন তখন আবার একই শব্দের দুটো অর্থ থাকলে যেটা ইসলামের বিপক্ষে যায় আপনারা সেটাই গ্রহন করেন,এই মূহর্তে তেমন কোন উদাহরণ মনে পড়ছে না,তবে ব্লগার আকাশ পাগলার একটা যুক্তি তুলে ধরলামঃ Earth মাটিও হয় আবার পৃথিবীও হয়।কুরআনে যদি মাটিকে সমতল বলা হয়,তবে আপনারা বলছেন পৃথিবী সমতল।আর কিছু Tense ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে ঝামেলা থাকে।আপনাদের এই বিষয়ে যদি খুব বেশি তর্ক করার ইচ্ছা থাকে তবে আমি ফেইসবুকে কিছু গ্রুপের লিঙ্ক দিব,যেখানে সারা বিশ্বের মুসলিমরা শুদ্ধ ইসলাম প্রচারের কাজে নিয়োজিত আছেন।আশা করি সেখানে জবাব পাবেন।আর গালিবাজদের বলতে চাই আপনার বিশ্বাস নেই ভালো কথা কিন্তু যদি আপনাদের ধারণা ভুল হয়,যদি ঈশ্বর থেকেই থাকেন তবে কি দরকার নবী-রাসুলদের গালিগালাজ করে জীবনে (পরকালে) বিপর্যয় ডেকে আনার?তবে আমি বিশ্বাস করি মৃত্যুর পর যদি আত্মা (Soul) থাকে তবে ঈশ্বরও থাকবে।জানিনা বিজ্ঞান আত্বায় বিশ্বাস করে কিনা।

আস্তিক ব্লগারদের প্রতি কিছু কথাঃ

প্রায়ই আস্তিকরা কুরআন ও বিজ্ঞানের তুলনা করে নানা রকম পোস্টদেন,লেখা গুলো পড়লে বোঝা যায় কিছু ব্লগার ছাড়া প্রায় সবারই (আমার নিজেরও) বিজ্ঞান ও ধর্ম সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব আছে।এইসব পোস্টের কারণে নাস্তিকেরা সুযোগ পায় কুরআন ও রাসুল (সাঃ) কে অবমাননা করার।বুঝতে হবে যে কিছু কিছু অবিশ্বাসীর মতামত স্বয়ং রাসুল (সাঃ) পরিবর্তন করতে পারেনি।আমি মনে করি আমরা ইসলাম ধর্মের মানুষ হলেও আমাদের দেশের মানুষরা (আমি নিজেও) ধর্ম সম্পর্কে খুবই কম জানি,কিছু হইলেই বাসায় হুজুর ডেকে মিলাদ পড়াই আর এই অল্পশিক্ষিত কুসংস্কারাচ্ছন্ন হজুরদের হাতে ধর্মটা ছেড়ে দিয়েই আমারা জান্নাত পাইতে চাই।ভুলটা এখানেই,ধর্মে বিশ্বাসী হলে অবশ্যই সবাইকে ধর্ম সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে হবে।আর মানুষকে ধর্ম সম্পর্কে জানতে না দেওয়ার জন্য কিছু কিছু হুজুরের ভুমিকা আছে।কয়েকজন হুজুরকে আমাকে কুরআনের অনুবাদ পড়ার ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করেছিল।এখন সময় এসেছে এই মোল্লা তন্ত্র থেকে ইসলামকে মুক্তি দেবার।আফগানিস্তানে যখন হামলা হল তখন জুম্মার খুতবায় ঈমাম সাহেব মুনাজাতে বললেন আল্লাহ আমেরিকাকে তুমি ধ্বংস করে দেও,সেই ঈমামের মত ধারনা পোষণ করা মানুষের সংখ্যা এই দেশে কম নয়।তাদের কাছে আমার প্রশ্ন আমেরিকায় কত কজন মসুলিম আছে তার সংখ্যাটা জানা আছে?শুধু তাই নয় প্রকৃত মুসলমান কখনো কোন দেশ ও জাতির ধ্বংস চাইতে পারে না।প্রকৃত মুসলমান কখনো অন্য ধর্মকে হেয় করে না।এই সকল মোল্লাদের আচরন বাংলাদেশে নাস্তিক ব্যক্তির সংখ্যা বাড়াতে সহায়তা করে।মিলাদ পড়া জায়েজ কিনা এইটা নিয়া বিভিন্ন জন বিভিন্ন মতামত দেন,কিন্তু হুজুররা বিভিন্ন বাসায় বহাল তবিয়্যতে মিলাদ পড়ায়,খানা-পিনা মাশাআল্লাহ খারাপ হয় না।কিন্তু আপনারা শুনেছেন কিনা জানি না,আমি কখনো দেখিনি অথবা শুনিনি কোন হুজুরের বাসায় মিলাদ পড়ানো হয়েছে।মসজিদে অথবা ওয়াজ-মহফিলে তাদের বক্তৃতা জুড়ে থাকে নামাজ না পড়লে দোযখের আগুনে পুড়তে হবে,আর মহিলাদের পর্দা না করলে অমুক হবে,তমুক হবে।কিন্তু সৎ কর্ম কিংবা পরপকার সম্পর্কিত কথা তারা বলে না বললেই চলে,ইসলামকে এরা কঠিন করে উপস্থাপন করে।মুসলমান হিসেবে একজন মানুষের চরিত্র কেমন হওয়া উচিত এইসব কথা তারা এড়ায় যায়।বাংলাদেশে উদার,জ্ঞানী ও পরপকারী মুসলমান সৃষ্টি না হবার পেছনে এসব কারন দায়ী।কিভাবে মানুষ শিখবে?গ্রাম-গঞ্জের মাদ্রাসা গুলোতে যারা পড়াশোনা করছে তারা তাদের কুসস্কারাচ্ছন্ন শিক্ষকদের কাছে ইসলামের প্রকৃত আলো কিভাবে পাবে?আর জামাত-শিবিরদের জিহাদ-জিহাদ করে চিল্লাচিল্লি তো লেগেই আছে।মুসলমান হইতে গেলে আগে নিজে ভালো হতে হবে,অন্যের উপকার করতে হবে,আমরা ভালো হলেই শুধুমাত্র আমাদের দেখে মানুষ আমাদের ধর্মকে ভাল বলবে।আমাদের দেশে মসলিমদের মাঝেও অনেক বিভেদ,যেমন-তাবলীগ,জামাত,পীরের অনুসারী ইত্যাদি ইত্যাদি।এরা সবাই নিজের মত করে নিজস্ব মতামত নিয়ে ধর্ম পালন করছে,সোজা কথায় ইসলামের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করছে।সকল আস্তিক মানুষদের প্রতি আমার আহবান,আল্লাহ আপনাদেরকে কুরআন দিয়েছেন,নবীর উপদেশ বানী নিয়ে আছে হাদিস গ্রন্থ,আপনারা এগুলো অধ্যয়ন করুন,দেখেবন ইসলাম কত মহৎ,কত সহজ।কেনো আপনারা নানা সম্প্রদায়ের কথা শুনে নিজেদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করেন?দেখুন আজ পাকিস্তানে মসজিদে বোমা হামলা হয়,কি কারণে?নিজেদের মাঝে বিভেদের কারণে।উন্নত বিশ্ব চায় আমাদের মাঝে বিভেদ বাড়ুক,তারা এই বিভেদ বাড়ায় এর ফায়দা লুটতে চায়।একদিন আমাদের দেশেও এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে সচেতন না হলে।আর অন্য ধর্মের মানুষদের তাদের ধর্ম নির্বিঘ্নে পালন করার পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।আমরা আমাদের মহত্ব দিয়েই শুধু অন্য ধর্মের মানুষের কাছে যেতে পারব।শক্তি প্রদর্শন করে তা কখনোই সম্ভব না।


ইসলাম ও বর্তমান বিশ্বঃ

বর্তমানে ইসলাম বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল ধর্ম।পশ্চিমা দেশ গুলোতে অন্যধর্মের মানুষরা ইসলামে কনভার্ট হচ্ছে প্রায় প্রতিদিন।আমি কনভার্ট হওয়া কিছু মুসলিমের সাথে কথা বলেছি,তাদের মাঝে বাঙ্গালীও আছে,আমি দেখেছি তাদের ঈমান আমাদের (যারা জন্মসূত্রে মুসলিম) চেয়ে শক্ত,কারণ তারা জেনে বুঝেই কনভার্ট হয়েছে।তাদের কারণে পশ্চিমা বিশ্ব ভীত,এখন প্রশ্ন হল এত অপপ্রচার সত্ত্বেও তারা কেনো ইসলামের দিকে ঝুকছে?কারণ তারা বুঝতে শুরু করেছে একটা সম্প্রদায়ের সাথে দীর্ঘদিন থেকে অন্যায় করে যাচ্ছে পশ্চিমা বিশ্ব।পৃথিবীর সবখানেই এখন ইসলামকে হেয় করাকেই প্রগতিশীলতা মনে করা হয়।আল্লাহ,রাসুল (সাঃ) ও কুরআন সম্পর্কে কটুক্তি করাকে বাক স্বাধিনতা বলে,আর অন্য ধর্মের ব্যাপারে কিছু বললেই তার জীবনে বিপর্যয় নেমে আসে (যদি সে মুসলমান নাও হয়)।নিচের ভিডিওটি দেখুন।আশা করি বোঝা যাবে।



অন্যদিকে আমেরিকা রাশিয়াকে নাস্তানাবুদ করতে লাদেন ও তালিবানদের উত্থান ঘটিয়ে,তাদের হাতে অস্ত্র দিয়ে স্বার্থ হাসিল হবার পর তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে গোটা পৃথিবীর মুসলিম সমাজকে সন্ত্রাসি হিসেবে প্রমানের অপচেষ্টা করেছে।এখন মার্কিনীরাও বিশ্বাস করে যে টুইন-টাওয়ারে হামলা যুক্তরাষ্ট্রের ভেতর থেকেই করা হয়েছে।বিশ্বব্যপী ইসলামের বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্র চলছে তার ফল আমরাও ভোগ করছি,এর সাথে কিছু মুসলিম নামধারী ব্যক্তিরাও জড়িত আছে।ইচ্ছাকৃত ইসরাইল-প্যালেস্টাইন সমস্যা জিইয়ে রেখে লাখ লাখ নিরীহ মানুষের জীবন বিপন্ন করা হচ্ছে।ইরাক ও আফগানীস্তানে সন্ত্রাস দমনের নামে বহু নিরপরাধ প্রান কেড়ে নেওয়া হয়েছে।সমাজ বিজ্ঞানীরা বলেছেন injustice (অবিচার) সন্ত্রাস সৃষ্টির অন্যতম কারন।পশ্চিমা বিশ্বের এসব নীতি জঙ্গিবাদ সৃষ্টির জন্য অনেকাংশে দায়ী।বারাক ওবামা কিছুটা হলেও উপলব্ধি করতে পারছেন বলেই আমার মনে হয়,কারণ ইতিমধ্যেই ইরানে সরকার পতনকে প্রভাবিত করার কথা স্বীকার করেছেন (রিপোর্ট আজকের প্রথম আলো)।
সবশেষে আমার চাওয়া গোটা পৃথিবীতে শান্তি ফিরে আসুক।সকল অবিচার বন্ধ হোক,সকল জঙ্গী এবং উগ্রবাদী কর্মকান্ড নিশ্চিন্ন হোক।আর এই ভালোলাগার ব্লগ হোক গালাগাল মুক্ত।

বিঃদ্রঃ আমার লেখা অনেকের ভালো নাও লাগতে পারে,কারো মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে দুঃখিত।মানুষ ভুলের উর্ধ্বে নয়,আমারো কিছু ভুল হয়ে থাকতে পারে।সবাই ভালো থাকুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Mazedul/28961147 http://www.somewhereinblog.net/blog/Mazedul/28961147 2009-06-06 23:01:53
আমার একটি গান আপনাদের শোনাতে চাই

শিরোনামঃ তুমি কি এখনো বন্ধু
কথা ও সুরঃ মাজেদুল ইসলাম
কন্ঠঃ ছোটন

পেছনের কথাঃ
ছোট বেলা থেকেই খুব গান শুনতাম,আর ভাবতাম যদি আমি এমন গান লিখতে আর সুর করতে পারতাম! যখন একা থাকতাম মাঝে মাঝে গুন গুন করে সুর করে ফেলতাম,আবার ভুলেও যেতাম।কবিতা লেখার অভ্যাস পেয়ে বসে একসময়।কিন্তু কাউকে দেখাতাম না।দশম শ্রেণীতে পড়ার সময় আমার খাতায় এক ছেলে কবিতা দেখে জোর করে নিয়ে তার চাচার পত্রিকায় ছাপিয়ে দেয়।পত্রিকার কপি নিয়ে আসলাম বাসায় যেদিন সেদিন প্রথম আম্মাকে দেখাই।আম্মা পড়ে অবাক হয়ে বলল কারো নকল করিসনিতো?মেজাজটাই গেলো বিগড়ে।থাক আজ থেকে কারো দেখার দরকার নেই।
এর পর ১৯৯৯ সালে ট্রেনে নানা বাড়ি যাচ্ছিলাম,যেতে যেতে হঠাৎ মাথায় কিছু সুর চলে আসে।পৌছানোর পরই আগে খাতা নিয়ে লিখে ফেলি জীবনের প্রথম পূর্নাঙ্গ গান।২০০৩ সালে এক বড় ভাইয়ের সাথে পরিচয় হয়।তার নাম শামীম পারভেজ।তিনি তার করা কিছু গান আমাকে শুনান,পরে আমিও তাকে আমার গান শোনাই।তারপর ঠিক হল আমরা দুজনে মিলে একটা মিক্সড এ্যালবামের কাজ করব।২০০৭ সালে আমারা বাসার কম্পিউটারে কিছু Demo গান রেকর্ড করি।কিন্তু নতুনদের গান গেয়ে কেউ রিস্ক নিতে চায় না।তাই রাগ করে ভেবেছিলাম গান ছেড়ে দেব,যে গান আমার কাছে জীবনের মত।খুব কম মানুষকে আমার গান শুনিয়েছি,ব্লগে প্রকাশ করব তা কখনো ভাবিনি,তবে কয়দিন থেকে ভাবছি ব্লগে দেব।আজ ফেইসবুকে দিয়েছি,মোটামুটি সাড়া পাচ্ছি।রেকর্ডিং কোয়ালিটি এবং গায়কির দুর্বলতা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।গানের কথা ও সুরের গঠনমূলক সমালোচনা আশা করছি।

গানটির ফেইসবুক ভিডিও লিঙ্ক। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Mazedul/28959379 http://www.somewhereinblog.net/blog/Mazedul/28959379 2009-06-02 23:23:50
যারা খাবারে ভেজাল মেশায় তাদের কি করা উচিত? http://www.somewhereinblog.net/blog/Mazedul/28863477 http://www.somewhereinblog.net/blog/Mazedul/28863477 2008-11-02 14:18:38 ইংলিশ গানের ভক্তদের বলছি......(সঙ্গত কারনে রি-পোস্ট)
আমাদের মাঝে অনেকেই আছেন যারা ইংলিশ গান খুব পছন্দ করেন কিন্তু পছন্দ অনুযায়ী শিল্পীর সিডি বাজারে খুজে পান না, অথবা পান অনেক দেরিতে। তাদের জন্য একটি Link দিচ্ছি http://thepiratebay.org/ এটা একটি Bit Torrent source. এখানে সব গান বিনামূল্যে পাওয়া যায়। ওয়েব পেইজটি চালু হবার পর search box এ singer অথবা album এর নাম লিখে search এ ক্লিক করুন। এর পর search result আসার পর আপনার কাঙ্ক্ষিত ফাইলটি ডাউনলোড করুন। ডাউনলোড করার পর দেখতে পাবেন একটি torrent ফাইল ডাউনলোড হয়েছে। এর পরের কাজ হল torrent ফাইল থেকে mp3 অথবা অন্য যাই থাকুক না কেন সেটা ডাউনলোড করা। torrent ফাইল থেকে mp3, wma, pdf, vob, mpg, avi ইত্যাদি ডাউনলোড করতে আপনার প্রয়োজন হবে একটি Bit Torrent Clint. বিনামূল্যে যেসব Bit Torrent Clint পাওয়া যায় তার মধ্যে uTorrent সবচে শক্তিশালি আর হাল্কা প্রগ্রাম। uTorrent ডাউনলোড করতে হলে http://www.utorrent.com/ এ লিঙ্ক এ গিয়ে ডাউনলোড করুন।এর পর uTorrent setup করুন। এখন যদি uTorrent setup আর আপনার কাংখিত গান, ভিডিও অথবা ইবুক এর torrent ফাইল ডাউনলোড হয়ে থাকে তবে আপনার torrent ফাইলটিতে ক্লিক করলে ফাইলটি uTorrent দিয়ে open হবে। এরপর OK ক্লিক করুন। এখন ধীরে ধীরে আপনার কাঙ্খিত mp3, wma, pdf, vob, mpg, avi ডাউনলোড হতে থাকবে। এ পদ্ধতিতে ডাউনলোড resume supported. এ পদ্ধতিতে একসাথে একাধিক album ডাউনলোড করা যায়। কোনো প্রশ্ন থাকলে মেইল করুন mazedul.islam@জিমেইল.com]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Mazedul/28856924 http://www.somewhereinblog.net/blog/Mazedul/28856924 2008-10-19 17:47:16
ইংলিশ গানের ভক্তদের জন্য বলছি...... http://thepiratebay.org/ এটা একটি Bit Torrent source. এখানে সব গান বিনামূল্যে পাওয়া যায়।ওয়েব পেইজটি চালু হবার পর search box এ singer অথবা album এর নাম লিখে search এ ক্লিক করুন। এর পর search result আসার পর আপনার কাঙ্ক্ষিত ফাইল ডাউনলোড করুন। ডাউনলোড করার পর দেখতে পাবেন একটি torrent ফাইল ডাউনলোড হয়েছে। এর পরের কাজ হল torrent ফাইল থেকে mp3 অথবা অন্য যাই থাকুক না কেন সেটা ডাউনলোড করা।torrent ফাইল থেকে mp3, wma, pdf, vob, mpg, avi ইত্যাদি ডাউনলোড করতে আপনার প্রয়োজন হবে একটি Bit Torrent Clint. বিনামূল্যে যেসব Bit Torrent Clint পাওয়া যায় তার মধ্যে uTorrent সবচে শক্তিশালি আর হাল্কা প্রগ্রাম। uTorrent ডাউনলোড করতে হলে http://www.utorrent.com/ এই লিঙ্ক এ গিয়ে ডাউনলোড করুন। এর পর uTorrent setup করুন। এখন যদি uTorrent setup আর আপনার কাংখিত গান, ভিডিও অথবা ইবুক এর torrent ফাইল ডাউনলোড হয়ে থাকে তবে আপনার torrent ফাইলটিতে ক্লিক করলে ফাইলটি uTorrent দিয়ে open হবে। এরপর OK ক্লিক করুন। এখন ধীরে ধীরে আপনার কাঙ্খিত mp3, wma, pdf, vob, mpg, avi ডাউনলোড হতে থাকবে। এ পদ্ধতিতে ডাউনলোড resume supported. এ পদ্ধতিতে একসাথে একাধিক album ডাউনলোড করা যায়। কোনো প্রশ্ন থাকলে মেইল করুন mazedul.islam@জিমেইল.com]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/Mazedul/28855991 http://www.somewhereinblog.net/blog/Mazedul/28855991 2008-10-17 17:47:22